Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ৩

    তিন

    শুনেছি আমার মায়ের বয়স যখন উনিশ, তখন তিনি নববধূরূপে বড় খাল অবধি নৌকোয় এবং সেখান থেকে অন্দর অবধি পালকিতে চড়ে এসেছিলেন। বাবার বয়স তখন ত্রিশ। মাত্র বছরখানেক আগে তাঁর প্রথমা স্ত্রী তিনটি অপোগণ্ড রেখে লোকান্তরিতা। আমাদের সেই না-দেখা মায়ের ছবি দেখেছি। অসামান্যা সুন্দরী ছিলেন তিনি। বাবা সেই বছরই জীবনের প্রথম এবং শেষবারের মতো তালুকদারি তদারকির জন্য ‘মহালে’ গিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে সেই মা রোগে পড়েন। তাঁর অসুস্থতার খবর বাবাকে পাঠানো হয়নি। চিকিৎসাদিও তেমন করানো হয়নি। বাড়ির অন্যান্য মহিলারা অসুখটাকে স্বামীবিরহজনত ন্যাকামি বলে নাকি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছিলেন। এসব কথা আমার মায়ের কাছ থেকে শোনা। সেই আগের মায়ের বয়স তখন একুশ। শেষ পর্যন্ত যখন খবর পেয়ে বাবা বাড়ি এলেন, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। আমার সেই মায়ের তখন বাকশক্তি রহিত হয়ে গেছে। শুধু চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়ছিল। তারপরই শেষ। স্বাভাবিক কারণেই ঘটনার তীব্রতা এবং আকস্মিকতায় বাবা স্তব্ধ মূক হয়ে গিয়েছিলেন।

    পরিজনদের প্রতি তাঁর ক্ষোভ এবং অভিমানও হয়েছিল প্রচুর। কিন্তু তাঁর তিনটি মাতৃহারা সন্তানকে তো ওই পরিজনদের ভরসায়ই রাখতে হবে, এ কারণে চুপচাপ থেকে গেলেন। মায়ের কাছে শুনেছি যে বাবা নাকি এ সময় রাতের পর রাত জেগে থেকে আমাদের ছোট বৈঠকখানার জানালা দিয়ে সেই আগের মায়ের চিতার দিকে তাকিয়ে থাকতেন। মনে মনে বলতেন, যদি কিছু বলার থাকে বলে যাও। আমি ভয় পাব না। এসব কথা বাবা আমার মাকে বলেছেন। বাবা নাকি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, আর বিয়ে করবেন না। বাড়িতে জনবলের অভাব নেই, অতএব ছেলেমেয়েদের মানুষ করার কোনো অসুবিধা হবার কথা নয়। বাবা খুবই রোমান্টিক স্বভাবের ছিলেন। বাস্তব জ্ঞান বিশেষ ছিল না। তাঁর সন্তানদের মানুষ করার দায় আমাদের কোনো পিসিমা মাসিমা কাকিমা জেঠিমাই গ্রহণ করতে পারলেন না। কারণ তাঁরা নিজেরাই সন্তানসম্পদে একেকজন গান্ধারী। বিশাল পরিবার, কে কারটা দেখে। তাঁরাই একসময় বলতে শুরু করলেন, আহা কয় কী, বিয়াড়া করবে না ক্যান? বয়সটাই-বা কী? হেয়া ছাড়া পোলামাইয়াগুলা দ্যাহনেরও তো এট্টা মানুষ চাই। অতএব রোমান্টিকতার সঙ্গে ‘পোলাপানগুলা’ মানুষ করার বাস্তবতায় সংঘাত লাগে এবং তাদের কষ্টই প্রাধান্য পায়। ছোটটার বয়স তখন এক, তার আগেরটি কন্যা, বয়স আড়াই এবং বড়টি পাঁচ বছরের। এদের প্রতি ক্রমবর্ধিত অনাদর এবং তৎকালীন একান্নবর্তী মধ্যস্বত্বভোগী পরিবারের মানুষদের আচার অভিচার বড় স্থূলতায় ক্রুরতায় প্রকাশ পায়। অতএব বাবা আমাদের মাতৃদেবীকে অনুগৃহীত করেন। এ যুগে হলে বলা যেত অনুগ্রহটি পুরুষের তরফে নয়, নারীর তরফেই হয়েছিল। আমার মায়ের ভাগ্যদোষ, নারী স্বতন্ত্রতার আধুনিক মন্ত্র সেই যুগে তাঁর কানে পৌঁছবার কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

    বিবাহ-পরবর্তী দিবসে নৌকাযোগে আগমনকালে বাবা তাঁর সদ্যোঢ়া যৌবনবতী পত্নীর কানে যে মন্ত্র দেন, তা বেশ মহোদাদর্শোচিত। সন্তানত্রয়ের মধ্যে বড় দুটিকে বলা হয়েছিল, তাদের মায়ের অসুখ করেছিল বলে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখন বলা হলো, তাকে বাড়ি নিয়ে আসা হচ্ছে। অতএব বধূ যেন বাড়িতে ঢোকার পর নববধূসুলভ আচরণ একেবারেই না করেন। এমত আভাস অবশ্য সম্বন্ধ করার প্রাক্কালেই তাকে দেয়া হয়েছিল। কেউ কেউ এমন আভাসও দিয়েছিলেন যে, এইসব কারণেই তাঁরা তালুকদার হওয়া সত্ত্বেও মায়ের মতো একটি গরিব ঘরের কন্যাকে বধূ করে আনছেন। এসবই আমার পরবর্তীকালে শোনা কথা এবং মায়ের কাছেই। কিন্তু আশ্চর্য তিনি যখন এসব কথা বলতেন, তাঁর আচরণে কোনো ক্ষোভ প্রকাশ পেত না। যেন এসব খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এ ছাড়া এইসব সমস্যা সমাধানের আর উপায়ই-বা কী ছিল? মায়ের ভাবটি ছিল এরকমই। অথবা, ‘তয় এ্যারা করবেই-বা কী?

    বাবা অভিনয়াদি বিষয়ে পারঙ্গম পুরুষ। বাড়িতে রঙ্গমঞ্চ বানিয়ে নাটকাদি করে থাকেন। এ কারণে নৌকোয় বসে নবোঢ়াকে যথাসম্ভব প্রয়াতা পত্নীর সজ্জায় সজ্জিত করতে তাঁর প্রচেষ্টার ত্রুটি ছিল না। তথাপি তাঁর পঞ্চবর্ষীয় জ্যেষ্ঠ পুত্রটি নাকি ‘হাসপাতাল’ থেকে ফিরে আসা এই মাতৃকাকে দর্শন করে ‘না, এ আমার মা না’ এরকম অভিমানে ফুঁসে উঠেছিল। বাকিদের অবশ্য এ সত্য উদ্‌ঘাটন করতে বেশ কিছুকাল সময় এবং উপযুক্ত সাহচর্য দরকার হয়েছিল। আমাদের মায়ের কপালে নতুন বউ হওয়া, অতএব, সম্ভব হলো না। তাঁর আগমনে বাড়িতে কোনো মঙ্গলবাদ্য বাজল না। এমনকি ব্যাপক হুলুধ্বনিও নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল। কারণ মাতৃহারা শিশুরা যেন ব্যাপারটি বুঝতে না পারে। তারা যেন হঠাৎ কোনো আন্তরিক আঘাত না পায়।

    আমাদের কর্তাদের এইসব ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। আমি শুধু ঘটনাগুলো মায়ের কাছে যেমনটি শুনেছি, তেমনটি বলছি। তবে কর্তাদের এই প্রচেষ্টায় আদৌ কোনো সুফলই যে পাওয়া যায়নি তাও জেনেছি। এই মা যে তাদের নিজের মা নন, তা বলে দেয়ার জন্য বাড়িতে স্পষ্টবাদী, স্পষ্টবাদিনীদের সংখ্যা আদৌ অপ্রতুল ছিল না। এখন আমি ভাবি, এক বছরের শিশুটি যখন এই মায়ের স্তন শোষণ করে কিছুমাত্র মাতৃরস সেখানে না পেয়ে তার সদ্যোত্থিত দু-একটি দুধ-দাঁতের দ্বারা তাঁকে দীর্ণ করত এবং তাঁর মুখের দিকে বোবা চোখে তাকিয়ে থাকত, তখন সেই দৃষ্টির মধ্যে হতাশা দেখে আমার মা শারীরিক এবং মানস যন্ত্রণায় কী মূক কান্নাটাই না কাঁদতেন। কিন্তু কোনো নারীই তাঁর এই যন্ত্রণার প্রতিকারের জন্য সেখানে ছিল না। যদিও ওই অঞ্চলে শিক্ষিতা নারীর আদৌ অভাব ছিল না। আড়াই বছরের খুকিটির তখন পুতুল খেলার বয়স সবে শুরু। তাই সে বড় বেশি তলিয়ে ভাবে না। এই মা তার কাছে খুব একটা অপছন্দেরও নয়, পরও নয়, উপরন্তু এই মায়ের আদর তথা উপঢৌকনও প্রচুর। তাই সে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। কিন্তু এহেন স্থিতাবস্থায় একান্নবর্তীর স্বার্থীরা তুষ্ট থাকেন না বলে নানাবিধ কথা বাতাসে ভাসে এবং যে যেমন অর্থে পারে তেমনই ভাষ্য করে। শিশুরা অতএব বড়দের অসভ্য অসভ্য বুদ্ধিতে বুদ্ধিমান হবার শিক্ষা পেতে থাকে। ইতোমধ্যে বছর ঘুরতে না ঘুরতে আমার সহোদর জ্যেষ্ঠ ভূমিষ্ঠ হলে ক্রমশ এই অসভ্যতা আরও বাড়তে থাকে এবং আমার অভাগিনি জননী তাঁর গর্ভজাত প্রথম সন্তানকে প্রকাশ্যে আদর-আহ্লাদ পর্যন্ত করতেও সক্ষম হন না। কেননা, একের আদর অন্যের অনাদর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আমার মা এই পরিবারে না নববধূ হিসেবে সম্মান পেলেন, না প্রথম মা হওয়ার গৌরব বোধ করলেন। কিন্তু অহোভাগ্য, একসময় আমার মা সবার সব ভ্রুকুটি এবং বিদ্রুপ তুচ্ছ করে এই তিনটি অমাতৃক শিশুর মাতৃত্বে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং পারিপার্শ্বিক তাবৎ হীনতাকে তুচ্ছ করার মতো রুচিবোধের পরিচয় দেন।

    নাটক করা, ফুটবল খেলা ছাড়াও বাবার আরেকটি অভ্যেস ছিল। সেটি পদ্যরচনা করা। আমার মাকে বিয়ে করার পর বাবা দীর্ঘকাল বোধ করি এক দ্বন্দ্বে ভোগেন। এ কথা মায়ের কাছে নানা গল্প-কথা শুনে এবং বাবার কবিতার খাতা পড়ে ধারণা হয়েছে। মাকে যে তিনি বঞ্চনা করেননি পদ্যগুলোতে তার যেন কৈফিয়ত শব্দিত। মায়ের বিয়ের কথাবার্তার শুরুর থেকেই যে ঢাকঢাক গুড়গুড় গোপনভাব শুরু হয়েছিল, তার একটা ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত সর্বার্থসিদ্ধকারী আদর্শায়নে স্থিতি পায়। মা, সামান্য গৃহস্থ ঘরের কন্যা, পিতৃহীনা, শিক্ষাদীক্ষায় নিতান্ত দীনা, উপরন্তু অত্যন্ত আত্মনিবেদনকারিণী। নিজস্বতা বা স্বকীয় সত্তা বলে কোনো বোধই নেই। তাঁর সেই তদ্‌গতপ্রাণতা, এই পরিবারের প্রয়োজনের নিমিত্তে আয়োজিত আদর্শায়নের এক অসম্ভব উর্বর ভূমি হিসেবে গ্রাহ্য হয় এবং মা অত্যন্ত কৃতজ্ঞতায়ই যেন সেই ভূমি হন। কৃতজ্ঞতা এ কারণে যে, তিনি গরিব ঘরের কন্যা আর এই বাড়িটির একটি রাজকীয় আভিজাত্য আছে।

    মায়ের কথা ও কাহিনি এবং তাঁর এই পরিবারে প্রতিষ্ঠা লাভের যে ব্যাখ্যান তাঁর কাছ থেকে আমি শুনেছি তাতে মনে হয়েছে, যেন তিনি একদলা নরম মাটি এবং তাঁকে এক ইচ্ছেমতো গড়ন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। মাও সেমতো তৈরি হতে পেরে কৃতকৃতার্থা হয়েছেন। তাঁর সামনে এ কারণে একটি অসম্ভব রম্য আদর্শ প্রতিমুহূর্তে উপস্থিত করা হতো। সেই আদর্শকে অতিক্রম করার বা বিরুদ্ধাচরণ করার শক্তি কিংবা শিক্ষা তাঁর ছিল না। তিনি প্রকৃতই বড় দীনা রমণী ছিলেন। চূড়ান্ত আত্মনিবেদনে, প্রায় ক্রীতদাসীর মতো সেই আদর্শকে বিশ্বাস করে তাঁর সেবার জগৎটা তৈরি করে নিয়েছিলেন। বলা বাহুল্য, এই সাধনায় তিনি সফলও হয়েছিলেন। বাবা নিজের দ্বন্দ্বের কারণে অথবা বিবেক দংশনের জ্বালা জুড়োতে এ সময় বেশ কয়েকটি পদ্য লেখেন। সেসব পদ্যের নির্গলিতার্থ একদিকে যেমন তাঁর প্রথমার বিদেহী আত্মার উদ্দেশে বেশ কিছু কৈফিয়ত যা তাঁর সন্তানত্রয়ের ওপর নজরদারির প্রায়োজনিকতা বিষয়ে সরব, অপরদিকে দ্বিতীয়ার প্রতি কর্তব্যপরায়ণতা, নারীর আত্মত্যাগ এবং নানাবিধ আদর্শ উচ্চারণে বড় সমৃদ্ধ। তথাপি পিতৃদেব যে সারাটি জীবন এক অপরাধবোধ নিয়েই কাটিয়ে গেছেন তা সম্যক দেখেছি।

    মায়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি অন্য চমৎকারিত্বের নমুনা। বাড়িতে স্থানীয় কোনো শিল্পীর আঁকা আগের মায়ের একখানি পোর্ট্রেট শোবার ঘরের দেয়ালে সুন্দর ফ্রেমে বাঁধানো। ছবির সামনে ঈষৎ বাড়ানো ওই ফ্রেমেরই একটি কাঠের বর্ধিত অংশ যার ওপর কিছু অর্ঘ্য বা উপাচার নিবেদন করা যায়। বাবার বাকশৈলীতেই হোক বা মনুষ্যের অগোচর স্ত্রীচরিত্রের কোনো গহন কার্যকারণেই হোক আমাদের মা তাঁর সতীনের প্রতি বড়ই ভক্তিমতী ছিলেন। স্মৃতি এ ক্ষেত্রে প্রায় পাথর প্রমাণ। যেহেতু এসব নিজেই স্বচক্ষে দেখেছি। মা ওই ছবির সামনে সকালের এবং বিকেলের চায়ের কাপটি পর্যন্ত নিবেদন না করে স্বয়ং গ্রহণ করতেন না। অন্যান্য ভোজ্যাদির তো কথাই নেই।

    এর অনেক দিন পর, বাবা মারা গেলে, মা নিতান্ত যখন নিঃসঙ্গ, তখন তাঁকে একটি বাঁধানো খাতা কিনে দিয়ে বলেছিলাম, মা, সবসময় কান্নাকাটি না করে তোমার যা মনে আসে এই খাতায় লিখে রাখো। এমন একদিন আসবে যখন তুমিও তো থাকবে না, তখন এই খাতা তোমার হয়ে আমাদের সঙ্গে কথা বলবে। আর দেখবে লিখতে শুরু করলে তোমারও একটা অন্যভাব আসবে। তুমি স্মৃতিচারণ করতে করতে একসময় তোমার পরম আকাঙ্ক্ষার ধনকেও খুব কাছে পাবে। মা বলেছিলেন, আমি তো প্রায় নিরক্ষর। আমি কি তা পারব? বলেছিলাম নিশ্চয় পারবে। যেমন পারবে তেমন লিখবে। ভুল ধরার তো কেউ নেই। কিন্তু তিনি যে এই বুঝ দেয়া কথাটিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন তখন তা বুঝিনি। এখন এই লেখা রচনা করতে বসে, তাঁরই এক হাত-বাসো থেকে বেরোল সেই খাতা। বলা বাহুল্য এ-খাতা এখন আমাদের কাছে এক বহুমূল্য ধন। তা সেখানে তিনি যা লিখেছেন তার কিছু উদ্ধৃতি বর্তমান ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক হবে না। তিনি লিখেছেন—

    ‘বরিশালের ভাটিয়া গ্রামে আমার জন্ম। বাড়ির নাম কবিরাজ বাড়ি। দেড় বছর বয়সে আমার বাবা মারা যান। আমার দাদার তখন সাত বছর বয়স। দিদিকে বাবাই বিবাহ দিয়া গিয়াছিলেন। আমার জেঠতুতো ভাইয়েরাই আমাদের ভরণপোষণ করতেন, দাদার লেখাপড়ার খুব মাথা ছিল না। এবং কেহই সেরকম দৃষ্টিও দেয় নাই। মা অনেক দুঃখ করিয়া পরে আমার মামা সত্যপ্রসাদ সেনের বাসায় ওকে রাখিয়া আসিলেন। তিনি মায়ের পিসতুতো ভাই ছিলেন। বেশ পয়সা ছিল তার। তাই মা অনেক বলিয়া দাদাকে তাঁহার বাসায় রাখিয়া আসিলেন। সেই মামার অভিভাবকত্বে সে ছিল। দেখাপরা দূরের দূরের কথা তাহার দাদার সঙ্গে খুবই খারাপ ব্যবহার করিত। দাদা রোজ বাজার করিত, রোজ তাহাদের জামাকাপড় সাবানকাচা করিত, সকলের জুতা ব্রাশ করিত, বিছানা করিত, কয়লা ভাঙিত, ঘর ঝাঁট দিত। মায়ের কাছে দাদা এসব কিছুই জানায় নাই। মা একবার মামাকে লিখিয়াছিলেন ও কিছু রকম লেখাপড়া করে কি না। তাহার উত্তরে মামা লিখিয়াছিলেন তোমার ছেলের লেখাপড়ায় মোটেই মন নাই। ওর কিছুই হইবে না। আমি ভাবিয়াছি ওকে একটা দোকান করিয়া দিব। ১৫ টাকা দিয়া কী দোকান (নাকি তিনি) করিয়া দিয়াছিলেন। (মজার কথা) সেই দোকানের মাল তাহারা বাকি আনিয়াই নাকি দোকান নষ্ট করিয়া দিল।…পলতা মহালক্ষ্মী কটন মিলে আমার জেঠতুতো ভাই (দাদা) উইভিং মাস্টার ছিলেন। তিনি ওকে মিলে ঢুকাইয়া দিলেন। এতদিন পরে মা একটু নিশ্চিন্ত হইয়াছিলেন দাদার জন্য। আমি তখন বড় হইয়াছি। মার সবসময়েই চিন্তা কী করিয়া বিবাহ দিবেন, কীরকম পাত্রে দিবে।

    ‘আমার গার্জিয়ান ছিলেন আমার জ্যাঠামহাশয় এবং জেঠতুতো ভাইয়েরা। তাঁহারা যে সম্বন্ধ দেখিতেন, তাহা দ্বিতীয় পক্ষেই দেখিতেন। কারণ টাকাপয়সা যাহাতে কম লাগে।

    মা একদিন বলিয়াছিলেন, যে আসে তাহাকেই তোমরা মেয়ে দেখাইও না। উহাতে মেয়ের দুর্নাম হয়। অথচ (তাহারা) দেনাপাওনার জন্যই ফিরিয়া যাইত। কিছুদিন পরে কেওরার (আমাদের বাড়ির) সম্বন্ধ এলো। এখান হইতে ৬/৭ বার দেখতে গেল। ফটো তুলিয়া ওদের বাবাকে দেখাইল। ওদের বাবা একখানা কাগজে একটা প্রশ্ন লিখিয়া দিয়াছিলেন “এখানে আসিলে প্রধান কর্তব্য কী” আমি উত্তর লিখিয়াছিলাম “শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা, মাতৃহীন শিশুদের পালন করা।” আমাকে যাহা বলিবার বিবাহের রাত্রিতেই সব বলিয়া দিয়াছিলেন। বলিয়াছিলেন, “তুমি ওদের মায়ের ফটো পুজো করবে এতে আমি খুব সুখী হব। ভাতে যদি পোড়া লাগে, তবু আমার ছেলেমেয়ের আব্দার আগে রক্ষা করবে। আমার ছেলেমেয়ের কাছে আমিও না (অর্থাৎ তুচ্ছ)।”

    ‘বিয়ের দিন রাত্রেই বলেছিলেন আজ তোমাকে নিয়ে যাব। আর কোনোদিন তুমি এখানে আসতে চাইবে না। তুমি ১৯ বছর তোমার মায়ের কাছে ছিলে। যখনই দেখিতে ইচ্ছা হইবে, তখনই তাঁহাকে আনিয়া দেখাইব। আজ যদি আমার ছেলেমেয়েরা তোমার সঙ্গ করিয়া শান্তি পায়, সেটাই তোমার শান্তি। আমি ঠিক সেইভাবেই চলিয়াছি। বলিতেন আমি ওদের মাকে কিছুতেই ভুলিতে পারিব না। তুমি ইহাতে দুঃখ পাইও না। আমি বলিতাম তুমি তাঁহাকে ভুলিও না। তাঁহাকে মনে রাখিয়াই আমাকে ভালোবাসিও তাহাতেই আমি সুখী হইব।

    ‘বিবাহের ২/৩ দিন পরেই দেখিতাম, বিছানায় বসিয়া কাঁদিতেছেন। আমি যখন শুইতে যাইতাম রাত্রে যেন প্রায়ই এরকম দেখিতাম। আমি তখন কী বলিয়া তাঁহাকে বুঝাইব। কিছুই বুঝিতাম না। একেবারে চুপ করিয়া থাকিতেও পারিতাম না। ভাবিতাম তিনি হয়তো মনে করিবেন আমার দুঃখ দেখিয়া কি ও অভিমান করিয়া থাকে? আমি বলিতাম দুঃখ করিয়া যখন লাভ নাই, তখন এত কাঁদাকাটা করিও না। আমাকে যখন জীবনের সাথী করিয়াছ, তখন তোমার দুঃখের কথাগুলো আমার কাছে বলো, কিছুটা তোমার দুঃখের ভাগ আমিও বহন করি। তুমি হয়তো মনে করিতেছ, আমি এসব কথা শুনিলে দুঃখ পাব। কিন্তু আমি তো প্রস্তুত হইয়াই আসিয়াছি তোমার দুঃখের ভাগ নেয়ার জন্য। নতুন করিয়া তোমাকে কোনো শান্তি আমি দিতে পারিব না সেটা আমি জানি। কিন্তু অশান্তি তোমার করিতে পারিব এটা তো ঠিকই। কারণ যেভাবে তুমি চলিতে চাও, সেখানে বাধা দিলেই অশান্তি হবে। তোমার ছেলেমেয়েকে আদর-যত্ন যদি না করি সেটাও তোমার অশান্তি হবে। তখন তিনি বলিয়াছিলেন এ কথা তুমি ঠিকই বলিয়াছ লাবণ্য। যে কোনোরকম অশান্তি এবং অসুবিধা হইলে স্ত্রীর কাছে আসিয়া যেরকম আশ্রয় পাওয়া যায়, সেরকম আর কোথাও পাওয়া যায় না। আমি আজ নিরাশ্রয়, তোমার কাছে আশ্রয় নিলাম। তখন আমার কাছে কাঁদিতে কাঁদিতে বাচ্চুর মা (অর্থাৎ তাঁর সতীন) সম্পর্কে অনেক কথা বলিয়াছিলেন।

    ‘বলিয়াছিলেন আমি আমার বাবার একমাত্র ছেলে এবং এক বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। কিন্তু (এরা) আমার লীলার সহিত (সতীন) যে ব্যবহার করিয়াছে সেটা আমি লিখিয়া রাখিলে একটা ইতিহাস হইত। আমার মা-বোন এবং তাঁদের সহায়তায় অন্যেরাও তাহার সবসময় দোষ খুঁজিয়াছেন। আমার মনে হয় এদের অত্যাচারই তার এত তাড়াতাড়ি মৃত্যুর কারণ।

    ‘তাই তোমাকে বলিতেছি তুমি (এদের) সত্মা হইয়া সংসারে ঢুকিয়াছ তোমার ওপর আরও অত্যাচার হইবে। এ জন্য তুমি মন খারাপ করিও না। হয়তো আমিও তোমার খোঁজখবর সবসময় নিতে পারিব না।’

    সে যুগের প্রেক্ষিতে কথাগুলো বড়ই মনোমুগ্ধকর। কিন্তু আজকের বিচারে ‘মা’ নামক সেই ব্যক্তির কী মূল্যায়ন আমরা করব তা ভেবে পাই না।

    একদিন এই সতীনের উদ্দেশ্যে নিবেদন-রহস্য ভেদ হলো। মায়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। এর অর্থ কী? এসব কেন? তখন অনেকটা বড় হয়েছি। মা পরিণতবয়স্কা এবং সম্পূর্ণ গৃহিণী। বলেছিলেন, এর অর্থ বোঝানো বড় শক্ত। আমার মনের মধ্যে সেই প্রথমদিন থেকেই একটা কথা ঘুরপাক খাচ্ছে যে, দেখো, তোমার ঘর, তোমার সংসার, তোমার ছেলেমেয়ে সব আমি দখল করে বসেছি তোমার স্বামীও এখন আমার। তুমি আমার অপরাধ নিও না। আমি তোমার কাজই করে যাচ্ছি। নচেৎ আমি কেউ না, কিছু না। তোমার ইচ্ছার মধ্যেই আমি ঢুকে পড়েছি।—মায়ের এই মানসিকতার কোনো পরিবর্তন তাঁর জীবৎকালে কোনোদিন দেখিনি। আমাদের পিছারার খালের দুই পারে কোনো ব্যক্তির দ্বিতীয় পক্ষে এমনকি তৃতীয় পক্ষেও বিবাহ কিছু কম ছিল না। কিন্তু সেসব স্থলে প্রয়াতার প্রতি জীবিতার মনোভাব যেসব শব্দে উচ্চারিত হতো তার উল্লেখ না করাই ভালো। আবার সেসব ক্ষেত্রে প্রয়াতার সন্তানদের দুর্গতির কথাও বেশ মনে আছে। এ কারণে আমার মাকে অনেক বড় মাপের একজন মানুষী হিসেবেই স্মরণ করি, শুধু মা হিসেবে নয়।

    তিনি লিখেছিলেন, ‘…আমার নিজের মনে হয়, আমি খুব অসহিষ্ণু ছিলাম না, ঝড়ঝাপটা ঝামেলা জীবনে কম আসে নাই, কিন্তু সবই আমি হজম করিয়া নিয়াছি। সাময়িক হয়তো কিছু সময় আমি দুঃখ পাইয়াছি, কিন্তু ঘরে অশান্তি না হয়, এ চেষ্টা আমি সবসময়ই করিয়াছি। কারণ এ জিনিস (অশান্তি) আমি বেশি সময় সহ্য করিতে পরিতাম না।

    ‘আমার (আজ) মনে হয়, আমার দাম্পত্যজীবনটা অনেকের চাইতে একটু অন্যরকম ছিল। অনেক (অত্যাচার) সহ্য করিয়া যাহা পাইয়াছিলাম সে জিনিস বোধহয় সকলের ভাগ্যে জোটে না। আমি শান্তি পাইয়াছিলাম।’

    মা আমাদের বাড়িতে নববধূ হিসেবে গৃহীতা হননি বটে। তবে একসময় গোটা গ্রামের মানুষদের কাছে সোনাবউ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন। পিছারার খালের বৈকালি জোয়ারের সময় তাঁকে আমি সাঁতার কাটতে দেখেছি, সে ছবি মনে আছে। আমার স্মৃতি-চৈতন্যে এখনও দিব্য টাটকা ওইসব ছবি ধরা আছে যে, তাঁর সঙ্গে গাঁয়ের সোমত্ত মেয়ে-বউরা কেমন হুটোপুটি করে জল খাবলাত আর কলকলি জোয়ারি জলের সঙ্গে সখীপনা করত। আজও আমার বুকের মধ্যে এইসব অলেখা আয়োজন এক ব্যাপক জমি জুড়ে যেন তাম্বু গেড়ে বসে আছে, আর যখন-তখন সেই তাম্বুর ছাউনি থেকে বেরিয়ে এসে গান ধরছে—

    আগো ধ-লা জল
    ভালোনি আছে গো আমার
    বাপ ভাই সকল
    মোর বাপেনি চিন্তায় মোরে
    ভাই এরা চঞ্চল?
    আগো ধলা জল।

    এ গান কবে শুনেছিলাম, আমার মা-ই গেয়েছিলেন কি না, আজ আর তা মনে নেই। তবে ছড়া কেটে কেটে এখনও তারা ওই তাম্বুর ভেতর থেকে নাচতে নাচতে বেরিয়ে আসে, বলে ‘ধলা জল জোয়ারের পানি–কোন দূরের থিকা আইছেন জানি,—তারানি জানেন মোর বাপ-ভাইয়ের কুশল। ধলা জলের মেলা কথা, যে বোজে তার বাজে ব্যথা, মুই বাপসোয়াগি মোরও পরান নিত্য টলোমল।’

    এ কারণেই পিছারার খালের ওই ‘ধলা’ জলের আখ্যান। সোনাবউ, বউ হয়ে আসার পর, আর কি চটজলদি এই খালের উজানি সোঁতা, যে সোঁতা তাকে বাপের বাড়ির সোঁতাখালে নিয়ে যাবে, তা দেখেছেন? দেখেননি। এ কারণেই বৈকালে গা ধোয়ার সময় তাঁর তাবৎ কথা তো ওই ধলা জলের সঙ্গেই হতো, যে ধলা জল তাঁর বাপের বাড়ির ঘাট ছুঁয়ে এসেছে। বউদের বাপের বাড়ি যাওয়া যে ঝকমারির, তা তো সবাই জানেন। তা সেকালেও যেমন একালেও কিছু কম নেই। কিন্তু একালে জোয়ারের ‘পানি’ ছুঁয়ে কোনো বউ কি বাপের বাড়ির স্পর্শ পায় বা পেতে চায়? জানি না।

    আমার মা সোনাবউয়ের ‘গঙ্গাজল’ লক্ষ্মীমণি বোষ্টমি ‘খ্যানে অখ্যানে’ তাঁকে দেহতত্ত্বের পদ শোনাত

    কারবা খাঁচা কেবা পাখি
    কারে আপন কারে পর দেখি
    কার লাগিবা ঝুরে আঁখি

    তখন, মায়ের যেমন ভাব ছিল, তিনি কি এ গানেই তাঁর গঙ্গাজলের তত্ত্বের প্রত্যুত্তর করতেন–

    নাইওর না গেলাম মুই
    বছর বারমাস
    ও মোর না পুরিলও মনের সাধ
    না মিটিল আশ
    মুই না দেখি বাপের মুখ
    না দেখি ভাই ধনের সুখ
    মুই না হেরি মায়েরও দুঃকও
    পানে হা হুতাশ

    ধলা জল পিছারার খালে ধেয়ে এসে ঢোকে, আবার ধেয়ে নেমে যায়। সোনাবউ যতক্ষণ গা ধোয় তাঁর শান্তি। কী? না, তাঁর বাপের বাড়ির পিছারার সোঁতা ধরে অনেক বড় বড় খাল, নদীনালা পেরিয়ে এই পিছারার খালে এসে তাঁকে শীতল করছে এই জল। সব আত্মজনের স্পর্শ মাখানো এই জল। এই বোধের নির্যাস নিয়েই বোধ হয় গহন বাংলার ভাটিয়ালি জগৎ জয় করে। কিন্তু সে যেথায় করে, করে। সে কি তার এই বাণী নিয়ে সাধারণ্যে পৌঁছেছে? পৌঁছয়নি। সে কারণে আমার মায়ের গান এই উপমহাদেশে কেউ শুনল না, জানলও না, ভাবলও না। আমার মায়ের মতো মায়েরা সবাই কোথায় যে হারিয়ে গেল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }