Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জায়নাবের ডায়েরি – ১৫

    (১৫)

    মুজফফরাবাদ:

    সুহেল তাঁর সামনে চুপ করে বসে আছে। প্রবল ঠান্ডাতেও সুহেলের কপাল ঘামে ভিজে জবজব করছে।

    সুলতান গলা তুললেন, “সুহেল।”

    “জি জনাব।”

    “আমার কাছে ইসলামাবাদ থেকে অর্ডার এসেছে, তোমাকে কোর্টমার্শাল করার অর্ডার আছে।”

    সুহেল কেঁদে ফেলল, “কী অপরাধে জনাব?”

    সুলতান বললেন, “এঁরা সন্দেহ করছেন তুমি খবর লিক করেছ।”

    সুহেল বলল, “আপনি আমাকে জানেন জনাব। আমি এটা করতে পারি?”

    সুলতান বললেন, “আটকে রেখেছি। ভেবো না। কারও একটা ক্যালাস কাজের দায় আমি নেবো না।”

    সুহেল মাথা নীচু করে বলল, “আমি আমার স্ত্রী-কেও বলিনি। কাউকে কিচ্ছু বলিনি। আজীবন অত্যন্ত সততার সঙ্গে কাজ করে গেছি। তারপরেও কী করে এত বড়ো একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হল জনাব…

    সুলতান বললেন, “ধামাচাপা দিতে চাইছে। তুমি ভেবো না, আমি দেখছি কী করা যায়।”

    সুহেল বলল, “কাউকে না কাউকে একটা স্কেপ-গোট করা হয়, এ-ক্ষেত্রে আমাকেই করা হল।”

    সুলতান বললেন, “বাড়ি ফিরে কী কী করেছিলে?”

    সুহেল ওমরের কথাটা বলল।

    সুলতান বললেন, “তোমাকেই একা দোষ দেওয়া হচ্ছে, ওমরকে নয় কেন? ও ইসলামাবাদে পোস্টেড বলে? অবশ্য আমি ওমরকে চিনি। ওমর ভীষণ দায়িত্ববান অফিসার। এই কাজ ও করতে পারে না। না না, আমি কিছুতেই হিসেব মেলাতে পারছি না। যাক গে, তুমি বিশ্রাম কর। কোনো বোকামো কোর না, কাউকে ফোন করার দরকার নেই, আমি যদ্দিন বেঁচে আছি, কেউ তোমার গায়ে হাত দিতে পারবে না। আমি তোমাকে বিশ্বাস করি।”

    সুহেল উঠে দাঁড়াল, কৃতজ্ঞ কণ্ঠে বলল, “শুক্রিয়া জনাব।” সুহেল বেরোতেই সুলতান ওমরকে ফোন করলেন। ওমর ফোন ধরতে কড়া গলায় বললেন, “সুহেলকে কোর্টমার্শাল করার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছে ওমর?”

    ও-প্রান্তে একটু নীরবতা। পরক্ষণে ওমর বলল, “ওপরমহল নিয়েছে জনাব। আমি একজন মাঝারি মাপের অফিসার, এত বড়ো সিদ্ধান্ত কী আমি নিতে পারি? মেজর জেনারেল খবরটা পেয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।”

    সুলতান বললেন, “তার একটু ভেবে দেখা উচিত ছিল। অন্তত আমাকে জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল।”

    ওমর চুপ করে রইল।

    সুলতান বললেন, “আমি কিন্তু ঠিক খুঁজে বের করব যে এই কাজ কে করেছে। অনেকেই আমায় চেনে না, আমি কী করতে পারি জানে না। যদি আমি দেখি সুহেলকে অকারণে ফ্রেম করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তাহলে আমি কাউকে ছাড়ব না।” ওমর বলল, “জনাবের গলা শুনে মনে হচ্ছে আপনি আমাকে সন্দেহ করছেন। আপনি কিন্তু আমাকে ভালো করে চেনেন। এই কাজ আমি করতে পারি না।”

    “জনাব।”

    বাইরে থেকে সিকিউরিটি ইন চার্জের কন্ঠস্বর ভেসে এল।

    সুলতান ফোন কেটে দিয়ে বললেন, “আসুন।”

    সিকিউরটি ইন চার্জ প্রবেশ করলেন, “জনাব, একজন সিপাহী ঘটনার দিন থেকেই গায়েব। তার গ্রামের বাড়ি ফয়সলাবাদে। খোঁজ নেওয়া হয়েছে। বাড়িতে কেউ নেই। সে ফেরেওনি।”

    সুলতান সোজা হয়ে বসলেন, “কে সে?”

    “ওর নাম বরকত পাশা।”

    সুলতান ভ্রু কুঁচকালেন, “সে তো খুব অ্যাক্টিভ সিপাহী ছিল। আরও খুঁজুন। যে পাতালে থাকুক, সেখান থেকে খুঁজে বের করে নিয়ে আসুন দরকার হলে।”

    সিকিউরিটি ইন চার্জ মাথা নাড়লেন, “কোনো ট্রেস করা যাচ্ছে না জনাব।”

    “ছবি দিন। লুক আউট নোটিস জারি করুন। এখনই।”

    “জি জনাব।”

    ইন চার্জ স্যালুট করে বেরিয়ে গেলেন। সুলতান ইসলামাবাদে ফোন করলেন। ও-প্রান্ত ফোন ধরতেই বললেন, “একজন সেপাইকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ছবি তোলার দিন থেকে। নাম বরকত পাশা। আমি জানতাম সুহেল এ-কাজ করেনি। সেনায় কালো বাদুড় ঢুকেছে। খুঁজে বের করতে হবে সে বাদুড় কোথায় আছে।”

    “ইন্টারেস্টিং! আপনাকে ফলো করেছিল সেদিন?”

    “হতে পারে। এ-পাশ থেকে সবাই ও-পাশে যাচ্ছে, ও-পাশ থেকেও কেউ এ-পাশে আসতেই পারে। নাথিং ইজ ইম্পসিবল।”

    “রাইট। খুঁজুন। খুঁজে জানান।”

    “তবে এ-কাজ সে একা করেনি। ইসলামাবাদের মিডিয়া পারসোনেলদের তল্লাশি শুরু করুন। খবর হয়েছে এখন থেকেই।”

    “আমি অলরেডি ওই ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া চ্যানেলট সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কে নিউজ করেছে বের করতে বেশিক্ষণ লাগার কথা না। পালিয়ে কোথায় যাবে?”

    “গুড।”

    “আপনি সুহেলকে….”

    “আমাকে বুঝতে দিন। গুড নাইট।”

    “গুড নাইট সুলতান।”

    ফোন রাখলেন সুলতান। আহত বাঘের মতো পায়চারি শুরু করলেন। এত বড়ো সাহস হয়ে গেছে এদের?

    পালিয়ে যাবে কোথায়! ধরা ওদের পড়তেই হবে।

    (১৬)

    জায়নাবের ডায়েরি

    ২৪শে ফেব্রুয়ারি, রাত এগারোটা পঁয়তাল্লিশ

    ওমর এখনও ফেরেনি। কখন ফিরবে কিছুই বলেনি। আমাকে বারণ করেছে বলে আমি আর ফোন করতেও পারছি না।

    বিদেশি চ্যানেলটাকে আমাদের টিভিতে আর দেখতে পারছি না। চ্যানেলটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বুঝতে পারছি। খবরের কোনো চ্যানেলে এই বিষয়ে অন্য কোনো খবরও দেখাচ্ছে না। বেশ কিছুক্ষণ শুয়ে থেকে ঘুমনোর চেষ্টা করে দেখেছি। ঘুম আসছে না।

    আসিফকে ফোন করার চেষ্টা করিনি আর। আমার ওকে নিয়েও ভয় হচ্ছে। কেন জানি না আমার মনে হচ্ছে, এ-দেশে থাকলে আসিফের জীবন সংশয় হতে পারে। যেভাবে ও ঝাঁপিয়ে পড়ে খবরটা করেছে, এখন যদি কেউ জেনে যায় এর পেছনে আসিফ আছে, তাহলে কী হতে পারে?

    সুহেলের ব্যাপারেও কোনো খবর এল না। হতে পারে সুহেল আজ বেঁচে আছে। সকালে ছবিটা দেখার পর থেকে যতবার মনে পড়ছে, আমার বুক ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। ওই ছোটো ছোটো বাচ্চাগুলোকে কী করে কেউ গুলি খাবার জন্য ছেড়ে দিতে পারে? যুদ্ধে জেতা এতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    এতকিছুর পর যদি জিতেও যায়, বাচ্চাগুলোই তো থাকবে না, বেঁচে থাকার জন্য পরবর্তী প্রজন্মটাই তো থাকবে না।

    ওমর বলে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছেলেদের উসমানের অরফ্যানেজে নিয়ে আসা হয়। এত বড়ো দেশ। তাও এত এতিম? দেশে এত এতিম কোত্থেকে আসছে?

    নিষিদ্ধ পল্লী থেকে? রাস্তার ভিখারিদের বাচ্চাদের তুলে নিয়ে আসে না তো ওরা? যে ছেলেগুলো বেঁচে থাকে, ইন্ডিয়াতে গিয়ে তারা ঠিক কী করে? ওখানেও মানুষ মারে? একটা ইন্ডিয়ান চ্যানেলে দেখেছিলাম আজমল কাসভ নামের ছেলেটা ইন্ডিয়াতে গিয়ে গুলি করে কতজনকে মেরে দিয়েছিল। এরা তো সেরকমও কিছু করেনি। এত এত ছেলেকে খোলা বন্দুকের সামনে ফেলে দিয়েছে।

    মেসেজ এল। ওমর।

    …

    ওমর মেসেজ করেছে, “আমার আলমারির চাবি কী তোমার কাছে আছে?”

    আমার হাত পা কাঁপছে। লিখতে পারছি না আর…

    …

    উফ… ওমর ফোন ধরছে না। আমি লিখেছি, “না। কাছে নাই।”

    আমি জানি ও কোথায় চাবি রাখে। সব জানি। কিন্তু কিছু বলা যাবে না। কিছু সমস্যা হয়েছে নিশ্চয়ই। সুহেলকে যেটা করছিল, ওমরকেও কী….?

    …

    আমি আসিফকে ফোন করলাম। আসিফ ফোন ধরল, অবাক গলায় বলল, “এত রাতে?”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “ওমর আমাকে জিজ্ঞেস করছে আলমারির চাবি কোথায় থাকে আমি কী জানি? তার মানে ও আমায় সন্দেহ করছে।”

    ফোন কেটে গেল। আবার ফোন করে দেখলাম ফোন সুইচড অফ বলছে। আমি আসিফকে ফোনে পেলাম না।

    আসিফ আমাকে ঠকিয়েছে। নির্ঘাত ঠকিয়েছে। ছিঃ ছিঃ ছিঃ, আমি ওমরের নোটবুকের অতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটা ওকে পাঠিয়েছি? এত বড়ো ভুল করে ফেললাম আমি?

    …

    রাত দেড়টা

    ওমর ফেরেনি। ফোন ধরছে না। কোনো মেসেজের রিপ্লাই নেই। আমি কী করব বুঝতে পারছি না। এত রাতে কাউকে ফোন করবই বা কী করে? একবার টিভি চালিয়ে দেখলাম খবরে দেখাচ্ছে আর্মস ডিলে কী সব করাপশন হয়েছে। ওমরের নোটবুকে কি ওসব নিয়ে কিছু ছিল?

    আসিফ একটা মেসেজ করেছে, ‘সরি’ লিখে। ফোন করে দেখতে গেলাম, ফোন আবার সুইচড অফ বলছে। আমি একটু আগেও থরথর করে কাঁপছিলাম। বাইরে গাড়ির শব্দ পাচ্ছি, ওমর ফিরছে মনে হয়। ডায়েরিটা এখনই লুকিয়ে রাখি…

    (১৭)

    রাত দেড়টা।

    “আমার একটা ধারণা ছিল, আমি ভরসা করেছিলাম ইয়ং ব্লাডের ওপরে। আমি ভাবতাম এই দেশের নতুন প্রজন্মর ওপরে নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে আমরা নিশ্চিন্তে থাকতে পারব। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম। আমি ভাবতে পারিনি, যার ওপরে এত বড়ো ভরসা করছিলাম, সে আমেরিকান ডলারের লোভে আমাদের গোপন তথ্য কাউকে বেচে দিতে পারে।”

    ওমরকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে। আই.এস.আই. চিফ তার সামনে বসে কথাগুলো বললেন।

    ওমর বলল, “বিশ্বাস করুন জনাব, আমি কাউকে কিচ্ছু আমার বেচিনি। আপনাদের কোথাও একটা ভুল হচ্ছে।”

    “ভুল হচ্ছিল। সুহেলকে সন্দেহ করে ভুল হচ্ছিল। যতক্ষণ আমরা কাশ্মীর নিয়ে বিব্রত ছিলাম, আমাদের ধারণা ছিল এর মধ্যে আর কেউ নেই। কিন্তু যখনই ওরা আর্মস ডিল নিয়ে নিউজটা ছড়াতে শুরু করেছে, আমরা বুঝে গেছি এটা তোমার কাজ।”

    ওমর বলল, “জনাব, বিশ্বাস করুন, আমি আমার দেশকে নিজের থেকেও ভালোবাসি…”

    “করাচির ওরাঙ্গি টাউনে, লাহোরের জিন্না মিউজিয়ামে, ফয়সলাবাদের ক্লক টাওয়ারের কাছে উস্তাদের ড্রাই ফ্রুটসের দোকানে, লস্করের লোক সওদা করতে আসে, এই তথ্য আমি ছাড়া শুধু তোমার কাছে ছিল। তাই না?”

    ওমর মাথা নাড়ল, “জি জনাব। এই খবর আর কারও কাছে থাকা সম্ভব না।”

    “তাহলে?”

    ওমর বলল, “আমি নিজে এই ডিলে কাজ করি জনাব, এই তথ্য আমি কেন বাইরে দিতে যাব?”

    “তাহলে তুমি কী বলতে চাইছ? আমি দিয়েছি?”

    ওমর বলল, “আমি বাড়ি ফিরব জনাব। আমার বিশ্রাম দরকার।”

    চিফ হেসে উঠলেন, “সিরিয়াসলি ওমর? তোমার বিশ্রাম দরকার? এত বড়ো ক্ষতি করে তুমি এখন বিশ্রাম চাইছ?”

    ওমর হাল ছেড়ে দেওয়া ক্লান্ত কণ্ঠে বলল, “আমার মনে হয় আমি জানি খবরটা কীভাবে বেরিয়েছে। আপনি কী শুনবেন?”

    চিফ বললেন, “বল। বল। আমি তো শোনার জন্যই অপেক্ষা করছি। দয়া করে নতুন কোনো গল্প তৈরি করবে না। সরাসরি বল যা বলবে।”

    ওমর বলল, “জি, আমি সরাসরিই বলছি। আমার নোটপ্যাডে আমি এগুলো লিখে রাখতাম। আমার স্ত্রী ছাড়া আমার নোটপ্যাড কেউ অ্যাক্সেস পাবে না। কিন্তু ওর পরিবার পাকিস্তানের অনেক পুরোনো এবং বিশ্বস্ত পরিবার জনাব…

    চুপ করে গেল ওমর।

    চিফ চোখ ছোটো করলেন, “এই জন্যই তুমি ফিরতে চাইছ?”

    ওমর বলল, “জি জনাব। আমাকে একটু সময় দিন।”

    চিফ মাথা নাড়লেন, “তোমাকে একা আমি ছাড়তে পারব না। চল, এই কে আছ? ওমরকে খুলে দাও। আর ফোর্স নিয়ে চল।”

    ওমরকে নিয়ে চিফ রওনা হলেন, রাতের ইসলামাবাদের রাস্তায় দ্রুত কনভয়টা এগিয়ে চলল ওমরের কোয়ার্টারের দিকে।

    চিফ সিগারেট ধরিয়েছেন। ওমরকে বললেন, “তোমার স্ত্রী কার কার সঙ্গে মিশছিল এর মধ্যে?”

    ওমর বলল, “আমাকে বলেছিল, আসিফ বলে একটা ছেলে ওদের লাহোরের বাড়িতে যেত। সে তাও অনেকদিনের কথা।”

    চিফ বললেন, “হু, পূর্ব প্রেম, অনেক কিছু ছিল, তোমাকে ফ্রেম করে বিয়ে দিয়েছিল হয়তো, তাও ভালো, ওদের সন্তানকে তুমি বড়ো করছ না। সেক্স হয়নি তার মানে, তুমি তো নিঃসন্তান!”

    ওমর গলা তুলল, “কী আজেবাজে কথা বলছেন আপনি?”

    চিফ বললেন, “তোমাকে কী এই ট্র্যাপগুলো নিয়ে নতুন করে বলতে হবে?”

    ওমরের কান মাথা ঝাঁঝাঁ করছিল। সে চুপ করে গেল।

    কোয়ার্টারের সামনে গাড়ি দাঁড়াতেই সে লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে নামল। তার কোয়ার্টারের দরজা ধাক্কা দিতেই খুলে গেল। সে ঘরে ঢুকে গলা তুলল, “জায়নাব, জায়নাব!”

    কোনো সাড়া মিলল না। চিফ ঘরে ঢুকে শান্ত কণ্ঠে বললেন, “পালিয়েছে মনে হচ্ছে। কনগ্র্যাচুলেশনস ওমর। তোমাকে তোমার স্ত্রী বোকা বানিয়েছে।”

    ওমর জায়নাবের আলমারি খুলল। লকার বন্ধ। সে রাগে কাঁপতে কাঁপতে চিফকে বলল, “এই লকারটা খোলার ব্যবস্থা করুন জনাব। এখানে ওর ডায়েরি থাকার কথা। ওটা পাওয়া গেলে কিছু ক্লু পাওয়া যেতে পারে।”

    চিফ কম্যান্ডোদের ইশারা করলেন। মিনিট সাতেক লাগল লকার খুলতে।

    ডায়েরিটা লকারেই আছে।

    ওমর শ্বাস ছাড়ল, বলল “আমাকে দেবেন জনাব? আমি কী একবার পড়তে পারি?”

    (১৮)

    কোয়ার্টারে মাঝরাতে সুলতানের ফোন বেজে উঠেছে।

    সুলতান ঘুমোতে পারেননি। মুজফফরাবাদের প্রবল শীতে জেগেই বসে ছিলেন।

    ফোন বাজার সঙ্গে সঙ্গে ধরতেই ও-প্রান্ত থেকে ভেসে এল, “সুহেল ইজ ইনোসেন্ট। ইউ ক্যান অ্যাবর্ট হিস কোর্টমার্শাল।”

    সুলতান বললেন, “ওকে ঘুম পাড়িয়ে আমি লোডেড রিভলভার নিয়ে বসেছিলাম। আপনি কনফার্ম করলে ওকে মেরে আমি নিজে মরতাম। প্রথমবার নিজের সিদ্ধান্তের ওপর এতখানি সন্দেহ হয়েছিল আমার। এত অবিশ্বাস্য। নিজের হাতে তৈরি করা ছাত্র গদ্দার বেরোবে? আপনি বুঝতে পারছিলেন আমার মধ্যে কী চলছিল?”

    ও-পাশ থেকে হাসির শব্দ এল, “আপনি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ। এই বয়সে এসে অবশ্য এরকম আবেগ আসে। ইউ মে জয়েন আস, আফটার ইওর রিটায়ারমেন্ট। যাক গে, ওমরের স্ত্রী-র কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওর ডায়েরি থেকে জানা গেছে আসিফ নামের একটা ছেলে এর পেছনে আছে। ছেলেটা ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার কোনো চ্যানেলে আছে। খোঁজ নিচ্ছি। দেখা যাক।”

    সুলতান বললেন, “ওহ, আমি কেন সারপ্রাইজড হচ্ছি! হলে এরকমই তো হয়। খামোখা মাথা খারাপ করছিলাম। যা-ই হোক, তাকে খোঁজার দায় আপনার। আর ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়াতে যে ছবিগুলো বেরিয়েছে, সেগুলোকে অনেক কিছু বলেই ডিফেন্ড করা যায়, আপনি সেটা দেখে নিন।”

    “ছবি ছাড়াও আরও অনেক কিছু ছিল ওমরের ডায়েরিতে। আপাতত সেগুলো আমি ফোনে বলতে পারব না। ওমরার আটক করছি আমরা।”

    “ওমর একজন বিশ্বস্ত অফিসার। অকারণ আটক না করে ওর মাধ্যমেই ওর স্ত্রী আর আসিফকে খোঁজার চেষ্টা করুন। নইলে এর থেকে বেশি ড্যামেজ হতে পারে। আমিও দেখছি আমার বাঘের গুহা থেকে যে ছেলেটা ফটো তুলেছিল, সে কোন্ গর্তে লুকিয়ে আছে। যেখানেই থাকুক, সেখান থেকে বের করে ওর বারোটা না বাজানো অবধি আমি শান্তি পাবো না।”

    “হুম। ঠিক আছে জনাব, আপনার উপদেশ শিরোধার্য, তাই করা হবে। গুড নাইট।”

    “গুড নাইট।”

    ফোন রেখে ঘরের বাইরে গেলেন সুলতান। বাইরে প্রবল ঠান্ডা হাওয়া বইছে।

    জিপে গিয়ে বসলেন তিনি। গাড়ি স্টার্ট দিয়ে বেরোলেন।

    রাতের শহর পেরিয়ে মৌলানার ডেরায় পৌঁছতে বেশিক্ষণ লাগল না। মৌলানা বিল্ডিং-এর বাইরেই অপেক্ষা করছিল।

    সুলতান গাড়ি থেকে নামতে বিরক্ত কণ্ঠে বলে উঠল, “আপনাদের আর্মি আর আই.এস.আই.-এর ওপরে আমি ভীষণ রেগে আছি জনাব। এত বড়ো খবর বাইরে চলে যেতে পারে, আমার জানা ছিল না। এর আগে এতগুলো ডিল হল, সেখানে তো এরকম কিছু হয়নি।”

    সুলতান বললেন, “সে জন্যই আপনার সাহায্য চাই মৌলানা। একটা ছেলে আমাদের সেনায় থেকে ছবিগুলো বাইরে বের করেছে। এই দেশেই আছে। আর একটা ছেলে ওমরের বউকে ম্যানিপুলেট করেছে। এদের দু-জনকে আমি আমার কাছে চাই। কোনো ইসলামাবাদ না, কোনো আই.এস. আই. দফতর না। এই দু-জনকে আমি মুজফফরাবাদে চাই।”

    মৌলানার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটল, সুলতানের কাঁধে হাত রেখে বলল, “আপনার কাছে আমার এই উম্মিদই ছিল সুলতান সাব। আমরা দু-জন একই পথের পথিক। এদের আমরা বিচার করব। এখানে বিচার হবে। ওমরের স্ত্রী-র ডায়েরি পাওয়া গেছে শুনেছি। সেই মেয়ের পক্ষেও এত তাড়াতাড়ি দেশ ছাড়া সম্ভব না।”

    সুলতান বললেন, “না। ও পাকিস্তানেই আছে। যে ছেলেটা ওকে এই বিশ্বাসঘাতকতা করতে বাধ্য করেছে, সে-ও পাকিস্তানেই আছে। কোথায় যাবে?”

    “একটা কথা আমাকে বলুন সুলতান সাহেব, শুধুমাত্র এই কথা বলতে আপনি ক্যাম্প থেকে মাঝরাতে গাড়ি চালিয়ে এতদূরে আসেননি। কারণটা ঠিক কী?”

    সুলতান মাথা নীচু করলেন, “ওমর আমাদের এখানেও ছিল জনাব। আর ওর নোটপ্যাডটা খোয়া গেছে বা কমপ্রোমাইজড হয়েছে। ওমর এখানে আর্মস রুটটা দেখত, এই রুটের কথা ওর নোটপ্যাডে থাকতে পারে।”

    মৌলানা সামসুদ্দিন হাত নাড়ল, “ভাবছি না। এসব নিয়ে আমি আর কিচ্ছু ভাবছি না। দরকার হলে আর্মস রুট চেঞ্জ করব, এটা আমার দেশ, আমি সব কিছু করতে পারি। কে কী বলল, তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না। ওসব মিডিয়া টিডিয়া নিয়ে আমি কাজ করি না। আপনারা করেন। পাকিস্তানের লস্করকে দরকার। লস্করের পাকিস্তানকে দরকার নেই। এসব গু-মুত আপনারা পরিষ্কার করুন। খুদা হাফেজ।”

    মৌলানা রাগী মুখে বিল্ডিঙের দিকে রওনা দিল। সুলতান চিন্তিত মুখে দাঁড়িয়ে রইলেন…

    (১৯)

    “তোমার দাম্পত্য জীবন নিয়ে অনেক কথা লেখা আছে দেখছি। তোমার স্পার্ম কাউন্ট কম ছিল?”

    আই.এস.আই. চিফ শ্লেষাত্মক কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন। ওমর বলল, “এই নিয়ে আমার সঙ্গে কোনোদিন কথা বলেনি। ডাক্তাররা ওকে কী বলেছে, তা আমি জানি না।”

    “হু। বোঝা যাচ্ছে দাম্পত্য জীবনে তুমি তাকে সেরকম সুখ দিতে পারোনি। সময়ও দিতে না। ফলে জায়নাবের জীবনে অন্য পুরুষ আসায় ও ভেসে গেছে।”

    ওমরের চোখ মুখ লাল হয়ে গেল। সে শুধু বলল, “জায়নাব ভেসে গেছে বলাটা ঠিক হবে না জনাব। ও ট্র্যাপড হয়েছে। আর এগুলো তো সাধারণ দাম্পত্যের কথা। আমরা যারা এত চাপের ডিউটি করি, তারা কতজন আর স্ত্রী-কে সময় দিতে পারি? ও একটা বাচ্চা চেয়েছিল। আমি তো উসমানের কাছে ওকে নিয়েও গেছিলাম। একটা বাচ্চা দত্তক নিয়ে নিতাম আমরা খুব তাড়াতাড়ি। আমার মনে হয় এই ব্যাপারটা নিয়ে চর্চা কম করলেই ভালো হয়।”

    চিফ বললেন, “ওকে, তাহলে তুমি, যে কী না একটা সামান্য সিক্রেট রাখতে পারোনি, সে এখন আমাকে জ্ঞান দেবে কোন্‌টা নিয়ে আমি চর্চা করব আর কোটা নিয়ে করব না, তাই তো?’

    ওমর বলল, “না না, ব্যাপারটা ঠিক তা নয় জনাব। আমার মনে হয় এখন ওই আসিফ ছেলেটাকে খুঁজে বের করতে পারলে আমাদের লাভ হত।”

    “ঠিক আছে, এবার মনে করে বল আসিফের ব্যাপারে তুমি কী কী জানো? মানে জায়নাব ঠিক কী বলেছিল তোমাকে?”

    “সেরকম কিছুই জানি না জনাব। জায়নাবের বাড়ির লোক ভালো বলতে পারবে। ওদের বাড়িতে তো ও যেত।”

    “হু। সে ছেলে এমন একটা মিডিয়ায় জয়েন করেছে, যারা দেশবিরোধী কাজ করলেও ওর কোনো যায় আসে না। আমি ওই চ্যানেলে খোঁজ নিয়েছি, ছেলেটা পাকিস্তানেরই ছেলে। কিন্তু এর বেশি কোনো তথ্য ওরা দেবে না। লন্ডনে আমির আছে, ও হয়তো দু-তিন দিনে ছেলেটার ডি.এন.এ. রিপোর্ট অবধি বের করে দেবে, কিন্তু ততদিনে দেরি হয়ে যাবে। আর্মস ডিলের ব্যাপারেও খবর লিক হয়ে গেছে, বুঝতে পারছ এটা কত বড়ো ড্যামেজ হয়েছে? টার্কি ডিল নিয়ে কিছু লিখেছিলে নোটপ্যাডে?”

    ওমর ফ্যাকাসে মুখে বলল, “ড্রোন ডিলের ডেটটা লেখা ছিল, ভেনু লিখিনি।”

    চিফ মাথা নাড়লেন, “আমি জানি না ওমর, তুমি এত বড়ো ব্লান্ডার করে ফেললে, আমি জানি না কী করব এবার তোমাকে নিয়ে। বালোচ ডিভিশনে ট্রান্সফার করতে হবে হয়তো। ঠিক আছে, টেক রেস্ট, আমরা এবার বেরোচ্ছি। আশা করি জায়নাবকে দেখা মাত্র গুলি করার অর্ডার দিলে তুমি রাগ করবে না?”

    ওমর চুপ করে বসে রইল। চিফ বললেন, “আমি চেষ্টা করব যাতে ওকে অন্তত বাঁচিয়ে রাখা যায় ইন্টারোগেট করার জন্য। জানি না কতদূর কী করতে পারব। মৌলানার চক্ষুশূল হয়ে গেলে কী করে আর বাঁচানো যাবে… ওয়েল, তুমি বরং আর একটা বিয়ে করে ফেলো। এ-বউয়ের কথা মাথা থেকে বের করে দাও।”

    ওমর অসহায় মুখে বলল, “এটা কী এতই সহজ জনাব? চাইলেই মাথা থেকে বের করে দেওয়া যায়? যে ছেলেটার জন্য এত কিছু হল, তাকে না ধরে আমি বালোচ ডিভিশনে চলে যাব? আমার ওপর কী আপনার এটুকু ভরসা নেই?”

    চিফ বললেন, “ওকে, তুমি বল, কী করে ধরব এদের?”

    “যত রকম একজিট পয়েন্ট আছে, সব সিজ করে দেওয়া যায়। নাকা চেকিং করা যায়, কোথায় পালাবে?”

    “আমার কাছে ইন্সট্যান্স আছে ওমর, এই শহরে, আমার নাকের ওপরে কোন আন্ডারগ্রাউন্ড চেম্বারে এক এজেন্ট সাড়ে সাত বছর লুকিয়ে ছিল, কেউ ধরতে পারেনি।”

    ওমর বলল, “পারবে না জনাব, কোথাও পালিয়ে বাঁচতে পারবে না, আমি ঠিক বের করে আনব।”

    চিফ ব্যাঙ্গের হাসি হেসে বললেন, “গুড নাইট ওমর। তোমার কোয়ার্টারের সামনে আমাদের লোক থাকবে। কোথাও পালানোর কথা ভেবো না। আমি এখন অবধি তোমাকে বিশ্বাস করছি বলে তোমাকে অ্যারেস্ট করলাম না। টেক কেয়ার।”

    ওমর কাতর কণ্ঠে বলল, “জনাব, আমি নির্দোষ। প্লিজ জনাব।”

    চিফ ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }