Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶

    ইতিহাসের আলোকে বাংলার রঘু ডাকাত – রাধামাধব মণ্ডল

    তন্ত্রাচারের কালীপুজোর উপাচার হিসেবেই রঘু ডাকাত নরবলি দিতেন। সে বড়ো ভয়ঙ্কর ঘটনা। এমনভাবেই একদিন রাস্তা দিয়ে কালীভক্ত রামপ্রসাদ সেন যাচ্ছিলেন। তাঁকেও কালীর সামনে বলি দেবে বলে ধরে আনে রঘু ডাকাতের দল। সেদিন যখন অগত্যা বলি দেবেই ডাকাত রঘু, তখন বলি দেওয়ার আগে দেবীর সামনে একটি গান গাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন স্বয়ং রামপ্রসাদ। শোনা যায় বহু অনুনয় বিনয়ের পর রঘু গান গাওয়ার অনুমতি দিলে, ‘তিলেক দাঁড়া ওরে শমন বদন ভরে মাকে ডাকি’ গানটি গেয়ে শোনান রামপ্রসাদ। মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে এমন গান। আশ্চর্যকথা! কথিত আছে যে, এই সময় বলিকাষ্ঠে রামপ্রসাদের জায়গায় কয়েকবার দেবীকে দেখতে পান রঘু ডাকাত! সেই খটকা লাগে! আশ্চর্য রঘু স্তম্ভিত হয়ে যান অবশেষে। শোনা যায় তারপর থেকেই নরবলি বন্ধ করে দেন ডাকাত রঘু।

    আমাদের এই গঙ্গাপাড়ের বাংলায় রঘু ডাকাতের মতো এমন ‘বিখ্যাত’ ডাকাত বোধকরি আর তেমন আসেনি! ছোটোবেলার ভয়ের জগৎ জুড়ে আজও ঘুরে বেড়ায় রঘুর নানান ছবি। সে সব গল্পের ছবি। পেল্লায় বড়ো দেহ, মস্ত বড়ো গোঁফ আর মাথায় একটা প্রকাণ্ড ইয়া বড়ো পাগড়ি। সে সব রক্তলাল কাপড়ের! তবে ‘মানুষ’ রঘু ডাকাতের জীবনের গল্পগুলো এখনও এত বেশি জায়গা দখল করে আছে আমাদের মনে যে, চরিত্রটি বাঙালির কৃষ্টি, সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে গিয়েছে যেন একেবারেই প্রায় বাঙালির অন্দরমহলে।

    আজও রঘু ডাকাত সম্পর্কিত তাঁর জীবনের গল্প এত বেশি জনপ্রিয় যে, সেখান থেকে আসল গল্পের খোঁজ পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্যই। অনেক গল্পকথার ভিড়ে হারিয়ে রয়েছে রঘু। কী এক রহস্যের জীবন রঘুডাকাত! তবু সেই রহস্যের সন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরেছি, পড়াশোনা করেছি, তাঁর জীবনের সত্যের সন্ধানে। খোঁজ করেছি তাঁর পরিবার, পরিজন এবং বংশধরদের। তাঁকে নিয়ে গবেষণা হয়েছে বিস্তর। অনেক গবেষকই চেষ্টা করেছেন কল্পকথার ফাঁদ ছেড়ে রঘু ডাকাতের আসল কাহিনি খুঁজে বের করতে। তবে তা খুঁজে বের করা বেশ শক্ত কাজ। রক্তমাংসের রঘু ঠিক কেমন ছিল, তা জানতে আজও চর্চা চলছে। সেসব নিরিখেই রঘু ডাকাতের জীবনকথা জানার চেষ্টা, অনুসন্ধান। অধিকাংশ গবেষকের মতে, রঘু জন্মেছিলেন প্রায় ২০০-২৫০ বছর আগের কোনো একসময়ে! যে সময়ে বড়ো লোক, জমিদারদের ছেলের বয়স দেখিয়ে গরীবের বয়স মাপা হত। সে সময়ে! অষ্টাদশ শতাব্দীর কোনো এক সময়ে রঘুর জন্ম। তাঁর ভালো নাম ছিল, রঘু ঘোষ। তবে এই নিয়েও মতোবিরোধ রয়েছে। একাধিক রঘুকে দাঁড় করানোর চেষ্টা চলেছে।

    সেই সময় বাংলার পাশাপাশি ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে চলছিল কোম্পানির শাসন। অত্যাচার তখন মানুষের নিত্যসঙ্গী। বাংলার মাঠেঘাটে, খেতখামারে ধান ফলনের দো-ফসলি জমিতে তখন ইংরেজরা জোরপূর্বক নীল চাষের জুলুম চালাচ্ছে। বাধ্য করছে নীলচাষ করতে। একটানা সে নিয়ে অত্যাচার চালাচ্ছে গরিবগুর্বোঁ কৃষকদের ওপর। প্রথমে পাঁচ কাঠা, তারপর দশ কাঠা ক্রমে ক্রমে এভাবেই ফাঁদে ফেলে বাংলার অসহায় কৃষকদের উপরে নীল চাষের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার ফন্দি করেছিল নীলকর দস্যুরা। সে এক মস্ত বড়ো বিরাট চক্রান্ত!

    যে সমস্ত কৃষক, কোম্পানির ঠিক করে দেওয়া জমিতে নীল চাষ করতে আপত্তি তুলে গলা ওঠাতো, তাদের পেয়াদা দিয়ে নীলকুঠিতে তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করত। অনেককে সে সময় হত্যাও করা হত। বেদম প্রহার শুধু নয় দুর্বল জায়গায় আঘাত, গৃহ থেকে শিশুদের তুলে নিয়ে গিয়ে মারধোর, নির্মমভাবে অত্যাচার করে পুনরায় বাধ্য করত নীল চাষ করতে। এই নীলকর সাহেব আর তাদের পেয়াদাদের অত্যাচারে একসময় নাভিশ্বাস ওঠে বাংলার সাধারণ বাঙালি কৃষকদের পরিবারগুলোতে। এভাবেই বাংলার চারদিকে ধীরে ধীরে জ্বলতে শুরু করে অসন্তোষের আগুন। বিদ্রোহের জন্ম হয়। সে সময় রঘু ঘোষের বাবা ছিলেন এমনই একজন সাধারণ কৃষক। তিনিও নীল চাষ করতে অবাধ্য হলে নীলকরের পেয়াদারা এক রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়েছিল নীলকুঠিতে। আর পেয়াদার নির্মম প্রহারে অসহায়ভাবে সেই রাতেই মারা যান তার বাবা! অনেকে অবশ্য বলেন, নীলকর সাহেবরা তাঁকে হত্যা করে। নিষ্ঠুর পিতৃহত্যার এই প্রতিশোধ নিতেই তিনি ডাকাতিতে নাম লেখান। বাহুবলের লড়াইয়ে নিজেকে উম্মাদ করে তোলেন।

    সেদিন থেকেই পিতার মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন রঘু ঘোষ। ক্রমে ক্রমে গ্রামের লাঠিয়ালদের থেকে লাঠিখেলা শিখে অর্জন করেন বাহুবলের বিরাট ক্ষমতা। একসময় লাঠিখেলায় তাঁর অসামান্য দক্ষতা দেখে চমকে উঠতেন সবাই। সেই খেলার লাঠিই তাঁর কাছে হয়ে ওঠে নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার এক অস্ত্র। শুধু অস্ত্র তুলে নেওয়াই নয়, সেইসঙ্গে নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতেও শুরু করেন তিনি। সে সময়কার বিদ্রোহের প্রত্যেক সভা, আলোচনায় উঠে আসে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা।

    সেইমতো নিজের হাতেই অস্ত্র তুলে নিয়ে নিজেই এগিয়ে আসেন লড়াই করবেন বলে। তাঁর ডাকে সেদিন অনেক অত্যাচারিত মানুষও সঙ্গী হয়।

    দিনে দিনে আরও বহু মানুষকে তিনি সংগঠিত করতে শুরু করেন। এভাবেই একদিন ভিড় বাড়তে শুরু করে রঘুর দলে। ধীরে ধীরে একদিন তিনি গড়ে তোলেন এক মস্ত লাঠিয়াল বাহিনি। রঘুর সেই লাঠিয়াল বাহিনি নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে শুরু করে। সেই শুরু আক্রোশের মুখে পরা। রঘু ঘোষের এই বাহিনির ক্ষমতা আর লোকবল দিন দিন বাড়তে শুরু করে। সেই সুযোগে দলবল নিয়ে নীলকুঠিগুলোতে লুঠপাট চালানো শুরু করে রঘু ঘোষ। তারপর থেকেই জ্বালিয়ে দেন নীলকরদের আস্তানাগুলো। এভাবেই একদিন হঠাৎ করেই রঘু এলাকার অত্যাচারী জমিদার আর সামস্তদের বাড়িঘর লুঠ করতে শুরু করে দেন। দলবল নিয়ে তাঁদের উপর চড়াও হয়ে মারধোরও করেন। সেই ঘটনায় হইহই পরে যায় চারদিকে! সেই সময় যাঁরাই সাধারণ মানুষের সম্পদকে কুক্ষিগত করে রেখেছিল তাঁদের বাড়িতেই হানা দেয় রঘু ঘোষের দল। লুঠপাটের পর সেই সমস্ত বাড়ি থেকে লুঠের জিনিসপত্র নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ভাগ করে দিতেন বাংলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মধ্যেই।

    এভাবেই ধীরে ধীরে রঘু সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন একদিন। তার বহুকাল পরে সে কালের সমাজে রঘু ঘোষ হয়ে উঠেছিলেন একইসঙ্গে প্রতিবাদ আর ন্যায়বিচারের মূর্ত প্রতীক। অন্যদিকে জমিদার আর নীলকরদের কাছে তিনি ছিলেন লুটতরাজকারী এক ভয়ংকর ডাকাত। ঘন ঘন ছদ্মবেশ ধরতে পারতেন তিনি। দক্ষতায় পারতেন বার বার নিজের রূপ বদলাতে। শুধু তাই নয়, আঘাতের জন্য তাঁর নানারকমের বাহিনি ছিল। সেকালের সমাজে মহিলা ও পুরুষের আলাদা আলাদা বাহিনি নিয়ে তিনি ডাকাতি সাম্রাজ্য চালাতেন। নীলকর সাহেবদের আক্রমণে তার পিতাকে খুন হতে হয়েছিল। নির্মম মৃত্যুর সেই ঘটনা একজন সাধারণ মানুষ থেকে রঘু ঘোষকে করে তুলেছিল ইতিহাসের বিখ্যাত ‘রঘু ডাকাত’।

    বাল্যকালে কোলের ছেলেদের ভয় দেখানো থেকে শুরু করে, মারদাঙ্গা, হত্যার মতো ঘটনায় কোনো মানুষের উদাহরণের পরিচয়ে ‘রঘু ডাকাত’ নামটা বাঙালির দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে সেই কবেকার কাল থেকে। আজও রঘু ডাকাতকে নিয়ে নানা গল্পের খোঁজ পাওয়া যায়। কখনও তিনি গরিবের বন্ধু, আবার কখনও নরবলির বিভীষিকাময় গল্পের এক খলনায়ক যেন-বা তিনি।

    এক সময় ব্রিটিশদের তোষণকারী ধনী লোকদের ধরে ধরে তাদের সম্পদ লুঠ করেছেন এই রঘু। আর এই সব লুঠের মাল তিনি বিলিয়ে দিতেন গরিব-দুঃখী কৃষকদের মাঝে, তাদের গ্রামে গ্রামে গিয়ে। এভাবেই তিনি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন বাংলার রবীন হুড, গরিবের একমাত্র ত্রাতা।

    সে সময় গোটা বাংলার বিভিন্ন জেলায় ডাকাতদের ভয়াবহ উপদ্রব ছিল। ডাকাতদলের সেই ধারাবাহিক অত্যাচারের ফলে বহু গ্রাম উঠে গিয়েছিল সেদিন। ভয়ংকর হত্যাকারী সেইসব ডাকাতের দলকে দূর করতেই সেই সময় ইংরেজ শাসক প্রত্যেক থানা এলাকায় ডাকাত ধরার আলাদা আলাদা দপ্তর তৈরি করেছিল। ডাকাতরায় যেন চোর, ডাকাত ধরার যন্ত্র। শাসক ইংরেজদের এই কৌশলও কাজে আসেনি শেষপর্যন্ত।

    এলাকায় পুলিশের প্রভাব বাড়তে শুরু করলে ডাকাত রঘু আর তার ভাই বিধুভূষণ ঘোষ দেবীপুরের পাশে এক গভীর জঙ্গলের গোপন ডেরায় আশ্রয় নেয়। পুলিশের অত্যাচারে শেষপর্যন্ত জঙ্গলের ভেতরেই গ্রাম তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় রঘু ডাকাত। ডাকাতদের প্রতিষ্ঠিত গ্রাম। রঘুর নির্দেশে রাতের অন্ধকারেই গ্রামে নিয়ে আসা হয় পাঁচ ব্রাহ্মণ পরিবারকে। রঘুর তৈরি সেই গ্রামের নাম ছিল নিশিনগর। পরে অবশ্য সেই গ্রামের নাম পালটে যায়। গ্রামের নতুন নাম হয় নিশিরাগড়।

    তবে বাংলার এই পরাক্রমশালী ডাকাত রঘুর সঙ্গে দেবী কালীর নাম জুড়ে আছে প্রায় সব গল্পেই। শোনা যায়, ডাকাত রঘু স্বপ্নে দেখেন দেবী কালীকে। রঘু ডাকাতের প্রায় সব গল্পেই মা কালীর এক বিশেষ অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়। রঘু ডাকাত নিজেই ছিলেন কালীর একনিষ্ঠ ভক্ত, সাধক। একদিন তিনি পুকুরঘাটের পথ ধরে হাঁটছিলেন। হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করেন দু’টি পাথরের মূর্তি। একটি ছিল মহাদেবের, অপর পাথরটিকে তিনি চিনতে পারেননি তেমনভাবে। তবে নিশ্চিতভাবে সেটা ছিল কোনো দেবীমূর্তি, তা অনুমান করেন। সেই রাতেই রঘু ডাকাত স্বপ্নে দেখেন, কালীর দেবীমূর্তি তাঁকে আদেশ করছে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করার জন্য। কালবিলম্ব না করেই সেই মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন রঘু ঘোষ। কালীপুজোর ভোগ হিসেবে দেবীকে সেদিন উৎসর্গ করা হত রঘুর প্রিয় ল্যাটামাছ পোড়া। শুধু তাই নয়, আরও জানা যায়, তার নিত্যসঙ্গী অমিয় কালীর পুজো করতেন নিয়মিত। সেই মহাভোগ খেয়েই ডাকাতির পথে বেরতেন রঘু ডাকাত।

    সেই মাতৃভক্ত ডাকাত রঘুর আদর্শে পশ্চিমবঙ্গের অনেক স্থানেই আজও কালীপুজোর ভোগ হিসেবে ল্যাটামাছ পোড়া খাওয়ানো হয় দেবীকে। কালীর বরেই ক্রমশ পরিচিতি লাভ করেন রঘু। বাংলার বাইরেও তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে একসময়। রঘু ডাকাত একসময় ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে জমিদারদের কাছে চিঠি পাঠাতেন। আস্ফালনের চিঠি। সেই চিঠি দিয়ে সতর্ক করে ডাকাতি! এমনই ছিল রঘু ডাকাতের সাহস। তবে তার আগে ছদ্মবেশে কেউ সেখানে গিয়ে রেকি করে আসত। বাংলার ডাকাতিতে এই ছদ্মবেশ, রেকি-র জনক ডাকাত রঘুই। তিনিই প্রথম ব্রিটিশদের থানায় কালী পুজো শুরু করেছিলেন। ডাকাতিতে এসব প্রথা রঘুর হাতেই তৈরি। রঘুর বিশ্বাস ছিল দেবী কালীর পুজো দিয়ে ডাকাতি করতে গেলে কখনও ধরা পড়বেন না তিনি। সেই বিশ্বাসেই কখনও ধরা পড়েননি তিনি! মা-কে জল না খাইয়ে, তিনি কখনও খেতেন না। তাঁর ডাকাতি আদর্শের শিষ্যরাও এই নিয়মই মেনে চলতেন।

    বাংলা ও বাংলার বাইরে এই অসীম সাহসী ডাকাতকে নিয়ে নানান গল্পগাথা ছড়িয়ে রয়েছে। পুলিশ নিয়েও এক মজার কাহিনি শোনা যায়। তাঁকে ঘিরে উপদ্রব তখন তুঙ্গে। নৈহাটি থানার বড়োবাবু সেসময় দুর্গাচরণ চক্রবর্তী। দুর্গাচরণের সঙ্গে সুখসাগরের জমিদারের বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল। ফলে জমিদারের কথায় রঘু ডাকাতকে ধরার একটা মস্ত বড়ো চাপ ছিল তার মাথার ওপর। এদিকে রঘুর তখন কোনো পাত্তা নেই। কিছুতেই ধরা যাচ্ছে না তাকে। হঠাৎ একদিন বড়োবাবু একটি চিঠি পেলেন। মুক্তাক্ষরে লেখা সে চিঠি। তাতে লেখা, ‘দারোগাবাবু, আপনার সঙ্গে দেখা করতে আসছি। ইতি ডাকাত রঘু ঘোষ’।

    দারোগার তো চক্ষু চড়কগাছ। রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। সদরে খবর দিয়ে থানার সেপাই বাড়ালেন তিনি। আঁটসাঁট করে ফেললেন সবকিছু। ভয় পেয়ে গেছেন দারোগাবাবু, এবার যে করেই হোক রঘুকে ধরতেই হবে! এসবের মাঝেই একদিন এক জেলে এল দুটো বড়ো রুইমাছ হাতে ঝুলিয়ে। সিপাই গিয়ে দারোগাবাবুকে জানালেন, জমিদারবাবু পাঠিয়েছেন তাকে। সেই সঙ্গে একটা চিঠি। চিঠির ভাষ্য ছিল এই যে, ‘দারোগাবাবু, পৌত্রের অন্নপ্রাশন উপলক্ষ্যে আমার পুষ্করিনীতে মাছ ধরেছিলাম। আপনি আসতে পারবেন না জানিয়েছিলেন। তাই দুটি মাছ আপনার জন্য লোক মারফৎ পাঠালাম। লোকটি আমার বিশ্বস্ত প্রজা।’ এমন চিঠি পেয়ে দারোগাবাবু খুশি হয়ে জেলেকে দু-টাকা বকশিস দিয়ে বিদায় করলেন। কিছুদিন পর দারোগার কাছে আরেকটি চিঠি এল। লাল কালিতে লেখা সে চিঠি।

    তাতে লেখা, ‘দারোগা বাবু, আপনাকে কথা দিয়েছিলাম আপনার সঙ্গে দেখা করে আসব। সেদিন দেখা করে এসেছি। মাছ কেমন খেলেন? ইতি সেবক রঘু ডাকাত’!

    এভাবেই বার বার পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে, ভাগ্যের অসীম সহযোগিতায় চলতে থাকে রঘুর ডাকাতির সাম্রাজ্য। নিজের নীতিতে অবিচল ছিল রঘু। নারী, শিশুদের পাশাপাশি অসহায় মানুষদের কোনোভাবেই আক্রমণ করত না রঘুর দল। রঘু ডাকাতি করত শুধুমাত্র অত্যাচারী মানুষদের ঘরে। তবে তার নীতি ছিল, ডাকাতি করতে গিয়ে ঘরের মেয়েদের সে রাখত একেবারে নিরাপদে। ডাকাতির শেষে লুঠের মালপত্র ভাগ করে দিত অসহায় মানুষের মাঝে। তাই সেকালের বাংলার অসহায় মানুষের এক তীব্র আবেগ ছিল রঘু ডাকাতের প্রতি। সেই আবেগই ঢাল হয়ে রক্ষা করত রঘু ডাকাতকে।

    এতসব ভালোর মাঝেও একটা খারাপ ব্যাপার ছিল রং ডাকাতের। কালীর পুজোর অংশ হিসেবে নরবলি দিতেন তিনি। গভীর রাতে ঢাক, ঢোল বাজিয়ে মানুষ ধরে এনে বলি দিতেন কালীর কাছে। কার্তিকের অমাবস্যার তিথিতে পুজো দেবার জন্য রাস্তা দিয়ে যে-ই যেত তাকেই ধরে এনে বেঁধে রাখা হত মন্দিরের চাতালে। তন্ত্রাচারের কালীপুজোর উপাচার হিসেবেই রঘু ডাকাত নরবলি দিতেন বলে জানা যায়।

    লোক-ইতিহাসের পাতায় রঘু ডাকাতের নামডাকে এখনও ভাটা পড়েনি। তাঁকে নিয়ে লেখা হয় গল্প, তাঁর নামে এখনও রাতে ছেলে ঘুমায়, দাপুটে লোকেরা নিজেদের পরিচয় দেয় রঘু ডাকাতের বংশধর হিসেবে। বাংলার এই ভয়ংকর জনপ্রিয় রঘু ডাকাতের বাড়ি ঠিক কোথায় ছিল? এই প্রশ্নের জবাবে ঐতিহাসিকদের একটু বিব্রত হতে হয়। প্রকৃতপক্ষে, যে-সময়ের কথা বলা হচ্ছে সে-সময় হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, বারাসাত, চব্বিশ পরগণা, হাওড়া, মুর্শিদাবাদ, এমনকি খোদ কলকাতাতেও অসংখ্য ডাকাতের উপদ্রব ছিল। সে সময় বাংলার অন্ধকারময় শাসক ডাকাতদের হাতেই ছিল অর্ধেক বাংলার শাসন। সাধারণ মানুষ তো বটেই, জমিদাররাও এই সব ভয়ঙ্কর ডাকাতদের ভয়ে তটস্থ থাকত।

    লোককাহিনি থেকে ছায়াছবিতে রঘু ডাকাত ঘোরে আজও। অন্যদিকে শাসকদের ভয়ে ডাকাত দলেরও স্থায়ী নিবাস নির্ধারণ করা ছিল দুষ্কর সে-সময়। সেই কারণেই রঘু ডাকাতের নিবাস নির্ধারণ করা কঠিন। বহুরূপ ধরা রঘু পালিয়ে বেড়াত সর্বক্ষণ। এক স্থান থেকে আরেক স্থান। আর এভাবেই গোটা বাংলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে থাকে রঘু ডাকাতের শক্তি আর জনপ্রিয়তা। প্রকৃতপক্ষে, রঘু ডাকাতকে ঘিরে বাংলায় কল্পকথা এত বেশি ডানা গজিয়েছে যে, তার কিংবদন্তি তাকেই ছাড়িয়ে গেছে। সেই কারণে যেটা তার নয় সেটাও ঘাড়ে এসে পড়েছে কিছুক্ষেত্রে। কলকাতার পূর্ণদাস রোডের কালীমন্দিরের কথাই ধরা যাক। এই মন্দিরে এক ফুট উচ্চতার ছোট্ট একটি কালীমূর্তির পুজো করতেন মনোহর ডাকাত। তবে মনোহর ডাকাতের নামে নয়, এখনও লোক সেটাকে চেনে রঘু ডাকাতের কালীবাড়ি বলে। এরকম অসংখ্য কালীমন্দির রয়েছে বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম আর হুগলি জেলায়। প্রতিষ্ঠাতা অন্য কেউ হলেও লোকে এই মন্দিরগুলোকে চেনে রঘু ডাকাতের কালীমন্দির নামেই। এর মধ্যে কিছু কিছু মন্দির আবার ৫০০ বছরেরও বেশি পুরোনো। তাই সময়ের হিসেবে সেসব রঘুর হবার যুক্তি মেলে না। কিন্তু এমন হতেই পারে যে, পুলিশের তাড়া খেয়ে সেই সব মন্দিরে হয়তো-বা কখনও রঘু এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

    রঘু ডাকাত ছিল বাংলার সাধারণ মানুষের কাছে রবিনহুড। সাধারণ নিরন্ন বাঙালিদের রবিনহুড ছিলেন তিনি। যে গেছেন তাঁর কাছে তাঁকে তিনি ফিরিয়ে দেননি। ধনীর ধনসম্পদ ডাকাতির একটা অংশ বিলিবণ্টন করতেন গরিব মানুষের মধ্যে।

    একটা সময়ে এই এলাকা ছিল ঘন জঙ্গলে ঘেরা, তার মধ্যে ছিল এই মন্দির। ডাকাত দল ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে নাকি এখানে পুজো দিয়ে যেত। প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো এই কালীপুজোকে কেন্দ্র করে হাড় হিম করা রহস্যে ঘেরা একাধিক কাহিনি লুকিয়ে রয়েছে।

    লোক মুখে শোনা যায়, এক সময়ে ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে ডাকাতরা গভীর জঙ্গলের মধ্যে এই দক্ষিণা কালীর মন্দিরের সামনে এসে নরবলি দিত। কেউ কেউ বলেন, এক সময়কার প্রবল প্রতাপশালী রঘু ডাকাত এই কালীমন্দিরে এসে সাধনা করে গিয়েছেন।

    হুগলি জেলার পাণ্ডুয়ার সিমলাগড় দক্ষিণা কালীমন্দির ঘিরে এলাকায় নানা জনশ্রুতি রয়েছে। এলাকার প্রবীণরা জানিয়েছেন, লক্ষণ ভট্টাচার্যের পরিবারের আদি পুরুষের আমল থেকেই এই কালীর মন্দিরে পুজো শুরু হয়েছিল। এই মন্দিরে দেবী কালিকা পূজিতা হন দক্ষিণা কালী রূপে। আগে এই এলাকার নাম ছিল হরিহরপুর। পরে সিমলাগড় কালীর নামে এলাকার নাম হয়েছে সিমলাগড়। এখানকার কালীমাতা শ্মশানের কালী, ডাকাত কালী নামেও পরিচিত।

    একটা সময় এই গোটা এলাকা গভীর জঙ্গলে ভরা ছিল। ডাকাত দল দাপিয়ে বেড়াত গোটা এলাকায়। এখানকার স্থানীয়দের কেউ কেউ বলেন, শেরশাহ জিটি রোড তৈরির আগে থেকে এখানকার কালীপুজো শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সাধারণ গৃহস্থের পুজো শুরু হয়নি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পর্যন্ত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে সেনাবাহিনীর চলাচলের জন্য এই রাস্তার গুরুত্ব বাড়তে থাকে। সেই সময় থেকে স্থানীয় মানুষজনও নিজেদের ভয় কাটিয়ে মন্দিরে পুজো দেওয়া শুরু করেন। দক্ষিণা কালীর মন্দিরের ওপর মানুষের বিশ্বাস প্রবলভাবে বাড়তে শুরু করে।

    এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে, ভট্টাচার্য পরিবারেরই সদস্য নটবর ভট্টাচার্য মা কালীর পুজো করতে গিয়ে মন্দিরের সামনে নর-মুণ্ড পড়ে থাকতে দেখেছিলেন। পুজো না দিয়েই তিনি সেদিন ফিরে গিয়েছিলেন। এর পরে দিন চারেক পুজো বন্ধ ছিল। কথিত রয়েছে, মা কালী স্বয়ং এই নটবরের স্বপ্নে এসেছিলেন। নটবর কালী মায়ের কাছে মন্দিরের এই নরবলি বন্ধের আর্তি জানিয়েছিলেন। এলাকাবাসীদের বিশ্বাস, এর পর থেকে স্বয়ং দেবীর ইচ্ছাতেই এই মন্দিরে নরবলি দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এখন এই মন্দিরে ছাগ বলির প্রথা চালু রয়েছে। কালীপুজোর দিনগুলিতে সিমলাগড়ের এই দক্ষিণা কালীর মন্দিরে দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা এসে ভিড় জমান রঘুর নামেই।

    বিচিত্র জীবনধর্মে বিশ্বাসী রঘু বরাবরই মানুষের মাঝে থাকতেন মিশে। ফলে তাঁর ছদ্মবেশের ডাকাত রূপ ছাড়া, সাধারণ রঘুকে কেউ তেমন চিনতেন না। তবে একটা সময়ের পর ডাকাতির অন্ধকার সাম্রাজ্যে রঘু বিখ্যাত হয়ে উঠলে নিজের দেহরক্ষীর দল রাখেন। সে কালের ডাকাত দলের মধ্যে গুপ্তচরের দ্বারা হামলা প্রায়শই হত। সে জন্য নিজেকে অনেকটা নিরাপদে রাখতে রঘু তাঁর সিকিউরিটি বাহিনিতে মহিলাদের একটা দল তৈরি করেন। তাঁর হাতেই সে যুগের মহিলাদের এনে ডাকাতিদলের সেনাবাহিনীতে ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল। এবং তাদের আত্মমর্যাদা, সম্মান দেখাশোনার দায়িত্ব সামলাতেন স্বয়ং রঘুই। ডাকাতিয়াদের সাজপোশাক, ছদ্মবেশের সরঞ্জাম, অস্ত্রশস্ত্রের আধুনিকতা, নারীবাহিনী, গুপ্তচর, গুপ্তঘাতক, রেকি গোয়েন্দা টিম, আত্মরক্ষার বাহিনী, প্রমাণ লোপাটের ছক এসবই বুদ্ধির খেলায় বাংলার ডাকাতি সাম্রাজ্যে এনে ছিলেন রঘু ডাকাত!

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }