Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট

    মাইকেল এইচ. হার্ট এক পাতা গল্প981 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬৩. লেভ তলস্তয় (১৮২৮–১৯১০)

    এ মহান রুশ মনীষী, বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক, মানবতাবাদী তলস্তয়ের জন্ম হয় ১৮২৮ সালের ২৮ আগস্ট (৯ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। বাবা-মা দুই দিক থেকেই তলস্তয় ছিলেন খাঁটি অভিজাত। তলস্তয়ের বাবা নিকোলাস ছিলেন বিশাল জমিদারির মালিক।

    লিও তলস্তয় ছিলেন তাঁর পিতামাতার চতুর্থ পুত্র। তার জন্মের এক বছর পরেই তার মা মারা গেলেন। তার দেখাশুনার ভার ছিল এক ফুফুর উপর। পাঁচ বছর বয়সে বাড়িতেই শুরু হল তাঁর পড়াশুনা, একজন জার্মান শিক্ষক তাঁকে পড়াতেন।

    যখন তাঁর আট বছর বয়স, ভাইদের সাথে তাকে পলিয়ানার গ্রাম্য পরিবেশ ছেড়ে যেতে হল মস্কোতে।

    বেশিদিন তাঁকে মস্কোতে থাকতে হল না। এক বছর পর হঠাৎ নিকোলাস মারা গেলেন। তাদের অভিভাবিকা হলেন ফুফু। বড় দুই ভাই মস্কোতে রয়ে গেল, তলস্তয় ফিরে গেলেন ফুফুর কাছে পলিয়ানায়। বাড়িতে শিক্ষক ঠিক করা হল। তার কাছেই শিখতে আরম্ভ করলেন জার্মান আর রুশ ভাষা।

    তিন বছর যেতে না যেতেই ফুফু মারা গেলেন, এবার নাবালকদের অভিভাবক হলেন আরেক ফুফু, তিনি থাকতেন কাজানে। ফুফু তলস্তয়কে নিয়ে গেলেন কাজানে।

    এভাবে অলস আমোদ আহ্লাদে দিন কাটতে দেখে ভাই ঠিক করলেন তলস্তয়কে খাজান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির পরীক্ষায় প্রথমবার পাশ করতে পারলেন না। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন।

    পড়াশুনার প্রতি কোনদিনই মনোযোগী ছিলেন না তলস্তয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে এতদিনের সব বাধা বন্ধন মুক্ত হয়ে গেলেন তলস্তয়। দিন-রাতের বেশির ভাগ সময়েই আচ্ছা আমোদ আর ফুর্তিতেই কেটে যেত।

    পরিণতিতে পরীক্ষায় ফেল করলেন। দেখতে দেখতে ১৮ বছরে পা দিলেন তলস্তয়। ভাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে সৈন্যদলের অফিসার হিসাবে যোগ দিয়েছে। সাবালক হওয়ার জন্যে তলস্তয় পৈতৃক সম্পত্তির মালিকানা পেলেন। ইয়াসনা পলিয়ানার বিশাল জমিদারি, সেই সাথে প্রায় ৩৫০ জন ভূমিদাসের মালিক হলেন তিনি।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বই
    বইয়ের
    Book
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Library
    বিনামূল্যে বই
    PDF
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    খাজানের উচ্ছখল অনিয়ম জীবন যাপনের ফলে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হল।

    হাসপাতাল থেকে ফিরে তিনি সোজা চলে এলেন নিজের জমিদারিতে। তলস্তয় ছিলেন রুশোর আদর্শে অনুপ্রাণিত, তিনি স্থির করলেন নিজের জমিদারির মধ্যে ভূমিদাসদের উন্নতি করবেন।

    তারা তলস্তয়ের এই কাজকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতে আরম্ভ করল। তাদের মনে হল এর পেছনে অবশ্যই কোন খারাপ উদ্দেশ্য আছে। তাদের এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলেন তলস্তয়। তিনি ঠিক করলেন কৃষকদের মধ্যে সময়ের অপচয় না করে পড়াশুনা আরম্ভ করবেন।

    তিনি পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়বার জন্য ভর্তি হলেন। কিছুদিন যেতেই সেখানকার জীবন ক্রমশই ক্লান্তিকর হয়ে উঠল তাঁর কাছে। ফিরে এলেন নিজের জমিদারিতে। সেখানেও ভাল লাগল না। গেলেন মস্কোতে।

    বড় ভাই নিকোলাস বড়দিনের ছুটি কাটাতে বাড়িতে এলেন। ছোট ভাইয়ের আচার-আচরণ দেখে স্থির করলেন তাকে সেনাবাহিনীতে ভর্তি করে দেবেন। ভাই এর প্রস্তাবে রাজী হয়ে গেলেন তলস্তয়। সমস্ত জমিদারি দেখা শুনার ভার ভগ্নিপতির উপর দিয়ে ভাই এর সঙ্গে রওনা হলেন ককেসাসে।

    আরও দেখুন
    বই
    Book
    বুক শেল্ফ
    বইয়ের
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বিনামূল্যে বই
    Books

    তলস্তয় সেনাবাহিনীতে ভর্তি হলেন। এই সময়কার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তীকালে তিনি দুটি বিখ্যাত গল্প লিখেছিলেন “ককেসারে বন্দী” ও “কসাক”।

    প্রথম কিছুদিন যুদ্ধের উন্মাদনায় মেতে উঠলেও ক্রমশই তার মনের মধ্যে যুদ্ধের বিরুদ্ধে একটা ঘৃণা সৃষ্টি হতে আরম্ভ করল।

    একদিকে সৈনিক জীবন, অন্যদিকে চলছিল সাহিত্য সাধনা। কয়েক মাস পরিশ্রম করবার পর শেষ করলেন তাঁর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসের প্রথম পর্ব “শৈশব”। স্থানীয় একটি পত্রিকায় লেখাটি পাঠিয়ে দিলেন। দুই মাস পর পত্রিকার সম্পাদক নেক্রাসভের চিঠি এল। শৈশব পড়ে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।

    নেক্রাসভের এই প্রশংসায় উৎসাহিত হয়ে তলস্তয় শুরু করলেন উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্ব! “বাল্যকাল”। উপন্যাস রচনার সাথে সাথে তিনি লিখে চললেন ছোটগল্প, নকশা।

    হঠাৎ ক্রিমিয়ায় যুদ্ধ শুরু হল। তলস্তয়কে যুদ্ধে যেতে হল। ১৮৫৪ সালে তিনি এলেন সেবাস্তপোলে। এখানে যুদ্ধ প্রবল আকার ধারণ করেছিল। যুদ্ধের বীভৎসতা দেখে তিনি এত বিহ্বল হয়ে পড়েছিলেন, এই যুদ্ধের পরই তিনি সামরিক বিভাগ থেকে ইস্তফা দিলেন। ফিরে এলেন পিটার্সবার্গে। সেবাস্তপোলের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি রচনা করলেন তিনটে গল্প।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    Book
    বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    Books
    বাংলা বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

    ইতিমধ্যে তলস্তয়ের এক ভাই ক্ষয়রোগে মারা গিয়েছেন। জমিদারি দেখাশুনার জন্য পলিয়ানাতে ফিরে এলেন তলস্তয়। এর পর শুরু করলেন তাঁর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসের তৃতীয় পর্ব “যৌবন”। তাঁর এই উপন্যাস শৈশব কৈশোর যৌবন (Childhood, Boyhood and Youth) তার জীবনের এক জীবন্ত চিত্র।

    কিছুদিন জমিদারির কাজ দেখাশুনা করার পর তিনি দেশভ্রমণে বার হলেন। তখন ইউরোপের সংস্কৃতির কেন্দ্রস্থল ছিল প্যারিসে। তলস্তয় প্রথমে এলেন প্যারিসে। প্যরিস ছেড়ে গেলেন সুইজারল্যাণ্ডের রাজধানী জেনেভায়। কিছুদিন জেনেভায় থাকার পর ফিরে এলেন মস্কোতে।

    তলস্তয়ের বড় ভাই নিকোলাস যক্ষ্মা রোগে মারা গেলেন। এই ভাইকে খুবই ভালবাসতেন তলস্তয়। তার মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেন তলস্তয়।

    মানসিক অবসাদ ভুলতে নিজের জমিদারি ইয়াসনা পলিয়ানায় ফিরে এলেন।

    ১৮৫৫ সালে রাশিয়ার জার প্রথম নিকোলাসের মৃত্যু হল। তার পর সিংহাসনে বসলেন দ্বিতীয় আলেকজাণ্ডার। দ্বিতীয় আলেকজাণ্ডার কিছু সংস্কারমূলক নীতি প্রবর্তন করলেন। তলস্তয় একে স্বাগত জানালেন। এতে অন্য সব জমিদাররা তার উপর ক্রুদ্ধ হয়ে উঠল এমনকি তাঁকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করা হল। এই সব ঘটনায় মানসিক অশান্তিতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন, ডাক্তার পরামর্শ দিলেন আবহাওয়া পরিবর্তন করতে।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বই
    Book
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ইসলামিক বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কমিকস

    তলস্তয় এলেন ককেসাসে। এখানে ছিলেন ডঃ বেহর্ম। পরিচয় হল তাঁর মেজ মেয়ে সোফিয়ার সাথে। দুজনেরই পরস্পরকে ভাল লেগে গেল। ১৮৬২ সালে তলস্তয় সোফিয়াকে বিয়ে করলেন, তখন তাঁর বয়স ৩৪, সোফিয়ার ১৮। স্ত্রীকে নিয়ে জমিদারিতে ফিরে এলেন তুলস্তয়। নতুন করে শুরু হল তাঁর সাহিত্য সাধনা।

    ইতিমধ্যে তার যে সব রচনা শেষ করেছিলেন তার মধ্যে কসাক প্রকাশিত হল ১৮৬৩ সালে। সাথে সাথে অসম্ভব জনপ্রিয়তা অর্জন করল। এই উপন্যাস প্রকাশের সাথে সাথে তলস্তয় রাশিয়ার একজন জনপ্রিয় লেখক হিসাবে খ্যাতি অর্জন করলেন। এই জনপ্রিয়তায় উৎসাহিত হয়ে তিনি শুরু করলেন তার ওয়ার এণ্ড পিস উপন্যাস (War and peace) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসটি ১৮০৫ সাল থেকে ১৮১৩ সাল অবধি রাশিয়ার সমাজ জীবনের বিশাল পটভূমিতে লেখা। এটি রচনা করতে তাঁর দীর্ঘ পাঁচ বছর সময় লেগেছিল। ১৮৬৫ সালে রুশ দূত পত্রিকায় এই উপন্যাসের প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়। ১৮৬৯ সালে এর শেষ খণ্ড ছাপা হয়।

    এই উপন্যাসকে মহাকাব্যর সঙ্গে তুলনা করা যায়। সমগ্র মানব জীবন এখানে তার সব বৈচিত্র্য ব্যাপ্তি নিয়ে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। এর সাথে আছে মানব জীবনের বিশ্লেষণ, তার সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিবরণ। ১৮০৫ থেকে ১৮১৩ সালের মধ্যে রুশ সমাজ ব্যবস্থা, সেই সাথে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের রাশিয়া আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে তিনটি পরিবারের মধ্যে যে ভাঙাগড়ার খেলা চলেছে তারই কাহিনী ওয়ার এণ্ড পিস।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    Book
    বইয়ের
    বই
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    PDF

    ইতিমধ্যে তিনি ছয়টি সন্তানের পিতা হয়েছেন। এছাড়া বাড়িতে আরো কয়েকটি ছোট ছেলেমেয়ে ছিল। এদের সঙ্গে মেলামেশা করতে করতে তিনি শিশু শিক্ষার দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়লেন। গ্রামের শিশুদের জন্য কয়েকটি স্কুল খুললেন।

    এই সময় একদিন তলস্তয় জানতে পারলেন একটি মেয়ে রেললাইনে আত্মহত্যা করেছে। এই ঘটনাটি তাঁর মনকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তিনি এই ঘটনাটিকে অবলম্বন করে লিখলেন তাঁর বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস আন্না ক্যারেনিনা। এই উপন্যাসটি লিখতেও তাঁর বেশ কয়েক বছর সময় লেগেছিল। ১৮৭৭ সালে রুশ দূত পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।

    কিন্তু এই খ্যাতির মধ্যে তলস্তয়ের জীবনে নেমে আসে আঘাত আর বেদনা। পর পর তার কয়েকটি সন্তান মারা গেল। মারা গেলেন তার ফুফু। একের পর এক মৃত্যু ভুলতে তলস্তয় আশ্রয় নিলেন ধর্মের জগতে। খ্যাতি অর্থ যশ নাম সব কিছুই তার কাজে মূল্যহীন মনে হয়।

    তলস্তয় গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়লেন ধর্ম সংক্রান্ত কাজে-কর্মে। নিয়মিত গীর্জায় যেতেন। যাজকদের সাথে ধর্ম বিষয়ে আলোচনা করতেন। নিয়মিত বাইবেল পড়াতেন। যীশুর জীবনকে উপলব্ধি করাবার চেষ্টা করতেন।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বই
    Book
    বইয়ের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বই পড়ুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

    খ্রিষ্টান ধর্মজগতের মানুষদের পাপ অনাচার দেখে ক্রমশই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছিলেন। সরাসরি চার্চ ও খ্রিস্টান ধর্মজগতের মানুষদের সমালোচনা করে বেশ কয়েকটি রচনা প্রকাশ করলেন। এতে সমস্ত ধর্মজগতের মানুষেরা তার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠল।

    স্ত্রীর অনুরোধে সপরিবারে মস্কোতে এসে বাসা বাঁধলেন তলস্তয়।

    এরপর থেকে ক্রমশই এক চিন্তা তার মনের মধ্যে পাক খেতে থাকে, ধনসম্পদ সঞ্চয় করা যদি পাপ হয় তবে তিনি তো সেই পাপে পাপী। তিনি স্থির করলেন তার সমস্ত ধনসম্পদ বিলিয়ে দেবেন সাধারণ চাষীদের মধ্যে।

    কিন্তু প্রবল বাধা এল সোফিয়ার কাছ থেকে। নিজের সন্তানদের কথা ভেবে এই উচ্চ আদর্শকে কিছুতেই মেনে নিতে পারলেন না। শুরু হল বিবাদ-বিসংবাদ, পরবর্তী জীবনে এই বিবাদ ক্রমশই তীব্রতর হয়ে ওঠে।

    সাংসারিক বিবাদ ক্রমশই চরমে ওঠে। তলস্তয় তার সব সম্পত্তি, বইয়ের স্বত্ব স্ত্রীকে উইল করে দিয়ে গ্রামে ফিরে এলেন। তিনি স্থির করলেন এতদিন যে আদর্শের কথা বলেছেন, সেই আদর্শকে নিজের জীবনে পালন করবেন।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বই
    বইয়ের
    Book
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই
    Library
    PDF
    অনলাইন বুক
    বাংলা কমিকস

    এই সময় তলস্তয় মাছ-মাংস খাওয়া ছেড়ে দিলেন। মদ স্পর্শ করতেন না, এমনকি ধূমপানও ছেড়ে দিলেন।

    আবার নতুন করে সৃষ্টির কাজে হাত দিলেন তলস্তয়। এই পর্যায়ে তিনি লিখলেন তাঁর বিখ্যাত কিছু ছোট গল্প। মানুষ কি নিয়ে বাঁচে, দুজন বৃদ্ধ মানুষ যেখানে ভালবাসা সেখানেই ঈশ্বর, বোকার ইভানের গল্প, তিনজন সন্ন্যাসী, মানুষের কতটা জমি প্রয়োজন, ধর্মপুত্র–এই গল্পগুলোর মধ্যে একদিকে রয়েছে নৈতিক শিক্ষা অন্যদিকে সৎ সরল জীবন পথের নির্দেশ। এক অসাধারণ সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে প্রতিটি গল্পে। পাঠকের হৃদয়ের অন্তঃস্থলকে তা স্পর্শ করে। পরবর্তীকারে এই গল্পগুলো সংকলিত হয়ে প্রকাশিত হয় ২৩টি গল্প (১৯০৬)।

    ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হল তাঁর সবচেয়ে বিতর্কিত উপন্যাস ক্রয়োজার সোনেটা। তখন তলস্তয়ের বয়স ৬১ বছর। এতে লিখলেন এক বৃদ্ধ কি প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় ঈর্ষাপ্রণোদিত দ্বিচারিণী স্ত্রীকে হত্যা করেছিল। এই রচনা প্রকাশের সাথে সাথে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় বয়ে গেল। নিন্দা বিদ্রূপ আর কটুক্তিতে ছেয়ে গেল চারদিক-সমালোচনা করা হল এক বিকৃত যৌনতা ফুটে উঠেছে এর মধ্যে। লেখক সমস্ত সমাজ সংসারক ধ্বংস করবার কাজে নেমেছেন। নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল এই বই। কিন্তু তার আগেই হাজার হাজার কপি ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সর্বত্র।

    আরও দেখুন
    Book
    বুক শেল্ফ
    বই
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষা
    পিডিএফ
    বাংলা গল্প
    বাংলা কমিকস

    সোভিয়েত রাশিয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিল। হাজার হাজার মানুষ অনাহারক্লিষ্ট দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাতে লাগল। দেশের সরকার এই ঘটনায় সম্পূর্ণ উদাসীন হয়ে রইলেন। কিন্তু তলস্তয় গভীরভাবে বিচলিত হয়ে পড়লেন। লণ্ডনের ডেলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় এক সাক্ষাৎকারে তিনি দেশের সরকার তার আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে বললেন, দেশের দুর্ভিক্ষের জন্য দায়ী বর্তমান প্রশাসন, তাঁর এই সমালোচনার ফলে রুশ দেশের প্রকৃত ছবি পৃথিবীর সামনে প্রকাশিত হয়ে পড়ল।

    ক্ষোভে ফেটে পড়ল জারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা। সকলে বুঝতে পারল রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে এই বার তলস্তয়কে বন্দী করা হবে।

    কিন্তু জার গ্রেফতারের অনুমতি দিলেন না।

    দুর্ভিক্ষের বিবাদ মিটতে না মিটতেই তলস্তয়ের জীবনে নেমে এল বিরাট এক আঘাত। তাঁর প্রিয় পুত্রের মৃত্যু হল। এই মৃত্যুতে সাময়িকভাবে ভেঙে পড়লেন তলস্তয়।

    আরও দেখুন
    বই
    বুক শেল্ফ
    Book
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বই পড়ুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    গ্রন্থাগার

    ইতিমধ্যে তার আরো কিছু রচনা প্রকাশিত হল। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও তাঁর সৃজনশক্তি এতটুকু হ্রাস পায়নি। এই সময় তিনি লিখতে আরম্ভ করলেন তাঁর একটি বড় গল্প.”হাজি মুরাদ” (Hadji Murad)। এই গল্পটি প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর পর। এটি তার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা।

    হাজি মুরাদ রচনার সাথে সাথে তিনি তাঁর আর একটি বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস। “নবজন্ম” (Resurrection)।

    রাশিয়ার জার তৃতীয় আলেকজান্ডার মারা গেলেন। নতুন জার হলেন তাঁর পুত্র দ্বিতীয় নিকোলাস। তৃতীয় আলেকজান্ডার ছিলেন অপেক্ষাকৃত উদারপন্থী। কিন্তু তাঁর পুত্র ছিলেন যেমন অত্যাচারী তেমনি নিষ্ঠুর। সমস্ত দেশ জুড়ে শুরু হল ধরপাকড় আর নির্যাতন। তলস্তয়ের বিরুদ্ধে কোন কিছু না করলেও তার অনুগামীদের কারাগারে পাঠানো হল। শুরু হল তাদের উপর নির্যাতন। সরকারের অনুগত ধর্মপ্রতিষ্ঠানের তরফে বলা হল কোন যাজক তার সকারে যেন অংশ না নেয়।

    এদিকে দেশ জুড়ে লেলিনের নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল বিপ্লবী আন্দোলন। ১৯০৮ সালে প্রকাশিত হল তাঁর আবেগময় প্রবন্ধ, “আমি নীরব থাকতে পারি না।” এতে তিনি বিপ্লবীদের উপর অত্যাচারের তীব্র ভাষায় নিন্দা করলেন সাথে সাথে এই রচনা নিষিদ্ধ করা হল।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ
    Book
    বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা বই
    বাংলা কমিকস
    গ্রন্থাগার সেবা

    আশি বছরে পা দিলেন তলস্তয়। সমস্ত দেশের মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন মানবতা আর রুশ সংস্কৃতির মূর্ত প্রতীক।

    সমস্ত পৃথিবী তাঁকে সম্মান জানালেও সংসারে চরম অশান্তি। তলস্তয় তার সমস্ত রচানায় গ্রন্থস্বত্ব সমগ্র মানবজাতিকে দান করেছিলেন। তার স্ত্রী সোফিয়া এটি মেনে নিতে পারছিলেন না। তার অর্থের প্রতি লোভ ক্রমশই বেড়ে চলছিল। এক এক সময় বিবাদ তীব্র আকার ধারণ করত। ক্রমশই অসুস্থ হয়ে পড়লেন তলস্তয়। এই সময় তাকে সেবা-শুশ্রূষা করতেন তার ছোট মেয়ে আলেকজাণ্ডার। কিন্তু স্ত্রী নির্যাতন এমন অবস্থায় পৌঁছাল তিনি আর ঘরে থাকতে পারলেন না। বেরিয়ে পড়লেন অজানার উদ্দেশ্যে।

    পথে আস্তাপগে নামে এক স্টেশনে এসে নেমে পড়লেন। তখন তার প্রচণ্ড জ্বর সেই সাথে কাশির সঙ্গে রক্ত উঠছে। স্টেশন সংলগ্ন একটি বাড়িতে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ১৯১০-এর ৭ নভেম্বর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক
    Next Article ফিজিক্স অব দ্য ফিউচার – মিশিও কাকু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }