Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ২২

    বাইশ

    আমাদের বাবু প্রসন্নকুমার বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, আমাকে ওই স্কুলে নিয়ে যাবেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে জ্যাঠামশাইয়ের পরামর্শ বা নির্দেশ ছিল। বাবার মনোগত ইচ্ছাও অনুরূপই ছিল। কিন্তু দুজনের এরূপ ইচ্ছার কারণ ভিন্ন ছিল। জ্যাঠামশাই আমার বর্তমান স্কুলে ভর্তি হওয়া আদৌ সমর্থন করেননি। এমনকি যে কদিন তিনি ওই স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন (খুব বেশি দিন অবশ্য করেননি), তার মধ্যে না আমার সঙ্গে স্কুলে তিনি একটি কথা বলেছেন, না ক্লাস নেবার সময় আমাকে কোনো প্ৰশ্ন করেছেন। তাঁর শিক্ষকতার মান খুব উচ্চস্তরের যে ছিল না, তা তাঁর চাইতে অনেক কম ডিগ্রিওয়ালা হাতেম মাঝিস্যারের পড়ানোর সঙ্গে তুলনা করেই আমি বুঝতে পেরেছি। জ্যাঠামশাই তখনকার দিনের বিএ পাস এবং তাঁর বরাবরের দাবি তিনি খুবই উত্তম ছাত্র ছিলেন। গ্রাম-গাঁয়ে তখনকার দিনে বিএ পাস মানুষ এখনকার মতো আণ্ডায়-গণ্ডায় মিলত না। ফলে জ্যাঠামশাইয়ের একজন উচ্চশিক্ষিত মানুষ হিসেবে শুধু পিছারার খালের জগতেই নয়, তার চৌহদ্দির বাইরে সদর অবধি সুনাম ছিল। তদুপরি তিনি আইন বিষয়েও কিছুকাল পড়াশোনা করেছিলেন। তবে এসব ব্যাপারের সঙ্গে শিক্ষকতার সম্পর্ক খুব ঘনিষ্ঠ নয় বলে আমরা তাঁর শিক্ষণে কিছুমাত্রই যে উপকৃত হইনি, এ কথা বললে সত্যের অপলাপ হয় না। পক্ষান্তরে শুধু ম্যাট্রিক পাস, নাকি এন্ট্রান্স পাসই বলব, মাঝিস্যার তাঁর দীর্ঘকালীন শিক্ষকজীবনের অভিজ্ঞতায় আমাদের যতটা শেখাতে বা তৈরি করতে পেরেছিলেন, তার সুফল সারাজীবন ভোগ করেছি।

    এই রচনা যাঁরা পাঠ করবেন, তাঁরা হয়তো জ্যাঠামশাই বিষয়ে আমাকে খুবই একদেশদর্শী হিসেবে ভাবতে পারেন। কেননা আমি তাঁর বিষয়ে কোনো কিছুই ভালো বলছি না। শুধুই তাঁর দোষত্রুটি বিষয়েই আলোচনা করছি। কিন্তু সত্যের খাতিরে আমায় এসব কথা বলতেই হচ্ছে। কারণ জ্যাঠামশাই ওই সময়কার হিন্দু মধ্যস্বত্বভোগী উচ্চবর্ণীয় মানুষদের একজন প্রকৃষ্ট প্রতিনিধিমূলক চরিত্র।

    আমার এই স্কুলে পড়াশোনা করার বিষয়ে তাঁর আপত্তির প্রধান কারণ এই যে, স্কুলটি মুসলমান গ্রামে এবং সেখানে শিক্ষকরাও অধিকাংশই মুসলমান। ঐতিহাসিক এবং সামাজিক বিচারে, ওই সময়ে ভালো মুসলমান শিক্ষক সত্যিই যে অপ্রতুল ছিল, সে কথা মিথ্যে নয়। কারণ দীর্ঘকালব্যাপী বঙ্গীয় শিক্ষক, উকিল, মোক্তার, ডাক্তার এবং হাকিম বলতে অবশ্যই মধ্যবিত্ত হিন্দু সমাজের মানুষই ছিল। দেশভাগের পর এঁরা যখন পূর্ববাংলার মাটি ছেড়ে সংগত এবং কখনো-বা অসংগত কারণে পশ্চিমবাংলায় পাড়ি দেন, তখন নবগঠিত রাষ্ট্র পাকিস্তানের সমূহ সমস্যা। তখন অকস্মাৎ এক ব্যাপক শূন্যতার সৃষ্টি হয়। হিন্দু ডাক্তার, উকিল, মোক্তার, শিক্ষক যাঁরা একাধারে হিন্দু মধ্যস্বত্বভোগী এবং সাধারণ মুসলমান, নমঃশূদ্র, কৈবর্ত ইত্যাদি চাষি বা সাধারণ পেশার মানুষদের শোষক, আবার তেমনই তাঁদের পরিষেবার মাধ্যমে এঁদের সংরক্ষকও। পাকিস্তান কায়েম হবার সঙ্গে সঙ্গেই, দাঙ্গা এবং তার আতঙ্কজনিত কারণে, যাঁদের পশ্চিমবাংলায় কিছু সহায়সম্পদ ছিল, তাঁরা চটজলদি সেখানে পাড়ি দেন। এঁরা কিন্তু ঠিক উদ্বাস্তু হিসেবে সেখানে যাননি। তাঁদের ব্যবস্থা সেখানে করাই ছিল। তাই পরবর্তীকালে এঁদের অনুপস্থিতি শিক্ষাক্ষেত্রে, চিকিৎসাক্ষেত্রে এবং কোর্টকাছারি, অফিস-আদালত ইত্যাদির পরিষেবার ক্ষেত্রে যে ব্যাপক শূন্যতার সৃষ্টি করে, সামান্যসংখ্যক তৎ তৎ পেশা অবলম্বনকারী মুসলমানেরা তা ভরাট করতে পারেননি। ভূমিলোভী যাঁরা, তাঁরা হয়তো কিছু তাৎক্ষণিক লাভের মুখ দেখে এই মাৎস্যন্যায়ে উৎসাহী হয়েছিলেন, কিন্তু ব্যাপক মুসলমান সমাজ অন্তত সেই সময়ে এই এক্সোডাস যে চাননি, এমন আমার মনে হয়েছে।

    আমার জ্যাঠামশাই ছিলেন সেই শ্রেণির প্রতিভূ, যে শ্রেণির উপস্থিতি প্রকৃতপক্ষে, ওখানকার সাধারণ মানুষের আদপেই কোনো উপকারে আসার কথা নয়। মুসলমানদের, নমঃশূদ্র বা অন্ত্যজদের প্রতি তাঁর ঘৃণা এবং বিদ্বেষ অত্যন্ত উগ্র। তিনি প্রাচীন সামন্তদের ন্যায় আচরণে তাঁর এই মনোভাব কখনো গোপন করতেন না। তালুকদারি প্রথা লুপ্ত হলে তাঁর বৈঠকখানা বা দরবার-গৃহের তাবৎ সরঞ্জাম অন্দরমহলে পাচার করে সামান্য কখানা বেঞ্চিমাত্র সেখানে রাখেন, কেননা, যদি কোনো মুসলমান তাঁর বৈঠকখানায় এসে চেয়ারে বসার স্পর্ধা জানায়! তাঁর অহমিকা এই পর্যায়েরই ছিল। অথচ এই মুসলমান সমাজের লোকের সঙ্গেই তাঁর কাজকারবার ছিল ব্যাপক। তাঁর পরিবারের কোনো সন্তান মুসলমানের কাছে শিক্ষালাভ করুক, এটা তাঁর সম্পূর্ণতই আদর্শবিরোধী। বরং সে মূর্খ হয়ে থাকুক, তাতে কিছুই আসে যায় না তাঁর। ব্যাপারটা অনেকটা ইংরেজি শিক্ষা প্রচলনের প্রারম্ভিক যুগের মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের ধারাবাহী, যাঁরা ফারসি শিক্ষা ছেড়ে ইংরেজি বিদ্যের ধারেকাছে যাবেন না বলে ধনুর্ভঙ্গ পণ করেছিলেন, তাঁদের মতো। তবে এমতো সামন্ত-আচার যে ধোপে টেকে না, তা তাঁর জীবৎকালেই তিনিও দেখেছেন, আমরা তো দেখেছিই।

    তথাপি শেষ কামড় দিতে জ্যাঠামশাই ছাড়েননি। আমাকে ওই স্কুল থেকে প্রসন্নকুমার বিদ্যালয়ে পাঠানোর জন্য তাঁর যা যা করণীয়, সবই তিনি করলেন। এ ক্ষেত্রে পরিস্থিতি তাঁর সহায়ক ছিল। প্রসন্নকুমার উচ্চ ইংরাজি বিদ্যালয় আমাদের ওই এলাকার সর্বপ্রাচীন বিদ্যালয়। স্থানটি এবং স্কুলটি হিন্দুপ্রধান তখনও। এই স্কুলটির স্থাপয়িতা স্বনামখ্যাত রোহিনীকুমার রায়চৌধুরী তদানীন্তন রীতি অনুযায়ী পিতৃনামে স্কুলটির পরিবর্ধন করেন। ইতিপূর্বে এটি একটি মাইনর স্কুল হিসেবেই ছিল। সুপ্রসিদ্ধ ‘বালা’ নামক ইতিহাস গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন রোহিনীকুমার। আমাদের ও-দিগরে এত বড় স্কুল আর ছিল না। অবস্থাপন্ন তালুকদার বা অর্থশালী মুসলমানেরা যে এরকম স্কুল ইত্যাদি তৈরি করেছেন, ইতিপূর্বে তা আমরা দেখিনি। পাকিস্তান কায়েম হবার পর, যখন হিন্দু শিক্ষকরা প্রায় সবাই এ দেশ ত্যাগ করে পশ্চিমবঙ্গে পাড়ি দিলেন, তখন অবস্থাপন্ন বা তালুকদার মুসলমানদের টনক নড়ল যে একটা শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এই শূন্যতার ফলাফল তাঁদের ক্ষেত্রে অতি ভয়াবহ। কেননা তাঁদের সন্তানেরাই এখন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া। ইতিপূর্বে যে কারণে তাঁরা হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করতেন, এখন তার অন্য দিকটাও তাঁদের কাছে প্রতিভাত হলো। তাঁরা আশা করেছিলেন যে, পাকিস্তান কায়েম হলে তাঁদের ছেলেপুলেরাই এই শূন্যস্থানটি রাতারাতি পূর্ণ করে ফেলবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় কার্যকালে বিষয়টি অত সরল হলো না। বিশেষত গ্রামের স্কুলগুলোতে এই ব্যাপক ভদ্র হিন্দুর দেশত্যাগে একটা বীভৎস ধস নামল। একের পর এক স্কুল-শিক্ষক এবং ছাত্রের অভাবে বন্ধ হয়ে যেতে লাগল। আমাদের গ্রামগুলোতে যেমন দেখেছি, আট-দশটা গ্রাম বা গোটা ইউনিয়ন জুড়ে হয়তো একটা বা দুটো বড় স্কুল তখন ছিল। এই স্কুলগুলো সাধারণত কোনো হিন্দুপ্রধান গ্রামেই অবস্থিত হতো, কারণ সেগুলোর প্রতিষ্ঠাতা হয় কোনো হিন্দু জমিদার বা তালুকদার, নয়তো কোনো সফল ব্যবসায়ী হিন্দু বণিক তাঁদের মা, বাপ বা বিগতা ধর্মপত্নীর নামে স্থাপিত করেছেন। আমাদের পিছারার খালের বা বড় খালের সন্নিহিত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে হাতগুনতি যে কজন সম্পন্ন মুসলমান তালুকদার বা ব্যবসায়ী ছিলেন, তাঁদের সন্তানরাও যেহেতু এইসব স্কুলেরই ছাত্র হতো, তাই তাঁরা তাঁদের গ্রামগুলোতে কোনো বড় স্কুল স্থাপনার প্রয়োজন বোধ করেননি। বরং তাঁরা আরবি, উর্দুশিক্ষার জন্য ছোট ছোট মাদরাসা বা মক্তব খোলার ব্যবস্থা বহুকালাবধি চালিয়ে গেছেন। রইসি মুসলমানদের ঈদৃশ ব্যবস্থাপনার মধ্যে এক স্বার্থবোধ অবশ্য কাজ করেছিল। সাধারণ চাষি গৃহস্থ এবং ইসলামে নিষ্ঠাবান গ্রামীণ কৃষককুল এই শিক্ষাকেই চূড়ান্ত মানলে তাঁদের অর্থাৎ মুসলমান তালুকদার, জোতদার বা ব্যবসায়ীদের খিদমতগারির জন্য অফুরন্ত মেহনতকারীর অভাব হবে না। হিন্দুদের স্বার্থচিন্তাও অনুরূপই ছিল। কিন্তু তাঁরা জানতেন সাধারণ মুসলমান অর্থাৎ যারা তাদের আধিয়ার, বর্গাদার, বেঠবেগারি খাটনেওয়ালা, রাখাল, মাহিন্দার বা ভাতুয়া, তারা কোনো দিনই তাদের সন্তানদের স্কুলে পড়াতে পারবে না। কারণ সে ক্ষেত্রে রইসিদের খিদমতগারির সমূহ অসুবিধে। কিন্তু পাকিস্তান কায়েমের সময় এবং তার পরবর্তী বেশ কিছুকাল ধরে যখন রাষ্ট্র নেহাত শিশু, মুসলিম লিগ নাড়া দিয়ে গেছে যে, ইসলামের ভিত্তিই হচ্ছে সাম্যের ভিত্তি। সেখানে সবাই সমান। আমির গরিবে কিংবা জাতপাতে কোনো ভেদাভেদ নেই। সবার সমান অধিকার। হাদিস শরিফে এ কথা স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকোবার আগেই তার মজুরি যেন দিয়ে দেয়া হয়। এরকম সব উত্তম কথা সে সময় আমরা অনেক শুনেছি। কিন্তু এমনও দেখেছি যে, আমাদের পিছারার খালের উলটোপারে যেদিকে মুসলমান গ্রাম, সেখানের জনৈক তালুকদার তাঁর আপন ভাগ্নেকে ‘বান্দির বাচ্ছা’ বলে গাল পাড়ছেন। কেন? না তার মা অর্থাৎ ওই তালুকদারের বোন ‘বেওয়া’ অবস্থায় তার বাড়িতে (অর্থাৎ ভাইয়ের বাড়িতে) দাসীবৃত্তি করে তার সন্তানকে বড় করছে। আর সে যখন তার ন্যায্য হিসেব দাবি করছে তখন তাকে বলা হচ্ছে বান্দির বাচ্ছা।

    এই শূন্যতা যখন ব্যাপক, তখনই সম্পন্ন মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষেরা তাঁদের এলাকায় স্কুল স্থাপনে উদ্যোগী হলেন। উচ্ছন্নে যাওয়া হিন্দু গ্রামে স্কুলগুলোর সম্পদ যখন চোর-ডাকাতে লুট করে নিয়ে যায়, তখন মুসলমান গ্রামগুলোতে নতুন করে স্কুল তৈরির প্রচেষ্টা চলে। অন্যথায় তাঁদের সন্তানদেরই শিক্ষা-দীক্ষার পথ রুদ্ধ। মুসলমান জোতদারেরা অথবা বৃহৎ ও মাঝারি চাষিরা এইসব স্কুল স্থাপনের জন্য তখন উদ্যোগেী। তখন একদিকে হিন্দুদের ছেড়ে আসা স্কুল, বাড়িঘর, বাগান-বিলাস সব চাষের জমিতে রূপান্তরিত হতে থাকে, আরেক দিকে নতুন স্কুল গড়ার, খেলার মাঠ গড়ার বা ইতিপূর্বে যেসব বৈভব তাঁরা হিন্দুপ্রধান গ্রামগুলোতে দেখেছিলেন, তার অনুকৃতির প্রচেষ্টা চলতে থাকে। কিন্তু আখেরে কিছুই বিশেষ দাঁড়ায় না। কারণ এই গঠনে না থাকে তাদের কোনো পরম্পরা, না যুগানুযায়ী প্রয়োজনের কোনো নতুনত্ব। এ শুধুই পুরাতনের অনুকৃতির প্রচেষ্টা হিসেবে দুদিন বাঁচে এবং তারপর মরে যায়।

    তাদের এরকম প্রচেষ্টার সময়েই আমার বাবা এবং জ্যাঠামশাইয়ের মতন অশিক্ষক মানুষেরা শিক্ষকতাকে পেশা করার সুযোগ পান। তখনও মুসলমান সমাজ থেকে এইসব স্কুলের জন্য শিক্ষক পাওয়া ওই এলাকায় সম্ভব ছিল না, যে কথা আগেই বলেছি। কখনো শহরের কলেজ থেকে ছুটিতে আসা ছাত্র বা ফাইনাল পরীক্ষা শেষ করে অবসর কাটানো কোনো গ্রামীণ যুবক অথবা কোনোক্রমে টেনেটুনে ম্যাট্রিক-উত্তীর্ণ বা অনুত্তীর্ণ গ্রামীণ বেকার কোনো যুবক এইসব স্কুলে শিক্ষকতা করে সাময়িকভাবে। তাদের কোনো শিক্ষকতাজনিত যোগ্যতা আদৌ থাকে না। কিন্তু উপায় নেই। দেশে তখন শিক্ষক বলতে প্রায় নেই। প্রসন্নকুমার বিদ্যালয়েও অবস্থা এ সময় এমন কিছু ভালো নয়। এই স্কুলেল একমাত্র রেক্টর স্যার ছাড়া অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে ডিগ্রিধারী ছিলেন শুধু হেডমাস্টারমশাই। তিনিই শুধু একমাত্র গ্র্যাজুয়েট। বাকি সব ম্যাট্রিকুলেট। হেডমাস্টারমশাই সে যুগের বিএবিএড ছিলেন। কিন্তু গুরুভক্তি মাথায় রেখেই বলি, তিনিও খুব উত্তম শিক্ষক ছিলেন না। অন্যান্যদের তো কথাই নেই। রেক্টর স্যার অর্থাৎ অশ্বিনীবাবুই ছিলেন একজন প্রকৃত শিক্ষক এবং আমৃত্যু তিনি তা-ই থেকে গেছেন। তবে সব মাস্টারমশাইরাই যথেষ্ট আন্তরিক এবং পরিশ্রমী ছিলেন আমাদের শিক্ষাদান বিষয়ে। বাবাও প্রসন্নকুমার বিদ্যালয়ে এরকমই একজন শিক্ষক হলেন। তিনি বাংলা ভাষায় পদ্য লিখতে পারতেন এবং প্রাচীন বাংলাসাহিত্যে তাঁর পড়াশোনাও ভালোই ছিল। কিন্তু তিনিও ভালো শিক্ষক ছিলেন না। অবশ্য ক্রীড়া-প্রশিক্ষণে তাঁর দক্ষতা উত্তম ছিল।

    প্রসন্নকুমার উচ্চ ইংরাজি বিদ্যালয় নামের এই স্কুলটি আমাদের অঞ্চলের সব থেকে প্রাচীন বিদ্যালয়। আগেই বলেছি রোহিনী রায়চৌধুরী মশাই খুবই বিদ্যোৎসাহী এবং সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। কীর্তিপাশা গ্রামটি তাঁদের নিজমৌজা বিধায় তার উন্নতিকল্পে তিনি প্রভূত প্রচেষ্টা করেছিলেন। এই স্কুলের উন্নতি ব্যতিরেকেও তিনি পার্শ্ববর্তী গ্রামের টোল, মক্তব, মাদরাসা ইত্যাদির উন্নতিক্রমে ব্যাপক কাজকর্ম এবং সাহায্যাদি করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মহাশয় অতি স্বল্পায়ু জীবনযাপন করেছেন। মাত্র সাঁইত্রিশ-আটত্রিশ বছর বয়ঃক্রমকালে মৃত্যু তাঁকে ছিনিয়ে নেয়। তাঁর রচিত অনেক গ্রন্থই আমরা বাল্যে পাঠ করেছি। ‘বালা’ তাঁর ইতিহাস বিষয়ে একখানি আকর গ্রন্থ। এ ছাড়া তিনি বেশ কয়েকখানা গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তার মধ্যে ‘আমার পূর্বপুরুষ’, ‘চণ্ডবিক্রম’, ‘নরেন্দ্র নন্দিনী’, ‘হেমলতা’, ‘চিতোর উদ্ধার’, ‘কনকলতা’ এবং সম্ভবত ‘মায়াবিনী’ নামক গ্রন্থগুলোর কথা মনে করতে পারছি।

    এই প্রসন্নকুমার বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার লোভ আমার নিজেরও কিছু কম ছিল না। আমার বাবাও এই স্কুলেরই ছাত্র ছিলেন একদা। এখন শিক্ষক। কিন্তু ক্লাস সেভেন এবং এইটে যাঁরা বিনা খরচায় আমাকে পড়াশোনা করার সুযোগ দিলেন, তাঁরা আমাকে সহজে ছাড়তে চাইলেন না। চাওয়ার কারণও ছিল না। এই সময়টায় স্কুলে ছাত্র জোটানো একটা সমস্যার ব্যাপার ছিল। বিশেষত, মোটামুটি ভালো ছাত্র জোটানো তো আরও কষ্টকর। এই স্কুলটি এখানকার মুসলমান সাধারণ সমাজ সামান্য দু-একজন সম্পন্ন অবস্থার গৃহস্থের সাহায্যে বহু যত্নে ও তিতিক্ষায় স্থাপনা করেছিলেন। স্বাধীনতা লাভের বেশ কিছুকাল পরে তাঁদের এই প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছিল। আমার স্মৃতিতে এখনও অম্লান হয়ে আছে যে, ওই তারুলি গ্রাম এবং তার চৌহদ্দিতে যত এরকম অজগ্রাম আছে, সেসব স্থানের সাধারণ মুসলমান চাষিরা কী অসামান্য আকাঙ্ক্ষায় এবং প্রচেষ্টায় এই স্কুলটি বাঁচিয়ে রাখতে প্রয়াসী ছিলেন। আমাদের এলাকার প্রাক্তন স্কুলটি যদিও তখন তার ইমারত এবং সরঞ্জামসহ ভূতুড়ে বাড়ি হয়ে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলছে, তথাপি প্রশাসন তাকে উজ্জীবিত করার কোনো প্রচেষ্টায় যায়নি বলে এই কৃচ্ছ্রসাধনে নতুন স্কুলটির স্থাপনা। সরকারের তরফ থেকে উদ্যোগ নিয়ে যদি ওখানেই কার্যক্রমের বিন্যাস হতো এবং আশপাশের পরিত্যক্ত হিন্দু বাড়িগুলোকে অধিগ্রহণ করে দূরবর্তী ছাত্রদের জন্য ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হতো, তবে খুবই সামান্য অর্থপ্রয়োগে এক অসামান্য ব্যবস্থার উপায় হতো। কিন্তু তা হলো না। স্কুল স্থাপনাকারীরা চাইলেন যে, তাঁদের স্থাপিত স্কুল তাদের গ্রামেই হোক, হিন্দুদের গ্রামে নয়, এমনকি তাদের স্থাপিত স্কুলবাড়িতেও নয়। ফলত হিন্দুদের স্থাপিত স্কুলের দরজা কপাট, বেঞ্চি, আলমারি এবং বইপত্তর কিছু বিত্তবান ধান্দাবাজ মুসলমানের লুটের সামগ্রী হয়ে তাদের আর্থিক লাভের সহায়তা করল এবং নতুন স্কুল স্থাপনার জন্য অনাবশ্যক অঢেল সামাজিক অর্থ-শ্রাদ্ধের প্রয়োজন হলো।

    সে যা-ই হোক। এই স্কুলটি আমাকে ছাড়তে রাজি হলো না। আমি তখন তাঁদের স্কুলের সেরা ছাত্র। অতএব স্কুলের স্বার্থেই তাঁরা আমার অন্যত্র যাবার বিষয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হলেন। আগেই বলেছি এই সময় ছাত্র সংগ্রহ করা খুব সহজসাধ্য ছিল না। পিছারার খালের পৃথিবীতে ব্যাপক জনতা ছিল সাধারণ মুসলমান চাষিরা। স্কুল চলত মধ্যবিত্ত হিন্দু এবং সামান্যসংখ্যক উচ্চ এবং মাঝারি মুসলমান কৃষকদের ঘর থেকে আসা ছাত্রদের নিয়ে। মধ্যবিত্ত হিন্দু পরিবার উৎসৃষ্ট হওয়ায় ছাত্র প্রায় নেই। সাধারণ চাষিরা তাঁদের সন্তানদের লেখাপড়ার বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী হলেও মাঠের কাজের সঙ্গে তার সমন্বয় করে উঠতে পারতেন না। আবার স্কুলে যদি নির্ধারিত সংখ্যক ছাত্র না থাকে, তবে শিক্ষা বিভাগ স্কুলের অ্যাফিলিয়েশান নাকচ করে দিতেন। আমাদের এই স্কুলটির অ্যাফিলিয়েশান জোগাড় করার কথা মনে আছে। স্কুলে উপযুক্ত সংখ্যক ছাত্র ছিল না। ইতোমধ্যে স্বয়ং ডিআই সাহেবের পরিদর্শনের দিন ধার্য হলো। শিক্ষকসাহেবরা এবং স্বয়ং সেক্রেটারি খুবই চিন্তান্বিত হয়ে পড়লেন। তবে ভরসা একটাই ছিল যে, ডিআই সাহেব ওই গ্রামেরই ছেলে এবং সেক্রেটারি তাঁর আপন চাচা, উপরন্তু তাঁর পিতাও স্কুল কমিটির একজন মেম্বার। এ কারণে ডিআই তাঁর আগমনের পূর্বাহ্নেই খবর পাঠালেন, যে করে হোক ক্লাস ভর্তি রাখতে হবে। ছাত্র কম থাকে তো মাঠ থেকে ধরে এনে সাজিয়ে-গুছিয়ে বসিয়ে দাও। তো মুরুব্বিরা এই দায়িত্ব আমাদের ওপর ন্যস্ত করলেন। আমরাও খেতখামারে কর্মরত সালাম, হালিম, গেদু, গোলাম, হরমুজইয়া ইত্যাদিদের তোয়াজ করে এনে যথাসময়ে হাজির করলাম। এ কারণে তাদের একবেলার খেতের কাজ পণ্ড হলো। তবে লাভ হলো এই যে, স্কুলটি অ্যাফিলিয়েশান পেল। কিন্তু ওই দিনের সেই বিপুল ছাত্রমণ্ডলীর খোঁজ পরে আমরা আর রাখিনি। এভাবে যে স্কুলটি তৈরি হলো তার সেরা ছাত্রটি অন্য স্কুলে চলে যাবে, তাঁদের এতদিনের আকাঙ্ক্ষার এবং প্রচেষ্টার সুফল অন্যের জন্য সুনাম আনবে। এ এক অবশ্যই নিমকহারামি। এখন ক্লাস নাইন এবং দেখতে দেখতেই দুটো বছর কেটে যাবে। যদি আমি একটা ভালো প্রথম বিভাগ পাই, তবে স্কুলের ছাত্রসংখ্যা হু হু করে বেড়ে যাবে। মাস্টারসাহেবদের সুখ্যাত হবে। আমরা এই স্কুলের প্রথম ফসল। তাঁরা আমার এবং দুলালের জন্য বিশেষভাবে আশান্বিত।

    কিন্তু তা হলো না। আমাকে যেতেই হলো। প্রসন্নকুমার বিদ্যালয়ের ওপর আমার লোভ থাকলেও এভাবে চলে যাওয়ার ব্যাপারটা আমারও ঠিক ভালো লাগেনি। কিন্তু জ্যাঠামশাইয়ের চক্রান্ত জয়ী হলো। কারণ একে তো ‘মোছলমানেগো ইস্কুলে’ আমার শিক্ষালাভ তাঁর পছন্দ ছিল না, তার ওপর তাঁকে বাধ্য হয়ে ওই স্কুলের হেডমাস্টারি ছাড়তে হয়েছিল, যেহেতু তাঁর দুটি স্কুলে একসঙ্গে হেডমস্টারি করা স্কুল-কমিটি সংগত কারণেই মেনে নিতে পারেনি।

    তবে এই স্কুলে যে কিছু কিছু কারণে আমর দমবন্ধ হয়ে আসছিল, তা-ও কিছু মিথ্যে নয়। আমি যে একটা বনেদি বাড়ির ছেলে হয়েও বিনা বেতনে, তাঁদের অনুগ্রহে পড়াশোনা করতে পারছি, এ কথাটা স্কুলের কর্তারা এবং সহপাঠীরা কখনোই আমাকে ভুলতে দিত না। আবার আমি যে একজন কুফরি, পুতুল-উপাসক মালাউন—এই অভিধাও আমার অবশ্য প্রাপ্য ছিল। মাস্টারসাহেবরা অহরহ ‘বুতপরস্তি’ এবং ইসলামি আচরণের তুলনামূলক আলোচনা দ্বারা আমাকে অপ্রস্তুত করতেন। তখন আমার বয়স যা-ই হোক, সামাজিক ভিন্নতা বিষয়ে কাণ্ডজ্ঞান খুব একটা কম ছিল না। মাস্টারসাহেবদের এই তুলনামূলক আলোচনা আমাকে খুবই পীড়া দিত। আমি বলতে পারতাম যে, ‘বুতপরস্তি’ ব্যাপারটা সাধারণ মুসলমান সমাজে আদৌ অনুপস্থিত নয়। খাদ্যাখাদ্যের হালাল-হারাম বিষয়ক বিচারও সাধারণ্যে খুব একটা অবশ্য-পালনীয় পর্যায়ে নেই। কিন্তু এসব বলার মতো সাহস আমার ছিল না। নিজের কারণে না হলেও বে-শরিয়াত সেইসব মানুষদের, যাদের অন্য অনেক গুণের জন্য আমি আত্মীয় মনে করতাম, তাদের বিপদের আশঙ্কা ছিল। আমাদের কিষান নাগর আলির কথা তো বলতেই পারতাম। কিন্তু তার ‘হারাম গোস্ত’ খাওয়ার বিষয়ে তথ্য প্রমাণ নিয়ে যদি প্রকাশ্যে আমি হাজির হতাম, তবে বেচারা নাগর হয়তো খুন হয়ে যেত। এরকম একটা বাতাবরণ তখন ছিল।

    এইসব কারণে বাবার স্কুলে যাবার একটা আকাঙ্ক্ষা আমার মধ্যে ছিল। সেই স্কুলটি হিন্দুপ্রধান। সেখানে আমাকে এ ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। নিজেকে অচ্ছুৎ মনে হবে না, বা সবার অনুগ্রহে আমার বিদ্যাভ্যাস করতে হচ্ছে, এরকম এক হীনম্মন্যতা আমার থাকবে না, এইসব চিন্তা আমার মাথায় ছিল। কিন্তু তথাপি বলি, এইসব সমস্যার মোকাবিলা করতে হলেও আমাকে যে ওই স্কুলের মাস্টারসাহেবরা এবং ছাত্রবন্ধুরা ভালোবাসতেন না, তা নয়। তাঁরা সবাই আমাকে খুবই যত্ন করতেন। এমনকি যে দুলালের সঙ্গে আমার প্রচণ্ড প্রতিযোগিতা, যে আমি ওই স্কুল ছেড়ে চলে গেলে একেশ্বর হয়ে বিরাজ করবে এমনটিই স্থির ছিল, সে পর্যন্ত আমার চলে আসার ব্যাপারে চোখের জলে জানিয়েছিল, ‘তুই যাইস না।’ কিন্তু আমি চলে এসেছিলাম। আমাকে আসতেই হয়েছিল।

    এই স্কুল আমাকে অনেক দিয়েছিল। যে লাঞ্ছনাটুকু তখন রাষ্ট্রবিধানে সংখ্যালঘুদের পাওনা ছিল, তা হয়তো আমাকে ভোগ করতে হয়েছে। কিন্তু আজ এই প্রৌঢ়কালেও সে জন্য কারও ওপর কোনো নালিশ বা বিদ্বেষ নেই। তাঁদের ভালোবাসার কথাটুকুই শুধু মনে আছে। অন্য কিছু নয়। তা ছাড়া, আজকের বিচারে বুঝি, তখন আমি এবং আমার পারিপার্শ্বিক হিন্দুজনেরাও খুবই সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ছিলাম। আর এ কথাও সবাই জানেন যে, সংখ্যালঘুদের সাধারণ ধর্মই হচ্ছে উৎকট সাম্প্রদায়িক মানসিকতায় ভোগা। কিন্তু আমার হিন্দুজনোচিত জাতিবিদ্বেষ এবং ছুঁৎমার্গের অন্ত্যেষ্টিও এখানেই শুরু হয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }