Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য আল্টিমেট ট্রুথ – ১

    (ঝড়ের রাত)

    ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস, পাটুলি, কলকাতা
    রাত ২টো, ১৭ জুলাই

    সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি পড়ছে। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হয়েছে প্রবল নিম্নচাপ। বৃষ্টির পূর্বাভাস মাথায় নিয়েই মেয়েটিকে আজ অফিস দৌড়তে হয়েছে। আর্জেন্ট একটা মিটিং ছিল। বৈষ্ণবঘাটা পাটুলি টাউনশিপের কাছেই ওর অফিস। বিয়ের পরেই এই চাকরিটাতে যোগ দিয়েছে সে। মেয়েটিকে সে অর্থে ‘মিশুকে’ বলা যায় না। ছোটোবেলা থেকেই সে ইন্ট্রোভার্ট। নিজের মধ্যে আলাদা একটা পৃথিবী তৈরি করে নিজেই নিজের প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠেছে। এই চাকরিটাতে জয়েন করে কাজটা চালিয়ে যেতে যথেষ্ট অসুবিধায় পড়তে হয়েছে ওকে। কারণ, প্রাইভেটে, বিশেষ করে আইটি ফার্মগুলোতে কাজ করতে হলে অনেক বেশি স্মার্ট, মিশুকে, চৌখস হতে হয়। নিজের লিমিটেশনগুলো যতটা সম্ভব লুকিয়ে রেখে নিজেকে অনেক বেশি প্রেজেন্টেবল করে তুলতে হয় বাইরের লোকের সামনে। যদিও বিয়ের পর থেকেই জীবনটা আমূল বদলে গেছে ওর। বিয়েটাও হয়েছে বেশ আচমকাই। মাস্টার্স শেষ করার পরে বাড়ি থেকে বাবা-মা বিয়ের জন্য রীতিমতো চাপ দিচ্ছিল। তাই কতকটা বাধ্য হয়েই শেষমেশ বিয়েটা করতে হয়েছে। যদিও নিজেকে একদমই বিয়ের মেটেরিয়াল বলে মনে করে না সে। কারণ, আজকালকার মেয়েদের মতো স্মার্ট নয় সে। তার ওপরে, ঘরকন্নার কাজকর্মও সেভাবে কিছুই জানে না।

    লেট ইভিনিং-এর মিটিংটা সেরে বেরতে বেরতে আজ অনেকটাই রাত হয়ে গেল মেয়েটির। এর মধ্যে, বার পাঁচেক ফোন এসেছে বাড়ি থেকে। বছর ঘুরতে লাগল অথচ স্বামী এখনও বউ বউ করে সারাদিন পাগল করে রাখে। রাতের দিকে, বাড়ি ফেরার জন্য খুব একটা অ্যাপ-ক্যাব পাওয়া যায় না এদিকে। যেদিন বাড়িতে ফিরতে লেট হয় সেদিন অফিসের এক কলিগ ওর জন্য ক্যাব বুক করে দেয়। এই সব কাজে একেবারেই সাবলীল নয় মেয়েটি। অফিসের ওই কলিগ খুব ভালো মনের মানুষ। মেয়েটিকে বোঝে। অফিসে একমাত্র এই কলিগের সঙ্গেই দু-দণ্ড বসে কথা বলতে পারে সে। নিজের সুবিধা-অসুবিধাগুলো প্রাণ খুলে জানাতে পারে। যদিও এই সম্পর্কটা নিজের স্বামীকে কোনো দিনই সেভাবে বলতে পারেনি, কারণ ওর স্বামী যথেষ্ট সন্দেহবাতিক স্বভাবের।

    বৃষ্টিটা তেড়ে নামল। পনেরো মিনিট ধরে চেষ্টা করেও মেয়েটির জন্য কোনো ক্যাব বুক করতে না পেরে রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়ল অফিস কলিগ ছেলেটি। ঠিক তখনই, সামনের মোড়ে, একটা হলুদ ট্যাক্সি এসে থামল। ট্যাক্সি দেখেই বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা হাতে দৌড়ে গেল ওরা দু-জনেই। বেশ কিছুক্ষণ দরাদরি করে অবশেষে ট্যাক্সিতে উঠে বসল মেয়েটি। কলিগ ছেলেটি ইশারা করে কিছু একটা বলতে চাইল। একটা সময় ছিল যখন সামনের মানুষগুলোর এই সব ছোটোখাটো ইশারা একেবারেই ধরতে পারত না সে। তবে এখন ততটা অসুবিধা হয় না। শব্দ করে স্টার্ট নিল হলুদ ট্যাক্সিটা। ছুটে চলল বর্ণসিক্ত শহরের ভেজা পিচের রাস্তা কামড়ে। কবজি উলটে ঘড়ির সময়টা দেখল মেয়েটি। অনেকটাই রাত হয়ে গেছে। মুখ থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল ওর। বাইরে অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে। ট্যাক্সির মধ্যে একমাত্র ড্রাইভারের ডান হাতের দিকের জানালাটা খোলা। তাই বাইরে থেকে বৃষ্টির জল চলন্ত গাড়ির মধ্যে সেভাবে আসছে না। অজান্তেই মেয়েটির চোখ দুটো ট্যাক্সির মধ্যে ঘুরতে শুরু করল। ড্রাইভারের চেহারা একেবারেই পছন্দ হচ্ছে না ওর। তার ওপরে গাড়িতে ওঠার পর থেকেই একটা কটু গন্ধ ক্রমাগত বিরক্ত করছে। ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করেও কোনো সদুত্তর পায়নি সে। কিছু করার নেই। বৃষ্টির রাতে বাড়িতে ফেরার আর কোনে। উপায়ও নেই। গাড়িটার ভেতরটা বেশ অগোছালো। ট্যাক্সি অথচ কোনো মিটার নেই। থাকলেও এত রাতে কোনো ট্যাক্সিই মিটারে যেতে রাজি হতো না যদিও। গাড়ির ড্যাস-বোর্ডে একটা ফটো-ফ্রেম। যদিও কোনো ঠাকুরদেবতার ছবি তাতে সাঁটা নেই। ফ্রেমটা একদম খালি পড়ে আছে। সিটগুলো ছেঁড়া, পুরোনো। দেখেই মনে হচ্ছে, নিতান্ত ঠেকায় পড়েই ড্রাইভার, গাড়িটা আজ বের করেছে। দেখতে দেখতে গাড়ির গতিটা বেড়ে গেল অনেকটাই। বাইরের দৃশ্যপট বলদে গেল আচমকাই। সবকিছু কেমন যেন অচেনা লাগতে শুরু করল মেয়েটির কাছে। বিপদের আশঙ্কায় কুঁকড়ে বসল সে।

    (রেপ অ্যান্ড মার্ডার)

    বিশ্ববাংলা মিলন মেলা গ্রাউন্ডের সাত নাম্বার গেট
    সকাল ৭টা, ১৭ জুলাই

    প্রগতি ময়দান থানায় কিছুক্ষণ আগেই খবরটা এসেছিল। খবর পেয়েই ছুটে এসেছেন ডিউটি অফিসার দুর্জয় সেন। ২০১০ ব্যাচের সাব-ইন্সপেক্টর। বেশ কয়েক বছর ধরেই এই থানায় পোস্টেড আছেন। খুবই ডেডিকেটেড অফিসার। আর তাই, থানায় জয়েন করার কয়েকদিনের মধ্যেই বড়োবাবুর খুবই প্রিয় পাত্র হয়ে উঠেছেন তিনি।

    ভোরের দিকে মিলন মেলা গ্রাউন্ডের গেটের অনতিদূরে একটা ঝোপের মধ্যে মৃতদেহটিকে নগ্ন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয় লোকাল একজন দোকানদার।

    “কী বুঝছেন স্যার?” পাশে দাঁড়িয়ে দুর্জয়ের দিকে তাকিয়ে নিজের বিস্ময় প্রকাশ করলেন লেডি কনস্টেবল রিতা পাল।

    “যেটা আপনি বুঝেছেন, সেটাই আমার মনে হচ্ছে। ইটস এ ক্লিয়ার কেস অফ রেপ অ্যান্ড মার্ডার!” বললেন দুর্জয়। যথেষ্ট চিন্তিত লাগছে ওঁকে। গতকাল থেকে নাইট ডিউটি চলছিল ওঁর। আজ বিবাহবার্ষিকী। বড়োবাবুকে অনেক ধরেকয়ে নাইট ডিউটিটা নিয়েছিলেন তিনি। সকাল সকাল কাজ সেরে বাড়িতে যাবেন ঠিক করেই রেখেছিলেন। কিন্তু কথায় আছে না, মানুষ ভাবে এক আর হয় আর এক। সামনে পড়ে থাকা মৃতদেহটির দিকে ভালো করে দেখতে থাকলেন দুর্জয়। পূর্ণবয়স্কা মহিলা। বয়স তিরিশের মধ্যেই হবে। মোটের ওপর রোগাপাতলা গড়ন। কপালের বাম দিক বরাবর একটা জরুল আছে। মাথার কালো চুলগুলো বড্ড বেশি এলোমেলো। গায়ে কোনো সুতো নেই। গলার কাছে থোলোথোলো রক্ত শুকিয়ে আছে। আড়াআড়িভাবে গলাটা কাটা। ক্লিন কাট বলেই মনে হচ্ছে যদিও ইঞ্জুরির মার্জিনটা ম্যাগ্নিফাইং গ্লাস দিয়ে না দেখলে ভালো করে বোঝা যাবে না। ক্ষতটায় মাছি ভনভন করছে। তবে দেহের পচন শুরু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। হাত দুটো দুইদিকে ছড়ানো, পা দুটো হাঁটু থেকে ভাঁজ হয়ে দুই দিকে খুব বাজেভাবে ছড়িয়ে আছে। মনে হছে, বডিটা এখানে ডাম্প করা হয়েছে। কারণ, ঝোপঝাড়ের আশপাশটা খুব একটা ডিস্টার্ব বলে মনে হচ্ছে না।

    “গলার ক্ষতটা বেশ গভীর। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ধারালো কোনো ছুরি দিয়ে গলাটা স্লিট করা হয়েছে। আপনি কেমন করে বলছেন, খুনটা করার আগে মেয়েটিকে রেপও করা হয়েছিল?” বিস্ময় প্রকাশ করলেন রিতা পাল।

    “একটু ভালো করে দেখলেই বুঝতে পারবেন, মেয়েটির ওপরে অত্যাচার করে ওকে এখানে ডাম্প করা হয়েছে। ওর পরনের জামাকাপড়গুলোও আশেপাশে কোথাও নেই। তার মানে, ঘটনাটা অন্যত্র ঘটানো হয়েছে। এবং এখানে নিয়ে এসে ফেলা হয়েছে। মেয়েটি বিবাহিত কারণ, মাথায় সিঁদুরের হালকা দাগ দেখা যাচ্ছে। যদিও হাতে, গলায়, কানে কোনো গহনাগাঁটি নেই। হয়তো খুনের পরে খুনি ওগুলো খুলে নিয়ে গেছে। তাছাড়া, মেয়েটির ব্রেস্টের পাশে অনেকগুলো নেইল-স্ক্র্যাচ মার্ক দেখা যাচ্ছে। লোয়ার অ্যাবডোমেনে অনেকগুলো বাইট মার্কও আছে। তাছাড়া, মেয়েটির ভাজাইনা এরিয়াতেও ইঞ্জুরি আছে বলেও মনে হচ্ছে।”

    দুর্জয়ের কথা শুনে রীতিমতো ঘাবড়ে গেলেন রিতা। মনটা খিঁচড়ে গেল। খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন থানার বড়োবাবু অভিনন্দন মার্জিত। যথেষ্ট চিন্তিত লাগছে ওঁকে। সেটা হওয়ারই কথা। রেপ উইথ মার্ডারের ঘটনা যে-কোনো থানার বড়োবাবুর কাছে যথেষ্ট চিন্তার বিষয়। কারণটা সহজেই অনুমেয়। বিরোধী পার্টিগুলো এই ধরণের একটা ঘটনাকে ইস্যু করার জন্য সাধারণত মুখিয়ে থাকে। তাছাড়া, সিঙ্গল ইঞ্জিন সরকারের কাছে ক্রাইম এগেনস্ট ওম্যানের ঘটনাগুলো ট্যাকেল করাটাও যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। ‘রাজ্যের নারী সুরক্ষা আক্রান্ত’, এই আওয়াজ তুলে বড়ো-ছোটো মিডিয়া হাউজগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের ওপরে।

    “ডেডবডিটা ইমিডিয়েট ব্রট-ডেথ করিয়ে ময়না তদন্তের জন্য কাঁটাপুকুর মর্গে পাঠিয়ে দিন। ওখানেই সুরতহাল এবং ময়না তদন্ত হবে। তাছাড়া, আমি ফরেনসিকেও খবর দিয়েছি। ওরাও একটু পরেই চলে আসবে। এর মধ্যে সিন অফ ক্রাইমটা ভালো করে সিকিওর করে ক্রাইম সিনের ফটোগ্রাফিটা করিয়ে নিন। আর হ্যাঁ, ওই দোকানদার, যিনি সবার আগে ডেডবডিটা দেখেছিলেন তাঁর বয়ান অনুসারে একটা কেস স্টার্ট করে দিন।” ইন্সট্রাকশনগুলো দিয়েই গাড়িতে উঠে বসলেন অভিনন্দন মার্জিত।

    (ক্রুয়ের সন্ধানে)

    বিশ্ববাংলা মিলন মেলা প্রাউন্ডের সাত নাম্বার গেটের কাছে
    সকাল ৭টা ৩০, ১৭ জুলাই

    ফরেন্সিক দল একটু আগেই ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়েছে। খুঁটিয়ে দেখছে ডেডবডি এবং আশেপাশের এলাকাটা। ওদের সার্চিং খুব গোছানো হয়। যদিও দিনের বেলা তাও ওঁদের একজন ফ্ল্যাশলাইট হাতে ইম্প্রেশন খুঁজছেন, একজন নমুনা সংগ্রহ করছেন, একজন চেইন-অব-কাস্টডির জন্য সেসবের ডকুমেন্টিং করছেন। করেনসিক হেড অমিয় মজুমদার খুব মন দিয়ে দেখেশুনে কয়েকটা জায়গার যত্ন সহকারে বিভিন্ন রঙের মার্কার কার্ড ফেলছিলেন। রং ভেদে এই কার্ডগুলো এভিডেন্সের প্রকারভেদকে নিয়ন্ত্রন করে। মজুমদার সাহেব নিজের হাতে থাকা কেমিক্যালটা ডেডবডির আশেপাশের বিভিন্ন জায়গার ছড়িয়ে সেখানে ব্লাডের কোনো ট্রেস আছে কী না, বুজছিলেন। নিজেদের কাজ শেষ করে বিভিন্ন জায়গা থেকে বেশ কিছু এভিডেন্স সংগ্রহ করে একে একে সেগুলো থানার ডিউটি অফিসার দুর্জয় সেনের হাতে তুলে দিল করেন্সিক দল। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই দুর্জর ভালো করে খেয়াল করলেন, ফরেন্সিক দল ওই জায়গা থেকে একটা আধ খাওয়া বিড়ির টুকরো, একটা পোড়া দেশলাই কাঠি, মেডিকেটেড গজে নেওয়া রক্তের ট্রেস সংগ্রহ করে সামনে নামিয়ে রেখেছে। গ্লাভস পড়া হাতে ফিজিক্যাল এভিডেন্সগুলো তুলে একবার ভালো করে দেখে নিলেন দুর্জয়। তারপরে মজুমদার সাহেবের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী মনে হচ্ছে স্যার?”

    “একটা বিষয় আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না, অপরাধী ডেডবডির জামাকাপড়গুলো ডেডবডির সঙ্গে এখানে না ফেলে বাকি আইটেমগুলো এখানে ফেলতে গেল কেন? শুধু ডেডবডিটা এখানে ডাম্প করে চলে গেলেই তো হতো।”

    “আমিও তো সেটাই ভাবছি স্যার। অপরাধী কী আমাদের বোকা বানাতে চাইছে?”

    “হতে পারে। আবার নাও হতে পারে। আমরা যাতে এই প্রশ্নের উত্তরটা খুঁজতে গিয়ে ওকে বেশি চালাক ভাবি, হয়তো সেটাই ওর উদ্দেশ্য ছিল।”

    “মেয়েটার বডি দেখে না জানি কেন আমার অন্য একটা কথা মনে হচ্ছে।”

    “কী?”

    “ভালো করে দেখুন স্যার। মেয়েটির হাতে কোনো ডিফেন্স ইঞ্জুরি নেই। অর্থাৎ মেয়েটি অত্যাচারের আগে নিজেকে বাঁচানোর কোনো চেষ্টাই করেনি। আর এটা হতে পারে, ধর্ষণের আগে মেয়েটিকে কিছু একটা বাইরে অজ্ঞান করে দেওয়া হয়েছিল বলে অথবা আচমকা খুন-টা করে তারপরে ওকে অত্যাচার করা হলে।”

    “ইয়েস। দ্যাট মে বি টু।”

    “খুনের ওয়েপন এবং মেয়েটির পোশাকগুলো তাহলে কোথায় ফেলল?”

    “সেটা আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। মেয়েটির আইডেন্টিটি হাইড করতেই এই কাজটা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে….”

    “তবে কী স্যার?”

    “রাস্তার পাশেই যখন ডেডবডিটা পাওয়া গেছে, আমার মনে হচ্ছে কোনো গাড়িতে করে যাওয়ার সময়ে বডিটা এখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে। তাই জামাকাপড়গুলো খুঁজতে আপনাকে খুব একটা খাটতে হবে না।”

    “আমারও তাই মনে হচ্ছে। তাছাড়া, এই এলাকায় বেশ কয়েকটা সিসি ক্যামেরা আছে। ওই ফুটেজগুলো থেকে কিছু না কিছু কু ঠিক পেয়ে যাব বলেই মনে হচ্ছে। দেখা যাক, কতটা কী করতে পারি।”

    বাকি ফরম্যালিটিজগুলো করে মৃতদেহটিকে দ্রুত মর্গে পাঠানো হল।

    (সকালের খবরটা)

    প্রগতি ময়দান থানা, কলকাতা
    সকাল ৯টা ৩০, ১৭ জুলাই

    ইতিমধ্যেই আশেপাশের সিসি ফুটেজগুলো কালেক্ট করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। যে দোকানদার সবার আগে ডেডবডিটা পড়ে থাকতে দেখেছিলেন তাঁকেও থানায় ডেকে নিয়ে আসা হয়েছে। মৃতদেহটিকে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডিসি সাহেব কেসের তদন্তের জন্য একটা ‘স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম’ বা ‘সিট’ গঠন করে দিয়েছেন। এই টিমে দু-জন মহিলা অফিসার-সহ মোট পাঁচজন পুলিশ অফিসারকে রাখা হয়েছে। যদিও দুর্জয় সেন প্রধান তদন্তকারী অফিসার হিসেবেই কাজটা চালিয়ে যাবেন। তাছাড়া, কমিশনার সাহেবের নির্দেশে সিটকে যথা সম্ভব পাওয়ার দেওয়া হয়েছে যাতে এই টিমের সদস্যরা নির্দ্বিধায় কাজ করতে পারেন। ইতিমধ্যেই মিডিয়া হাউজগুলো কেসটাকে আলাদা করে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। পিছিয়ে নেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও। পুলিশ প্রশাসন আর সরকারের বাপবাপাত্ত শুরু হয়েছে। অবশ্য এটাই স্বাভাবিক। কারণ, এই ধরনের যে-কোনো ঘটনাই অভিপ্রেত নয়।

    সকালের ধকল থেকে কিছুটা নিস্তার পাওয়ার জন্য থানার অফিসার’স রুম সংলগ্ন ব্যালকনির রোদে চা নিয়ে বসেছেন দুর্জয় সেন। সামনে কেস ডায়েরিটা খোলা পড়ে আছে। পাশের ঘর থেকে বড়োবাবুর চিৎকার শোনা যাচ্ছে। আসলে এই কেসটা নিয়ে তিনিও যথেষ্ট চাপে আছেন। ওপর মহলের প্রেশারটা সরাসরি ওঁর কাছেই এসে প্রথমে গোঁত্তা খাচ্ছে। তারপরে সেটা ড্রপ খেতে খেতে এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে। পদার্থবিদ্যার সূত্র অনুসারে চাপের পরিমাণটাও কমতে কমতে নীচের দিকে নেমে আসছে। তবুও বড়োবাবুর চিৎকারটা শুনেই মেজাজটা চটকে গেল দুর্জয়ের। মনের ভেতর থেকে একটা ‘ধুস!’ বেরিয়ে আসতে চাইলেও কোনোমতে সেটাকে আটকালেন তিনি। চায়ের কাপটা টেবিলের ওপরে রেখেই নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন। দেখলেন, ব্যালকনির রেলিংটায় একটা চড়ুই এসে বসেছে। একটু পরে আরও একটা এল। দুটোতে মিলে শব্দ করে কথা বলতে শুরু করল। মনটা অন্যমনস্ক হয়ে গেল দুর্জয়ের।

    “স্যার, বিমল সিকদারকে ডেকে এনেছি। আপনি কথা বলবেন?”

    চটকা ভেঙে পেছন ফিরে তাকালেন দুর্জয়। দেখলেন, লেডি অফিসার কমলিনী বড়ুয়া দাঁড়িয়ে আছেন। মুচকি হেসে দুর্জয় উত্তর দিলেন, “হ্যাঁ। ডাকুন ওঁকে। কথা বলব।”

    “কীসের দোকান আপনার?”

    “চায়ের দোকান, স্যার।”

    “চায়ের দোকান! তাহলে এত বেলা করে দোকান খুললেন কেন?”

    “না স্যার। রোজ সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ দোকান খুলি। কিন্তু কালকে রাত থেকে শরীরটা একদমই ভালো ছিল না। তাই আজকে সকালে দোকান খুলতে দেরি হয়ে যায়।”

    “বাড়ি কোথায়?”

    “আনন্দপুর এলাকায়।”

    “আনন্দপুর তো আপনার দোকান থেকে অনেকটাই দূরে। এত সকালে দোকানে আসেন কী করে?”

    “সাইকেল করে।”

    কথাটা শুনে মনে মনে কিছুটা একটা ভাবলেন দুর্জয়। তারপরে নিজের সামনে খুলে রাখে ডায়েরিতে খস খস করে কিছু একটা লিখলেন। সামনে বসে থাকা বিমল সিকদারের দিকে তাকিয়ে ফের জিজ্ঞেস করলেন, “বাড়িতে কে কে আছে?”

    “আমি, আমার স্ত্রী রমলা আর আমাদের বছর দশেকের মেয়ে রক্তিমা।”

    “আপনি যা যা দেখেছেন সেগুলো পর পর বলুন। কিছু বাদ দেবেন না।”

    কথাটা শুনেই কিছু সময়ের জন্য নীরব হয়ে গেলেন বিমলবাবু। তারপরে বলতে শুরু করলেন, “সকাল পৌনে সাতটা নাগাদ সাইকেল নিয়ে মিলন মেলা গ্রাউন্ডের সাত নাম্বার গেটের সামনে আসি। রাস্তার একটা পাশে সাইকেলটাকে স্ট্যান্ড করিয়ে সামনের ঝোপের দিকে যাই। টয়লেট করতে যাব, ঠিক তখনই মেয়েটির নগ্ন মৃতদেহটা চোখে পড়ে। চমকে উঠি। কিছুটা ঘাবড়েও যাই। কী করব, কাকে খবরটা দেব, প্রথমে বুঝতে পারছিলাম না। তারপরে মোবাইলে সেভ করে রাখা থানার নাম্বারটায় ফোন করে খবরটা দিই।”

    “ভালো করে একটু ভেবে বলুন তো, সেই সময়ে ওই মৃতদেহের পাশে আর কাউকে দেখেছিলেন?”

    “পাশে কেন, ওই এলাকায় তখন একমাত্র আমি আর ওই মেয়েটার মৃতদেহ ছাড়া আর কেউ কোথাও ছিল না।”

    “যেখানে ডেডবডিটা পড়েছিল, সেখান থেকে আপনার দোকানটা ঠিক কতটা দূরে?”

    “পায়ে হেঁটে মিনিট দশেক।”

    “ওই এলাকায় আপনার চায়ের দোকান অথচ আপনি যখন ডেডবডিটা খুঁজে পেলেন তখন আশেপাশে আর কাউকে দেখতে পেলেন না?”

    “বিশ্বাস করুন স্যার, আমি তখন ওখানে আর কাউকে দেখিনি। তবে…”

    “তবে কী?”

    “পুলিশ আসার পরে কিছু সময়ের জন্য আমি নিজের দোকানে গিয়েছিলাম। তখন আমার দোকানের সামনে বেশ কয়েকটা হলুদ ট্যাক্সি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি।”

    কথাটা শুনেই চমকে উঠলেন দুর্জয়। তারপরে বিমলের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার দোকানে সকাল সকাল চা খেতে সাধারণত কারা আসে?”

    “ট্যাক্সি ড্রাইভার, সকালে হাঁটতে আসা মানুষজন, আশেপাশের দোকানদার এবং সাধারণ পথ চলতি মানুষ।”

    “আজকে নিজের দোকানটা আর খুলে ছিলেন?’

    “কী করে খুলব স্যার। আপনারাই তো আমার ব্যবসাটা মাটি করে দিলেন। তুলে নিয়ে চলে এলেন। বললেন, কী সব অভিযোগ করতে হবে।”

    মুচকি হেসে পাশে বসে থাকা কমলিনীকে কিছু একটা ইশারা করতেই বিমলবাবুর দিকে তাকিয়ে কমলিনী বললেন, “ঠিক আছে আপনি আমার সঙ্গে সেরেস্তায় চলুন। আমি আপনাকে বাকিটা বুঝিয়ে দিচ্ছি।”

    (সিসি ফুটেজ)

    ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম, লালবাজার, কলকাতা
    সকাল ১০টা ৩০, ১৭ জুলাই

    “এখানটা পজ করুন। এই জায়গাটা একটু ভালো করে দেখতে হবে। জুম করে ছবিটাকে এমনভাবে এনলার্জ করুন, যাতে ছবিটা ফেটে না যায়।” কন্ট্রোল রুমের মনিটরের সামনে বসে পাশে বসে থাকা কনস্টেবলকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো ছুড়ে দিলেন অফিসার শৌভিক সেনগুপ্ত। ২০১২ ব্যাচের অফিসার। সিটের সদস্য। সকাল থেকেই সিন অফ ক্রাইমে থাকা ট্র্যাফিকের ক্যামেরাগুলোর ফুটেজ নিয়ে পড়ে আছেন কন্ট্রোল রুমে। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ফুটেজগুলো দেখছেন। নোট নিচ্ছেন। মাঝে মাঝে নিজের মোবাইলে ক্লিপিংসগুলো তুলেও রাখছেন আলাদা করে। এর মধ্যে বার পাঁচেক কথাও বলে নিয়েছেন দুর্জয় সেনের সঙ্গে। শৌভিকের কথা মতো ওঁর পাশে বসে থাকা কনস্টেবল পজ করে রাখা ছবিটা জুম করে বড়ো করে দিলেন। ভালো করে ছবিটা দেখে একরাশ বিরক্তি নিয়ে শৌভিক বলে উঠলেন, “ধুর শালা! এভাবে হবে না। কিছুতেই গাড়ির নাম্বারটা বুঝতে পারছি না।”

    নিজের পকেট থেকে মোবাইলটা বের করলেন। দুর্জয়কে আবারও ফোনে ধরলেন।

    “হ্যাঁ শৌভিক বলুন? আর কোনো ডেভলপমেন্ট আছে?”

    “একটা জায়গায় এসে আটকে গেছি। তাই আপনাকে ফোনটা করলাম। ভোর ৪টে নাগাদ হলুদ রঙের একটা ট্যাক্সি মিলন মেলা গ্রাউন্ডের সাত নাম্বার গেটের কাছে এসে থামল। মিনিট পাঁচেক ওখানে দাঁড়িয়ে থাকল। তারপরে ড্রাইভারের সিটের দিকের দরজাটা খুলে গেল। একজন লোক, যার পরনে কালো রঙের হাফ শার্ট এবং ফুল প্যান্ট, বেরিয়ে এল। পেছনের ডান দিকের দরজাটা খুলে ভেতর থেকে মেয়েটার ডেডবডিটা টেনে হিঁচড়ে, অনেকটা কষ্ট করে বের করে আনল। তারপরে ঝোপের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ফেলে দিল।”

    “গ্রেট। কয়েকটা প্রশ্ন করছি। ফুটেজ দেখে চটপট জবাব দিন।”

    “হ্যাঁ, স্যার। বলুন?”

    “লোকটির বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে কী মনে হল?”

    “মনে হল, কোনো তাড়াহুড়ো নেই। ধীরে সুস্থে কাজটা শেষ করে আবারও ড্রাইভারের সিটের দিকের দরজাটা খুলে ভেতরে গিয়ে বসল। এবং গাড়িটা নিয়ে চলে গেল।”

    “ফুটেজে আর কিছু দেখা যাচ্ছে?”

    “আর হ্যাঁ স্যার, বডিটা ঝোপের ধারে ফেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে লোকটা দেশলাই বের করে একটা বিড়ি ধরাল। তারপর দুটো টান দিয়েই বিড়িটা শেষ না করে ওই ঝোপের মধ্যে কোথাও একটা ছুড়ে ফেলল। মনে হয় লোকটা একটু টেনশনে ছিল। তাই বিড়িটা পুরো শেষ না করেই নিভিয়ে দিল।”

    “তার মানে, ওই বিড়িতে ওই লোকটার স্যালাইভা পাওয়া যেতে পারে যার থেকে আমরা লোকটির ডিএনএ প্রোফাইল জেনারেট করতে পারি। গুড। গাড়ির নাম্বারটা বের করতে পারলেন?”

    “না স্যার। ছবিটা অস্পষ্ট। কিছুতেই নাম্বারটা বুঝতে পারছি না। আর সেই কারণেই আপনাকে ফোনটা করছি।”

    শৌভিকের কথাটা শুনে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন দুর্জয় সেন। কিছু একটা ভাবলেন। তারপরে বললেন, “আপনার পাশে ট্র্যাফিকের যে কনস্টেবল আছে তাঁকে একবার জিজ্ঞেস করে জানার চেষ্টা করুন, সিন অফ ক্রাইমে বা ওর আশেপাশে কোথাও ‘এন পি আর ক্যামেরা’ ইন্সটল করা আছে কি না? ‘এন পি আর হল নাম্বার প্লেট রেকগনিশন ক্যামেরা, যার সাহায্যে কোনো গাড়ির নাম্বার প্লেট সহজেই বোঝা যায়। এই ধরনের ক্যামেরায় ‘অপ্টিকাল ক্যারেক্টার রেকগনিশন’ টেকনিক ব্যবহার করে নাম্বার প্লেটের অস্পষ্ট ছবি থেকে সহজেই টেক্সট তৈরি করা যায় এবং গাড়ির নাম্বারটা আইডেন্টিফাই করা যায়। ডিটেলটা বের করে আমাকে জানাবেন।”

    “ঠিক আছে স্যার। কিন্তু…”

    “কিন্তু কী, শৌভিক?”

    “ডেডবডির আইডেন্টিফিকেশনটা না হলে কেসটা ক্র্যাক করতে কষ্ট হবে, স্যার।”

    “আমিও তো সেটাই ভাবছি। তবে খুব তাড়াতাড়ি কিছু একটা ভালো খবর পাব বলে মনে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই শৈবাল রায়কে এই কাজে ইনভল্ভ করে দিয়েছি। আশেপাশের থানাগুলোতে কোথাও কোনো মিসিং হয়েছে কী না, সেই খবর নেওয়া হচ্ছে। বেঙ্গলের থানাগুলোতেও খবর পাঠানো হয়েছে। কিন্তু মুস্কিলটা হল, আমরা কিছুতেই মেয়েটার ছবিটা বাইরে প্রকাশ করতে পারছি না। কারণ, লিগ্যালি আমরা সেটা করতে পারি না। আর তাই, আইডেন্টিফিকেশনে একটু সমচা হচ্ছে। যা-ই হোক, দেখা যাক, কতটা কী করা যায়।”

    কথা শেষ করে নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন শৌভিক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }