Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জায়নাবের ডায়েরি – ৫

    (৫)

    জায়নাবের ডায়েরি
    ২২শে ফেব্রুয়ারি, দুপুর সাড়ে তিনটে

    ওমর সকাল সকাল অফিস চলে যায়। অফিস যাবার আগে আমার যত ব্যস্ততা। গেলেই আমি ঝাড়া হাত-পা হয়ে যাই।

    মজার কথা হল, ওমরের সকালে উঠেই আসিফের কথা মনে পড়েছে। আমি বেড টি নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জিজ্ঞেস করল, “জায়নাব, ওই ছেলেটার প্রতি তোমার কোনো সফট কর্নার ছিল?”

    আমি হেসে ফেলেছি। এত উচ্চপদস্থ একজন অফিসার, সে আমাকে নিয়েও চিন্তা করে! আমি ওর মাথার চুল এলোমেলো করে দিয়ে বললাম, “তুমি এত হিংসুটে জানা ছিল না তো!”

    ওমর বলল, “হিংসুটে না। এমনি। সিনেমায় দ্যাখো না, বলিউডের সিনেমায় বেশি দেখেছি, বউ পুরোনা বন্ধুকে ফিরে পেয়েছে, বর সময় দিতে পারছে না, আমি তো এমনিই তোমাকে সময় দিতে পারি না।”

    আমি ওমরকে জড়িয়ে ধরে বলেছি, “আমি তো তোমাকে পেয়েছি। সময়টা দরকার নেই অতো।”

    ওমর বলেছে, “আমি ছুটির অ্যাপ্লিকেশন দিচ্ছি। তোমাকে নিয়ে দুবাই, আবু ধাবি, এগুলো ঘুরে আসব। আমার মনে হয় তোমাকে সময় দেওয়া উচিত।”

    এই সময়টা আমি ঠিক করতে পারছিলাম না ওমরকে টেস্টের ব্যাপারটা বলা ঠিক হবে নাকি। না বলাই ঠিক করলাম। কী দরকার? সকাল সকাল মুড ভালো আছে, সেটা না বিগড়োনোই উচিত। বেচারির ওপরে অনেক চাপ থাকে সেটা বোঝা যায়। অনেক রাত অবধি পড়াশুনা করতে হয়, মাঝে মাঝে ফাইল বাড়িতে নিয়ে আসে। ও তৈরি হয়ে অফিসে বেরোনোর পর কোয়ার্টারের রাস্তায় হাঁটতে বেরোতে দেখলাম ফতিমাদের কোয়ার্টারের সামনে গাড়ি এসে দাঁড়িয়েছে। ফতিমা আমাকে দেখেই হাত নেড়ে ডাকল, “এই জায়নাব, সুহেল এসেছে, এস।”

    সুহেলভাই ওমরেরই বয়সী। আমি ওদের শুভেচ্ছা জানালাম, পরক্ষণেই মনে হল বড়ো ভুল হয়ে গেছে। মল থেকে ওদের জন্য গিফট কেনার দরকার ছিল।

    ফতিমা খুব যত্ন করে কোয়ার্টার সাজিয়ে রেখেছে। আমাকে ভেতরে নিয়ে গিয়ে জোর করে ব্রেকফাস্ট টেবিলে বসিয়ে দিল।

    সুহেল ওমরের ব্যাপারেই জিজ্ঞেস করল, “ভাবি, ভাইজান কী অফিস চলে গেছেন?”

    আমি ঘাড় নেড়ে বললাম, “জি, ও কোনো কোনোদিন সাতটাতেও বেরিয়ে যায়।”

    সুহেল ঘাবড়ে গিয়ে বলল, “সে কী? এত কাজের চাপ থাকে নাকি?”

    আমি বললাম, “তা তো থাকেই। তা সুহেলমিয়া, ফতিমাভাবির জন্য কী কিনলে? গিফট কেনা হয়েছে না এখনও হয়নি?”

    সুহেল লজ্জা পেয়ে বলল, “না না ভাবি, কিছু কেনা হয়নি এখনও, এই তো বিকেলে দু-জনে বেরিয়ে কিনে নিয়ে আসব। আপনি কিন্তু দুপুরে আমাদের সঙ্গে খাবেন। আর ভাইজানকেও আমি ফোন করে দিচ্ছি, যদি আসতে পারে, তাহলে তো খুবই ভালো হবে, নইলে ডিনারও আপনি আমাদের এখানেই করবেন।”

    ফতিমাও খুব করে জোর করল বলে আর বারণ করতে পারলাম না। আমরা তো একাই থাকি সারাদিন। তাছাড়া ওমরও সুহেলকে খুব পছন্দ করে।

    কোয়ার্টারে ফিরে ওমরকে ফোন করে সবটা বলার সঙ্গে সঙ্গেই ওমর বলল, “ঠিক আছে, আমি দুপুরে খেতে যাব, তুমি একটা কাজ কর, ওদের জন্য কিছু কিনে এনো।”

    আমারও এটাই মনে হচ্ছিল। ফোন রেখে তৈরি হয়ে মলে গিয়ে ওদের জন্য বেশ কিছু ঘর সাজানোর জিনিস কিনে বেরোতে গিয়ে আবার আসিফের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। এবার আসিফ মলের বাইরের একটা দোকানে বসে কফি খাচ্ছিল। আমি আসিফের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি কী এখানেই বাড়ি টাড়ি করে থাকা শুরু করে দিয়েছ নাকি?”

    আসিফ হেসে উঠে বলল, “আরে বস বস। না, তা না। এক পরিচিতর আসার কথা আছে। সে কারণেই অপেক্ষা করছি।”

    আমি বললাম, “পরিচিত না পরিচিতা? ডেট আছে নাকি?”

    আসিফ মাথা নাড়ল, “আরে না না। তা না। আমার এক বন্ধু আসবে। কম সময়ের জন্য দেশে আসি তো, সবার সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেনি যতটা পারা যায়। সমস্যা হল সে বন্ধু একটু আগেই ফোন করে বলেছে আসবে না। আমি কী করব, একটু নিজের সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছি। তুমি কী ব্যাপারে এলে?”

    আমি ফতিমাদের ব্যাপারটা বলায় আসিফ বলল, “ওহ, তাহলে আর তোমাকে বিরক্ত করব না। তুমি বরং সাবধানে ফিরে যাও।”

    আমারও মনে হল আসিফ ঠিকই বলছে। কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। ওর থেকে বিদায় নিয়ে আমি কোয়ার্টারে ফিরে এলাম। ওমর দুপুর নাগাদ এল।

    আমার কেনা গিফট দেখে বলল, “এগুলো একটু কমদামি হয়ে গেল না?”

    আমি অপ্রস্তুত হলাম, “তা হয়েছে, আমার মনে হল বেশি দামের জিনিস কিনলে তুমি যদি রেগে যাও।”

    ওমর হাসল, “না না, আরে সুহেল আর ফতিমাকে দেওয়াই যায়। ঠিক আছে, আমি ওদের জন্য আবার রাতে কিছু কিনে আনব। এখন গিফটটা দেবার দরকার নেই। ওগুলো আমরাই ইউজ করি।”

    আমি আর কিছু বললাম না। ওমর ঠিকই বলেছে। ওমর এখন বড়ো পোস্টে চাকরি করে। কমদামি কিছু দেওয়া ঠিক দেখাবে না।

    সুহেল আর ফতিমা অবশ্য খুবই যত্ন করে খাওয়াল। ওদের ছেলে আরিয়ানকে দেখে আমার মন খারাপ হয়। আমারও যদি ওর মতো একটা ছেলে থাকত…. ওমরকে এই বিষয়ে কিছু না বললেও ওমর বুঝে গেল।

    কোয়ার্টারে ফিরে আমাকে বলল, “জুম্মার দিনে তোমায় রাওয়ালপিন্ডি নিয়ে যাব। তোমার যদি মনে হয়, তাহলে কাউকে অ্যাডপ্ট করা যেতে পারে।”

    আমি শুধু ঘাড় নাড়লাম। একবার মনে হল টেস্টের কথাটা বলি।

    তারপর মনে হল এখন আবার অফিস যাবে, থাক এসব অপ্রিয় কথা বলার দরকার নেই এখন…

    (৬)

    ওমরের সঙ্গে কথা বলে ভালো লাগছিল সুহেলের। লাঞ্চের পর ওমর কোয়ার্টারে ফেরার আগে তাদের আলাদা করে কয়েক মিনিট কথা হল। ওমর সুলতান সাহেবের কথাই জিজ্ঞেস করল প্রথমে, “সুলতান স্যার ঠিক আছেন তো?”

    সুহেল মাথা নেড়েছে, “জি। তোমার কথাই বলছিলেন কাল রাতে। ওমর প্রিয় ছাত্র ছিল, ইত্যাদি।”

    ওমর খুশি হয়ে বলল, “নিশ্চয়ই আমার পোস্টিঙের ব্যাপারেও বলছিলেন। ওঁকে জানিও, আমি কোন লবি ইউজ করে ও জায়গায় যাইনি। ওপর মহল আমাকে কাবিল ভেবেছিলেন।”

    সুহেল বলল, “সুলতান স্যার কিংবা আমি, আমরা দু-জনেই জানি তুমি যথেষ্ট কাবিল। আর কে কী ভাবুক সেটা বড়ো কথা না। আমরা তা ভাবি না।”

    ওমর শ্বাস ছাড়ল, “তা না সুহেল, তুমি জানো না এখানে কত রকমের পলিটিক্স চলে। প্রেসিডেন্ট হাউজে থাকা মানে তুমি পলিটিক্সের মধ্যমণি হয়ে গেলে। তোমায় প্রেসিডেন্ট একবার ডেকেছেন, কথা বলেছেন মানে ব্যস, হয়ে গেল। সবার মুখ গোমড়া হয়ে গেল। এদিকে প্রেসিডেন্ট সাব যে আমায় পছন্দ করছেন, তাতে কী আমার কোনো দোষ আছে?”

    সুহেল বলল, “তা তো একশোবার। তোমার আরও উন্নতি হোক। সুলতান সাহেবেরও অবশ্য রিটায়ারমেন্টের সময় এগিয়ে এল।”

    ওমর চারদিকে তাকিয়ে নিয়ে বলল, “ওই কাজটা কী তোমাকে দেওয়া হয়েছে?”

    সুহেল মাথা নাড়ল, “আমি বুঝতে পারছি তুমি কোন কাজের কথা বলছ। ভাঙা বাড়ি তো?”

    ওমর বলল, “ইয়েস। খুব সাবধান সুহেল, এটার কথা তুমি ফতিমাকেও বলবে না। আশা করি বলনি।”

    সুহেল বলল, “না না। আমি কাউকে বলিনি। তুমি এটা নিয়ে ভেবোই না। সুলতান সাব আমাকে সবটা ব্রিফিং দিয়ে দিয়েছেন।”

    ওমর খুশি হল, “গুড। তোমাকে যাতে বর্ডারে না যেতে হয়, সেটা আমি দেখে রাখছি। ইন্ডিয়ানদের কোনো ভরসা নেই। কখন গুলিটুলি চালিয়ে দেয়, কোনো ঠিক নেই।”

    সুহেল বলল, “বর্ডার নিয়ে আমরা ভাবি না, ওটা ইন্ডিয়ানদের ভাবনার জিনিস। কখন আমরা আবার অ্যাটাক করব, সেটা নিয়েই ওদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। এমনিতেই কাশ্মীর ওদের মোটেও হোম গ্রাউণ্ড না। ওখানে আমাদের সমর্থ প্রচুর।”

    ওমর বলল, “আছে, তবু সাবধান হওয়া ভালো। আমি বেরোই এখন, রাতে হুইস্কি সহযোগে আড্ডা হবে না হয়।”

    সুহেল খুশি হল, “বেশ। আমি কিনে রাখব।”

    ওমর বলল, “না, এই ট্রিটটা আমি দেব। এই নিয়ে আমি কোনো আপত্তি শুনব না।”

    সুহেল আর আপত্তি করল না। ওমর বেরিয়ে যাবার পর ফতিমা বলল, “আচ্ছা সুহেল, তুমি ওমরের মতো ইসলামাবাদে পোস্টিং পেতে পারো না?”

    সুহেল বলল, “আমি চেষ্টা করছি ফতিমা। কিন্তু ওখানে আমার ওপরে অনেক দায়-দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া হয়েছে, চাইলেই আমি এখানে চলে আসতে পারি না।”

    ফতিমা মন খারাপ করল। তাদের ছেলে আরিয়ান ড্রইংরুমে খেলছিল। সুহেল ফতিমাকে বেডরুমে ডেকে নিয়ে বলল, “শোনো, তোমাকে একটা মজার জিনিস দিচ্ছি। তোমার কাছে রাখো, আর খবরদার, ভুল করে হলেও কাউকে দেখাবে না। জায়নাবভাবিকে দেখানোরও দরকার নেই।”

    ফতিমা অবাক হল, “কী এমন জিনিস যেটা কাউকে দেখানো যাবে না?”

    সুহেল ডলারগুলো ফতিমাকে দিল।

    ফতিমা চোখ বড়ো বড়ো করে বলল, “ইয়া আল্লাহ, এগুলো কোত্থেকে পেলে তুমি?”

    সুহেল বলল, “পেয়েছি, মুজফফরাবাদে থাকলে আরও পাব। এবার বল, আমাকে ইসলামাবাদে দরকার না মুজফফরাবাদে?”

    ফতিমা বলল, “সত্যি করে বল সুহেল, এগুলো সৎপথের রোজগার তো?”

    সুহেল হেসে ফেলল, “আরে হ্যাঁ রে, আবার কী? আমি কী চোর না ডাকাত? এগুলো কাজের ইনাম।”

    ফতিমা প্রশ্ন শুরু করল, “কিন্তু কে দিয়েছে এগুলো?”

    সুহেল বলল, “তুমি এত প্রশ্ন করলে আমি উত্তর দিতে পারব না ফতিমা। আপাতত আলমারিতে রাখো। পরে যখন আরও পাব, তখন লকারেই রেখ। এ ডলারগুলো আমি ভাঙিয়ে নেব সময় করে। তবে ভাঙাতে ইচ্ছেও করছে না। এগুলোর পরে আরও দাম বাড়বে। তুমি এখানেই রেখে দাও।”

    ফতিমা বলল, “আমার ভয় হচ্ছে। ভয়ের কিছু না হলেই হল।”

    সুহেল হেসে উড়িয়ে দিল, “ধুস, তুমি শুধু ভয় পাও। নিশ্চিন্তে থাকো, ভয়ের কিছুই নেই। এসব হয়। চল আমরা বরং মল থেকে ঘুরে আসি। জুনিয়রের জন্য কিছু খেলনা কিনে আনা যাক।”

    (৭)

    জায়নাবের ডায়েরি
    রাত দশটা ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

    আমার রাগ হচ্ছে। ওমরের ওপর খুব রাগ হচ্ছে। লোকটা এমনিতেই ঘরে থাকে না। সারাক্ষণ কাজ কাজ করে মাথা খারাপ করে ফেলে। অথচ কয়েকদিন ধরে বাড়ি ফিরছে যখন, মাতাল হয়ে ফিরছে।

    আজকেও ফতিমাদের বাড়িতে দিব্যি সময় কাটছিল, একটা সময় দেখলাম সুহেল ভাইয়ের সঙ্গে মদ খাওয়া শুরু করল।

    ওদের ছেলে আছে বাড়িতে। যতই আর্মি কালচার হোক, আমি তো একটু রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে, ওমররাও যে খুব আধুনিক পরিবারের, তা বলা যায় না। ওর মা থাকলে এভাবে মদ খেতে পারত না।

    আমি ফতিমাকে বলায় দেখলাম ও নিজেও ব্যাপারটা ভালোভাবে নেয়নি। শুধু বলল, “কী বলব ভাবী, বেশি কিছু বললেই তখন বলে এগুলো আর্মি কালচার, তুমি বুঝবে না। কেন বুঝব না বল তো? আর্মি কালচারের নামে আজেবাজে কাজ করে আসবে, আর কিছু বলা যাবে না?”

    আমাকে ফতিমা যত্ন করে খাওয়াল, ওমর বলল ও এখন আসবে না। আমিই রেগে মেগে আমার কোয়ার্টারে চলে এসেছি। বিয়ের প্রথম প্রথম এরকম ছিল না, বিভিন্ন জায়গায় আমরা গেছি। ওমর কাজে ব্যস্ত থাকলেও মদ ছুঁত না। এখন কিছু হলে বলে হাই সোসাইটির লোকজনের সঙ্গে দেখা হলে মদ খেতেই হয়। ওরা নাকি চায়ের মতো মদ খায়। আমার আব্বু এমনিতে আধুনিক হলেও খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট ধর্মপ্রাণ মানুষ ছিলেন, এসব একবারে পছন্দ করতেন না। আব্বু জানলে রাগ করতেন।

    অথচ বিকেলটা কিন্তু ভালো কেটেছে। আমরা বেরিয়ে ওদের জন্য ভালো গিফট কিনে এনেছিলাম। মাইক্রোওয়েভ ওভেন। ফতিমা আর সুহেলভাই খুবই অবাক হয়ে গেছে, খুশিও হয়েছে।

    পরে ওমর তাল কেটে দিল।

    আমার মনে হয় গরীব থাকাই ভালো। একটু সময় খারাপ থাকবে, কিন্তু তখন পরস্পরের মধ্যে অন্তত ভালোবাসাটুকু থাকবে। ওমর যেভাবে এখন মদ খাচ্ছে, রাতে কোয়ার্টারে ফিরে কোনো কোনো দিন না খেয়ে শুয়ে পড়ছে, আমার খুবই খারাপ লাগছে। অন্তত একটা সন্তান হলে ভালো হত। জানি না ওমর সেটা কোনোদিন বুঝবে নাকি।

    (৮)

    ২৩শে ফেব্রুয়ারি, সকাল দশটা

    ভোর পাঁচটায় ঘুম ভেঙেছে আজ। ওমর দেখলাম ফজরের নামাজ সেরে এসেছে। আমি চোখ খুলে দেখি ও আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “কী হল?”

    ওমর বলল, “তৈরি হয়ে নাও, আমরা রাওয়ালপিন্ডি যাব।”

    আমি আর প্রশ্ন করলাম না। আমি জানি, যতই আমি দত্তক নেবার ব্যাপারে না করি, আমাদের পরিবারে ওমর যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমাকে সেটাই মেনে চলতে হবে।

    রাওয়ালপিণ্ডির অনাথালয়টা খুবই পুরোনো। অনেক বাচ্চা আছে ওখানে।

    উসমান সাহেব আমাদের তার ভাঙাচোরা ঘরে বসিয়ে একটা তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে এলেন। বাচ্চাটাকে দেখে কেন জানি না আমার দু-চোখে জল চলে এল। ওমর বলল, “ওর নাম আতিফ। উসমান সাহেবকে বলাই ছিল। তোমাকে বলেছিলাম না একজন বাচ্চাকে উসমান সাহেব আমাদের জন্য আলাদা করে রেখেছেন?”

    আমি আতিফকে জড়িয়ে ধরলাম। ওমরকে বললাম, “ওকে নিয়ে চল। আমি বড়ো করব ওকে।”

    উসমান সাহেব বললেন, “এখনই না বেটি। আমি কিছু পেপার ওয়ার্কসের কাজ করে তারপর নিজে তোমাদের কাছে ওকে দিয়ে আসব।”

    ফেরার পথে ওমরকে শুধু বললাম, “শুক্রিয়া।”

    ওমর বলল, “তুমি নিতে চাইছিলে না। আমি জানতাম, এখানে এলে তুমি তোমার মত পালটাবেই। এত এত এতিম বাচ্চা এখানে।”

    আমি বললাম, “আমরা আর একবার চেষ্টা এরপরেও করতে পারি না?”

    ওমর বলল, “না হলে থাক না জায়নাব। কী দরকার? ওপরওয়ালা আমাদের প্রত্যেককে একটা দায়িত্ব দিয়ে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। ধরে নাও আমাদের দায়িত্ব আতিফকে বড়ো করা।”

    আমি বললাম, “তখন মদ খাওয়াটা কমিও। কাল ওদের বাড়িতে বাচ্চাটার সামনে তোমরা মদ খাচ্ছিলে, আমার দেখতে একটুও ভালো লাগেনি।”

    ওমর হেসে ফেলল, “আচ্ছা, তাই হবে।”

    (৯)

    ফতিমার কান্না পাচ্ছিল। সুহেল মাত্র একদিনের জন্য এসেছিল। গাড়িতে উঠে সুহেল হাত নাড়ল। ফতিমার চোখে জল দেখে সে ইশারা করল না কাঁদার জন্য।

    মিনিট দশেক পর তার গাড়ি মুজফফরাবাদ হাইওয়ে ধরবে। তাদের অফিসার্স কোয়ার্টারের প্রেমিসেসের বাইরে গাড়ি বেরোতে তার ফোন বেজে উঠল। সুহেল দেখল সুলতান সাহেব ফোন করছেন। সঙ্গে সঙ্গে ধরল সে, “জি জনাব।”

    “সুহেল, তুমি কী বেরিয়ে গেছ?”

    “জি জনাব।”

    “আমার একটা কাজ করে দাও। আমি একটা মেসেজ পাঠাচ্ছি তোমায়, নিজে গিয়ে সেটা উসমান অরফ্যানেজে দিয়ে এস। তারপর ইচ্ছে করলে আজ না এসে কালও ক্যাম্প জয়েন করতে পারো। আমি দেখে নেবো।”

    সুহেল অবাক হল, “খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু জনাব?”

    “হ্যাঁ, তুমি নিজে যাও।”

    “ঠিক আছে জনাব।”

    ফোন কেটে দিলেন সুলতান। পরক্ষণেই সুহেলের ফোনে একটা মেসেজ এল। মেসেজটা কিছুই বুঝতে পারল না সে। ড্রাইভারকে বলল, “রাওয়ালপিন্ডি চল। আজ আর মুজফফরাবাদ যেতে হবে না।”

    ড্রাইভার অবাক হলেও কোনো প্রশ্ন না করে রাওয়ালপিণ্ডির রাস্তা ধরল।

    সুহেল মেসেজটা আবার দেখল, ইংরেজিতে লেখা সাতটা অক্ষর। হাল ছেড়ে দিল, আর বোঝার চেষ্টা করল না সে। ঠিক করল সুলতান না বললে আর জিজ্ঞেস করবেও না।

    সুহেল অরফ্যানেজের কাছে গিয়ে ড্রাইভারকে বাইরে অপেক্ষা করতে বলে সে অরফ্যানেজের ভেতরে ঢুকল। বিরাট বড়ো তিনতলা বিল্ডিং, স্কুল ঘরের মতো ঘেরা জায়গা, ক্লাস চলছে, ক্লাস থেকে বাচ্চাদের পড়ার শব্দ ভেসে আসছে। সুহেল এদিক সেদিক ঘুরে উসমানের খোঁজ করল, তাকে উসমানের অফিসে বসানো হল। কিছুক্ষণ পর উসমান এসে বললেন, “ওহ, সুহেল স্যার। আপনার কথা সুলতান আমাকে বলেছেন।”

    সুহেল উঠে দাঁড়াল, “সুলতান স্যারের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা মেসেজ আপনাকে দেবার আছে।”

    সে শশব্যস্ত হয়ে ফোনটা বের করতে গেল। উসমান হো হো করে হেসে উঠলেন, “ওহ জনাব, সুলতান স্যার আপনার লেগ পুল করেছেন। উনি আমাকে কোনো কোড পাঠাননি। আপনাকে পাঠিয়েছেন আমার সঙ্গে পরিচিত হতে।”

    সুহেল অবাক হয়ে ফোনের মেসেজটা বের করে উসমানকে দেখাল, উসমান হাত-টাত নেড়ে বললেন, “না জনাব। এটা একটা প্র্যাক্টিকাল জোক ছিল। ইসলামাবাদের সঙ্গে মুজফফরাবাদের একটা ব্রিজ ছিলেন সুলতান সাহেব। এবার আপনি এই বিষয়টা হ্যান্ডেল করবেন। এই জন্যই আপনাকে এখানে পাঠানো হয়েছে।”

    সুহেল হেসে ফেলল, “আমার বোঝা উচিত ছিল।”

    উসমান বললেন, “জি, সুলতান সাহেব খুবই মজার মানুষ। আসলে আমার কাছে পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেরা আসে, তাদের আমিই শিক্ষিত করি, ওদের শেখাই জেহাদের আসল অর্থ কী। বুঝতেই পারছেন কতটা কঠিন কাজ। এর আগের অ্যাসাইনমেন্টের কথাই ধরুন। আমি না থাকলে কে পাঠাত এতগুলো ছেলে?”

    সুহেল বলল, “তা ঠিক। আমিও সেটাই ভাবছিলাম, এত বড়ো প্রতিষ্ঠান না-হলে এই কাজটা একবারেই অসম্ভব ছিল।”

    উসমান গর্বের সঙ্গে বলল, “জি, দেশ গড়ার জন্য কিছু আত্মবলিদান তো দরকার। যে কোনো দেশ একদিনে গড়ে ওঠে না। পাকিস্তান তখনই সফল হবে, যখন ইন্ডিয়াকে আমরা সব থেকে বেশি পরিমাণ আঘাত করতে পারব। আমাদের কাশ্মীরি ভাইবোনদের ওপর ইন্ডিয়া যে দমননীতি নিয়েছে, সেখানে আমরা তাদের এটুকু উপহার দিতেই পারি।”

    জোরে হেসে উঠলেন উসমান।

    সুহেলও হাসল, “তাহলে আমি কী এখন যেতে পারি উসমান ভাই?”

    উসমান বললেন, “অবশ্যই। দিন পনেরো পরে নেক্সট অ্যাসাইনমেন্ট আছে। আপনি জানলে খুশি হবেন, আমাদের এই অ্যাসাইনমেন্ট সফল হয়েছে। মৌলানা যাদের ওপারে পাঠাতে চেয়েছিলেন, পাঠাতে পেরেছেন।”

    সুহেল খুশি হয়ে বলল, “আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনিই আসল কাজ করছেন।”

    উসমান বললেন, “লস্কর সামলাচ্ছি জনাব, কাজ তো করতেই হবে।”

    অরফ্যানেজ থেকে বেরিয়ে সুহেল গাড়িতে উঠল।

    কোয়ার্টারে ফিরে কলিং বেল বাজাতে ফতিমা দরজা খুলে তাকে দেখে ভীষণ খুশি হল। এই সারপ্রাইজটা দেবে বলেই সে আগে থেকে ফতিমাকে জানায়নি কিছু…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }