Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ২৭

    সাতাশ

    এই মামলার নিষ্পত্তি কবে হয়েছিল, নাকি খরচের ধাক্কায় জেরবার হয়ে তালুকদার নিজেই মামলা তুলে নিয়েছিলেন, আজ আর তা আমার মনে নেই। বোধহয় তুলেই নিয়েছিলেন। কেননা, মাঝে মাঝে দেখতাম তিনি জ্যাঠামশাইয়ের কাছে এসে বলতেন, বড়দাদা এবার আমারে অইব্যাহতি দেন, আর তো পারি না।— জ্যাঠামশাই আড়ালে বলতেন, অইব্যাহতি চায়, এঃ আরে আগে কবরের উপার দুব্বা গজাউক, তয় না অইব্যাহতি। শালা, ছাড়া-ভিডা খাবা? চেয়ারম্যান হবা। আমারে কায়দা করবা?

    সলিমুল্লাহও প্রচুর অর্থক্ষয় করে দেখলেন যে, ‘বড়বাবু মোরও খায়, শত্তুরেরও খায়।’ তিনি ব্যবসায়ী মানুষ। একসময় ‘দুত্তোরুনইয়া, চেয়ারম্যানগিরির ফলনাতা হরি’—বলে তালুকদারের সঙ্গে মিটমাট করে নিয়েছিলেন বোধহয়। মাঝখান থেকে মোল্লা মৌলার দল একসময় ইউনিয়ন কাউন্সিল দখল করে নেয় এবং লম্বা কালো কুচকুচে দাড়ি-চুলওলা প্রায় পিরপ্রতিম এক জনাব চেয়ারম্যান হয়ে বসেন। পিরসাহেব তখন আমাদের ওখানে বেশ একজন মান্যমান ব্যক্তি। চেয়ারম্যান হয়েই তিনি ফতোয়া দিলেন যে, অতঃপর ইউনিয়ন কাউন্সিলের বিচার-আচার শরিয়তি নিয়মেই চলবে। দেশটা ইসলামি, তার ব্যবস্থাপনা যদি শরিয়ত অনুযায়ী না হয়, তবে পাক-ই-স্তান অথবা ইসলাম কথাগুলোর কোনো অর্থই থাকে না। চেয়ারম্যান হবার পর তিনি মিলাদুন্নবির এক ম্যায়ফিলে যে ভাষণটি দিয়েছিলেন, তার মোদ্দা বক্তব্য আমার আজও বেশ মনে আছে। তিনি বলেছিলেন, বেরাদরানে ইসলাম, আপনেরা জানেন আমি আল্লাহ পাকের একজোন নেক, ইমানদার বান্দা হিসাবেই এতাবৎকাল দীনের খেদমত এবং পরহেজগারিতে নিযুক্ত আছিলাম। আল্লাহ পাক রহমানের রহিম। তেনায় ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যানরূপ বান্দার পদে আমারে বওয়াইছেন। আপনেরা জানেন, আমি আল্লাহ পাকের কুদরত ছাড়া অন্য কোনো কিছুই চাই না। তয়, আমার মতন একজন সামাইন্য বান্দার উপার যহন এই হেকমত তিনি ফরমাইছেন, তহন জানকবুল করইয়া আমি তাঁর হুকুমত মোতাবেক বেরাদরির খিদমত করুম, এ বিষয়ে সন্দেহ নাই, ইনশাল্লাহ। এবং তিনি অতঃপর শরিয়তি বিধি মোতাবেক কাজকর্ম শুরু করলেন।

    এই শরিয়তি কানুনের একটি বিচারের কথা বেশ মনে আছে। ঘটনাটি যদিও খুবই গা-ঘিনঘিন-কর, তথাপি বলতে হচ্ছে। দেলোয়ার নামে তারুলি গ্রামের একটি ছেলেকে নিয়ে এই মামলা। এই সময়টিতে আমাদের পিছারার খালের এপার-ওপারের প্রায় সব বনেদি গেরস্ত ভিটেগুলোই শূন্য। তার বেশির ভাগই তারুলি বা নৈকাঠির মোটামুটি সচ্ছল মুসলমানদের দখলে। জঙ্গল-আগাছায় ওইসব ভিটে এবং নারকেল সুপারির বাগানগুলো ছেয়ে গেছে। সেসব জায়গার কিছু জ্যাঠামশাইয়ের অথবা চলে যাওয়া মানুষদের অক্ষম শরিকদের দখলেও আছে। তখনও এইসব আগান-বাগানে কেউ যদি কিছু অপকর্ম করত, কারওই নজরে পড়ার উপায় ছিল না। মানুষ কাঠকুটো আনতে অথবা ফলপাকড়া পাড়ার জন্য ছাড়া কখনো এসব স্থানে আসত না। তবে তারুলি নৈকাঠি বা আমাদের আশপাশের অন্যান্য স্থানের লোকেদের গরুবাছুর এসব জায়গায় চরত।

    দেলোয়ার তাদের গরু নিয়ে যেত এইসব বাগানে। তাদের দখলে ছিল আমাদের ওখানে চটকিবাড়ির খানিকটা অংশ। খুবই সুন্দর এবং স্বাস্থ্যবান চেহারার এই দেলোয়ার প্রাকৃতিক নির্বন্ধে অথবা কী কারণে জানি না একসময় পশুমেহী হিসেবে পরিচিতি পায়। একদিন এই চটকিবাড়ির নিভৃত নারকেল বাগানে একটি সদ্যযুবতী বাছুরকে একা পেয়ে সে তার সঙ্গে শারীরিক সম্বন্ধ করে। দুর্ভাগ্যক্রমে বাছুরটির মালিক ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে এবং আমাদের দু-একজনকে ডেকে সাক্ষী মানে। তার ইচ্ছা ছিল বোধহয় আমাদের সঙ্গে নিয়ে দেলোয়ারকে পেটানো। কিন্তু আমরা তাতে রাজি না হয়ে তাকে পরামর্শ দিলাম চেয়ারম্যান হুজুরের শরিয়তি কাউন্সিলে নালিশ জানাতে। সেও তাই করল। হুজুর চেয়ারম্যান মজলিশ ডেকে বিচার করলেন। আমরা সবাই সেই মজলিশে উপস্থিত ছিলাম। পিরসাহেব বললেন, ইয়া আল্লাহ ইয়া নবি! কেয়ামত কি আইয়া পড়ল? বেরাদরানে ইসলাম, হে আমার দেলের নবির বান্দারা আপনেরা দ্যাহেন কী? এ্যাত্তো বড় মুসিবত পয়দা হইয়া গেল, আর আপনেরা সব খামোশ অইয়া আছেন? হায় আল্লাহ, ইয়া নসিব! হুজুর চেয়ারম্যান আরও বললেন যে, পাক কোরানে এরকম না-ফরজ, না-পাক কাম করনের জন্য আল্লাহতায়ালার যে গজবের উদাহরণ আছে, কোনো বান্দা যদি সেই বিষয় অবগত থাকে তবে তার পক্ষে এহেন নাজায়েজ কাজ করা কখনোই সম্ভব নয়। এ যেন সাদ্দুম নগরীর সেইসব অভিশপ্ত জাহেলদের বদ রুহ ভর করা ‘ছাওয়াল পান’ এই পাকভূমিতে এসে হাজির হয়েছে। আজ যদি ইসলামের সেই সুদিন থাকত, তবে এইসব কুফরিদের পাথর মেরে মেরে ফেলা হতো। যা হোক, শেষ পর্যন্ত হুজুর রায় ফরমালেন যে, পশুর সঙ্গে জেনা করা অতি অপবিত্র কজ। এ স্থলে এই কর্মদ্বারা জানোয়ারটিকেও হারাম করা হয়েছে। অতএব সর্বপ্রথম এই নাপাক জনোয়ারটিকে হালাল করা জায়েজ। আর যে অনাচারী আদমজাত পবিত্ৰ ইসলামে শরিক হওয়া সত্ত্বেও এহেন অপকর্ম করতে পারে, তার উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত দশ-ঘা কোড়া অর্থাৎ চাবুক।

    ফলত হারাম পশুকে জবেহ করে হালাল করা হলো এবং তার গোস্ত আমজনতার মধ্যে বিতরণ করা হল। অনাচারী আদমজাতকে দশ ঘা কোড়া মেরে তাড়িয়ে দেয়া হলো। সমবেত জনগণ, বলাই বাহুল্য এই বিচারে সাতিশয় আহ্লাদিত হয়ে হুজুর এবং ইসলামের নামে জয়ধ্বনি দিতে লাগল। শুধু গরুর মালিক সেই গরিব মানুষটি মৃত পশুটির নীলচে স্থির চোখের দিকে তাকিয়ে একবার ‘আল্লাহ’ বলে ডুকরে কেঁদে উঠে ছুটে পালিয়ে গেল।

    এরপর এই রচনায় আমার পিছারার খালের জগতের কোনো সামাজিক ঘটনার কিছুই আর উল্লেখ করার মতো নেই। কেননা হিন্দু গ্রামগুলোতে গ্রামপ্রতি দু-একটি অসহায় পরিবার ছাড়া আর কেউ নেই। সুতরাং সামাজিক কর্ম, উৎসব, পার্বণ বলতেও কিছু নেই। একদার বারো মাসের তেরো ব্রত পার্বণের যারা শরিক তারা এই সোঁতার মায়া কাটিয়ে কোথায় কোথায় গিয়ে কোন মিল-কারখানায় কাজ করছে, না কলকাতার শহরতলিতে কোথাও মুদি দোকান বা সবজির দোকান দিয়ে বসেছে, না অন্য কোনো পেশার আশ্রয় নিয়েছে জানি না কেউ। শুধু জানি, তারা একেবারেই হারিয়ে গেছে, আর কোনো দিন ফিরবে না। ভিটেবাড়ি, বাগানগুলো সব ধানের জমি হচ্ছে। ওসব জায়গায় কোনওদিন মানুষের ঘরবাড়ি ছিল, তা আর বোঝা যাচ্ছে না। শুধু যেসব পরিবারের কোনো একজন বা দুজন থেকে গেছে, তারা কিছুকাল সেইসব চলে যাওয়া আত্মজনেদের কাছ থেকে দু-একটি চিঠি পায় তখন। সেইসব চিঠিতে অনেক প্রশ্ন থাকে, আক্ষেপ থাকে এবং উপদেশও থাকত। কেউ কেউ এমনও লেখে যে, তারা চলে যাওয়ায় অমুকের অর্থাৎ থেকে যাওয়া মানুষদের নিশ্চয়ই কিছু অবস্থার উন্নতি হয়ে থাকবে, কেননা ঘরবাড়ি জমি-জিরেত সবই তো এখন তাদের ভোগেই লাগছে। যারা চিঠি লেখে, তারা জানে না যে এখানে যারা রয়ে গেছে তারা আর আগের তারা নেই। ছায়াশরীরের মতো শরীর নিয়ে তারা ছায়াময় একটা সমাজে বাস করছে। তাদের গেরস্থালিও ছায়া-গেরস্থালি। যা একদিন ছিল, তারই ছায়া নিয়ে তারা বর্তমান এবং ভবিষ্যৎবিহীন এক জীবন কাটাচ্ছে।

    থাকার মধ্যে আছেন আমাদের বাড়ির সামনের বড় খালপারের জোড়া রেনট্রির সেই বিশাল মহীরূহ। তাঁরা অতি প্রাচীন এবং উভয় সমাজেরই সকলের নমস্য অতিবৃদ্ধ প্রপিতামহের মতো। আরও হয়তো বছর তিরিশ-চল্লিশ ধরে তাঁরা এমনই থাকবেন। তারপর যখন সব গাছ কাটা হয়ে যাবে, সব খাল শুকিয়ে যাবে এবং সব মাটি শুধু লোভের জমি হবে, তখন হয়তো ওইসব থেকে-যাওয়া প্রচ্ছায়াদের কেউ বৃক্ষ-কসাইদের কাছে তাঁদের অকেজো বুড়ো বলদের মতো বিক্রি করে দুদিনের অন্ন জোগাবে। এভাবেই তাঁরা একদিন অন্তর্হিত হলে বহুকাল পরে সেখানে আমি একদিন আজকের এই শূন্যতার পূর্ণ অবয়ব দেখতে পাব এবং পিছারার খালের জগতের শেষ স্মৃতিটুকুর মোহময়তা আমার লুপ্ত হয়ে যাবে। তারপর থেকে চলে যাওয়াদের মনখারাপ করা চিঠিপত্র কারও কাছে আসবে না, কেননা স্মৃতির সোঁতা ততদিনে বিস্মৃতির চোরাবালিতে পথ হারিয়ে কোনো এক অন্ধকার গহ্বরে বিলীন হয়ে যাবে, কে জানে? তখনও আজকের এই জমিবুভুক্ষু মানুষদের সন্তানেরা এই ভূমির লোল স্তন শুষে শুষে আরও ক্ষীণ প্রচ্ছায়া শরীর নিয়ে ঘুরে বেড়াবে। কিছুই আর প্রাক্তন স্বপ্নসম্ভব বর্ণাঢ্যতায় ফিরে যাবে না। বুড়িপিসিমা আর নগেনজেঠিমার স্বপ্ন শূন্যতায় মিশে যাবে।

    যেসব মুসলমান গ্রাম আজ সাময়িক রক্তসঞ্চারে আমদের চোখে উজ্জ্বল বোধ হচ্ছে, সেগুলোও একদিন এরকমই হয়ে যাবে। কারণ সেখানের সমাজদেহেও সহস্ৰজিহ্ব এক লোভী অতিকায় দানব তার আশ্রয় পাকা করে নিয়েছে। অন্য সমাজকে গেলার পালা শেষ হলে সে নিজেকেই গিলতে শুরু করবে এবং তখন এই জনপদ নদীহীন, বৃক্ষহীন, ছায়াহীন এক খাঁখাঁ প্রান্তর হয়ে পড়ে থাকবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }