Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট

    মাইকেল এইচ. হার্ট এক পাতা গল্প981 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪০. ত্যাগরাজ (১৭৬৭–১৮৪৭)

    পাশ্চাত্য সঙ্গীতের ইতিহাসে যেমন বিঠোফেন মোৎসার্টের নাম শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হয়, ভারতীয় সঙ্গীতের জগতে তেমনি এক মহান পুরুষ ত্যাগরাজ। ভারতীয় সঙ্গীতের অতলান্ত সৌন্দর্যকে তিনি তুলে ধরেছিলেন সাধারণ মানুষের কাছে। তার জীবনে সঙ্গীত আর ধর্ম মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল। এই সাধক সঙ্গীতশিল্পীর জন্ম দক্ষিণ ভারতের তাঞ্চোর জেলার তিরুভারুর নগরে। জন্ম তারিখ ৪ঠা মে ১৭৬৭ সাল। যদিও জন্ম তারেখ নিয়ে বিতর্ক আছে। শোনা যায় ত্যাগরাজের পিতা রাম ব্ৰহ্মণকে স্বপ্নে দেখা দিয়ে বলেন, তিনি খুবই শ্রীঘ্রই একটি পুত্র সন্তানের পিতা হবেন, এই পুত্র সঙ্গীত সাহিত্য ক্ষেত্রে মহাকীর্তিমান হবে।

    ত্যাগরাজের পিতা রাম ব্রাহ্মণ ছিলেন বিদ্বান ধার্মিক সৎ মানুষ। ছেলেবেলায় রামনবমী উৎসবের সময় ত্যাগরাজ বাবার সাথে গিয়ে রামায়ণ পড়তেন। তাঞ্জোরের রাজা রাম ব্ৰহ্মণকে খুব শ্রদ্ধা করতেন। তিনি কিছু জমি আর একটি বাড়ি দিয়ে যান। এইটুকুই ছিল তাঁর সম্পত্তি।

    ত্যাগরাজের মা সীতামামার কণ্ঠস্বর ছিল অপূর্ব। ত্যাগরাজের সঙ্গীতশিক্ষা শুরু হয় তাঁর মায়ের কাছে। সীতামামার ছিলেন সৎ উদার স্নেহশীলা। মায়ের এই সব চারিত্রিক গুণগুলো ত্যাগরাজের জীবনকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছিল।

    ত্যাগরাজের শিক্ষা শুরু হয় তাঁর পিতার কাছে। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ভর্তি হলেন তিরুভাইয়ের সংস্কৃত স্কুলে। ছেলেবেলা থেকেই তাঁর মধ্যে ফুটে উঠেছিল কবি প্রতিভা। যখন তিনি ছয় বছরের বালক, ঘরের দেওয়ালে প্রথম কবিতা লেখেন। তারপর থেকে নিয়মিতভাবেই তিনি কবিতা রচনা করতেন। এই সব কবিতাগুলোর মধ্যে শিশুসুলভ সরলতা থাকলেও তাঁর প্রতিভার প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয় কয়েকজন পণ্ডিত ত্যাগরাজের কবিতা পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন।

    বাবা যখন ভজন গাইতেন তিনিও তার সাথে যোগ দিতেন। অন্য সব গানের চেয়ে ভজন তাকে বেশি আকৃষ্ট করত। এই সময় তিনি দুটি ভজন রচনা করেন “নমো নমো রাঘবায়” ও “তব দাসোহম”–এই দুটি ভজন পরবর্তীকালে খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল।

    ত্যাগরাজের বাবা প্রতিদিন সকালে পূজা করতেন। তাঁর পূজার ফুল আনবার জন্য ত্যাগরাজ কিছুদূরে একটি বাগানে যেতেন। পথের ধারে সেন্টি বেঙ্কটরমানাইয়ারের বাড়ি। বেঙ্কটরমনাইয়ার ছিলেন নামকরা সঙ্গীত গুরু। বাড়িতে নিয়মিত ছাত্রদের সঙ্গী শিক্ষা দিতেন। ত্যাগরাজ বেঙ্কটরমনাইয়ার বাড়ির সামনে এলেই দাঁড়িয়ে পড়তেন। গভীর মনোযোগ সহকারে তাঁর গান শুনতেন। একদিন রাম ব্ৰহ্মণের ব্যাপারটি নজরে পড়ল। তিনি বেঙ্কটরমনাইয়ের উপর ছেলের সঙ্গীতশিক্ষার ভার দিলেন।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষা
    বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    সঙ্গীত ত্যাগরাজের ছিল স্বভাবসিদ্ধ প্রতিভা। অল্পদিনের মধ্যেই গুরুর যা কিছু বিদ্যা ছিল তা আত্মস্থ করে নিলেন।

    আরও দেখুন
    বই
    বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বইয়ের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Books
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    ত্যাগরাজের শৈশব কৈশোর কেটেছিল সঙ্গীত ও সাহিত্য শিক্ষার পরিবেশের মধ্যে বাবা-মায়ের কাছে একদিকে তেমনি সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা করতেন বাবার সাথে। মহাকাব্য পুরাণ সঙ্গীত বিষয়ক বিভিন্ন রচনার সাথে অল্প বয়সেই পরিচিত হয়ে ওঠেন। উত্তরকালে সঙ্গীত বিষয়ে যে সব রচনা প্রকাশ করেছিলেন, প্রথম জীবনেই তার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।

    সে যুগের সঙ্গীত শিল্পীদের সঙ্গীতশাস্ত্র সম্বন্ধে কোন জ্ঞান ছিল না। তাই তাদের গানের মধ্যে নানান ব্যাকরণগত ভুল-ত্রুটি লক্ষ্য করা যেত। ত্যাগরাজ প্রথম রাগসঙ্গীতকে সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে চালিত করে সঠিক পথে নিয়ে আসেন।

    ত্যাগরাজের পিতার আর্থিক অবস্থা ভাল ছিল না। তাই উত্তাধিকারসূত্রে বাড়ির অংশ ছাড়া আর কিছুই পাননি। কিন্তু তার জন্যে ত্যাগরাজের জীবনে কোন ক্ষোভ ছিল না। প্রকৃতপক্ষে তার জীবন ছিল সহজ সরল মহৎ আদর্শের সেবায় উৎসর্গীকৃত। নিজের, সংসারের ও শিষ্যদের ভরণপোষণের জন্য সামান্য কিছু জমি আর ভিক্ষাবৃত্তির উপরেই প্রধানত নির্ভরশীল ছিলেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার

    ১৮ বছর বয়সে ত্যাগরাজের বিবাহ হয়। স্ত্রী ছিলেন ত্যাগরাজের যোগ্য সহধর্মিণী। ত্যাগরাজের খ্যাতির কথা শুনে তাঞ্জোরের মহারাজা তাঁকে নিজের সভাগায়ক হিসাবে আমন্ত্রণ জানান। দক্ষিণ ভারতের তাঞ্জোর সঙ্গীতের ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য স্থান। বহু মহান সঙ্গীত শিল্পী এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। প্রায় তিনশো বছর ১৬০০-১৯০০ ধরে তাঞ্জোর ছিল সঙ্গীতের পীঠস্থান। এখানকার রাজারা ছিলেন সঙ্গীতের প্রধান পৃষ্ঠস্থান। কিন্তু রাজপরিবারের কোন সম্মানের প্রতি তার সামান্যতম আকর্ষণ ছিল না তাই এই লোভনীয় প্রস্তাব তিনি হেলায় প্রত্যাখ্যান করেন। অর্থের লালসাকে তিনি ঘৃণা করতেন।

    তাঁর বাড়িতে সব সময়েই শিষ্য, গায়ক, পণ্ডিতদের ভিড় লেগেই থাকত। এদের কেউ থাকত কয়েকদিন, কেউ কয়েক সপ্তাহ আর কেউ কয়েক মাস। এদের ভরণপোষণের জন্য সপ্তাহে একদিন ভিক্ষায় বার হবেন ত্যাগরাজ। তাঞ্জোরের মানুষ তাকে এত সম্মান করত, একদিনের ভিক্ষায় যা পেতেন তাতেই ভালভাবে সমস্ত সপ্তাহের ব্যয় মেটাতে পারতেন।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা কমিকস
    PDF
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা অডিওবুক
    গ্রন্থাগার
    বই
    বুক শেল্ফ

    তার এই ভিক্ষাবৃত্তি ছিল বড় অদ্ভুত। কোন গৃহের দ্বারে যেতেন না। পথ দিয়ে ভজন গাইতে গাইতে হাঁটতেন। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল যেমন উদাত্ত তেমনি মধুর। চারদিকে এক স্বর্গীয় পরিমণ্ডল সৃষ্টি হত। পথের দুপাশের গৃহস্থরা যার যা সামর্থ্য ছিল, ভক্তিভরে এসে দিত ত্যাগরাজকে।

    ত্যাগরাজ তখন সবেমাত্র যৌবনে পা দিয়েছেন। একদিন কাঞ্চিপুরম থেকে হরিদাস নামে এক ব্যক্তি তাকে ৯৬ কোটি বার রামনাম জপ করতে বলেন। ত্যাগরাজের মনে হল এ ঈশ্বরের আদেশ-একে কোনভাবেই লঙ্ঘন করা যাবে না। তারপর থেকে দীর্ঘ ২১ বছর তিনি প্রতিদিন ১,২৫, ০০০ বার করে রামনাম জপ করতেন। তার স্ত্রীও তার সাথে এইভাবে জপ করতেন। শোনা যায় মাঝে মাঝে জপ করতে করতে একসময় এত আত্মমগ্ন হয়ে যেতেন, তখন তার মনে হত স্বয়ং রাম যেন তার সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন। তিনি দু চোখ মেলে তাকে প্রত্যক্ষ করতেন। মনের এই অনুভূতিতে তিনি রচনা করেছিলেন একটি বিখ্যাত গান “কানু গোন্টিনি” (আমি দেখা পেয়েছি)। মাঝে মাঝে যখন শ্রীরামের দর্শন পেতেন না, তার সমস্ত মন বেদনায় ভরে উঠত। এমনি এক সময়ে লিখেছিলেন “এলা নি দাইয়া রাহু”–তুমি কেন আমার প্রতি সদয় নও।

    ক্রমশই ত্যাগরাজের খ্যাতি তাঞ্জোরের সীমানা ছাড়িয়ে দূর-দূরান্তরে ছড়িয়ে পড়ছিল। তাঁর রচিত গান বিভিন্ন অঞ্চলের গায়কেরা গাইতে আরম্ভ করল। শিক্ষার ব্যাপারে প্রাচীন কালের সঙ্গীত শিক্ষকদের মধ্যে লক্ষ্য করা যেত সংকীর্ণ গোঁড়ামি। তারা নিজেদের সঙ্গীতকলাকে শুধুমাত্র সন্তান আর শিষ্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখত। কিন্তু

    ত্যাগরাজ ছিলেন সমস্ত সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে।

    যখন তার খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে, দূর-দূরান্ত থেকে সঙ্গীতজ্ঞরা তাঁর কাছে আসত তাঁকে দর্শন করতে তিনি তাদের নিজের গৃহে আমন্ত্রণ করতেন, সেবা করতেন, নতুন গান যা তিনি রচনা করতেন তা শেখাতেন।

    ত্যাগরাজ গানের সঙ্গে বীণা বাজাতেন। এই বীণাটিকে তিনি প্রত্যহ পূজা করতেন, গান শেষ হলে বীণাটি থাকত তাঁর পূজার ঘরে।

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বই
    পিডিএফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কমিকস

    ত্যাগরাজের জীবন কাহিনী অবলম্বন করে বহু অলৌকিক প্রচলিত। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হল স্বরার্ণব (ঈশ্বরের অনুগ্রহে প্রাপ্ত)। এই গ্রন্থে শিব ও পার্বতীর কথোপকথনের মধ্যে দিয়ে সঙ্গীত বিষয়ে নানান আলোচনা করা হয়েছে। এই স্বরার্ণব গ্রন্থটি নাকি স্বয়ং নারদ ত্যাগরাজকে উপহার দিয়েছিলেন।

    একটি কাহিনী প্রচলিত যে এক সন্ন্যাসী ত্যাগরাজের বাড়িতে এসে তার গান শুনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে কিছু পুঁথি দিয়ে যান। রাওতে ত্যাগরাজ স্বপ্ন দেখলেন স্বয়ং দেবর্ষি তাঁর সামনে এসে বলছেন, তোমার গানে আমি তৃপ্ত হয়েছি, তাই পুঁথিগুলো রেখে গেলাম। এর থেকে তুমি নতুন পুঁথি রচনা কর। সেই সব পুঁথি থেকে রচিত হয় ‘স্বরার্ণব।

    ত্যাগরাজের জীবনে এই ধরনের ঘটনা আরো কয়েকবার ঘটেছে। যখনই তিনি গভীর কোন সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন, কোন অলৌকিক শক্তির কৃপায় রক্ষা পেয়েছেন। যখন তিনি মাত্র পাঁচ বছরের বালক, গুরুতর অসুখে পড়েন, সকলেই তাঁর জীবনের আশা ছেড়ে দিয়েছিল, এমন সময় এক সন্ন্যাসী এসে ত্যাগরাজের বাবাকে বললেন, কোন চিন্তা করো না, তোমার পুত্র কয়েকদিনেই সুস্থ হয়ে উঠবে। পরদিনই একেবারে সুস্থ হয়ে গেলেন ত্যাগরাজ।

    জীবনে শুধু ঈশ্বর অনুগ্রহ পাননি ত্যাগরাজ। তাঁর জীবনও ঈশ্বরের মতই পবিত্র। তাঁকে দেখে মনে হত সাক্ষাৎ যেন পুরাকালের কোন ঋষি–স্থির শান্ত নম্র। চোখে-মুখে সর্বদাই ফুটে উঠত এক পবিত্র আভা। যে মানুষই তাঁর সান্নিধ্যে আসত তারাই মুগ্ধ হয়ে যেত ঔদার্যপূর্ণ ব্যবহারে। কেউ যদি কখনো তার সাথে রূঢ় আচরণ করত, তাঁর প্রতিও তিনি ছিলেন উদার। কখনো তার মুখ দিয়ে একটিও কটু বাক্য বার হত না। তিনি বলতেন, যাই হোক না কেন সর্বদাই সত্যের পথ আঁকড়ে ধরে থাক। ঈশ্বরের করুণা একদিন না একদিন তোমার উপর বর্ষিত হবেই।

    ত্যাগরাজের জীবনের দু একটি ঘটনার বিবরণ থেকে তাঁর উদার মহৎ চরিত্রের ধারণা পাওয়া যায়। ত্যাগরাজের সময়ে একজন বিখ্যাত শিল্পী ছিলেন ত্রিভুবন সীতারামাইয়া। সীতারামাইয়ার সবচেয়ে প্রিয় ছিল আনন্দ ভৈরবী রাগ। এই রাগটি ছিল অপূর্ব এবং এই রাগের উপর কয়েকটি গানও লিখেছিলেন। ত্যাগরাজের শিষ্যরা সীতারামাইয়ার কণ্ঠে আনন্দ ভৈরবী শুনে মুগ্ধ হয়ে গুরুকে গিয়ে বললেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই পড়ুন
    Library
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

    একদিন সীতারামাইয়ের কণ্ঠে আনন্দ ভৈরবী শোনবার জন্যে একটি অনুষ্ঠানে এলেন ত্যাগরাজ। তাঁকে দেখা মাত্রই উপস্থিত দর্শকরা তাঁকে মঞ্চের কাছে যাবার পথ করে দিল। তখন সীতারামাইয়া আনন্দ ভৈরবী গাইছিলেন। ত্যাগরাজকে দেখামাত্রই তিনি গান থামিয়ে মঞ্চ থেকে নেমে এসে ত্যাগরাজের পায়ে লুটিয়ে পড়লেন। “আপনার মত সঙ্গীতসাধক যেখানে উপস্থিত সেখানে আমি কেমন করে গাইব!”

    ত্যাগরাজ তাকে তুলে ধরে বললেন, “তোমার আনন্দ ভৈরবী শুনে আমি মুগ্ধ হয়েছি। এমন মধুর সঙ্গীত বহুদিন শুনিনি।”

    ত্যাগরাজের কথা শুনে সীতারামাইয়া বললেন, “আপনার কাছে আমার একটি প্রার্থনা আছে।”

    ত্যাগরাজ বললেন, “আমি আগেই তোমার প্রার্থনা মঞ্জুর করলাম, এবার বল কি তোমার প্রার্থনা।”

    সীতারামাইয়া বললেন, “আপনি কোনদিন আনন্দ ভৈরবী রাগে সঙ্গীত রচনা করবেন না। ভবিষ্যতে যদি কেউ কোনদিন এর কারণ জানতে চায় তবে আপনার সাথে আমার নামটিও উচ্চারিত হব।”

    সীতারামাইয়ার এই অদ্ভুত প্রস্তাব শুনে সকলে বিস্মিত হল। শিষ্যদের মধ্যে কয়েকজন ক্রুদ্ধ হল। কিন্তু ত্যাগরাজের মধ্যে কোন ভাবান্তর দেখা গেল না, হাসিমুখেই তিনি বললেন, “তোমার প্রার্থনা আমি পূরণ করব।”

    ভবিষ্যতে আর কোন দিন তিনি আনন্দ ভৈরবী রাগে কোন গান রচনা করেননি। এবং ইতিপূর্বে যে গান রচনা করেছিলেন তাও আর কাউকে শেখাননি।

    আর একবার এক গরীব দারোয়ানের শখ হল সে ত্যাগরাজের কাছে একটি ভজন শিখবে। কিন্তু দেখা গেল তার কন্টস্বর, ত্যাগরাজের রচিত যে সব ভজন ছিল তা গাইবার উপযুক্ত নয়, তখন ত্যাগরাজ অত্যন্ত সহজ একটি গান লিখে “নী দয়াচে” ( তোমার কৃপায়) তা দারোয়ানকে শিখিয়ে দিলেন।

    ত্যাগরাজ যে বীণাটি বাজাতেন তা অত্যন্ত পবিত্রভাবে রাখতেন। কেউ তার বীণাটি স্পর্শ করত না। ত্যাগরাজের এক শিষ্য ছিল কুপ্পায়ার। তিনি বীণাবাদনে খুবই দক্ষ ছিলেন। কিন্তু সে কথা কোনদিন ত্যাগরাজের কাছে প্রকাশ করেননি। তার খুব ইচ্ছা ছিল একেবার গুরুর বীণাটি বাজাবেন। একদিন ত্যাগরাজ কোথাও গিয়েছিলেন। সেই সুযোগে কুপ্পায়ার তার পূজার ঘরে ঢুকে বীণা বাজাতে আরম্ভ করলেন। অল্পক্ষণের মধ্যে

    গভীর সুরের জগতে হারিয়ে গেলেন কুপ্পায়ার। কিছুক্ষণ পর বাড়িতে ফিরে এলেন ত্যাগরাজ। তাঁর পূজার ঘর থেকে অপূর্ব বীণার ধ্বনি শুনে বিস্মিত হয়ে ঘরে ঢুকতেই কুপ্পায়ার বীণা নামিয়ে ত্যাগরাজের পায়ের উপর লুটিয়ে পড়লেন। আপনার অনুমতি ছাড়া আপনার বীণা স্পর্শ করেছি, আমাকে ক্ষমা করুন।

    ত্যাগরাজ তাকে কাছে ডেকে বললেন, তুমি এমন অপূর্ব বীণা বাজাও অথচ আমাকে বলনি। এবার থেকে প্রত্যহ বীণা বাজাবে।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা অডিওবুক
    সাহিত্য পত্রিকা
    PDF
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    বই

    ত্যাগরাজের এই মহত্ত্বতা উদারতায় সকলেই মুগ্ধ হত। সে যুগের এক বিখ্যাত কবি নরসিংহ দাস একটি কবিতায় লিখেছেন, “ত্যাগরাজের মত রামভক্ত দ্বিতীয় কেউ নেই।”

    তামিল ভাষায় এক বিখ্যাত গীতিকার হলেন গোপালকৃষ্ণ ভারতী। তখন গোপালকৃষ্ণ সামান্য কয়েকটি মাত্র ভজন রচনা করেছেন। একদিন বহুদুর পথ অতিক্রম করে এলেন ত্যাগরাজের গৃহে। অতিথিকে স্বাগত জানিয়ে তাগরাজ প্রশ্ন করলেন, আপনি কোথা থেকে। ত্যাগরাজ তার কথা শুনে বললেন, আপনি কি সেখানকার গোপালকৃষ্ণ জবাব দিলেন মায়াভরম থেকে। ত্যাগরাজ তার কথা শুনে বললেন, আপনি কি সেখানকার গোপালকৃষ্ণ ভারতাঁকে চেনেন যিনি অপূর্ব সব ভজন রচনা করেছেন?

    তাঁর মত একজন নগণ্য কবিকে ত্যাগরাজের মত মহান শিল্পী এভাবে সম্মান জানবেন তা কল্পনা করতে পারেননি গোপালকৃষ্ণ। তিনি ত্যাগরাজের পদধূলি নিয়ে বললেন, আমিই সেই অধম কবি গোপালকৃষ্ণ। ত্যাগরাজের প্রশংসা অনুপ্রেরণায় পরবর্তীকালে গোপালকৃষ্ণ তামিল ভাষায় বহু বিখ্যাত ভজন রচনা করেছিলেন।

    ত্যাগরাজ সচরাচর কোথাও যেতেন না। একবার কাঞ্চিপুর থেকে উপনিষধ বাহ্মণ নামে পণ্ডিত ব্যক্তি ত্যাগরাজকে একটি চিঠি লিখলেন।

    তুমি আমার আশীর্বাদ নিও। আমি ছিলাম তোমার পিতার সহপাঠী বন্ধু। বহু মানুষের কাছে তোমার অসাধারণ সৃষ্টির কথা শুনেছি। তাই তোমাকে দেখবার জন্য আমার সমস্ত মন ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। আমার বয়েস একশো বছরের বেশি তাই তিরুভাইয়ারে গিয়ে তোমার সঙ্গে দেখা করার সামর্থ্য নেই। সেই কারণে তোমাকে আমার গৃহে আসবার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। পিতৃবন্ধুর এই আমন্ত্রণ অগ্রাহ্য করতে পারলেন না ত্যাগরাজ। শিষ্যদের সাথে নিয়ে রওনা হলেন কাঞ্চির দিকে। কাঞ্চিপুর কয়েকদিন কাটিয়ে ত্যাগরাজ এলেন তিরুপতিতে।

    সেখানে মন্দির দর্শনের জন্য ৭ মাইল পাহাড়ি চড়াই ভাঙতে হত। যখন পাহাড়ের চুড়ায় এসে পৌঁছলেন তখন মন্দিরের দেবতার বিগ্রহের সামনে পর্দা পড়ে গিয়েছে। তার মনে হল ঐ পর্দা মানুষের মনের অহংকরের রূপ। তিনি পর্দার সামনে বসে স্বরচিত গান গাইতে আরম্ভ করলেন “কেন তুমি পর্দা সরাচ্ছ না।” দেবতাকে দেখার আকুল আকাঙ্ক্ষা ফুটে ওঠে তার গানের প্রতিটি ছত্রে। শোনা যায় ত্যাগরাজের গান শেষ হতেই ঠাকুরের সামনের পর্দা আপনা থেকেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।

    ত্যাগরাজ দেবতা বেঙ্কটেশ্বর-এর মূর্তি দর্শন করে সাথে সাথে আর একটি গান রচনা করে কল্যাণী রাগে গেয়ে উঠলেন, “তোমার মহিমা প্রকাশ করা কি আমার দ্বারা সম্ভব।”

    ত্যাগরাজ যখন যেখানে যেতেন সেখানেই কোন না কোন রাগের উপর ভিত্তি করে গান রচনা করতেন। এই সব গানের মধ্যে একদিকে যেমন ফুটে উঠত তার কবিত্বশক্তি অন্যদিকে তাঁর ঈশ্বরভক্তি।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কবিতা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস

    ত্যাগরাজ তার ভ্রমণ শেষ করে ফিরে চলেছেন গৃহের পথে। তার এক প্রিয় ভক্ত এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি ত্যাগরাজের অজান্তেই পালকিতে রেখে দিয়েছিল। দু একজন শিষ্য শুধু সে কথা জানত। পথ চলতে চলতে সেই অর্থের কথা জানতে পেরে ত্যাগরাজ বললেন, এই অর্থ নিজেদের জন্য ব্যয় করা হবে না। রামনবমী উৎসবে গরীব দুঃখীদের জন্য ব্যয় করা হবে।

    পথে নাগলাপুর বলে এক জায়গায় সকলে এসে পড়ল। সেখানে ছিল ভীষণ ডাকাতের ভয়। পালকি দেখেই ডাকাতেরা পিছু নিল–শিষ্যরা ভয় পেয়ে বলল, গুরুদেব এখন কি হবে? ঐ ১০০০ স্বর্ণমুদ্রা যে আমাদের কাছে রয়েছে।

    ত্যাগরাজ বললেন, ঐ স্বর্ণমুদ্রা ওদের দিয়ে দাও। একজন শিষ্য বললেন, তাহলে রামনবমী উৎসব কেমন করে হবে? ত্যাগরাজ বললেন, যার উৎসব তিনিই সে কথা ভাববেন। আমরা ভাববার কে?

    টাকা দিলেও যে ডাকাতেরা কোন ক্ষতি করবে না এমন নিশ্চয়তা ছিল না। তখন ত্যাগরাজ তার গান শুরু করলেন। হে রাম, তুমি লক্ষ্মণকে সাথে নিয়ে আমাদের উদ্ধার কর।

    ডাকাদের দল প্রায় ত্যাগরাজের কাছাকাছি এসে পড়েছিল হঠাৎ কোথা থেকে ঝাঁকে ঝকে তাদের উপর তীর বর্ষণ হতে আরম্ভ করল। তারা চেয়ে দেখে দুটি ছোট ছেলে তীরধনুক হাতে ত্যাগরাজকে রক্ষা করছে।

    ডাকাতদলও দূর হতে তাদের অনুসরণ করে চলল। সকালবেলায় ত্যাগরাজ এসে উঠলেন এক মন্দিরে। আর ডাকাতদের কি মনে হল কে জানে তারা সব অস্ত্র ফেলে দিয়ে ত্যাগরাজের কাছে জিজ্ঞাসা করল, কাল রাতের ঐ বালক দুটি কে?

    ত্যাগরাজের মনে হল ও স্বয়ং রাম-লক্ষ্মণ ছাড়া আর কেউ নয়। তিনি ডাকাতদের বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন, তোমরা কত ভাগ্যবান, তোমরা স্বয়ং বালক শ্রীরামের দর্শন পেয়েছ। ত্যাগরাজের সংস্পর্শে এসে ডাকাতদের জীবনের বিরাট পরিবর্তন হয়ে গেল। তারা ডাকাতি ছেড়ে দিয়ে চাষবাস আরম্ভ করল।

    গুরু ত্যাগরাজ ও সঙ্গীত শিক্ষক হিসাবে ত্যাগরাজ ছিলেন অসাধারণ। তাঁর মত এত শিষ্য পৃথিবীর ইতিহাসে বোধহয় আর কোন গুরুরই ছিল না। এদের মধ্যে বহু শিষ্যই উত্তরকালে গীতিকার গায়ক হিসাবে খ্যাতিলাভ করে। এইভাবে শিষ্য পরম্পরায় ত্যাগরাজের সঙ্গীত ধারা সমগ্র দক্ষিণ ভারতে ছড়িয়ে পড়েছিল।

    ত্যাগরাজ সকলকে একইভাবে শিক্ষা দিতেন না। যার যেমন সামর্থ্য যোগ্যতা প্রতিভা, তাকে তেমনিভাবেই শিক্ষা দিতেন। যদি দেখতেন তার উপযুক্ত সঙ্গীত নেই তখন তিনি নিজেই গীত রচনা করতেন। সাধারণত দুজন শিষ্যকে একসাথে শিক্ষা দিতেন। সমস্ত জীবন ধরে ত্যাগরাজ বিভিন্ন রাগের উপর অসংখ্য গান রচনা করেছেন। এই সব গান প্রথমে তিনি তার কয়েকজন কৃতি ছাত্রকে মুখে মুখে শিখিয়ে দিতেন তারপর তারা অন্যদের শেখাত।

    ত্যাগরাজের ত্রিশজন শ্রেষ্ঠ ছাত্রের মধ্যে একজন ছিলেন বেঙ্কটরমন। তিনি ত্যাগরাজের সমস্ত রচনাকে লিপিবদ্ধ করে যান। এছাড়াও তিনি ত্যাগরাজের জীবনের বহু উল্লেখযোগ্য ঘটনা লিখে গিয়েছেন।

    গীতিকার ত্যাগরাজ ও ভগীরথ যেমন গঙ্গাকে মর্ত্যে আনয়ন করেছিলেন, ত্যাগরাজ তেমনি সঙ্গীতের প্রবাহিনী ধারাকে নিয়ে যে সঙ্গীত রচনা করেছেন তা স্বতস্ফূর্তভাবেই তার মধ্য থেকে উৎসারিত হত। ত্যাগরাজের সময়কে বলা যেতে পারে দক্ষিণ ভারতের সঙ্গীতের স্বর্ণযুগ। একই সময় একাধিক গীতিকারের জন্ম হয়েছিল দক্ষিণ ভারতে কিন্তু ত্যাগরাজের প্রতিভার পাশে সকলেই নিষ্প্রভ হয়ে গিয়েছিল।

    ভারতের আধ্যাত্মিক গৌরব ও ঐতিহ্যকে তিনি সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ করেছেন। তাঁর প্রতিটি গানে রয়েছে সুললিত ভাষা আর ছন্দ। শুধুমাত্র সাহিত্যকীর্তি হিসাবেও তার মূল্য অসীম।

    একই সাথে তিনি কবি ও গীতিকার! এক টোড়ি রাগেই তিনি প্রায় ৩০টি গানে সুর দিয়েছেন। তার এই গানগুলোকে বলা হয় কৃতি। তার সুরের মধ্যে ঘটেছে একদিকে যেমন মনোহারিত্ব অন্যদিকে তেমনি গভীরতা। সঙ্গীতভাব, সাহিত্যভাব এবং ভক্তিভাব এই তিনের সংমিশ্রণেই তাঁর রচনা সমৃদ্ধ হয়েছে।

    শুধু প্রচলিত রাগের উপর ভিত্তি করেই তিনি যে তাঁর সঙ্গীতে সুর দিয়েছেন তাই নয়–বহু লুপ্তপ্রায়, অবলুপ্ত রাগকে তিনি উদ্ধার করে তাকে নতুন করে প্রচলন করেছিলেন।

    কলাসঙ্গীত, ধর্মসঙ্গীত, নাট্যসঙ্গীত, কীর্তন সর্বক্ষেত্রেই তার সৃজনীশক্তির প্রকাশ দেখা যায়। তবে ভজন গানের ক্ষেত্রে তাঁর দান অতুলনীয়। তার আগে ধারণা ছিল ভজন গানে সুরের আধিক্য ভক্তিভাবকে বিনষ্ট করে, কিন্তু প্রচলিত এই ধারণাকে ভেঙে দিয়ে তাঁর গানে সুর ও ভক্তির এক আশ্চর্য সংমিশ্রণ সৃষ্টি করলেন। তিনি যখন ভজন গাইতেন, মানুষ তা মুগ্ধ বিস্ময়ে শুনত। সাধারণ মানুষ, সঙ্গীতপিপাসু মানুষ সুরের লালিত্যে মুগ্ধ হত, আবার সাধক ভক্ত পুরোহিতের দল ভক্তিভাবে আপুত হত।

    এই প্রসঙ্গে ত্যাগরাজ নিজেই বলেছেন, “ঈশ্বরের নামগান গুণকীর্তনের সাথে যদি শুদ্ধ শ্রুতি, শুদ্ধ স্বর, শুদ্ধ লয়ের সংমিশ্রণ ঘটে তবেই দিব্য আনন্দের উপলব্ধি হয়।”

    ত্যাগরাজের স্ত্রী মারা যায় ১৮৪৫ সালে। তারপর থেকেই ত্যাগরাজের জীবনে পরিবর্তন শুরু হল। দিন-রাতের বেশির ভাগ সময়েই তিনি ঈশ্বরের ধ্যানে আত্মমগ্ন হয়ে থাকতেন।

    মৃত্যুর দশ দিন আগে তিনি স্বপ্ন দেখলেন তার প্রভু যেন তাকে ডাকছেন। আর দশ দিনের মধ্যেই তার জীবন শেষ হবে।

    তাঁর স্বপ্নকে গিরিপাইনেলা (কেন তুমি গিরি-চূড়া শীর্ষে) এই গানের মধ্যে প্রকাশ করেছেন। মৃত্যুর আগে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করলেন। তাঁর সব শিষ্যদের বললেন, তোমরা নামগান কর, আগামীকাল আমি মহাসমাধিতে বসব।

    চারদিক থেকে শিষ্য ভক্তের দল জমায়েত হতে থাকে। ভজন গানে চারদিকে মুখরিত হয়ে উঠল। নির্দিষ্ট সময়ে ধ্যানে বসলেন ত্যাগরাজ। কিছুক্ষণ পর তার দেহ থেকে এক অপূর্ব আলোকচ্ছটা বেরিয়ে এল। সেই সাথে মহাপ্রয়াণ ঘটল এই সাধক সঙ্গীত শিল্পীর।

    তাকে কাবেরী নদীর তীরে শুরু সেঁন্টি বেঙ্কটরমানাইয়ার সমাধির পাশে সমাহিত করা হল। ১৮৪৭ সালের ৬ জানুয়ারি।

    প্রায় দেড়শো বছর আগে ত্যাগরাজ পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও তাঁর সঙ্গীত বেঁচে আছে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে। তিনি তার সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে ভারতের সনাতন আত্মাকে তুলে ধরেছেন সাধারণ মানুষের কাছে। তাই আজও তাঁর সঙ্গীত মানুষকে আপুত করে। উত্তীর্ণ করে অন্য এক জগতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক
    Next Article ফিজিক্স অব দ্য ফিউচার – মিশিও কাকু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }