Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট

    মাইকেল এইচ. হার্ট এক পাতা গল্প981 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৬ জুলিয়াস সিজার (খ্রি: পূ: ১০০খ্রি: পূ: ৪৪)

    কপালের লিখনই ছিল তাই। প্রথম, সিজার প্রথমই হবে। রোমে যদি দ্বিতীয় হতে হয় তবে সিজার বরং গ্রামে যাবে– যেখানে সে প্রথম হয়ে থাকবে। তবুও প্রথমই হতে হবে তাকে। সেটাই তার ভাগ্যলিপি! সিজারের ভাগ্যই ঠিক করে রেখেছিল, গ্রাম নয়, রোমেই প্রথম হবে সিজার। সে নেবে ‘পিতৃভূমির পিতা’ এই গর্বিত উপাধি। এসবই যেন ছিল পূর্বনিদিষ্ট। সিজার যদি আরও একটু কম উচ্চাকাঙ্ক্ষী হতো, তাহলে ইউরোপের ইতিহাস, তার সভ্যতার ধারা হয়তো বইতো অন্য খাতে।

    সিজার এমন এক ব্যক্তি, যার দাবি ঈশ্বরের সঙ্গে আত্মীয়তার সূত্রে বদ্ধ তিনি। আর সিজার যখন ক্ষমতার মধ্যগগনে, তখন তার ঘোষণা, আত্মীয় নয়, তিনিই স্বয়ং ঈশ্বর। সিজার হল সেই ব্যক্তি যিনি রোমান সাম্রাজ্যের সীমানাকে উত্তর ও পশ্চিমে বিস্তৃত করেছেন, মানব ইতিহাসে এমন এক চিহ্ন রেখে গেছেন যা মুছবে না কোন সময়ই।

    একদিন যে পথে সিজারের বাহিনী রোম থেকে বেরিয়েছিল বিশ্বজয়ে, একদিন পৌত্তলিক প্রতিভা সাম্রাজ্যের যে ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল–তারই ওপর গড়ে উঠেছিল খ্রিষ্ট্রীয় ইউরোপের বিরাট পরিকাঠামো। সিজারের সেই পথ ধরেই কয়েক শতাব্দী পরে খ্রিষ্ট্রীয় মিশনারিরা বেরিয়েছিল খ্রিস্ট ধর্মের অনুশাসনে পৃথিবী জয়ে।

    ১০২ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে সেই মাসে–যে মাসটার নাম তারই প্রতি সম্মান জানাতে চিহ্নিত হয়েছিল জুলাই নামে, সেই ১০২ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের জুলাইয়ে তাঁর জন্মের কয়েক প্রজন্ম আগেও একটা সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। কিন্তু তার গতি ছিল এলোমেলো। কখনও এদিকে। কখনও ওদিকে। ভূমধ্য সাগরের তীরে সভ্যতার কেন্দ্র হবার জন্য ছিল সে সংগ্রাম। গ্রীকরা তাদের যুদ্ধ জয়ের মধ্য দিয়ে দর্শন, সাহিত্য এবং শিল্পে বিস্ময়কর অগ্রগতির মধ্য দিয়ে মানব ইতিহাসে রেখে গেছে তাদের সদম্ভ উপস্থিতির চিহ্ন। কার্থে জিয়রা উন্নীত হয়েছিল বণিক জাতি হিসেবে শাসিত হয়েছিল বণিক ও ধনীদের দ্বারা আর সব সময় অন্তরে পুষে রেখেছিল ক্ষমতা দখলের বাসনা। আর সেই সময়ই গর্ভলক্ষ্মণহীন ইতালির মাটিতে নয়া উপনিবেশ গড়ছিল যারা তারা গ্রীক পর্যটক এবং বণিকদের কাছে থেকে দ্রুত শিখে নিচ্ছিল অনেক কিছু এবং ক্রমেই ধনী প্রতিবেশীদের ভয়ের কারণ হয়ে উঠছিল।

    সে সময় রোমকে কেন্দ্র করে বলিয়ান হয়ে উঠলি যে রোমিওরা, তাদের সঙ্গে কাথেজিওদের শুরু হয়ে গিয়েছিল ক্ষমতা দখল ও শ্রেষ্ঠত্বের এক তীব্র লড়াই। সে লড়াই ছিল অস্তিত্ব রক্ষারও লড়াই। কার্থেজওদের শাসন বিস্তৃত ছিল স্পেন এবং গলের দক্ষিণ উপকূল ভাগ ধরে। রোমানরা তাদের দেখতে রীতিমত ভয়ের চোখে। কার্থেজিও নেতা হানিবলের সঙ্গে লড়াইয়ে তরা বিপর্যস্তও হয়। তাদের পরাজিত করেই হানিবলের বাহিনী অতিক্রম করে আল্পস পর্বতমালাও, বিধ্বস্ত করে ইতালিকে। এই ব্যর্থতা, এই বিপর্যয় সত্ত্বেও রোমানরা কিন্তু জাতি হিসেবে নিশ্চিহ্ন হয়ে হয়ে যায়নি। সে সময় রোম যে আশ্চর্য অনুষ্ঠানের কৌশল নিয়েছিল তারই কাছে হেরে যেটুকু জয় করেছিল সেটুকুই খুইয়ে বসে হানিবল। পরিণতিতে পূর্ণ প্রতিশোধই নেয় রোম। শুধু অধিকার নয়, কার্থেজকে ধ্বংস করে দেয় তারা। এবং শেষ পর্যন্ত তারাই হয় ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ।

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    রোমানদের শক্তিই নিহিত ছিল এর মধ্যে। সব কিছু গ্রহণ ও আত্মস্থ করার অসামান্য দক্ষতা ছিল তাদের। সেই সঙ্গে তারা জানত জয়ের ফলাফলকে নিজেদের কাজে লাগাতে। কার্থেজের সাধারণ মানুষের নৈতিক বল ছিল খুবই কম। তারা ছিল মুনাফা তৈরির যন্ত্রের একটি অংশ মাত্র। গ্রীসের শাসকরা অধীনস্থ রাজ্যগুলোকে হেয় করে রেখে করেছিল বিরাট ভুল। কিন্তু রোম যেমন অন্যর কাছ থেকে চিন্তাধারা গ্রহণের ব্যাপারে অকৃপণ ছিল তেমনি গ্রীক দেবতাদের মেনে নিয়েও তারা সেই দেবতাদের দেয় নতুন নতুন নাম। সেই সঙ্গে এই ভূমির অভিবাসনকারী অথবা তার অধিকৃত অঞ্চলের লোকজনের সঙ্গে ও সে এমন ব্যবহার করত যাতে তারা স্বেচ্ছায় এর সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেত।

    রোম বরাবরই শিক্ষা নিত ইতিহাস থেকে। সে জানত, একটি বিজয়ী শক্তি যখন জোর করে বিজিতের ওপর সবকিছু চাপিয়ে দেয়, তখন সঙ্কটের সময় একটা বড় ফাটল দেখা দিতে বাধ্য। অন্যের নীতি অনুসরণের মধ্য দিয়ে রোম খুঁজে পেত তার শক্তি। ঔপনিবেশিকদের চাতুর্যে, নাগরিকত্ব দানের মধ্য দিয়ে, সরকারের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি রূপায়ণের মধ্য দিয়ে রোম তার প্রতিপক্ষের সামনে খাড়া করে শক্ত প্রতিরোধের প্রাচীর।

    জুলিয়াস সিজারের জীবন ও কর্মধারা আলোচনার সময় ইতিহাসের ঐ প্রেক্ষাপটটি মনে রাখা দরকার। এই প্রেক্ষাপট জানা না থাকলে, জুলিয়াস সিজার কিভাবে তার সমকালের বহু গুণাবলী এবং দোষ ত্রুটি ও অন্যায়ের বিরল নজির হয়ে উঠেছিলেন তা ঠিক বোঝা যাবে না।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কবিতা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সাহিত্য পত্রিকা

    রোমের যে সম্ভ্রান্ত পরিবারে সিজারের জন্ম, সেই পরিবারটি নিজেদের মনে করত স্বর্গের দেবতা ভেনাস এবং ইলিয়াসের উত্তরপুরুষ হিসেবে। এই দেবতার সঙ্গে সংযোগের এই ধারণাটাই স্ফীত করেছিল সিজারের গর্বকে এবং হয়তো এই গর্বই পরবর্তীকালে তাকে ভাবতে শিখেছিল, তার সমস্ত শক্তি সত্যই অতিমানবিক।

    যুবক জুলিয়াসে যুক্ত হয়েছিলেন তার মহান জেনারেল ম্যারিয়াসের দলে। এই দল যখন ক্ষমতা দখল করে তখন পুরস্কার হিসেবেই রোমানদের প্রধান দেবতা জুপিটারের অর্চক পদে নিযুক্ত হন জুলিয়াস। কিন্তু এই সাফল্য ছিল ক্ষণস্থায়ী। এর কিছুদিন পরেই সপ্তমবারের জন্য কনশান পদে নির্বাচিত ম্যারিয়াসের জীবনাবসান হয়। আর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই পদ এবং সম্পত্তি দুই হারিয়ে রোম ছাড়তে হয় ম্যারিয়াসের অনুগামীদের।

    বিরোধী দল নেতা সুল্লা বিজয়ীর বেশে ফিরে আসেন রোমে। সুল্লা সিজারকে ক্ষমা করতে রাজি ছিলেন একটি মাত্র শর্তে। সে শর্ত, ঘৃণিত গণতান্ত্রিক দলের সঙ্গে যুক্ত তার যুবতী স্ত্রীকে পরিত্যাগ করতে হবে। সিজার রাজি হলেন না। এই রাজি না হওয়ার জন্য সিজারকে বরণ করতে হয় ভয়ানক বিপদকে। রোম আর তার পক্ষে তখন নিরাপদ জায়গা নয়। সিজার তাই তার সৈন্য বাহিনী নিয়ে ঘুরতে থাকেন পূর্বদিকে। এই সময়েই যুদ্ধ সম্পর্কে প্রথম শিক্ষাটি নেন তিনি, সেই শিক্ষাই পরবর্তীকালে তাকে বিরাট ভূমিকা নিতে সাহায্য করেছিল। রাজনীতির দাক্ষিণ্য আবার যখন তার ওপর বর্ধিত হল, তখন তিনি রোম ফিরে এলেন আইন শিক্ষার জন্য। সেটাই হল তাঁর রাষ্ট্র নায়ক হবার সোপান।

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    পিডিএফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা গল্প

    রোডসে বিখ্যাত অ্যাপেলেনিয়াস মোলোনের কাছে বাগীতা শিখতে গিয়ে সিজার কিছু অসৎ আমোদ প্রমোদের প্রতি আকৃষ্ট হলেন। সেনাজীবনের নানা অসুবিধা আর শিক্ষণজীবনের নিষ্ঠার বাইরে এই জীবন বেশি করে টানতে থাকল সিজারকে। নাগরিক জীবনের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম জুয়ায় কেটে যেত তার দিনের অনেকটা সময়। ধারের পর ধারে তিনি যেন আকণ্ঠ ডুবে যেতে থাকলেন। শোনা যায় এক সময় তার ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় দুলক্ষ পাউন্ড। এই সময়ই স্পেনের গভর্নর পদে নিয়োগ করা হয় সিজারকে। কিন্তু তার মহাজনেরা তার স্পেনে যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাদের এক কথা, আগে ঋণের অর্থ মেটাও তারপর যেখানে খুশি যাও।

    এই সময় সিজারের ত্রাতা হিসেবে দেখা দিলেন রোমের বিখ্যাত ধনী ক্রাসাস। সিজারের হয়ে তিনি সব ঋণ মিটিয়ে দিলেন। কথা রইল, সিজার যখন আবার আর্থিক দিকে সচ্ছল হবে এবং সামরিক অভিযানের মাধ্যমে নিজের সুনামকে বাড়াবেন সেই সময় মিটিয়ে দেবেন ক্রাসাসের সব টাকা।

    অসাধারণ দক্ষতায় সিজার এবার ধনী ক্র্যাসাসের সঙ্গে বরি পম্পের বিরোধ মিটিয়ে আবার তাদের বন্ধু করে তুললেন। এই পম্পের সামরিক দক্ষতা তাঁকে রোমের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি করে তুলেছিল। ৬০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে, এই তিনজন মিলে যে শাসক চক্র গড়ে তুললেন তাই হল রোমের প্রথম ত্রয়ীশাসক চক্র। সিজার কন্সাশ হলেও সামরিক বিভাগের পরিবর্তে পেলেন সড়ক ও বনাঞ্চল রক্ষার দায়িত্ব।

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা গল্প
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বই
    বাংলা অডিওবুক
    গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ

    ইউরোপের উত্তরাঞ্চলের ঘটনাপ্রবাহ তখন নজরে পড়ার মত। রাইন নদীর উত্তর তীরে জার্মান উপজাতিরা নিজেদের ততদিন প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে। সেই প্রতিষ্ঠার ফলেই তারা গলে রোমকে চ্যালেঞ্জ করার সাহসও অর্জন করেছে। এসব ক্ষেত্রে অতীতে রোম তার শত্রুকে পূর্বদিকে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের দিকে ঠেলে নিয়ে যেত। কিন্তু এবার সিজার তাদের উত্তর পশ্চিমে ঠেলে দিলেন। ইউরোপ যখন উপজাতি বা জাতির মহাসজ্ঞা হিসেবে গড়ে উঠছে সে সময়ও সিজারের এই দক্ষতার প্রকাশ ঘটল। আল্পসের অপর পারে যে অঞ্চল সেখানকার দায়িত্বভার চাইলেন সিজার। যখন সে ভার তাকে দেওয়া হল তিনি উৎফুল্ল হলেন বেশ ভাল পরিমাণেই। কিন্তু এই সময়ই তাকে মোকাবিলা করতে হয় বেশ কিছু কঠিন পরিস্থিতিও। শুধু যে জার্মানরাই শক্তিশালি হয়ে উঠে রোমকে চ্যালেঞ্জ করেছে তা নয়, বর্তমানের সুইজারল্যান্ড অঞ্চল থেকে এক সময় জার্মানরা বিতাড়িত করে ছিল হেলভেশিদের। সেই হেলভেশিরাও এবার রোমানদের আটলান্টিকে পৌঁছাবার যে অঞ্চলটি ১২১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে থেকে রোমের দখলে ছিল সেই অঞ্চল দিয়ে যাতায়াতের অধিকার দাবি করল। এই দ্বিতীয় দাবির মোকাবিলায় সিজার অসাধারণ বুদ্ধির পরিচয় দেয়। তিনি তার সেনাবাহিনীকে দ্রুত ফিরিয়ে এনে নতুন করে সংগঠিত করে হিন্দুমাত্র দেরি না করে আক্রমণ চালান এবং শেষ পর্যন্ত হেলভেশিদের পরাজিত করেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সাহিত্য
    বিনামূল্যে বই
    বইয়ের
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা অডিওবুক
    বই পড়ুন

    এই জয়ের পরেই সিজারকে জার্মানদের হাত থেকে গল গোষ্ঠীগুলোকে রক্ষা করতে বলা হয়। জার্মান রাজ অ্যারিভিসটাসের সঙ্গে সিজারের বৈঠকও হল। রাইনের এপার থেকে গলদের নতুন করে অভিযান চালানোটাই তখন সমাধানের একমাত্র রাস্তা। তাই সিজার আক্রমণই চালালেন। আক্রমণকারীদের হঠিয়ে দিলেন রাইনের ওপারে।

    পরবর্তীকালে ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে উত্তর গলে নার্ভি এবং বেলজিদের উত্থানকে দমন করার সময় সিজারকে বেশি বেগ পেতে হয়েছিল। সে সময় বেলজিয়াম যুদ্ধের যে বিবরণ সিজার লিখে রেখেছিলেন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ও গর্বের সঙ্গেই স্মরণ করা হত। পরের বছরই সিজার ব্রিটেনের ভেনেশি এবং অন্যান্য উপজাতির পরাজিত করে আরও একবার আগ্রাসী জার্মানদের রাইনের ওপারে হঠিয়ে দেন।

    সিজারের এই পর্বের বিজয় অভিযান শুধু রোমেরই গৌরব বাড়ায়নি, সেই সঙ্গে বাড়িয়েছে তারও গৌরব। কিন্তু সিজার তো শুধু বিজয়ী হয়ে থেমে থাকতে শেখেননি। তিনি চেয়েছিলেন শাসক হতেও। এবং তিনি শাসন করেও গেছেন দূরদৃষ্টি দিয়েই। বিজিতদের নাগরিকত্ব দিয়ে, একই ধরনের সরকার দিয়ে তিনি রোমের ঐতিহ্যকে প্রসারিত করেছিলেন বৃহত্তর ইউরোপে। ছোট ছোট জন গোষ্ঠীকে তিনি শক্তিশালী করেছিলেন। বড় বড় সড়ক নির্মাণে উৎসাহ জুগিয়েছিলেন তিনিই এবং ইউরোপের কৃষক গোষ্ঠীকেও শক্তিশালী করে তুলেছিলেন তিনিই। এইসব সংস্কারের মধ্যে দিয়ে তিনি ইউরোপের নাগরিকদের মধ্যে গড়ে তুলেছিলেন সংহতি।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    নতুন উপন্যাস
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কবিতা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    PDF

    রাইনের দুপার থেকে আসা অন্যান্য সংঘাত সত্ত্বেও এই উপজাতিগুলোর ওপর প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠা করেন সিজারই। ৫৫ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে রাইন নদীর ওপর সেতু বেঁধে তিনি জার্মানদের আক্রমণ করেন। জার্মান অভিযান থেকে ফিরেই তিনি সেতুটি ধ্বংস করে দিয়ে দৃষ্টি ফেরান ব্রিটেনের দিকে। অবশ্য বলা যেতে পারে, প্রকৃত দেশজয়ের চেয়ে যুদ্ধের মহড়া দেওয়া বা শক্তি প্রদর্শনই ছিল এসব অভিযানের লক্ষ্য। কেননা, এদের মধ্যেই কয়েকটি উপজাতি ফেলজিদের সাহায্য করেছিল এবং সিজারের সেনাদলকে মাত্র দুটি বাহিনীতে সীমাবদ্ধ করে কোনদিন। এক একটি বাহিনীতে সৈন্য সংখ্যা ছিল তিন থেকে ছয় হাজার মাত্র। পরের বছর অবশ্য সিজার আবার আক্রমণ চালান। এবার তিনি আসেন পাঁচটি বাহিনী এবং শক্তিশালী অশ্বারোহী বাহিনী নিয়ে। এবার তিনি টেমস নদীর উপড়ে পর্যন্ত চলে যান এবং গলে ফিরে যাবার আগে পরাজিতদের কাছে করও দাবি করেন। তবে এই কর অবশ্য কখনই আদায় করা হয়নি। সিজারের সামরিক জীবনে ব্রিটেন অভিযানের প্রভাব ক্ষণস্থায়ী। কেননা পরবর্তী বছর দুই তিন সিজার ব্যস্ত ছিলেন গলদের অধীনে আনার কাছে। উপজাতিগুলো বিদ্রোহ করেছে, পরাজিতও হয়েছে।

    দেশের বিভিন্ন অংশে কঠিন কঠিন অভিযান চালাতে হয়েছে। কিন্তু সে সময় সিজারের বৃহস্পতি ছিল তুঙ্গে। ভাগ্যের সহায়তায় সে সময় সিজার যাতে হাত দিয়েছেন তাতেই সফল হয়েছেন। ৫২ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে জারগোভিয়ায় গলনেতা ভার্সিন গেটোরিক্সের হাতে পরাজিত হয়ে তিনি অ্যালেসিয়া (মল্ট-অক্সিস) দখল করে সম্মিলিত গণ বাহিনীকে বিধ্বস্ত করেন। তিনি গলকে তার সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত করে বার্ষিক কর ধার্য করেন। কর আদায় বিজিতরা যাতে শান্ত থাকে সে ব্যবস্থাও তিনি করেন। রোমান ঐহিত্য অনুযায়ীই তিনি যতটা সম্ভব পরাজিত শত্রুকে বন্ধুতে পরিণত করার চেষ্টা চালান।

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    নতুন উপন্যাস
    গ্রন্থাগার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন বই

    বিজয়ী সিজার কিন্তু এবার রোমে শত্রুতার মুখোমুখি হন। শত্রুরা এবার তার বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। সিজার জানতেন তার কর্তৃত্ব ভালভাবে প্রতিষ্ঠা করা সত্ত্বেও, ব্যর্থতার বিপদ যে কোন সময়েই আসতে পারে।

    ৫৬ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে যে শাসক ত্রয়ী চক্র গড়ে উঠেছিল, তার মধ্যেও ফাটল দেখা দেয়। তিন বছর পরে ক্রাসাস সিরিয়ায় নিহত হন। ক্ষমতার গগনে তখন দুই সূর্য সিজার এবং পম্পে। অথচ আকাশে তো থাকে একটিই সূর্য। তাই সংঘর্ষ অনিবার্য।

    পম্পে সেনেটের পক্ষে চলে গেলেন। সিজারের অধিনায়কত্বে সময় কাল পার হয়ে যাবার পরই সেনেট দাবি করেন, সিজার এবার তার বাহিনী ভেঙে দিক। উত্তরে ইতালির সীমা নির্দেশক ছোট্ট নদী রুবিকন পার হয়ে চলে এলেন সিজার তার বাহিনী নিয়ে। তিনি বলেন, মৃত্যুই ভবিষ্যৎ। এবং সেই অসাংবিধানিক কাজের জন্য যুদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হলেন তিনি।

    পম্পে পালিয়ে গেলেন। সিজার পূর্ব উপকূলে ব্রিলেশি পর্যন্ত অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করলেন। কিন্তু তখন স্পেনে রয়েছে পম্পের একটি বাহিনী। তাকে তখন প্রথমে সেনাপতিহীন একটি বাহিনীর সঙ্গে লড়তে হবে এবং তারপর তাড়া করতে হবে পম্পেকে এবং লড়তে হবে বাহিনীহীন এক সেনানায়কের সঙ্গে। পশ্চিমে সংক্ষিপ্ত এবং সফল অভিযান চালিয়েই তিনি রোমে ফিরে এলেন। ফিরে আসার পরেই তিনি কন্সল নির্বাচিত হলেন এবং পূর্বাঞ্চলে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিলেন। ৪৮ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে থেশানির ফ্যারশালস যুদ্ধে সিজার বিপুল ভাবে জয়লাভ করলেন। পম্পে এবার পালালেন মিশরে কিন্তু সেখানে তাকে খুন করা হয়।

    আরও দেখুন
    বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বুক শেল্ফ
    PDF
    Books
    বাংলা ই-বই

    শক্রর সন্ধানে সিজার মিশরে আসেন। বলা হয় এখানে তিনি বন্দি হন। বন্দি হন যুদ্ধে নয়, বন্দি হন রানি ক্লিওপেট্রার রূপের আগুনে। এখানে সিজারের একটি ছেলেও হয়। সিজার যখন মিশরে ক্লিওপেট্রার রূপমুগ্ধ সেই সময় তার শত্রুরা শক্তি সংগ্রহের সময় পেয়ে যান। সিজার শত্রুর সামনেই ফিরতে বাধ্য হন।

    সিজার এবার এশিয়া মাইনরের দিকে যান। সেখানে তিনি পম্পের এক পুরনো সহযোগীকে পরাজিত করেন। এই সহযোগী হলেন পন্টাসের রাজা ফারনাসেস। তাঁরা জিলার কাছে এক তুমুল যুদ্ধে লিপ্ত হন। এই যুদ্ধে জয়ের ফলে সিজার নিজের অবস্থা

    আরও জোরদার করেন। এই যুদ্ধে জয়ের ফলে সিজার নিজের অবস্থা আরও জোরদার করেন। এই অভিযানের সময় সিজার উচ্চারণ করেন সেই বিখ্যাত উক্তিভিনি, ভিডি, ভিসি–এলাম, দেখলাম, জয় করলাম।

    ইতালিতে ফেরার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আবার সিজারকে বেরতে হল বিদ্রোহ দমনে। এবার তিনি ভূমধ্যসাগর পার হয়ে আফ্রিকা অভিযানে গেলেন।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন বুক
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কবিতা

    শেষ পর্যন্ত তিনি ইতালিতে ফিরে এলেন। এলেন গ্রামে প্রথম হতে নয়। রোমে প্রথম হতে। তিনি প্রথমে দশ বছরের জন্য, পরে আমৃত্যু নিজেকে একনায়ক হিসাবে ঘোষণা করেলেন। স্বল্পকাল ক্ষমতায় থাকার সূত্রেই সিজার সুবিচারক হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেলেন এবং তার এই আত্মশ্লাঘাই ডেকে আনল তার মৃত্যুকে। তবুও ওই সময়েই আল্পসের ওপারেও বিস্তৃত করলেন তিনি ভোটাধিকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক সুবিধা, উপজাতির গুলি পেল বন্ধুত্ব, ক্যালেন্ডার সংস্কার হল, স্বাধীন মানুষ পেল আরও স্বাধীনতার সুনিশ্চিত আশ্বাস, এবং জনস্বার্থে হাত দেওয়া হল বড় বড় কাজে।

    এত করার পরও উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাকে যেন নেশাগ্রস্ত করে তুলল। তাঁর বংশের সঙ্গে দৈবী যোগাযোগ আছে এই বিশ্বাসের বসেই তিনি নিজেকে দেবতা বলে ভাবতে থাকলেন। চাইলেন দেবতাকে দেয় সুযোগ সম্মান। রোমকে যারা মহান গৌরবে ভূষিত করলেন, তাঁদের মধ্যেই তাঁর মূর্তি প্রতিষ্ঠা করলেন তিনি, যে মূর্তির তলায় লেখা হল ‘অজেয় দেবতার প্রতি। আধুনিক চিত্রতারকাদের মতই বিনয় দেখিয়ে আগেভাগেই তাঁর প্রতি আরোপিত গুণাবলী ও মর্যাদার কথা ঘোষণা করা হত। ‘ইশায়েটর’-লাতিনে যে শব্দটি ম্রাটের উৎস, সেই ‘ইম্পায়েটর’ দিল তার সবচেয়ে পছন্দসই উপাধি। সোনার সিংহাসন থেকে তিনি রোমকে শাসন করেছেন, অথচ রোম ছিল প্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র!

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই পড়ুন
    Library
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা লাইব্রেরী
    সাহিত্য পত্রিকা
    PDF

    সেনেট হাউসে পম্পের মূর্তির পাদদেশে ঘন ঘন অশনি সম্পাতে আলোকিত ঝড়ো হওয়ার মধ্যে ঘাতকের ছুরিকাঘাতে নিভে যায় তার জীবনদীপ। বলা হয় যারা তাঁকে খুন করে তার মধ্যে শত্রুর চেয়ে তার মিত্রই ছিল বেশি। আমরা জানি তার শেষ কথাটি ছিল, হায় ব্রুটাস, তুমিও!

    সিজার সেই মৃত্যুর মুখে দেখেছিলেন তার ঘনিষ্ঠজনরাই তাঁকে নিঃসঙ্গ করেন। বুঝলেন তার সাফল্যই পরাজিত করল তাকে।

    সিজারই রোমের দৃষ্টিকে ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চয় থেকে উত্তর ইউরোপের দিকে প্রসারিত করেন। বিচ্ছিন্ন জাতিগুলোকে তিনিই আনেন রোমের পতাকাতলে। শুধু অসি চালনাতেই নয় মসি অর্থাৎ লেখনীতেও তিনি পারদর্শিতার চিহ্ন রেখে গেছেন তার যুদ্ধ বিবরণীতে আর গড়ে দিয়ে গেছেন তার ভাগ্নে অগস্টাসের জন্য সাম্রাজ্য গড়ার রাস্তা। সিজার চরিত্রকে অল্প কয়েকটি কথার মধ্যে তুলে ধরেছেন লর্ড টুহউসমুরি এইভাবে

    “এই পৃথিবীর গুরুভার কাঁধে নিয়েও তিনি লঘুপদে চলার ক্ষমতা হারাননি। যুদ্ধ কিংবা প্রশাসন কখনই তাকে করে তোলেনি এক সঙ্কীর্ণ বিশেষজ্ঞ। তার সংস্কৃতি তাঁর সমকালের যে কোন মানুষের চেয়ে ছিল বিস্তৃত। তিনি ভালবাসতেন শিল্প এবং কবিতা, সঙ্গীত এবং দর্শনকে। জীবনের কঠিনতম মুহূর্তেও তিনি এরই মধ্যে নিমগ্ন হতেন। তাঁর মধ্যে ছিল এক সক্রিয় মানুষের বাস্তবতাবোধ, শিল্পের অনুভূতি, সৃজনশীল স্বপ্নাল ব্যক্তির কল্পনাপ্রবণতা। এতগুলো গুণের সমাহার, আমি মনে করি, আর কোথাও ঘটেনি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক
    Next Article ফিজিক্স অব দ্য ফিউচার – মিশিও কাকু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }