Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী – মাইকেল এইচ. হার্ট

    মাইকেল এইচ. হার্ট এক পাতা গল্প981 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮৬. পাবলো নেরুদা (১৯০৪–১৯৭৩)

    “আমি কোন সমালোচক প্রবন্ধকার নই। আমি সাধারণ কবি মাত্র। কবিতা ভিন্ন অন্য ভাষায় কথা বলা আমার পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ব্যাপার। যদি আমাকে জিজ্ঞাসা কর আমার কবিতা কি? তাহলে বলতে হয় আমি জানি না। কিন্তু যদি আমার কবিতাকে প্রশ্ন কর সে জবাব দেবে, আমি কে।”

    যথার্থ অর্থেই তাঁর কবিতার মধ্যেই তার জীবনের প্রকাশ। তাঁর কবিতার মধ্যে ফুটে উঠেছে তার ভালবাসা, তাঁর আশা আকাক্ষা, স্বপ্ন-আবেগ, তার আনন্দ, বেদনা, ক্রোধ, হতাশা আর সকলকে ছাপিয়ে তার তীব্র প্রতিবাদ। এই প্রতিবাদের কবি, ভালবাসার কবির নাম পাবলো নেরুদা।

    নেরুদার আসল নাম নেফতালি রিকার্দো রেয়েজ বোসোয়ালতো। কিশোর বয়েসে যখন নেরুদার সাহিত্য জীবনের সূত্রপাত হয়, সেই সময় চেকোশ্লোভাকিয়ায় ইয়ান নেরুদা বলে একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন। তাঁর নামে ছদ্মনাম গ্রহণ করে নিজের নাম রাখেন পাবলো নেরুদা।

    নেরুদার জন্ম চিলিতে (১২ জুলাই ১৯০৪)। দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে স্বাধীন দেশ চিলি। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রবাসী মানুষ আর স্থানীয় উপজাতিরাই গড়ে তুলেছে এই দেশ। এখানে মিশ্র-ভাষা গড়ে উঠলেই সাহিত্যের ভাষা স্প্যানিশ। নেরুদার বাবা ছিলেন সামান্য কিছু জমির মালিক, মা একটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা। নেরুদার জন্মের এক মাস পরেই মা টি. বি. তে মারা যান। বাবা আবার বিয়ে করলেন। নিজের মা না হলেও সৎ মা নেরুদাকে ভালবাসতেন নিজের সন্তানের মত। নিজের সন্তানের সাথে কোনদিন বিভেদ করেননি সৎ মা।

    নেরুদার বয়স তখন দু বছর। দক্ষিণ চিলির সীমান্ত অঞ্চলে জঙ্গল কেটে নতুন বসতি গড়ে উঠেছে। সংসারের আর্থিক অনটনের জন্য নেরুদার বাবা স্থির করলেন আরাউকো প্রদেশের সেই অরণ্য অঞ্চলে গিয়ে বসবাস করবেন। সেখানে রেললাইন সংলগ্ন কাজ, রাস্তা তৈরির ঠিকাদারির কাজ নিলেন।

    এ এক সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ। চারদিকে ঘন সবুজ অরণ্য। কোথাও অরণ্য নির্মূল করে গড়ে উঠেছে চাষের ক্ষেত। সর্বত্রই এক আদিম বন্য প্রকৃতি। কোন ধর্মীয়, সামজিক নিয়ম-কানুনের বেড়াজাল নেই। মুক্ত অরণ্যের মতই মানুষের বেড়ে ওঠা। অরণ্যের নিত্য সঙ্গী হয়ে সারা বছর ঝরে পড়ে অবিশ্রান্ত বৃষ্টি। শিশু নেরুদার জীবনে এই বৃষ্টি আর অরণ্য গভীর প্রভাব ফেলেছিল। সকলের অজান্তেই তার মধ্যে জেগে উঠেছিল এক কবি স্বত্তা। যখন তার বয়স মাত্র দশ। তখনই শুরু হয় তাঁর কবিতা লেখা। শিশুমনের কল্পনায় যে ভাব জেগে ওঠে তাই লিখে ফেলেন।

    স্কুলে নিয়মিত পড়াশুনার সাথে সাথে বাইরের বই পড়ার নেশা জেগে ওঠে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ছেলেবেলায় আমি ছিলাম ঠিক যেন এক উটপাখি। কোন কিছু বাজবিচার না করেই আমি যা পেতাম তাই পড়ে ফেলতাম।

    তেমুকোর পরিবেশ সাহিত্য-সংস্কৃতির অনুকূল ছিল না। নেরুদার পিতার ইচ্ছা ছিল ছেলে বড় হয়ে যেন সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এক অগ্রণী পুরুষ হয়ে ওঠে। তাই ষোল বছর বয়েসে নেরুদাকে পাঠিয়ে দেওয়া হল শান্তিয়াগোতে। সেই সময় কিশোর কবি হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নেরুদা। তাঁর সাহিত্য জীবনে স্থানীয় মেয়েদের স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা গ্যাব্রিয়েল মিস্ত্রালের ভূমিকা বিরাট। মিস্ত্রাল শুধু চিলির নন, বিশ্বসাহিত্যের এক শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি। তাঁর অসামান্য সৃষ্টির জন্য নোবেল পুরস্কার পান। মিস্ত্রাল নেরুদার মধ্যে একজন শ্রেষ্ঠ কবির সম্ভাবনাকে খুঁজে পেয়েছিলেন। তিনি শুধু তাঁকে উৎসাহিত করতেন তাই নয়, নিয়মিত তার কবিতা সংশোধন করে দিতেন।

    ১৯২১ সালে স্কুলের শেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নেরুদা এলেন সান্তিয়াগোতে। চিলির অন্যতম প্রধান শহর। সাহিত্য সংস্কৃতির কেন্দ্রস্থল। এখানে এসে ফরাসী ভাষা শিখতে আরম্ভ করলেন। কলেজে ভর্তি হলেন কিন্তু পড়াশুনায় তেমন মন নেই। কেমন ছন্নছাড়া ভাব। অল্পদিনের মধ্যেই কয়েকজন তরুণ কবির সাথে পরিচিত হলেন। তার কবিতা তখন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হতে আরম্ভ হয়েছে। এই সময়েই তিনি পিতৃ নাম পরিত্যাগ করে পাবলো নেরুদা”–এই ছদ্মনাম গ্রহণ করেন।

    কবি হিসাবে যখন সাহিত্যরসিকদের দৃষ্টি তার প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে, নেরুদার জীবনে এল এক সুন্দরী তরুণী আলবার্তিনা। দীর্ঘ দিন তার পরিচয় গোপন রেখেছিলেন নেরুদা। প্রথম প্রেমের মুকুল বিকশিত হয়নি। অল্পদিনের মধ্যেই দুজনের সম্পর্কে ভাঙন ধরল। জীবন থেকে হারিয়ে গেলে ও আলবার্তিনাকে কবি অমর করে রেখেছেন তার অসাধারণ সব প্রেমের কবিতায়। এই কবিতাগুলো নিয়ে ১৯২৪ সালে কুড়ি বছর বয়েসে প্রকাশিত হল Twenty Love poenns. এর আগে আর একটি কবিতার বই প্রকাশ করেছিলেন Twilight Book. সেই বইটি তেমন কোন সাড়া জাগাতে পারেনি। কিন্তু “কুড়িটি প্রেমের কবিতা” বইটি প্রকাশিত হতেই চারদিকে আলোড়ন পড়ে গেল। প্রচলিত ধারাকে অনুসরণ করলেও এর আঙ্গিক, ভাব, ভাষায় নিয়ে এলেন পরিবর্তন। আনন্দ-বেদনার সুরের মূচ্ছনা এতে এমনভাবে পরিস্ফুট হয়েছে সহজেই পাঠকের অন্তরকে স্পর্শ করে কবি হিসাবে তার খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল।

    ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হল দুটি রচনা। এক বন্ধুর সাথে যৌথভাবে একটি ছোট উপন্যাস। আর একটি কবিতার বই Venture of Infinite man-এর প্রতিটি কবিতায় প্রচলিত সমস্ত প্রথা ভেঙে নিয়ে এলেন নতুন আঙ্গিক, ছন্দ। মানব চরিত্রের এক অস্থিরতা, নিঃসঙ্গতাই এখানে যেন প্রকট হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষ কিন্তু এই বইটিকে গ্রহণ করতে পারল না।

    এদিকে ছেলে পড়াশুনা বন্ধ করে কবিতা লিখছে এই ব্যাপারটি ভাল লাগল না নেরুদার বাবার। তিনি সমস্ত মাসোহারা বন্ধ করে দিলেন। মহা ভাবনায় পড়ে গেলেন নেরুদা। তিনটি বই বার হলেও তার থেকে সামান্যই অর্থ পেয়েছেন। অর্থ ছাড়া কেমন করে নিজের খরচ মেটাবেন! পিতার কাছে হাত পাততে মন সায় দিল না। শুরু হল চাকরির চেষ্টা। কয়েক মাস চেষ্টা করেও কোথাও চাকরি পেলেন না। সেই সময় চিলির বিদেশ দপ্তর থেকে রেঙ্গুন অফিসে পাঠাবার জন্যে একজন লোকের খোঁজ করা হচ্ছিল। কোন লোকই কয়েক হাজার মাইল দূরে বার্মার রেঙ্গুন তখন ব্রিটিশ অধিনস্ত বার্মার রাজধানী। এখানে পরিচিত কোন মানুষ নেই। স্থানীয় মানুষেরা কেউ স্প্যানিশ ভাষা জানে না। অফিসের দু-চারজন যেটুকু ভাঙা ভাঙা স্প্যানিশ জানে তাতেই কোন রকমে কথাবার্তা চালান। অসহনীয় পরিবেশ, কথা বলবার লোক নেই, তার উপর সব মাসে ঠিক মত মাইনে পান না, তবুও রেঙ্গুনে রয়ে গেলেন। এই নির্জন প্রবাসে তার একমাত্র সঙ্গী কবিতা।

    চার বছর কেটে গেল। স্থানীয় ভাষা মোটামুটি আয়ত্ত করে নিয়েছিলেন নেরুদা। অনেক বার্মিজ পরিবারের লোকজনের সাথেই তার আলাপ পরিচয় ছিল। এদের মধ্যে ছিল এক তরুণী। তার মধ্যেকার উদ্দামতা দেখে ভাল লেগে গিয়েছিল। প্রেমে পড়ে গেলেন। কিছু দিন যেতেই নেরুদা অনুভব করলেন মেয়েটির মধ্যে আছে এক আদিম বন্য উদ্দামতা। মনের মধ্যে যদি কখনো সন্দেহ দেখা দেয়, সাথে সাথে ছুরি দিয়ে হত্যা করবে নেরুদাকে। আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়লেন নেরুদা। সৌভাগ্যক্রমে সেই সময় সিংহলে তার বদলির আদেশ হল। কাউকে কিছু না জানিয়ে রওনা হলেন সিংহল। মেয়েটি নেরুদার সন্ধান পাওয়ার জন্যে সিংহল পর্যন্ত গিয়েছিল। তার এই বন্য প্রেমকে নেরুদা বহু কবিতায় অবিস্মরণীয় রূপ দিয়েছেন। বার্মার জীবনের নিঃসঙ্গতাকে ভুলতে বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন। এই কবিতাগুলো সংকলন করেই পরে প্রকাশিত হয় তার একটি। বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ Residence on eath (পৃথিবীতে বাসা)।

    সিংহলে অল্প কিছুদিন থাকার পর এলেন বাটাভিয়ায় প্রবাস জীবনে একাধিক মেয়ের সান্নিধ্যে এলেও কাউকে বিবাহ করবার কথা ভাবেননি। বাটাভিয়াতে প্রথম ডাচ তরুণী মারিয়া এন্তোনিয়েতাকে দেখে বিবাহ করার কথা মনে হল। একদিন সরাসরি মারিয়াকে বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। সম্মত হল মারিয়া। প্রথম কয়েক মাস সুখেই কেটে গেল। মারিয়া ডাচ মেয়ে, স্প্যানিশ ভাষা জানত না। নেরুদার চেষ্টা সত্ত্বেও স্প্যানিশ ভাষা শিক্ষার ব্যাপারে তার সামান্যতম আগ্রহ ছিল না। নেরুদার কবিতার ব্যাপারেও ছিল উদাসীন। দুজনের মধ্যেকার মতাদর্শগত পার্থক্য, দৃষ্টিভঙ্গি ক্রমশই প্রকট হয়ে উঠতে থাকে। বাটাভিয়াতে থাকতে মন চাইল না, ফিরে এলেন তেমুকোতে বাবার কাছে।

    ছেলেবেলাতে দেখা তেমুকোর অনেক পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। সেই বনভূমি নির্জন প্রকৃতি আর নেই, সেখানে গড়ে উঠেছে শহর, কত অসংখ্য মানুষের আবাসস্থল। এখানকার মানুষের সাথে বহুদিন কোন যোগাযোগ নেই। নিজেকে যেন পরবাসী বলে। মনে হয়। মাঝে মাঝে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন। অরণ্য মুক্ত প্রান্তর তাঁকে যেন হাতছানি দিয়ে ডাকে। সংসারে মারিয়ার সাথে অশান্তি বেড়ে চলে। দুজনেই বুঝতে পারেন এই ভাবে আর একসাথে থাকা সম্ভব নয়। বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের।

    এই মানসিক উদ্বেলতার মধ্যেই তিনি প্রকাশ করেন তার রেসিডেন্স অন আর্থ।’ এই পর্যায়ের সমস্ত কবিতাই লিখেছিলেন দূর প্রাচ্যে থাকাকালীন সময়ে। রেসিডেন্স অন আর্থ’ প্রকাশের সাথে সাথে চারদিক থেকে অভিনন্দন আসতে থাকে। সেই সূত্রেই একদিন পরিচয় হল আর্জেন্টিনার তরুণী চিত্রশিল্পী দলিয়ার সাথে। দুজনেই দুজনের ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হলেন। অল্পদিনের মধ্যেই বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হয়েছে তারা।

    কবি হিসাবে খ্যাতি পেলেও আশানুরূপ অর্থ পেলেন না। নিতান্ত প্রয়োজনেই আবার বিদেশ দপ্তরে চাকরি নিলেন নেরুদা। এবার স্পেন। ১৯৩৪ সালে চিলির কন্সাল হয়ে এলেন স্পেনের বার্সিলোনায়। স্পেনের মানুষের মধ্যে নিজেকে খুঁজে পেলেন তিনি। এখানকার মানুষের মুখের ভাষাই তাঁর সাহিত্যের ভাষা। অল্পদিনের মধ্যেই তরুণ কবিদের সাথে পরিচয় হল। শুধু কবিতাই নয়, স্পেনের বুদ্ধিজীবীরাও স্বাগত জানাল এই তরুণ কবিকে। স্পেনের সমকালীন রাজনীতি, গণমুখী সাহিত্য গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল নেরুদাকে। তারই ফলশ্রুতি রেসিডেন্স অন আর্থের দ্বিতীয় পর্ব। সমস্ত স্পেনের সাহিত্য জগতে আলোড়ন ওঠে। দীর্ঘ সংগ্রামের পর অবশেষে প্রতিষ্ঠা পেলেন নেরুদা।

    প্রথমে বার্সিলোনা তারপর মাদ্রিদে এলেন। মাদ্রিদ সেই সময় স্পেনের কবি শিল্পী সাহিত্যিক নাট্যকারদের মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল। এদের অনেকের সাথেই বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল নেরুদার। স্পেনের ভাগ্যাকাশে তখন আবির্ভাব ঘটেছে স্বৈরাচারী শাসক ফ্রাংকোর। অল্পদিনের মধ্যেই দেশ জুড়ে শুরু হল গৃহযুদ্ধ (১৯৩৬–১৯৩৯)। ফ্রাংকো উত্তর আফ্রিকা আক্রমণ করলেন। চারদিকে প্রতিবাদের ঢেউ উঠল। সমস্ত প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেবার জন্য শত শত মানুষকে হত্যা করা হল। এদের মধ্যে ছিলেন স্পেনের তরুণ কবি লরকা। বেদনায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন নেরুদা। তাঁর কবিতা হয়ে উঠল স্পেনের সংগ্রামী মানুষের প্রতিবাদের হাতিয়ার। সরকার হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি জ্বালাময়ী ভাষায় প্রতিবাদ জানালেন।

    স্পেনের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেরুদা গোপনে যোগ দিলেন কমিউনিস্ট পার্টিতে। এই সময় লিখলেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা “Spain in my Heark” (1937}। সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় তিনি সরকারের বিরাগভাজন হলেন। তাঁকে সরকারী কনসালের পদ হারাতে হল। চিলির রাজনৈতিক পরিবেশও আর তাঁর পক্ষে নিরাপদ ছিল না। স্ত্রী দালিয়াও সন্তানসম্ভবা। নেরুদা প্রথমে স্পেন ত্যাগ করে এলেন প্যারিসে। তারপর ফিরে এলেন চিলিতে।

    চিলিতে এসেও রাজনৈতিক আন্দোলনের থেকে নিজেকে নিবৃত করলেন না। জোরালো ভাষায় স্পেনের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। দেশে দেশে সংগ্রামী মানুষদের কাছে প্রচার করতে থাকেন তাঁর রচনা। এই সময় তাঁর রচিত কবিতা সংকলন দ্য ফিউরাস অ্যান্ড দ্য পেইনস প্রকাশিত হয়। প্রথম যৌবনে তিনি লিখেছিলেন প্রেমের কবিতা, ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠলেন সংগ্রামের কবি।

    আমি যখন প্রেমের কবিতা লিখি,
    আমার মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে
    ঝর্ণার মত কবিতার ধারা…
    ……………………।
    ওরা আমাকে বলেছে, “কি মহান তুমি থিওকরিটাস।”
    আমি বলেছি, আমি থিওকরিটাস নই।
    জীবনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তাকে পেয়েছি,
    জয় করেছি, চুম্বন করেছি।
    তারপর প্রবাহিত মানুষের জীবনের
    মুখোমুখি হওয়ার জন্য
    হেঁটে গিয়েছি
    পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে, খনির গুহাগর্ভে।

    দু বছর কর্মহীন জীবন যাপন করবার পর ১৯৪০ সালে কনসাল জেনারেল হিসাবে তাঁকে পাঠানো হল মেক্সিকোতে। দীর্ঘ তিন বছর তিনি মেক্সিকোতে ছিলেন। এই সময় নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করতেন। চিলির রাজনৈতিক জগতের অনেকের সাথেই যোগাযোগ রাখতেন।

    চিলিতে তখন চলেছে পালা বদলের পালা। চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে এলেন চিলিতে। অর্থের অভাব নেই। বই বিক্রি বাবদ নিয়মিত অর্থ পাচ্ছেন। বহুদিন ধরে ইচ্ছে ছিল বৈচিত্র্যময় দক্ষিণ আমেরিকা ভ্রমণ করবেন। বেশ কয়েক মাস ধরে ঘুরে বেড়ালেন বিভিন্ন দেশে। অপার বিস্ময়ে মুগ্ধ হয়ে দেখতেন প্রকৃতির ব্যাপ্ত বৈচিত্র্য। পেরুতে এক রাজপ্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ দেখে লিখলেন তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা The Heights of Macchu Picchu. শুধু প্রকৃতি নয়, দেখলেন দক্ষিণ আমেরিকায় বঞ্চিত শোষিত মানুষদের। তাঁর মনে হত এই মানুষদের মুক্তির কথা।

    চিলিতে কমিউনিস্ট পার্টি গড়ে উঠেছে। নেরুদা বিশ্বাস করতেন একমাত্র মার্কসবাদই পারে শোষণ বঞ্চনা থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করতে। (১৯৪৫) নেরুদা সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিলেন। সেই সময় চিলির আইনসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। নেরুদা নির্বাচনে দাঁড়ালেন। কমিউনিস্ট পার্টির সমর্থনে সিনেটের সদস্য নির্বাচিত হলেন। এর পরেই তিনি কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিলেন। এবং আমৃত্যু তিনি এই পার্টির সভ্য ছিলেন।

    সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর লেখার মধ্যেও পরিবর্তন আসছিল। তিনি হয়ে উঠছিলেন সাধারণ মানুষের কবি, শ্রমিক, কৃষক, খেটে খাওয়া মানুষের কবি। তাঁর কবিতা হয়ে উঠেছিল সমস্ত অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক।

    ১৯৪৮ সালে চিলির প্রেসিডেন্ট ভিদেলার সাথে প্রত্যক্ষ বিরোধে জড়িয়ে পড়লেন। প্রেসিডেন্ট ভিদেলা ছিলেন স্বৈরাচারী মনোভাবের মানুষ। কমিউনিজমের প্রতি তার ছিল তীব্র ঘৃণা। ইউরোপের বহু দেশের সাথে সম্পর্ক ছেদ করলেন। কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। বিশ্বস্ত সূত্রে সংবাদ পেয়ে পালিয়ে গেলেন নেরুদা। এই সময় তাঁর সঙ্গী ছিল স্ত্রী দলিয়া। কোথাও বেশি দিন থাকতে পারেন না। এক শহর থেকে আরেক শহরে পালিয়ে বেড়াতে থাকেন। শেষে সীমান্ত পেরিয়ে আর্জেন্টিনায় এসে আত্মগোপন করেন। দলিয়া শুধু যে তার সঙ্গী ছিলেন তাই নয়, সর্ব কাজে ছিলেন প্রধান প্রেরণা। এই স্বেচ্ছানির্বাসিত জীবনেও তাঁর কলম স্তব্ধ থাকেনি। এই পর্যায়ে লেখা ছোট ছোট কবিতাগুলো হাজার হাজার মানুষের মুখে মন্ত্রের মত উচ্চারিত হত।

    পলাতক জীবনে কবির পরিচয় হয় চিলির এক তরুণীর সাথে। দুজনের মধ্যে ধীরে ধীরে গড়ে উঠল নিবিড় সম্পর্ক। এই সম্পর্ককে ঘিরেই বিবাদ দেখা দিল দলিয়ার সাথে। দীর্ঘ ১৬ বছরের বিবাহিত জীবনের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল।

    চিলির রাজনৈতিক জীবনে পরিবর্তনের ছোঁওয়া আসছিল। নেরুদা চিলিতে এসে স্থানীয়ভাবে বসবাস করতে আরম্ভ করলেন। সমুদ্রের ধারে একটি বাড়ি করলেন। মাঝে মাঝে একাই বেরিয়ে পড়তেন। মাইলের পর মাইল বেলাভূমিতে বেড়াতে বেড়াতে ঝিনুক কুড়োতেন। জেলেদের সাথে গল্প করতেন। সমুদ্রের ঢেউ-এর শব্দ শুনতে শুনতে কবিতা লিখতেন। ছোট ছোট সাধারণ বস্তুই হয়ে উঠেছিল তাঁর কবিতার বিষয়। তাতে কোন আড়ম্বর নেই, আবেগ নেই, অংহকার মুষ্টিমেয় মানুষের গণ্ডির সীমানা থেকে নিয়ে যেতে চাইলেন বৃহত্তর মানব সমাজের কাছে। শুধু চিলি বা স্পেন নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনূদিত হল তাঁর কবিতা।

    ডাক এল ইউরোপ থেকে গেলেন রাশিয়া, জার্মানী, ফ্রান্স, ইতালি, ইংলন্ড। সর্বত্র পেলেন অভূতপূর্ব সম্মান আর সংবর্ধনা। রাশিয়া থেকে তাঁকে দেওয়া হল স্টালিন পুরস্কার। দেশে ফিরে আসবার এক বছর পর প্রকাশিত হল পর দুটি কাব্যগ্রন্থ জেনারেল সঙ (১৯৫৪), এলিমেন্টাল ওডস (১৯৫৪)। নেরুদা হয়ে উঠলেন চিলির জাতীয় কবি।

    কবিতার মতই কবির জীবনে এল মাতিলদে উরুতিয়া। গভীর প্রেমের জোয়ারে ভেসে গেলেন। জীবনের মধ্য পর্বে আসা এই প্রেমের আবেগে দীর্ঘদিন পর পর আবার প্রেমের কবিতা লিখতে আরম্ভ করলেন। ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হল “একশ প্রেমের সনেট” {one hundred love sonnets)। এই কবিতাগুলোর মধ্যে আত্মমগ্নতার সুর প্রবল হয়ে উঠেছে। তারই সাথে মাতিলদে ছিল তাঁর স্ত্রী, সহযোগী, সহকর্মী।

    জীবনে খ্যাতি, ঐশ্বর্য, অর্থ, সম্মান, সুখ পেয়েও নিজেকে হারিয়ে ফেলেননি কবি। আত্মজীবনী Isla Negra তে লিখেছেন ছেলেবেলার কথা, চেনাজানা মানুষদের কথা, তেমুকোর কথা যেখানে বৃষ্টির জন্ম হয়। অহল্যাভূমিতে মানুষ কাজ করে, গাছের পাতায় পাতায় শোনা যায় বৃষ্টির শব্দ। গদ্যের ভাষা এখানে কবিতার মতই ছন্দময় হয়ে উঠেছে।

    ১৯৬৯ সালে আবার সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়লেন। তিনি বিশ্বাস করতেন রাজনীতি আর সংগ্রামই মানুষের মুক্তির পথ। একটি কবিতায় লিখেছেন

    “আমাদের সকলেই ঐ এক লক্ষ্যে পৌঁছবার জন্য ব্যাকুল।
    তিক্ত যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে আমরা অর্জন করব দুঃখ-যন্ত্রণার শেষ দিনটি।
    সেটিই হবে আমাদের প্রতিপক্ষের বিচারের দিন।
    হে আমার সংগ্রামী মৃত ভাইয়ের দল,
    স্বাধীনতার উদাত্ত আহ্বানে
    তোমরা যেদিন জেগে উঠবে
    মৃত্যুর থেকেই ভেসে উঠবে
    তোমাদের কণ্ঠস্বর।”

    ১৯৭০ সালে চিলির রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবার জন্য নির্বাচনে অংশ নিলেন। কমিউনিস্ট পার্টির তরফে জোরালো প্রচার শুরু হল। বামপন্থী দলের হয়ে একই সাথে নির্বাচনে নামলেন সালভাদার আলেন্দে (Salvador Allende)। আলেন্দ ছিলেন নেরুদার বন্ধু। আলেন্দের প্রতি নেরুদার ছিল গভীর শ্রদ্ধা। বন্ধুর সপক্ষে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিলেন। নির্বাচনে জয়ী হয়ে চিলির প্রেসিডেন্ট হলেন আলেন্দ। শুরু হল এক নতুন যুগ।

    নেরুদা রাষ্ট্রদূত হয়ে গেলেন ফ্রান্সে। এক বছর পরেই তার অসাধারণ সাহিত্য সৃষ্টির জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হল (১৯৭১)। চিলির জনগণের পক্ষ থেকে তাঁকে গণ সংবর্ধনা দেওয়া হল। স্বাস্থ্য ভেঙে গিয়েছিল নেরুদার। মাঝে মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। পরীক্ষায় জানা গেল তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত সব কাজ থেকে অবসর নিয়ে ফিরে গেলেন নিজের বাড়িতে।

    চিলির ভাগাকাশে তখন বিপর্যয় শুরু হয়ে গিয়েছে। আমেরিকান সামাজ্যবাদী শক্তি ষড়যন্ত্র শুরু করল। কিভাবে কমিউনিস্ট সরকারকে উৎখাত করা যায়। শুরু হল দেশ জুড়ে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। অসুস্থ নেরুদার কলম শাণিত হয়ে ওঠে। তিনি লেখেন, “আমি কোন সমালোচক বা প্রবন্ধকার নই, আমি সাধারণ এক কবি। তবুও কখনো এমন সময় আসে যখন আমাকে কিছু বলতেই হয়, বিশেষত আর সকলে যখন নীরব হয়ে থাকে, আমি চিৎকার করে দেখিয়ে দিই সেই শত্রুদের যারা যুদ্ধ চায়, যুদ্ধের আগুনে ধ্বংস করে মানুষের সৃষ্টিকে।”

    ১৯৭৩ সালে দেশ জুড়ে শুরু হয় গৃহযুদ্ধ। ১১ই সেপ্টেম্বর প্রথমে নৌবাহিনী তারপর সৈন্যবাহিনী বিদ্রোহ ঘোষণা করে। রাষ্ট্রপতি ভবন আক্রমণ করে। সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নিহত হলেন প্রেসিডেন্ট আলেন্দে। সারা দেশে সামরিক শাসন জারি হল। নিজের গৃহে বন্দী হলেন অসুস্থ মৃত্যুপথযাত্রী কবি। বিছানায় শুয়েই কবি লিখলেন তাঁর শেষ কবিতা।

    “নিক্সন ফ্রেই নিকোচেত
    ১৯৭৩ এই ভয়ঙ্কর সেপ্টেম্বর মাস
    ……..আমাদের ইতিহাসের
    ক্ষুধার্ত হায়নার দল।
    আমাদের বিজয় পতাকাকে
    ছিন্নভিন্ন করেছে, লণ্ঠন করেছে
    নিউইয়র্কের ক্ষুধার্ত নেকড়েগুলো
    বেশ্যার দালাল…শুধুই অত্যাচার আর অত্যাচার কোন আইন নেই
    শুধু ক্ষুধা আর চাবুক।”

    সেই বন্দী অবস্থায় ১২ দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ সালে মারা গেলেন কবি। সামরিক শাসনের সমস্ত নিষেধ উপেক্ষা করে পথে বার হল লক্ষ লক্ষ মানুষ কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবার জন্য। স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে সেই তাদের প্রথম প্রতিবাদ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহ্যালো আইনস্টাইন : চেনা নাম অচেনা গল্প – মণি ভৌমিক
    Next Article ফিজিক্স অব দ্য ফিউচার – মিশিও কাকু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }