Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুপুরে মৃত্যুর স্পর্শ – ৩০

    (৩০)

    বিয়ের দিন সকাল থেকেই বুকটা মুচড়ে ব্যথা করছিল সুচন্দ্রার। বয়সে ওর থেকে বারো বছরেরও বেশি বড়ো একটা বিপত্নীক লোককে ও বিয়ে করছে বলে ওর বাড়ির মত ছিল না বিয়েটায়। মা তো শেষ ধাপ অবধি বাধা দিয়ে গেছে। আত্মীয়স্বজনরা টিটকিরি দিচ্ছে কেউ কেউ, সেই খবরও কানে এসে পৌঁছেছে ওর। কিন্তু সুচন্দ্রা কিছুকে পাত্তা দেয়নি। যে আমেরিকা ওকে নিয়ে গেল না দীপ্র, সেই আমেরিকাতেই ও যাবে, এই এক লক্ষ্য থেকে নিজের সংকল্পে স্থির থেকেছে।

    “আমার বাবা মা-কে কিন্তু আমি আমেরিকায় নিয়ে যাব। এক্ষুনি নয়, তবে সুযোগসুবিধে মতো।” একটা কফিশপে নিজের হবু বরের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বলেছিল সুচন্দ্রা।

    জয়ব্রত মিত্রর বোধহয় ভালো লেগে গিয়েছিল সুচন্দ্রাকে। তাছাড়া উনি এমন একটা মেয়ে খুঁজছিলেন যে হাসিমুখে ওনার আগের পক্ষের বাচ্চা মেয়েটাকে মায়ের যত্নেই বড়ো করে তুলবে। সুচন্দ্রার তাই নিয়ে কোনো আপত্তি না-থাকাটা জয়ব্রতকে শান্তি দিয়েছিল অনেকটা।

    “শুধু এই বাচ্চার ব্যাপারটা এখনই বাড়িতে জানাবেন না আপনি। তাহলে হয়তো….”

    “বাড়ির লোক ভীষণভাবে বেঁকে বসবে নাকি?” জয়ব্রত হেসে উঠল। তারপর গলা পালটে জিজ্ঞেস করল, “আপনি কম্প্রোমাইজ করছেন না তো? সেক্ষেত্রে কিন্তু আমি বারণ করব আপনাকে এগোতে।”

    “আপনার কী আমাকে পছন্দ হয়নি?”

    “অবশ্যই হয়েছে। আর তাই তো জানতে চাইছে, আপনিও আমায় পছন্দ হয়েছে বলেই এগোতে চাইছেন তো সম্পর্কটায়?”

    সুচন্দ্রা উত্তর না দিয়ে চোখ নামিয়ে নিল। কী করবে? দীপ্রর চেহারাটা ভেসে উঠছিল যে চোখে। যাকে কোনোদিন দেখেনি সেই সবটা ছেয়ে আছে। তার তুলনায় এই চল্লিশ পেরোন, টাক পড়ে যাওয়া লোকটা কে? হ্যাঁ, কম্প্রোমাইজ করছে সুচন্দ্রা। নিজের ইচ্ছায় করছে। ভেতরটা ভেঙে গেলে, বাইরেটাও ভেঙে দিতে ইচ্ছে হয় বলেই আপোষ করছে। “চুপ করে থাকবেন না। আপনার কথার ওপর সবকিছু ডিপেন্ড করছে…”

    “আমি রাজি বলেই তো দেখা করতে এসেছি। সুচন্দ্রার গলার আওয়াজ ওর নিজের কান অবধিই পৌঁছোয়নি।”

    “তাহলে কিন্তু দিনসাতেকের মধ্যেই বিয়েটা সেরে নিতে হবে। ম্যাক্সিমাম দশ। আমার হাতে একদম ছুটি নেই। আর আমি আপনাকে নিয়েই আমেরিকায় ফিরতে চাই।”

    “কিন্তু এত তাড়াতাড়ি আমার ভিসা ইত্যাদি…”

    “ওগুলো আমার ওপরে ছাড়ুন না…” নিজের স্বপ্নগুলো ছেড়ে যে বেরিয়ে আসে তার কোনো কিছু ছাড়তেই অসুবিধে হয় না আর। সুচন্দ্রারও হয়নি। কিন্তু যখন ও দীপ্রর পাশে দাঁড়ানো মেয়েটাকে চিনে গিয়েছিল তখন সেই কথাটা দীপ্রকে না জানানো অন্যায় হত। তবু জানানোর আগে আবার একবার ভালো করে সব খোঁজ নিয়েছিল সুচন্দ্রা। এমনকী রামকালীতলা চলে গিয়েছিল একদিন। অনেক ফ্ল্যাট হয়ে জায়গাটা চেনার জো নেই আর। তবু পুরোনো বাসিন্দাদের অনেকেরই মনে আছে ঘটনাটা। বিজয়া দশমীর দিন অত সুন্দর একটা মেয়ের মাথায় কোনো লুম্পেন যদি সিঁদুর দিয়ে দেয়, কেই বা চট করে ভুলতে পারে?

    সেই মন্টু গুন্ডা তো খুন হয়ে গেছে— কিন্তু মেয়েটা কোথায়? ওদের পরিবারই বা কই? বাবা মারা গেছেন কিন্তু মা আর দিদি? নেই, কোনো খোঁজ নেই। পরস্পরবিরোধী নানা কথা নানাদিক থেকে ভেসে আসতে শুনল সুচন্দ্রা। কিন্তু সেগুলোর কোনো গুরুত্ব নেই। ফিরে আসার আগে একজনের রেফারেন্সে কানাই নামের সেই ফটোগ্রাফারের কাছ থেকে পেয়ে গেল অমূল্য জিনিসটা। মন্টু গুন্ডা সিঁদুর দিচ্ছে মেয়েটার মাথায়, সেই ছবিটা নিজের ক্যামেরায় ধরে রেখেছিল কানাই। পরে মন্টুর শাসানিতে ছবিটা লুকিয়ে ফেললেও নিজের মনে একটা প্রচ্ছন্ন গর্ব ছিল ওর, এই ছবিটাকে নিয়ে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দাগ লেগেছে ছবিটাতে, ছোপ ধরেছে তবু নিজের কাছছাড়া করেনি ও জিনিসটাকে। কিন্তু আজ যখন তার জন্য পাঁচহাজার টাকা দিতে চাইছে মেয়েটা তখন ও আর ছবিটা আটকে রাখার কারণ খুঁজে পেল না। বহুদিন একটু বিলিতি জিনিস পেটে পড়েনি। এই ছবিটার কল্যাণে যদি… ইস যদি বিলেতে জন্মাত তাহলে রানি ভিক্টোরিয়ার ছবি তুলত কানাই। সবই কপাল…

    *****

    ছবিটা স্ক্যান করে দীপ্রকে মেইল করল সুচন্দ্রা। আর তার সঙ্গে লিখল যা লেখার। ওই মেইলেই। তিন চার দিনেও কোনো উত্তর না পেয়ে ফেসবুকে মেসেজ করল সবটা। নিজের ডেথ সার্টিফিকেট তো সুচন্দ্রা নিজের হাতেই সই করেছে কিন্তু দীপ্রকে তো বাঁচাতে হবে। আশ্চর্য যে নিজের দুর্ভাগ্যের জন্য যে দায়ী তাকে শাস্তি দিতে একটুও মন করছিল না সুচন্দ্রার। ও শুধু ভাবছিল, দীপ্র কেন এখনও পড়ছে না, কেন এখনও দেখছে না ওর পাঠানো এত্তেলা?

    বিয়ের দিন সকালে সেই কথা ভেবেই বুকে ব্যথা করছিল সুচন্দ্রার। কিন্তু দুপুরের দিকে পাঁচ মিনিটের জন্য নেট অন করে ও দেখল ওর মেসেজের নীচে ‘সিন’ দেখাচ্ছে। দেখেছে, দীপ্র দেখেছে! এবার ও নিশ্চয়ই নিজেকে বাঁচাবার রাস্তা নেবে। আর নেওয়ার সময় ওর সুচন্দ্রার কথা মনে পড়তে বাধ্য।

    থাকলই না হয় দীপ্রর থেকে দূরে। কিন্তু দূরে থাকলেও বুঝি কাছে থাকা যায় না?

    ভাবতেই চোখ ফেটে জল এল সুচন্দ্রার। কিন্তু একইসঙ্গে বুকের ব্যথাটা কমে গেল। ওর প্রশ্বাসটা শাস্তির নিশ্বাস হয়ে মিশে গেল পৃথিবীতে। সুচন্দ্রা মোবাইল বন্ধ করার আগে দীপ্রর ছবিতে ঠোঁট ছোঁয়াল একবার।

    (৩১)

    যেদিন সানফ্রানসিসকো এসে পৌঁছোল সেদিন বিকেলেই দীপ্রকে নিয়ে ঘুরতে বেরোল বিশাখা। আর অসম্ভব মনমরা হয়ে থাকা দীপ্রকে একরকম জোর করেই ট্রামে তুলল। সানফ্রানসিসকোর ট্রামগুলো খুব অভিনব। ওদের গোটাটাই কাঠের তৈরি। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা ধরে ওরা কখনও উঁচুতে ওঠে, কখনও বা নীচে নামে। সেই যাত্রাপথে পাদানিতে দাঁড়িয়েও অনেকে ঝোলে। এমনই একটা দেশ এটা যে কনডাক্টর যখন বলে “পা-দানিতে দাঁড়ানোর জন্য আর দুটো জায়গা খালি আছে মাত্র”, দুইয়ের বদলে চারজন উঠে দাঁড়ায়। কিন্তু দীপ্রর উঠে দাঁড়ানোর কোনো ইচ্ছে ছিল না। ও শুধু ভাবছিল যে এই শহরটায় পা রাখার পরদিনই ও প্রশান্ত মহাসাগরের বেশ খানিকটা ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল হাঁটতে হাঁটতে। একটা পাথরের হোঁচট খেয়ে আর একটা পাথর ধরেই সামলে নিয়েছিল। তারপর একটা পাথরে বসে অন্য একটা পাথরে বসে লিখেছিল বিশাখার নাম। সেই নামটাই যে এতবড়ো ভার হয়ে হয়ে উঠবে, ও কী ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেছিল সেই মুহূর্তে?

    বিশাখা হাত ধরে টেনে তুলল দীপ্রকে, “বুড়োদের মতো বসে আছে শুধু। পা-দানিতে গিয়ে দাঁড়াই চলো, সমুদ্রের মিষ্টি হাওয়া আমাদের ছুঁয়ে এপার থেকে ওপারে চলে যাবে।”

    দীপ্র বলতে পারল না যে ওর জীবনের সব হাওয়াই তো লোনা হয়ে গেছে। আবার কোন জাদুবলে তা মিষ্টি হবে? “সানফ্রানসিসকোর মিউজিয়ামটা আমায় দেখাতে নিয়ে গেলে না, এত করে বললাম।” বিশাখা বলে উঠল।

    “যাওয়া যাবে কখনও সময় পেলে।” দীপ্র জবাব দিল।

    “সময় কী ওরকম মুঠো মুঠো পড়ে থাকে? সময় বয়ে যায় আর তার ভেতরেই যে কাজগুলো করবার সেগুলো করে নিতে হয়।” বলতে বলতে বিশাখা হাত ধরে পা-দানিতে নিয়ে গিয়ে দাঁড় করাল দীপ্রকে।

    দীপ্র বাইরে তাকিয়ে দেখল, মেঘ করে আসছে আর সানফ্রানসিসকোর অগণিত পায়রা উড়ছে হাওয়ায়। ওরা বোধহয় আগেভাগেই বৃষ্টির খবর পায়। ইশ মানুষও যদি ওদের মতোই একটু আগেভাগে খবর পেত, কখন রোদ ঝলমলাবে আর বৃষ্টি নামবে কখন?

    পরের স্টপেজেই তিন চারটে লোক উঠল ট্রামে আর দীপ্র খেয়াল করল তাদের সবার হাতেই একটা করে বাদ্যযন্ত্র। একজন গিটার বাজাচ্ছে, একজনের ঠোঁটে বাঁশি আর একটা লোক মাউথ অর্গ্যান বাজাচ্ছে। ভেতরে অনেক ফাঁক সিট থাকা সত্ত্বেও ওরা পা-দানিতেই দাঁড়িয়ে বাজাতে শুরু করল। সানফ্রানসিসকোতে ব্যাপারটা খুব একটা অবাক করা নয় বলে তত কিছু পাত্তা দিল না দীপ্র। কিন্তু পরের স্টপ আসতেই ও খেয়াল করল যে ওকে আর বিশাখাকে প্রায় ঘিরে ফেলেছে লোক তিনটে। একটু সরে দাঁড়াতে গেল দীপ্র। আর তখনই লোকটাকে ট্রামে উঠতে দেখল।

    ভয়ে গলা শুকিয়ে গেল দীপ্রর। ও বিশাখার দিকে চাইল। বিশাখা ওর চোখের থেকে চোখ সরিয়ে লোকটাকে ইংরেজিতে বলল, “আগের স্টপেজে উঠলে না কেন?”

    (৩২)

    মন্টু যখন ওর হাত দুটো চেপে ধরে ওর মাথায় সিঁদুর দিয়ে দিচ্ছিল তখন মধুরার মনে হচ্ছিল যে শেষ হয়ে গেল সবকিছু। সেই ঘটনার পর যখন টিটকিরি শুনতে হতো ঘরে বাইরে তখনও মনে হত সব শেষ। এমনকি মন্টুর কল্যাণে যখন একটু দম নেওয়ার জায়গা হল জীবনে তখনও কালো ছাড়া কোনো আলো দেখতে পায়নি মধুরা। মন্টু তো ওর গম্ভব্য নয়, মন্টুকে তো ও চায়নি কোনোদিন। তাই মন্টুর রাইভ্যাল গ্যাং-এর ফটিক ওর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েছে জেনে ভয় নয় খানিকটা ভরসাই পেয়েছিল মধুরা। সিনেমা দেখে বেরোনোর সময় ফটিককে দেখে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। নিজেকে সামলাতে না পারা ফটিক যখন ওর কাছে এসে মধুরার বুকটা ছুঁয়ে যায় মধুরা ওর চোখে চোখ রেখে বলেছিল, “এইটুকুতেই খুশি? আরও বেশি পেতে ইচ্ছে করে না?”

    লোভে পাগলপারা ফটিক দশদিনের মাথায় মন্টুকে খুন করে গুলি চালিয়ে। মন্টু বিশাখার সঙ্গে দেখা করতে কোথায় আসবে সেই খবর অবশ্য বিশাখাই ফটিককে জানিয়েছিল।

    মন্টুকে খুন করার ছ-দিনের মাথায় কলকাতার গোপন ঠিকানায় ফটিক গ্রেফতার হয়ে যায়। আর জেলে বসে ও জানতে পারে না যে মধুরাই ইন্সপেক্টর সরকারকে জানিয়ে এসেছিলে ফটিক ওকে থ্রেট দিচ্ছে মৌলালির গোপন ডেরা থেকে।

    ইন্সপেক্টর বিশ্বপতি সরকার জানতেন যে থ্রেট দেওয়ার সময়ে কেউ নিজের গোপন ঠিকানা বলে দেয় না। কিন্তু ততক্ষণে মধুরার চেহারা ওর ভেতর চরকির মতো ঘুরতে শুরু করে দিয়েছে। ইন্সপেক্টর সরকারের সাহায্যেই মধুরা নিজেকে বিশাখা করে ফেলে। নাম পদবী পালটে একটা নতুন অস্তিত্বের ভীষণ দরকার ছিল ওর। কলকাতায় ভাড়ার ফ্ল্যাটটাও ওই বিশ্বপতি সরকারেরই দেখে দেওয়া। সরকারবাবু শুধু দেখতে পাননি পেছনের সেই গাড়িটাকে। গোয়া থেকে বম্বে ফেরার পথে রাস্তায় মাইনাস করার জন্য বিশ্বপতি সরকার নামতেই গাড়িটা প্রবলবেগে পেছন থেকে ধাক্কা মারে তাকে। গাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে গোয়ায় বেড়াতে গিয়েই আলাপ হয়েছিল বিশাখার। সে পেশায় ড্রাইভার ছিল না, আমেরিকার একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত ভ্রমণপিপাসু ছিল।

    বিশাখার মতো একটা মেয়েকে মাঝবয়সী একটা পুলিশ অফিসার জোর করে ধরে এনেছে শুনে রাগে পাগল হয়ে গিয়েছিল সেই বহুজাতিকের কর্মী শান্তনু। সেই রাগটাই হিংসা হয়ে আছড়ে পড়েছিল। বিশ্বপতি যে গাড়িটা ড্রাইভ করছিলেন নিজে (ড্রাইভারের দৃষ্টির সম্মুখে মধুরাকে চটকাচটকি করতে অসুবিধা তাই) সেই গাড়িটা তুবড়ে রাস্তাতেই পড়ে রইল। বিশ্বপতি ‘ভাড়ার মেয়ে’ নিয়ে গোয়া বেড়াতে গিয়েছিলেন এই খবর পেয়ে ওঁর পরিবারও কেস ধামাচাপা দেওয়াতেই আগ্রহী হয়ে ওঠে। আর ওদিকে শান্তনু নিজেই কী জানত যে ইন্সপেক্টর সরকারকে সরিয়ে দেবার জন্য যেমন ও ছিল, ওকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো প্যাট্রিককে খুঁজে পেয়ে গেছে বিশাখা?

    অকারণে খুনের পর খুন করে যাবে মধুরা নিজেও কী এমন উন্মাদ ছিল? মধুরার নিজের তো মনে হয়নি। মধুরা পরিকল্পনা করে খুন না করালে, মন্টু গ্যাং-ফাইটেই মরত একদিন। আর তখন লোকাল গুণ্ডার বিধবা বউ হিসেবে কোথায় গিয়ে দাঁড়াত ও? তাই মন্টুকে সরাবার জন্য ফটিককে দরকার হয়ে পড়েছিল। আর কাজটা হয়ে যাবার পর ফটিককে না সরালে, মন্টুকে সরিয়ে লাভ কী হতো। একটু মুক্তির নেশায় থানার ওসিকে পটাতে শুরু করে মধুরা। বিনিময়ে, আদর ভালোবাসা কিছুই দিতে অসুবিধা ছিল না কিন্তু ‘আমার বউটা বাজা বুঝলি। তোকে আমায় একটা বাচ্চা দিতে হবে’ বলে বিশ্বপতি মধুরাকে প্রেগন্যান্ট করার জন্য ক্ষেপে ওঠে।

    শান্তনু সে সময় একটা দমকা বাতাস হয়ে এসেছিল, জীবনে। ওর সঙ্গে আমেরিকা যাওয়ার পর মধুরা সত্যি আর পেছন ফিরে তাকাতে চায়নি। ‘বিশাখা’ হয়ে কাটিয়ে দিতে চেয়েছিল বাকি জীবনটা।

    শান্তনুর বাচ্চাকাচ্চার কোনো চাহিদা ছিল না। কিন্তু ওর অভ্যেস হয়ে দাঁড়াল রাজাবাদশার মতো ঘুরে বেড়ানোর আর প্রতি রাত্রে সিঙ্গল মন্টের। আমেরিকা কাউকে জমিদার হয়ে বাঁচার সুযোগ দেয় না। কিন্তু শান্তনু সেটাই চাইতে আরম্ভ করল বলে নানান পরিকল্পনা করতে হতো। দীপ্রকে জীবনে জড়িয়ে নেওয়াও তেমন একটা পরিকল্পনা। মধ্যে, দীপ্র যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পর একেবারে ক্ষেপে উঠেছিল শান্তনু। যে বিশাখাকে তোয়াজ করে চলত ও তাকেই যা না হয় তাই বলতে শুরু করে। দীপ্রর নামে বড়ো টাকার ইন্সিরিওনেস করে ওকে মেরে ফেলে সেই টাকাটা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়াতে ওর আসলে মাথার ঠিক ছিল না। নিজের খেলার বোড়ে খুঁজে না পেয়ে, ও নিজেকেই বোড়ে হিসেবে ভাবতে চাইছিল।

    নিকারাগুয়া থেকে প্লাস্টিক সার্জারি করে ফিরে আসবে শান্তনু এটাই ঠিক ছিল। আবার ওদের সংসার চলতে থাকবে তরতরিয়ে। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজে বেড়াতে গিয়ে জুয়ায় অনেক অনেক টাকা হেরে মধুরাকে ক্রমাগত চাপ দিতে শুরু করে শান্তনু টাকার জন্য। শান্তনু মৃত প্রমাণ করে যে টাকা পেয়েছে তার একটা কানাকড়িও বাজে খ করার ইচ্ছে মধুরার ছিল না। কিন্তু একদিকে শান্তনুর গালাগালি অন্য দিকে প্যাট্রিকের বাড়তে থাকা আগ্রহ মধুরাকে বাধ্য করে দীপ্রর কাছে যেতে। দীপ্র ফিরে আসার পর একটু দম নিতে পারবে ভেবেছিল ও। কিন্তু দীপ্র ও তো সন্দেহ করতে শুরু করল শান্তনু বেঁচে আছে। তাহলে পুলিশের সন্দেহ করতে কত সময় লাগবে? ওদিকে প্লাস্টিক সার্জারি না করেই আমেরিকায় ফিরে আসার জন্য পাগল হয়ে উঠল শান্তনু। ওর প্রত্যেকটা ফোন মধুরাকে আতঙ্কের সেই কিনারে ঠেলে দিত যেখানে প্রতিটা মুহূর্তে ও আমেরিকার সেই জেলখানাগুলো দেখত যেখানে প্রত্যেকটা সেলে নতুন আসা একটা মেয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচজন করে পুরোনো কয়েদি। তবু শান্তনুর ক্ষেত্রে প্যাট্রিককে যে লাইসেন্স দিয়েছিল দীপ্রর ক্ষেত্রে কখনোই তা দিত না মধুরা। দিতে বাধ্য হল কারণ কবে কোথায় মামাবাড়িতে এসে ওকে চিনে ফেলা মেয়েটা দীপ্রকে ফেসবুকের ইনবক্সে সব জানিয়ে দিল। মেয়েটার অবশ্য জানার কথা নয় যে দীপ্রর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড ও জেনে নিয়েছিল দীপ্ররই অসতর্কতায়। কিন্তু মেয়েটার মেসেজ পড়ার সুযোগ না পেলেও, প্যাট্রিকের নির্বুদ্ধিতায় দীপ্র সন্দেহ করতে শুরু করল ওকে। তখন আর অন্য কী উপায় ছিল সামনে?

    নিজের মায়ের দুর্ব্যবহারে চিরকাল বাচ্চাকাচ্চা থেকে দূরে থাকতে চাওয়া মধুরা যেদিন টের পায়, দীপ্রর সন্তান ও ধারণ করেছে ওর শরীরে সেদিন থেকে ও বদলাতে শুরু করেছিল, নিজের অজান্তে। বদলাচ্ছিল বলেই, দীপ্রকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হলেও, বাচ্চাটাকে রাখবে, এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ও। তারপরও এটাই সত্যি যে দীপ্রকে খুন করতে ও চায়নি, চায়নি, চায়নি। আগেরগুলোও কী চেয়েছিল?

    (৩৩)

    প্যাট্রিকের হাতটা এমনভাবে দীপ্রর নাক আর মুখটা চেপে ধরল যে ওর নিশ্বাস নেওয়াই কঠিন হয়ে দাঁড়াল। হয়তো ওভাবেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মরে যেত দীপ্র। কিন্তু সেই অবস্থাতেই ওর ছোটোবেলার কথাটা মনে পড়ে গেল। হ্যাঁ, ছোটোবেলায় ও কথাটা বলে ফেলেছিল। বলে ফেলেছিল বলেই ওকে বাড়ি ছেড়ে হস্টেলে চলে যেতে হয়েছিল। কিন্তু আজও ওকে কথা বলতেই হবে আবার। এভাবে চুপ করে মরে যেতে পারে না ও।

    নিজের সবটুকু শক্তি দিয়ে প্যাট্রিকের হাত থেকে নিজের মুখটা এক ঝটকায় সরিয়ে দিয়ে দীপ্র তাই ইংরেজিতে চিৎকার করে উঠল, “বিশাখা তুমি আমায় খুন করতে চাইছ কেন? তোমার পেটে তো আমার বাচ্চা।”

    কথাটা ইংরাজিতে বলার জন্যই প্যাট্রিক চমকে উঠে তাকাল মধুরার দিকে, “তুমি বলেছিলে শুধু আমার বাচ্চা পেটে ধরবে। শুধু আমার।”

    মধুরা কিংবা বিশাখা একটা ঘোরের মধ্যে থেকে বলে উঠল, “ও মিথ্যে বলছে।”

    দীপ্র হেসে উঠল, “আমি সত্যিই বলছি।”

    দীপ্রর হাসিটা শেষ হওয়ার আগেই প্যাট্রিক প্যান্টের পকেট থেকে রিভলভার বার করে চকিতে গুলি চালিয়ে দিল বিশাখার পেটে। একটা, দুটো, তিনটে।

    গুলির শব্দগুলো আকাশে মিলিয়ে যাওয়ার আগেই পুলিশের হটার শোনা গেল।

    (৩৪)

    মানুষ মরে গেলে তার আর কোনো শাস্তি হয় না। হতে পারে না। তাই মধুরা ওরফে বিশাখারও কোনো শাস্তি হল না। বিশাখাকে মেরে ফেলার পরে প্যাট্রিক নিজেও বোধহয় নিস্তেজ হয়ে গিয়েছিল। নইলে পুলিশ ট্রামে উঠে আসার আগেই দীপ্রকে গুলি চালিয়ে মেরে ফেলতে ওর খুব একটা অসুবিধা হতো না। আমেরিকার পুলিশ মন্দের জন্য যেমন মন্দ, ভালোর জন্য সাধারণত ভালো। আমেরিকার আইনও তুলনায় কম হয়রানি করে লোকজনকে। বিশাখা আর দীপ্রর জয়েন্ট ইনসিওরেন্সের আফটার ডেথ বেনিফিটের পুরো টাকাটাই তাই বেশ সহজেই হাতে পেয়ে গেল দীপ। বড়োলোক হয়ে গেল একঝটকায়। কিন্তু ওর অন্ধকার কী তাতে কাটল? না আরও বেড়ে গেল?

    সুচন্দ্রা এক মাঝবয়সী লোকের বউ হয়ে ফেসবুকে একের পর এক নিজের দাম্পত্যের ছবি আপলোড করতে থাকল। দীপ্র, সুচন্দ্রাকে আনব্লক করার ফলে সেই ছবিগুলো দেখতে পেত সবই কিন্তু তারপর আবার, কে জানে কেন, ফিরে যেত ওর কাছে থাকা বিশাখার ছবির কাছে। বিশাখার অতীত এবং সে ওর সঙ্গে কী করতে চাইছিল তা জানার পরও সেই অনাগত সন্তানের জন্য বুকে মোচড় দিত দীপ্রর যে ওর আর বিশাখার ভবিষ্যৎ হতেই পারত।

    অতীত আর ভবিষ্যতের দড়ি টানাটানিতে ক্লান্ত দীপ্র একসময় ঘরের সব আলো নিভিয়ে ফেলল। আর ওই অন্ধকারের ভেতর ওর মাথায় দপদপ করতে থাকল, মৃত পিতৃত্ব আর মৃত দাম্পত্য। কিন্তু সংসার ভেঙে গেলে বা দাম্পত্য মরে গেলেও প্রেমের বোধ মরে না। মরতে পারে না। তাই, যাপনের ওপাশে একটা নতুন সূর্য তার সবটুকু আলো নিয়ে অপেক্ষা করে মানুষের জন্য। ওর জন্যেও করছে নিশ্চয়ই। দীপ্রর বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হল।

    ***

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }