Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জায়নাবের ডায়েরি – ১

    (১)

    ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, সকাল ১০টা
    ইসলামাবাদ ক্যান্টনমেন্ট

    এই যুগে যে কেউ ডায়েরি লেখে, পাবলিক বিশ্বাসই করতে চায় না। ফতিমা কিংবা আলিয়ারা টিভি দেখে। ইন্সটাগ্রামে রিল বানায়, টিকটক করে।

    আমি ডায়েরি লিখি। আমার ডায়েরি লিখতে ভালো লাগে। ওমর যেদিন থেকে প্রমোশন পেয়ে প্রেসিডেন্ট হাউজে পোস্টিং পেল, সেদিন থেকে আমার জীবন পালটে গেছে। ওমরকে আর ফ্যামিলি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে যেতে হয় না। আমরা ইসলামাবাদেই থাকতে পারি।

    আজকেও একবার ডাক্তার আইরিনকে দেখাতে গেছিলাম। ডাক্তার আইরিন আমাকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন ওমরের স্পার্ম কাউন্ট টেস্ট করানো দরকার। কথাটা আমি ঠিক করেছি ওমরের আম্মিকে দিয়ে ওমরকে বলাব। আমি বললে ওমর রেগে যেতে পারে।

    ওমরের পঁয়তাল্লিশ বছর বয়স হলেও ও বাচ্চাদের মতো রাগ করে। বিশেষত আমার সঙ্গে। বাইরের গম্ভীর, অত্যন্ত সিরিয়াস লোকটা ঘরে এসে এমন বাচ্চাদের মতো করতে থাকে, আমারই কষ্ট হয়। এই লোককে কীভাবে আমি ওসব টেস্ট করার কথা বলতে পারি? ওমরের আম্মিকে ফোন করে আমি গ্রাম থেকে আসতে বলেছি। ভদ্রমহিলা কিছুতেই আসতে চান না। বলেন ইসলামাবাদের হাওয়া তাঁর ভালো লাগে না। তিনি বৃদ্ধা হলেও অবশ্য মানসিকতার দিক থেকে খুবই আধুনিক। আমাকে কোনোদিন খারাপ কথা বলেননি।

    ওমরের সবই ঠিক আছে, অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ওর মধ্যে কোনো অস্বস্তি আমি দেখতে পাইনি কোনোদিন, শুধু ডাক্তার আইরিন বলছেন ওমরের স্পার্ম কাউন্টে সমস্যা হতে পারে। আমি নাকি একদম ঠিক আছি।

    সারাদিন প্রেসিডেন্ট হাউজে থেকে ওমর আর্মি কোয়ার্টারে ফেরে রাত আটটা। কোনো কোনোদিন ন-টাও হয়ে যায়। আগের প্রেসিডেন্টকে যখন সেনা সরিয়ে দিল, সেদিন ওমর ভীষণ ব্যস্ত ছিল। আমাকে জানিয়েছিল, সবটা নাকি সেনা ওর মাধ্যমেই করেছিল, ও একাই সবটা পরিচালনা করেছিল। আমার সেদিন খুব গর্ব হলেও একটা বিষয়ে খারাপ লেগেছিল। আগের প্রেসিডেন্ট সাহেবকে রাস্তার মধ্যে গুলি করে মারা হয়েছিল। ওমরকে আমি এই বিষয়ে আমার উম্মার কথা বলেছিলাম। ওমর একটা উত্তরই দিয়েছিল, “এভ্রিথিং ইজ ফেয়ার ইন লাভ এন্ড ওয়ার। প্রেসিডেন্ট সাহেব দেশবিরোধী কাজে জড়িত ছিলেন। সব জেনে আমরা কীভাবে তাকে বাঁচিয়ে রাখব? কাউকে জোর করে ক্ষমতায় রাখার কোনো মানে হয় না। আর সে দেশবিরোধী জেনে তাকে চেয়ারে বসিয়ে রাখা তো আরও অর্থহীন।”

    ওমর দেশকে ভালোবাসে। আমাকেও ভালোবাসে। ইদানীং খুব দত্তক সন্তান নেবার কথা বলছে। বলছে জোর করে বাচ্চা নেবার দরকার কী? একজনকে দত্তক নিলেই তো হয়। রাওয়ালপিন্ডিতে উসমান চাইল্ড কেয়ারে নাকি আমাদের জন্য এক বাচ্চাকে রাখা আছে। আমি রাজি হলে ও আমাকে নিয়ে যাবে। আমি রাজি হইনি। আমি এখনই দত্তক সন্তান চাইনি। তমার বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে না। কেন আমি নিজে একবার চেষ্টা করব না?

    যদিও ধীরে ধীরে আমারও মনে হচ্ছে আর দেরি করা যাবে না। একজন বাচ্চাকে নিয়ে এসে তো বড়ো করতে হবে। এবার হয়তো ওর কথায় মেনে নিতে হবে।

    ফতিমা আমার পাশের কোয়ার্টারে থাকে। একগাদা গোস্ত দিয়ে গেছে কিছুক্ষণ আগে। ওর হাসব্যান্ড সুহেল কাশ্মীরে পোস্টেড।

    আসার সময় একগাদা আখরোট নিয়ে আসে। ওমর সুহেলকে পছন্দ করে। ফতিমা আমাকে ইনিয়ে-বিনিয়ে বহুবার বলার চেষ্টা করেছে ওমরকে বলে সুহেলকে ইসলামাবাদে যেন পোস্টিং-এর ব্যবস্থা করি আমি।

    ওমরকে বলেছিলাম। ওমর খুব একটা পাত্তা দেয়নি আমায়। এই জন্য আমি ওমরকে কিছু বলতে চাই না। আমার কথা কেউ না শুনলে আমার কষ্ট হয়। চোখের কোণ জলে ভিজে ওঠে। যে লোকটাকে আমি এত ভালোবাসি, সে আমার একটা অনুরোধ রাখতে পারবে না? ওমর বলে অফিসের কথা ঘরে কিছুতেই শুনবে না। কেউ আমার কাছে কী দরবার করবে, তা শোনার কাজ নাকি ওর না।

    ওমর আরও কিছু কথা বলেছে আমাকে। আমাদের কোয়ার্টারের সামনে কোনো লোক ঘোরাফেরা করলে সঙ্গে সঙ্গে যেন ওকে খবর দিই। ওমর এমন একটা দফতরে আছে যেখানে অনেকরকম গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের কাজ চলে। কাউকে বিশ্বাস করা যাবে না।

    (২)

    মুজফফরাবাদ। ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

    লাঞ্চ চলছে। সুহেল রুটি মাংস নিয়ে খেতে বসেছে। ব্রিগেডিয়ার সুলতান এসে তার পাশে বসলেন।

    সুহেল বলল, “দুটো ট্রাক আসার কথা ছিল জনাব। এখনও আসেনি।”

    সুলতান বললেন, “চলে আসবে। রাস্তায় দাঁড়িয়েছে নিশ্চয়ই। পাহাড়ি রাস্তা। সময় তো লাগে।”

    সুহেল খেতে শুরু করল। সুলতান বললেন, “আজ রাতে যে সেক্টর থেকে ইন্ডিয়ান ফৌজের মাথা খারাপ করা হবে, সে লোকেশনটা আমি ওদের পরে ডিজক্লোজ করব। এখানে এখনই কিছু বলব না। তবে তুমি বর্ডারে যারা আছে, তাদের জানিয়ে রাখবে সেক্টর সেভেন্টিন খালি রাখে যেন। আমরা ওদিক থেকে ইনফিস্ট্রেট করাব।”

    সুহেল বলল, “জি জনাব। আপনি যা বলবেন।”

    খেয়ে উঠে ক্যাম্পের দিকে রওনা হবার আগেই ট্রাকদুটো চলে এল। সুলতানের খাওয়া তখনও বাকি ছিল। তিনি প্লেট রেখেই ট্রাকদুটোর দিকে ছুটলেন।

    ট্রাক দাঁড় করানোর পর পেছনের দরজা খোলা হল। কালো টি-শার্ট আর ট্রাউজার পরে একগাদা ছেলে ট্রাকের ভেতরে গাদাগাদি করে বসেছিল। সুলতান তাদের ট্রাক থেকে নামিয়ে লাঞ্চে পাঠালেন। ট্রাক পুরো খালি হবার পর সুহেল বলল, “আমার ছেলের বয়সীই হবে এরা।”

    সুলতান বললেন, “আমার ছেলে এদের থেকে একটু বড়ো। দেশের কাজ করতে যাচ্ছে এরা। এদের গর্বিত হওয়া উচিত। আমি আজ একটা স্পিচ দেব।”

    সুহেল বলল, “চল্লিশটা মুজাহিদিন, চল্লিশজন শিক্ষার্থী। ওদের চোখগুলো আমাকে ইন্সপায়ার করছে জনাব।”

    সুলতান খুশি হলেন, “তা করারই মতো। ওদের সব থেকে কড়া ট্রেনিং-এ রাখা হয়। এই বছরই তো কতগুলো ছেলে জন্নতে গেছে। ওদের জন্য আমার গর্ব হয়।”

    সুহেল বলল, “এরা কী সব রাওয়ালপিন্ডির?”

    সুলতান বললেন, “হু। তবে রাওয়ালপিন্ডি ছাড়াও অনেক জায়গা থেকেই মুজাহিদিন আসে। কিছুদিন ট্রেনিং ক্যাম্পে থাকে। সুহেল, আমি একটু পরে বেরবো, তুমি একটু দেখবে কেউ যেন বেগড়বাই না করে। কেউ কেউ আছে খুব কান্নাকাটি করে। দরকার হলে ওদের কার্টুন দেখতে বসিয়ে দেবে।”

    সুহেল বলল, “জনাব, কিছু মনে না করলে একটা কথা বলি?”

    সুলতান বললেন, “শিওর। তুমি একজন নওজোয়ান, তুমি অবশ্যই আমাকে প্রশ্ন করতে পারো। শ্যুট।”

    সুহেল বলল, “আপনি মাঝে মাঝেই একা একা জিপ নিয়ে বেরোন, আমি একটু ঘাবড়ে যাই। আপনার ভয় লাগে না?”

    সুলতান জোরে হেসে উঠলেন, “ওহ, তা কী করব বল, ওখানে আমাকে একাই যেতে হয়। বেশ তো, তুমিও চল আমার সঙ্গে। তোমার খাওয়া হয়ে গেছে তো, চল দেখি, ঘুরে আসি। আমি আসফাককে বলে দিচ্ছি বাচ্চাদের খেয়াল রাখবে।” একটু থমকে সুলতান বললেন, “এছাড়া আমার মনে হয় তোমার এটা জানা উচিত। চল।”

    সুহেল বলল, “যাব?”

    সুলতান ঘাড় নাড়লেন, “ইয়েস। চল।’

    সুলতানের সঙ্গে সুহেল গাড়িতে উঠল। আর্মি ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সুলতান বললেন, “মনে রাখবে সুহেল, পাকিস্তান আর্মি একা কাজ করে না। তাদের সাহায্য করার জন্য অনেক সংগঠন আছে। এই সংগঠনগুলো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ইন্ডিয়ার অত্যাচারে অত্যাচারিত মানুষেরা মিলে এই সংগঠনগুলো তৈরি করেছে। পাক সেনার কাজ হল এদের দানাপানি দেওয়া, এদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা।”

    সুহেল বলল, “সে ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই জনাব। এল-ও-সি তে থাকাকালীন আমরা একসঙ্গেই কাজ করতাম।”

    গাড়ি মুজফফরাবাদ থেকে বেরিয়ে গ্রামের রাস্তা ধরল, সুলতান বললেন, “এল-ও-সি তে যারা আছে, তারা গ্রাসরুটে কাজ করে। আর তুমি আর্মিতে যত ওপরের পোস্টে উঠবে, তত তোমাকে স্ট্যাটেজি নিয়ে ভাবতে হবে। এই সংগঠনগুলো যারা চালায়, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলতে হবে। আমি জানি, তুমি আমার সার্থক উত্তরসুরি, তোমার পক্ষে এগুলো ধরতে বেশিক্ষণ লাগবে না।”

    সুহেল কৃতজ্ঞতায় মাথা নোয়াল, “আপনি আমাকে এত যোগ্য মনে করেন, তার জন্য শুক্রিয়া জনাব।”

    একটা ভাঙাচোরা দোতলা বিল্ডিং-এর কাছে এসে সুলতান গাড়ি দাঁড় করালেন।

    সুহেল বিস্মিত কণ্ঠে বলল, “এখানে?”

    সুলতান বললেন, “জি, এসো।”

    মৌলানা সামসুদ্দিনকে আগে দেখেছে সুহেল, তবে দূর থেকে। কুটনে একটা ক্যাম্প থেকে মুজাহিদিন ছেলেদের আনার সময় দেখেছিল।

    সুলতান যখন তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন, সুহেলের মনে হল মৌলানার বয়স খুব বেশি হলে সাতচল্লিশ থেকে পঞ্চাশের মধ্যে হবে। কাঁচা পাকা দাড়ি, চোখের মধ্যে একটা ঘুম ঘুম ভাব আছে। তার নাম বলতেই মৌলানা তার দিকে স্নেহভরা দৃষ্টিতে দেখে বলল, “জনাব, আপনার বীরত্বের কথা আমি আগেই শুনেছি। আপনারাই তো পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ। আমি সুলতান সাহেবকে শুক্রিয়া জানাচ্ছি আপনাকে আমার কাছে নিয়ে আসার জন্য। ছেলেরা আজকে ঠিক ঠাক সময়ে চলে এসেছে তো?”

    সুহেল ঘাড় নাড়ল, “জি জনাব। ওরা এখন কার্টুন দেখছে। সেরকম ব্যবস্থা করেই আনা হয়েছে।”

    মৌলানা বলল, “ওরা কিছু খেতে চাইলে, ওদের খাবার ব্যবস্থাও করে দেবেন। অতোগুলো ছেলের মধ্যে বেশিরভাগই তো আজকে জন্নতে যাবে। সুতরাং…”

    সুহেল বলল, “সবাইকে একসঙ্গে বর্ডারে পাঠানোর…”

    সুহেলের কথা শেষ হবার আগেই সুলতান বললেন, “তুমি বুঝবে না। মৌলানা ভেবেচিন্তেই কাজটা করছেন।”

    মৌলানা বলল, “শুধু ওরাই তো যাচ্ছে না।”

    সুহেল এবার একটু অবাক হল। সুলতান সাহেব তো আর কারও কথা তাকে বলেননি।

    সুলতান বলে উঠলেন, “আমি সুহেলকে একটু একটু করে সব শিখিয়ে দেব জনাব। আপনি ভাববেন না। এই ব্রিফকেসটা আপনার জন্য ইসলামাবাদ পাঠিয়েছে জনাব।”

    একটা ব্রিফকেস নিয়ে এসেছিলেন সুলতান। সেটা মৌলানার দিকে এগিয়ে দিলেন। মৌলানা ব্যাগটা খুলল। ব্যাগের ভেতরটা আমেরিকান ডলারে ভরতি দেখে খুশি হয়ে দাড়িতে হাত বুলিয়ে বলল, “শুক্রিয়া জনাব। আপনি যে আপনার উত্তরসূরি সুহেল সাহেবের মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন, তা জেনেও ভালো লাগল।”

    সুলতান উঠে দাঁড়ালেন, “আজ তবে আসি জনাব।”

    মৌলানা মাথা নাড়ল।

    দু-জনে বেরিয়ে বাইরে এল। সুহেল বলল, “আমি ড্রাইভ করি জনাব?”

    সুলতান বললেন, “না না, আমিই চালাচ্ছি। তুমি বস।”

    সুহেলকে গাড়িতে বসিয়ে গাড়ি স্টার্ট করলেন সুলতান। মুজফ্ফরাবাদ শহরের আগে নীলম ভিউ পয়েন্টে গাড়ি দাঁড় করিয়ে বললেন, “এসো, সিগারেট খাওয়া যাক।”

    সুহেল একটু কুণ্ঠা বোধ করল, “আপনার সঙ্গে?”

    সুলতান বললেন, “আবার কী? আর্মিতে আবার এসব আড়াল কবে থেকে শুরু হল? এ নাও।”

    সুলতান মার্লবোরোর প্যাকেটটা সুহোলের দিকে এগিয়ে দিলেন। সুহেল একটা সিগারেট নিল। সুলতান সিগারেট ধরিয়ে বললেন, “আমার আর ছ-মাস সুহেল। এরপরে তোমাকে কাশ্মীর সামলাতে হবে। পাকিস্তানের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা কাশ্মীর। হ্যাঁ, বালোচিস্তান এখন গরম হচ্ছে, কিন্তু সেটাও এতটা সেনসিটিভ না। মৌলানার সঙ্গে যখন আমাকে প্রথম ডিল করতে হয়েছিল, আমি কিছুটা ভয় পেয়েছিলাম। পরে বুঝেছিলাম, মৌলানা তো আমাদের স্বাভাবিক মিত্র, ভয় পাবার কোনো কারণ তো নেই। দিনে দিনে এসবই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।” রিটায়ারমেন্টের পর আমি আর কাশ্মীরে থাকব না, তখন তোমাকেই সবটা সামলাতে হবে। বুঝতেই পারছ তোমার গুরুত্ব কতখানি। আমি অনেকদিন ধরে তোমাকে নোটিস করার পরেই তোমাকে কাজটা দেবার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তে ইসলামাবাদের সিলমোহরও আছে।”

    সুহেল বলল, “এই টাকাটা আপনাকে কে দিল জনাব?”

    সুলতান বললেন, “কোটা? মৌলানাকে যেটা দিলাম?”

    সুহেল মাথা নাড়ল, “জি, এত আমেরিকান ডলার জনাব।

    ইসলামাবাদ থেকে এই নোটগুলো নিয়ে আসাও তো খুব ঝুঁকির কাজ।”

    সুলতান হাসলেন, “তোমাকে কে বলেছে এগুলো আমি ইসলামাবাদ থেকে নিয়ে এসেছি?”

    সুহেল বলল, “তবে? কোথা থেকে এগুলো এসেছে?”

    সুলতান সিগারেটে টান দিয়ে বললেন, “তোমাকে আরও ভালো করে সব কিছু নজর রাখতে হবে সুহেল। তুমি ভালো, খুবই ভালো। কিন্তু আরও ভালো হতে হবে….”

    সুলতানের কথা শেষ হবার আগেই সুহেল বলল, “এগুলো তবে ওই বাচ্চাদের…

    সুলতানের মুখে হাসি ফুটল, “রাইট। আমাদের কাজ খুব বেশি না। ওখান থেকে টাকা আর বাচ্চাদের রিসিভ করা, মৌলানার কাছে টাকা দিয়ে আসা, আর বাচ্চাদের ওপাশে পাঠানো।”

    সুহেল বলল, “জনাব… এতগুলো বাচ্চা শুধু হিউম্যান শিল্ড হিসেবে?”

    সুলতান গম্ভীর হয়ে গেলেন, সিগারেটে বেশ কয়েকটা টান মেরে বললেন, “এই ব্যাপারে আমি তোমার সঙ্গে পরে ডিসকাস করব।”

    (৩)

    জায়নাবের ডায়েরি
    ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, রাত আটটা

    ওমর আমাকে বার বার একটা কথাই বলে, “ঘরে বসে থেক না। মলে ঘুরে এস। কিছু কেনাকাটা কর। ঘরে বসে বসে বোর হয়ে যাবে।”

    আমি ঠিক করেছিলাম একাই বেরবো।

    ওমরকে প্রথমে ফোন করেছিলাম, ধরেনি। বুঝেছিলাম প্রচণ্ড ব্যস্ত ছিল। বিরক্ত না করে একটা মেসেজ করে বেরিয়েছিলাম।

    গিগা মল আমাদের ক্যান্টনমেন্টের কাছেই। আমি কোথাও গেলে ড্রাইভ করেই যাই। গাড়ি নিয়ে যেতে বেশিক্ষণ লাগল না। দুপুরের দিকটা বেশি ভিড় থাকে না। আমার বন্ধুদের একবার ভেবেছিলাম বলব, পরে মনে হল থাক। একটু ‘মি টাইম’ দরকার আমার। নিজের সঙ্গে সময় কাটানো হয় না। শপিং মলের আলোতে অনেকগুলো সেলফি তুললাম, বেশ কয়েকটা কুর্তা কিনে ফুড কোর্টে গিয়ে বসেছি, এমন সময় আসিফের সঙ্গে দেখা। আসিফ আমাদের লাহোরের বাড়িতে প্রায়ই আসত। ইদানীং দুবাইতে চাকরি করতে যাবার পর আর দেখা হয়নি। ওমরকে আসিফের কথা বললে ওমর রেগে যেত। ওর ধারণা আসিফের আমার প্রতি সফট কর্নার ছিল। আমার অবশ্য কোনোদিন সেটা মনে হয়নি। আমার আব্বু মুক্তমনা মানুষ ছিলেন। অনেক লোক আসতেন আমাদের বাড়িতে। কারও সঙ্গে কথা বলতে বারণ করেননি কোনোদিন। আর সত্যি বলতে কী আমি আসিফকে কোনোদিনই বন্ধুর বাইরে কিছু ভাবিনি। ছোটো থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল আর্মির কাউকে বিয়ে করব। আব্বু সেটা জানতেন। আসিফও।

    আমি আসিফকে দেখেই খাবার ফেলে উত্তেজনায় ওর সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম, “কী ব্যাপার জনাব, তুমি ইসলামাবাদে কবে এলে?”

    আসিফ অবাক হয়ে আমাকে দেখে সত্যিকারের খুশি হল, “আরে জায়নাব? তুমিই বা এখানে কী করে?”

    আমি সব বললাম। আসিফ মজা করে বলল, “বাঃ, আমি তো ভেবেছিলাম দুবাই থেকে ফিরে তোমাকে প্রোপোজ করব, আর তুমি এখন বিয়েই করে নিলে।”

    বলেই আসিফ কপট দুঃখ দেখাতে গিয়ে হেসে ফেলল। আমিও হাসলাম, “কী আর করা, আমিও তো ভেবেছিলাম তোমার জন্য অপেক্ষাই করব, তুমি এত দেরি করবে আমি কী করে জানব? যা-ই হোক, বার্গার খাবে?”

    আসিফ বলল, “কাবাব খাব। বস। তোমাকেও খাওয়াই।”

    আমার হাজার আপত্তি সত্ত্বেও আসিফ কাবাব আর কোক নিয়ে এল। খেতে খেতে বলল, “তোমার হাজব্যান্ডের সঙ্গে পরিচয় করিও। নইলে ভদ্রলোক খামোখাই সন্দেহ করবেন।”

    আমি বললাম, “ভদ্রলোকের সন্দেহ করারও সময় নেই আসিফ। সারাক্ষণ কাজে ব্যস্ত। কোনো কোনো দিন রাতে বাড়ি ফিরতেও দেরি হয়। আমার ছোটোবেলা থেকে স্বপ্ন ছিল আর্মির লোককে বিয়ে করব, কিন্তু বিয়ে করার পর আবার জীবনের একেবারে বারোটা বেজে গেছে। নেহাত শাশুড়ি মানুষটা ভালো, নইলে যে কী হত! তোমার কথা বল, দুবাইতে বিয়ে টিয়ে করলে?”

    আসিফ বলল, “মাঝখানে বিয়ের পোকা যে নড়েনি, তা অস্বীকার করতে পারব না, কিন্তু সমস্যা হল, যে মেয়েকে পছন্দ হয়েছিল, সে একজন ইন্ডিয়ান। ও যখন বাড়িতে আমার কথা বেচারি জানালো, ওর বাড়ির সবাই এমন করে বারণ করল, দুবাইতেই থাকতে পারল না। ট্রান্সফার নিয়ে ইন্ডিয়া চলে যেতে হল। মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা পাকিস্তানিরা কী এতটাই খারাপ?”

    আমি হাসতে হাসতে বললাম, “এ আবার কেমন কথা? আমার অনেক বন্ধুই বাইরে সেটলড, ওদের কেউ ইন্ডিয়ান বিয়েও করেছে, কই, তাদের তো কোনো সমস্যা হয়নি!”

    আসিফ বলল, “ওরা ওখানে সেটল করে গেছে বলেই সমস্যা নেই। আমাদের মতো যারা আধা সেটলড, তাদের কাছে দেশ একটা বড়ো ফ্যাক্টর। যা-ই হোক, সে মেয়ের বিয়েও হয়ে গেছে, তোমারই মতো। আমার জীবনে কোনো মেয়েই টিকবে না, নসীবেই নেই যা বুঝতে পারছি।”

    আমি বললাম, “দিল ছোটা মত কর, ঠিক কেউ না কেউ তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।”

    আরও অনেক কথা হল আসিফের সঙ্গে। আসিফ স্বচ্ছ মনের ছেলে। আমার সময়টা ভালো কাটল। ফেরার সময় আমাকে গেটের বাইরে নামিয়েও দিয়ে গেল। রাতে ওমরকে আসিফের কথাটা বলায় বলল, “সাবধানে। সবার সঙ্গে কথা না বলাই ভালো। এগুলো ট্র্যাপ হতে পারে।”

    আমি আকাশ থেকে পড়লাম, “ট্র্যাপ মানে? ওকে আমি লাহোর থেকে চিনি।”

    ওমর কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, “তাহলে ঠিক আছে। তবু, একটু চোখ কান খুলে।”

    আমি শুধু বলেছি, “ঠিক আছে।”

    সবসময় এত সন্দেহপ্রবণ হয়ে বেঁচে থাকা আমার ভালো লাগে না বাপু।

    (৪)

    রাত ন-টা। বাচ্চাগুলো খুব লাফালাফি করেছে ক্যাম্পের ভেতর। ওদের খাইয়ে-দাইয়ে আবার ট্রাকে তুলে দিয়ে সুহেল তার ক্যাম্পে এসে বসল।

    বাইরে থেকে সুলতানের গলা শোনা গেল, “সুহেল, আছো?”

    সুহেল সঙ্গে সঙ্গে তটস্থ হয়ে উঠে দাঁড়াল, “জি জনাব। আসুন প্লিজ।”

    সুলতান ক্যাম্পের ভেতরে এসে বসলেন, “মৌলানার সব থেকে প্রিয় দুই ছাত্র আজ ইন্ডিয়ায় ঢুকবে ইনশাল্লাহ। মৌলানা আজ তোমাকে দেখে খুব খুশি হয়েছেন। বলেছেন পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হাতেই যেতে চলেছে।”

    সুহেল বলল, “শুক্রিয়া জনাব। আজ তো এল-ও-সি তে গুলিও চলবে। আগে ইন্ডিয়ান আর্মিকে ব্যস্ত করে তারপর বাচ্চাগুলোকে এগিয়ে দেওয়া হবে এবং তারপর মৌলানার ছাত্র দু-জন ঢুকবে। তাই তো?”

    সুলতান খুশি হলেন, “রাইট। তুমি খুব তাড়াতাড়ি ধরে নিয়েছ দেখে ভালো লাগল। চল্লিশটার মধ্যে সাত আটটা যা বাঁচবে, তাদের ওপারে রিসিভ করে নেওয়া হবে। ইন্ডিয়া তখন আরও জলওয়া দেখতে পাবে।”

    বলেই হো হো করে হেসে উঠলেন সুলতান।

    সুহেল বলল, “বড়ো কিছু প্ল্যান আছে জনাব?”

    সুলতান বললেন, “হ্যাঁ। প্ল্যান তো আছেই। তবে সব প্ল্যানও আবার ওরা আমাদের বলে না। আই.এস.আই. যেভাবে ইন্সট্রাকশন দেয়, আমাদের সেভাবে চলতে হয়। এই সময় উপত্যকায় বরফ আছে, বেশ কিছু এরিয়া আছে যেখানে আমরা টার্গেট করলে এখনও ছেলেদের ঢুকিয়ে দিতে পারি। এরপর ওপারের কাশ্মীরিদের মেহমান হয়ে থাকবে। এ-পার আর ও-পারের মানুষদের কেই বা আলাদা করতে পারে? অতো সহজও না। আমাদের কাজ হল সবাইকে দেশের কাজে লাগানো। দেশই তো আসল, তাই না?”

    সুহেল বলল, “জি জনাব।”

    সুলতান পকেট থেকে বেশ কয়েকটা ইউ.এস. ডলার বের করে সুহেলের দিকে এগিয়ে দিলেন, “এটা রাখো। মৌলানা তোমার জন্য পাঠিয়েছেন।”

    সুহেল সিঁটিয়ে গেল, “আমি এটা কী করে নেবো জনাব?”

    সুলতান বললেন, “নাও। এগুলোকে আমরা গুড লাক গিফট বলি। আমরা তো একটা ভালো কাজ করলাম। ইন্ডিয়ার যত ক্ষতি করতে পারব, আমরা দেশ হিসেবে তত এগিয়ে যাব। লড়াই তো শুধু বর্ডারে হয় না। এগুলিও লড়াই।”

    সুহেল ডলারগুলো নিয়ে পকেটে রাখল। সুলতান বলছেন, “এখানে কাউকে দেখানোর দরকার নেই। ইসলামাবাদে গিয়ে ভাঙিয়ে নিও। আমার স্ত্রী আবার এগুলো জমায়। বলে চাকরির পর বিদেশে গিয়ে থাকবে, তখন এগুলো কাজে আসবে। আমিও আর বাধা দিই না। কতদিন আর এখানে পড়ে থাকব ছেলে মেয়েগুলো বড়ো হচ্ছে।”

    সুহেল একটু ইতস্তত করে বলল, “জনাব, আপনাকে বলেছিলাম আমি এই সপ্তাহে দু-দিন ছুটি নেব। মানে আমাদের বিয়ের সালগিরা… ফতিমা আপনাকেও বলতে বলে দিয়েছে।”

    সুলতান বললেন, “হ্যাঁ হ্যাঁ, আমার মনে আছে। নিশ্চিন্তে যাও। আমি যেতে পারব না, তবে আমার জন্য খাবার বেঁধে নিয়ে আসবে।”

    সুহেল বলল, “নিঃসন্দেহে জনাব। ফতিমা তো এসবের ব্যাপার ওস্তাদ। ও আজ থেকেই রান্না শুরু করে দিয়েছে।”

    সুলতান বললেন, “ওমর তোমার প্রতিবেশি না?”

    সুহেল বলল, “জি জনাব। কেন বলুন তো?”

    সুলতান বললেন, “ওমর এককালে এখানেই ছিল। তারপর লবি ইউজ করে ইসলামাবাদ পোস্টিং নিয়েছে। কোনো দরকার ছিল না। ওর সঙ্গে মৌলানার ভালো সম্পর্ক ছিল। ও থাকলে হয়তো তোমার পরিবর্তে ওকেই আমায় মৌলানার কাছে নিয়ে যেতে হত। ওমরের পরিচিতি অনেক দূর অবধি।”

    সুহেল বলল, “আমিও সেরকম শুনেছিলাম জনাব। তবে ইসলামাবাদেও তো কাবিল অফিসার দরকার জনাব।”

    সুলতান হাত দিয়ে কথাটা তুচ্ছ করে দেবার ভাব করলেন, “মনে রেখ সুহেল, আসল লড়াই হয় গ্রাউণ্ডে। ওসব প্রেসিডেন্ট হাউজে যে খেলা হয়, তাতে কী জানের ভয় থাকে? থাকে না।”

    সুহেল মাথা নেড়ে বলল, “তা ঠিক জনাব।”

    সুলতান বললেন, “তবে আজ রাতটা আমার ভালো কাটবে না সুহেল। এরকম কোনো রাতই ভালো কাটে না। না ঘুমিয়ে বসে থাকব, অতোগুলো শিশু…”

    সুহেল চুপ করে গেল। সুলতানের কথার উত্তর কী দেবে সে কিছুই বুঝতে পারল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }