Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ১

    এক

    বাড়ির পেছন দিকের শেষ প্রান্ত থেকে যে সরু খালটি বয়ে যেত, তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ছিল একান্ত শারীরিক। দুপাশে বাড়িঘর গেরস্থালি আগান-বাগানের মাঝখান দিয়ে তার গতি লীন হতো গিয়ে বড় খালে। বড় খালটিও ওরকমভাবেই গিয়ে পড়ত এক নদীতে। সেই নদীতে জাহাজ, স্টিমার চলত। বড় খালে বিশমণি পঁচিশমণি নৌকো চলত; জাহাজ, স্টিমার কিছু আসত না। আর পেছনের খালে চলত শুধু ডিঙি নৌকো। কিন্তু তথাপি এই খাল আমাদের বড় আত্মীয় ছিল। আমরা বলতাম ‘পিছারার খাল’।

    পিছাবার খালটি আমাদের বাড়ির সীমান্ত-চিহ্নের গড়খাল। আমাদের ভাষায় গড়খাই, অর্থাৎ কিনা পরিখা। না, আমাদের বাড়িটি কোনো রাজবাড়ি নয় যে তার পরিখা থাকবে। তবে আকার-আয়তন এবং আয়োজনে এক সময়কার রাজকীয় মহিমার ঘোষক অবশ্য। বংশলতিকায়ও একটি কিংবদন্তি আছে এরকম যে, কে এক রাজা হর্ষসেন নাকি আমাদের বীজপুরুষ। সে মরুক গে। পিছারার খালটি বাল্যে আমাদের খুবই প্রিয় ছিল। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামার আগেই বড় খালের জল হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ত এই গড়খালে। তখন আমরা, এ বাড়ির ‘ছাওয়াল পানরা’, উদোম উলঙ্গ হয়ে সেই থইথই জোয়ারের ঘোলাটে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে হুটোপুটি করতাম। সে সময় তর্জনকারী গার্জেনরা দিবানিদ্রায় মগ্ন থাকতেন। তাই জলক্রীড়ায় বিশেষ বিঘ্ন হতো না আমাদের। আমাদের হুটোপুটির জন্য ছোট ছোট মাছেরা, কুঁচো চিংড়ি, ডোগরি, মলান্তি, কর্কিনা বা ভাঁটারা লাফালাফি করত। জোয়ারের জলের সঙ্গে তারাও ঢুকে পড়ে স্রোতের বিপরীতে এগোতে চেষ্টা করত।

    তবে গার্জেনরা যে আমাদের একেবারে ‘ধম্মের ষাঁড়’ করে ছেড়ে দিতেন তা নয়। একজন পালনদার আমাদের সদা সতর্ক চোখে রাখার জন্য এবং অতিরিক্ত উদ্দণ্ডপনা সংহত করার জন্য থাকতই। সেই মানুষটির নাম জানকীনাথ। গৌরবর্ণ, বেঁটেখাটো চেহারা, কুচকুচে কালো কোঁকড়ানো চুল এবং একজোড়া পাকানো গোঁফের অধিকারী জানকীনাথ পুজো-পার্বণে বাড়ির ‘মণ্ডবী’গিরি করত। পুজোর আয়োজন করা, পাঁঠা বলি দেয়া, ধূপতিনৃত্য এইসব করত সে। অন্য সময়ে আমাদের দঙ্গলকে সংযত রাখা ছিল তার দায়িত্ব। অসামান্য গল্প করতে পারত জানকীনাথ। আমরা ডাকতাম জান্দা বলে।

    গড়খাইটির পরিসর কম ছিল, কিন্তু গভীরতা খুব একটা কম ছিল না। দৈর্ঘ্যেও চারটি, বা বলা চলে পাঁচটিই গ্রাম জুড়ে তার দৌড়াদৌড়ি ছিল। এমনিতে ছোট ডিঙি নৌকোই চলত বেশি, কিন্তু প্রয়োজনে বড় আট-দশমণি নৌকোও পিছারার খাল অবধি এসে যেত অবাধে। দক্ষিণের ‘মহাল’ থেকে যখন এইসব মালবাহী নৌকোগুলো ধানমান, কলা-কচু, মিষ্টি আলু, গিমি কুমড়োর পসরা নিয়ে বড় খালে এসে ঢুকত, তখন জান্দা তার মধ্যে অপেক্ষাকৃত ছোটগুলোকে রাস্তা দেখিয়ে পিছারার খালে ঢোকাত। গড়খাই-এর এই ঘাট থেকেই কামলা, লস্কর, মাহিন্দরেরা সেইসব সামগ্রী গোলাঘরে এনে তুলত। এগুলো ছিল আমাদের বিশাল পরিবারের সম্বচ্ছরের আহার্য। গিমি কুমড়োকে আমাদের ওখানে বলা হতো ‘যোমচাইলতা’। আস্বাদে অতি কৃৎসিত প্রায় অভোজ্য এই সব্জিটি বিশালকায় মিষ্টি আলু সহযোগে নৈমিত্তিক আহারের প্রধান অবলম্বন ছিল সেসব দিনে আমাদের। এর সঙ্গে আর একটি শস্যও আসত। তা হলো ‘খেসারির ডাইল’। ভালো জিনিস বলতে আসত খেজুর গুড়ের নাগরি, নারকেল ইত্যাদি। আখের গুড়ও আসত প্রচুর। জমিদারির উপজ শস্যসামগ্রী। অতএব এর সবই শ্রদ্ধেয় ভোজ্য, এরকম এক বিশ্বাস বোধ করি কর্তাদের ছিল, আর আমরাও ওই খাদ্য খেয়ে দিব্য ডাঙর হচ্ছিলাম।

    পিছারার খালটি গ্রামের পশ্চিম দিকের একটা বড় খাল থেকে বেরিয়ে পুব দিকের বড় খালে মিশেছিল। আমাদের দিক থেকে উজানে পশ্চিমের দিকে এই ছোট খালের পথ ধরে এগোলে একটা ছোট সুন্দর বাগান ছিল। সেখানে অনেক ফুল আর ফলের আয়োজনের সঙ্গে একটি লোভনীয় কামরাঙার গাছও ছিল, যার ফল দারুণ মিষ্টি। ওই বাগানের মালিক নগেন ডাক্তারমশাই তাঁর প্রাতঃ এবং বৈকালিক কৃত্যাদি ওই গাছটার তলায় বসেই সারতেন। আমরা পিঠোপিঠি তিন ভাই আমাদের সীমানার একটা বাঁশঝাড়ের আড়ালে দাঁড়িয়ে পরম আহ্লাদে তাঁর কৃত্যের তাবৎ প্রয়াস দেখতাম। তিনি অবশ্য আমাদের দেখতে পেতেন না। আমরা তিনজন বড়শি নিয়ে ওই দুটি সময়েই ওখানে চিংড়ি মাছ ধরার জন্য যেতাম।

    তখনকার দিনে ওইসব অঞ্চলে পায়খানাঘর বলে কিছু ছিল না। একমাত্র আমাদের বাড়িতেই পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য আলাদা-আলাদা পায়খানাঘরের ব্যবস্থা ছিল। অন্যান্য বাড়িতে ছিল পায়খানা-গাছ। অর্থাৎ তাদের ইত্যাদি করণের জন্য কোনো খাল বা বেড়ের ওপর একটা আড়াআড়ি গাছের ডাল থাকলেই হলো। মহিলাদের আব্রুর জন্য সুপারিপাতার ঘেরাটোপ। নগেনমশাইয়ের কোনো আব্রুর প্রয়োজন হতো না। তাঁর বয়স তখন সপ্ততি অতিক্রান্ত প্রায়, অতএব তিনি তখন দ্বিতীয় শৈশবে। এ সময়ে মনুষ্যের গোপন বা লজ্জাবিষয়ক কিছুই বোধে থাকে না।

    পিছারার খালের মহিমা অনেক। যখনকার কথা বলছি, তখন পঞ্চাশের কাল। সদ্য ‘আণ্ডাফাটা’ রাষ্ট্রটি অথবা বলা ভালো রাষ্ট্র দুটি, নেহাত নাবালক। আণ্ডাফাটা কথাটি বললাম বটে, তবে এই রাষ্ট্র দুটি আদৌ অণ্ডজ নয়। জরায়ুজই। এ কারণেই পাঁচ-ছয় বছর বয়স হওয়া সত্ত্বেও তাদের নাড়িকাটার রক্ত বন্ধ হচ্ছিল না। সর্বকালীন রক্ত বন্ধের জন্য নানান জড়িবুটি ব্যবহার করা হয়েছিল বটে, কিন্তু উভয় শিশুরই নাড়িতে সময়ে অসময়ে ঘা বিষিয়ে উঠে রক্ত পুঁজ নিঃসৃত হতে শুরু করে, যা অদ্যাবধি বন্ধ হয়নি। সাল পঞ্চাশ-একান্নর সময়ে, এরকম এক ব্যাপক রক্তপাতে উভয় রাষ্ট্রের পথ-ঘাট-মাঠ বড় পিচ্ছিল হয়। পেছনের পরিখা যে পলায়নের উত্তম বন্দোবস্ত, সে তত্ত্ব সেন রাজকুলজ লক্ষ্মণ সেনদেবের সময় থেকেই আমরা জানি। মানে কিনা, ‘পাছ দুয়ার দিয়া পলাইয়া যাওনের লাইগ্যাই’ রাজা, জমিদার, তালুকদারেরা একটি পিছারার খাল রাখতেন। শত্রুর আসার পথ সামনের দিক দিয়েই হয়। অতএব পিছারার পলায়ন পথ মজবুত চাই, তা জলপথ হোক বা স্থলপথ। এর আরও একটি হেতু এই যে ‘যদি বাড়ির মাইয়া লোকগো কোনো কারণে কোথাও যাওন লাগে তো হেয়া’ লোকচক্ষুর আড়ালে আব্রু রেখেই ওই পিছারার খালে লাগানো ডিঙি বা কোষা, কিংবা সামর্থ্যানুযায়ী অনুরূপ জলযানে চড়েই তো যেতে হবে। আমাদের খালটির ক্ষেত্রে এই হেতুই প্রধান।

    আমাদের মা, জেঠিমারা বাপের বাড়ি যাবার সময় ওই পিছারার খাল থেকেই নৌকোয় উঠতেন। তখন সে এক কাণ্ড। অমুকবাবুর বউ বাপের বাড়ি যাবেন। সে কি সামান্য কথা? সে এক যাত্রা বটে। এমনিতে অমুকবাবুরা বউদের তত্ত্ব-তালাশ ‘ঘণ্টা’ করতেন। কিন্তু বউ বাপের বাড়ি যাবেন, সে এক আভিজাত্যের প্রশ্ন। সে বিষয়ে আয়োজন রাজকীয় না হলে চলবে কেন? দেশে গাঁয়ে তো তাহলে সম্মান থাকে না। একটি এরকম ‘যাওনের’ কথা স্মৃতিতে আছে। তখন আমার বয়স বড়জোর পাঁচ-ছয়। আমার দুই মামাতো দাদার বিয়ে। বাড়িসুদ্ধ নেমন্তন্ন। চাকর-বাওন, অতিথ অইব্যাগত এবং পুরোইত বেয়াকের যাওন চাই। এমত বিধি। অতএব সাজ সাজ রব। আমার মা নয়াবউ বা সোনাবউ। তিনি বাপের বাড়ি যাবেন। তাঁর দুই ভাইপোর বিয়ে। আমাদের দেশের কথায়—’জোড়া বিয়া’। কিন্তু সঙ্গে যায় কে? বাবা যেতে পারেন না। কেন কিনা ‘সামান্য ইস্তিরির ভাইপোয়াগো বিয়া”, এ ক্ষেত্রে ছোটবাবুর ‘যাওন’ খুবই দৃষ্টিকটু। তবে এতটা পথ, নৌকোয় যাওয়া,—একজন তো চাই। অতএব জানকীনাথ চরণদার। সঙ্গে একজন থাকলে আর কথা কী? বিপদে আপদে ‘ওই তো’ আছে। বাবুর যাওয়ার দরকার নেই। আর ছোটবাবুর ‘যাওন’ বেশক অসৈরণও। মাইনষে কইবে কী? মাইনষে এসব ক্ষেত্রে আড়ালে ‘মাইগ্যারুদা’ অর্থাৎ ‘মাউগ যার আরাধ্যা’ বলে সাধারণত রগড় করে। তায় এই স্ত্রী দ্বিতীয় পক্ষ। সে এক বিতিকিচ্ছিরি ব্যাপার হবে।

    তো নয়াবউ তাঁর ভাইপোদের বিয়েতে যাবেন বাপের বাড়ি, সে এক উৎসব। তাঁর সঙ্গে এটা ওটা পাঠাতে হবে। কুটুমবাড়ির নানা তত্ত্বতাবাস। এত বড় বাড়ির বউ, কেউ কিছু ‘তিরুডি’ না ধরে। যাত্রামঙ্গল হয় দিনক্ষণ তিথি নক্ষত্র দেখে। তারপর নয়াবউ তাঁর পুষিপোনা, কাখেরডি কোলেরডি সমেত পিছারার খালের ঘাটের থেকে নৌকোয় চাপেন। যেন তাঁর ‘ছুরাত’ ইতরজনের নজরে না আসে। সে এক সময় গেছে। বাড়ির আভিজাত্য তখন তিনতলার ছাদ ছাড়িয়েও প্রায় বারো হাত উঁচু। সে কারণে যাত্রাকালে পুরোহিত মন্ত্র হাঁকেন–ধেনুর্বৎস্যা প্রযুক্তা পুষ্পমালা পতাকা, তার পরেই যাত্রা শুরু হয়।

    সেইসব দিন গত হলে একটা সময় আসে যখন ‘ভদ্দরলোক’ হিন্দুর ‘মাইয়া মাইনষের বেয়াক ছুরাত, বেয়াকের দ্যাহা শ্যাষ’। তখন দাঙ্গার কাল, হোগাউদ্‌লা মাথায় ঘোমডার সময়। কিন্তু আমাদের বাড়ি তো বড়বাড়ি, জমিদারবাড়ি। গ্রাম-গাঁয়ের মানুষেরা বলে জমিদার। তখনও ঠাটবাট, সোয়া হাত জুতা ইত্যাকার অনুষঙ্গ লোপ পায়নি পুরোটা। তখন যদি সোনাবউ, বড়বউ বা কোনো মহিলার বহির্গমন প্রয়োজন হয় তবে তাদের ‘ছুরাত’ সাধারণ্যে প্রকাশ সংগত হয় না। কেন?—না, ‘ছোডোলোকেরা য্যান হ্যারগো ছুরাত না দ্যাহে’ এরকম একটা মানসিকতা।

    এইসব কথাই পিছারার খালের কথা। কিন্তু সে কথা এতই পুরনো আর বাসি হয়ে গেছে যে তাতে কারওরই আর প্রয়োজন নেই। এখন সে পিছারার খালও নেই, খালের ঘাটও নেই। নেই সেই বউরাও, যারা ওই ঘাট থেকে নৌকোয় চড়ে নৌকোর ছাউনির ফোকর দিয়ে খালের দুধারের আশশেওড়া, নলখাগড়া, হোগলা, ছৈলা ইত্যাকার উদ্ভিজ্জ দেখতে দেখতে বড় খালে গিয়ে পড়ত। বড় খালে পড়ে তাদের বিস্তৃতি হতো। সেই বড় খালের পারে ছিল এক জোড়া রেনট্রি। যাদের কথা ক্রমান্বয়েই আসতে থাকবে। এই খাল এবং এই বৃক্ষ নিয়েই তো এই আলেখ্য।

    কিন্তু সেইসব বউয়েরা আজ আর নেই। জীবন সেখানে কেবল কিছু অসমাপ্ত স্বপ্নের ছাই ছড়িয়ে রেখেছে। এমনকি তাদের অস্থিকণাও সেখানে নেই। থাকবে কী করে? তাদের দেহ কি সেই ভূমিতে সৎকার হয়েছে? তারা কোথায় কোন বিদেশ বিভুঁইয়ের রেললাইনের পাশে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা কোন কুঁড়েঘরে অথবা কোনো বস্তির কোন অন্ধকার ঘরে, কিংবা দণ্ডকারণ্য বা আন্দামানের কোন অপরিচিত আকাশের নিচে অপরিচিত ভূমিতে তাদের দেহশেষ মিলিয়ে গেছে তার কি কোনো খোঁজ আছে? অথচ এইসব সোনা, ছোট বা বড়, মেজ, সেজ, ন’বউদের তো কথা ছিল চন্দনকাঠের চিতেয় চড়ে ‘সগে’ যাবার। কপালের নির্বন্ধ সেই সৌভাগ্য থেকে ‘ভাগ্যিমানী’ বউগুলোকে বঞ্চিত করলে তাদের অস্থি আর কোথায়ই-বা পাওয়া যাবে?

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }