Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বুনোফুলের গন্ধ – লীনা গঙ্গোপাধ্যায়

    ডক্টর বৈরাগীকে মিট করে উঠতে উঠতে রাত সাড়ে আটটা বেজে গেল শাক্যর। অথচ বিকেল চারটে থেকে এসে বসে আছে।

    সকাল থেকে রোগী দেখে দুপুর দুটো থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত ডাক্তারবাবু বাড়িতে বিশ্রাম নেন। তিনটে নাগাদ অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছিলেন ডক্টর আলম। লাভপুরের কাজ সেরে আসতে দেরি হল বলে ডাক্তারবাবু চেম্বারে ঢুকে গেলেন। সকাল থেকে সন্ধ্যে সাতটা অবধি রোগী দেখেন নিয়ম করে। মাঝে শুধু স্নান-খাওয়ার জন্য ঘন্টা দুইয়ের ফাঁক। এর মধ্যে ঢুকে যেতে না পারলে রাতে যে কখন ছাড়া পাওয়া যাবে, কেউ বলতে পারে না। আজ শাক্যরও সেই অবস্থা দাঁড়াল। সন্ধ্যে সাতটা থেকে ন-টা ডাক্তারবাবু বেশ খোজ মেজাজে থাকেন। তখন যারা আসে, তাদের সঙ্গে রীতিমতো মজলিশ বসিয়ে দেন। সেই চক্করে পড়ে আজ শাক্যর বাড়ি যাওয়াটাই বুঝি বরবাদ হয়ে যায়। এমনিতেই কিছুদিন হল ও প্রমোশন পেয়ে এরিয়া ম্যানেজার হয়েছে। তারপর থেকেই এদিক ওদিক ছুটতে হয়।

    এরপর তো মাসে দু-তিনদিনের জন্য কনফারেন্স আছেই। সবগুলোই রেসিডেন্সিয়াল প্রোগ্রাম। আজ মৌয়ের মুখটা মনে করে শাক্যর কষ্টই হল। একা হাতে মেয়ে সামলানো, বাবা-মায়ের দেখাশুনো করা, লোকলৌকিকতা সামলানো সব ওকেই করতে হয়। বোনটার কাছাকাছি বিয়ে হয়েছে। তার আবার বাচ্চাকাচ্চা হবে, তাই যখন তখন বাপের বাড়ি চলে আসে। মউ তো প্রায়ই বলে, “তোমার আর কী! তুমি তো মাস গেলে ক-টা টাকা ফেলে দিয়েই খালাস। গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াও। আমি যে কী করে কী করি, তা আমিই জানি।”

    আজ বাড়ি থেকে বেরনোর সময় মৌ পইপই করে বলে দিয়েছিল, “রাতে কিন্তু ফিরে এসো।”

    তার কারণও আছে। মৌয়ের খুড়তুতো ভাই আর ওর বউ বিদেশ থেকে এসেছে। মৌ কাল তাদের নেমন্তন্ন করেছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে গড়িয়াহাট বাজার থেকে মাছ কিনতে যাওয়ার কথা। এখন শাক্য ভাবছে এই পলাশপুর থেকে বোলপুর পৌঁছতে পাক্কা ঘন্টাখানেক। তারপর কোন ট্রেন পাবে আর কলকাতা কখন পৌঁছোবে কে জানে!

    এখন মনে হচ্ছে, আজ হয়তো আর বাড়ি ফেরাই হবে না। কাল সকলে যখন বাড়ি পৌঁছোবে, তখন মৌয়ের মুখ কল্পনা করে রীতিমতো ভয় পেয়ে গেল শাক্য। মৌ রেগে গেলে মুখে কিছু বলে না, কথা বন্ধ করে দেয়। অনেক সাধ্যসাধনার পর যদি বা কথা বলে, তার ভেতর এমন হুল থাকে যে, শাক্য একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে যায়।

    তখন রাজ্যের পুরোনো কথা, যা আর কোনোদিন উঠবে না মনে হয়েছিল, সেসব কথা উঠে পড়ে। একটা সময় এমন হয়েছিল শাক্য আর মৌয়ের সংসারটাই ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

    বছর দুই আগে তাদের ওষুধ কোম্পানিতে একটি মেয়ে জয়েন করল। শাক্যরই টিমে। শাক্য তখন সবে এরিয়া ম্যানেজার হয়েছে। মেয়েটি খুব ডায়নামিক। ঝকঝকে স্মার্ট। ইংরেজিতে ঝরঝর করে কথা বলে। যে টার্গেট দেওয়া হয়, তা মিট-আপ করে। দেখতে শুনতে চটকদার। এই মেয়েটির সঙ্গে শাক্যর একটা অ্যাফেয়ার হয়ে গেল।

    মৌ তখন সবে মা হয়েছে। তখন বাচ্চা নিয়ে দিনরাত হিমসিম খাচ্ছে। শাক্যর দিকে তাকানোর সময় নেই। দিনরাত ঝোড়ো কাকের মতো হয়ে থাকে। একটুও সাজে না, চেহারার যত্ন নেয় না। ওইভাবেই ঘুরে বেড়ায়। ওর কাছে গেলে তখন ওর শরীর থেকে বাচ্চার দুধের গন্ধ নাকে এসে লাগত। মউয়ের শরীর থেকে ওর নিজস্ব সুবাস হারিয়ে যাচ্ছিল।

    এই সময় ঝড়ের মতো কঙ্কনা এল। শাক্যর কোনো প্রতিরোধ তো কাজ করলই না, বরং শাক্যই সম্পর্কটা নিয়ে অনেকদূর এগোল। মাঝেমধ্যেই ওরা ট্যুরের নাম করে এখানে ওখানে চলে যেত। কঙ্কণার শরীর নিয়ে কোনো ছুঁৎমার্গ ছিল না।

    একদিন ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ থেকে শাক্য মৌয়ের কাছে ধরা পড়ে গেল। মৌ বাচ্চা নিয়ে এক কাপড়ে বাপের বাড়ি চলে গেল। জল সে যাত্রা অনেক দূর গড়িয়েছিল।

    মৌয়ের এক দাদা পুলিশ। সে শাক্যকে খুবই মানসিক চাপে রেখেছিল। ওই দাদার বুদ্ধিতেই মৌ সবটা শাক্যর অফিসে জানাল। তাদের জোনাল হেড শাক্যকে ডেকে কিছু বলল না। শুধু মেয়েটাকে বদলি করে দিল অনেক দূরে। শাক্য কাজের ছেলে। কাজের জন্য তাকে সবাই পছন্দ করে। খুব শক্ত ধাতের ডাক্তারকেও শাক্য কবজা করতে পারে তার ব্যবহারে। প্রত্যেকবার তার টার্গেট সকলকে ছাপিয়ে যায় বলে ইনসেনটিভ তার বাঁধা।

    সেবার অনেক কষ্টে সব স্বাভাবিক হল। মৌ আবার বাচ্চা নিয়ে ফিরে এসে সংসারের হাল ধরল। তখনই সে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিয়েছিল শাক্যকে, আর কখনও এমন হলে সে আর কিছুতেই ফিরবে না। তবে শাক্যর নিজের মনের অগোচরে পাপ নেই। শাক্য জানে সুন্দরী মেয়ের প্রতি তার অদ্ভুত আকর্ষণ। সুন্দরী শিক্ষিতা মেয়ের কাছে সে বারবার পরাস্ত হয়।

    শাক্য যখন রাত সাড়ে আটটায় ডাক্তার বৈরাগীকে তার কোম্পানির ওষুধ প্রেসক্রাইব করার ব্যাপারে রাজি করিয়ে চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়েছে, তখন ডাক্তারবাবু বললেন, “সাবধানে যেও। এদিকে তেনাদের বসবাস আছে।”

    ঘরে তখন আরও দু-চারজন লোক ছিল। এরা আশেপাশে থাকে আর এই সময়ে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে খেজুর করতে আসে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলে উঠল, “আজ আবার শনিবার, তায় অমাবস্যা।”

    শাক্য এসব কিছু মানে না। ভূত প্রেত দত্যি দানো যদি থাকেও, তাতে তার কিছু এসে যায় না। শাক্যর সাফ জবাব, “তারা তাদের মতো থাক, আমি আমার মতো থাকি। তাদের সঙ্গে আমার কোনো লেনাদেনা নেই।”

    এই ডাক্তারবাবুটির একসময় কলকাতায় রমরমে প্র্যাকটিস ছিল। তখন থেকেই তিনি ফি সপ্তাহে বীরভূমের এই গাঁয়ে আসতেন বিনে পয়সায় চিকিৎসা করবেন বলে। এর মধ্যেই কী হল কে জানে, একদিন কলকাতার জমজমাট প্র্যাকটিস, বাড়িঘর, নাগরিক অভ্যেস সব ছেড়ে এই অজগাঁয়ে বাড়ি করে চলে এলেন। তার সঙ্গে পরিবারের কেউ আসেনি। এমনকি স্ত্রী-ও না। ডাক্তারবাবু একাই থাকেন। একটি সাঁওতাল পরিবারকে রেখেছেন তাঁকে দেখাশুনো করার জন্য। স্ত্রী, ছেলেমেয়ে কচিৎ কদাচিৎ আসে। ডাক্তারবাবু নাকি আর কলকাতায় যান না। এ-নিয়ে নানা রটনা আছে। সত্যি মিথ্যে কেউ জানে না।

    শাক্য বাইকে ঝড় তুলে বেরিয়ে পড়ল। রাস্তায় কোনো আলো নেই। যেতে যেতে বুঝতে পারছে দু-স্পাশে ধানকাটা শূন্য মাঠ এলিয়ে পড়ে আছে দুঃখিনী মেয়ের মতো।

    আজ আকাশে চাঁদের আভাটুকু নেই। নিকষ কালো আকাশের বুকে অসংখ্য তারা ফুটে আছে। এসব দিকে বায়ুদূষণ কম বলে তারাগুলো অনেক বড়ো লাগছে। মনোরম হাওয়ায় শরীর জুড়িয়ে যাচ্ছে শাকার।

    সে মনে মনে হিসেব করছে, সাড়ে নটার মধ্যেও যদি পৌঁছে যেতে পারে, তাহলে একবার চেষ্টা করে দেখাবে, কোনো ট্রেন পাওয়া যায় কী না। সে এই নিঃঝুম ফাঁকা রাস্তায় বাইকে প্রচুর স্পিড তুলে দিল। এইসব গাঁ-গঞ্জে লোকজন তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে। খুব ভোর ভোর উঠতে হয় তাদের। তাই পথঘাটে একটাও লোক নেই। শাক্যর মনে হচ্ছে, সে যেন কোনো মৃতনগরী পেরিয়ে যাচ্ছে।

    শাক্য বাইক চালাতে চালাতে একটু আনমনা হয়ে গেল। হঠাৎই বছর দুইয়ের তুরতুরির কয়েকটি দাঁত ওঠা চাঁদপানা মুখটা মনে পড়ে গেল। খুব চটকাতে ইচ্ছে করছে মেয়েকে। তার আদো আদো গলায় ‘বাবা’ বলে ডাক আর খুশিতে ঝিরঝিরে হাসি যেন স্পষ্ট শুনতে পেল। শাক্যর বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। হঠাৎ একটা কু-ডাক ডাকল মনে। আর যদি কখনও দেখা না হয় মেয়েটার সঙ্গে।

    এমন ভাবনায় নিজেই অবাক হল। তার মৌয়ের কথাও মনে হল বৈকী! এখন তাদের স্বামী স্ত্রী-র সম্পর্কে আর কোনো রোমান্স অবশিষ্ট নেই ঠিকই, সবটাই ম্যাটার অফ ফ্যাক্ট, তবু মনে হল, মৌয়ের কাছে অদ্ভুত এক নিরাপত্তা আছে, যা সে আর কোথাও খুঁজে পায় না। শাক্য মনে মনে ভাবছে, কত তাড়াতাড়ি সে বাড়ি ফিরবে!

    সে সিদ্ধান্ত নিল, আজ যত রাতই হোক সে ফিরবে। তার মনের এই দুর্বলতায় সে নিজেই যথেষ্ট অবাক হল। আর ঠিক এই সময়েই অন্ধকার ধানকাটা মাঠে দপ করে একটা আলো জ্বলে উঠল। আলোটা নিভে গেল না। বরং হাউইয়ের মতো আকাশের দিকে উঠে হারিয়ে গেল, মিলিয়ে গেল। শাক্য বুঝতে পারল না, এই আলোর উৎস কী! সে এ নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে সোজা এগিয়ে গেল।

    আকাশে এখন তারাদের আসর বসেছে। নীল রংয়ের বিন্দুগুলো জ্বলছে নিভছে। নিভছে, জ্বলছে। তারা যেন আকাশ থেকে মাটির দিকে নেমে আসছে। তারা পাক খেতে খেতে নামছে। নামতে নামতে কিছু তারা নিভে যাচ্ছে। যা হঠাৎ কলমল করে উঠেছিল, তা আচমকা নিতে গিয়ে মাঠঘাট পথ আরও আঁধার করে তুলল।

    কিছু তারা, যারা শেষপর্যন্ত নেমে আসতে পারল, তারা যেন শাক্যর বাইকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটতে চাইছে। তারা শাক্যকে ঘিরে ফেলতে চাইছে, তাদের ঘেরাটোপে বন্দি করে ফেলতে চাইছে। অবশেষে সব তারা নিভে গিয়ে মাটি এবং আকাশ ঘন আঁধারে ঢেকে গেল।

    শাক্য মন থেকে যত ভুলভাল ভাবনা ঝেড়ে ফেলে দিতে চাইল। সে এখন এক মনে বাইক চালাচ্ছে। ঝড়ের গতি তার বাইকে। ঠিক এইসময় অন্ধকার ফুঁড়ে একটা ছায়ামূর্তি শাকার বাইকের সামনে এসে দাঁড়াল। আর একটু হলেই একটা বড়োরকমের অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যেত একটা।

    শাক্য জোরে ব্রেক করল। এই শব্দে কাছাকাছি কোনো গাছ থেকে পাখি ডানা ঝাপটাল। ডেকে উঠল। ভয় পেয়েছে নির্ঘাৎ!

    অনেক দূর থেকে এইসময় কুকুরের কান্না ভেসে এল। শাক্য ছায়ামূর্তির দিকে তাকাল। তার বাইকের আলোয় দেখতে পেল, একটি এঁটেল মাটি রংয়ের মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অপূর্ব তার মুখশ্রী। দুম্বাঠাকুরের মতো টানা টানা চোখজোড়ায় ঘন কাজল। তা চোখ থেকে খানিকটা ছড়িয়ে গিয়েছে। মেয়ের চোখে অপার রহস্য। তার কোমর ছাপানো খোলা চুলে একগুচ্ছ শাদা ফুল। টকটকে আগুন রংয়ের কাপড় পরনে।

    শাক্য স্থলিত গলায় বলে উঠল, “কে!”

    মেয়েটি গলায় কাতর আবেদন নিয়ে বলল, “মু উই গাঁটোতে থাকি কেনে। মেলা দূর থিকে আসছি। আর হাঁটতে টো পারছি লাই। মুকে মুর ঘরটোতে পৌঁছাইন দিবিক?”

    মেয়ে এই কথা বলে তার ঝকঝকে সাদা দাঁতে হেসে উঠল। যেন একগুচ্ছ মুক্তো আলো জ্বালিয়ে দিল সারা মুখে। তার চোখের গভীরে কীসের ঝিলিক। ওই চোখের গভীরে সহস্রবার ডুব দেওয়া যায় মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও।

    শাক্য মেয়েটির চোখের দিকে তাকিয়ে বিহ্বল হয়ে গেল। তার সব কিছু কেমন এলোমেলো হয়ে উঠল। সে যে একজন ঘোরতর সংসারী মানুষ, বউ মেয়ে নিয়ে তার আঁটোসাটো সংসার – সেসবের ওপর যেন চৈত্রের বাতাস খেলে গেল। সে একবার ভাবল, বলে দেয় তার ট্রেন ধরার তাড়া আছে। তার পক্ষে মেয়েটিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু মেয়ের চোখে তখন অপার রহস্যের ঝিলিক।

    এই রহস্যের কাছে বশীভূত হয়ে গেল শাক্য। একটা ঘোর লাগা গলায় বলল, “ওঠো।”

    মেয়েটি খিলখিল করে হেসে উঠল। তারপর লাল শাড়ির আঁচল উড়িয়ে শাক্যর গাড়িতে উঠে বসল।

    অনেকক্ষণ থেকেই একটা বুনো গন্ধ শাকার নাকে ভেসে আসছিল। মেয়েটি শাক্যর পাশে বসতে ওই বনজ গন্ধ আরও গাঢ় হয়ে উঠল।

    এবার সোজা রাস্তা ছেড়ে শাক্যর বাইক মেয়েটির নির্দেশে মাঠের পথ ধরল। এবড়োখেবড়ো মেঠো পথ। কোথাও কোথাও ধানের গুঁড়িতে ধাক্কা লেগে গাড়ি টালমাটাল হয়ে যাচ্ছে। শাক্যর এখন নিজের ওপর আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। মেয়েটি যেমন যেমন নির্দেশ দিচ্ছে, সে তেমন তেমন যাচ্ছে। শাক্য যে এভাবে কত দূর এল, তাও আর তার হিসেবে নেই।

    এইভাবে গাড়ি চালাতে চালাতে এখন তার ঘুমে দু-চোখ বুজে আসছে। তার যেন দীর্ঘ দীর্ঘ বছরের ঘুম জমা হয়ে আছে।

    শাক্য প্রায় ঘুমোতে ঘুমোতে গাড়ি চালাচ্ছে। অনেকক্ষণ থেকে সে আর ওই বুনো গন্ধটা পাচ্ছে না।

    হঠাৎ এক ঝাঁকুনিতে ঘুমের চটকা কেটে গেল শাক্যর। আর কতদূর জিজ্ঞেস করবে বলে পেছনে তাকাতেই দেখতে পেল বাইকের পেছনে কেউ নেই।

    শাক্যর বুক ধড়াস করে উঠল। বুকের মধ্যে টিপটিপ আওয়াজ। চলন্ত গাড়ি থেকে মেয়েটা নেমে গেল কী করে, কিছুতেই বুঝতে পারছে না শাক্য।

    এমনিতে সে ভূত প্রেত কিছুই মানে না। কলেজে পড়তে বিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল সে। এসবের বিরুদ্ধে কত জায়গায়, কত আলোচনায় অংশ নিয়েছে সে। অথচ এখন যা যা ঘটে যাচ্ছে, সে তার কোনো কার্যকারণ খুঁজে পাচ্ছে না।

    এতক্ষণ তার মনে হচ্ছিল, তাকে যেন কেউ নেশাগ্রস্ত করে রেখেছে। এখন তার চোখ থেকে ঘুম উধাও। স্বচ্ছ চোখে দেখতে পেল, ঘড়িতে সাড়ে দশটা বাজে। শাক্য গাড়ি বড়ো রাস্তার দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করতেই যেন হাওয়া ফুঁড়ে উঠে এল সেই মেয়ে। ঝরনার মতো হাসতে হাসতে বলল, “পালাইনছিলি কুথাকে? কী ভেবেছিস, মু চলে গেছি?”

    এবার শাক্য একেবারে চমকে গেল। এই এতক্ষণে সে একটু ভয়ও পেল। মেয়েটার আচরণের কোনো ব্যাখ্যা সে যুক্তি দিয়ে খুঁজে পাচ্ছে না।

    শাক্য কোনোরকমে ঢোঁক গিলে বলল, “চলন্ত বাইক থেকে নামলে কী করে?”

    মেয়ে যেন এমন অদ্ভুত কথা শোনেইনি কোনোদিন, এমনভাবে গলায় একটু অবাক হওয়ার সুর তুলে বলল, “তু তো ঘুমাইন ঘুমাইন বাইকটো চালাইনছিলি। মু হেঁটটে গেলে তাড়াতাড়ি ঘরকে যেতম। চল কেনে মুর ঘর ওই জঙ্গলটোর পেছুতে। এসে যেছি।”

    শাক্য আর কোনো উত্তর দিল না। আবার সেই বনজ গন্ধ ম ম করছে এখন। ফের ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে যেতে চাইছে তার।

    অল্পসময়ের মধ্যে জঙ্গলের পেছনের একটা মাটির বাড়ির উঠোনে এসে বাইক দাঁড় করাল শাক্য। মেয়ে শাক্যর শরীরে ভর দিয়ে নামল আর তখনই শাক্যর শরীর অবশ হয়ে এল। এক অপূর্ব ভালো লাগার ঘোরের মধ্যে ঢুকে গেল ও।

    উঠোনে একটা কুলুঙ্গিতে আলো জ্বলছে। সেই আলোয় দেখা যাচ্ছে, উঠোন ভরে আলপনা আঁকা। ফুল লতা পাতা পাখির আলপনা। মেয়ে একদৃষ্টে শাক্যর দিকে তাকিয়ে আছে।

    শাক্য জানতে চাইল, “তোমার নাম কী?”

    মেয়ে জলতরঙ্গ হেসে বলল, “মুর ভালোবাসার মানুষটো মুকে চাঁদমণি বলে ডাকত। আর সকলে বলত, ফুলমণি।”

    ফুলমণির কথা শাক্যর কানে বাজল। ফুলমণি স্পষ্ট ‘ডাকত’ কথাটা বলল। এখন কী আর কেউ ডাকে না? শাক্যর ভাবনার ফাঁকে ফুলমণি ধরে গেল। ফিরে এল একটু পরেই। হাতে ঝকঝকে একটা কাঁসার গ্লাস। তাতে তরল কোনো পানীয়। শাক্যর মুখের সামনে ধরে বলল, “খা কেনে। খুব খাটনিটো যেছে তুর।”

    শাক্যর মনে অনেক প্রশ্নের ঝড় তাকে বেসামাল করলেও সে শরীরে কিংবা মনে কোনো জোর পাচ্ছে না প্রশ্ন করার মতো। সে ঢকঢক করে ওই পানীয় খেয়ে নিল। বেশ ঝাঁঝ আর টক্-টক্ স্বাদ। এমন পানীয় সে আগে কখনও খায়নি। ওই তরল খাওয়ার একটু পরেই তার শরীর অস্থির লাগতে শুরু করল। সে ওই মাটিতেই বসে পড়ল।

    ফুলমণি যেন ভারি মজা পেয়েছে, এমনভাবে হেসে কুটোপাটি হয়ে যাচ্ছে। সে তার দু চোখের তারা নাচিয়ে শাক্যকে বলল, “লাচ দেখবি? দাঁড়া কিনে, মোর সইগুলানকে ডাকি।”

    শাক্য দেখল, ফুলমণি তার এক হাত দিয়ে আর এক হাতে তিন তালি দিল। আর অমনি একদল ছেলেমেয়ে মাদল নিয়ে নূপুর পায়ে উঠোন জুড়ে নাচতে লাগল। ওই নাচের। সঙ্গে নিজেরাই গান গাইতে লাগল।

    শাক্যরও ওদের সঙ্গে খুব নাচতে ইচ্ছে করল। সে টলোমলো পায়ে উঠে দাঁড়াল। ফুলমণি তাকে নিজের কাছে টেনে নিল। শাক্য এর আগে কোনোদিন এই নাচ নাচেনি, কিন্তু তার এতটুকু ভুল হচ্ছে না। সে মাদলের তালে তাল মিলিয়ে ফুলমণির সঙ্গে নাচতে লাগল। যেন এইভাবেই সে কতকাল ধরে নেচে যাচ্ছে।

    নাচতে নাচতে সে নেশাগ্রস্তের মতো ফুলমণিকে জড়িয়ে ধরল। ফুলমণির শরীর থেকে উঠে আসা মাটি আর বুনো ফুলের গন্ধে সে একেবারে পাগল হয়ে গেল।

    শাক্য ফুলমণিকে জড়াতেই ফুলমণি বুকের ভেতর থেকে একটা ছুরি বের করে তাক করল শাক্যর দিকে। ফুলমণির হাতের ধারালো ইস্পাতের ফলা এই আবছা অন্ধকারেও চিকচিক করছে।

    শাক্য ভয় পেল না। সে ফুলমণিকে জড়িয়ে ধরে বলে যাচ্ছে, “ভালোবাসি। ভালোবাসি।” এবার ফুলমণি অদ্ভুত শব্দ করে গুঙিয়ে উঠল।

    এখন উঠোন ফাঁকা। যারা নাচছিল, তারা কেউ নেই। নেই মাদলের শব্দ। ঘুঙুরের বোল। শাক্য ফুলমণিকে জড়িয়ে ধরে আছে। ফুলমণি সাংঘাতিক হিংস্র হিসহিসে গলায় বলল, “ই শহরের বাবুগুলান মোদিকে ভোগ করবার লিখে আসে শুধু। কেউ ভালোটো বাসে না।” শাক্যর বুকের ভেতর গুমরে উঠল ফুলমণির কথা শুনে। একটু আগে ও কাঁদছিল গঙিয়ে। তখন থেকেই কষ্ট হচ্ছিল মেয়েটার জন্য। শাক্য তার নিজের ঘর সংসার, বউ, মেয়ে সকলের কথা ভুলে গিয়ে ফুলমণির কষ্টে কাতর হয়ে পড়ল। ফুলমণি এখন আবার চোখের জলে ভেসে যাচ্ছে। সে মাটিতে পা ছড়িয়ে বসে কাঁদছে। ফুলমণির এই বেদনা শাক্যকে গভীরভাবে ছুঁয়ে যাচ্ছে। তার মনে হচ্ছে, অনাদি অনন্ত কাল থেকে সে আর ফুলমণি যেন একই তারে বাঁধা পড়ে আছে।

    ফুলমণি তখন আকাশ ফাটিয়ে চিৎকার করে বলে যাচ্ছে, “একদিন এক ছবিবাবু এলোক। সে বলল, মোর ফটোক তুলবে। মু রাজি হলম। তার আগে মুর মরদটো মুকে ছেড়ড়ে আর ইকটো মেয়াকে বিহা কুরেছে। উ ছবিবাবুর মোর ছবিটো আঁকতে আঁকতে মুকে বুললো, সি মুকে ভালোটোবাসে। সি মুকে কত্ত সোহাগ করল। বুলল, মুকে বিহাটো করবে।”

    শাক্য অভিভূত হয়ে শুনছিল। জিজ্ঞেস করল, “তারপর?”

    ফুলমণি বলল, “ইকদিন বুলল দাঁড়া কেনে। ত্বকে লিয়ে আঁকা ছবিটো মেলা দামে বিকাইনছে। টাকাটো লিয়ে আসি।”

    শাক্য ফুলমণির মুখে চোখে হাত বোলাচ্ছে। মায়ায় ভরে যাচ্ছে তার মন। সে বলল, “ফিরে এল?”

    ফুলমণির চোখে এখন নীরব জলের ধারা। সে বলল, “এলোক লাই।”

    শাক্যর চোখেমুখে গভীর কৌতূহল। জানতে চাইল, “তারপর?”

    ফুলমণি জলভরা দু-চোখ তুলে বলল, “তখন মোর ভরা মাস। মেলা খোঁজ করে তার ঘরকে গেলম। মুকে দিখে সি মেলা ডরটো পেলক। মুর হাতে কিছু টাকা দিয়ে বলল, ‘ইবার যা কিনে।’ তার ঘরকে বউ ছিল্যা—সব রইনছে যি। সিতো মুকে সত্যিটো বুলে লাই।”

    শাক্যর তর সইছে না। সে শেষ জানতে চায়। এদিকে ফুলমণি বড় বড় শ্বাস নিচ্ছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে, তার খুব কষ্ট হচ্ছে। সে ওইভাবেই বলল, “মু তো টাকা চাই লাই। মু মোর সন্তানের বাপের পরিচয়টো চেয়েছি। সি মুর জিদের কাছে হারটো মেনে বলল, ‘চল কিনে, আজ তুকে মায়ের থানে লিয়ে বিহাটো কুরব।’ ভাবলম, মুর ঘরটা হব্যে। মরদটো হব্যে। ছিলাটো হব্যে। মু গেলম উয়ার সঙ্গে।”

    এই কথা বলার পর ফুলমণি কেমন অস্থির হয়ে উঠল। উঠে উঠোন জুড়ে ঘুরতে লাগল। শাক্যর অস্তিত্ব যেন মুছে গিয়েছে তার কাছে। এবার সে চিৎকার করে বলতে থাকল, “উ মুকে বিহার লাগে গলায় ফাঁসটো দিলোক। মুকে লদীতে ভাসাইন দিলোক। মুকে মুর ছিলার মুখটো দিখতে দিলোক লাই।”

    শাক্য স্তব্ধ। তার নেশার ঘোর কাটছে। সে বুঝতে পারছে না, ফুলমণি জীবিত না মৃত।

    এবার ফুলমণি তেড়ে এল শাক্যর দিকে। ভয়ংকর গলায় বলল, “মোদিকে স্বস্তাটো ভাবি লয়? মোদিগের শরীলটো স্বস্তা আছে? ঘরে বউ বাচ্চা রেখ্যে মুকে ভালোবাসার কুথা বলছিলিক লাই? দিখ কিনে ইবার মিথ্যা ভালোবাসার লিগ্যে কী দামটো দিত্যে হয়।”

    ফুলমণি ছুরি নিয়ে শাক্যর কাছে ছুটে যায়। শাক্য প্রতিরোধ করার আগেই সে শাক্যকে লক্ষ করে তার বুকের ভেতর আমূল বিধিয়ে দেয় ওই তীক্ষ্ণ ছুরির ফলা। শাক্যর গলা থেকে আর্ত চিৎকার বেরিয়ে আসে। ফুলমণির উঠোন ভিজে যায় শাক্যর টাটকা রক্তে। ফুলমণি ভয়ানক উল্লাসে বীভৎস হেসে ওঠে। তার ওপর হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ সে অশরীরি হয়েও আজও এইভাবেই করে চলেছে।

    খুব ভোর বেলা কয়েকজন কৃষক চাষ করতে মাঠে যাওয়ার পথে একদা বসবাস করা ফুলমণি আর শহরের ছবিবাবুর পরিত্যক্ত উঠোন দিয়ে শর্টকাট করতে গিয়ে এক শহরের বাবুকে দেখতে পেল। তারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল, ‘আবার একজনের প্রাণ গেল!’

    তারা শাক্যকে সোজা করে শুইয়ে দিয়ে বুঝতে চাইল, সে বেঁচে আছে কী না! তারা তার নাম জানে না। গাঁ ছুঁয়ে ডাকতে লাগল। বোলপুর শহর থেকে কাজের জন্য ভাড়া করা বাইকটা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।

    জঙ্গল থেকে নানারকম পাখির কলরব ভেসে আসছে। রোদ উঠছে আকাশ জুড়ে। পরিচ্ছন্ন উজ্জ্বল ভোর। কাছাকাছি কোথাও কোনো গির্জা আছে। ঘণ্টা বাজছে গির্জার।

    শাক্য ওদের ডাকে সাড়া দিচ্ছে না। সে শুধু মাদলের শব্দ শুনতে পাচ্ছে। দ্রিম দ্রিম দ্রিম দ্রিম! সে একটি কাজল রংয়ের মেয়ের মুখ দেখতে পাচ্ছে। যে একদিন ভালোবেসেছিল এবং ঠকে গিয়ে পৃথিবী ছেড়েছিল।

    মনের গভীর থেকে স্বপ্ন উঠে আসার মতো শাক্যর মনের নিভৃত কোণে ফুলমণি জেগে রইল। সে যেন হাওয়ায় ভেসে ভেসে তার কাছে এসে বলছে, “মুর কী দোষ ছিলোক বুল কিনে! মু যি বিশ্বাসটো কুরেছিলাম।”

    যারা শাক্যকে এতক্ষণ ডাকছিল, তারা এবার আরও লোকজন ডাকতে চলে গিয়েছে। শাক্যর শরীর থেকে সবটুকু রক্ত বেরিয়ে গিয়ে সে এখন নির্ভার হালকা ফুরফুরে। পালকের মতো।

    তার এখন নিজের সংসার বউ মেয়ে কারও কথা মনে পড়ছে না। সে শুধু ফুলমণির কান্না ভেজা মুখের কথা ভাবছে। সে ভাবছে, ফুলমণিকে যখন শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলা হয়েছিল, তখন কী তার খুব ব্যথা লেগেছিল?

    তার ভাবনার অবসরে একটা নীল রংয়ের পাখি জঙ্গল থেকে উড়ে উড়ে শাক্যর বুকের ওপর বসল।

    শাক্য আবার সেই বুনো ফুলের গন্ধ পেল। আবার সে আচ্ছন্ন হল ওই গন্ধে। এবার সে সত্যি সত্যি গভীর নিদ্রায় ডুবে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }