Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ১০

    দশ

    এইসব ঘটনার আগেই অথবা পরে, আজ আর ঠিক মনে নেই একজন ভবঘুরে মানুষ আমাদের বাড়িতে এসে হাজির হয়েছিলেন। ধুতি-পাঞ্জাবি পরনে, রোগা লম্বাটে চেহারা। স্বভাবে একটু খ্যাপাটে। নাম সুরেন্দ্রনাথ বোস। বাড়ির অপোগণ্ডদের জন্য জ্যাঠামশাই তাঁকে গৃহশিক্ষক করে রাখলেন। তাঁর বোধহয় আশ্রয়ের প্রয়োজন ছিল। তিনি কোত্থেকে এসেছিলেন, কেন এসেছিলেন, কিছুই পরিষ্কার বোঝা যায়নি। তাঁর পরিধানের ধুতি-পাঞ্জাবির হাল খুবই শোচনীয়। জ্যাঠামশাইয়ের কী খেয়াল হলো, তিনি ভাবলেন এ খুব উত্তম শিক্ষক হবে। তাঁকে দেখলে মনে হতো তিনি অনেক পথ হেঁটে, অনেক ধুলো মেখে এখানে এসে হাজির হয়েছেন। ওই মলিন পোশাক, একটি ক্যাম্বিসের ব্যাগ, পায়ে ক্যাম্বিসের জুতো, এই তাঁর সম্বল। ধুতি-পাঞ্জাবির স্থানে স্থানে অসাধারণ রিফুকর্ম, কোথাও লেবুকাঁটা, কোথাও-বা বাবলাকাঁটার সহায়তায়। দেখলেই বোঝা যায় বহুদিন ধরে বহু কৃচ্ছ্রসাধনার এই বস্ত্রের বস্ত্রত্ব বজায় রেখেছেন তিনি। চেহারায় বহু-প্রব্রজ্যার চিহ্ন 1 অতএব বাড়িতে অচিরেই তিনি পাগলামাস্টার বলে প্রতিষ্ঠা পেলেন। বাড়ির মহিলামহল এই আবড় মনুষ্যটিকে বড়ই কৃপার নেত্রে দেখলেন। কিন্তু সেসব কৃপা মহাশয় ভ্রুক্ষেপমাত্র করলেন না।

    পাগলামাস্টার প্রতিদিন সকাল-সন্ধেয় আমাদের পড়াতে বসাতেন। পড়ানোর ব্যাপারে তার একটিই কৃতকর্ম ছিল। সবাই বসলে তিনি আদেশ করতেন—পড়ো, পড়ে যাও। খানিকক্ষণ পরে আমরা যখন বলতাম যে পড়া হয়েছে, তিনিও দ্বিতীয় বাক্যটি উচ্চারণ করতেন লেখো, লিখে যাও। আমরা লেখা শেষ করলে মাস্টারমশাই খাতাগুলো দেখে তলায় সই করতেন এস এন বোস এবং তৎসহ তারিখ। তারপর তৃতীয় বাক্য, এবার সব যাও, খেলাধুলা করো। কিছু বুঝতেনও না, পড়াতেনও না।

    আমাদের পড়ার মধ্যেই মাঝে মাঝে বিড়বিড় করে কীসব যেন বলতেন। আমরা কেউ তার কিছু বুঝতাম না। আমার বয়স তখন হয়তো পাঁচ-ছ বছর হবে। অন্য দাদারা, যাঁরা একটু বয়স্ক, মুখ টিপে হাসতেন। তাঁর কথাবার্তাগুলো ছিল নিতান্তই ছেঁড়া ফাটা। তার দু-একটা ক্ষীণ স্মৃতি এখনও আছে। হঠাৎ করে হয়তো আমার হাত থেকে শ্লেটটা নিয়ে তার ওপর আঁকিবুকি কাটতেন। তারপর বিড়বিড় করে বলতেন, এদিকে রাস্তা কই? এদিকে যাওয়া যাবে না। আবার বলতেন, কোহিমায় ঝান্ডা পুঁতলে আন্ডা হবে। এত সোজা? এ পথে চাটগাঁ যেতে পারলে হয়তো কিছু হতো। আবার আমাদের দিকে বুড়ো আঙুলটা বাড়িয়ে দিয়ে বলতেন, কিসসু হবে না। দাঙ্গা হবে দাঙ্গা। ভুল খবর দিয়েছে সবাই। সর্বাধিনায়ককে ধোকা দেয়া হয়েছে। উঃ এতদিন হয়ে গেল, তবু তাঁর একটা খবর কেউ দিতে পারছে না। এরকম সব কথা একা একা বলতেন তিনি। আমরা ভাবতাম পাগলামি। একদিন ভোরবেলায় শুনলাম মাস্টারমশাই নেই। কোথায় চলে গেছেন।

    পরে বড়দের কানাকানিতে শুনলাম, মাস্টারমশাই নাকি সুভাষচন্দ্রের সেনাবাহিনীর লোক। বর্মার লড়াইয়ের পর যারা এদিক-ওদিক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন, তিনিও তাঁদেরই একজন। এসব শুনে আমাদের দারুণ রোমাঞ্চকর লাগছিল ব্যাপারটা। বাবাও মাকে একদিন বলেছিলেন, ‘ও একজন পলাতক সৈনিক, দাদায় ঠিক বোজতে পারে নায়। ওই যে নেতাজি আইছেলেন ও-বছর। ও হ্যার দলের লোক।’ বাবা হরহামেশা মাকে এ ধরনের গুরুগম্ভীর কথা বলতেন। মা যদিও প্রচলিত অর্থে প্রায় অশিক্ষিত, কিন্তু বাবা তাঁকে সেরকম মনে করতেন না। অনেক গম্ভীর কথাই তিনি মায়ের সঙ্গে বলতেন। শুনেছি আমাদের এক জেঠিমা ছিলেন দেশবন্ধুর নাতনি। মা নাকি তাঁর খুব ন্যাওটা ছিলেন। বদ্যিদের আত্মীয়তা, তাদের বংশলতার সব গলতায়। কে যে কার মামা, আর কে যে কার মেসো, এর হদিস সহজ নয়। নচেৎ যে জেঠিমার কথা বললাম, তার দেশবন্ধুর নাতনি হওয়া বা হলেও আমাদের পরিবারের বধূ হওয়া আদৌ উচিত নয়। কেননা, জেঠিমার শ্বশুর অর্থাৎ আমাদের সম্পর্কে বড় দাদু ছিলেন রায়বাহাদুর। রায়বাহাদুরেরা আর যে কারণেই স্মরণীয় হোন, তাঁদের ব্রিটিশবিরোধিতার কোনো প্রমাণ ইতিহাসগতভাবে আমাদের জানা নেই। বিশেষত সে ক্ষেত্রে তাদের রায়বাহাদুরত্ব থাকে না। তথাপি জেঠিমা ছিলেন তাঁর পুত্রবধূ। মা বলতেন, রক্ত কথা কয়। জেঠিমার সন্তান এবং বাবাদের খোকামণি, একদা নাকি মেছোবাজার বোমা মামলার অন্যতম আসামি হয়ে দেশবন্ধুর রক্তঋণ শোধ করার চেষ্টা করেছিলেন। মহাশয় শুনেছি পরবর্তী জীবনে কম্যুনিস্ট পার্টিতে আজীবন সদস্য ছিলেন। সত্যব্রত সেনের কথা পুরনো কমরেডদের অনেকেই হয়তো জানেন।

    মায়ের কাছে পরবর্তীকালে শুনেছি, আমাদের ওই বাড়িতে স্বাধীনতার আগে এবং পরবর্তীকালে অনেক নেতা এসেছেন। আমাদের বৈঠকখানায় তাদের সভাসমিতি হয়েছে, মা তাদের পঞ্চব্যঞ্জনে রান্না করে খাইয়েছেন। মা বলতেন, ‘এইসব মাইনষেরা এহানে আইতেন সতীনদার লগে। হেনায় যহন-তহন আইয়া কইতেন, আইজ এহানে সভা আছে, এতজোন খাইবে।’ মা বলতেন, ‘হে একজন এমন মানুষ য্যারে কেউ তুইচ্ছ করতে পারত না।’ তখন নাকি দেশভাগ যাতে না হয় তার জন্য এইসব সভা-মিটিং করতেন তাঁরা। তারপর দেশভাগ যখন হলোই সেই নেতারা সবাই ওপারে চলে গেলেন। এ ক্ষেত্রে মায়ের স্মৃতিই আমার স্মৃতি। মা বলতেন, ‘বেয়াকেই গেলেন। সতীনদায় গেলেন না। হেনায় কইছেলেন, দ্যাশ ছাড়ইয়া যাইও না কেউ, একদিন আবার সব ঠিক অইয়া যাইবে।’ এই সময় আমাদের বুড়িপিসিমা নাকি প্রায়ই স্বপ্ন দেখতেন। স্বপ্ন দেখা তাঁর একটা বিশেষ ‘বাই’ ছিল, তা আমরাও দেখেছি। তিনি বলতেন, ও বড় নসু, ও ছোডো নসু। কাইল রাত্তিরে এট্টা স্বপ্পন দ্যাখলাম। বাবা বলতেন, তয় তো সোমোস্যা মিডইয়া গ্যালে। কী দ্যাখলা?

    : না দেহিকি, বৈঠকখানার ঘরে সতীন আর কেডা কেডা যেন আইয়া আমারে ডাইক্যা কয়, পিসিমা, তোমার আর কোনো চিন্তা নাই। সব ঝামেলার শ্যাষ।

    : কী রহম?

    : না, হিন্দুস্থান-পাকিস্তান এক অইয়া গেছে। ক্যারোর মধ্যে কোনো বিভেদ নাই আর। আবার বেয়াক আগের মতন অইয়া গেছে।

    বুড়িপিসিমা এরকম ‘খোয়াব’ পরেও অনেক দেখেছেন। কিন্তু কোনো কিছুই আর আগের মতো হয়নি, হওয়া সম্ভবও ছিল না। স্বদেশিদের একটা ব্যাপক প্রভাব আমাদের বাড়িতে যে পড়েছিল তা ছোটবেলায় অনুভব করেছি, যদিও আমাদের বাড়ির কর্তাদের মধ্যে স্বদেশি আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিশেষ কেউ ছিলেন না। সত্যব্রত সেনের এক দাদু ছিলেন যদুনাথ সেন, তিনি আমাদেরও দাদু। তিনি ক্ষুদিরাম এবং প্রফুল্ল চাকীর বিষয়ে খানিকটা জড়িত ছিলেন এরকম জেনেছি। ক্ষুদিরামের সৎকারকার্যে নাকি তিনি শ্মশানযাত্রী ছিলেন এবং তার চিতার একখানা জ্বলন্ত কাষ্ঠ ছিটকে এসে তার কপালের একপাশে লেগেছিল। সেই দাগটিকে নাকি তিনি রাজটিকা হিসেবে সম্মান করতেন। মায়ের কাছেই শোনা এসব গল্প। মা ক্ষুদিরামের ফাঁসির গল্প বলার সময় অবশ্যই ওই গানটা গেয়ে নিতেন—

    একবার বিদায় দে মা
    ঘুরে আসি
    হাসি হাসি পরব ফাঁসি
    দেখবে ইংলন্ডবাসী।

    আমাদের ছোটবেলায় একজন অন্ধ ভিখিরি প্রায়ই ভিক্ষে করতে আসত আমাদের বাড়িতে, আর এই গানটা বড় করুণ করে গাইত। মা তাকে অনেক ভিক্ষে দিতেন। তখনও আমাদের সাধারণ আহার্যের অভাব ছিল না।

    আমার বাবা-জ্যাঠার জীবনচর্যায় স্বদেশিয়ানার বিশেষ কিছুই আমরা দেখিনি একমাত্র খদ্দরের পাঞ্জাবি, ধুতি পরা এবং কংগ্রেসকে ভোট দেয়া ছাড়া। বাবা স্বদেশি রোমান্টিকতার নাটুকে মানুষ ছিলেন। ঠিক রাজনীতিগতভাবে কোনো বিশেষ ভূমিকায় তাঁকে দেখিনি। কিন্তু মায়ের মধ্যে স্বদেশি ভাবের যে প্রকাশ আমার জ্ঞানতকালে লক্ষ করেছি, তা তুচ্ছ করার মতো নয়। এ ক্ষেত্রে বাবার রোমান্টিকতা যে তাঁকে প্রভাবিত করেছিল তাতেও সন্দেহ নেই। বাবা সেকালের তুলনায় একজন বেশ সুশিক্ষিত মানুষ, এ কথা বলতে হবে। গ্রামীণ সমাজে, বাইরের শ্রোতাদের সাহচর্য তাঁর তেমন আকর্ষণীয় বোধ হতো না বলে, আমার ওই অর্ধশিক্ষিতা মায়ের সঙ্গেই ছিল তাঁর এইসব আলোচনার স্থান। দেখেছি, এ ব্যাপারে বাবা মায়ের কাছে যথার্থ আরাম পেতেন। কিন্তু মায়ের মধ্যে ছিল এক স্বাভাবিক স্বাদেশিকতার স্পন্দন। মা খুব ভালো গান করতেন। এই কথাটি হয়তো আমাকে বারবার প্রসঙ্গক্রমে বলতে হবে। সম্ভবত তিনি আমাদের ওই জেঠিমার কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখেছিলেন। আমি যখন মায়ের কাছে সেসব কাহিনি শুনতাম, তা তাঁর অতীতচারণাই ছিল। তথাপি, এখনও মনে হয়, কী যে আনন্দময় সেইসব। যখন মা আমাদের সামনের বারান্দার সিঁড়ি-পোস্তায় অর্থাৎ একতলার প্রলম্বিত উঁচু দলুজে বসে চাঁদনি রাতে গাইতেন—

    সেথা গিয়াছেন তিনি,
    সমর আনিতে
    মায়েরও চরণে
    প্রাণবলিদানে–

    বাবা তখন তাঁর রোমান্টিক স্বভাববশত খুবই নস্টালজিক হয়ে পড়তেন। বলতেন—করো তো, গানটা পুরাই করো।—মা গাইতেন—

    হয়তো ফিরিয়া আসিবে না আর
    হয়তো মরিয়া হইবে অমর
    সেথা যে তাঁহার মরণ সিন্ধু
    সেথা গিয়াছেন তিনি।

    মা বাবার একটু আসকারা পেলেই যেন বাবার তিনগুণ বেশি নস্টালজিক হতেন। তখন তাঁর মনে পড়ত ওইসব স্বদেশি মানুষদের কথা, যাঁদের গল্প তিনি বাবার কাছে শুনেছেন, অথবা যাঁদের একদিন তিনি নিজের হাতে রান্না করে খাইয়েছেন সেই সতীনদা, বিপিনদা, দেবেন ঘোষ এঁদের। কে জানে তাঁরা তখন কোথায়? মা গেয়ে যেতেন—

    সধবা অধবা বিধবা তোমার
    রহিবে উচ্চশির
    ওঠো বীরজায়া বাঁধো কুন্তল
    মোছায়ে অশ্রুনীর।

    আমাদের ওই প্রায় প্রাগৈতিহাসিক অট্টালিকার দক্ষিণ আলসের কিনার ঘেঁষে তৃতীয়বার না পঞ্চমীর একফালি চাঁদ ঢলে পড়ত পশ্চিমের আড়ালে। সামনের বিশালকায় আমগাছটার ছায়া সারা উঠোনে সেই চাঁদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে একটা আলোআঁধারি এমন কৌশলে তৈরি করত, তা দেখে মনে হতো সব ফাঁসি যাওয়া স্বদেশিরা তাদের দেহ-বিমুক্ত মূর্তি নিয়ে যেন মায়ের গান শুনছেন। বাবা এই সময় পুরনো দিনের সব গল্প বলতেন স্বদেশি আন্দোলন বিষয়ে। মা তন্ময়ভাবে গেয়ে যেতেন–

    জেগে আছি একা
    জেগে আছি কারাগারে—

    এখানে একটা বাস্তব কথা বলা দরকার যে, আমরা পিছারার খালের সংখ্যালঘুদের সন্তানেরা যখন স্বাদেশিকতা বা দেশাত্মবোধের এরকম এক পারম্পর্যে ছিলাম, তখন মুসলমান পরিবারের সন্তানদের এমতো কোনো আদর্শের কথা কেউ বলেনি। বলা হয়তো তখন সম্ভবও ছিল না। আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্মে মুসলমান প্রতিবেশীরা যদিও এই ধারায় খানিকটা সমৃদ্ধ ছিলেন, আমাদের সমকালীন প্রজন্ম সম্পূর্ণ অন্য শিক্ষা লাভ করছিল। একটা সময় ছিল যখন মুসলমানেরা একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডকে তাঁদের মাতৃভূমি হিসেবে বিচার করতেন না। তামাম পৃথিবীই তাঁদের ভূমি, তাঁদের জাতীয়তা ইসলাম। ইসলাম পথানুসারী একজন মানুষও যেখানে থাকবে, সেটা তাঁদেরই ভূমি। এরকম একটা বিশ্বাস তাঁদের ধর্মগত। জাতীয়তার অন্য কোনো বিচার তাঁদের কাছে গ্রাহ্য ছিল না। অতএব, আমার মায়ের কাছ থেকে স্বদেশি গল্প ও গানের মাধ্যমে যে শিক্ষা আমি স্বাদেশিকতা বিষয়ে লাভ করেছিলাম, তার সঙ্গে পাকিস্তানি স্বাদেশিকতার কোনো মিলই ছিল না। কার্যত প্রতি পদে পদে আমাকে পরবর্তীকালে সাবধানতার সঙ্গে এগোতে হচ্ছিল।

    কিন্তু আমার ওই কিশোর সময়টিতে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে স্থানীয় মুসলমানদের একটা দ্বিধারার টানাপোড়েনই আমি দেখেছি। তখন মায়ের শিক্ষা এবং গান—

    সেথা গিয়াছেন তিনি সমর আনিতে
    মায়ের চরণে প্রাণবলিদানে–

    ইত্যাদির সঙ্গে ‘নারায়ে তকবির’, ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি সহযোগে মালাউন বা কাফেরদের উচ্ছেদ করার কোনো কার্যকারণ খুঁজে পেতাম না। অথচ এই ধ্বনি কোনো অন্যায় ধ্বনি নয়। বরং ধর্মপ্রাণ মানুষেরা এর মধ্যে শান্তির বাণীই শুনতে চায়। অথচ, এই ধ্বনি তখন আমাদের সংখ্যালঘুদের কাছে কতই না বিভীষিকাময় ছিল। অনেক পরে জেনেছি, হিন্দুরাও ভারতের অনেক স্থানেই দাঙ্গার ধ্বনি হিসেবে ‘বন্দেমাতরম’ এবং ‘হর হর মহাদেও’ ইত্যাদি ধ্বনি সহকারে মুসলমান নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়ত এবং এখনও পড়ে।

    আমার পিছারার খালের পারের প্রতিবেশী মুসলমান সাধারণজন বা আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের মহালের থেকে আগত মাহিন্দরেরা মায়ের খুব অনুরক্ত ছিল। তারা মায়ের গাওয়া স্বদেশি সংগীত খুবই তন্ময়তায় আমাদের উঠোনে বা দরদালানে বসে শুনত। আমাদের মায়ের প্রজাদের সামনে কোনো সংকোচ করতেন না।

    যতদিন মধ্যস্বত্ব ব্যাপারটি ছিল, তারা আমাদের বাড়ির আত্মীয়ই ছিল, এমনই আমি দেখেছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }