Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    থ্রিলার পত্রিকা এক পাতা গল্প678 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেষ্টরায়ের প্রত্যাবর্তন – সুখেন্দু হীরা

    নদীয়া জেলায় জলঙ্গী নদীর তীরে তেহট্ট একটি বর্ধিষ্ণু জনপদ। তেহট্ট বর্তমানে তেহট্ট মহকুমার সদরও বটে। তেহট্টের প্রাচীন নাম ছিল ত্রিহট্ট। ইংরেজ আমলের আগে এ-অঞ্চলে তিনটি স্থানে সপ্তাহে দু-দিন করে হাট বসত। বারে বারে জলঙ্গী নদী গতি পরিবর্তন করায়, নদীর পূর্বতীরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে তিনটি হাট একত্রে বসতে শুরু করে। তখন এই অঞ্চলের নাম হয় ব্রিহট। ত্রিহট থেকে অপভ্রংশে তেহট্ট।

    এই তেহট্টের ইতিহাসের প্রধান সাক্ষী শ্রীকৃষ্ণরায়। যাকে আদর করে তেহট্টবাসী ডাকে কেষ্টরায়। কৃষ্ণরায় তেহট্টের প্রাণের ঠাকুর। তেহট্ট ঠাকুরপাড়াতে কৃষ্ণরায় মন্দির ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে নির্মাণ করে দেন নদীয়ারাজ রুদ্র রায়।

    নদীয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ভবানন্দ মজুমদার। তিনি মাটিয়ারিতে রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন। এই মাটিয়ারি হল রানাঘাট গেদে রেলপথের বাণপুর টেশনের নিকট। ভবানন্দ মজুমদারের পৌত্র রাঘব মজুমদার পরবর্তীতে ‘রায়’ উপাধি গ্রহণ করে হয়ে যান রাঘব রায়। এই রাঘব রায় মাটিয়ারি থেকে রাজধানী রেউই গ্রামে নিয়ে যান। এই রেউই গ্রাম-ই পরবর্তীকালে পরিচিত হয় কৃষ্ণনগর নামে। রাঘব রায় কৃষ্ণনগরের কাছে দিগনগর-এ এক বিরাট দিঘি খনন করেন এবং তার কাছে রাঘবেশ্বর শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

    রাঘব রায়ের পুত্র রুদ্র রায় ছিলেন খুব কৃষ্ণভক্ত। তিনিই রেউই গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখেন কৃষ্ণনগর। তেহট্টের কৃষ্ণরায় মন্দিরের প্রতিষ্ঠা লিপি অনুযায়ী রুদ্র রায়ের আমলে প্রতিষ্ঠিত হলেও রাঘব রায়ের রাজত্বের আগে থেকে ত্রিহট্ট গ্রামে শ্রীকৃষ্ণরায় ছিলেন। আগে মাটির মন্দির ছিল। রুদ্র রায়ের আমলে ইস্টক নির্মিত জোড় বাংলা মন্দির হয় ঠাকুরপাড়াতে। জোড় বাংলা মন্দির বঙ্গদেশে কমই দেখা যায়। টেরাকোটা কাজে সমৃদ্ধ ছিল সে মন্দির, যদিও কয়েকবার সংস্কারের ফলে পোড়ামাটির কাজ এখন অবলুপ্তপ্রায়।

    শ্রীকৃষ্ণরায়ের বিগ্রহ কষ্টিপাথরের। কৃষ্ণরায় গ্রামের কুল-দেবতা। তাই মনে করা হয়, কৃষ্ণরায়ের জনপ্রিয়তা দেখে প্রজানুরঞ্জনের জন্য রুদ্ররায় ঠাকুরের জন্য মন্দির নির্মাণ করে দিয়েছিলেন। কৃষ্ণরায়ের রথ-সহ অন্যান্য বৈষ্ণব তিথিতে এখানে অনুষ্ঠান হয়। সবচেয়ে বড়ো উৎসব মাঘী পূর্ণিমাতে। এই মহোৎসবে ২৪ প্রহর হরিনাম কীর্তন, সাধু সমাগম, নরনারায়ণ সেবা হয়ে থাকে। আগে বারদোলের সময় কৃষ্ণরায় কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি যেতেন, ফিরতেন রথের পর।

    কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে বারদোলের মেলায় ১২টি বিগ্রহ থাকত। কিছু রাজবাড়ির বিগ্রহ আর কিছু বাইরে থেকে অর্থাৎ কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির জমিদারি এলাকার বিভিন্ন মন্দির থেকে আসত। বর্তমানে নানা কারণে সব মূর্তি আসে না। আগে যে বিগ্রহগুলি থাকত সেগুলি হল, ১) বিরহীর বলরাম, ২) বহিরগাছির লক্ষীকান্ত, ৩) রাজবাড়ির ছোটনারায়ণ, ৪) রাজবাড়ির বড়ো নারায়ণ, ৫) শান্তিপুরের গড়ের গোপাল ৬) অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ ৭) নবদ্বীপের গোপাল (৮) ত্রিহট্টের কৃষ্ণরায় ৯) রাজবাড়ির কৃষ্ণচন্দ্র ১০) রাজবাড়ির গোবিন্দদেব ১১) বিরহীর মদনগোপাল ১২) শ্রী গোপীমোহন।

    একবার রথ থেকে কৃষ্ণরায় পড়ে যান। পড়ে গিয়ে কৃষ্ণরায় বিগ্রহের ডান হাত ভেঙে যায়। তারপর বিগ্রহ নিয়ে মতনৈক্য শুরু হয়। সেই থেকে কৃষ্ণরায় আর কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি আসেন না। এ-নিয়ে মামলা মোকদ্দমা সব হয়েছে। বর্তমানে অগ্রদ্বীপের গোপীনাথও কৃষ্ণনগর যান না। তাদের সঙ্গে কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির কেস-কাছারি হয়েছে। এখন গোপীনাথের ছবি বসিয়ে একটি রথ টানা হয়। আগে দুটি রথ টানা হত একটি গোপীনাথের, অপরটি কৃষ্ণরায়ের।

    এই পড়ে গিয়ে হাত ভাঙার ঘটনাটা অনেকে জানতেন না তবে কৃষ্ণরায়ের হাত ভাঙার জন্য তেহট্টবাসীর শাপে বর হয়েছিল। সে ঘটনা পরে বলছি। শ্রীকৃষ্ণ বিগ্রহের সঙ্গে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শ্রীরাধিকার বিগ্রহ থাকে। কিন্তু কৃষ্ণরায়ের কোনো রাধিকা নেই। এ-নিয়েও এখানে একটি জনশ্রুতি আছে।

    আগে কৃষ্ণরায়ের রাধিকা ছিল। রামদেব নামের এক ব্যক্তির লক্ষ্মী নামে এক বাল্যবিধবা কন্যা ছিল। লক্ষ্মীদেবী ছিলেন কৃষ্ণরায়ের একনিষ্ঠ ভক্ত। তিনি ভক্তিভরে কৃষ্ণরায়ের সেবা করতেন। তিনি কোনোভাবে গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তখন তাঁর পিতা রামদেব বা গুরুদেব তাকে ভৎসনা করলে তিনি রাধিকা বিগ্রহের সঙ্গে বিলীন হয়ে যান। পরবর্তীকালে দুর্বৃত্তরা মন্দির আক্রমণ করে রাধা বিগ্রহের অলংকারের লোভে মূর্তিটি চুরি করে নিয়ে যায়। সেই থেকে কৃষ্ণরায় একাকী জীবন যাপন করছেন।

    এই কৃষ্ণরায়ও একবার চুরি হয়ে যায়। সময়টা ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১০ জুন, ভোর চারটে। সকালের আলো ঠিকভাবে ফুটতে তখনও অনেকটা দেরি। পুব দিকের আকাশে ক্ষীণ আলোর রেখা দেখা দিয়েছে সবে। এমন সময় নিত্যদিনের নিয়ম মেনে কৃষ্ণরায়কে জাগাতে যান পুরোহিত। গিয়ে দেখেন মন্দিরের দরজা হাট করে খোলা। তালা কেটে দরজা খোলা হয়েছে। এক অশনি সংকেতে পুরোহিত মশাই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করে দেখেন কৃষ্ণরায় শয়নে নেই। পুরোহিতের মাথায় যেন বাজ পড়ল। খবর ছড়াতে বিলম্ব হল না।

    সাধারণ লোক স্বাভাবিক সময়ে ঘুম ভাঙার আগেই উঠে পড়ছেন এই দুঃসংবাদে। হাহাকার পড়ে গেল চারিদিকে। বেলা যত বাড়তে লাগল তত খবর চাউড় হতে লাগল। লোকজন রাস্তায় নেমে এল। প্রায় দশ হাজার লোক জড়ো হয়ে গেল দেখতে-দেখতে। তেহট্ট পি.ডব্লিউ.ডি. মোড়ে অবরোধ শুরু হয়ে গেল। ঘেরাও হল থানাও। সেদিন তেহট্টে কারও বাড়িতে হাঁড়ি চড়ল না। কৃষ্ণরায়ের অন্তর্ধান-শোকে অরন্ধন চলেছিল বেশ কয়েকদিন।

    তখন তেহট্ট থানার ও.সি. অর্থাৎ অফিসার্স-ইন-চার্জ অর্থাৎ ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ছিলেন সাব ইন্সপেক্টর প্রবীর চ্যাটার্জী। এস.ডি.পি.ও. তেহট্ট অর্থাৎ সাব ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার, তেহট্ট অর্থাৎ তেহট্ট মহকুমার পুলিশ আধিকারিক ছিলেন সুব্রত ভট্টাচার্য। জনগণের দাবি অবিলম্বে তাঁদের প্রাণের ঠাকুর কেষ্টরায়কে ফিরিয়ে আনতে হবে। কোনো কথাই তারা শুনতে চাইছে না। বেলা গড়িয়ে গেল সারা তেহট্ট অবরুদ্ধ হয়ে রইল। মানুষজনও শোকে মুহ্যমান। পরম আত্মীয় বিয়োগেও এমন শোকের আবহাওয়া তৈরি হয় না।

    এস.ডি.পি.ও. সাহেব বাহিনী-সহ ও.সি.-কে নিয়ে পি.ডব্লিউ.ডি. মোড়ে এগোতে গেলে জনগন ঢিল পাটকেল ছুড়তে লাগল। অনেক বুঝিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করা হল। পুলিশ জানত কৃষ্ণরায়ের সঙ্গে তেহট্টবাসীর ভীষণ ভাবাবেগ জড়িয়ে আছে। বলপ্রয়োগ করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। বেলা তিনটের সময় এস.ডি.পি.ও তেহট্ট আশ্বাস দেন, এক সপ্তাহের মধ্যে কেষ্টরায়কে ঠিক খুঁজে এনে দেবেন। তারপর গিয়ে অবরোধ উঠল।

    তেহট্ট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করল। স্থানীয় কিছু সন্দেহভাজন ঘরচোরকে তোলা হল। জিজ্ঞাসাবাদ করা হল। কিন্তু কেষ্টরায়ের হদিশ পাওয়া গেল না কিছুতেই। সবাই বলাবলি করল একা ওপারের ডাকাতদের অর্থাৎ বাংলাদেশের ডাকাতদের।

    তেহট্ট থানা সীমান্তবর্তী থানা। তখন সীমান্তে ছিল না কাঁটাতারের বেড়া। সীমান্তবর্তী থানাগুলোতে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ডাকাতি হত। বাংলাদেশের ডাকাতরা সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের সীমানায় ঢুকে পড়ত। তারপর পাটক্ষেত বা ধানখেতের মধ্যে লুকিয়ে থাকত। রাত দশটা বাজলে তারা নেমে পড়ত ডাকাতি করতে।

    ভারতের সীমান্তে প্রহরায় থাকত এবং এখনও থাকে বি.এস.এফ অর্থাৎ বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। আর বাংলাদেশ সীমান্তে থাকত বি.ডি.আর অর্থাৎ বাংলাদেশ রাইফেলস। এখন অবশ্য বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে বলে বি.জি.বি. অর্থাৎ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। সন্ধ্যা হলে বি.ডি.আর. সীমান্ত ছেড়ে চলে যেত। তাদের রাত পাহারায় কোনো ব্যবস্থা ছিল না। কারণ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের কোনো ভয় নেই। এত দীর্ঘ উন্মুক্ত সীমান্ত রাতের আঁধারে নজরদারি করা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পক্ষে সম্ভব হত না সবসময়।

    রাত হলেই সীমান্তবর্তী থানাগুলো তটস্ত হয়ে থাকত। সীমান্তবর্তী এলাকায় যেখানে তারা পাহারা দিতেন, তার অন্যদিকে ডাকাতি করে বাংলাদেশী ডাকাতরা বেরিয়ে যেত। পুলিশের উচ্চ পদাধিকারীও রাত জেগে এই ডাকাতি বন্ধ করতে পারতেন না। যতদিন না সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে, ততদিন এই অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের।

    কাঁটাতার দেওয়ার ফলে কিছু জমি কাঁটাতারের ওপারে থাকায় সেটা অরক্ষিত হলেও সার্বিকভাবে সীমান্তবর্তী এলাকায় সুরক্ষা বেড়েছে। গরু চুরি বা ঘর ডাকাতি থেকে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশ সংলগ্ন সীমান্তবর্তী গ্রামের গৃহস্থরা।

    এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেল। কেষ্টরায় ফিরলেন না। তখন সীমান্তে কাঁটাতার না থাকায় দিনের বেলা চাষের মাঠে গেল দু-দেশের লোকেদের সাক্ষাৎ হত। সাক্ষাৎ হলে তাঁরা সুখ-দুঃখের কথা কইত। ওপারের লোকজনও জেনে গেল কেষ্টরায় নিখোঁজ হয়েছেন। ওপারের লোকজনই খবর দিল মেহেরপুর জেলার শালিকা গ্রামে একজনের বাড়িতে কৃষ্ণরায় আছেন। আরও জানা গেল শালিকা গ্রামের তিন ডাকাত ইমরান, জুম্মত ও ইমাদুল কৃষ্ণরায়কে চুরি করে নিয়ে গেছে। সেই গ্রামে খালেক শেখ এক ‘লাইনম্যান’ থাকে।

    লাইনম্যান শব্দটি সে সময় সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে খুবই পরিচিত শব্দ ছিল। লাইনম্যান মানে মিডলম্যান অর্থাৎ মধ্যস্থতাকারী ব্যক্তি। সীমান্তবর্তী এলাকাতে যে চোরাচালান চলত, তার মধ্যস্থতা বা দালালি করত এরা। এরা এপারের ক্রেতা এবং ওপারের বিক্রেতার মধ্যে যোগাযোগ করে দিত। প্রয়োজন বোধে তাদের পুলিশ, বি.এস.এফ, বি.ডি.আর.-এর সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে দিত।

    তখন তেহট্ট সীমান্তে দিয়ে পাচার হত অর্থাৎ ভারত থেকে যেত গরু, চিনি, নুন, ডিম, মাছ। ওপার থেকে আসত ছাট কাপড়, সুপারি, ‘ইলেকট্রনিক গুডস’ ইত্যাদি। ছাট কাপড় বলতে বাংলাদেশে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির পোশাক বানানোর পর যে কাপড় উদ্বৃত্ত হত, সেগুলো ভারতে পাচার হত। এই চোরাচালানকে সাধারণ লোক ‘ব্ল্যাক’ করা বলত। এমনকী যারা বিনা পাসপোর্ট-এ বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসত এবং ভারত থেকে বাংলাদেশ যেত, তাকে ‘ব্ল্যাক’-এ যাওয়া বলত।

    তেহট্টের দিকে এরকম লাইনম্যান ছিল সুবল ঘোষ, গবরা শেখ ও সফদার শেখ। সুবল ঘোষ দু-একবার থানায় ধরাও পড়েছে। তাই ওসি তেহট্ট সুবল ঘোষকে চিনতেন।

    সুবল ঘোষের থানায় ডাক পড়ল। সুবল ঘোষের সঙ্গে ওপারের খালেক শেখের গভীর বন্ধুত্ব। খালেক এপারে আসলে সুবলের বাড়িতে ওঠে। সুবল সাইকেল চালিয়ে মেহেরপুর পর্যন্ত ঘুরে আসে। থানার বড়োবাবু সুবল ঘোষকে বলেন, “যদি খালেককে বলে কেষ্টরায়কে আনতে না পার, তোমাকে পিডব্লিউডি মোড়ে ঝোলাব। অর্থাৎ ঝুলিয়ে পেটাব।” এসডিপিও সাহেবও কড়াভাবে বলেন, “তাহলে তোমাকেও খালেকের সঙ্গে শালিকা গ্রামে গিয়ে থাকতে হবে।”

    কেষ্টরায় চলে যাওয়ার কারণে সুবল ঘোষেরও মন খারাপ। সুবল ঘোষ আরও দুই লাইনম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে। তিনজন মিলে বাংলাদেশের শালিকা গ্রামে যায়। খালেকের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলে। খালেক শালিকার তিন ডাকাতকে ভালো মতো চেনে। খালেক তিনজনের সঙ্গে কথা বলেন। সৌভাগ্যক্রমে কৃষ্ণরায় তখনও শালিকা গ্রামে আছেন। বিদেশে পাড়ি দেননি। এত প্রাচীন এবং ঐতিহ্যশালী বিগ্রহ বিক্রি হল না?

    কারণ কৃষ্ণরায়ের হাত ভাঙা। সেই যে কৃষ্ণনগরে রথ থেকে পড়ে কৃষ্ণরায়ের হাত ভেঙে যায়। এই খুঁতের জন্য ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছিল না। এ যেন সেই খুঁতওয়ালা মানুষ বা ছাগ যাকে দেবতার সামনে বলি দেওয়া যায় না। খুঁতওয়ালা মানুষ, যাকে বলি দিতে নিয়ে গিয়েও ছেড়ে দিতে হয়। এক্ষেত্রেও প্রায় সে রকমই ঘটল। তিন ডাকাত কৃষ্ণরায়কে ফেরত দিতে রাজি হল। কীসের বিনিময়ে জানা যায়নি।

    তিন ডাকাত বলে, “আমরা সীমান্তের কাছাকাছি গিয়ে ‘ইন্ডিয়া”-র পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে আসব। আমরা ইন্ডিয়াতে ঢুকব না। লাইনম্যানদের হাতে কেষ্টরায়কে তুলে দেব না। কারণ ওদের বিশ্বাস নেই, ওরা বেশি দামে অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেবে।” এই কথা ওসি তেহট্টকে জানায় সুবল ঘোষ। প্রবীরবাবু বলেন, “ঠিক আছে আমি আনতে যাব।”

    জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের এক রাতে ওসি তেহট্ট প্রবীর চ্যাটার্জী, সঙ্গে সুবল – বাংলাদেশের সীমানায় পাট খেতের আড়ালে অপেক্ষা করতে থাকে। তাদের দূর থেকে লক্ষ্য রাখতে থাকে সাদা পোশাকে থানার পুলিশ। বি.এস.এফ. ও বি.ডি.আর.-কে কিছু জানানো হয়নি। জানানো মানে হাজার আইনি জটিলতা।

    বর্ষাকাল, ব্যাঙের ডাক, ঝিঝি পোকার ডাক, সদ্য সদ্য অমাবস্যা গেছে, শুক্লপক্ষ হলেও চাঁদ উঠে ভুলেও গো, তাই ঘুটঘুটে অন্ধকার, জোলো হাওয়া, সাপখোপের ভয়, সব মিলিয়ে গা ছমছমে পরিবেশ। কতক্ষণ অপেক্ষ করতে হবে কে জানে?

    অবশেষে রাত দুটোর সময় বেশ দূরে টর্চের আলো জ্বলে ওঠে। বুকে আশার সঞ্চার হল। আরও এগোতে দেখা যায় একটি আলোর বিন্দু উঠছে আর নামছে। আরও কাছে আসতে বোঝা গেল বিড়ি টানছে একজন। আরেকজানের হাতে একটি বস্তা। তাতেই বন্দি আছেন কৃষ্ণরায়।

    কৃষ্ণরায় থানায় পৌঁছাতেই সারা তেহট্টে সাড়া পড়ে গেছে। ভোর হওয়ার আগেই থানা ভরে গেল লোকে। থানা প্রাঙ্গনেই শুরু হল কীর্তন। থানার সামনের কালী মন্দিরের আপাতত ঠাঁই হলো কৃষ্ণরায়ের। সবাই প্রবীরবাবুর পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে চায়। প্রবীরবাবু বলছেন, “কেষ্টরায় নিজের ইচ্ছাতেই ফিরেছেন।”

    ঠিক হল পরবর্তী ১৪ জুলাই, উলটো রথের দিন মহাসমারোহে কৃষ্ণরায়ের অভিষেক হবে মন্দিরে। ওইদিন পর্যন্ত তেহট্ট জুড়ে চলতে থাকে উৎসব। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলেছিল উৎসব। সিদ্ধান্ত মতো উলটো রথের দিন কেষ্টরায় তাঁর নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন করেন।

    .

    তথ্য ঋণ:

    ১) ক্ষিতীশ-বংশাবলি-চরিত্র: শ্রীকীর্তিকেয় চন্দ্র রায়

    ২) বর্তমানের আলোকে অতীতের কৃষ্ণরায়: তথ্য সংকলন ভক্তরাম বিশ্বাস

    .

    “এই ঘটনা আমি তৎকালীন ওসি তেহট্ট প্রবীর চ্যাটার্জির কাছে শুনেছিলাম। পরবর্তীকালে প্রবীরবাবু যখন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে সি.আই. (সার্কেল ইন্সপেক্টর) ভাঙ্গড় ছিলেন, তখন আমি এসডিপিও বারুইপুর ছিলাম। তিনি ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের মধ্যে ঢুকে প্রাচীন বিগ্রহ উদ্ধার করে নিয়ে এসেছিলেন শুনে রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। প্রবীরবাবু অবসর গ্রহণের পর ১০ জুলাই ২০২২ মারা যান। এই লেখার সময় তেহট্ট থানার রেকর্ড ঘেঁটে, সুবল ঘোষ (নাম পরিবর্তিত) এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে লেখা হয়েছে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে
    Next Article হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }