Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য আল্টিমেট ট্রুথ – ১০

    (হলুদ ট্যাক্সিটা)

    প্রগতি ময়দান থানা, কলকাতা
    রাত ৮টা, ১৭ জুলাই

    শৈবাল রায়কে নিয়ে কেসের তদন্তে বাইরে পড়ে আছেন দুর্জয় সেন। এদিকের বাকি কাজগুলো সামলাচ্ছেন অফিসার শৌভিক সেনগুপ্ত। যাওয়ার আগে পইপই করে সবকিছু বুঝিয়ে গেছেন দুর্জয়। কী কী কাজ করতে হবে, তার একটা লিস্ট বানিয়ে দিয়ে গেছেন। কাজগুলো করে ফিডব্যাক দিতেও বলেছেন। দুর্জয়ের কথামতো ইতিমধ্যেই সিসি ফুটেজে দেখা হলুদ রঙের ট্যাক্সির ডিটেলস পাওয়া গেছে। খোঁজ চলছে ট্যাক্সিটার। ইতিমধ্যেই চমকে দেওয়া একটা তথ্য শৌভিকের হাতে এসে পৌঁছেছে। কথাটা যদিও উনি পাঁচকান করেননি। দুর্জয়ের কড়া নির্দেশ আছে। কোনো তথ্য সেটা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, সবার আগে ওঁকেই বলতে হবে। তারপরে বাকি সুপিরিয়রদের জানাতে হবে। দুর্জয়ের মতে, কেসের প্রধান তদন্তকারী অফিসার হিসেবে এইসব তথ্য সবার আগে ওঁরই জানার কথা। অফিসারস রুমের দেওয়ালে টাঙানো দেওয়ালঘড়িটার দিকে একবার তাকিয়ে সময়টা দেখলেন শৌভিক। তারপরে পকেটের মোবাইলটা বের করে দুর্জয়ের নাম্বারটা ডায়াল করলেন।

    “হ্যাঁ বলুন শৌভিক। আপনাকে যা যা করতে বলেছিলাম, সেগুলো করেছেন?”

    “হ্যাঁ করেছি। হলুদ ট্যাক্সিটার ডিটেলস পেয়েছি।”

    “ভেরি গুড! কী পেলেন?”

    “স্যার, এনপিআর ক্যামেরার সাহায্যে ট্যাক্সির নাম্বারটা বের করা গেছে। রমেশ পান্ডে বলে কসবার একজন লোকের নামে ট্যাক্সিটা নেওয়া। লোকটির ডিটেলসও পেয়েছি। ইতিমধ্যেই সোর্স লাগিয়ে জানতে পারেছি, লোকটি অনেকদিন আগেই কসবার বাড়ি ছেড়ে কোথাও একটা চলে গেছে। আশেপাশের লোকজন ওর বর্তমান লোকেশনের বিষয়ে বিশেষ কিছুই বলতে পারছে না।”

    কথাটা শুনেই চুপ করে গেলেন দুর্জয় সেন। কিছু একটা ভাবলেন। তারপরে বললেন, “রমেশ পান্ডের নামটা খুব শোনা শোনা মনে হচ্ছে। কোনো একটা কেসের ম্যাটারে নামটা শুনেছিলাম। কিন্তু ডিটেলসটা কিছুতেই মনে করতে পারছি না।”

    “কোথায় শুনেছেন নামটা?”

    “সেটাই তো ভাবছি। কিছুতেই মনে পড়ছে না।”

    “পুরোনো কেস! তাহলে তো লালবাজারের ‘ক্রাইম রেকর্ড সেকশন’ আর সিআইডি-র রেকর্ড সেকশনে খোঁজ করলেই সবকিছু জানা যাবে।”

    “সেটাই তাহলে করুন। আর একটা কাজ করুন, ট্যাক্সিটার নাম্বার এবং ছবিটা সব থানা এবং ট্র্যাফিক গার্ডগুলোতে সার্কুলেট করে দিন। যদি কোনো খোঁজ পাওয়া যায়।”

    “ওকে স্যার। আমি কাজগুলো করে আপনাকে ফিডব্যাক দিচ্ছি।”

    কথা শেষ করে দৌড়ে কম্পিউটার রুমের দিকে ছুট দিলেন শৌভিক।

    (নাম্বার প্লেট)

    ব্যারাকপুর থানা, কলকাতা
    রাত ৮টা ৩০, ১৭ জুলাই

    ঘরের একটা কোণে নিজের জন্য বরাদ্দ চেয়ারে বসে, ডেস্কে কেস ডায়েরি রেখে, মাথা নামিয়ে একমনে নিজের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন দুর্জয় সেন। ওঁর পাশের টেবিলগুলোতে কয়েকজন অফিসার যে যার মতো নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত। কোথাও কোনো কোলাহল নেই। সময় যেন থমকে গেছে আচমকাই। খুনটা হওয়ার পরে কেটে গেছে বেশ কিছুটা সময়। অথচ কাজের কাজ খুব একটা কিছু হয়নি।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই খবরটা চলে এল দুর্জয়ের কাছে। শৌভিক জানালেন, ২০২০ সালে পানিহাটিতে একটা গাড়ির মধ্যে একজন মানুষের ডেডবডি পাওয়া গিয়েছিল। ময়না তদন্তে জানা যায়, ঘটনাটা খুনের। তদন্ত করে আসল অপরাধী ধরাও পড়ে যায়। তারপরে কেস চলে। বিচারে অপরাধীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আর ওই ট্যাক্সিটা এখনও সিজ অবস্থায় কোর্টের সম্পত্তি হিসেবে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পড়ে আছে। মজার ব্যাপার হল, ২০২০ সালের ওই কেসের ট্যাক্সির নাম্বারটা আর দীপশিখা মার্ডার কেসের ট্যাক্সি নাম্বারটা একই। ট্যাক্সি চালাকের নাম রমেশ পান্ডে।

    খবরটা শোনা মাত্রই মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল দুর্জয়ের। এটা কীভাবে সম্ভব! রমেশ পান্ডে এখন জেলে সাজা খাটছে। ওর ট্যাক্সিটা আগের কেসে বাজেয়াপ্ত করা আছে। তাহলে ওই একই ট্যাক্সি পুনরায় এই কেসে ইউজ হল কীভাবে? সবকিছু যেন গুলিয়ে যাচ্ছে ওঁর। অফিসার শৈবালের সঙ্গে খবরটা শেয়ার করতেই উনিও চঞ্চল হয়ে উঠলেন। কিছুতেই যেন হিসেব মেলান যাচ্ছে না। ট্রেনিং থেকে বেরিয়ে কিছুদিনের জন্য দুর্জয়ের পোস্টিং হয়েছিল লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে। আর তখনই ওঁর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল ইনস্পেকটর অভিরাজ সেনের। অভিরাজ সেন গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইড শাখার অফিসার। ওঁকে চেনেন না, এমন কোনো অফিসার কলকাতা পুলিশ তো বটেই, বেঙ্গল পুলিশেও নেই। সবাই ওঁর ব্যবহার এবং কাজে মুগ্ধ। নিজের এত বড়ো মাপের একজন অফিসার হয়েও যেকোনো সমস্যায় জুনিয়র অফিসারদের পাশে এসে দাঁড়ান। তাঁদেরকে অ্যাডভাইস দেন। সঠিক পথ দেখান। তদন্তে সাহায্যও করেন। আর তাই, এই ডিপার্টমেন্টে ওঁর খুব কদর। স্যারের কথাটা মনে পড়তেই মোবাইল থেকে অভিরাজের নাম্বারটা বের করে ওঁকে ফোনে ধরলেন দুর্জয়।

    ‘নমস্কার স্যার। আমি দুর্জয় সেন বলছি। প্রগতি ময়দান থানার অফিসার।”

    “হ্যাঁ, দুর্জয় বলুন? এই সময়ে ফোন করলেন? কোনো সমস্যা?”

    “না মানে, একটা প্রবলেমে পড়েছি।”

    “আপনার ওই কেসটা নিয়ে কী?”

    “হ্যাঁ স্যার।”

    “আমি কেসটার বিষয়ে জয়েন্ট কমিশনার সাহেবের থেকে শুনেছি। খবু ভালো কাজ করছেন তো আপনি। সাহেব আপনার খুব প্রশংসা করছিলেন। এখন কী সমস্যা হয়েছে?”

    কথায় কথায় দুর্জয় সমস্যাটা ভালো করে বুঝিয়ে বললেন অভিরাজ সেনকে। কথাটা শুনেই কিছু একটা ভাবলেন অভিরাজ। তারপরে বললেন, “আরে এটা নিয়ে এত ভাবার কী আছে। একটা কথা মনে রাখবেন, কোনো কেসের তদন্ত করতে নেমে কখনোই প্রি-কনসিভ আইডিয়া নিয়ে কাজ করবেন না। মনটাকে খোলা রাখবেন। এমনটা তো হতেই পারে, দীপশিখার খুনটা যে করেছে সে আগের কেসটার বিষয়ে অনেককিছুই জানে বা খবর রেখেছে। তারপরে এই কেসে ওই ইনফরমেশনটা ইউজ করে পুলিশকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। দীপশিখা মার্ডার কেসের ট্যাক্সিটা পেলেই ‘দুধ কা দুধ, পানি কা পানি’ হয়ে যাবে। দেখবেন, দুটো ট্যাক্সির নাম্বার প্লেট এক হলেও গাড়ি দুটোর ইঞ্জিন নাম্বার আর চেসিস নাম্বারগুলো আলাদা।”

    “তাহলে কী এই কেসে এমন কেউ যুক্ত থাকতে পারে যে আগের কেসটাকে খুব কাছ থেকে দেখেছে?”

    “হতেও পারে। আবার নাও হতে পারে। কারণ, আগের কেসটা যখন হয়েছিল তখন খবরের কাগজে কেসের খবরগুলো ধারাবাহিকভাবে বেরোত। তাই গাড়ির নাম্বারটা জেনে নিয়ে ফেক নাম্বার-প্লেট যে কেউ বের করে নিতে পারে। কিন্তু আমি ভাবছি অন্য একটা কথা?”

    “কী কথা স্যার?”

    “শুধু শুধু আগের কেসের রেফারেন্সটা টেনে এনে অপরাধীর লাভ কী?”

    “আমার মনে হচ্ছে, আগের কেসের সঙ্গে এই কেসের কোনো যোগাযোগ আছে। তাই….”

    “হতেই পারে। আবার নাও হতে পারে। কারণ, অপরাধী হয়তো ভেবেছিল, পুরোনো ইউজড নাম্বার-প্লেট ব্যবহার করলে পুলিশকে বোকা বানানো যাবে। সহজেই নাম্বারটা ট্র্যাক করতে পারবে না পুলিশ। তাছাড়া, এমনটাও হতে পারে, অপরাধী কতকটা ইচ্ছে করেই এই কাজটা করেছে যাতে পুলিশি তদন্তটা আগের কেসের দিকে ঠেলে দেওয়া যায় এবং ধরা পড়লে বড়োসড়ো একটা অ্যালিবাই খাড়া করা যায়।”

    “তাহলে আমি এখন কী করব স্যার?”

    “আপনি যে পথে তদন্তটা করছিলেন, সেই পথেই থাকুন। সেখান থেকে কোনোভাবেই সরবেন না।”

    অভিরাজের সঙ্গে কথা শেষ করে ফোনটা রেখেই নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন দুর্জয় সেন।

    (সম্পর্কের টানাপড়েন)

    ৫৩ মানসী রোড, পাটুলি, কলকাতা
    রাত ১০টা ৩০, ১৭ জুলাই

    সিঁড়ি দিয়ে উঠেই দোতলায় রাজীব দত্তের ফ্ল্যাট। এলাকাটা রীতিমতো পস। বাড়িতে বয়স্ক বাবা, মা ছাড়া আর কেউ নেই। বিয়ে-থা করেননি। বসার ঘরটি বেশ প্রশস্ত। গতানুগতিক সোফার বদলে কাঠের আসবাবপত্র ছড়ানো ছিটোনো আছে গোটা ঘরে। একটি কারুকাজ করা কাঠের প্যানেল আড়াআড়ি রাখা। দেওয়ালে ছোটোবড়ো ছবি দিয়ে একটা কোলাজ বানিয়ে টাঙানো। টেবিলে বিভিন্ন বিষয়ের বই থরে থরে সাজানো। ঘরের কোণে দুটো ইন্ডোর প্ল্যান্ট রাখা। সুরুচি আর স্বচ্ছলার ছাপ সর্বত্র। এত রাতে রাজীববাবুর সঙ্গে কথা বলার জন্য সেই ব্য।।।কপুর থেকে ছুটে এসেছেন দুর্জয় আর শৈবাল। যদিও এ ব্যাপারে কোনো আপত্তি জানাননি রাজীব দত্ত। ফোনে যখন ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে জিজ্ঞাসাবাদের কথাটা ওকে বলেন দুর্জয় তখন হাসি মুখেই রাজি হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এও বলেছিলেন, দীপশিখা ওঁর খুব কাছের একজন বন্ধু ছিল। তাই, উনিও চান যাতে অপরাধী দ্রুত গ্রেফতার হোক। ডিনার শেষ করে বাইরে বসার ঘরে এসে বসেছেন রাজীববাবু। শান্ত মানুষ। চোখমুখ দেখেই ওঁর রুচি, শিক্ষা সম্পর্কে সম্যক ধারণা হচ্ছে দুর্জয়ের। শুরু হল জিজ্ঞসাবাদ পর্ব।

    “বলুন কী জানতে চান?”

    “কবে থেকে আপনাদের পরিচয়?”

    “বিয়ের পরেই দীপশিখা আমাদের কোম্পানিতে জয়েন করে। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে আমাদের সম্পর্কটা গভীর হতে শুরু করে। খুবই ভালো মনের মেয়ে ছিল দীপশিখা।”

    “কতটা গভীর ছিল আপনাদের এই সম্পর্কটা?”

    “দু-জন ভালো বন্ধুর মধ্যে যেমনটা হয়।”

    “দীপশিখা, অফিসে আপনি ছাড়া আর কাদের সঙ্গে বেশি মেলামেশা করতেন।’

    “অনেকই আছেন। পিয়া দাস, দর্শনা ঘোষাল, সুপর্ণা বসু, সোমজা সরকার, এঁদের সবার সঙ্গেই দীপশিখার ভালো সম্পর্ক ছিল। যদিও ও খুব একটা মিশুকে স্বভাবের ছিল না। খুব একটা কথাও বলত না।”

    “আপনি কোনোদিন দীপশিখাদেবীর বাড়িতে গিয়েছিলেন?”

    “না। আমি যেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ও-ই যেতে না করেছিল। ওর স্বামী একটা সময়ে পুলিশে কাজ করত। শুনেছি কোনো একটা কেসে ফেঁসে গিয়ে চাকরিটা গেছে। খুবই সন্দেহপ্রবণ লোক। তাই দীপশিখা চাইত না যে আমি ওর বাড়িতে যাই, ওর স্বামীর সঙ্গে আলাপ করি।”

    “দেবব্রত পাল অর্থাৎ দীপশিখাদেবীর স্বামী আপনাদের এই সম্পর্কটার বিষয়ে কিছু জানতেন?”

    “হ্যাঁ, জানত। দীপশিখাই ওকে বলেছিল। কিন্তু ও ভাবত আমাদের মধ্যে অন্যরকমের কোনো সম্পর্ক আছে।”

    “দেবব্রতবাবুর এই ভাবনাটা কী একেবারেই অমূলক ছিল?”

    দুর্জয়ের প্রশ্নের প্যাঁচটা বুঝতে পেরে কোনো উত্তর না দিয়ে চুপ করে থাকলেন রাজীব দত্ত। ওঁকে চুপ করে থাকতে দেখে দুর্জয় ফের জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কী কোনোদিনই দীপশিখা পালকে প্রপোজ করেননি?”

    “মিথ্যে বলব না, স্যার। একবার করেছিলাম। দীপশিখা প্রত্যাখ্যানও করেছিল। বিশ্বাস করুন, তার পরেই আমাদের বন্ধুত্বটা আরও গভীর হয়।”

    “আপনাদের মধ্যে এই বিষয়টা নিয়ে একবার ঝামেলাও তো হয়েছিল, সবার সামনে?”

    “সেরকম কিছু নয়, স্যার। এরকম ছোটোখাটো ঘটনা তো আকচার ঘটে।”

    “ঘটনাটা ছোটোখাটো হলে কী আর সেই কথাটা আমার কান পর্যন্ত এসে পৌঁছোত?”

    উত্তর না দিয়ে কেমন যেন থম মেরে গেলেন রাজীব। মাথাটা নামিয়ে কিছু একটা ভাবতে থাকলেন। এদিকে দেখতে দেখতে অনেকটা রাত হয়ে গেল। বাইরের ঘন অন্ধকারটা ছনছনিয়ে উঠল। এলাকাটা শহরের মধ্যে হলে হবে কী, এদিকটা রাতের দিকে বেশ নিরিবিলি।

    প্রসঙ্গটা ঘুরিয়ে রাজীববাবুর দিকে তাকিয়ে দুর্জয় জিজ্ঞেস করলেন, “সেদিন রাতে ঠিক কী কী হয়েছিল?”

    “সেদিন রাতের দিকে আমাদের একটা আর্জেণ্ট মিটিং ছিল। মিটিংটা শেষ হতে হতে অনেকটাই রাত হয়ে যায়। আমিই দীপশিখাকে একটা ট্যাক্সি ধরে দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, বাড়িতে পৌঁছে আমাকে ফোন করে জানাতে। অনেক রাত হয়ে যাওয়ার পরেও যখন দীপশিখার কোনো কল এল না, তখন আমি নিজেই ওর ফোনে কল করার চেষ্টা করি। কিন্তু ফোনটা সুইচড অফ পাই।”

    “দীপশিখাদেবী ঠিক কখন ট্যাক্সিতে উঠেছিলেন আর কখনই-বা আপনি ওঁকে ফোন করার চেষ্টা করেছিলেন?”

    “ওইভাবে সময়টা বলাটা একটু ডিফিকাল্ট। তবে রাত প্রায় দুটো নাগাদ দীপশিখা ট্যাক্সিতে উঠেছিল। আর আমি ওকে ফোন করি প্রায় চারটে নাগাদ।”

    “অফিস থেকে আপনার বাড়ি তো কাছেই। তাহলে ভোর চারটে পর্যন্ত অপেক্ষা করে তারপরে দীপশিখাকে ফোনটা করলেন কেন? আপনার তো আরও আগেই ওঁকে ফোন করে খোঁজ নেওয়া উচিত ছিল। তাছাড়া অত রাত পর্যন্ত না ঘুমিয়ে আপনিই বা কী করছিলেন?”

    “না মানে, সেদিন রাতে খুব বৃষ্টি পড়ছিল। বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে ডিনার করে অফিসের কাজ নিয়ে বসেছিলাম। তারপরে যখন দেখলাম, দীপশিখার কোনো ফোন আসছে না, তখনই ওকে ফোনে ধরার চেষ্টা করি। তাছাড়া এরকম অনেক দিনই হয়েছে যখন অনেক রাত করে দীপশিখা ক্যাব ধরে বাড়ি গেছে।”

    “বুঝলাম। আর একটা কথা বলুন তো, রাতের দিকে আপনাদের অফিস সংলগ্ন এলাকায় কী হলুদ ট্যাক্সি পাওয়া যায়?”

    “না স্যার। একদমই পাওয়া যায় না। রাতে বাড়িতে ফেরার একমাত্র উপায় হল ক্যাব। কিন্তু না জানি কেন সেদিনই ওই বৃষ্টির মধ্যেও আচমকা একটা হলুদ ট্যাক্সি এসে হাজির হল। আমরাও হাতে একটা চাঁদ পেয়েছি ভেবে এগিয়ে গেলাম। তখন যদি বুঝতাম…।”

    কথার ফাঁকে পাশে বসে থাকা শৈবাল রায়, রাজীব দত্তের থেকে ওঁর মোবাইল নাম্বার, অফিসের ডিটেলস, অফিস কলিগদের ডিটেলস নিয়ে নিলেন।

    “কালে কালে তো অনেকটাই বেলা হল, তাও বিয়ে করেননি কেন?”

    “কী হবে বিয়ে করে? ওইসব বন্ধনে জড়াতে ইচ্ছে করে না।”

    “শুনেছি, দীপশিখাদেবী ওঁর মনের কথা আপনার সঙ্গে শেয়ার করতেন?”

    “হ্যাঁ। নিজের মনের কথা দীপশিখা আমাকেই বলত। খুব কষ্ট ছিল ওর। বাড়িতে একটুও শাস্তি ছিল না। দিনরাত বরটা খিটখিট করত। দীপুর জীবনটাকে একেবারে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল লোকটা। একটা ক্রিমিনাল।”

    “ওঁকে ক্রিমিনাল বলছেন কেন?”

    দুর্জয়ের প্রশ্নটা শুনেই রাজীব দত্তের চোখমুখের ভাবটা নিমেষে পালটে গেল। চোয়ালটা শক্ত হয়ে উঠল।

    (ট্যাক্সিটা গেল কোথায়? )

    প্রগতি ময়দান থানা, কলকাতা
    রাত ১১টা ৩০, ১৭ জুলাই

    ইতিমধ্যেই আরও কয়েকটি খবর অফিসার শৌভিকের কাছে এসে পৌঁছেছে। ট্যাক্সিটাকে এখনও ট্রেস করা যায়নি। তবে খোঁজখবর নেওয়া চলছে। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা থেকে যে ফুটেজ পাওয়া গেছে তাতে ওই ট্যাক্সি ড্রাইভারের মুখটা ক্লিয়ারলি বোঝা না গেলেও ড্রাইভারের অবয়ব এবং পড়ে থাকা জামাকাপড় থেকে কিছুটা আন্দাজ করা গেছে। শুধু তাই নয়, ‘সিন অফ ক্রাইম’ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে ওই ট্যাক্সিটার মুভমেন্টগুলো ফিক্সআপ করা গেছে। ট্যাক্সিটা সেদিন কোথায় কোথায় ঘুরেছিল, কোথায় কতক্ষণ থেমেছিল সেগুলো ইতিমধ্যেই বাকি সিসি ক্যামেরাগুলোর ফুটেজ থেকে ক্লিয়ারলি বোঝা গেছে। ট্যাক্সিটা পাটুলি থেকে বাইপাস ধরে সোজা সেক্টর ফাইভে যায়। সেখান থেকে নিউটাউন। তারপরে রাজারহাট। এর পরে ট্যাক্সিটাকে আর ট্রেস করা যায়নি। ‘সিন অফ ক্রাইম’ থেকে লাস্ট ট্রেসড লোকেশন পর্যন্ত ওই ট্যাক্সিটা মোট তিনবার রাস্তায় থেমেছিল। একবার সেক্টর ফাইভে। বাকি দুইবার নিউটাউনে। তবে কোনো বার-ই ড্রাইভারকে ট্যাক্সির বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়নি। প্রথমবার ট্যাক্সিটা সেক্টর ফাইভে একটা রোড সাইড টি-স্টলে গিয়ে দাঁড়ায়। স্টলের একজন স্টাফ এগিয়ে এসে একটা চায়ের কাপ গাড়ির মধ্যে বসে থাকা ড্রাইভারের সিটের দিকে এগিয়ে দেয়। এরপরে নিউটাউনে গিয়ে আরও দুইবার ট্যাক্সিটা থামে। তবে সেই সময়ে ড্রাইভারের কোনো অ্যাক্টিভিটি সেভাবে সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েনি। সুতরাং একমাত্র টি-স্টলের ওই স্টাফ ছাড়া আর কেউ ড্রাইভারকে সামনাসামনি দেখেনি বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আরও একটা ডেভলপমেন্ট হয়েছে এই কেসে। ২০২০ সালের সেই কেস ডায়েরি কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটারের অফিস থেকে বের করে আনা হয়েছে। যদিও কোর্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাও স্পেশাল পারমিশন করিয়ে রাতের বেলা অফিস খুলিয়ে ধুলো ঘেঁটে বের করে আনা হয়েছে কেস ডায়েরি। তাছাড়া, এর পাশাপাশি ভিক্টিমের কল ডিটেলস ঘেঁটে দেখা গেল, দীপশিখা ধর্মতলায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের চেম্বারে মাঝে মাঝে যেতেন এবং ওঁর সঙ্গে ফোনেও কথা বলতেন। ডঃ শর্বাণী বাসুর চেম্বার ধর্মতলায়, কে সি দাসের দোকানের পাশে। দুর্জয়কে ফোনে ধরলেন শৌভিক।

    “হ্যাঁ, শৌভিক বলুন?”

    “কয়েকটা বড়োসড়ো ডেভলপমেন্ট হয়েছে। তাই আপনাকে সেগুলো জানাতে ফোন করলাম।”

    ডিটেলসে সবকিছু জানাতেই উত্তেজিত হয়ে পড়লেন দুর্জয়। তারপরে নিজেকে সামলে নিয়ে গলা নামিয়ে বললেন, “ওয়েল ডান। কেসটা ওপেন করতে হলে একটা এন্ড দিয়ে পেনিট্রেট করলে হবে না। দুটো এন্ড দিয়েই আমাদেরকে এগোতে হবে। আমি ভিক্টিম ধরে এগোচ্ছি। আপনি ট্যাক্সিটা ধরে একটু একটু করে তদন্তটা এগিয়ে নিয়ে যান। আর, টাইম-টু-টাইম ডেভলপমেন্টগুলো আমাকে জানাতে থাকুন। এখন খুব দ্রুত কয়েকটা কাজ করে আমাকে ফিডব্যাক দিন। প্রথমতঃ পুলিশের আর্টিস্টকে দিয়ে ওই টি-স্টল স্টাফের বয়ান অনুসারে ট্যাক্সি ড্রাইভারের একটা ছবি আঁকান, দ্বিতীয়তঃ ২০২০ সালের কেসের ডায়েরিটা ভালো করে খুঁটিয়ে পড়ে আমাকে ডিটেলসে জানান। দেখুন, ওই কেসের সঙ্গে আমাদের এই কেসের কোনো যোগসূত্র আছে কী না। তৃতীয়তঃ ডঃ বাসুর সম্বন্ধে ডিটেলস ইনফরমেশন বের করুন। দরকার হলে ওঁর চেম্বারের আশেপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জোগাড় করে দেখুন, শেষ কবে দীপশিখাদেবী ওখানে গিয়েছিলেন? একাই কী ওখানে গিয়েছিলেন, নাকি দীপশিখার সঙ্গে আরও কেউ ছিল?”

    মন দিয়ে কথাটা শুনে ‘ইয়েস’ বলে ফোনের লাইনটা কেটে দিলেন শৌভিক। মাথায় চিন্তার পাহাড় এসে জমতে শুরু করল। যে কাজগুলো করতে হবে সেগুলো যথেষ্ট কঠিন এবং টাইম-টেকিং। এত অল্প সময়ের মধ্যে কাজগুলো করবেন কীভাবে? খুব পাজেল্ড লাগতে শুরু করল নিজেকে।

    (ব্লেম গেম)

    ৫৩ মানসী রোড, পাটুলি, কলকাতা
    রাত ১১টা ৪৫, ১৭ জুলাই

    রাজীব দত্তের ফ্ল্যাটে বসে ওঁকে জেরা করে চলেছেন

    দুর্জয় সেন। রাজীববাবুর চোখ দিয়ে দেখে নিতে চাইছেন, দীপশিখা এবং ওঁর স্বামী দেবব্রত পালকে। আসলে যে-কোনো মার্ডার কেসের তদন্তে ভিক্টিম প্রোফাইলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। এটা একদিকে যেমন খুনের মোটিভগুলোকে খুঁজে পেতে একজন তদন্তকারী অফিসারকে সাহায্য করে, ঠিক তেমনই অন্যদিকে সম্ভাব্য সাস্পেক্ট ঠিক কারা কারা হতে পারে, সেটাও বুঝতে অনেকটাই হেল্প করে।

    “কেন আপনার বার বার মনে হচ্ছে, দীপশিখা পালের খুনের ঘটনায় ওঁর স্বামী জড়িত থাকতে পারেন?”

    “আমি শিওর, ও-ই খুনটা করেছে বা কাউকে দিয়ে করিয়েছে।”

    “দেখুন ধারণা দিয়ে কিছু হয় না। তাই যা বলবেন ভেবে বলবেন।”

    “দেখুন স্যার, দেবব্রত এক্সট্রা ম্যারিটাল অ্যাফেয়ারে জড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু দীপশিখা যেহেতু ওকে কিছুতেই ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল না, তাই ও অনেকটাই ডেসপারেট হয়ে পড়েছিল।”

    “হোয়াট! কী বলছেন কী?” বিস্মিত হলেন দুর্জয়।

    “যা বলছি একদম সত্যি কথা বলছি স্যার। রত্না সামন্ত বলে একজন মহিলার সঙ্গে দেবব্রতর সম্পর্ক ছিল। বিগত প্রায় ছয় মাস ধরে ওরা মেলামেশা করছিল। এটা নিয়ে দীপশিখার সঙ্গে দেবব্রতর ঝগড়াঝাঁটিও হয়েছিল। এইসব কথা আমি দীপশিখার থেকেই জানতে পারি। আপনি একটু খোঁজখবর করলেই সবকিছু জানতে পারবেন।”

    রাজীববাবুর কথাটা শুনেই পাশে বসে থাকা শৈবাল রায়ের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ইশার করলেন দুর্জয় সেন। মাথা নেড়ে সম্মতি জানালেন শৈবালবাবুও। নিজেদের মধ্যে গলা নামিয়ে কিছুক্ষণ কথাও বলে নিলেন দুর্জয় এবং শৈবাল। তারপরে রাজীব দত্তের সঙ্গে আরও কিছুক্ষণ কথা বলে ওঁর ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে এলেন। বাইরে বেরিয়ে এসে শৈবাল, দুর্জয়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী বুঝছেন স্যার? এ তো ব্লেম গেম চলছে মনে হচ্ছে। দেবব্রতবাবু এবং রাজীব দত্ত একে অন্যকে ব্লেম করছেন। আসলে কাজটা কার, সেটাই তো বোঝা যাচ্ছে না। “ মুচকি হেসে দুর্জয় উত্তর দিলেন, “সবে তো খেলা শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে দেখুন না, কী হয়। পুলিশে ‘চাইনিজ হুইস্পার’ বলে একটা কথা আছে, জানেন?”

    “না, জানি না। সেটা আবার কী?”

    “এটা হল, এক ধরনের গেম যেখানে কোনো একটা পারটিকুলার মেসেজ বা ইনফরমেশন একজনের থেকে চুপিচুপি অন্যজনের কাছে যায়। এইভাবে ওই মেসেজটা এগিয়ে চলে। শেষে গিয়ে দেখা যায় যে, ওই আসল মেসেজটা বা ইনফরমেশনটা ডিসটরটেড হয়ে গেছে। অর্থাৎ প্রথম মানুষটির কাছে যে মেসেজটা ছিল সেটা অনেকটাই পরিবর্তিত হয়ে শেষ মানুষটার কাছে গিয়ে পৌঁছায়। তাই, মুখের কথায় বিশ্বাস না করে আমাদের তথ্যপ্রমাণ নির্ভর ইনফরমেশনের ওপরেই ভরসা করতে হবে।”

    “তাহলে আমরা এখন কী করব?”

    “এখন আর কিছু করার নেই। অনেকটাই রাত হয়েছে। এখন আর কারওর বাড়ি গিয়ে লাভ নেই। চলুন, থানায় ফেরা যাক।”

    কথাটা বলেই বিল্ডিং-এর সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা গাড়িটায় উঠে বসলেন দুর্জয় সেন। ওঁকে ফলো করে গাড়িতে উঠলেন শৈবাল রায়ও। গাড়িটা ছুটে চলল কলকাতার দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }