Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ২১

    একুশ

    আবার আমাকে একটু পেছনের বার্তা বলতে হবে। আসলে এরকম রচনার খেই রাখা আমার মতো বেহিসেবি মানুষের পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই লেখাতে বিষয় বড় খাপছাড়া হয়ে যায়। আমার বন্ধু এবং সহপাঠী দুলালের বাড়িটা আমাদের ওই স্কুলের একেবারেই কাছে ছিল। একটা কাঠের সাঁকো পার হয়ে ওপারে গেলেই ওদের চৌহদ্দি। ওরা তখন ওখানে বেশ অবস্থাপন্ন পরিবার। সাঁকো থেকে নামলেই ওদের বেশ বড় একটা বৈঠকখানা ঘর। সেখানেই ইউনিয়ন কাউন্সিলের অফিস। দুলালের চাচা সৈজদ্দি শিকদার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। আগে বলা হতো ইউনিয়ন বোর্ড। আইয়ুব খান সাহেব ক্ষমতা দখলের পর বুনিয়াদি গণতন্ত্র চালু করলে সবগুলো বোর্ডের নাম কাউন্সিল এবং প্রেসিডেন্টদের পদবি চেয়ারম্যান হয়। বোধহয় খান সাহেব দেখে একজনের বেশি প্রেসিডেন্ট রাখা উচিত মনে করেননি। সৈজদ্দি চাচা চেয়ারম্যান হলেও আসল চাবিকাঠি ছিল আমার সেই জ্যাঠামশাইয়ের হাতেই। তালুকদারির ক্ষমতা চলে গেলেও এই গ্রামীণ রাজনৈতিক ক্ষমতাটি তিনি কোনো দিনই হাতছাড়া করেননি, যদিও নিজে কখনোই পদাধিকারে থাকেননি।

    শুনেছি এবং কিছুটা দেখেওছি যে, ওই মাতব্বরি করার ক্ষমতাটির জন্য তিনি দীর্ঘ চৌদ্দ বছর মামলা লড়েছিলেন একজন মুসলমান তালুকদারের সঙ্গে। তাঁর নাম ছিল কুট্টি খান। খুবই সম্ভ্রান্ত পরিবারের লোক ছিলেন তিনি। আমার বাবার সঙ্গে তাঁর বিশেষ বন্ধুত্ব ছিল। কিন্তু ইউনিয়ন বোর্ড নিয়ে রেষারেষিতে তিনি আর জ্যাঠামশাই ছিলেন পরস্পরের জান কা দুশমন। নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই কুট্টি খান সাহেব ইন্তেকাল ফরমালে জ্যাঠামশাই আখেরি লড়াই জিতে গিয়ে আজ একে কাল তাকে প্রেসিডেন্ট করে কাজ চালাচ্ছিলেন। বর্তমানে সৈজদ্দি চাচা চেয়ারম্যান। ইউনিয়নের কাজকর্ম বলতে যা হতো, তার ব্যাপক বর্ণনা দেবার দরকার নেই। কাজের মধ্যে ছিল শুধু দুর্ভিক্ষ বা দুর্যোগের সময় যে যৎসামান্য রিলিফের সামগ্রী আসত, তা নিয়ে ধান্দবাজি করা।

    সৈজদ্দি চাচার চেয়ারম্যান থাকার সময় জ্যাঠামশাই আমাদের ওই স্কুলে কিছুদিন হেডমাস্টারি করছিলেন। তখন প্রবল ফৌজি শাসনের সময়। সবে ক্ষমতায় এসেছেন তাঁরা। দেশ থেকে দুর্নীতি এবং অরাজকতা তথা সরকারি অর্থের নয়ছয় হওয়া বন্ধ করতে ফৌজিরা যত্রতত্র হানা দিচ্ছে। হিসেবপত্তর দেখছে। গরমিল বোধ হলে দনাদ্দন পেটাচ্ছে বা কোর্ট মার্শাল করে জেলে ঢুকিয়ে দিচ্ছে আমাদের ওখানে গঞ্জ থেকে গাঁ অবধি সর্বত্র তখন এক কম্পমান অবস্থা। আজ এ কোম্পানিতে ছাপামারি হচ্ছে তো কাল অমুক ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে কান ধরে ওঠবস করাচ্ছে। সে এক দেখার মতো কাণ্ড। কিছু মানুষ ভাবতে শুরু করল, এবার দেশের নিশ্চয় উন্নতি হবে। কেননা তাদের বিশ্বাস মিলিটারিরা কখনো আমলাদের মতো অসৎ হয় না। তারা যা করবে দেশের স্বার্থেই করবে। যেহেতু দেশে এই প্রথম সামরিক শাসন, তাই গ্রামীণ সাধারণ মানুষ পদস্থ লোকদের নাকানি চোবানি খাওয়া দেখে খুবই আহ্লাদিত হয়েছিল। সামরিক শাসন আসলে যে কী বস্তু, তা বুঝতে তাদের বেশ কিছুকাল সময় লেগেছিল, শহরের মানুষদের কথা বলতে পারব না, কেননা সেসব খবর পিছারার খালের মাঠপ্রান্তরে খুব কমই পাওয়া যেত সেসব দিনে। এ শুধু আমার অঞ্চলের কথা।

    এরকম সময় একদিন স্কুলে গিয়ে দেখি একদল ফৌজি এসেছে। তারা ইউনিয়ন কাউন্সিলের অফিসে বসে হিসেবপত্তর দেখছে। আশপাশে গাঁয়ের লোকেদের ভিড়। তারা সবাই তটস্থ। বেশির ভাগ মানুষই এই প্রথম ফৌজিদের কাছাকাছি থেকে দেখছে। ফর্সা লাল লাল চেহারার জোয়ান সব। পরনে জলপাইরঙের উর্দি, কাঁধে অদ্ভুত ধরনের রাইফেল, গাঁক গাঁক করে উর্দুতে কথা বলছে, সে এক কাণ্ড। স্বয়ং চেয়ারম্যান সাহেব ঘরের এক কোনে দাঁড়িয়ে দুই হাঁটুর কম্পনজনিত তাল বাজাচ্ছেন।

    ক্লাসের ছেলেরা সবাই আমাকে বলতে লাগল, আইজ তোর জ্যাডার শ্যাষ। অনেক অপকিত্তি করছে। আইজ হ্যার ছাড়ন নাই। এয়ার নাম মিলিটারি হ। জ্যাঠামশাই যে নানাবিধ অপকিত্তির আধার, সে বিষয়ে আমার কিছুমাত্র সন্দেহ না থাকলেও, এদের বার্তালাপ আমার খুবই খারাপ লাগছিল। জ্যাঠামশাই তখন আমাদের হেডমাস্টার হলেও তিনি যে অন্য আরেকটি দূরবর্তী গ্রামের স্কুলেরও কর্ণধার একই সঙ্গে, সে তথ্য আমার জানা ছিল। কোথাও তিনি নিয়মিত কর্তব্য করতেন না, বা করা সম্ভবও ছিল না। এও তাঁর একটি অপকিত্তির নমুনা। আমাদের স্কুলে যেদিন আসতেন, স্কুল এবং কাউন্সিলের কাজ একসঙ্গে করে যেতেন। আবার কিছুদিন বেপাত্তা থাকতেন। এদিনটিতেও তাঁর আসার কোনো লক্ষণ দেখা গেল না, যদিও হিসেবমতো আসার কথা ছিল তাঁর। ফলত সবচেয়ে মুসিবত হলো সৈজদ্দি চাচার। তিনি সাধারণ অল্পশিক্ষিত গ্রামীণ গেরস্ত মানুষ। জ্যাঠামশাই তাঁকে তালেগোলে চেয়ারম্যান করে বসিয়েছেন। বুনিয়াদি গণতন্ত্রের নিয়মমাফিক নির্বাচন তখনও হয়নি। তিনি শুধু প্রেসিডেন্ট থেকে চেয়ারম্যান নামটা পেয়েছেন। এখন ফৌজিরা যা ধুন্ধুমার লাগিয়ে দিয়েছে তাতে চাচার অবস্থা বড়ই লবেজান। চাচা না পারছেন এদের সামলাতে, না বুঝছেন এদের নির্দেশাবলি। উর্দুতে বাতচিত করছে ফৌজিরা, যার এক বর্ণও বোধগম্য হচ্ছে না কারও। গ্রামের অন্যান্য মুরুব্বি-মহাজনরা উপস্থিত আছেন বটে, তবে তাঁদের অবস্থাও তদনুরূপ। সে এক অনাছিষ্টি কাণ্ড। তারা বাংলা বোঝে না। এঁরা উর্দু বোঝেন না। একমাত্র হুজুর-স্যার অর্থাৎ মৌলবি সাহেব উর্দু আরবি জবানে পোক্ত, এমতো এক বিশ্বাসে তাঁকে ঠেলে দেয়া হলো দোভাষির কাজে। তিনি মানুষটি খুব শান্ত, উর্দু আরবিও যে তিনি কিছুই জানেন না, তাও নয়। তবে তাঁর একটাই অসুবিধে, তিনি নোয়াখালি জেলার মনুষ্য এবং চাকরিসূত্রে বরিশালের এই অজ গাঁয়ে এসে পড়েছেন। তাঁর বাংলা, উর্দু এবং আরবি তিনটি জবানই এক উচ্চারণের। ‘ফ’ এবং ‘হ’-এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা হেতু তাঁর উচ্চারিত শব্দাবলি কোনো পক্ষেরই বোধ্য হচ্ছিল না। আবার ‘রাষ্ট্রভাষা উর্দু চাই’-এর মতো এক ‘আনাডা’ দাবি রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে তখনও থাকায় ফৌজিরা এক বর্ণও বাংলা শিক্ষা করা প্রয়োজন বোধ করেনি, আঞ্চলিক উপভাষা তো দূরস্থান।

    এরকম এক প্রায় কেয়ামতি সংকট-সময়ে দেখা গেল প্রায় সাড়ে ছফুট লম্বা, রোদে পোড়া তামাটে বর্ণ এবং অত্যন্ত ছোট ছোট করে ছাঁটা কাঁচাপাকা চুল মাথায় একজন মনুষ্য আসছেন। তাঁর পরিধানে অত্যন্ত নোংরা প্রায় তেল চিটচিটে ধুতি এবং পাঞ্জাবি, হাতে একটি গলা-বেঁকানো লাঠি। পোশাকে খুব শৌখিন না হলেও জ্যাঠামশাই বরাবর খুবই ধোপদুরস্ত জামাকাপড় পরতেন। এরকম পোশাকে এবং তৎসহ একটি লাঠি হাতে তাঁকে আমি অন্তত কোনো দিন দেখিনি। তখনই বুঝলাম এটি তাঁর চিরাচরিত স্বভাবেরই প্রকাশ। আগে অনেকবারই তাঁর ঈদৃশ উদ্ভট আচরণের গল্পকথা আমার শোনা ছিল। নিজেকে অত্যন্ত দীনভাবে প্রতিপক্ষের সামনে হাজির করে একসময় স্বমূর্তি ধারণ করা তাঁর বরাবরের রণকৌশল। বলাবাহুল্য এইসব রণে তিনিই বরাবর জয়ী হতেন।

    তিনি সাঁকো পেরিয়ে আসার সময় বন্ধুরা আবার আমায় বলল, দ্যাখ আইজ তোর জ্যাডার কী দশা হয়। কিন্তু আমি যথেষ্ট ভীত হলেও দেখলাম, জ্যাঠামশাইয়ের কিছুমাত্র দশা সেদিন হলো না। অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, কীভাবে তিনি এই অবস্থার মোকাবিলা করলেন। স্মৃতি যতদূর সচল, মনে করতে পারছি যে ওই অফিসে ঢুকেই প্রথমে তিনি সৈজদ্দি চাচাকে খুঁজলেন। অতগুলো হুমদো হুমদো ফৌজিদের তিনি যেন আমলই দিলেন না। চাচা জ্যাঠামশাইয়ের আগমনে খানিক সাহস পেয়ে থাকবেন। তিনি কাছে এসে দাঁড়ালে জ্যাঠামশাই বললেন, সৈজদ্দি, তুমি ওহানে খাড়ইয়া আছ ক্যান? তোমার চেয়ার তো ওইডা। বলে মেজর সাহেব যে চেয়ারটায় উপবিষ্ট, সেটাকে ইঙ্গিত করলেন এবং পরিষ্কার উচ্চারণে তাঁকে বললেন, If you do not mind gentleman that chair is ment for the president, I mean the chairman of this council. Let me introduce him, Mr. Saijaddin Shikdar the duly elected chairman of our union council and I am his humble advisor, Mr. Sengupta. মেজর থতমত খেয়ে চেয়ারটি ছেড়ে দিলে জ্যাঠামশাই বললেন, সৈজদ্দি আর দুইডা চেয়ার বলো। চেয়ার এলে তাঁরা পাশাপাশি বসলেন সবাই। এবার জ্যাঠামশাই মেজরের পরিচয় জানতে চাইলেন এবং তৎসহ এই অফিস পরিদর্শনের জন্য তাঁর অধিকারপত্র। মেজর খুশিমনে তাঁর পরিচয় জানালেন, কিন্তু পরিদর্শনের কোনো অধিকারপত্র দিতে পারলেন না। বললেন যে, মার্শাল প্রেসিডেন্ট একটা জেনারেল সার্কুলার-এর মাধ্যমে সব মেজরদের এই অধিকার প্রদান করেছেন। জ্যাঠামশাই বললেন, It is good that his excelency has taken such a decision, but I dare say, it is irregular that you don’t have a copy of that circular at your disposal. Afterall this is your official visit. মেজর একটু তাজ্জব বনে গিয়ে ব্যাপারটা স্বীকার করে নিলেন এবং জানালেন যে, অত্যন্ত ব্যস্ততাবশত তিনি কপিটি আনেননি। জ্যাঠামশাই It’s all right, it’s all right, Never mind ইত্যাদি বললেও জানিয়ে দিলেন যে, সে ক্ষেত্রে মেজরের পরিদর্শনটা খানিকটা অসমাপ্ত রাখতে হবে। কারণ তিনি চান এরকম একটি মহান কার্যক্রমে যেন কোনো ত্রুটি না থাকে। Official decorum and sancitity of the union council must be maintained. তিনি মেজরকে কয়েক প্রস্থ ধন্যবাদ দিয়ে বললেন যে, শুধু ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টগুলো ছাড়া বাকি সবরকম বিষয় পরিদর্শনে কোনো অসুবিধে নেই, বরং ভালোই হলো যে এই সুবাদে মেজরের আরেকবার শুভাগমন এই কাউন্সিল অফিসে ঘটবে অচিরেই।

    এইসব কথাবার্তা চলছে এমন সময় একটি অঘটন ঘটল। একজন ফৌজির ভাষা বুঝতে না পেরে জনৈক চৌকিদার একটু ইতস্তত আচরণ করছিল। ফৌজিটি এ কারণে বিরক্ত হয়ে তাকে একটি চড় মেরে বসল। জ্যাঠামশাই সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে মেজর সাহেবের কাছে জানতে চান—Do you approve of this type of impertinence of a subordinate? মেজর সাহেব ফৌজি মানুষ। জ্যাঠামশাইয়ের এ তাবৎ তালেবরিতে একটু বিগড়েই ছিলেন, এখন এরকম একটা স্পর্ধাসূচক প্রশ্নে ক্ষেপে গিয়ে পালটা প্রশ্ন করলেন : Who is the subordinate? He is a Lance Nayek. জ্যেষ্ঠতাত তীব্র ব্যঙ্গে প্রত্যুত্তর করলেন, Sorry, I thought a major is a major. But now I see that even a Lance Nayek has the right to defy his major and can exercise his own unjustified whimsicality. এবং মেজর বুঝলেন যে, তাঁর প্রতিপক্ষের বেশভূষা যা-ই হোক, তিনি সাতিশয় ধড়িবাজ। ফৌজি কানুনের ব্যাপার-স্যাপারও বিলক্ষণ তার মগজে আছে। একজন মেজরের সামনে যে সাধারণ একজন ল্যান্স নায়েক-এর এরকম আচরণ ফৌজি কানুনসম্মত নয়, আর তা যে মেজরেরই অসম্মান, জ্যাঠামশাই অত্যন্ত সরলভাবে তাঁকে তা বুঝিয়ে দিলেন। মেজর বুঝলেনও কিন্তু জ্যাঠামশাইয়ের পরবর্তী প্রস্তাবটি মানা তাঁর পক্ষে কিছু আপত্তিকর মনে হলো। তিনি চাইলেন, ল্যান্স নায়েকটি চৌকিদারের কাছে এই অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইবে। এই নিয়ে চাপান-উতোর এবং উত্তপ্ততা বাড়তে থাকে। মেজরের বক্তব্য যে, এইসব আদমিরা এক বর্ণ উর্দু বোঝে না, পাঞ্জাবি, সিন্ধিও বোঝে না। এদের নিয়ে কাজ করা খুবই ঝকমারি। জ্যাঠামশাইয়ের যুক্তি, একটা মাল্টিল্যাঙ্গুয়াল স্টেটের শাসকদের এমন কথা বলা উচিত নয়। তদুপরি বিগত ভাষা আন্দোলনের পর এই কয়েক বছরের মধ্যেই রাষ্ট্রভাষা বাংলা এবং উর্দু দুটোই হবে, এই নীতি সরকারিভাবে ঘোষিত হয়েছে। এক্ষণে মার্শাল প্রেসিডেন্টের শত্রুরা সব স্থানে ওত পেতে আছে তাঁর ত্রুটি ধরার জন্য। এসব ব্যাপার নিয়ে তারা নানান প্রচার চালাতে সুবিধে পাবে। বিশেষত, জেনারেল প্রেসিডেন্ট স্বয়ং বুনিয়াদি গণতন্ত্র বিষয়ে উদ্যোগী। ইউনিয়ন কাউন্সিল বুনিয়াদি গণতন্ত্রের সর্বনিম্ন ধাপ। সেখানে যদি শাসকরা এরকম আচরণ করেন তবে জেনারেল প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্য পণ্ড হবে। খুবই ধীরস্থিরভাবে এবং সুন্দর ভাষায় জ্যাঠামশাই এসব ব্যাপারের তাৎপর্য এবং কিতাবের ভাষার ব্যাখ্যা করে মেজরকে বোঝালেন। মেজরও তখন বাধ্য হয়ে ল্যান্স নায়েককে ডেকে ভর্ৎসনা করে বললেন যে, সাধারণ কর্মচারী বা সাধারণ কোনো মানুষের সঙ্গে আচার-আচরণে অতঃপর যেন কিছুমাত্র বাড়াবাড়ি করা না হয়। ল্যান্স নায়েক অনিচ্ছা সত্ত্বেও চৌকিদারের হাত ধরে ‘মাফি’ ‘কৈবাত নেহি’ বলে ব্যাপারটা মিটিয়ে নেয়। সেদিনের মতো মেজরের পরিদর্শন সেখানেই শেষ। হিসেবপত্রের বিষয়ে জ্যাঠামশাই মেজরকে ওয়াদা করলেন যে, সে বিষয়ে তিনি যথাস্থানে হিসেব দাখিল করবেন। তা ছাড়া তিনি ঠাট্টা করে মেজরকে এও বললেন যে, At least a major should not act as an ordinary accountant or a petty clerk. It does not befit him. He has much more responsibility to shoulder at this crucial hour of the country. মেজর জ্যাঠামশাইকে ‘শুকরিয়া’, ‘আলবিদা’ বলে ফৌজি স্পিড বোটে চাপলেন। ঘোর গর্জন করে বোট বড় খালের উদ্দেশ্যে ছুটল। তাঁরা সব ঢাকা যাবেন, প্রাদেশিক রাজধানীতে। সেখানে তাঁদের আসল রাজ্যপট। কিন্তু বুনিয়াদি গণতন্ত্রের বুনিয়াদের স্তরে জ্যাঠামশাইদের প্রবল প্রতাপ তখনও।

    স্পিড বোটের শব্দ মিলিয়ে গেলে জ্যাঠামশাই ধীরে সুস্থে উঠে দাঁড়িয়ে চারদিকে একবার তাকালেন। গ্রামের সাধারণ মানুষ এবং মুরুব্বি-মহাজনেরা তখনও ভিড় করে সেখানে দাঁড়িয়ে। খুবই শান্তভাবে জ্যাঠামশাই তাঁদের বললেন, এবার আপনেরা বাড়ি যায়েন, আমিও উডি। সৈজদ্দি, কেরানিবাবুরে কও ফাইলপত্তর গুছগাছ করইয়া আলমারিতে উড়াইয়া রাহুক। কামকাজ এট্টু গুছাইয়া রাখতে অইবে। হিসাবডা যেন কাইল থিকাই ঠিক করইয়া রাহে। সবাই তখন অবাক বিস্ময়ে আমার জ্যেষ্ঠতাতের মহিমা দেখছিল। জ্যাঠামশাই চাচাকে আবার বললেন, সৈজদ্দি, ছোবল মারতে যদি না পারো, অন্তত ফোঁস করইও। এরা কিন্তু শক্তের ভক্ত, নরমের যোম। হ্যারা তোমার কথা কিছু বুজুক, না বুজুক তোমারে য্যামন তড়পাইবে, তুমি হেয়ার একশ গুণ বেশি তড়পাবা তোমার কেরানিবাবু, চকিদার আর দফাদারগো উপার। ওই রহম কোনায় খাড়ইয়া আডু বাজাবা না। এ্যারা কৈলম আসলেই কাচাখাউগ্যা। তয় আইজ চলি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }