Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিবাহ ও নৈতিকতা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প221 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. গণিকাবৃত্তি

    যতদিন অবধি সম্মানীয়া রমণিয়া রমণিদের চারিত্রিক পবিত্রতাকে যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত করা হবে, ততদিন বিবাহ প্রথাকে আরেকটি অভাবপূরক প্রথা দ্বারা পরিচালিত করা উচিত। প্রকৃত অর্থে যাকে বিবাহের এক অংশ বলা যায়, আমি সেই গণিকাপ্রথার কথা বলতে চাই। সকলেই হয়তো উলফের লেখনির কথা জানে, উনি গৃহের পবিত্রতা এবং আমাদের স্ত্রী-কন্যাদের শারীরিক শুচিতার প্রতিষেধক হিসেবে গণিকাবৃত্তির স্বপক্ষে যুক্তির অবতারণা করেছেন।

    এই আবেগ হলো ভিক্টোরিয়ান যুগের। প্রকাশভঙ্গি সুপ্রাচীন কালের, কিন্তু সত্যটিকে অস্বীকার করা যাবে না। নৈতিকতাবাদীরা উলফকে নিন্দা করেছেন, কেননা তার মন্তব্য তাদের ক্ষুব্ধ করেছে, যদিও সেই ক্রোধের কারণ তারা জানেন না। এবং তারা এখনো উলফের মন্তব্যকে মিথ্যা প্রমাণে সফল হয় নি।

    নৈতিকতাবদীরা সঙ্গত কারণেই এই সিদ্ধান্ত পোষণ করে যে, যদি পুরুষরা উলফের মন্তব্যকে অনুসরণ করে তাহলে গণিকাপ্রথার অবলুপ্তি ঘটবে। কিন্তু উফল নিজেই জানতেন পুরুষরা তা করবে না। কাজেই সম্ভাব্য পরিণতির বিষয়টি অম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।

    অনেক পুরুষ অবিবাহিত থাকে অথবা ভ্রমনের সময় তাদের স্ত্রীদের সান্নিধ্য পায় না। এই সকল ঘটনা থেকে গণিকাবৃত্তির উদ্ভব। ঐ জাতীয় পুরুষ সংযমের মধ্যে প্রহর অতিবাহিত করতে সক্ষম হয় এবং যেহেতু তারা ঐতিহ্যগতভাবে সম্মানিত গোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত, সেই কারণে সম্মানিয়া মহিলাদের ব্যবহারযোগ্য করতে পারেন না।

    ঐ পুরুষদের দৈহিক চাহিদা পূরণের জন্য সমাজ একশ্রেণির মহিলাকে পৃথক করে রেখেছে যাদের অনুভূতি লজ্জাজনকভাবে সম্পূর্ণ অতৃপ্তির মধ্যে রক্ষিত হলে ভীতিসঞ্চালক হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে গণিকাদের যথেষ্ট সুবিধা আছে, এক মুহূর্তের প্রয়োজনে সে সাড়া দিতে পারে, জীবিকার বাইরে কোনো জীবন না থাকায় সে সহজেই লুকিয়ে থাকতে পারে। এবং যে পুরুষ তার সঙ্গ লাভ করেছিল সে আবার নিজের স্ত্রী পরিবার ও ধর্মের কাছে ফিরে আসে সুমহান সম্মান নিয়ে।

    একজন গণিকা সম্ভবত গরিব মেয়ে এবং যে স্বীকৃত সেবা করে, স্ত্রী-কন্যাদের পবিত্রতা রক্ষাকল্পে যে ত্যাগ সে স্বীকার করে, ধর্মতাত্ত্বিকদের কাল্পনিক পূণ্য রক্ষার জন্যে সে জীবন বিসর্জন দেয়, তথাপি তাকে সার্বজনীনভাবে ঘৃণা করা হয়।

    তাদেরকে সমাজচ্যুত হিসেবে মনে করা হয় এবং ব্যবসা ছাড়া তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে পারে না। খ্রিস্টধর্মের বিজয়ের সঙ্গে সঙ্গে এই অমানবিক অবিচার শুরু হয়। এবং তখন থেকে এটি চলে আসছে। একজন গণিকার প্রকৃত অপরাধ হলো এই যে সে নৈতিক পেশার প্রতি শূন্যগর্ভ মনোভাব পোষণ করে।

    ফ্রয়েডীয় নিয়ন্ত্রণ রক্ষার ভাবনাগুলি অনুসরণ করলে আমরা তাকে অবচেতনা থেকে উৎপাটিত করতে পারি।

    তাই বলা যেতে পারে যে, ঐ নির্বাচনের মধ্যেও তার নির্বিকল্প ভাবতন্ময়তার প্রকাশ ঘটাতে পারে

    মধ্যরাতের বনে ভ্রমণ করে আমি
    শুনেছি যৌবনা গণিকার নাভিপদ্ম
    নবজাত শিশুর কান্না যখন বিস্ফোরণ
    তখনই বেজেছে মিলনের বিচিত্র ঝঙ্কার।

    আগে বারাঙ্গনা প্রথা আজকের মতো কলঙ্কিত ও গোপনীয় ছিল না। প্রথম যুগে এটি ছিল সুউচ্চ পদ্ধতি। প্রাথমিক যুগে গণিকারা দেবতাদের উদ্দেশ্যে নিবেদিতা হয়ে পুরোহিতের ভূমিকা পালন করত এবং ভ্রাম্যমান অতিথির সেবায় দেবার্চনার অনুভূতি আস্বাদন করত। সে যুগে তার প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করা হত এবং পুরুষরা তাকে শ্রদ্ধা করত। খ্রিস্টান ধর্মযাজকরা নানা বক্তব্যসহকারে এই পদ্ধতির বিরুদ্ধাচরণ করেছেন এবং তাঁরা প্রমাণ করেছেন, এই প্রথার উৎস হলো পৌত্তলিক উপাসনার মধ্যে এবং তা বিস্তৃত হয়েছে শয়তানদের মারাত্মক কল্পনা প্রবণতায়।

    মন্দিরগুলি বন্ধ হয়ে যাবার পর গণিকাবৃত্তি লাভজনক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলো। অবশ্য গণিকাদের ব্যক্তিগত লাভ হত না কিন্তু লাভ হত সেই সব মানুষদের, তার যাদের ক্রীতদাসী করে রেখেছিল। কিছুদিন আগে অবধি একক গণিকাপ্রথা প্রচলিত হয় নি অথচ বর্তমানে এই ব্যবস্থাই দেখা যায়। সেযুগে তারা দলবদ্ধভাবে গণিকালয়, স্নানাগার অথবা কুখ্যাত পল্লীতে সববাস করত।

    ধার্মিক গণিকাবৃত্তি থেকে ব্যবসায়িক বারাঙ্গণা প্রথায় রূপান্তরের পদ্ধতিটি ভারতবর্ষে এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। মাদার ইন্ডিয়া গ্রন্থের লেখিকা ক্যাথারিন মেয়ো (Katherine Mayo) দেখিয়েছেন যে, ভারতে এখনো ধার্মিক গণিকাবৃত্তি রয়ে গেছে এবং এই কারণে তিনি ঐ দেশের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করেন। দক্ষিণ আমেরিকা ভিন্ন অন্যত্র গণিকা প্রথা অবলুপ্তির পথে। অংশত জীবনযাত্রার পরিবর্তন এর জন্য দায়ী, কেননা আগের চেয়ে বেশি পরিমাণে ব্যবহারযোগ্য মহিলাদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। এবং অংশত এটি নির্ভর করছে এই সত্যের ওপর যে, অনেক বেশি সংখ্যক রমণিরা পুরুষদের সঙ্গে বহিঃবৈবাহিক সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী। সেই আকাক্ষার অন্তরালে আছে শুধুই আবেগ, ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি নেই।

    অবশ্য আমি মনে করি না যে, গণিকাপ্রথাকে সম্পূর্ণভাবে অবলুপ্ত করা সম্ভব হবে। দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা পথে যেসব নাবিকেরা ঘর ছেড়েছে তারা যখন ভূখন্ডে উপনীত হয়, তাদের কাছ থেকে নিশ্চয় প্রেমসিক্ত অভিব্যক্তি আশা করা যায় না। চিন্তা করুন, বিপুল সংখ্যক সেই পুরুষদের কথা যারা বিবাহিত জীবনে অসুখি এবং স্ত্রীদের ভয় পায়। বাড়ির বাইরে যাবার সময় এই জাতীয় পুরুষেরা সহজপ্রাপ্য সাহচর্য ও অবসর অন্বেষণ করবে। সেই কারণে তারা মনোবাহ্যিক কর্তব্যেবোধ থেকে মুক্তি পেতে আগ্রহী।

    তবে গণিকাবৃত্তিকে তার ন্যূনতম সীমানার মধ্যে সংরক্ষিত রাখার অন্তরালে গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি আছে। এটিকে তিনটি কারণে নিন্দনীয় বলা যায়: প্রথমত, জাতির স্বাস্থ্য রক্ষার কথা ভাবতে হবে; দ্বিতীয়, নারীজাতির মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতির কথা চিন্তা করা .. উচিত; তৃতীয়ত, পুরুষ জাতির মনস্তাত্ত্বিক অবনতি সম্পর্কে ভাবতে হবে।

    এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যরক্ষার ব্যাপারটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানত গণিকাদের মাধ্যমে যৌনরোগ বিস্তৃত হয়। সম্পূর্ণ শুদ্ধ চিকিৎসা সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গণিকাদের নামাঙ্কিত করা এবং পর্যায় অনুসন্ধান করার কাজকে যথেষ্ট সফল হিসেবে গণ্য করা হয় নি। কেননা, এ ব্যাপারে রক্ষিবাহিনী ভুল তথ্য সংগ্রহ করে এবং এমন অনেক রমণি আছে যারা ব্যবসায়িক বারাঙ্গণা হওয়ার কোনো ইচ্ছা করে না, কিন্তু অনিচ্ছাকৃতভাবে এই আইনগত সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়। অবশ্য আরও সতর্কভাবে যৌনরোগের সমস্যাটির মোকাবিলা করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র পাপবোধের শাস্তি হিসেবে ভাবলে চলবে না।

    অগ্রিম নিরাপত্তা গ্রহণ করে এই রোগের ভয়ঙ্করতাকে হ্রাস করতে হবে এবং সেই কারণে পাপবোধের ব্যাপারটিকে বাদ দেওয়াই উচিত। যাদের যৌনরোগ আছে তারা সামাজিক কলঙ্কের কথা চিন্তা করে চিকিৎসা কার্যে গাফিলতি করে। এই জাতীয় যেকোনো রোগকে আমাদের সমাজ সম্মানহানিকর ঘটনারূপে চিহ্নিত করেছে।

    এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, সমাজ এ সম্পর্কে অপেক্ষাকৃত শ্রেয় মনোভাব পোষণ করে। এবং যদি সেই মনোবৃত্তির ক্রমোন্নয়ন সম্ভব হয়, তাহলে যৌনরোগকে নিয়ন্ত্রিত করা সহজ হবে। তবে একথা সর্বজন স্বীকৃত যে, যতদিন গণিকাবৃত্তি প্রচলিত থাকবে, ততদিন এটি হবে যৌনরোগ বিস্তৃতির প্রধান উৎস।

    বর্তমানে যে ধরনের গণিকাবৃত্তি প্রচলিত আছে তাকে জীবনের অনভিপ্রেত দিক হিসেব চিহ্নিত করা যায়। রোগের বিপদটি বারাঙ্গণা বৃত্তিকে রোগের মধ্যে কাজ করায় বিপদসূচক ব্যবসায় পরিণত করেছে। তাছাড়া আছে নৈতিকতার অধঃগমনের প্রশ্নটি। এই আসক্তি জীবণকে অলস ও মদ্য পিয়াসী করে দেয়।

    সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা হলো এই যে, গণিকাদের সাধারণত ঘৃণার চোখে দেখা হয় এবং খদ্দেররা পর্যন্ত তাদের সম্পর্কে কুচিন্তা করে। বারাঙ্গণা জীবন সহজাত প্রবৃত্তির বিরুদ্ধাচরণ করে। যে প্রবৃত্তি সন্ন্যাসিনী সৃষ্টি করেছে তার সঙ্গে এর কোনো সাদৃশ্য নেই। এইসব কারণ বিবেচনা করে বলা যায় যে, খ্রিস্টান দেশগুলিতে এই প্রথাটি হলো সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও বর্জনীয়।

    আপাততভাবে জাপানে সমস্যাটির স্বরূপ অন্য রকম। সেখানে গণিকাবৃত্তির সামাজিক স্বীকৃতি ও জীবিকারূপী সম্মান আছে। এমন কি পিতা-মাতার সম্মতিসাপেক্ষে তা গ্রহণ করা হয়। বিবাহ সংক্রান্ত পণের টাকা সঞ্চয়ের জন্যে গণিকাবৃত্তির প্রচলিত বিরল নয়। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে, সিফিলিসের প্রতি জাপানীদের আংশিক প্রতিষেধক ক্ষমতা আছে। তার ফলে জাপানে গণিকাবৃত্তিকে নৈতিকতার দিক থেকে ঘৃণিত করা হয় নি। যদি বারাঙ্গনা প্রথাকে বাঁচিয়ে রাখতেই হয় তাহলে জাপানী পদ্ধতি প্রয়োগ করা উচিত, ইউরোপীয় পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য নয়। এ সত্য স্বীকৃত, যেকোনো দেশে নৈতিকতার মূল্যায়ণে যত বেশি দৃঢ়তা অবলম্বিত হবে, গণিকার জীবন হবে ততই অধঃপতিত।

    গণিকাদের সঙ্গে সংস্পর্শ যখন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যরূপে প্রকাশিত হয় তখন সেই প্রথাটি পুরুষ চিত্তে অসৎ মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলে। সে এই ধারণা পোষণ করবে যে, তার জীবনের সকল প্রকার যৌনসহবাসকে তৃপ্তিজনক করার মধ্যে কোনো স্বার্থকতা নেই। ধীরে ধীরে সে ও সমগ্র নারীজাতি বিচিত্র মনোভাব পোষণ করবে, যদি সে স্বাভাবিক নৈতিকতার নিয়মনীতিকে সম্মান করে।

    বিবাহের ওপর এই জাতীয় মানসিক অবস্থার প্রভাব অতীব দুর্ভাগ্যজনক। যে ক্ষেত্রে আমরা বিবাহের সঙ্গে গণিকাবৃত্তির সংযুক্তিকরণ করতে চাই। এবং যখন আমরা এ দুটি প্রথাকে যতটা সম্ভব পৃথক করতে চাই, তখন এ বোধটি কাজ করবে। কিছু কিছু পুরুষ তার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় নারীর সঙ্গে যৌনসঙ্গমে অংশ নিতে আকাক্ষিত হয় না। ফ্রয়েডবাদীরা এই মনোভঙ্গিকে অডিপাস কমপ্লেক্স নামে অভিহিত করেছেন। কিন্তু আমার মনে হয় এইরূপ মনোভঙ্গি নারীজাতির সঙ্গে গণিকদের পার্থক্য নিরূপণে সহায়তা করে।

    চিন্তাশক্তির চরম সীমায় উপনীত না হয়ে, অনেক পুরুষ, বিশেষত প্রাচীন মনোভাবাপন্ন পুরুষ তাদের স্ত্রীদের প্রতি অতিরিক্ত সম্মান প্রদর্শন করে। যা তাদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে সতীত্ব ক্রান্তে রূপান্তরিত করে দেয়। এবং যৌন আনন্দ লাভের অভিজ্ঞতা থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করে।

    যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর সঙ্গে গণিকার একীকরণে মনোনিবেশ করে তখন বিপরীত বিষয়গুলির অবতারণা হতে পারে। এই ধারণার ফলে সে ভুলে যায় যে, উভয় পক্ষের সহযোগিতা ভিন্ন যৌনসঙ্গম সার্থক হতে পারে না এবং তার অন্তরালে প্রেমের নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। সেই পুরুষ তার স্ত্রীর প্রতি কঠিন ব্যবহার করে হৃদয়হীন স্বামীতে পরিণত হয় এবং স্ত্রীর মনে যে হতাশার উদ্রেক করে তাকে আর সরানো যায় না।

    যৌনতার মধ্যে অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির অনুপ্রবেশের ব্যাপারটি কিছু কিছু মাত্রায় ক্ষতিকারক। কেননা, যৌন সম্পর্ককে পারস্পরিক উপায় হিসেবে গণ্য করা উচিত যা উভয় পক্ষের স্বতোৎসারিত চেতনা থেকে উদ্ভূত হবে। যেখানে এ ধরণের ঘটনা ঘটে না, সেখানে মূল্যবান সম্পদ অনুপস্থিত থেকে যায়। ঘনিষ্ঠতা আছে এমন কোনো মানুষের অন্তরঙ্গ শারীরিক সংস্পর্শে এলে প্রকৃত নৈতিকতা বোধের উন্মোচন ঘটে। বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন কোনো মানুষের কাছে এর কোনো বিপরীত পদ্ধতি আকর্ষণীয় হতে পারে না।

    যদি যৌন আকাঙ্ক্ষার অন্তরালে শুধুমাত্র শারীরিক চাহিদার শিহরিত শক্তির উন্মাদনা থাকে, তাহলে তা অপসৃত হতে বাধ্য। এবং এই ধরনের মনোবৃত্তি মানুষের মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারবোধকে বিকৃত করে দেয়। এ ব্যাপারটি শুধুমাত্র গণিকাবৃত্তির সঙ্গে সংযুক্ত নয়, বিবাহের সঙ্গে এর নিবিড় সংযোগ আছে। নারীদের ক্ষেত্রে বিবাহ হলো জীবিকার্জনের সাধারণতম পন্থা। কিন্তু এ চিন্তা করা অনুচিত যে, বিবাহ সম্পর্কে সাবধান থাকা উচিত। এবং নারীচিত্তে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌনতার যে পরিমাণ আধিক্য দেখা যায় তা বারাঙ্গনা বৃত্তি অপেক্ষা বিবাহের ক্ষেত্রে অধিক।

    কুসংস্কার থেকে মুক্ত যৌন সম্পর্কের নৈতিকতার মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধার বিষয়টি অপরিহার্যভাবে থেকে যায়। অন্যের যূথবদ্ধ ইচ্ছাগুলিকে সম্মান না করে নিজস্ব আনন্দের জন্যে তাকে ব্যবহার করার মধ্যে যৌনতা বিকাশলাভ করে না। সেই কারণে গণিকাবৃত্তি অবলুপ্ত হবে না। যদিও তা থেকে অহরিত পাপ থেকেই যাবে। এমন কি গণিকাদের সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া হলে কিংবা যৌনরোগ সম্পর্কে উপযুক্ত ব্যবস্থা অবলম্বিত হলেও এর ক্ষমতা কিছুমাত্র হ্রাসপ্রাপ্ত হবে না।

    .

    গণিকাদের সম্পর্কে আকর্ষণীয় গবেষণা করে হ্যাভলক এলিস তার স্বপক্ষে যে যুক্তি প্রদান করেছেন তাকে গ্রহণযোগ্য বলে বিশ্বাস করতে আমার দ্বিধা আছে। তিনি গণিকা-সংক্রান্ত আলোচনা দ্বারা তাঁর রচনার সূত্রপাত করেছেন, যেটির অস্তিত্ব ছিল আদিম সভ্যতায় এবং যে বৃত্তি মানুষের বন্য প্রবৃত্তিকে মেটাতো মাত্র। তিনি মনে করেন গণিকাপ্রথা এই ব্যবস্থার বিস্তৃত রূপান্তর মাত্র এবং পূর্বে এই প্রথা যে উদ্দেশ্য সাধন করতে বর্তমানে গণিকাবৃত্তি সেই উদ্দেশ্য সাধনে ব্ৰতি। তিনি বলেছেন, অনেক মানুষ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সম্পূর্ণ তৃপ্তি পায় না। কেননা ঐতিহ্য সম্পন্ন বিবাহের বিধিনিষেধ ও নান্দনিক অসম্পূর্ণতাগুলি তাকে অতৃপ্তি সঞ্চার করেছে।

    হ্যাভলক এলিস মনে করেন যে, এ ধরণের পুরুষরা মাঝে মধ্যে গণিকালয়ে গমন করেন। এবং একে অতৃপ্ত হৃদয়বৃত্তির সর্বাপেক্ষা কম অসামাজিক প্রকাশরূপে পরিগণিত করে। এদিক দিয়ে বিচার করলে তাঁর মন্তব্যের সঙ্গে লিকের চিন্তাধারার সাযুজ্য পাওয়া যায়। যদিও তার মতামত আরও বেশি আধুনিক যেতে পারে।

    পুরুষদের মতো যে সমস্ত রমণিদের যৌন জীবনে অতৃপ্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে তারা হ্যাভলক এলিস নির্দেশিত পথে তৃপ্তি অন্বেষণের চেষ্টা করতে পারে এবং যদি নারীদের যৌন জীবনকে স্বাধীন করা হয় তাহলে পুরুষরা তাদের স্পন্দিত তৃপ্তিলাভের জন্যে ব্যবসায়ী মহিলাদের সান্নিধ্য কামনা করবে না।

    নারীজাতির যৌন স্বাধীনতার স্বপক্ষে এটি হলো অন্যতম সুবিধা। আমি যতদূর জানি এবং যতোটা পর্যবেক্ষণ করেছি তাতে আমার মনে হয়েছে, যৌনতা সম্পর্কে যেসব রমণি স্বচ্ছ ও নিষেধমুক্ত মনোভাবের অধিকারিণী তারা বিবাহের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তৃপ্তির সন্ধান দিতে পারে, যা ভিক্টোরিয়ান যুগে বিরল ছিল। যেখানে সুপ্রাচীন নৈতিকতার অবলুপ্তি ঘটেছে সেখানে গণিকাপ্রথা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

    যে সমস্ত পুরুষরা মাঝে মধ্যে গণিকাদের সংস্পর্শে আসত তারা এখন তাদের সমপর্যায়ের মেয়েদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশার সুযোগ পাচ্ছে। এর ফলে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক উপাদান সংযোজিত হয়েছে, যা শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় অসম্ভব ছিল। এবং এই অন্তরঙ্গতা উভয়পক্ষের গ্রহণযোগ্য বাসনা-কামনা সৃষ্টি করেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যিকদের ছদ্মনাম
    Next Article শিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }