Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালো হীরের জাল – ৬

    রামশরণ পাহাড়ি লোকটাকে গত পনেরোদিন ধরে ছায়ার মতো অনুসরণ করছে রাজনাথ। লোকটা সারাদিন কী করে, কোথায় যায়, ওকে যারা পাহারা দেয় তারা কখন একটু হাত-পা ছড়ায়, এসবই তার এখন মোটামুটি মুখস্থ। প্রথম অ্যাটেম্পটা সে আজ রাতেই নেবে ঠিক করেছে। লোকটা সাধারণত সন্ধের পরে বাড়ি ফেরে। তারপর রাতের খাওয়া-দাওয়া সেরে ছাদে খানিকক্ষণ পায়চারি করে। দোতলা বাড়ির ছাদ, বাড়ির বাইরে পাহারা থাকে। কিন্তু ছাদে কেউ থাকে না। পুরো এলাকাটা ঘুরে রাজনাদ দেখেছে রামশরণের বাড়ি থেকে একটু দূরেই একটা নতুন ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে। তার তিনতলার একটা ঘরের জানলা ঠিক রামশরণের ছাদের সোজাসুজি। ওই আন্ডার কনস্ট্রাকশন ফ্ল্যাটের যে পাহারাদার সে রাত আটটা নাগাদ দেশোয়ালী ভাইদের একটা আড্ডায় গাঁজা খেতে যায়। এগারোটার আগে কোনোদিনই ফেরে না। রামশরণ ছাদে ওঠেন রাত দশটা নাগাদ, রাজনাথ তাই সন্ধের একটু পরে একটা ল্মবা ব্যাগে তার স্নাইপার রাইফেল ভরে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরোয়। ফ্ল্যাট বাড়িটার সামনে একটু ঘোরাঘুরি করার পর দারোয়ানটা বেরিয়ে গেলেই সে চুপচাপ তিনতলার ঘরে উঠে অপেক্ষা করে। রামশরণ পাহাড়ি খাওয়া সেরে অভ্যাসমতো ছাদে উঠে পায়চারি করছেন। স্নাইপার রাইফেল নিয়ে অপেক্ষা করছে রাজনাথ। অত্যন্ত শক্তিশালী রাইফেল, প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত দূরের লক্ষ্যবস্তুও টার্গেট করা যায়। রামশরণ পাহাড়ির ছাদের দূরত্ব সাতশো মিটারের বেশি হবে না। পায়চারি করতে করতে রামশরণ যেই জায়গামতো এসেছেন অমনি ট্রিগার টেপে রাজনাথ। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ঠিক সেই সময় ছাদের আলসেতে রাখা একটা টব তুলে অন্য জায়গায় বসাতে যাচ্ছিলেন রামশরণ। গুলিটা এসে সরাসরি লাগে সেই টবে। বিকট শব্দ করে টবটা ফেটে যায়। মুহূর্তের মধ্যে একটা হৈচৈ শুরু হয়ে যায়। রাজনাথ আর এক সেকেন্ড দেরি না করে দ্রুত বাড়িটা থেকে বেরিয়ে পেছনের রাস্তা দিয়ে নিজের ডেরায় ফিরে আসে।

    টবের ভেতরে স্নাইপার রাইফেলের গুলি দেখে কুন্দন মাহার যে তার কাজ শুরু করে দিয়েছে বুঝতে অসুবিধা হয় না সুনীলের। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে গোটা দুর্গাপুর শহর খুঁজেও কুন্দন মাহার কিংবা রাজনাথ কুণ্ডা নামে বাড়ি ভাড়া নিয়েছে এরকম কারও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এলাকার সব হোটেলেও খোঁজ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুর্গাপুর শিল্পশহর। বহুলোক সেখানে এসে হোটেলে থাকে, দু-চারদিন পরে আবার চলে যায়। হোটেলও অনেক। ফলে ঘুরিয়ে-ফিরিয়েও থাকা যায়। প্রতিটি জায়গায় তো আর তল্লাশি করা সম্ভব নয়। তাছাড়া লোকটার আর কোনো জালি পরিচয়পত্র আছে কী না তাও বোঝা যাচ্ছে না।

    তাই সুনীল বেশ চিন্তায় পড়েছেন। রামশরণের পাহারা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর আশঙ্কা একসপ্তাহ পরে মন্ত্রীর একটা বড়ো জনসভা আছে। সেখানে অ্যাটাক হতে পারে। যদিও জনসভায় পাহারা খুব কড়া থাকবে। পরিচয়পত্র পরীক্ষা না করে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। স্টেজে হাতে গোনা কয়েকজন থাকবেন। সেখানে কোনো অ্যাটাকের চেষ্টা হলে পালানো খুব কঠিন, তাও সুনীল সেদিনের পাহারায় যাতে আরও কড়াকড়ি হয় সেদিকে নজর রাখতে নির্দেশ দেন। নিজে সবকিছু তদারকি করতে থাকেন।

    ফার্স্ট অ্যাটেম্পটটা ফস্কে যাওয়ায় মনে মনে একটু বিরক্ত হয় রাজনাথ। কারণ এর পরে পুলিশ আরও সতর্ক হয়ে যাবে। একটাই ভরসা তাকে কেউ চেনে না, তার সম্বন্ধে জানেও না। তাই পুলিশের পক্ষে তাকে ট্রেস করা মুশকিল। একটাই চিন্তা, অ্যাকশনে থাকার সময় সে কখনও বাড়িতে ফোন করে না। কিন্তু এবার যেদিন বাড়ি থেকে বেরোল, সেদিন বাবার শরীর ভালো ছিল না। তাই খবর নেওয়ার জন্য একটা ফোন বুথ থেকে একবার ফোন করেছিল। বাবা ভালো আছে। কিন্তু মা বলল, হরিলাল নাকি বাড়িতে এসে গপসপ করেছে, তার সম্বন্ধেও খোঁজখবর নিয়েছে। মায়ের ধারণা হরিলালের মেয়ে আছে। তাই হয়তো রাজনাথের সঙ্গে শাদির কথা ভাবছে। কিন্তু রাজনাথ কথাটা অত সহজভাবে নিতে পারেনি। সে জানে হরিলাল পুলিশের খোচর। তাছাড়া তার মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে আছে অন্য ছেলের সঙ্গে। হরিলাল কেন তাদের বাড়ি এল, এটা একটু চিন্তায় রেখেছে রাজনাথকে। তাই এই কাজটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মিটিয়ে সে লাতাহোর ফিরতে চাইছে। এক সপ্তাহ পরে মন্ত্রীর একটা মিটিং আছে। সেদিন একটা অ্যাটেম্পট নেবে ঠিক করেছে। তবে সেজন্য প্ল্যান বদলাতে হবে। রিভলভার কিংবা রাইফেল দিয়ে কাজ হবে না। পরদিন সকালে তাই বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটা শপিং মলের বাথরুমে ঢুকে পোশাক বদলে নিল রাজনাথ। আগেই খোঁজ নিয়ে রেখেছিল কোন ডেকরেটার্স সভার স্টেজ তৈরি, প্যান্ডেল বাধা এইসব কাজ করছে। তার অফিসে গিয়ে ডেইলি লেবারদের সঙ্গে কাজের দরবার করে এক নেতাকে ধরল। মজুরি থেকে কমিশন দেবে বলাতে কাজও মিলে গেল। পরদিন থেকেই জনসভার মঞ্চ বাঁধার কাজে অন্যদের সঙ্গে লেগে পড়ল রাজনাথও। বেশ বড়ো একটা মাঠের মধ্যে প্যান্ডেল বাঁধা হচ্ছে।

    ডেকরেটার্সের লোকদের সঙ্গে বাশ বাঁধা, দুটি পোতা, কাপড় টাঙানো, চেয়ার আনা এইসব নানারকম কাজে চা লাগাচ্ছে রাজনাথও। লাতাহোরে ফিরে আসার পর সে ইউটিউব দেখে ভারতের বেশ অনেকগুলো প্রদেশের ভাষা শিখে নিয়েছে। তাই বাংলা কিংবা ভোজপুরি হিন্দি দুটোই সে দিব্যি বলতে পারে। ডেকরেটার্সের কাজ যারা করছে, তাদের অনেকেই বিহারের বাসিন্দা। তাই তাদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে নিতে অসুবিধা হয়নি রাজনাথের। প্রথমদিন কাজ করার সময়ই ভালো করে জায়গাটা দেখে নিয়ে নিজের প্ল্যান ঠিক করে নিল রাজনাথ। রাইফেল কিংবা রিভলভার সে ব্যবহার করবে না। কাজ সারবে রিমোট কন্ট্রোল বোমা দিয়ে। জেলে থাকার সময় একজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। তার মাধ্যমেই কয়েকটা এই ধরনের বোমা সে কিনেছে। একেবারে মডার্ন টেকনিকে তৈরি বোমা। সাইজে একটা বড়ো বোতামের মতো। কিন্তু তার ভেতর পোরা থাকে আরডিএক্স। রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যেই এই বোমা ফাটানো যায়। কিন্তু এই রিমোট কন্ট্রোলের সার্কিটটা থাকে মোবাইলের ভেতরে। ব্লু টুথ অন করার পর, মোবাইলের বোতাম টিপলেই বিস্ফোরণ হয়। সাধারণভাবে এই মোবাইল দেখলে কিছু বোঝা যায় না। মেটাল ডিটেক্টরেও কিছু ধরা পড়ে না।

    সেদিন সন্ধেবেলায় কাজ থেকে ফেরার পথে দোকান থেকে একটা নতুন স্মার্ট ফোন কিনে নিয়ে এল রাজনাথ। একটু বেশি পয়সাই লাগল কারণ সব ফোনে এই সার্কিট বসানোর কাজটা করা যায় না। তারপর তার ভেতরে সার্কিটটা ঢুকিয়ে রেখে দিল। এবার ওই বোতামের মতো বোমাটাকে মন্ত্রী যেখানে বসবেন তার কাছাকাছি কোথাও রাখতে হবে। মুশকিল হচ্ছে মন্ত্রী আসার আগেই পুরো স্টেজ, তার আশপাশ, এমনকি প্যান্ডেলের ভেতরটাও বন্ধ স্কোয়াড এসে পরীক্ষা করে দেখবে। ওদের সঙ্গে কুকুরও নিশ্চয় থাকবে। তার আগে বোমাটা ওখানে রাখলে ধরা পড়ে যাবেই। তাছাড়া সেদিন ওই চত্বরে ঢোকা কিংবা বেরোনোর সময় সবাইকে তল্লাশি করবে পুলিশ। রাজনাথ তাই পরের দিন কাজে যাওয়ার সময় একটা ছোট্ট প্লাস্টিকের বক্সে বোমাটা ভরে পকেটে করে নিয়ে গেল, তারপর সুযোগ বুঝে স্টেজ থেকে বেশি খানিকটা দূরে মাঠের পেছনদিকের কোণায় মাটিতে পুঁতে রেখে দিল।

    মিটিং-এর দিনও ডেকরেটার্সের লোকেরা সবাই এসেছে। মালিক বলেছে কাজ হয়ে গেলে খাবারের প্যাকেট দেওয়া হবে। সেই লোভে সবাই বসে বক্তৃতা শুনবে। রাজনাথও সবার সঙ্গে বসে আছে। বম্ব স্কোয়াডের লোকেরা চারিদিক পরীক্ষা করে চলে গেল। এবার বোমাটা রাখতে হবে টেবিলের কাছাকাছি কোথাও। স্টেজের ঠিক বাইরে একটা টেবিলের ওপর মন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য বড়ো বড়ো ফুলের বুকে রাখা আছে। সেগুলোর একটার ভেতরে বোমাটা ঢুকিয়ে দিতে পারলে ভালো হত। কিন্তু তাতে দুটো সমস্যা আছে। এর আগে মন্ত্রীর গোটা দুয়েক সভায় উপস্থিত থেকে খুঁটিয়ে দেখেছ রাজনাথ। মন্ত্রীর সিকিউরিটি অনেকসময় বুকেটা আগে একবার দেখে নেয় আর তাছাড়া ফুলটা মন্ত্রীর হাতে দেওয়ার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে সেটা পাশের সিকিউরিটির হাতে তুলে দেন। তার মানে সময়ের এতটুকু এদিক-ওদিক হলেই মন্ত্রী বেঁচে যাতে পারেন। সেই ঝুঁকি নেওয়া রাজনাথের পক্ষে সম্ভব নয়। এই ধরনের কাজে এক শতাংশ ঝুঁকিও নেওয়া যায় না। তবে রাজনাথ একটা জিনিস খেয়াল করেছে, সব সভাতেই মন্ত্রীকে নানারকম উপহার দেওয়া হয়। সেইসব উপহারও সিকিউরিটি তখনই তুলে নিয়ে চলে যায়। শুধু ছোটোরা কোনো উপহার দিলে মন্ত্রী সেটা টেবিলে রেখে দেন। আজও সেরকম কিছু আছে কিনা দেখার জন্য স্টেজের পাশের জায়গাটা রাজনাথ দেখছিল ভালো করে। হঠাৎ তার চোখে পড়ল একটা বাচ্চা মেয়ে একটা ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ব্যাগের গায়ে মন্ত্রীর মুখের ছবি আঁকা। ব্যাপারটা বুঝতে অসুবিধা হল না রাজনাথের। তার মানে মেয়েটা মন্ত্রীকে ব্যাগটা উপহার দেবে। সুযোগটা কাজে লাগাতেই হবে। রাজনাথ নিজের জায়গা থেকে উঠে মাঠের কোণায় গিয়ে শৌচকর্ম করার ভান করে মাটি খুঁড়ে প্লাস্টিকের কৌটোটা বার করে আনল। স্টেজের পেছন দিকটায় তখন পার্টির বেশ কিছু লোকজন রয়েছে। মঞ্চে যাঁরা ইতিমধ্যেই বসে পড়েছেন তাঁদের জল দেওয়া হচ্ছে। জায়গাটা পাহারা দিচ্ছে দু-জন মহিলা সিকিউরিটি। রাজনাথ লোকজনের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে একপাশে রাখা চেয়ারগুলো গোছানোর ভান করে টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার একদম কাছে চলে গেল। বাচ্চা মেয়ে। সঙ্গে আর কেউ আছে বলে মনে হচ্ছে না। একটু ঝুঁকি নিতেই হবে।

    “এই ব্যাগটা তুমি বানিয়েছ?”

    খুশি হয়ে মাথা নাড়ল মেয়েটা। মহিলা সিকিউরিটি রাজনাথকে দেখেছে। কিন্তু সম্ভবত বাচ্চার সঙ্গে কথা বলছে বলে কিছু বলল না। টেবিলের ওপর রাখা ব্যাগটার ওপর একবার হাত বোলাল রাজনাথ আর সেই সুযোগে অসম্ভব ক্ষিপ্রতায় বোতামটা ঢুকিয়ে দিল ব্যাগের ভেতর। সিকিউরিটি মহিলা কিছুই বুঝতে পারেনি। এখন শুধু অপেক্ষা ব্যাগটা টেবিলের ওপর রাখার। তাহলে মোবাইলের বোতাম টিপবে রাজনাথ। তবে তার আগ গেটের কাছাকাছি চলে যেতে হবে। যাতে গণ্ডগোল শুরু হলেই চট্‌ করে বেরিয়ে যাওয়া যায়। আপাতত মন্ত্রী এসে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিছু করার নেই। তাই আবার লেবারদের দলের সঙ্গে মিশে বসে পড়ল রাজনাথ। নিজের মোবাইলটা বার করে গেম খেলতে শুরু করেছে এক সময় ওর পাশে এসে বসল রাজু। ছোকরা ছেলে। রাজুকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে প্রচণ্ড বিরক্ত। এই কদিনে রাজুর সঙ্গে আলাপ হয়ে গেছে রাজনাথের। তাই জিজ্ঞাসা করল, “কেয়া হুয়া রে, কুছ গড়বড়?”

    “আরে ইয়ার, মেরা মোবাইল নেহি চল্ রহা হ্যায়…কেয়া গড়বড় হুয়া… দো দিন পহলে সারাই কিয়া থা, দোশে রপায়া লিয়া হারামি কা বাচ্চা… ফিন বন্ধ হো গল্প”

    “দে মুঝে দে, ময় দেখতা হুঁ…”

    “তু মোবাইলকা কাম জানতা হ্যায় কেয়া?”

    “হাঁ থোড়া-বহুত…”

    রাজুর হাত থেকে মোবাইলটা নিয়ে পেছনের ঢাকাটা খুলে ফেলে রাজনাথ। রাজনাথের মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখছে রাজু।

    “তেরা মোবাইল তো বড়িয়া হ্যা রে, কিমতি চি “ওইসি কুছ নেহি… সেকেন্ডহ্যান্ড মিলা তো খরিদ লিয়া…”

    একমনে রাজুর মোবাইলটায় কাজ করে যাচ্ছে রাজনাথ। খেয়াল করেনি একটু দূর থেকে একজোড়া চোখ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকে লক্ষ করছে।

    সাদা পোশাকে সকাল থেকেই সুনীল ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন পুরো মাঠে। গেটের ভেতর দিয়ে ঢোকার সময় প্রত্যেককে যাতে ঠিকঠাক তল্লাশি করা হয় সেজন্য নির্দেশ দেওয়া আছে। এছাড়া গেটে মেটাল ডিটেক্টর তো রয়েইছে। কিন্তু তবু তিনি নিজে চেষ্টা করছিলেন প্রতিটি মানুষকে সার্চলাইট ফেলার মতো একবার দেখে নিতে। লোক এসেছে অনেক। বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ। তাদের মাটিতে বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পুলিশের ফাঁক গলে রিভলভার কিংবা রাইফেল নিয়ে কারও পক্ষে ঢোকা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে অন্য কীভাবে অ্যাটাক হতে পারে সেটাই ভাবছিলেন সুনীল। হঠাৎ লোকটার দিকে নজর পড়ল ওঁর। মাঠের কোণের দিকে যাচ্ছে। সম্ভবত শৌচকর্ম সারতে। বিহারি শ্রমিক বলেই মনে হচ্ছে। কোণায় গিয়ে মাটিতে বসল। খেয়াল রাখছেন সুনীল। একটু যেন বেশি সময় লাগল মনে হচ্ছে। লোকটা উঠে চলে এল। স্টেজের পেছন দিকে আড়াল হতেই সুনীল দ্রুত পায়ে জায়গাটায় গেলেন। শীতের দিন। শুকনো মাটিতে জলের কোনো দাগ নেই। কিন্তু খানিকটা মাটি খোঁড়া হয়েছে বোঝা যাচ্ছে। অল্প একটু জায়গা। হাত দিয়ে চেপেও দেওয়া হয়েছে। মাটি সরিয়ে দেখলেন সুনীল। কিছু নেই। তবে মাটিটা আলগা। খোঁড়া হয়েছে নিশ্চিত। দ্রুত পায়ে স্টেজের দিকে চলে আসেন সুনীল। লোকটাকে চোখ ছাড়া করা চলবে না। এদিক-ওদিক একটু তাকাতেই নজর পড়ে স্টেজের পেছনের ঢাকা জায়গা থেকে বেরিয়ে আসছে দুটো চেয়ার হাতে নিয়ে। চেয়ারগুলো পাশে রেখে একপাশে বসে থাকা ডেকরেটার্সের লোকজনদের মধ্যে গিয়ে বসল লোকটা। খুব মন দিয়ে দেখছিলেন সুনীল। অন্য লেবারদের সঙ্গে জামা-কাপড়, চুলের ভঙ্গি কোনোকিছুতেই কোনো পার্থক্য নেই। কিন্তু তাও সূক্ষ্ম একটা ফারাক আছে। লোকটা নিজের মোবাইলে গেম খেলছে। অসচেতন আছে। অসেচতনে সেই ফারাক ফুটে উঠছে। শিক্ষার ছাপ লুকোনো খুব কঠিন। মোবাইলটা দামি। একটা ছেলে এসে পাশে বসল। সুনীল অনেকটা কাছে এসে দাঁড়িয়েছেন এখন। ওদের কথাবার্তা শুনতে পাচ্ছেন। ছেলেটার মোবাইলটা নিয়ে পেছনটা খুলল লোকটা। নিপুণহাতে সারাচ্ছে। সামান্য কিছু গণ্ডগোল মনে হয়। চালু করে ফেরত দিল ছেলেটাকে। সুনীল খুব দ্রুত নিজের মোবাইল থেকে একটা মেসেজ করলেন। হুটারের শব্দ শোনা যাচ্ছে। মন্ত্রীর গাড়ি আসছে। লোকটা উঠে পড়ছে। মানুষের ভিড়ে শিকারি চিতার মতো দৃষ্টি স্থির রেখেছেন সুনীল। রামশরণ পাহাড়ি স্টেজে গিয়ে বসলেন। ফুল উপহার দেওয়া হচ্ছে। লোকটা গেটের দিকে এগোচ্ছে। এক হাতের মধ্যে সুনীল। গেটের খানিকটা আগে লোকটা স্টেজের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে কিছু দেখল। এবার বাঁ-হাত পকেটে ঢুকিয়ে একটা মোবাইল বার করেছে। নীল রঙের। গেম খেলছিল যে মোবাইলটায় এটা সেটা নয়। লোকটার দুটো মোবাইল! সেকেন্ডের মধ্যে হঠাৎ মাথাটা পরিষ্কার হয়ে যায় সুনীলের।

    রাজনাথ…

    রিফ্লেক্সে ঘুরে তাকিয়েই সাদা হয়ে গেল রাজনাথ। ততক্ষণে বজ্রমুষ্ঠিতে তার হাত মুচড়ে মোবাইল কেড়ে নিয়েছেন সুনীল। ঘাড়ের কাছে ইস্পাতের নলের শীতল স্পর্শ। মুহূর্তে আরও চারজন ঘিরে ধরেছে তাকে। পালানোর কোনো পথ নেই। সুনীলের মেসেজ পেয়ে তৈরিই ছিল সবাই।

    “লক্ষ্মণ, এই মোবাইলটা খুব সাবধানে একপাশে রাখো। অত্যন্ত বিপজ্জনক। আর এখনই বম্ব স্কোয়াডকে খবর দাও। স্টেজের আশপাশে নিশ্চয় বোমা আছে। তবে খুব সাবধানে লোকজন যেন কিছু বুঝতে না পারে…”

    মোবাইলটা লক্ষ্মণের হাতে দিয়ে রাজনাথের দিকে ফিরলেন সুনীল, “রাজনাথ কুণ্ডা ওরফে কুন্দন মাহার… শাপ শ্যুটার… এবার তোমার খেল খতম।”

    ***

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }