Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য আল্টিমেট ট্রুথ – ২৫

    (খুনি তবে কে?)

    সন্দেশখালি থানা, কলকাতা
    সকাল ১১টা, ১৯ জুলাই

    থানার কনফারেন্স রুমটা খুলে দেওয়া হয়েছে। দুর্জয়ের কথামতো সেখানেই একে একে এসে হাজির হয়েছেন এই কেসের সঙ্গে যুক্ত সবাই। দেবব্রত পাল, রাজীব দত্ত, ডঃ শর্বাণী বাসু, রত্না সামন্ত, দীপক খান্না, অমিয় হালদার-সহ আরও অনেকে এসে উপস্থিত হয়েছেন কনফারেন্স রুমে। কিছুক্ষণ পরেই ওসি অভিনন্দন মার্জিত-সহ প্রগতি ময়দান থানার এবং সন্দেশখালি থানার গোটা পুলিশ টিমও সেখানে এসে হাজির হয়ে গেল। পুলিশ বাদে কনফারেন্স রুমে হাজির হওয়া সবাই একে অপরের মুখ চাওয়াচায়ি করছেন। কেনই বা তাঁদেরকে এখানে এভাবে ডেকে আনা হয়েছে, সেটাই যেন কেউ বুঝে উঠতে পারছেন না।

    আজ সকালেই, স্থানীয় একটা নিউজ চ্যানেলে খবরটা ফলাও করে বের করেছেন লোকাল একজন রিপোর্টার, ‘ঘটনার বেশ কিছুদিন পরে অবশেষে রেপ এবং খুনের কেসের সমাধান করতে সফল হল কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অপরাধে সেন্দেশখালি থেকে রাতভর রেড করে গ্রেফতার করা হয়েছে একজন ট্যাক্সির ড্রাইভারকে। জানা গেছে, এই ড্রাইভারকেই দীপশিখাদেবীর মৃতদেহটিকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যেতে দেখা গেছে সিসি ফুটেজে।’

    কনফারেন্স রুমে বসে আছেন দুর্জয় ও ওঁর টিম। চোখেমুখে অদ্ভুত একটা তৃপ্তি ফুটে উঠেছে ওঁর। এতদিন পরে যেন শাপমুক্তি ঘটল।

    “নিজেদের জীবনকে বিপন্ন করে যেভাবে আপনি এবং আপনার গোটা দল এই কেসের অপরাধীকে গ্রেফতার করেছেন তাতে কোনো প্রশংসাই আপনাদের জন্য যথেষ্ট নয়।” উঠে দাঁড়িয়ে দুর্জয়দের অভিনন্দন জানালেন ওসি সাহেব। করতালি দিয়ে উঠলেন রুমে বসে থাকা প্রায় প্রত্যেক পুলিশ কর্মী।

    “পুরো কাজ এখনও শেষ হয়নি স্যার।” কথাটা বলেই দেবব্রত পালের দিকে তাকালেন দুর্জয়।

    “এখনও কাজ বাকি আছে!” বিস্মিত হলেন প্রগতি ময়দান থানার বড়োবাবু।

    মাথা নেড়ে ইশারা করতেই শৈবাল রায়, দুর্জয়ের হাতে কেস ডায়েরিটা তুলে দিলেন। কেস ডায়েরিতে ফ্ল্যাপ করে রাখা অংশটা নিজের সামনে খুলে বসলেন দুর্জয়। তারপর কিছুক্ষণ নিজের মনে কেস ডায়েরির ওই অংশটা পড়ে মুচকি হেসে কনফারেন্স রুমে বসে থাকা বাকিদের মুখের দিকে একবার ভালো করে তাকিয়ে দেখলেন। তারপরে বলতে শুরু করলেন, “সালটা ছিল ২০২০। পানিহাটিতে একটা গাড়ির মধ্যে একজন মানুষের ডেডবডি পাওয়া গেল। ময়না তদন্তে জানা গেল, ঘটনাটা খুনের। তদন্ত করে আসল অপরাধী ধরাও পড়ে গেল। তারপরে কোর্টে উঠল কেসটা। বিচারে অপরাধীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। যে ট্যাক্সিটাতে খুনটা হয়েছিল সেটা এখনও সিজ অবস্থায় কোর্টের সম্পত্তি হিসেবে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পড়ে আছে। এই কেসের তদন্তে জানা গেল, এই কেসের ট্যাক্সি নাম্বার এবং ২০২০ সালের ওই কেসের ট্যাক্সির নাম্বারটা একই। আর এটাই আমাকে সবথেকে বেশি চমকে দিয়েছিল। পুরোনো কেসের ডায়েরিটা নিয়ে বসে পড়লাম। বোঝার চেষ্টা করলাম, ওই কেসে ঠিক কী হয়েছিল। কারণ এটা আমার কাছে ক্লিয়ার ছিল যে এই দুটো কেস কোথাও না-কোথাও গিয়ে এক হয়ে গেছে। ওই কেসটা সেই সময়ে খুব মিডিয়া কভারেজ পেয়েছিল। তাই সেই সময়ের কোনো খবরের কাগজ থেকে ট্যাক্সি নাম্বারটা জেনে নেওয়াটা খুব একটা কষ্টকর ছিল না। কিন্তু প্রশ্নটা হল, এত নাম্বার থাকতে অপরাধী আগের কেসের ট্যাক্সি নাম্বারটাই ব্যবহার করতে গেল কেন? তাহলে কী এই দুটো কেস ওতপ্রোতভাবে জড়িত? প্রশ্নটা যতই আমাকে হান্ট করতে থাকল ততই আমি তদন্তের প্রতিটি ধাপ আরও ভালো করে বোঝার চেষ্টা করতে শুরু করলাম। দেখতে দেখতে সব কিছু আমার কাছে ক্লিয়ার হয়ে গেল।”

    “২০২০-র ওই কেসটার তদন্তকারী অফিসার কে ছিল?” দুর্জয়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন অভিনন্দনবাবু।

    “উত্তরটা কি আমিই দেব, নাকি আপনি কিছু বলবেন?” দেবব্রতবাবুর দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা ছুড়ে দিলেন দুর্জয় সেন। দুর্জয়ের কথা শুনে সবাই অবাক হয়ে দেবব্রতবাবুর দিকে তাকালেন।

    “হ্যাঁ, আমিই ওই কেসের আইও ছিলাম। এতে কী? কেসে তো অপরাধীর সাজা হয়ে গেছে। তাছাড়া ওই কেসের সঙ্গে দীপশিখার খুনের কী সম্পর্ক আছে?” বললেন দেবব্রত পাল।

    মুচকি হাসলেন দুর্জয়। তারপরে বললেন, “নিজের স্ত্রী-কে খুন করার সুযোগ এবং মোটিভ দুটোই আপনার কাছে ছিল। একদিকে আপনি দীপশিখার সঙ্গে রাজীববাবুর সম্পর্কটা মেনে নিতে পারেননি। অন্যদিকে, নিজেও রত্না সামন্তের সঙ্গে একটা অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। চাইছিলেন, দীপশিখা যাতে আপনাকে ছেড়ে চলে যায়। এবং আপনি আর রত্নাদেবী একসঙ্গে থাকতে পারেন। কিন্তু আপনার এই টার্গেটটা কিছুতেই সফল হচ্ছিল না কারণ, দীপশিখাদেবী আপনাকে ছেড়ে যেতে রাজি ছিলেন না। সম্ভবত উনি আপনাকেই ভালোবাসতেন সব থেকে বেশি।”

    “কী যা-তা বলছেন? আপনার কাছে কিছু প্রমাণ আছে নাকি শুধুই আন্দাজে কথা বলছেন?” চিৎকার করে উঠলেন দেবব্রত পাল।

    “প্রমাণ ছাড়া আমি কোনো কথা বলি না। আপনার এবং রত্নাদেবীর মোবাইলের কল-লিস্ট এর সবথেকে বড়ো প্রমাণ। তাছাড়া ২০২০ সালের ওই কেসের রেকর্ড অনুসারে, আপনার জন্যই ঘটনার কয়েকদিন পরে আসল অপরাধী কোর্ট থেকে ‘বেল’ পেয়ে যায়। কাস্টডি ট্রায়ালের সম্ভাবনা থাকা সত্বেও অপরাধীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আপনিই ওকে কোর্ট থেকে ‘বেল’ পেতে সাহায্য করেছিলেন। আর তার জন্য, আপনাকে ডিপার্টমেন্ট সাসপেন্ড করে। পরে অবশ্য আপনি নিজেই পুলিশের চাকরিটা ছেড়ে দেন। যদিও আগাগোড়া বেলে থাকলেও বিচারের শেষে অপরাধীর শাস্তি হয়।” কথাটা বলতে বলতে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়লেন দুর্জয়।

    “তার মানে, দেবব্রতই আমার দীপশিখাকে খুন করেছিল?” বলে উঠলেন রাজীব দত্ত।

    “খুনটা করার যথেষ্ট মোটিভ আপনার কাছেও সমানভাবে ছিল। আপনি দীপশিখাদেবীকে প্রপোজ করেছিলেন যা দীপশিখা পাল রিজেক্ট করেন। আর এতেই আপনি ক্ষেপে যান। আপনার ইগো হার্ট হয়। তাছাড়া আপনি বাই পোলার ডিসঅর্ডারের পেশেন্ট। মুড সুইং খুব স্বাভাবিক এই ধরনের পেশেন্টদের কাছে। দীপশিখাদেবী আপনাকে একজন বন্ধু হিসেবে পেতে চেয়েছিলেন কিন্তু আপনার ইচ্ছে ছিল ওঁকে পুরোপুরিভাবে পেতে, যেটা আপনি কিছুতেই পারছিলেন না। একটা সময়ে আপনি যখন দেখলেন, দীপশিখাদেবী কিছুতেই নিজের স্বামীকে ছেড়ে যেতে রাজি হচ্ছেন না, আপনি অধৈর্য হয়ে পড়লেন। ক্ষেপে গেলেন। তাছাড়া, সেই দিন ঝড়জলের রাতে আচমকা ট্যাক্সিটা কিন্তু আপনিই প্রথম দেখতে পান। কেমন করে ওই ট্যাক্সিটা অত রাতে ওখানে এসে হাজির হল রাজীববাবু? সবটাই কী কাকতালীয়, নাকি এর পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র আছে?” কথাগুলো বলেই রাজীব দত্তের দিকে তাকালেন দুর্জয়।

    “তাহলে রাজীবই খুনটা করেছে? আমি অনেকদিন আগেই এটা আন্দাজ করেছিলাম।” গলা চড়ালেন ডঃ বাসু।

    কোনো কথা না বলে চুপ করে মাথা নামিয়ে বসে রইলেন রাজীব দত্ত। ঘরে উপস্থিত সবাই তখন এক দৃষ্টিতে রাজীববাবুর দিকে তাকিয়ে থাকলেন।

    “এত তাড়া কীসের ডঃ বাসু? আপনিও খুব একটা পিছিয়ে ছিলেন না। দীপশিখাকে খুন করার কারণ আপনার কাছেও খুব একটা কম কিছু ছিল না? সেদিন যখন জিজ্ঞাসাবাদ করতে আপনার চেম্বারে যাই, তখন সেখানে টেবিলের ওপরে রাখা পুরোনো একটা ফাইলের ওপরে আমার চোখ গিয়ে পড়ে। দেখি, ফাইলের ওপরে লেখা পানিহাটি থানা কেস নাম্বার ১০/২০২০। আপনিও দেবব্রতবাবুর তদন্ত করা কেসটা নিয়ে ওই সময়ের সব নিউজগুলো জোগাড় করে রেখেছিলেন। সেটা কী শুধু দীপশিখাদেবীর চিকিৎসার জন্য, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল?”

    “পেশেন্টের ডিটেলস সংগ্রহ না করলে চিকিৎসা করব কেমন করে?” বললেন ডঃ বাসু।

    “দেবব্রত পাল আপনার পেশেন্ট ছিল না কিন্তু। আমি যদি বলি, আপনি নিজেই একজন মানসিক রোগী। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি, আপনি একজন ডিভোর্সি। আপনি বিবাহিত মহিলাদের সহ্য করতে পারেন না। এর আগেও আপনার নামে অনেক অভিযোগ এসেছিল। আপনি বিবাহিত মহিলাদের মানসিক চিকিৎসা করার অছিলায়, ওদের স্বামীদের দুর্বলতাগুলো বের করে সেগুলো এমনভাবে নিজের পেশেন্টদের সামনে রাখতেন, যাতে ওরা নিজেদের স্বামীকে ভুল বোঝেন আর বিয়েটা ভেঙে বেরিয়ে আসে।” মুচকি হেসে কথাগুলো বললেন দুর্জয়।

    “আপনি জানেন আপনি কী বলছেন? আমি আপনাকে কিন্তু ছাড়ব না।” আচমকা ভায়োলেন্ট হয়ে উঠলেন ডঃ বাসু।

    “শুধু কী তাই, রাজীব দত্তকে দিয়ে দীপশিখাদেবীকে প্রভাবিত করার চেষ্টায় ছিলেন আপনি। চাইছিলেন, কোনোভাবে দীপশিখাদেবী যদি নিজের স্বামীকে ছেড়ে রাজীব দত্তের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে যান, তাহলে আপনি সেই কথাটা দেবব্রতবাবুকে জানিয়ে দিয়ে ওঁর মনটাও বিষিয়ে দেবেন। তাতে সফল না হলে, দেবব্রতবাবুর পুরোনো কেসের প্রসঙ্গ টেনে এনে ওঁকে ব্ল্যাকমেল করার প্ল্যানটাও করে রেখেছিলেন। আর তাই, ২০২০ সালের ঘটনার ডিটেলসগুলো এক জায়গায় জড়ো করেন।” কথাগুলো বলেই নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন দুর্জয়। তারপরে ইশারা করে শৌভিককে বললেন, ট্যাক্সি ড্রাইভারকে কনফারেন্স রুমে নিয়ে আসতে। শৌভিক ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    “দীপশিখা পালকে খুন করার মোটিভ তো সবার কাছেই কমবেশি ছিল। তাহলে, খুনটা করল কে?” অধৈর্য হয়ে পড়লেন ওসি অভিনন্দন মার্জিত।

    “সেটা জানার জন্য আমাদের আর একটু অপেক্ষা করতে হবে, স্যার।” কথাটা বলেই ঘরের একটা কোণায় বসে থাকা দীপক খান্নার দিকে তাকালেন দুর্জয়। বললেন, “আপনি কী কিছু বলবেন, নাকি আমিই বলব?”

    অবাক হয়ে ফ্যালফ্যাল করে দুর্জয়ের দিকে তাকিয়ে থাকলেন দীপক খান্না। দুর্জয় বলতে শুরু করলেন, “দীপকবাবুর গল্পটা আবার একটু অন্য রকম। প্রথম দিন থেকেই উনি দীপশিখা পালকে পছন্দ করতেন। ওঁর নিজের করে পেতে চাইতেন। কিন্তু দীপশিখাদেবী নিজের লাইফে এতটাই ঘেঁটে ছিলেন যে দীপকবাবুকে বিশেষ পাত্তা দেওয়ার কোনো ইচ্ছে বা সময় কোনোটাই ওঁর কাছে ছিল না। আর এতেই রেগে যান দীপক খান্না। দীপকবাবু খুবই পজেসিভ মানুষ। দীপশিখার সঙ্গে রাজীব দত্তের সম্পর্কটা কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছিলেন না। যেদিন রাতে দীপশিখাদেবী খুন হন, সেদিন রাতে দীপশিখাদেবীর অফিসের কাছেই লুকিয়ে ছিলেন দীপক খান্না। যুক্তি ছিল, লুকিয়ে লুকিয়ে দীপশিখাদেবীকে দেখছিলেন তিনি। কিন্তু কেন? শুধুই কী দীপশিখাদেবীকে ভালোবাসতেন বলে নাকি ওঁকে খুন করে নিজের রাগের বদলা নেওয়ার জন্য?”

    “আমি কিছু করিনি স্যার। বিশ্বাস করুন।” হাত জড়ো করে নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন দীপক খান্না। ওঁর দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে দুর্জয় বললেন, “এতটা ভেঙে পড়বেন না। আমার কথা এখনও শেষ হয়নি কিন্তু।”

    “আরে সবকিছু তো তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। আপনি যা বলছেন তাতে তো এই খুনের পেছনে সবারই হাত থাকতে পারে? একটু ক্লিয়ার করুন। সবকিছু ঘেঁটে আছে মনে হচ্ছে।” কথাগুলো দুর্জয়ের দিকে ছুড়ে দিলেন প্রগতি ময়দান থানার বড়োবাবু।

    “আমারও ওই একই দশা হয়েছিল স্যার। সম্পর্কের এই জটগুলো কিছুতেই ছাড়াতে পারছিলাম না। পুরোপুরি ঘেঁটে গিয়েছিলাম। আর ঠিক তখনই ২০২০র কেসটা নাড়াচাড়া করতে করতে বড়োসড়ো একটা সাফল্য পেলাম। আর সবকিছু আমার সামনে ক্লিয়ার হয়ে গেল…।” কথাটা শেষ করতে পারলেন না দুর্জয় সেন। রুমে প্রবেশ করল ট্যাক্সি ড্রাইভার যোগেশ সমাদ্দার। চোখমুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, পুলিশের কাছে বেশ ভালো রকমের খাতির-যত্ন পেয়েছে সে। রুমের ঠিক মাঝখানে এসে মাথা নামিয়ে চুপটি করে দাঁড়িয়ে থাকল যোগেশ। ওর দিকে তাকিয়ে দুর্জয় বললেন, “আর সময় নষ্ট না করে যা বলার সেটা চটপট বলে ফেল। পুরো দোষটা নিজের ঘাড়ে নিস না। ভারি কেস, ধসে যাবি একদম। তুই শালা জেলের ঘানি টানবি আর যে তোকে দিয়ে এই কাজটা করাল সে বাইরে বসে মজা লুটবে, সেটা হয় নাকি? বলে ফেল তাড়াতাড়ি।”

    কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকার পরে যোগেশ বলতে শুরু করল, “ওই মেয়েটাকে আমিই খুন করেছি। খুনের পরে খারাপ কাজটাও আমিই করেছি। নেশার ঘোরে ছিলাম, কিছুতেই নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। আমাকে আপনারা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন। আমি আর বাঁচতে চাই না। খুনের পরে বডিটাকে ঝোপে ফেলি। তারপরে জামাকাপড় আর ছুরিটা রাজারহাটের কাছে নিরিবিলি একটা জায়গায় দেখে ফেলে দিই। আমি তো মরবই তবে মরার আগে তোকে শালি মেরেই মরব।” কথাটা বলেই রুমের একটা কোণায় চুপ করে বসে থাকা রত্না সামন্তের দিকে ছুটে গিয়ে ওঁর গলাটা টিপতে গেল যোগেশ। ভাগ্য ভালো যে, এমনটা হতে পারে সেটা আগে থেকেই কিছুটা আন্দাজ করেছিলেন দুর্জয়। আর তাই, তৎক্ষণাৎ ছুটে গিয়ে জাপটে ধরলেন যোগেশকে। কষিয়ে একটা চড় মারলেন যোগেশের বাঁ গালে। কান্নায় ভেঙে পড়ল যোগেশ। আসলে মানুষ যখন ভেতর থেকে একদম ভেঙে যায় তখন তাকে নতুন করে আর ভাঙতে হয় না।

    “আপনিই পুরো বিষয়টা বুঝিয়ে বলুন।” দুর্জয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন ওসি অভিনন্দন মার্জিত।

    “আপনি কি কিছু বলবেন?” রত্নার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন দুর্জয়। কোনো উত্তর দিলেন না রত্না। দুর্জয় বলতে শুরু করলেন, “২০২০-র কেসটা পড়তে গিয়ে দেখি, ওই কেসে যে খুন হয়েছিল সে আর কেউ নয়, রত্নার নিজের দাদা দিগ্বিজয় সামন্ত। একদিন অফিস থেকে ট্যাক্সি করে বাড়ি ফেরার পথে ড্রাইভার রমেশ পাণ্ডের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বচসা হয় দিগ্বিজয়ের। আচমকা ট্যাক্সিতে রাখা ছুরিটা চালিয়ে দেয় রমেশ। তাতেই রক্তাক্ত হয়ে গাড়ির মধ্যেই লুটিয়ে পড়ে দিগ্বিজয়। আশেপাশের লোকজন ড্রাইভারকে ধরে ফেলে পুলিশকে খবর দেয়। তদন্তে নামেন দেবব্রত পাল। গ্রেফতার হয় রমেশ। তারপরে বেল পেয়ে যায় কোর্ট থেকে। আর এটা কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারেননি রত্নাদেবী। নিজের প্রাণের থেকেও বেশি ভালোবাসতেন দাদাকে। কারণ, ছোটো থেকে এই দাদাই ওঁকে বড়ো করে তোলেন। মানুষ করেন। নিজের পায়ে দাঁড়তে সাহায্য করেন। দাদার এই মৃত্যু এবং তারপরে অপরাধীর এইভাবে বেল পেয়ে যাওয়াটা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি রত্না। নিজের কাজের সূত্র ধরে কেসের গভীরে গিয়ে জানতে পারেন, অনেক কিছুই। আর তখনই ঠিক করেন দেবব্রতবাবুকে একেবারে শেষ করে দেবেন। প্রথমে দেবব্রতবাবুর নামে কাগজে খবর বের করে ওঁকে সাসপেন্ড করালেন। তারপরে ওঁর সঙ্গে প্রেমের নাটক করে ফাঁদে ফেলে নিজের স্ত্রী-র চোখে খারাপ করার চেষ্টা করলেন। কিন্তু যখন দেখলেন, এত কিছু করার পরেও দীপশিখাদেবী, দেবব্রতবাবুকে কিছুতেই ছেড়ে যেতে চাইছেন না, তখন তিনি একটা প্ল্যান করলেন। প্রথমে নিজের টাকা খরচ করে যোগেশকে একটা কেস থেকে বেল করিয়ে ওঁর বিশ্বাস অর্জন করলেন। তারপরে অনেক টাকার টোপ দিয়ে এই কাজে ওকে রাজি করালেন। দীপশিখাদেবীকে খুন করার পুরো প্ল্যানটাই ছিল রত্না সামন্তের। খুনের পরে মার্ডার ওয়েপন, ভিক্টিমের জামাকাপড়গুলো ফেলে দিলেও যোগেশ কিন্তু দীপশিখাদেবীর গায়ের সোনার গহনাগুলো এনে রত্নাদেবীকেই দিয়েছিল বলে আমার বিশ্বাস। আর আগের কেসের ট্যাক্সি নাম্বারটা ব্যবহার করে রত্নাদেবী ভেবেছিলেন, এটা দেখে পুলিশ কিছুটা কনফিউজড হয়ে যাবে। কিন্তু এতে আমার কাজের অনেকটাই সুবিধা হয়ে গিয়েছিল। ২০২০-র ঘটনাটার পেছনে লুকিয়ে থাকা আল্টিমেট ট্রুথটাই শেষ পর্যন্ত রত্নাদেবী ও যোগেশকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দিল। আসলে কথায় আছে না, পারফেক্ট ক্রাইম বলে কিছু হয় না। কোনো ক্রাইম পারফেক্ট হলে সেটাকে ক্রাইম বলে মনেই হবে না। অপরাধী ক্রাইম করতে গিয়ে কিছু না কিছু ভুল করে যায়, আর তার মাশুলও ওকেই গুণতে হয়।” কথা শেষ করে ধীরে ধীরে কনফারেন্স রুমের দরজা ঠেলে বাইরে বেরিয়ে এলেন দুর্জয়। আরও অনেক কিছু হয়তো ওঁর বলার ছিল কিন্তু কিছু না বলে শুধু একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল ওঁর মুখ থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }