Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালো হীরের জাল – ৫

    উত্তরপ্রদেশের মিরাটের কাছে একটা ছোট্ট গঞ্জ এলাকা লাতাহোর। সেখানেই বাজারে রাজনাথ কুন্ডার মোবাইলের দোকান। ছোটো দোকান। তবে রাজনাথের হাত ভালো। তাই খদ্দের হয়। এলাকার অধিকাংশ লোকই মোবাইল খারাপ হলে রাজনাথের দোকানেই আসে। নতুন মোবাইলও রাখে রাজনাথ। তবে খুব বেশি দামের নয়। বেশি দামের মোবাইল কিনে দোকান সাজানোর পয়সা তার নেই। বাজার থেকে বেরিয়ে খানিকদূর গেলে রাজনাথের ছোটো দোতলা বাড়ি। বাবার একসময় ছোটো একটা কাপড়ের দোকান ছিল। কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ায় দোকানে গিয়ে বসতে পারে না অনেকদিন। সেই দোকানেই এখন মোবাইলের ব্যাবসা খুলে বসেছে রাজনাথ। বাড়িতে মা আর বাবা থাকে একতলায়। দোতলার দুটো ঘর রাজনাথের। এখনও বিয়ে-শাদি করেনি। করার কোনো আগ্রহও দেখায় না। ব্যাবসাতেও তেমন মন নেই রাজনাথের। মাঝেমাঝেই এদিক-ওদিক ঘুরতে চলে যায়। কখনও পনেরোদিন কখনও একমাসও কাটিয়ে ফেরে। এমনিতেও সে খুব একটা মিশুকে লোক নয়। কারও সঙ্গে ঝুট-ঝামেলায় যায় না। নিজের কাজ নিয়েই থাকে।

    সেদিনও নিজের দোকানে বসে মোবাইল সারাইয়ের কাজ করছিল রাজনাথ। এমন সময় দোকানের লাগোয়া যে ছোট ঘরটা আছে সেখান থেকে একটা মোবাইল বাজার শব্দ পাওয়া গেল। শব্দটা খুবই মৃদু। কিন্তু সেটা শুনেই রাজনাথের চোখের দৃষ্টি সতর্ক হয়ে উঠল। বেলা প্রায় বারোটা। বাজারের দোকানপাট একটু একটু করে বন্ধ হচ্ছে। দোকানদাররা সবাই স্থানীয় লোক। দুপুরের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া সেরে আবার বিকেলে এসে দোকান খোলে। তাই এই সময়টায় খদ্দের আসে না সাধারণত। তাও রাজনাথ একবার ভালো করে চারপাশটা দেখে নিয়ে ভেতরে গিয়ে ফোনটা ধরে। ফোনের ওপারের লোকটি তার চেনা। রাজনাথের এই ফোন নম্বর হাতে গোনা যে কয়েকজনের কাছে আছে, তারমধ্যে এ একজন। লোকটার কথাগুলো রাজনাথ একটা ছোটো ডায়েরিতে নোট করে নেয়। তারপর ফোনটা ছেড়ে দেয়।

    রাতে দোকান বন্ধ করে ফিরে এসে মা-বাবার সঙ্গেই খেতে বসে রাজনাথ। মুলির পরাঠা করেছে মা। শুকনো লংকা আর হিং ফোড়নের সুন্দর গন্ধ। সঙ্গে আচার। অড়হড়ের ডাল। বেশ তৃপ্তি করেই খায় ছেলে। তারপর বলে, “এবার একটু বেরোব ক-দিনের জন্য। অনেকদিন ঘরে বসে আছি, ভালো লাগছে না।”

    “এবার আবার কোথায় যাবি?”

    মায়ের কথায় একটু হাসে রাজনাথ।

    “দেখি কোথায় যাওয়া যায়, পাহাড় না সমুদ্র নাকি কোনো রাজা-রাজড়ার শহর… এখনও ঠিক করিনি কিছু। বেরিয়ে পড়ে তারপর ঠিক করব।”

    গজগজ করে মা। রাজনাথের বাবাকে বলে, “এইজন্য বলছি ছেলের এবার শাদি দাও। ঘরসংসারে মন নেই। ঘরে বহু থাকালে দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে।”

    রাজনাথ একটু হেসে বলে, “ব্যস্ত হচ্ছ কেন? আমি তো বলেছি তোমাকে, যখন শাদির মন হবে আমি নিজেই তোমর বলব। এখন ঝামেলা কোরো না। আমি টাকা বাবার অ্যাকটিন্টে ট্রান্সফার করে রেখে যাব। দরকার হলে তুলে নিও।”

    বাবা চুপ করে থাকে। ছেলে বড়ো হয়েছে। নিজের মর্জি না হলে বিয়ে করবে কেন? নিজের পছন্দের কোনো লাড়কি আছে কী না তাই বা কে জানে। তবে ছেলে মা-বাবার অযত্ন করে না। যখনই বাইরে যায় টাকা দিয়ে যায় অ্যাকাউন্টে। বেশ মোটা টাকা। টাকার অঙ্কটা দেখে মনোহর কুন্ডার মাঝে মাঝে একটু অবাকই লাগে। এরকম ছোটো একটা দোকান চালিয়ে এত টাকা রোজগার করে রাজনাথ। তারমানে ওর হাতের কাজ খুবই ভালো। শুধু এই লাতাহোর নয়, অন্য জায়গা থেকেও লোকে ওর দোকানে মোবাইল সারাতে আসে। রাজনাথ মাঝখানে বেশ কয়েকবছর মুম্বাইয়ে ছিল। সেইসময়ই কাজটা শিখে এসেছে। ছেলের জন্য একটু গর্বও হয় মনোহর কুন্ডার।

    খাওয়া সেরে দোতলায় চলে আসে রাজনাথ। নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে ডায়েরিটা বার করে। দুপুরে ভাই ফোন করেছিল মুম্বই থেকে। মুম্বইয়ের অন্ধকার জগতের লোকজন ভাইকে বিনোদ ভাই নামে চেনে। আসল নাম যে কী কেউ জানে না। গরিব ঘরের ছেলে রাজনাথ। দারিদ্রকে সে আজীবন ঘৃণা করে। বাবার কাপড়ের ব্যবসা ভালো চলত না। কোনো শখ-আহ্লাদের ব্যাপার নেই। কোনোরকমে দিন গুজরান। রাজনাথ পড়াশোনায় ভালো ছিল। তার ধারণা ছিল পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে, ভালো চাকরি পেয়ে নিজের হাল ফেরাবে। গ্র্যাজুয়েশনের রেজাল্ট ভালো হয়েছিল। কিন্তু চাকরি জুটল না। একসময় বিরক্ত হয়ে সে ঠিক করল ভাগ্য ফেরাতে মুম্বই যাবে। ভালো রাস্তায় যদি পয়সা রোজগার না হয় তাহলে খারাপ পথেই হাঁটবে। কিন্তু বড়োলোক তাকে হতেই হবে। মুম্বাই গিয়েই নানারকম কাজের সূত্রে শেষ পর্যন্ত বিনোদ ভাইয়ের দলে ঢুকে পড়ে সে। ছোটোবেলা থেকেই রাজনাথের নিশানা খুব ভালো ছিল। টিপ করে ঢিল মেরে গাছের ফল পাড়ত। মেলায় গিয়ে বন্দুক ফাটানোর খেলায় একটাও মিস্ হত না। ভাইয়ের দলে ঢুকে তার এই গুণটা খুব কাজে লাগল। খুব তাড়াতাড়ি ভাইয়ের নজরে পড়ে গেল সে। দলের মধ্যে শার্প শুটার হিসাবে তার কদর হল। মুম্বাইয়ের অন্য যে-সব মাফিয়া আছে তারাও তার নাম জানত, তবে ভাইয়ের লোক বলে ঘাঁটাত না কখনও। বিনোদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করে রোজগারও ভালোই হত। বাড়িতে টাকা পাঠাতে অসুবিধা হত না। বাবা জানত সে মুম্বইয়ে কাজ পেয়েছে। বছর দুয়েক এরকমভাবে চলার পর একটা রেইডে আচমকা ধরা পড়ে যায় রাজনাথ। তিনবছরের জেল হয়ে যায় তার। বিনোদ ভাইয়ের দলে যোগ দেওয়ার পর ভাই তার নাম দিয়েছিল কুন্দন মাহার। ভাইয়ের অনেক ক্ষমতা। তার নামে আধার কার্ড আর পরিচয়পত্রও করিয়ে দিয়েছিল। তাই জেলের খাতায় রাজনাথের নাম ছিল কুন্দন মাহার। জেলে থাকার সময় আরও বেশ কয়েকজন ক্রিমিনালের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজনের কাছে সে বোমা বানানো আর রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে সেই বোমা অপারেট করার টেকনিক শিখে নেয়। সায়েন্সের ভালো ছাত্র ছিল রাজনাথ। তাই শিখতে তার অসুবিধা হয়নি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর রাজনাথ বিনোদ ভাইকে বলে যে সে আর দলে কাজ করবে না। তার বাবা-মা-র বয়স হয়েছে। তাদের দেখার কেউ নেই। তাই তাকে দেশে চলে যেতে হবে। কিন্তু সে টাকা রোজগার করতে চায়। বাবার কাপড়ের দোকান চালিয়ে তার জীবন চলবে না। তখন বিনোদ ভাই তাকে একটা প্রস্তাব দেয়। সে বলে রাজনাথের মতো শার্প শ্যুটার সহজে পাওয়া যায় না। তাই সে ঘরে বসেও অনেক টাকা রোজগার করতে পারবে। দলে না থাকলে তাকে পুলিশ সহজে ধরতেও পারবে না। ঠিক হয়, বিনোদ ভাই রাজনাথকে কাজ দেবে। সুপারি নিয়ে খুন করার কাজ। তার জন্য একটা পার্সেন্টেজ বিনোদ ভাইকে দিতে হবে। বাকিটা রাজনাথের নিজের। তবে রাজনাথকে কথা দিতে হবে যে ভাইয়ের দলের লোকের ওপর সে গুলি চালাবে না। বিনোদ ভাইয়ের কথায় রাজি হয়ে যায় রাজনাথ। তারপরেও সে ছয়মাস মুম্বইরে থেকে খুব ভালো করে মোবাইল সারানোর কাজ শেখে আর নিজের জন্য অনেকগুলো বিভিন্ন নামের পরিচয়পত্র বানায়। বিনোদ ভাইয়ের সাহায্যে খুব দামি আর আধুনিক দুটো আগ্নেয়াস্ত্রও কেনে। তারপর লাতাহোরে ফিরে এসে বাবার কাপড়ের ব্যাবসা বন্ধ করে দিয়ে মোবাইলের দোকান খুলে বসে।

    এরপর প্রায় চারবছর কেটে গেছে। এরমধ্যে বেশ অনেকগুলো কাজ করেছে সে। টাকাও রোজগার করেছে ভালোই। নামে-বেনামে ব্যাঙ্কে টাকা জমা করে রাখে সব। তার ইচ্ছে এভাবে আরও কয়েকবছর চালিয়ে যখন বেশ কয়েক কোটি টাকা তার জমে যাবে, তখন মা-বাবাকে নিয়ে দেশের বাইরে কোথাও চলে যাবে। কোনো ছোটো দেশে, যেখানে যাওয়ার খুব একটা সমস্যা নেই। কোন দেশে কীভাবে যাওয়া যায় সেই সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবরও রাখে রাজনাথ।

    রাজনাথ এখনও পর্যন্ত যতগুলো খুন করেছে সব নিয়েই পুলিশ মহলে যথেষ্ট তোলপাড় হয়েছে। কিন্তু সে কখনও ধরা পড়েনি। রাজনাথ জানে যে তাকে ধরা খুব কঠিন। আজকাল বিনোদ ভাই ছাড়াও আরও কয়েকজন মাফিয়ার হয় সে কাজ করে। এদের সবার সঙ্গেই তার জেলে থাকার সময় পরিচয় হয়েছিল। কিন্তু এরা সবাই তাকে কুন্দন মাহার নামেই চেনে। কেউ তার আসল পরিচয় জানে না। কোথায় থাকে তা জানে না। কেউ সুপারি দিলে রাজনাথ শুধু তার কাছ থেকে যাকে মারতে হবে তার নাম আর ঠিকানা জেনে নেয়। বাকি পুরো প্ল্যান তার নিজের। যে-কোনো একটা অ্যাকশন করার পর সে ফোনের সিম বদলে ফেলে। নিজের ফোন কোনো এই ধরনের কাজে ব্যবহার করে না। কুন্দন মাহারের নামে তার একটা আলাদা সিম আছে। সেই নম্বরটাও জানে হাতে গোনা কয়েকজন যাদের কাছ থেকে সে কাজ পায়। প্রত্যেক অ্যাকশনের জন্য আলাদা পরিচয়পত্র নেয়। এক পরিচয়ে পরপর দু-জায়গায় কখনও কাজ করে না। কখনও তাড়াহুড়োও করে না। বলে দেয় যে তাকে সময় দিতে হবে। সে নিজে গিয়ে খুব ভালো করে জায়গাটা রেকি করে। যাকে মারতে হবে তাকে লুকিয়ে বেশ কিছুদিন ফলো করে অভ্যাসগুলো জেনে নেয়। তারপর অ্যাকশন প্ল্যান ঠিক করে। সাধারণত সে একের বেশি অ্যাকশন প্ল্যান আগে থেকে ভেবে রাখে। যাতে একটা কোনো কারণে ফেইল করলে আর একটা কাজে লাগানো যায়। সে শার্প শ্যুটার। তাই গুলি করে খুন করতেই পছন্দ করে। কিন্তু দরকার হলে রিমোট কন্ট্রোল বোমাও ব্যবহার করে।

    আজ দুপুরে মুম্বাই থেকে ভাই ফোন করে তাকে একটা কাজ দিয়েছে। একটা লোককে খুন করতে হবে। ডায়েরিটা বার করে রাজনাথ। লোকটার নাম রামশরণ পাহাড়ি। ওয়েস্টবেঙ্গলের দুর্গাপুর নামে একটা জায়গায় থাকে। লোকটা মন্ত্রী। ভাইয়ের কোনো এক দোস্তের সঙ্গে হারামিপনা করছে তাই খুন করতে হবে। কী করেছে জানার দরকার নেই রাজনাথের। কাজটা করার জন্য যে টাকা সে নেয়, সেটা পাবে। ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়ে গেছে। গুগুল খুলে লোকটার নাম টাইপ করল রাজনাথ। মন্ত্রী যখন, তখন ইনফরমেশন থাকবে। পাওয়া গেল। ইমেজ থেকে ছবি বার করে দেখল ভালো করে। চেহারা দেখে সাধারণ লোকই মনে হচ্ছে। তবে মন্ত্রী যখন প্রোটেকশন থাকবে। ভালো করে বুঝে-শুনে এগোতে হবে। অনলাইনে দুর্গাপুর যাওয়ার ট্রেনের টিকিট বুক করল রাজনাথ। তারপর একটা ছোটো স্যুটকেসে জিনিসপত্র গুছিয়ে নিল। মার্ডার ওয়েপন আর দরকার হলে বোমা বানিয়ে নেওয়ার জন্য মালমশলা ওর সঙ্গেই থাকে। সেইজন্যই ও কখনও ফ্লাইটে কোথাও যাতায়াত করে না। একটু সময় নিয়ে ট্রেনে কিংবা বাসে যায়। ইন্টারনেটে দেখাচ্ছে দুর্গাপুর জায়গাটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকার। ঝাড়খণ্ড বর্ডার থেকে খুব বেশি দূরে নয়। তারমানে কাজটা করে কোনোরকমে বর্ডার পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডে ঢুকে যেতে পারলেই নিশ্চিন্ত। দুই রাজ্যের পুলিশের আন্ডারস্ট্যান্ডিং যতক্ষণে হবে ততক্ষণে সে লাতাহোরে ফিরে দোকান খুলে বসবে। আধারকার্ডগুলো বার করে তার মধ্যে থেকে একটা বেছে নেয় রাজনাথ। অনুরাগ মাহাতো। আগামী মাসখানেক এই নামেই তার পরিচয় হবে।

    দিন চারেক পরে দুর্গাপুরের বেনাচিতির কাছে গলিতে একটা এককামরার ঘর ভাড়া নেয় অনুরাগ মাহাতো নামে একটা লোক। মোটরসাইকেলের শো-রুমে কাজ করে। আগে ধানবাদে পোস্টিং ছিল। দুর্গাপুরে বদলি করে দিয়েছে কোম্পানি। কুন্দন মাহার লোকটাকে কিছুতেই ট্রেস করতে পারছেন না সুনীল। পশ্চিমবঙ্গ এবং আশপাশের রাজ্যে গত কয়েকবছরে যতগুলো সুপারি কিলিং হয়েছে সবকটার কেস হিস্ট্রি খুব ভালো করে দেখা হয়ে গেছে। অনেকগুলো ক্ষেত্রে ক্রিমিনাল ধরা পড়েছে। যে কয়েকজন ধরা পড়েনি, তাদেরও নাম পুলিশ জানে। তাদের না ধরা পড়ার পেছনে অনেকরকম কারণ আছে। কিন্তু এই লোকগুলোর কারও নামই কুন্দন মাহার নয়। এখানে কিছু বুঝতে না পেরে সুনীল অন্য রাজ্যের সুপারি কিলিংগুলো সম্বন্ধে খোঁজ নিতে শুরু করেন। সব জায়গা থেকে তথ্য পাওয়ার পর সেগুলো একটা এক্সেল শিটে ফেলে সাজানোর পর সুনীলের কাছে একটা ছবি পরিষ্কার হয়। গত বছর চারেকে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় যেসব সুপারি কিলিং হয়েছে, তারমধ্যে যেগুলো শার্প শ্যুটার দিয়ে খুন সেরকম পাঁচটা কেসে খুনি ধরা পড়েনি। তার কোনো নামও জানা যায়নি। কিন্তু এই পাঁচটা কেসেই পেছনে মুম্বাইয়ের মাফিয়া বিনোদ ভাই ছিল বলে পুলিশের কাছে খবর। আইপিএস-দের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ-বন্ধুত্ব থাকে। সেই কানেকশন ব্যবহার করে সুনীল তার ব্যাচের মুম্বাই পুলিশের অফিসার অভিনব দেশমুখকে ফোন করে বলেন যে বিনোদ ভাইয়ের দলে কুন্দন মাহার নামে কোনো লোক আছে কী না গোঁজ নিতে। তিনদিন পরে অভিনব জানায় যে কুন্দন মাহাতো বিনোদ ভাইয়ের দলে ছিল। ধরা পড়ে তার তিনবছর জেল হয়। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সে আর বিনোদের দলে ফেরেনি। কোথায় গেছে কেউ জানে না। তবে বিনোদ ভাইয়ের দলের একটা লোক যে পুলিশকে নানারকম খবর দেয় সে অভিনবকে বলেছে যে লাতাহোরে কুন্দনের কোনো একটা আস্তানা আছে। কারণ কুন্দনকে লাতাহোরের একটা ঠিকানায় টাকা পাঠাতে সে দেখেছে। সে এটাও বলেছে যে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কুন্দন বিনোদ ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তারপর সে কিছুদিন মুম্বাইয়ে থেকে মোবাইল সারানোর কাজও শিখেছিল। কিন্তু মাস ছয়েক পরে সে যে কোথায় গেল কেউ জানে না। তার সঙ্গে দলের আর কারও কোনো যোগাযোগ হয়নি। আশ্চর্যের ব্যাপার হল, শার্প শ্যুটার বলে বিনোদ ভাই কিন্তু কুন্দনকে বেশ পছন্দ করত। অথচ ছেলেটা যে এরকম লা-পাত্তা হয়ে গেল, ভাই কিন্তু ওর কোনো খোঁজ করেনি, ওকে নিয়ে কোনো কথাবার্তাও বলেনি। এর থেকে লোকটার অনুমান যে ভাই জানে কুন্দন কোথায় আছে কিন্তু কোনো বিশেষ কারণে সেটা কাউকে বলে না।

    মীরাটের কাছে লাতাহোর ছোটো জায়গা। গ্রাম ঠিক নয়, গঞ্জই বলা চলে। কিন্তু সেখানকার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে কুন্দন মাহারের কোনো খোঁজ পাওয়া গেল না। যদিও সুনীলের মন বলছিল যে লাতাহোরেই কুন্দনের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। কারণ ও যদি আর মাফিয়ার দলে কাজ না করে তাহলে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আশা করা যায় নিজের বাড়িতেই ফিরবে। বসের সঙ্গে কথা বলে সুনীল ঠিক করলেন যে নিজেই দু-দিনের জন্য লাতাহোর যাবেন। দীপক ছেত্রী আপত্তি করলেন না।

    লাতাহোর পৌঁছে সেখানকার থানার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে সুনীল এটা নিশ্চিত হলেন যে কুন্দন মাহার বলে কেউ অন্তত এই অঞ্চলে থাকে না। কিন্তু অভিনবের কাছ থেকে সুনীল জেনেছিলেন যে কুন্দন মুম্বাই ছাড়ার আগে মোবাইল সারানোর কাজ শিখেছিল। তাই এবার তিনি ওই এলাকায় কারা মোবাইল সারানোর কাজ করে তাদের খোঁজ নিতে শুরু করলেন। ছোটো জায়গা। তিনজনের নাম পাওয়া গেল। তারমধ্যে একজনের বয়স প্রায় পঞ্চাশ। তাই প্রথমেই তাকে বাদ দেওয়া হল। বাকি দু-জনের মধ্যে একজন লাতাহোরের বাসিন্দা। গত কুড়ি বছরে সে গ্রাম ছেড়ে তেমন কোথাও যায়নি। কিন্তু অন্যজন, যার নাম রাজনাথ সে নাকি বেশ কয়েকবছর মুম্বাইয়ে চাকরি করেছে। তারপর টাকা জমিয়ে এখানে এসে দোকান খুলে বসেছে। এখনও মাঝে মাঝে এদিক-সেদিক হাওয়া হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেল রাজনাথ লাতাহোরে নেই। দিন পনেরো আগে সে কয়েকদিনের জন্য বাইরে গেছে। সুনীল তখন প্রায় নিশ্চিত যে এই রাজনাথই হচ্ছে কুন্দন মাহার। তাই খুব গোপনে পুলিশের সাহায্য নিয়ে রাতের অন্ধকারে তল্লাশি চালানো হল রাজনাথের দোকানে। সেখানে একটা পুরোনো ডায়েরি পাওয়া গেল। সেটা সম্ভবত মুম্বাইয়ে থাকার সময় রাজনাথ ব্যবহার করত। সেখানে নাম লেখা আছে কুন্দন মাহার। ডায়েরিতে এমন কিছু তথ্য আছে যেগুলো দেখে সুনীলের সন্দেহ হল যে সেগুলো সম্ভবত বোমা বানানোর সাংকেতিক ফর্মুলা। কিন্তু রাজনাথের কোনো ছবি কিংবা কোনো আগ্নেয়াস্ত্র কিছুই নেই। ফলে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যে রাজনাথের বাড়িতে তল্লাশি চালাবে তারও উপায় নেই। তাই ডায়েরিটা বাজেয়াপ্ত করার পর সুনীল রেলের বুকিং সেকশনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলেন, রাজনাথ কুণ্ডার নামে সম্প্রতি মীরাট স্টেশন থেকে কোনো ট্রেনের রিজার্ভেশন করা হয়েছে কী না। একদিন পরেই বুকিং সেকশন থেকে উত্তর এল, অমৃতসর কলকাতা মেইলে রাজনাথ কুন্ডা নাম সংরক্ষিত তালিকায় রয়েছে। দুর্গাপুর যাওয়ার টিকিট কেটেছিল রাজনাথ কুন্ডা। সুনীল আর এক মুহূর্ত দেরি না করে পরের ফ্লাইটে দুর্গাপুর ফিরে এলেন এবং খুব দ্রুত পুলিশকে বললেন খোঁজ নিতে রামশরণ পাহাড়ি যে এলাকায় থাকেন সেখানে সম্প্রতি রাজনাথ কুন্ডা নামে কেউ বাড়ি ভাড়া নিয়েছে কী না।

    ***

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }