Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট

    মাইকেল এইচ. হার্ট এক পাতা গল্প981 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭৪. ডেভিড লিভিংস্টোন (১৮১৩-১৮৭৩)

    প্রায় দেড়শো বছর আগেকার কথা। তখন আফ্রিকা মহাদেশকে বলা হত অন্ধকার মহাদেশ। উত্তরে মিশরকে বাদ দিয়ে আফ্রিকার অবশিষ্ট সমস্ত অঞ্চল জুড়েই ছিল গভীর অরণ্য। মানুষেরা ছিল আদিম অসভ্য বর্বর। শিক্ষার কোন আলোই সেখানে পৌঁছায়নি। সভ্য মানুষেরা যেখানে যেত শিকারের লোভে আর দেশ জয়ের আকাঙ্ক্ষায়। ডেভিট লিভিংস্টোন প্রথম মানুষ যিনি অন্ধকারে মহাদেশে গেলেন, মনে অদম্য সাহস, উৎসাহ, ভালবাসা আর আত্ম-উৎসর্গের অনুপ্রেরণা। তিনিই প্রথম মানুষ যিনি পাশ্চাত্য সভ্যতার আলোকে তুলে ধরেছিলেন আফ্রিকার মানুষের কাছে।

    ডেভিড লিভিংস্টোনের জন্ম ১৮১৩ সালের ১৯শে মার্চ গ্লাসগোর কাছে ব্লানটায়ারে। তাঁর পিতা নীল লিভিংস্টোন ছিলেন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। খুচরো চায়ের কারবারের সাথে মিশনারীর কাজ করতেন। প্রায়শই ধর্মীয় কাজে এত বেশি জড়িত হয়ে পড়তে ব্যবসায়ের ক্ষতি হত। কখনো তার জন্যে সামান্যতম দুঃখিত হতেন না নীল লিভিংস্টোন। মনে করতেন তিনি যা কিছু করেন ঈশ্বরের অভিপ্রেত অনুসারেই করেন।

    নিজের এই ঈশ্বর বিশ্বাস পুত্রের মধ্যে অনুপ্রাণিত করেছিলেন পিতা। তিনি চাইতেন লিভিংস্টোন যেন কোন বিজ্ঞানের বই না পড়ে। ধর্মীয় সাধনায় পরিপূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করে। লিভিংস্টোন সমস্ত জীবন ধরে ছিলেন ঈশ্বর বিশ্বাসী কিন্তু কোন ধর্মীয় গোঁড়ামি তার মধ্যে ছিল না। তিনি লিখেছিলেন কোন কোন ব্যাপারে আমি পিতার সঙ্গে কিছুতেই একমত হতে পারতাম না। তার ইচ্ছা অনুসারে কোনদিনই আমি ধর্মের শুকনো নিয়মের মধ্যে নিজেকে বাঁধতে পারিনি।

    সংসারের অভাব-অনটনের জন্য দশ বছর বয়েসে ডেভিডকে সুতো কারখানায় কাজ নিতে হল। সেই শিশু বয়সেই তাকে প্রতিদিন চোদ্দ ঘণ্টা করে কাজ করতে হত। এত পরিশ্রম করেও তার মধ্যে ছিল পড়াশুনা করবার প্রবল আগ্রহ। কাজের ফাঁকে যেটুকু সময় পেতেন তখনই নানান বিষয়ের বই পড়তেন। কারখানার অন্য শ্রমিকরা ভাবত বয়সের তুলনায় পাকা ছেলে। অনেকেই তাকে ঠাট্টা করত। কিন্তু শিশুকাল থেকেই এমন গভীর আত্মবিশ্বাস ছিল যে সামান্যতম বিচলিত হতেন না লিভিংস্টোন।

    বই পড়তে পড়তে মনের মধ্যে জেগে উঠত নানান কল্পনা। সবচেয়ে ভাল লাগত ভ্রমণ কাহিনী। তাঁর মন ভেসে চলত অজানা দেশে। ভাবতেন তিনিও যাবেন ঐ সমস্ত দেশে। একদিন এক জার্মান মিশনারীর লেখা একটি বই তার হাতে এল। বইখানি পড়তে পড়তে মিশনারী জীবনের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়লেন। কিন্তু পিতার ধর্মীয় উন্মাদনাকে কোনদিনই শ্রদ্ধার চোখে দেখতে পারেননি লিভিংস্টোন। তাঁর মনের মধ্যে জেগে ওঠে এক গভীর সংশয় আর দ্বন্দ্ব। টমাস ডিকের লেখা একটি বই পড়ে তার মনের মধ্যে এক নতুন চেতনার উন্মেষ হল। “ধর্ম এবং বিজ্ঞান কেউ পরস্পরের বিরোধী নয়। উভয়েই উভয়ের পরিপূরক। বিজ্ঞান চেতনা নিয়ে যদি ধর্মের সাধনা করা যায় তবে সেখানে কোন গোঁড়ামি, ধর্মীয় উন্মাদনা প্রবল হয়ে উঠতে পারে না।” তখনই তিনি মিশনারী জীবনকে গ্রহণ করবার জন্য মনস্থির করলেন।

    আরও দেখুন
    Books
    PDF
    বাংলা গল্প
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    কৈশোর অতিক্রম করে তারুণ্যে পা দিয়েছেন লিভিংস্টোন। ইতিমধ্যে সামান্য কিছু সঞ্চয়ও হয়েছিল। তাঁর এক ভাইও অর্থ উপার্জন করছিল। বাবা ও ভাইয়ের উৎসাহে তেইশ বছর বয়েসে তিনি গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন। এখানে তাঁর পাঠ্য বিষয় ছিল গ্রীক ভাষা সাহিত্য, চিকিৎসাশাস্ত্র এবং ধর্মশাস্ত্র। এক বছর পর তিনি লন্ডন মিশনারী সোসাইটিতে শিক্ষানবিসি শুরু করলেন। কিন্তু ধর্মপ্রচারক হিসাবে তার ব্যর্থতা অল্পদিনেই প্রকট হয়ে উঠল। তাছাড়া এই কাজের মধ্যে তিনি তার মানসিক আনন্দও খুঁজে পাচ্ছিলেন না। মিশনারী সোসাইটির শিক্ষানবিসি ছেড়ে চিকিৎসাবিদ্যা সংক্রান্ত কাজে ভর্তি হলেন। লন্ডনের বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘ কাজে ভর্তি হলেন। লন্ডনের বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘ দু’বছর শিক্ষানবিসি করে ডাক্তারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন।

    লিভিংস্টোনের ইচ্ছা ছিল দূর কোন দেশে গিয়ে চিকিৎসাকে সেবার হিসাবে গ্রহণ করবেন। প্রথমে স্থির করলেন চীন দেশে যাবেন। কিন্তু সেখানে তখন শুরু হয়েছে আফিমের যুদ্ধ। তাই চীন যাত্রার পরিকল্পনা বাতিল করতে হল। এই সময় আফ্রিকায় একজন চিকিৎসক পাঠাবার প্রয়োজন হয়েছিল। লিভিংস্টোন আবেদন জানালেন, তাঁর আবেদন মঞ্জুর করা হল। অবশেষে ১৮৪০ সালের শেষ দিকে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় সমুদ্রপথে যাত্রা করলেন।

    আরও দেখুন
    Books
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    PDF
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কমিকস

    দীর্ঘ সমুদ্রপথ। জাহাজের কাপ্তেনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব গড়ে উঠল। কাপ্তেনের কাছে নানান বিষয়ে শিক্ষালাভ করলেন লিভিংস্টোন। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র দেখে দিক নির্ণয় করা। এই শিক্ষা পরবর্তী জীবনে লিভিংস্টোনকে নানাভাবে সাহায্য করেছিল। অবশেষে লিভিংস্টোন দক্ষিণ আফ্রিকার আলগোয়ায় এসে অবতরণ করলেন। এই বার শুরু হল স্থলপথে যাত্রা। আলগোয়া থেকে মিশনারী সংস্থার প্রধান কার্যালয় কুরু মান প্রায় ৭০০ মাইল দূর। এই সুদীর্ঘ পথ কখনো পায়ে হেঁটে কখনো বলদের পিঠে চেপে রওনা হলেন। দুর্গম বন্ধুর পথ। কিন্তু কোন কছুিতেই বিচলিত হলেন না লিভিংস্টোন। এই সুদীর্ঘ পথ অতিক্রম করে এক সময় কুরুমানে গিয়ে পৌঁছলেন। এখানে থেকেই শুরু হল তার কর্মজীবন।

    লিভিংস্টোন সঙ্গী-সাথী, প্রয়োজনীয় সবকিছু নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন দূরতম অঞ্চলে। সেইখানে তখনো সভ্যতার আলো গিয়ে পৌঁছায়নি। চিকিত্সার সাথে সাথে চলত ধর্মের শিক্ষা। এক এক বারে কয়েক মাস ধরে চলত তাঁর পরিক্রমা, তারপর ফিরে আসতেন কুরুমানে। এই সমস্ত পরিক্রমায় তাঁর অনুসন্ধিৎসু মন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করত চারদিকের প্রাকৃতিক পরিমন্ডল, গাছপালা, ভূ-প্রকৃতি এবং সবকিছু নিখুঁতভাবে ডাইরির পাতায় লিখে রাখতেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

    তিন বছর আফ্রিকায় রয়ে গেলেন লিভিংস্টোন। কুরুমান মিশনারী সংস্থার প্রধান ছিলেন ডঃ রবার্ট। তার একমাত্র মেয়ে মেরি। নির্জন নির্বান্ধব জগতে মেরিকে দেখে ভাল লেগে গিয়েছিল লিভিংস্টোনের। ১৮৪৪ সালে দুজনে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হলেন। লিভিংস্টোন স্ত্রীর সম্বন্ধে লিখেছেন, “সে সুন্দরী নয়, মাথায় খাটো, ভাল স্বাস্থ্য, একমাথা কোঁকড়ানো চুল। মোটের উপর একটা মেয়ে, এটাই আমার বড় পাওয়া।”

    লিভিংস্টোন স্ত্রীকে নিয়ে কুরুমান থেকে ২০০ কি. মি. দূরে মাবেস্তা নামে এক জায়গায় বাসা বাঁধলেন। অল্পদিনের মধ্যেই নিজের চেষ্টায় এখানে একটা বাড়ি তৈরি করলেন লিভিংস্টোন। আফ্রিকার আদিম প্রকৃতির মধ্যে সুখেই দিন কাটছিল নব দম্পতির। ক্রমশই পারিপার্শ্বি অবস্থা, স্বামীর কঠোর অনাড়ম্বর সরল জীবনের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে মানিয়ে নেন মেরি। প্রকৃতপক্ষে তিনি ছিলেন লিভিংস্টোনের আদর্শ সঙ্গিনী। প্রায়ই স্ত্রীকে রেখে ছোট ছোট অভিযানে বার হতেন লিভিংস্টোন। বিপদসঙ্কুল দুর্গম পথ। একদিন বাড়িতে ফিরছেন, এমন সময় আচমকা জঙ্গলের মধ্যে থেকে একটা সিংহ বেরিয়ে এল তার সামনে। সঙ্গী-সাথীরা বেশ কিছুটা দূরে। তাড়াতাড়ি হাতের বন্দুক তুলে নিলেন লিভিংস্টোন। গুলি করতেই লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেন। গুলিটা সিংহকে সামান্য আহত করে বেরিয়ে গেল। মুহূর্তে আহত সিংহ এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল। ক্ষিপ্ততার সঙ্গে দেহটাকে সরিয়ে নিলেন লিভিংস্টোন। কিন্তু সিংহের একটা থাবা এসে পড়ল তার বা হাতে। ততক্ষণে লিভিংস্টোনের সঙ্গীরা ছুটে এসেছে। সিংহ ভয়েতে পালিয়ে গেল। কিন্তু হাতের খানিকটা মাংস তুলে নিয়ে গেল। আহত রক্তাক্ত লিভিংস্টোনকে সকলে বাড়িতে নিয়ে এল। কয়েক মাসের সেবা-যত্নে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠলেন লিভিংস্টোন। কিন্তু আগের মত বাঁ হাতের শক্তি আর ফিরে পেলেন না।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    পিডিএফ
    নতুন উপন্যাস
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    কাজের তাগিদে মাবেস্তা ত্যাগ করতে হল লিভিংস্টোনকে। এইবার এগিয়ে গেলেন আরো পশ্চিমে। নতুন বাসা বাঁধলেন কোবেঙ্গ নদীর তীরে। অল্পদিনেই স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে পরিচয় গড়ে উঠল লিভিংস্টোনের। তাদের একমাত্র জীবিকা ছিল চাষবাস। লিভিংস্টোন তাদের শেখালেন চাষের নতুন পদ্ধতি। জমিতে কিভাবে জল সেচ করতে হয় তার বিভিন্ন উপায়। কিছুদিনের মধ্যেই নতুন প্রবর্তিত কৃষি ব্যবস্থার সুফল পাওয়া গেল। কিন্তু এক জায়গায় দীর্ঘদিন বসবাস করবার কোন ইচ্ছাই ছিল না লিভিংস্টোনের। মাঝে মাঝেই তিনি অজানা দেশে পাড়ি দেবার স্বপ্ন দেখতেন। স্থানীয় অধিবাসীদের কাছে প্রশ্ন করে বুঝতে পারলেন উত্তরের দেশগুলো এখাননা অজানা রয়ে গিয়েছে। মিশনারী হিসাবে সেই সমস্ত অনাবিষ্কৃত অঞ্চল খুঁজে বার করে সেখানকার মানুষের কাছে সভ্যতার বাণীকে তুলে ধরতে হবে। কিছু লোক নাগামি নামে একটি হ্রদের সন্ধান করেছিল। ১৮৪৯ সালে লিভিংস্টোন দুজন ইংরেজ অভিযাত্রীকে সাথে নিয়ে অনুসন্ধানে বার হলেন। কয়েকদিন পথ চলার পর তাঁরা এসে পড়লেন কালাহারি মরুভূমির প্রান্তরে। ইতিপূর্বে কোন ইউরোপবাসীই সেই দুস্তর মরুভূমি পার হয়নি। অকুতোভয় লিভিংস্টোন তাঁর সাথীদের নিয়ে এগিয়ে চললেন। তারা উত্তর-পশ্চিম দিক লক্ষ্য করে চলতে চলতে মরুভূমি পার হয়ে একটা নদীর প্রান্তে এসে পৌঁছলেন। সেখানে কয়েকদিন বিশ্রাম নিয়ে আবার এগিয়ে চললেন। এবার জনমানবহীন শুষ্ক প্রান্তর। কোথাও জল নেই, চলার জন্য গরুর গাড়ি নেই। অমানুষিক পরিশ্রমে অবশেষে লিভিংস্টোনের প্রথম উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। এরপর থেকে লিভিংস্টোন আফ্রিকার অজানা অঞ্চলের সন্ধানেই জীবন উৎসর্গ করেন। পরের বছর লিভিংস্টোন আবার বার হলেন। এইবার তার সঙ্গী হল স্ত্রী মেরি ও ছেলেমেয়েরা। কিন্তু মাঝপথেই অভিযান পরিত্যাগ করতে হল লিভিংস্টোনকে। পথে এক ধরনের বিষাক্ত মাছির কামড়ে ছেলেমেয়েরা অসুস্থ হয়ে পড়ল।সাথে তেমন কোন ঔষধ নেই, তার উপর অস্বাস্থ্যকর আবহাওয়া, পথের কষ্ট। গৃহে ফিরে আসতে বাধ্য হলেন। লিভিংস্টোন বুঝতে পারছিলেন আফ্রিকার আদিম অরণ্যময় পরিবেশে থাকলে স্ত্রী ছেলেমেয়েরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়বে। তাছাড়া ছেলেমেয়েরা শিক্ষার উপযুক্ত ব্যবস্থা করলেন। কেপটাউন থেকে তাদের জাহাজে তুলে দেওয়া হল।

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বইয়ের
    বাংলা কবিতা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার

    কেপটাউনে থাকাকালীন সময়ে লিভিংস্টোনের সাথে পরিচয় হল জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্যার টমাস ম্যাকলার-এর সাথে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতি বরাবরই আগ্রহ ছিল লিভিংস্টোনের। ম্যাকলারের কাছে আরা গভীরভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের নানান বিষয় শিক্ষালাভ করলেন। এই শিক্ষা থেকে তিনি জীবনে নানাভাবে উপকৃত হয়েছিলেন।

    ফিরে এরেন কোবেঙ্গে তাঁর গৃহে। কিন্তু সেখানে তার জন্যে অপেক্ষা করছিল এক সর্বনাশা দৃশ্য। বুয়র সম্প্রদায়ের লোকেরা এসে কোবেঙ্গের সমস্ত গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিয়েছে। অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে। লিভিংস্টোনের বাড়িতে যে সমস্ত ঔষধ ছিল, সব মাটিতে ফেলে দিয়ে মূল্যবান বইপত্র ছিঁড়ে নষ্ট করেছে।

    এই বিপর্যয়ে মনোবল হারালেন না লিভিংস্টোন। স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাধ্যমত তাদের সাহায্য করতে থাকেন। কয়েক মাসের চেষ্টায় নতুন করে গড়ে উঠল গ্রাম।

    ১৮৫২ সালে আবার অভিযানে বার হলেন। তার ইচ্ছা জাম্বেসির উত্তর একটা নতুন। মিশন স্থাপন করেন। আগেরবার পুত্রকন্যাদের অসুস্থতার জন্য এই অভিযান পরিত্যাক্ত হয়। দ্বিতীয়বার দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে জাম্বেসির উত্তরে গিয়ে পৌঁছলেন, চারদিকে অস্বাস্থ্যকর আবহাওয়া। একধরনের বিষাক্ত মাছির ভয়াবহ উপদ্রব। মানুষের বসতি নেই বললেই চলে। লিভিংস্টোন বুঝতে পারলেন এখানে মিশন স্থাপন করা সম্ভব নয়। কিছুটা হতাশ মনেই ফিরে এলেন লিভিংস্টোন।

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা ই-বই
    বাংলা উপন্যাস
    Books
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ইসলামিক বই

    মনের সাময়িক দুর্বলতাকে কাটিয়ে অল্পদিনের মধ্যেই নতুন অভিযানের পরিকল্পনা শুরু করলেন। এবার লক্ষ্য পশ্চিমের সমুদ্র উপকূলে পৌঁছবার সহজতম পথ খুঁজে বার করা। তাঁর সঙ্গী হল সাতাশ জন আদিবাসী। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করে ১৮৫৩ সালের ১১ই নভেম্বর লিভিংস্টোন যাত্রা করলেন। আদিবাসী সর্দার প্রধান পথপ্রদর্শক। চলতে চলতে তারা এসে পড়লেন এক অসভ্য বর্বর প্রকৃতির আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায়। এরা তুচ্ছ কারণে মানুষ খুন করে। লিভিংস্টোন ও তাঁর সঙ্গী-সাথীদের দেখে আদিবাসীরা চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলল। কিন্তু লিভিংস্টোনের দলভুক্ত আদিবাসী সর্দারের উপস্থিত বুদ্ধি অসীম সাহস ও ধৈর্যবলে বর্বর উপজাতিদের হাত থেকে বহুকষ্টে রক্ষা পেলেন লিভিংস্টোন। কিন্তু অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য মাঝে মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়তেন লিভিংস্টোন। কিন্তু তাঁর চলার গতি কখনো রুদ্ধ হত না। কখনো গভরি অরণ্য, কখনো বন্ধুর পাথুরে পথ, জনমানবহীন বালুকাময় মরুভূমি পার হয়ে এগিয়ে চললেন। মাঝে মাঝে শরীর এত অসুস্থ হয়ে পড়ত আর পথ চলতে পারতেন না। কয়েকদিন বিশ্রাম নিয়ে আবার নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলতেন। এত দীর্ঘ পথশ্রম, অনিশ্চিত গন্তব্যস্থল লিভিংস্টোনের আদিবাসী অনুচররা ক্রমশই অধৈর্য হয়ে ওঠে। অনেকে আর অগ্রসর হতে অস্বীকার করে। অসীম মানসিক দৃঢ়তায় অসুস্থ দেহেই পিস্তল হাতে এগিয়ে যান। সরাসরি সেই সব বিদ্রোহীদের সামনের দাঁড়িয়ে গর্জন করে ওঠেন, যারা আমার আদেশ অমান্য করবে তারা লড়াইয়ের জন্য তৈরি হও। আমি কোন কারণেই দলের প্রধান। আমার হুকুম মেনে চলাই তোমাদের কাজ।

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    পিডিএফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    এইভাবে নানান প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে পশ্চিম মুখে এগিয়ে চললেন। তারা এসে পড়লেন আঙ্গোলায়। সেখানে পর্তুগীজ সেনাবাহিনীর কাছ থেকে পথনির্দেশ পেয়ে অবশেষে এসে পৌঁছলেন সমুদ্রতীরের সাও পাওলা দ্য লুয়ান্ডায়। তারিখটা ছিল মে ৩১, ১৮৫৪ সাল। লিভিংস্টোনের স্বপ্ন সফল হল। সেখান থেকে ইংলন্ডে ফিরে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেলেন লিভিংস্টোন। তাঁর অভিযান তখনো শেষ হয়নি। তাছাড়া তার দলের সদস্যদের দেশে পৌঁছে দিতে হবে। নেতা হিসাবে সে দায়িত্ব তাঁর।

    সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে পুনরায় রওনা হলেন। যে পথে তারা এসেছিলেন সেই পথ ধরে ফিরে চললেন। পথিমধ্যে প্রচণ্ড কলেরায় আক্রান্ত হলেন লিভিংস্টোন। জীবনের আশা প্রায় ছিল না, কিন্তু তবুও রক্ষা পেলেন এবার আর পায়ে হাঁটা নয়, পুরো পথটাই, বলদের পিঠে চেপে চলা। অবশেষে তিনি সদলবলে এসে পৌঁছলেন লিয়ান্টিতে। স্থানীয় মানুষ তাকে বীরের মত অভ্যর্থনা জানাল। তার সম্মানে উৎসবের আয়োজন করা হল।

    অজানা পথের ডাকে বেশি দিন ঘরে থাকতে পারলেন না লিভিংস্টোন। কিছু দিন পর আবার পথে বার হলেন। এইবার আবিষ্কার করলেন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ জলপ্রোপাত ভিক্টোরিয়া। তখন স্থানীয় নাম ছিল মোসিয়াটুনিয়া (শব্দময় বাধা)। একদিকে যেমন তার প্রচণ্ড গর্জন অন্যদিকে অনেক উঁচু থেকে পড়বার জন্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলবিন্দুতে ধোয়ার সৃষ্টি হত। এই সময় তাঁকে অমানুষিক কষ্ট ভোগ করতে হয়েছিল। পথ ভুলে তিনি গিয়ে পড়েছিলেন মানুষখেকো উপজাতিদের মধ্যে। প্রাণ বাঁচাতে দিনের বেলায় জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতেন। গাছের শেকড়, বুনো ফল আর মধু খেয়ে দিন কাটাতেন। একবার ভুলক্রমে এক জলার মধ্যে গিয়ে পড়লেন। গভীর পাঁকের অতলে হয়ত চিরদিনের মত হারিয়ে যেতেন, ভাগ্নক্রমে তার একজন সঙ্গী দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে।

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    ই-বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ই-বই

    নতুন অঞ্চল আবিষ্কারে নেশায় ঘর-বাড়ি ছাড়লেও স্ত্রী পুত্রদের কথা ভোলেননি লিভিংস্টোন। দীর্ঘ পাঁচ বছর তাদের সাথে সাক্ষাৎ হয়নি তাঁর। তাছাড়া কিছুদিন ধরেই অন্তরে অনুভব করছিলেন স্বদেশের টান। লন্ডনের পথে রওনা হলেন লিভিংস্টোন। ইংলন্ডে পৌঁছতেই তিনি পেলেন বীরের সম্মান। সমস্ত দেশ অজানা আফ্রিকাকে আবিষ্কারের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানায়। রয়াল জিওগ্রাফিক সোসাইটি তাঁকে ভৈক্টোরিয়া পদক প্রদান করল। অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানিক ডিগ্রি প্রদান করল। এত সন্নানে ভূষিত হয়েও তিনি সামান্যতম অহঙ্কার অনুভব করেননি। তাঁর দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিলেন। এরই ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে গড়ে উঠল অভিনেত্রী মিশন। লিভিংস্টোনকে এই মিশনের প্রদান নিযুক্ত করা হল। ঠিক হল এই মিশন পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকায় অভিযান চালাবে। লিভিংস্টোন লন্ডন মিশনারী সোসাইটি থেকে পদত্যাগ করে অভিযাত্রী মিশনের ভার গ্রহণ করলেন।

    মিশনারী সোসাইটি থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তিনি তাঁর জবাবে বললেন, “আমি নিজেকে কখনো ঈশ্বরের দাস ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা করিনি। তাঁরই অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণে আমি চালিত হয়েছি। মিশনারী হিসাবে আমি যে দায়িত্ব পালন করেছি তা বাইবেল হাতে ধর্মান্ধ প্রচারকদের থেকে কিছুমাত্র আলাদা নয়। তবে আমি শুধু ধর্মের প্রচারের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখিনি। তারই সাথে সাথে মানুষের চিকিৎসা করেছি, রাজমিস্ত্রির কাজ করেছি, ছুতোরের কাজ করেছি। আমি মনে করি যখন আমি আমার সঙ্গীদের খাবার জন্য শিকার করি, যখন আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করি, মানুষের জন্য কোন কাজ করি, সবই প্রভু যীশুর সেবা।”

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    উপন্যাস সংগ্রহ

    তিনি ফিরে এলেন আফ্রিকায়। শুরু হল নতুন করে জাম্বেসি অভিযান। এইবার লিভিংস্টোনের সঙ্গী হলেন তাঁর ভাই জন। কিন্তু নানান অসুবিধার জন্য মাঝপথেই এই। অভিযান পরিত্যাক্ত হল। অকস্মাৎ লিভিংস্টোনে জীবনে নেমে এল এক বিচ্ছেদ বেদনা। তাঁর প্রিয়তমা পত্নীর মৃত্যু হল। লিভিংস্টোন লিখেছেন, “যখন তিনি তাকে বিয়ে করেছিলাম তখন থেকেই তাকে ভালবাসি, যতদিন বাঁচব তাকে ভালবেসে যাব।”

    স্ত্রীর এই বিচ্ছেদ বেদনায় সাময়িক অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন লিভিংস্টোন। সময়ের ব্যবধানে মনের শোক প্রশমিত হতেই নতুন অভিযানে বার হলেন। এইবার আবিষ্কার করলেন নিয়ামাহ্রদ। তার দশ দিনের মধ্যে উপস্থিত হলেন বাঙ্গোয়েল হদের তীরে। এই হ্রদটিও অজানা ছিল ইউরোপীয়ানদের কাছে। নিয়ামা হ্রদের তীরে এসে সমুদ্রে ভাসার মত ছোট একটি ডিঙি তৈরি করলেন। এই ডিঙি বেয়েই আফ্রিকার সমুদ্র উপকূল থেকে ২৫০০ মাইল উত্তাল সমুদ্র পার হয়ে লিভিংস্টোন এসে পৌঁছলেন ভারতবর্ষের বোম্বে শহরে। ভারতবর্ষ তখন ইংরেজ উপনিবেশ। ভারত ভ্রমণের ইচ্ছা ছিল লিভিংস্টোনের। কিন্তু তখন লন্ডন অভিমুখী একখানি জাহাজ যাত্রার জন্যে অপেক্ষা করছিল। লিভিংস্টোন আর অপেক্ষা করলেন না। সেই জাহাজের আরোহী হলেন। ১লা জুলাই ১৮৬৪ সালে তিনি ইংলন্ডের মাটিতে পা রাখলেন! ইংলন্ডে থাকাকালীন সময়ে তিনি তাঁর জাম্বেসি অভিযানের কাহিনী নিয়ে একখানি বই লিখলেন। এই বই প্রকাশের ব্যবস্থা করে তিনি আবার ফিরে চললেন আফ্রিকায়। ইংলন্ড তার জন্মভূমি হলেও আফ্রিকা ছিল তার কর্মভূমি। ইংলন্ডের সুখ বিলাসের মধ্যে থেকে প্রতিমুহূর্তে তিনি অন্তরে অনুভব করতেন আফ্রিকার আদিম অরণ্যের আহ্বান। এইবার আফ্রিকা যাত্রার সময় তাঁর উদ্দেশ্য ছিল নীল নদের উৎস আবিষ্কার করবেন। আফ্রিকায় থাকার সময় তিনি দেখেছিলেন নিগ্রোদের নিয়ে ইউরোপীয়ানদের দাস ব্যবসা শুরু হয়েছে। এই ঘৃণিত ব্যবসা দেখে মনে মনে ব্যথিত হতে লিভিংস্টোন। মনে হয়েছিল মানবিতার বিরুদ্ধে এই ঘৃণিত অপরাধকে যেমন করেই হোক তাকে বন্ধ করতেই হবে। আফ্রিকায় ফিরে কিছু সাথী, একদল সিপাই নিয়ে যাত্রা করলেন। দলের অধিকাংশই ছির অভিযানের পক্ষে অযোগ্য। কিছু লোক মাঝপথে দল ত্যাগ করল। তারা ফিরে গিয়ে চারদিকে প্রচার করে দিল লিভিংস্টোনকে হত্যা করা হয়েছে। সাথে সাথে অনুসন্ধানী দল পাঠানো হল। অনেক অনুসন্ধানের পর এই সংবাদ মিথ্যা প্রমাণিত হল।

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা গল্প
    বাংলা অডিওবুক
    Library
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের

    এইবার লিভিংস্টোন উত্তরের পথে চলতে চলতে গিয়ে পৌঁছলেন ট্যাঙ্গানিকা হ্রদের তীরে। বিশাল হ্রদ। কয়েক হাজার মাইল জুড়ে তার বিস্তৃত জলরাশি। এখানে গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেন লিভিংস্টোন। কিন্তু নিজের দেহের প্রতি সামান্যতম ভ্রূক্ষেপ নেই লিভিংস্টোনে। ধীর পদক্ষেপে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলেছেন। কখনো ভিজে পোশাক গায়েই শুকিয়ে যাচ্ছে। ঠিক সময়ে খাওয়া হয় না। ক্রমশই শরীরের এমন অবস্থা হল, চলবার শক্তি প্রায় হারিয়ে ফেললেন। একদল আরব সেই পথে যাচ্ছিল। তাদের চিকিৎসা ও সেবাযত্নে পুনরায় সুস্থ হয়ে উঠলেন লিভিংস্টোন। আবার শুরু হল যাত্রা, লক্ষ্য নীল নদের উৎসস্থল! কিন্তু শরীরে আর আগের শক্তি ছিল না, তার উপর ক্রমাগত জ্বর আর আমাশায় ভুগছিলেন। সঙ্গীদের মধ্যে অধিকাংশই হয়ে উঠেছিল বিদ্রোহী। একটি নিগ্রো ছেলে তার সমস্ত ঔষুধ চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল। সঙ্গের জিনিসপত্রও ফুরিয়ে এসেছিল। চলবার শক্তি হারিয়ে একেবারে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছিলেন। জীবনের সব আশা হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। ঠিক সেই সময় অযাচিতভাবেই ঈশ্বরের আশীর্বাদ এসে গেল।

    মিঃ এইচ. এম. স্টেনলি নামে এক ইংরেজ অভিযাত্রীকে লিভিংস্টোনের সন্ধানে পাঠানো হয়েছিল। একদিন মিঃ স্টেনলি দেখলেন একদল আরবের সাথে এক শীর্ণকায় শ্বেতাঙ্গ। সারা মুখে বড় বড় দাড়ি, মাথায় টুপি। মিঃ স্টেনলি এগিয়ে গিয়ে হাত ধরলেন–আপনিই কি ডঃ লিভিংস্টোন? মুহূর্তে লিভিংস্টোনের মুখে হাসি ফুটে উঠল। মনে হল অন্ধকারে যেন আলোর দিশা খুঁজে পেলেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ই-বই
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা

    কয়েকদিন পর নতুন উদ্যমে দুজনে টাঙ্গানিকার উত্তর তীর ধরে এগিয়ে চললেন, এখান থেকে মিঃ স্টেনলি বিদায় নিলেন। যাওয়ার আগে লিভিংস্টোনের প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্র, নতুন কুলি যোগাড় করে দিয়ে গেলেন।

    কিন্তু লিভিংস্টোনের জীবনিশক্তি শেষ হয়ে এসেছিল, কিন্তু তাঁর অদম্য মনোবলে এতটুকু ফাটল ধরেনি। কোনক্রমে এগিয়ে চলেছেন আর প্রতিদিনকার বিবরণী খাতায় লিখে রাখলেন। দিনটা ছিল ১৮৭৩ সালের ২৭শে এপ্রিল। শেষ ডাইরি লিখলেন লিভিংস্টোন। তারপর আচ্ছন্নের মত বিছানায় লুটিয়ে পড়লেন। দুটো দিন কেটে গেল, ১লা মে ভোরবেলায় একটি নিগ্রো চাকর এসে দেখল তিনি বিছানার পাশে প্রার্থনারত অবস্থাতেই পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নিয়েছেন।

    তাঁর প্রিয় চাকরটি বহুকষ্টে লিভিংস্টোনের মৃতদেহ, তার জিনিসপত্র সবকিছু নিয়ে এল জনজিবারে সাগরের উপকূলে। সেখান থেকে সেই মৃহদেহ জাহাজে করে ইংলন্ডের ওয়েস্ট মিনিস্টার এ্যবেতে নিয়ে গিয়ে সমাধিস্থ করা হল। দেহ ইংলন্ডে গেলেও লিভিংস্টোনের আত্মা রয়ে গিয়েছিল তাঁর প্রিয় আফ্রিকায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক
    Next Article ফিজিক্স অব দ্য ফিউচার – মিশিও কাকু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }