Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিমল-কুমার সমগ্র ১ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প789 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যকের ধন – ১০

    দশ – এ চোর কে?

    আমরা খাসিয়া পাহাড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছি—সামনে বুদ্ধদেবের এক পাথরের মূর্ত্তি। গভীর রাত্রি, আকাশে চাঁদ নেই, সব দিকে খালি অন্ধকার আর অন্ধকার! মাথার অনেক উপরে তারাগুলো টিপ টিপ করে জ্বলছে, তাদের আলোতে আশে—পাশে অনেকগুলো পাহাড়ের মাথা ঝাপসা ঝাপসা দেখা যাচ্ছে—আমার মনে হ’ল সেগুলো যেন বড় বড় দানবের কালো কালো মায়ামূর্ত্তি। তারা যেন প্রেতপুরীর পাহারাওয়ালার মত ওৎ পেতে হুমড়ি খেয়ে রয়েছে—এখনি হুড়মুড় ক’রে আমাদের ঘাড়ের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়বে! চারদিক এত স্তব্ধ যে গাঁয়ে কাঁটা দেয়, বুক ছাঁৎ ছাঁৎ করে! শুধু রাত করছে—ঝিম ঝিম ঝিম তারা ভয়ে কেঁপে গাছপালা করছে—সর সর সর!

    বিমল চুপি চুপি আমাকে বললো, ”এই বুদ্ধদেবের মূর্ত্তি। এইখানেই যকের ধন আছে।”

    হঠাৎ কে খল খল ক’রে হেসে উঠল—সে বিকট হাসির প্রতিধ্বনি যেন পাহাড়ের মাথাগুলো টপকে লাফাতে লাফাতে কোথাও কতদূরে কোন চির অন্ধকারের দেশের দিকে চলে গেল!

    আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলুম, রামহরি আঁৎকে উঠে দু’হাতে মুখ ঢেকে ধুপ করে বসে পড়ল, বাঘা আকাশের দিকে মুখ তুলে ল্যাজ গুটিয়ে কেঁউ কেঁউ করে কাঁদতে লাগল।

    বিমল সাহসে ভর করে বললে, ”কে হাসলে?”

    আবার সেই খল খল করে বিকট হাসি। কে যে হাসছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না, তবে সে হাসি নিশ্চয়ই মানুষের নয়—মানুষ কখনো এমন ভয়ানক হাসি হাসতে পারে না!

    বিমল আবার বললে, ”কে তুমি হাসচ?”

    —”আমি!” উঃ, সে স্বর কি গম্ভীর।

    —”কে তুমি? সাহস থাকে আমার সামনে এস।”

    —”আমি তোমার সামনেই আছি।”

    —”মিথ্যে কথা! আমার সামনে খালি বুদ্ধদেবের মূর্ত্তি আছে।”

    —”হাঃ, হাঃ, হাঃ, হাঃ! আমাকে বুদ্ধদেবের মূর্ত্তি ভাবচ? চেয়ে দেখ ছোকরা আমি যক!”

    বুদ্ধদেবের সেই মূর্ত্তিটা একটু একটু নড়তে লাগল, তার চোখ দুটো ধ্বক ধ্বক করে জ্বলে উঠল।

    বিমল বন্দুক তুললে মূর্ত্তিটা আবার খল খল করে হেসে বললে, ”তোমার বন্দুকের গুলিতে আমার কিছুই হবে না।”

    বিমল বললে, ”কিন্তু হয় কিনা দেখাচ্চি।” সে বন্দুকের ঘোড়া টিপতে উদ্যত হল!

    আকাশ—কাঁপানো স্বরে মূর্ত্তি চেঁচিয়ে বললে, ”খবর্দ্দার! তোমার গুলি লাগলে আমার গায়ের পাথর চ’টে যাবে। বন্দুক ছুঁড়লে তোমারি বিপদ হবে।”

    —”হোক গে বিপদ—বিপদকে আমি ডরাই না।”

    —”জানো, আমি আজ হাজার হাজার বছর ধরে এইখানে বসে আছি আর তুমি কালকের ছোকরা হয়ে আমার শান্তিভঙ্গ করতে এসেছ? কি চাও তুমি?”

    —”গুপ্তধন!”

    —”হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ। গুপ্তধন চাও,—ভারি আশা যে! এই গুপ্তধন নিতে এসে এখানে তোমার মত কত মানুষ মরা পড়েচে তা জানো? ঐ দেখ তাদের শুকনো হাড়!

    মূর্ত্তির চোখের আলোতে দেখলুম, এক দিকে মস্তবড় হাড়ের ঢিপি—হাজার হাজার মানুষের হাড়ে সেই ঢিপি অনেকখানি উঁচু হয়ে উঠেছে।

    বিমল একটুও না দমে বললে, ”ও দেখে আমি ভয় পাই না—আমি গুপ্তধন চাই।’

    —”আমি গুপ্তধন দেব না।”

    —”দিতেই হবে।”

    —”না, না, না!”

    —”তা হলে বন্দুকের গুলিতে তোমার আগুন চোখ কানা করে দেব।”

    গর্জ্জন করে মূর্ত্তি বললে, ”তার আগেই তোমাকে আমি বধ করব!”

    —”তুমি তো পাথর, এক পা এগুতে পার না, আমি তোমার নাগালের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি, তুমি আমার কি করবে?”

    —”হাঃ, হাঃ, হাঃ, চেয়ে দেখ এখানে চারিদিকেই আমার প্রহরীরা দাঁড়িয়ে আছে! আমার হুকুমে এখনি ওরা তোমাদের টিপে মেরে ফেলবে!”

    —”কোথায় তোমার প্রহরী?”

    —”প্রত্যেক পাহাড় আমার প্রহরী!”

    —”ওরাও তো পাথর, তোমার মত নড়তে পারে না। ও—সব বাজে কথা রেখে হয় আমাকে গুপ্তধন দাও—নয় এই তোমাকে গুলি করলুম!”—বিমল আবার বন্দুক তুললে।

    —”তবে মর। প্রহরী।” মূর্ত্তির আগুন চোখ নিবে গেল—সঙ্গে সঙ্গে পলক না যেতেই অন্ধকারের ভিতর অনেকগুলো পাহাড়ের মত মস্ত বড় কি কতকগুলো লাফিয়ে উঠে আমাদের উপরে এসে পড়ল। বিষম এক ধাক্কায় মাটির উপর পড়ে অসহ্য যাতনায় চেঁচিয়ে আমি বললুম—”বিমল—বিমল—”

    আমার ঘুম ভেঙে গেল! চোখ মেলে দেখলুম, রেলগাড়ীর বেঞ্চের উপর থেকে গড়িয়ে আমি নীচে পড়ে গেছি, আর বিমল আমার মুখের উপরে ঝুঁকে বলছে, ”ভয় কি কুমার, সে রাস্কেল পালিয়েচে!”

    তখনো স্বপ্নের ঘোর আমার যায়নি,—আমি ভয়ে ভয়ে বললুম, ”যক আর নেই?”

    বিমল আশ্চর্য্য ভাবে বললে, ”যকের কথা কি বলচ, কুমার?”

    আমি উঠে বসে চোখ কচলে অপ্রস্তুত হয়ে বললুম, ”বিমল, আমি এতক্ষণ একটা বিদঘুটে স্বপ্ন দেখছিলুম। শুনলে তুমি অবাক হবে।”

    বিমল বললে, ”আর গাড়ীর ভিতরে এখনি যে কাণ্ডটা হয়ে গেল, তা মোটেই স্বপ্ন নয়! শুনলে তুমিও অবাক হবে।”

    আমি হতভম্বের মত বললুম, ”গাড়ীর ভেতরে আবার কি কাণ্ড হল?”

    বিমল বললে, ”একটা চোর এসেছিল!”

    —”চোর? বল কি?”

    —”হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখি, একটা লোক আমাদের ব্যাগ হাতড়াচ্ছে! আমি তখনি উঠে তার রগে এক ঘুসি বসিয়ে দিলুম, সে ঠিকরে তোমার গায়ের উপর গিয়ে পড়ল—সঙ্গে সঙ্গে তুমিও আঁৎকে উঠে বেঞ্চির তলায় চিৎপাত হলে! লোকটা পড়েই আবার দাঁড়িয়ে উঠল, তারপর চোখের নিমেষে জানালা দিয়ে বাইরে এক লাফ মেরে অবশ্য অদৃশ্য হয়ে গেল।”

    —”চলন্ত ট্রেন থেকে সে লাফ মারল? তা হলে নিশ্চয়ই মারা পড়েচে!”

    —”বোধ হয় না। ট্রেন তখন একটা ষ্টেশনের কাছে আস্তে আস্তে চলছিল!”

    —”আমাদের কিছু চুরি গিয়েছে নাকি?”

    —”হুঁ। মড়ার মাথাটা!” বলেই বিমল হাসতে লাগল।

    —”বিমল, মড়ার মাথাটা আবার চুরি গেল, আর তোমার মুখে তবু হাসি আসচে?”

    —”হাসব না কেন, চোর যে জাল মড়ার মাথা নিয়ে পালিয়েচে।”

    —”জাল মড়ার মাথা! সে আবার কি?”

    —”তোমাকে তবে বলি শোনো। এ—রকম বিপদ যে পথে ঘটতে পারে, আমি তা আগেই জানতুম। তাই কলকাতা থেকে আসবার আগেই, আমাদের পাড়ার এক ডাক্তারের কাছ থেকে আর একটা নতুন মড়ার মাথা জোগাড় করেছিলুম। নতুন মাথাটার উপরেও আসল মাথায় যেমন আছে, তেমনি অঙ্ক ক্ষুদে দিয়েচি,—তবে এর মানে একেবারে উল্টো। এই নকল মাথাটাই ব্যাগের ভেতরে ছিল। আমি জানতুম মড়ার মাথা চুরি করতে আবার যদি চোর আসে, তবে নকলটাকে নিয়েই সে তুষ্ট হয়ে যাবে। হয়েচেও তাই!”

    —”বিমল, ধন্যি তোমার বুদ্ধি! তুমি যে এত ভেবে কাজ কর, আমি তা জানতুম না। আসল মড়ার মাথা কোথায় রেখেচ?”

    —”অনেকের বাড়ীতে যেমন চোর কুঠুরি থাকে, আমার ব্যাগের ভেতরেও তেমনি একটা লুকানো ঘর আছে। এ ব্যাগ আমি অর্ডার দিয়ে তৈরি করিয়েছি। মড়ার মাথা তার ভেতরেই রেখেছি।”

    —”কিন্তু আমাদের পিছনে এ কোন নতুন শত্রু লাগল বল দেখি।”

    —”শত্রু আর কেউ নয়—এ করালীর কাজ! সে আমার চালাকিতে ভোলেনি, নিশ্চয় এই গাড়ীতেই কোথাও ঘুপটি মেরে লুকিয়ে আছে।”

    —”তবেই তো!”

    —”কুমার, আবার তোমার ভয় হচ্চেচ নাকি?”

    —”ভয় হচ্ছে না, কিন্তু ভাবনা হচ্চেচ বটে! এই দেখ না করালীর চর যদি আজই ঘুমন্ত অবস্থায় তোমার বুকে ছুরি বসিয়ে দিয়ে যেত?”

    —”করালী আমাদের সঙ্গে নেই, এই ভেবে আমরা অসাবধান হ’য়েছিলুম বলেই আজ এমন কাণ্ড ঘটল। এখন থেকে আবার সাবধান হব—রামহরি আর বাঘাকে সর্ব্বদাই কাছে রাখব, আর সকলে মিলে একসঙ্গে ঘুমবও না।”

    —”করালী যখনি জানবে সে জাল মড়ার মাথা পেয়েছে, তখনি আবার আমাদের আক্রমণ করবে।”

    —”আমরাও প্রস্তুত! কিন্তু সে যদি সাঙ্কেতিক লেখা এখনো পড়তে না পেরে থাকে, তবে এ জাল ধরা তার কর্ম্ম নয়।”

    গাড়ী তখন ঊর্দ্ধশ্বাসে ছুটছে আর আমাদের চোখের সুমুখ দিয়ে চাঁদের আলোয় উজ্জ্বল বন—জঙ্গল—মাঠের দৃশ্যের পর দৃশ্য ভেসে যাচ্ছে—ঠিক যেন বায়োস্কোপের ছবির পর ছবি! আমার আর ঘুমোবার ভরসা হল না—বাইরের দিকে চেয়ে ”বসে বসে আকাশ—পাতাল ভাবতে লাগলুম। প্রতি মিনিটেই গাড়ী আমাদের দেশ থেকে দূরে—আরও দূরে নিয়ে গিয়ে ফেলছে, কত অজানা বিপদ আমাদের মাথার উপরে অদৃশ্যভাবে ঝুলছে! জানি না, এই পথ দিয়ে এ জীবনে আর কখনো দেশে ফিরতে পারব কি না!

    এগারো – ছাতকে

    আজ আমরা শ্রীহট্টে এসে পৌঁচেছি।

    বিমল বললে, ”কুমার, এই সেই শ্রীহট্ট।”

    আমি বললাম, ”হ্যাঁ, এই হচ্চেচ সেই কমলা—লেবুর বিখ্যাত জন্মভূমি!”

    বিমল বললে, ”উঁহু, কমলা—লেবু ঠিক শ্রীহট্ট সহরে তো জন্মায় না, তবে এখানকার প্রধান নদী সুরমা দিয়েই নৌকায় চড়ে কমলা—লেবু কলকাতায় যাত্রা করে বটে! খালি কমলা—লেবু নয়, এখানকার কমলা—মধুও যেমন উপকারী, তেমনি উপাদেয়।”

    আমি জিজ্ঞাসা করলুম, ”এ অঞ্চলে আরো কি পাওয়া যায়?”

    —”পাওয়া যায় অনেক জিনিস, যেমন আলু, কুমড়ো, শশা, আনারস, তুলো, আখ, তেজপাতা, লঙ্কা, মরিচ, ডালচিনি ও চুণ প্রভৃতি। এ—সব মাল এ অঞ্চল থেকেই রপ্তানি হয়। কিন্তু এখানকার পান—সুপারির কথা শুনলে তুমি অবাক হবে!”

    —”অবাক হব? কেন?”

    —”বাংলাদেশের মত এখানে পানের চাষ হয় না, কিন্তু এদেশে পানের সঙ্গে সুপারির বড় ভাব। বনের ভেতরে প্রায়ই দেখবে, সুপারি—কুঞ্জেই পান জন্মেছে, সুপারি—গাছের দেহ জড়িয়ে পানের লতা উপরে উঠেচে! তাছাড়া, এখানকার ‘সফ লাং’ আর একটি বিখ্যাত জিনিস।”

    —”সফ লাং! সে আবার কি?”

    —”কেশুরের মত এক রকম মূল! খাসিয়ারা খেতে বড় ভালোবাসে।”

    সারাদিন আমরা শ্রীহট্টেই রইলুম। এখান থেকে আমাদের গন্তব্য স্থান খাসিয়া পাহাড়কে দেখতে পেলুম। মনে হোলো এর বিশাল বুকের ভিতরে না জানি কত রহস্যই লুকান আছে, সে রহস্যের মধ্যে ডুব দিলে আর থই পাব কিনা, তাই বা কে বলতে পারে? এ তো আর কলকাতার রাস্তার কোন নম্বর জানা বাড়ীর খোঁজে যাচ্ছি না, এই অশেষ পাহাড়—বন—জঙ্গলের মধ্যে কোথায় আছে যকের ধন, কি করে আমরা তা টের পাব? এখন পর্য্যন্ত করালী বা তার কোন চরের টিকিটি পর্য্যন্ত দেখতে না পেয়ে আমরা তবু অনেকটা আশ্বস্ত হলুম। বুঝলুম, জাল মড়ার মাথা পেয়ে করালী এতটা খুসি হয়েছে যে, আমাদের উপরে আর পাহারা দেওয়া দরকার মনে করছে না! বাঁচা গেছে। এখন করালীর এই ভ্রমটা কিছুদিন স্থায়ী হলেই মঙ্গল। কারণ তার মধ্যেই আমরা কেল্লা ফতে করে দেশে ফিরে যেতে পারব।

    মাঝ রাত্রে ষ্টিমারে চড়ে, সুরমা নদী দিয়ে পরদিন সকালে ছাতকে গিয়ে পৌঁছুলম।

    সুরমা হচ্ছে শ্রীহট্টের প্রধান নদী। ছাতকও এই নদীর তীরে অবস্থিত। কলকাতায় ছাতকের চুণের নাম আমরা আগেই শুনেছিলুম। তবে এ চুণের উৎপত্তি ছাতকে নয়, চেরাপুঞ্জি অঞ্চলে খাসিয়া পাহাড়ে এই চুণ জন্মে, সেখান থেকে রেলে করে ও নৌকা বোঝাই হয়ে ছাতকে আসে এবং ছাতক থেকে আরো নানা জায়গা রপ্তানি হয়। চেরাপুঞ্জিতে খালি চুণ নয়, আগে সেখানে লোহার খনি থেকে অনেক লোহা পাওয়া যেত, সেই সব লোহায় প্রায় আড়াই শ বছর আগে বড় বড় কামান তৈরি হত। কিন্তু বিলাতী লোহার উপদ্রবে খাসিয়া পাহাড়ের লোহার কথা এখন আর কেউ ভুলেও ভাবে না। চুণ ও লোহা ছাড়া কয়লার জন্যেও খাসিয়া পাহাড় নামজাদা। কিন্তু পাঠাবার ভালো বন্দোবস্ত না থাকার দরুণ, এখানকার কয়লা দেশ—দেশান্তরে যায় না।

    ছাতক জায়গাটি মন্দ নয়, এখানে থানা, ডাক্তার, পোষ্ট—আপিস, বাজার ও মাইনর ইস্কুল কিছুরই অভাব নেই। একটি ডাক—বাংলোও আছে, আমরা সেইখানে গিয়েই আশ্রয় নিলুম। বিমলের মুখে শুনলুম, এখানে পিয়াইন নামে একটি নদী আছে, সেই নদী দিয়েই আমাদের নৌকায় চড়ে ভোলাগঞ্জ পর্য্যন্ত যেতে হবে—এ সময়ে নদীর জল কম বলে নৌকা তার বেশী আর চলবে না। কাজেই ভোলাগঞ্জ থেকে মাইল—দেড়েক হেঁটে আমরা থারিয়াঘাটে যাব, তারপর পাথর—বাঁধানো রাস্তা ধরে খাসিয়া পাহাড়ে উঠব। আজ ডাক—বাংলোয় বিশ্রাম করে কাল থেকে আমাদের যাত্রা আরম্ভ।

    ছাতক থেকে খাসিয়া পাহাড়ের দৃশ্য কি চমৎকার! নীলরঙের প্রকাণ্ড মেঘের মত, দৃষ্টি—সীমা জুড়ে আকাশের খানিকটা ঢেকে খাসিয়া পাহাড় ছড়িয়ে আছে, যতদূর নজর চলে—পাহাড়ের যেন আর শেষ নেই! পাহাড়ের কথা আমি কেতাবে পড়েছিলুম, কিন্তু চোখে কখনো দেখিনি, পাহাড় যে এত সুন্দর তা আমি জানতুম না; আমার মনে হতে লাগল, খাসিয়া পাহাড় যেন ইশারা করে কাছে ডাকছে—ইচ্ছা হয় তখনি এক ছুটে তার কোলে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি!

    সন্ধ্যার সময় খানিক গল্পগুজব করে আমরা শুয়ে পড়লুম। বেশ—একটু শীতের আমেজ দিয়েছিল, লেপের ভিতরে ঢুকে কি আরামই পেলুম!

    বিমলও তার লেপের ভিতরে ঢুকে বললে, ”ঘুমিয়ে নাও ভাই, নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমিয়ে নাও, কাল এমন সময়ে আমরা খাসিয়া পাহাড়ে, এত আরামের ঘুম আর হয়তো হবে না।”

    আমি বললুম, ”কিন্তু আমরা তো ঘুমবো, পাহারা দেবে কে?”

    বিমল বললে, ”সে ব্যবস্থা আমি করেচি। দরজার বাইরে বারান্দায় রামহরি আর বাঘা শুয়ে আছে। তার ওপরে দরজা—জানলাগুলোও ভেতর থেকে আমি বন্ধ করে দিয়েছি।”

    আমাদের উদ্বেগ দূর হল। যদিও শত্রুর দেখা নেই, তবু সাবধানে থাকাই ভালো।

    বারো – বিনি—মেঘে বাজ

    কতক্ষণ ঘুমিয়েছিলাম তা জানি না, হঠাৎ আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল! উঠতে গিয়ে উঠতে পারলুম না, আমার বুকের উপর কে যেন চেপে বসে আছে। ভয়ে আমি চেঁচিয়ে উঠলুম, ”বিমল, বিমল।”

    অন্ধকারের ভিতর কে আমার গলা চেপে ধরে হুমকি দিয়ে বললে, ”খবর্দ্দার, চাঁচ্যালেই টিপে মেরে ফেলব!”

    আমি একেবারে আড়ষ্ট হয়ে গেলুম, অনেক কষ্টে বললুম, ”গলা ছাড়ো, আমার দম বন্ধ হয়ে আসচে!”

    আমার গলা থেকে হাত সরিয়ে নিয়ে সে বললে, ”আচ্ছা, ফের চ্যাঁচালেই কিন্তু মরবে!”

    সেই ভীষণ ঘুট—ঘুটে অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না, আমার বুকের উপরে কে এ, ভূত না মানুষ? ঘরের অন্য কোণেও একটা ঝটাপট শব্দ শুনলাম, তার পরেই একটা গ্যাঁঙানি আওয়াজ—কে যেন কি দিয়ে কাকে মারলে—তারপর আবার সব চুপচাপ।

    অন্ধকারেই হেঁড়ে গলায় কে বললে, ”শম্ভু ব্যাপার কি।”

    আর একজন বললে, ”বাবু, এ ছোঁড়ার গায়ে দস্যির জোর, আর একটু হলেই আমাকে বুক থেকে ফেলে দিয়েছিল। আমি লাঠি দিয়ে একে ঠাণ্ডা করেছি।”

    —”একেবারে শেষ হয়ে গেল নাকি?”

    —”না, অজ্ঞান হয়ে গেছে বোধ হয়।”

    —”আচ্ছা, তা হলে আমি আলো জ্বালি।” বলেই সে ফস করে একটা দেশলাই জ্বেলে বাতি ধরালে। দেখলুম এ সেই লোকটা ইষ্টিমারে আর ইষ্টিশানে যে গোয়েন্দার মত পিছু নিয়ে আমার পানে তাকিয়েছিল।

    আমাকে তার পানে চেয়ে থাকতে দেখে সে হেসে বললে, ”কিহে স্যাঁঙাত, ফ্যাল—ফ্যাল করে তাকিয়ে আছ যে! আমাকে চিনতে পেরেচ নাকি?”

    আমি কোন জবাব দিলুম না। আমার বুকের উপরে তখনো একটা লোক চেপে বসেছিল। ঘরের আর এক কোণে বিমলের দেহ স্থির হয়ে পড়ে আছে, সে দেহে প্রাণের কোন লক্ষণ নেই! দরজা—জানলার দিকে তাকিয়ে দেখলুম—সব বন্ধ। তবে এরা ঘরের ভিতর এল কেমন করে?

    বাতি—হাতে লোকটা আমার কাছে এগিয়ে এসে বললে, ”ছোকরা, ভারী চালাক হয়েছ—না? যকের ধন আনতে যাবে? এখন কি হয় বল দেখি?”

    আমি ভয়ে ভয়ে বললুম, ”কে তোমরা?”

    —”অত পরিচয়ে তোমার দরকার কিহে বাপু?”

    —”তোমরা কি চাও?”

    —”পকেট—বই চাই—পকেট—বই। তোমার ঠাকুর—দাদার পকেট—বইখানা আমাদের দরকার। মড়ার মাথা আমরা পেয়েচি, এখন পকেট—বইখানা কোথায় রেখেচ বল।”

    এত বিপদেও মনে মনে আমি না হেসে থাকতে পারলুম না। এরা ভেবেছে সেই জাল মড়ার মাথা দিয়ে যকের ধন আনতে যাবে! পকেট—বইয়ের কথা এরা জানে! নিশ্চয় এরা করালীর লোক।

    লোকটা হঠাৎ আমাকে ধমক দিয়ে বললে, ”এই ছোকরা, চুপ কর আছ যে? শীগগির বল পকেট—বই কোথায়—নইলে, আমার হাতে কি, দেখচ?” সে কোমর থেকে ফস করে একখানা ছোরা বার করলে, বাতির আলোয় ছোরাখানা বিদ্যুতের মত জ্বল জ্বল ক’রে উঠল।

    আমি তাড়াতাড়ি বললুম, ”ঐ ব্যাগের ভেতর পকেট—বই আছে।”

    লোকটা বলল, ”হু, পথে এস বাবা, পথে এস। শম্ভু, ব্যাগটা খুলে দ্যাখ—তো!”

    শম্ভু, বিমলের দেহের পাশে বসে ছিল, লোকটার কথায় তড়াক করে লাফিয়ে উঠে ঘরের অন্য কোণে গিয়ে আমাদের বড় ব্যাগটা নেড়ে—চেড়ে বললে, ”ব্যাগের চাবি বন্ধ।”

    বাতি—হাতে লোকটা জিজ্ঞাসা করলে, ”ব্যাগের চাবি কোথায়?”

    আমি, কিছু বলবার আগেই বিমল হঠাৎ এক লাফে দাঁড়িয়ে উঠে বললে, ”এই যে, চাবি আমার কাছে”—বলেই সে হাত তুললে—তার হাতে বন্দুক!

    লোকগুলো যেন হতভম্ব হয়ে গেল! আমিও অবাক!

    বিমল বন্দুকটি বাগিয়ে ধরে বললে, ”যে আর এক—পা নড়বে তাকেই আমি গুলি করে কুকুরের মত মেরে ফেলব।”

    যার হাতে বাতি ছিল, হঠাৎ বাতিটা মাটির উপর ফেল দিলে—সমস্ত ঘর আবার অন্ধকার। সঙ্গে সঙ্গে আগুনের ঝলক তুলে দুম করে বিমলের বন্দুকের আওয়াজ হল, একজন লোক ”বাবারে গেছিরে” বলে চীৎকার করে উঠল, আমার বুকের উপর যে চেপে বসেছিল, সেও আমাকে ছেড়ে দিলে,—তারপরেই ঘরের দরজা খোলার শব্দ, বাঘার ঘেউ ঘেউ, রামহরির গলা। কি যে হল কিছুই বুঝতে পারলুম না, বিছানার উপরে উঠে আচ্ছন্নের মতন আমি বসে পড়লুম।

    বিমল বললে, ”কুমার, আলো জ্বালো—শীগগিরি!”

    আমি আমতা আমতা করে বললুম, ”কিন্তু—কিন্তু—”

    —”ভয় নেই, আলো জ্বালো, তারা পালিয়েচে!”

    কিন্তু আমাকে আর আলো জ্বালাতে হল না—রামহরি একটা লণ্ঠন হাতে করে তাড়াতাড়ি ঘরের ভিতরে এসে ঢুকল!

    ঘরের ভিতরে আমরা ছাড়া আর কেউ নেই!

    বিমল মেঝের দিকে হেঁট হয়ে পড়ে বললে, ”এই যে রক্তের দাগ। গুলি খেয়েও লোকটা পালাল। বোধ হয় ঠিক জায়গায় লাগেনি—হাত—টাত জখম হয়েছে।”

    রামহরি উদ্বিগ্ন মুখে বলল, ”ব্যাপার কি বাবু?”

    বিমল সে কথায় কান না দিয়ে বললে, ”কিন্তু জানলা—দরজা সব বন্ধ—অথচ ঘরের ভেতর শত্রু। ভারি আশ্চর্য্য তো!” তারপরে একটু থেমে, আবার বললে, ”ও বুঝেচি। নিশ্চয় আমরা যখন ও ঘরে খেতে গিয়েছিলুম, রাস্কেলরা তখনি ফাঁক পেয়ে এ—ঘরে ঢুকে খাটের তলায় চুপটি মেরে লুকিয়েছিল!”

    কথাটা আমারও মনে লাগল। আমি বললুম, ”ঠিক বলেচ। কিন্তু বিমল, তুমি তো অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলে, হঠাৎ কি করে দাঁড়িয়ে উঠলে?”

    বিমল বললে, ”আমি মোটেই অজ্ঞান হইনি, অজ্ঞান হওয়ার ভান করে চুপচাপ পড়েছিলুম। ভাগ্যে বন্দুকটা আমার বিছানাতেই ছিল!”

    এমন সময়ে বাঘা ল্যাজ নাড়তে নাড়তে ঘরের ভিতর এসে, আদর করে আমার পা চেটে দিতে লাগল। আমি দেখলুম বাঘার মুখে যেন কিসের দাগ। এ যে রক্তের মত! তবে কি বাঘা জখম হয়েছে? তাড়াতাড়ি তার মুখের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ভালো করে দেখে বুঝলাম, না অন্য কারুর রক্ত! বাঘা নিশ্চয় সেই লোকগুলোর কারুকে না কারুকে তার দাঁতের জোর বুঝিয়ে দিয়ে এসেছে!

    তারিফ করে তার মাথা চাপড়ে আমি বললুম, ”সাবাস বাঘা, সাবাস!” বাঘা আদরে যেন গলে গিয়ে, আমার পায়ের তলায় পড়ে গড়াগড়ি দিতে লাগল!

    বিমল বললে, ”এবার থেকে বাঘাকেও আমাদের সঙ্গে নিয়ে ঘুমবো! বাঘা আমাদের কাছে ঘরের ভিতর থাকলে এ বিপদ হয়ত ঘটত না।”

    আমি বললুম, ”তা তো ঘটত না, কিন্তু এখন ভবিষ্যতের উপায় কি? করালী নিশ্চয়ই আমাদের ছাড়ান দেবে না, এবারে তার চরেরা হয়তো দলে আরও ভারি হয়ে আসবে।”

    বিমল সহজ ভাবেই বললে, ”তা আসবে বৈকি!”

    আমি বললুম, ”আর এটাও মনে রেখো, কাল থেকে আমরা লোকালয় ছেড়ে পাহাড়ের ভেতর গিয়ে পড়ব! সেখানে আমাদের রক্ষা করবে কে!”

    বিমল বন্দুকটা ঠক করে মেঝের উপরে ঠুকে, একখানা হাত তুলে তেজের সঙ্গে বললে, ”আমাদের এই হাতই আমাদের রক্ষা করবে! যে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না, তাকে বাঁচাবার সাধ্য কারুর নেই!”

    —”কিন্তু।”

    —”আজ থেকে ‘কিন্তু’র কথা ভুলে যাও কুমার, ও হচ্ছে ভীরু, কাপুরুষের কথা!” বলেই বিমল এগিয়ে ঘরের একটা জানলা খুলে দিয়ে আবার বললে, ”চেয়ে দেখ কুমার!”

    জানলার বাইরে আমার চোখ গেল। নিঝুম রাতের চাঁদের আলো মেখে স্বর্গের মায়ার মত খাসিয়া পাহাড়ের স্থির ছবি আঁকা রয়েছে! চমৎকার, চমৎকার! শিখরের পর শিখরের উপর দিয়ে জ্যোৎস্নার ঝরনা রূপোলী লহর তুলে বয়ে যাচ্ছে—কোথাও আলো, কোথাও ছায়া—ঠিক যেন পাশাপাশি হাসি আর অশ্রু! বিভোর হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইলুম—এমন দৃশ্য আমি আর কখনো দেখিনি!

    বিমল বললে, ”কি দেখচ?”

    আমি বললুম, ”স্বপ্ন।”

    বিমল বললে, ”না, স্বপ্ন নয়—এ সত্য! তুমি কি বলতে চাও এই স্বর্গের দরজায় এসে আবার আমরা ফিরে যাব?”

    আমি মাথা নেড়ে বললুম, ”না বিমল, না,—ফিরব না, আমরা ফিরব না! আমার সমস্ত প্রাণ—মন ঐখানে গিয়ে লুটিয়ে পড়তে চাইচে! যকের ধন পাই আর না—পাই— আমি শুধু একবার ঐখানে যেতে চাই।”

    বিমল জানলাটা আবার বন্ধ করে দিয়ে বললে, ”কাল আমরা ওখানে যাব! আজ আর কোন কথা নয়, এস এবার নাক ডাকানো যাক!”—বলেই সে বন্দুকটা পাশে নিয়ে বিছানার উপরে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ল! খানিক পরেই তার নাকের গর্জ্জন সুরু হল। তার নিশ্চিত ঘুম দেখে কে বলবে যে, একটু আগেই সে সাক্ষাৎ যমের মুখে গিয়ে পড়েছিল! বিমলের আশ্চর্য্য সাহস দেখে আমিও সমস্ত বিপদের কথা মন থেকে তাড়িয়ে দিলুম। তারপর খাসিয়া পাহাড় আর যকের ধনের কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লুম, তা আমি জানি না।

    তেরো – খাসিয়া পাহাড়ে

    আমরা চেরাপুঞ্জি পার হয়ে অনেকদূর এগিয়ে এসেছি। চেরাপুঞ্জি থেকে শিলং সহর প্রায় ষোল ক্রোশ তফাতে! এই পথটা মোটর—গাড়ী করে যাওয়া যায়। আমরা কিন্তু ও—মুখো আর হলুম না। কারণ জানা—পথ ধরলে শত্রুপক্ষের সঙ্গে দেখা হবার সম্ভাবনা বেশী।

    পাহাড়ের পর পাহাড়—ছোট, বড়, মাঝারি। যেদিকে চাই কেবলি পাহাড়—কোন কোন পাহাড়ের শৃঙ্গের আকার বড় অদ্ভুত, দেখতে যেন হাতীর শুঁড়ের মত, উপরে উঠে তারা যেন নীলাকাশকে জড়িয়ে ধরে পায়ের তলায় ফেলতে চাইচে! পাহাড়গুলিকে দূর থেকে ভারি কঠোর দেখাচ্ছিল, কিন্তু কাছে এসে দেখছি সবুজ ঘাসের নরম মখমলে এদের গা কে যেন মুড়ে দিয়েছে। কত লতাকুঞ্জে কত যে ফুল ফুটে রয়েছে—হাজার হাজার চুনী—পান্না—হীরা—জহরতের মত তাদের ‘আহা—মরি’ রঙের বাহার—এ যে ফুলপরীদের নির্জ্জন খেলাঘর! কোথাও ছোট ছোট ঝরনা ঝিরঝির করে ঝরে পড়ছে, তারপর পাথরের পর পাথরের উপরে লাফিয়ে পড়ে ঘুমপাড়ানি গান গাইতে গাইতে চোখের আড়ালে তলিয়ে গিয়েছে! কোথাও পথের দু’পাশে গভীর খাদ, তার মধ্যে শত শত ডালচিনির গাছ আর লতা—পাতার জঙ্গল শীতের ঠাণ্ডা বাতাসে থেকে থেকে কেঁপে কেঁপে উঠছে,—সে—সব খাদের পাশ দিয়ে চলতে গেলে প্রতি পদেই ভয় হয়—এই বুঝি টলে পা ফসকে অতল পাতালের ভিতর অদৃশ্য হয়ে যাই! সবচেয়ে বিশেষ করে চোখে পড়ে সরল গাছের সার। এত সরল গাছ আমি আর কখনো দেখিনি—সমস্ত পাহাড়ই যেন তারা একেবারে দখল করে নিতে চায়! সে সব গাছে বেশী ডালপালা—পাতার জাল নেই; মাটি থেকে তারা ঠিক সোজা হয়ে উপরে উঠে যেন সদর্পে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে।

    নির্জ্জন পাহাড়, মাঝে মাঝে কখনো কেবল দু—একজন কাঠুরের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কাঠুরেরা জাতে খাসিয়া, তাদের চেহারার সঙ্গে গুর্খাদের চেহারার অনেকটা মিল আছে—নাক থ্যাবড়া, গালের হাড় উঁচু, চোখ বাঁকা বাঁকা, মাথা ছোট ছোট।

    এখানে এসে এক বিষয়ে আমরা নিশ্চিন্ত হয়েছি। এতদিনেও করালীর দলের আর কোন সাড়া—শব্দ পাইনি। আমরা যে পথ ছেড়ে এমন অপথ ধরব, নিশ্চয় তারা কল্পনা করতে পারেনি। হয়তো তারা এখন আমাদের ধরবার জন্যে শিলং সহরে গিয়ে খুঁজে মরছে। কেমন জব্দ!

    বিমল আজ দুটো বুনো মোরগ শিকার করেছে। সেই মোরগের মাংস কত মিষ্টি লাগবে তাই ভাবতে ভাবতে খুসি হয়ে পথ চলছি!

    পশ্চিম আকাশে সিঁদুর ছড়িয়ে সূর্য্য অস্ত গেল। আমি বললুম, ”বিমল, সারাদিন পথ চলে পা টাটিয়ে উঠেছে, ক্ষিদেও পেয়েছে খুব। আজকের মত বিশ্রাম করা যাক।”

    বিমল বললে, ”কেন কুমার, চারিদিকের দৃশ্য কি তোমার ভালো লাগছে না?”

    —”ভালো লাগচে না আবার, এতো ভালো লাগচে যে দেখে দেখে আর সাধ মিটচে না! কিন্তু এই ক্ষিদের মুখে রামপাখীর গরম মাংস এর চেয়ে ঢের ভালো লাগবে বলে মনে হচ্ছে!”

    এই বলাবলি করতে করতে আমরা একটা ছোট ঝরনার কাছে এসে পড়লুম। ঝরনার ঠিক পাশেই পাহাড়ের বুকে একটা গুহার মত বড় গর্ত্ত।

    বিমল বললে, ”বাঃ, বেশ আশ্রয় মিলেচে। এই গুহার ভিতরেই আজকের রাতটা দিব্যি আরামে কাটিয়ে দেওয়া যাবে। রামহরি, মোটঘাট এইখানেই রাখো।”

    আমাদের প্রত্যেকের পিঠেই কম—বেশী মোট ছিল, সবাই সেগুলো একে একে গুহার ভিতরে নামিয়ে রাখলুম।—গুহাটি বেশ বড়—সড়, আমাদের আরো চার—পাঁচজন লোক এলেও তার মধ্যে থাকবার অসুবিধা হত না।

    গুহার ভিতরটা ঝেড়ে—ঝুড়ে পরিষ্কার করে রামহরি বললে, ”খোকাবাবু, এইবার রান্নার উদ্যোগ করি?”

    বিমল বললে, ”হ্যাঁ—দাঁড়াও, আমি তোমাদের একটা মজা দ্যাখাচ্ছি, এখানে আগুনের জন্য কিছু ভাবতে হবে না!” এই বলে একটা কুড়ুল নিয়ে বেরিয়ে গেল!

    আমি আর রামহরি ছুরি নিয়ে তখনি মোরগ—দুটোকে রান্নার উপযোগী করে ছুলতে বসে গেলুম। বাঘাও সামনে দুই পায়ে ভর দিয়ে বসে ল্যাজ নাড়তে নাড়তে লোলুপ চোখে, ঘাড় বেঁকিয়ে একমনে আমাদের কাজ দেখতে লাগল, তার হাব—ভাবে বেশ বোঝা গেল, রামপাখীর মাংসের প্রতি তারও লোভ আমাদের চেয়ে কিছুমাত্র কম নয়!

    খানিক পরেই বিমল একরাশ কাঠ ঘাড়ে করে ফিরে এল! আমি বললুম, ”এলে তো খালি কতকগুলো কাঠ নিয়ে। এর মধ্যে মজাটা কি আছে?”

    —”এই দ্যাখ না” বলেই বিমল কিছু শুকনো পাতা জড়ো করে দেশলাইয়ের কাঠি দিয়ে আগুন জ্বাললে, তারপর একখানা কাঠ নিয়ে তার উপরে ধরতেই ধপ করে জ্বলে উঠল! বিমল কাঠখানা উঁচু করে মাথার উপরে ধরলে, আর সেটা ঠিক মশালের মতই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল!

    আমি আশ্চর্য্য হয়ে বললুম, ”বাঃ, বেশ মজার ব্যাপার তো! অত সহজে জ্বলে, ওটা কি কাঠ?”

    বিমল বললে, ”সরল কাঠ। এ কাঠে একরকম তেলের মত রস আছে, তাই এমন সুন্দর জ্বলে। এর আর এক নাম—ধূপকাষ্ঠ!”

    রামহরি সেদিন সরল কাঠেই উনুন ধরিয়ে রামপাখীর মাংস চড়িয়ে দিলে। আমরা দুজনে গুহার ধারে বসে গল্প করতে লাগলুম।

    তখন সন্ধ্যা উৎরে গেছে, একটা পাহাড়ের আড়াল থেকে চাঁদ—মামার আধখানা হাসিমুখ উঁকি মারছে—সেই আবছায়া—মাখা জ্যোৎস্নার আলোতে সামনের পাহাড়, বন আর ঝরনাকে কেমন যেন অদ্ভুত দেখাতে লাগল।

    বিমল হঠাৎ বললে, ”কুমার, তুমি ভূত বিশ্বাস কর?”

    আমি বললুম, ”কেন বল দেখি?”

    বিমল বললে, ”আমরা যাদের দেশে আছি, এই খাসিয়ারা অনেকেই ভূতকে দেবতার মত পুজো করে। ভূতকে খুশি রাখবার জন্যে খাসিয়ারা মোরগ আর মুর্গীর ডিম বলি দেয়। যে মুল্লুকে ভূতের এত ভক্ত থাকে, সেখানে ভূতের সংখ্যাও নিশ্চয়ই খুব বেশী, কি বল?”

    আমি বললুম, ”না, আমি ভূত মানি না।”

    বিমল বললে, ”কেন?”

    —”কারণ আমি কখনো ভূত দেখিনি। তুমি দেখেচ?”

    —”না, তবে আমি একটি ভূতের গল্প জানি।”

    —”সত্যি গল্প?”

    —”সত্যি—মিথ্যা জানি না, তবে যার মুখে গল্পটি শুনেছি, সে বলে এর আগাগোড়া সত্যি।”

    —”কে সে?”

    —”আমদের বাড়ীর পাশে একজন লোক বাড়ী ভাড়া নিয়ে থাকত, এখন সে উঠে গেছে। তার নাম ঈশান।”

    —”বেশ তো, এখনো রান্নার শেষ হতে দেরি আছে, ততক্ষণে তুমি গল্পটা শেষ করে ফেল—বিশ্বাস না হোক, সময়টা কেটে যাবে।”

    একটা বেজায় ঠাণ্ডা বাতাসের দমকা এল। দুজনেই ভালো করে র‌্যাপার মুড়ি দিয়ে বসলুম। বিমল এমন ভাবে গল্প সুরু করলে, ঈশানই যেন তা নিজের মুখে বলছে :—

    চৌদ্দ – মানুষ না পিশাচ

    [ ঈশানের গল্প ]

    আমাদের বাড়ী যে গ্রামে, তার ক্রোশ—দুয়েক তফাতেই গঙ্গা। কাজেই গাঁয়ে কোন লোক মারা গেলে, গঙ্গার ধারে নিয়ে গিয়েই মড়া পোড়ান হত।

    সেবারে ভোলার ঠাকুরমা যখন মারা পড়ল—তখন আমরা পাড়ার জনপাঁচেক লোক মিলে মড়া নিয়ে শ্মশানে চললুম। শ্মশানে পৌঁছাতে রাত বারোটা বেজে গেল।

    পাড়াগাঁয়ের শ্মশান যে কেমন ঠাঁই, সহরের বাসিন্দারা তা বুঝতে পারবেন না। এখানে গ্যাসের আলোও নেই, লোক—জন গোলমালও নেই। অনেক গাঁয়েই শ্মশানে কোন ঘরও থাকে না। খোলা, নির্জ্জন জায়গা, চারিদিকে বন—জঙ্গল, প্রতি পদেই হয়তো মড়ার মাথা আর হাড় মাড়িয়ে চলতে হয়। রাতে সেখানে গেলে খুব সাহসীরও বুক রীতিমত দমে যায়।

    আমাদের গাঁয়ের শ্মশান—ঘাটে একখানা হেলেপড়া দরজাভাঙা কোঠাঘর ছিল। তার মধ্যেই গিয়ে আমরা মড়া নামিয়ে রাখলুম।

    পাড়াগাঁয়ের শ্মশানে চিতার জ্বালানি—কাঠ তো কিনতে পাওয়া যায় না, কাজেই আশেপাশের বন—জঙ্গল থেকে কাঠ কেটে আনতে হবে।

    ভোলা বললে, ”আমি মড়া আগলে থাকি, তোমরা সকলে কাঠ আনো গে যাও!”

    আমি বললুম, ”একলা থাকতে পারবে তো?”

    ভোলা যেমন ডানপিটে, তার গায়ে জোরও ছিল তেমনি বেশী। সে অবহেলার হাসি হেসে বললে, ”ভয় আবার কি? যাও, যাও—দেরি করো না!”

    আমরা পাঁচজনে জঙ্গলে ঢুকে কাঠ কাটতে লাগলুম। একটা চিতে জ্বালাবার মত কাঠ সে তো বড় অল্প কথা নয়! কাঠ কাটতেই কেটে গেল প্রায় আড়াই ঘণ্টা; বুঝলাম আজ ঘুমের দফার ইতি,—মড়া পোড়াতেই সকাল হয়ে যাবে।

    সকলে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে, শ্মশানের দিকে যাচ্ছি, এমন সময়ে আমাদের একজন বলে উঠল, ”ওহে দ্যাখ দ্যাখ, শ্মশানের ঘরের মধ্যে কি—রকম আগুন জ্বলছে!”

    তাইতো, ঘরের ভিতর সত্যিই দাউ—দাউ করে আগুন জ্বলচে যে! অত্যন্ত আশ্চর্য্য হয়ে আমরা তাড়াতাড়ি এগিয়ে চললুম। ঘরের কাছ বরাবর আসতেই লণ্ঠনের আলোতে দেখলুম, মাটির উপরে কে—একজন উপুড় হয়ে পড়ে আছে। লোকটাকে উল্টে ধরে লণ্ঠনটা তার মুখের কাছে নামিয়ে দেখলুম, সে আর কেউ নয়—আমাদের ভোলা! তার মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা উঠেচে, সে একেবারে অজ্ঞান হয়ে গেছে!

    ভোলা এখানে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে, আর ওখানে ঘরের ভিতর আগুন জ্বলছে—এ কেমন ব্যাপার! সকলে হতভম্ব হয়ে ঘরের দিকটায় ছুটে গেলুম। কাছে গিয়ে দেখি, ঘরের দরজার কাছটায় কে তাল তাল মাটি এনে ঢিপির মত উঁচু করে তুলেছে, আরো খানিকটা উঁচু হলেই দরজার পথ একেবারেই বন্ধ হয়ে যেত! এ সব কি কাণ্ড কিছুই বুঝতে না পেরে আমরা ঘরের ভিতর উঁকি মেরে দেখলুম, এককোণে একরাশ কাঠ দাউ—দাউ করে জ্বলছে, একটা কাঁচা মাংস—পোড়ার বিশ্রী গন্ধ উঠেছে আর কোথাও মড়ার কোন চিহ্নই নেই।

    ভয়, বিস্ময় আর দুশ্চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে আমরা আবার ভোলার কাছে ফিরে এলুম। তার মুখে ও মাথায় অনেকক্ষণ ধরে ঠাণ্ডা জলের ঝাপটা দেবার পর আস্তে আস্তে সে চোখ চাইলে! তারপর উঠে বসে যা বললে, তা এই ঃ—

    ”তোমরা তো কাঠ কাটতে চলে গেলে, আমি মড়া আগলে বসে রইলুম। খানিকক্ষণ এমনি চুপচাপ বসে থাকতে থাকতে আমার কেমন তন্দ্রা এল। চোখ বুঁজে ঢুলচি, হঠাৎ থপ করে কি একটা শব্দ হল। চমকে জেগে উঠে চারিদিকে চেয়ে দেখলুম, কিন্তু কেউ কোথাও নেই। আমারই মনের ভ্রম ভেবে খাটের পায়াতে মাথা রেখে আবার আমি ঘুমোবার চেষ্টা করলুম।

    খানিকক্ষণ পরে আবার সেই থপ করে শব্দ! এবারে আমার সন্দেহ হল হয়তো মড়ার লোভে বাইরে শেয়াল—টেয়াল কিছু এসেছে! এই ভেবে অর চোখ খুললুম না—এমনি ভাবে আরো খানিকটা সময় কেটে গেল। ওদিকে সেই ব্যাপারটা সমানেই চলেছে—মাঝে মাঝে সব স্তব্ধ, আর মাঝে থপ করে শব্দ! শেষটা জ্বালাতন হয়ে আমি আবার চোখ চাইতে বাধ্য হলুম। কিন্তু একি! ঘরের দরজার সামনেটা যে মাটিতে প্রায় ভরতি হয়ে উঠেছে,—আর একটু পরেই আমার বাইরে যাবার পথও যে একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে! কে এ কাজ করলে, এ তো যে সে কথা নয়! আমার ঘুমের ঘোর চট করে কেটে গেল, সেই কাঁচা—মাটির পাঁচিল টপকে তখনই আমি বাইরে বেরিয়ে পড়লুম।

    চাঁদের আলোয় চারিদিকে ধবধব করছে। ঘর আর গঙ্গার মাঝখানে চড়া। এদিকে—ওদিকে চাইতেই দেখলুম, খানিক তফাতে একটা ঝাঁকড়া—চুলো লোক হেঁট হয়ে একমনে দুই হাতে ভিজে মাটি খুঁড়ছে! বুঝলাম তারই এই কাজ। কিন্তু এতে তার লাভ কি? লোকটা পাগল নয় তো?

    ভাবছি এদিকে সে আবার একতাল মাটি নিয়ে ঘরের দিকে অগ্রসর হল। মস্ত লম্বা চেহারা, মস্ত লম্বা চুল আর দাড়ি, একরকম উলঙ্গ বললেই হয়—পরণে খালি এক টুকরো কপনি! সে মাথা নীচু করে আসছিল, তাই আমাকে দেখতে পেলে না। কিন্তু সে কাছে আসবামাত্র আমি তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালুম।

    সে তখন মুখ তুলে আমার দিকে চাইলে—উঃ, কি ভয়ানক তার চোখ, ঠিক যেন দুখানা বড় বড় কয়লা দপদপ করে জ্বলছে। এমন জ্বলন্ত চোখ আমি জীবনে কখনো দেখিনি।

    ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাসা করলুম, ”কে তুমি?”

    উত্তরে মাথার ঝাঁকড়া চুলগুলো ঝাঁকুনি দিয়ে নেড়ে সে এমন এক ভুতুড়ে চীৎকার করে উঠল যে আমার বুকের রক্ত যেন বরফ হয়ে গেল। মহা আতঙ্কে প্রাণপণে আমি দৌড় দিলুম, কিন্তু বেশীদূর যেতে না যেতে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলুম। তারপর আর কিছু আমার মনে নাই।”

    ভোলার কথা শুনে বুঝলাম, সে লোকটা পিশাচ ছাড়া কিছু নয়! দুষ্ট প্রেতাত্মারা সুবিধা পেলেই মানুষের মৃতদেহের ভিতরে ঢুকে তাকে জ্যান্ত করে তোলে। মরা মানুষ এই ভাবে জ্যান্ত হলেই তাকে পিশাচ বলে। এই রকম কোন পিশাচই ভোলার ঠাকুরমার দেহকে আগুন জ্বেলে আধপোড়া করে খেয়ে গেছে। ভোলাকেও নিশ্চয় সে ফলার করবার ফিকিরে ছিল, কেবল আমরা ঠিক সময়ে এসে পড়াতেই এ যাত্রা ভোলা কোন গতিকে বেঁচে গেল।

    সেবারে আমাদের আর মড়া পোড়াতে হল না!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকলকাতার রাত্রি রহস্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article কিশোর রহস্য উপন্যাস – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }