Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ৩৮

    আটত্রিশ

    বেশ খানিকক্ষণ ধরে বইটিতে মগ্ন ছিলাম। বাড়ির ছেলেমেয়েরা আমাদের আসার সময় থেকেই বেশ কৌতূহল সহকারে আমাকে পর্যবেক্ষণ করছিল। পরে আমার সাধারণ পোশাক-আশাক, ক্ষয়াটে খুটে দেহাকৃতি এবং সর্বোপরি দীনভাব যে তাদের কৌতুকের কারণ হবে, সেটা ভাবিনি। তারা এখন একা ঘরে আমাকে পেয়ে একে একে এসে উপস্থিত হলো এবং নানারকম প্রশ্ন করতে লাগল। আমি তাদের সঙ্গে সহজ হতে পারছিলাম না। তারাও সরল স্বাভাবিক আচরণ করছিল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝতে পারলাম যে, তারা আমাকে একটি নিরেট গাঁইয়া জীব হিসেবে শনাক্ত করেছে। এই ছেলেমেয়েদের মধ্যে একটি যুবক ও একটি যুবতী ছিল। পরে জেনেছিলাম প্রয়াত গৃহকর্তার শ্যালিকা মতান্তরে দ্বিতীয়া পত্নীর গর্ভজাত। তারা আমার তত্ত্বতালাশ সবিশেষ সংগ্রহ করেছিল। তাদের গায়ের রং তামাটে, মাথার চুল প্রায় নিগ্রোদের মতো কোঁকড়ানো এবং চক্ষু কটা। বুঝলাম জ্যাঠামশাই এদের অপরিচিত নন এবং আমাদের একদার তালুকদারির বিষয়েও তাদের খবর আছে।

    প্রসঙ্গত, বরিশাল সদরে আমাদের তালুকদারির কালের একটি সুদৃশ্য বাংলো ছিল। যাঁরা ইসমাইল হোসেন খানচৌধুরী সাহেবের গরিবখানার (আসলে দৌতলখানা) তত্ত্বতালাশ জানেন, তাঁরা রায়বাহাদুর ভবনের কথাও জানবেন। দুটি ভবন পাশাপাশিই ছিল। বাংলোটি ছিল রায়বাহাদুরদেরই দখলে। আমার বাবা এবং জ্যাঠামশাই তাঁদের স্কুলজীবনে ওই বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করেছেন। তখন অবশ্য পরিবারটি একান্নবর্তী ছিল। পরে তালুকদারি ভাগ হলে তাঁরা বড়তরফ হন এবং দেশভাগের বহু আগেই দেশত্যাগ করেন। এইসব কারণে এই বাড়ির লোকেরা আমাদের পরিচয় জানত। এখন এই কটা-চোখওয়ালারা আমাকে রায়বাহাদুরের বাড়ির ছেলে বলে শনাক্ত করলে আমার সম্যক সমস্যার সৃষ্টি হলো। সে সমস্যা বর্ণনা করা একান্তই অসম্ভব। ওরকম একটা বাড়ির ছেলের কেন এরকমভাবে আশ্রয় নিতে হবে এটাই তখন তাদের কাছে প্রধান প্রশ্ন। যদিও তাদের যা অবস্থা এবং আয়োজন তাতে কে আশ্রয়ী, কে চাকর তাতে তাদের কিছুই যায়-আসে না। কিন্তু যেখানে খোঁজাখুঁজি করলে কিছু আমোদ পাওয়া যায় সেখানে মানুষ খুবই অকারণ নির্মমতার দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এ ক্ষেত্রেও তার ব্যত্যয় হলো না। অতএব আমি একটি অত্যন্ত নিষ্ঠুর উৎপীড়নের শিকার হলাম। তারা ছোট বড় নির্বিশেষে, বাক্যেবচনে এবং কার্যে আমার ওপর নানা প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষার আয়োজন করল। আজকের দিনে যাকে র‍্যাগিং বলা হয়, ব্যাপারটি মূলত তা-ই ছিল। তাদের প্রধান আমোদের কারণ হলো এই যে অতঃপর রায়বাহাদুরের বাড়ির একটি ছেলে তাদের অনুধ্বংসকারী হিসেবে সেখানে আশ্রয় নিয়েছে। কালিদাস গেয়েছেন, “যাঞ্চা মোঘাবরমধিগুণে নাধমে লন্ধকামা’। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সেটাই ঘটল। শহরজীবনের অমানবিক হৃদয়বৃত্তিহীনতাই আমাকে প্রথম আঘাত করল।

    উৎপীড়ন ব্যাপারটা যতক্ষণ মানসিক স্তরে থাকে ততক্ষণ আত্মসংবরণ করে হজম করার চেষ্টা করা যায়। কিন্তু তা যখন শারীরিক, বিশেষ করে যৌন পর্যায়ে চলে যায় তখন উৎপীড়িতের মধ্যে এক ক্রোধ জন্ম নেয় এবং তা অত্যন্ত মারাত্মক। হয়তো তা আত্মঘাতী, কিন্তু তখন বিচার আর থাকে না। আমি আমার অনুজ-অনুজাদের সামনে যেসব বাক্য বা ক্রিয়ার কথা উচ্চারণ করা কোনো দিন স্বপ্নেও চিন্তা করিনি, বা অন্য কোথাও আমাদের গ্রামীণ মণ্ডলেও দেখিনি, এখানে তার অনুশীলন অত্যন্ত অবাধে হতে দেখলাম। এদের মধ্যে অজাচার যেন স্বাভাবিক এবং খোলাখুলি। তাদের পারস্পরিক সংলাপ, ভাষার ব্যবহার, দৈহিক আচার-আচরণ আমার কাছে এত ক্লেদাক্ত বোধ হতে থাকল যে, আমি বাধ্য হলাম তীব্রভাবে প্রতিবাদ জানাতে। কিন্তু ফল হলো উলটো। তারা তখন ছোটবড় নির্বিশেষে আমাকে শারীরিক লাঞ্ছনায় মনুষ্যত্বের শেষতম অবমাননায় নিয়ে গেল। আমি যদি ছেলে না হয়ে মেয়ে হতাম তবে বোধহয় মরেই যেতাম। যৌনতা বিষয়ে এত স্থূলরুচি এবং আচরণ ইতিপূর্বে আমার অভিজ্ঞতায় ছিল না। তাদের মধ্যে কোনোরকম সম্ভ্রমবোধের সীমানা ছিল না। তারা নানা ধরনের যৌনসম্ভোগের বিষয়ে আলোচনা অত্যন্ত উচ্চকণ্ঠেই করছিল বেং আমার ওপর সেসবের প্রয়োগও চলছিল। এ বিষয়ে বিশদ বর্ণনা শালীনতাবিরোধী, তাই পাঠক-পাঠিকাদের অনুমানের ওপর তা ছেড়ে দিলাম।

    একটা ব্যাপার আমি বুঝলাম যে, আমার বাল্যাবধি যে শিক্ষা এবং মূল্যবোধ আমার ভেতরে ক্রিয়াশীল ছিল, এদের সঙ্গে তার পার্থক্য বেশ কয়েক যোজনের। আমার ওই সময়টুকুর মধ্যেই একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেল যে, এদের সঙ্গে আমার কোনো দিন, কোনোমতেই কোনো যোগসূত্র স্থাপিত হবে না। প্রতিপক্ষ অবশ্য তখন অন্য এক বিশ্বাসে আস্থাবান হয়ে কয়িত হলো। তাদের বিশ্বাস, তাদের চোখের ভঙ্গিতেই আমি বুঝতে পেরেছিলাম, তা হলো—’ইহা একটি উৎকৃষ্ট গিনিপিগ। ইহাকে লইয়া কিছুদিন আমোদ মজা করা যাইতে পারে। একদিনেই গোটাটা চটকাইয়া শেষ করিয়া ফেলার হেতু নাই।’

    তারা আমাকে নানাবিধ চটকানা দিয়ে চলে গেলে খানিকক্ষণ আমি অচেতনের মতো পড়ে ছিলাম। সারাটা ঘর একটা নরকুণ্ডের মতো। বাড়ির বালগোপাল এবং গোপিনীদের নানাবিধ কুকর্মের অভিজ্ঞানসহ যেন আমাকে উপহাস করছিল। খানিকটা ধাতস্থ হবার পর আমি সন্তর্পণে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরোলাম। বাসা ছাড়ার সময় গৃহকর্ত্রী জানতে চাইলেন আমি কোথায় যাচ্ছি। আমি ইতিপূর্বের ঘটিত ঘটনার কিছুমাত্র আভাস না দিয়ে জানালাম যে, আমি একটু নদীর ধারে ঘুরেফিরে আসছি। তিনি কিছু আপত্তি করলেন না। আমি ওই দঙ্গলের অশ্লীল আচরণ থেকে মুক্ত হয়ে নদীর আশ্রয়ে চললাম। স্থানটি প্রাকৃতিকভাবে তখন অতি মনোরম ছিল। নদীর তীরে বেশ কিছু ঝাউ এবং সংগতি রেখে অন্যান্য বৃক্ষ মহীরুহাদি ছিল। তাদের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে চলতে চলতে একসময় নদীর কাছে পৌঁছোলাম। নদী তখন যথারীতি নির্বিকার চলমানতায় ছলচ্ছল শব্দে বয়ে চলছিল। আমি আমার বিধ্বস্ত দেহখানা তার কূলস্থ এক ঝাউয়ের শিকড়ে স্থাপন করে ভাবলাম, এ পর্যন্ত যা হলো তা তো জানলাম। এরপরে কী? ‘এহ বাহ্য আগে কহ আর।’

    এই নদীর নাম কীর্তনখোলা। এর তীরে তীরে যত গ্রামগঞ্জ আছে, সেসব স্থানে প্রতিসন্ধ্যায় হিন্দু এবং মুসলমানদের কীর্তন শোনা যায়। সেইসব গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষ সারাদিন কাজকাম করে সন্ধেবেলায় নিজ নিজ বিশ্বাস এবং আচার অনুযায়ী তাদের আরাধ্য গুরু, দরবেশ, ফকির, মুর্শেদ বা সাঁইদের উদ্দেশে কীর্তন গায়। এরা প্রায় সবাই লোকায়তিক ধর্মাচরণে অভ্যস্ত। জগৎসংসারের সবকিছুতেই তারা বিশ্বাসী। সেঁজগাছের মনসা যেমন তাদের কাছে জাগ্রত দেবী, তেমনই পিরস্থানে মাজারে যিনি অন্তিম শয়ানে আছেন, সেই পিরবাবাও। এরা গ্রহণ-বর্জনের স্বাভাবিক নিয়মের ব্যত্যয়ে কদাপি যায় না।

    সেইখানে নদীর তীরে, বৃক্ষমূলে বসে আমি আশপাশের কুটিরগুলো থেকে এই ধরনের কীর্তন শুনছিলাম। নদীর তীরের বৃক্ষাবলির মধ্যে অনেক কুটির এমতো ছিল। সেইসব স্থান থেকে কীর্তন, আজান এবং নানান লোকায়তিক উপাসনার সংগীত ভেসে আসছিল। আমি ক্লেদাক্ত ওই অবস্থান থেকে বিযুক্ত হয়ে এখানে এসে এক অনুপম শান্ততায় নির্বেদযুক্ত হলাম। নদীও তার কলোচ্ছ্বাসে আমাকে অনেক শান্ত এবং স্নিগ্ধ করল। নদীকে তখন আমার প্রকৃতই পতিতোদ্ধারিণী বোধ হচ্ছিল। আবার এমনও মনে হচ্ছিল যে, পৃথিবীতে কীর্তনখোলার সদৃশ মায়াবী নদী বোধহয় আর নেই। যেসব মানুষ নদীর আশ্রয়ে বাল্যাবধি কাটিয়েছেন, একমাত্র তাঁরাই এর প্রসাদগুণ বুঝবেন। সে নদী ছোট হতে পারে, বড় হতে পারে কিংবা একটা সরু খাল বা নালাও হতে পারে, প্রশ্নটা হচ্ছে সে চলমান কি না, তার স্রোতে চলচ্ছল শব্দ জাগে কি না। যদি জাগে, তবে মানুষ সেই শব্দে বড় শান্ততা পায়, গতি পায়, জীবন পায়। কীর্তনখোলার শব্দে আমি সেই জীবন পেলাম।

    তখন অন্ধকার ঘনায়মান। নদীর দূরত্ব ওই গৃহ থেকে খুব বেশি নয়। আমি সেই গাছটির তলায়, তার শিকড়ে ঠেসান দিয়ে বসে আছি। মনের মধ্যে ফেলে আসা জীবন এবং এক্ষণের সংঘটনের এক তীব্র সংঘর্ষ ক্রিয়াশীল। নদীর বুকের ওপর দিয়ে নানা রকমের জলযানগুলো নৈশ আলোয় সজ্জিত হয়ে আনাগোনা করছিল। আমার ওই একাকিত্বে সামনের চলমানতা যেন এক সুস্পষ্ট অর্থবহতার সৃষ্টি করল। বহুদিন আগে মৌলবি সাহেবের বর্ণনা কোরান শরিফের তথা অনুবাদে পঠিত ওল্ড টেস্টামেন্টের কিছু কাহিনি মনের মধ্যে আলোড়িত হচ্ছিল। মৌলবি সাহেবের আয়াত আবৃত্তির মূলপাঠ আমার আজ আর স্মরণ নেই। তবে তার অনুবাদ-কথাগুলো এরকম—’আর আমি লুতকে একটি বিশেষ জাতির প্রতি নবিরূপে প্রেরণ করিয়াছিলাম। যখন তিনি তাহাদিগকে বলিয়াছিলেন, তোমরা কি লিপ্ত থাকিবে এই কদর্য ও নির্লজ্জ কর্মে, যাহা তোমাদের পূর্বে বিশ্বজগতে আর কেহই করে নাই?’ সদ্দাম নামক এক বস্তির মানুষেরা সমকামী এবং অমিতাচারী ছিল। লুত তাদেরকে এই স্বভাব ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তারা তা শোনেনি। ফলে ঈশ্বরের অভিশাপ তাদের ওপর আপতিত হয়েছিল। আমি ভাবছিলাম এইমাত্র তাদের কবল থেকে আমি পালিয়ে এলাম, সেই অভিসম্পাত এদের ওপরও নেমে আসছে না কেন?

    নদী কোনো সন্তাপের উত্তর সরাসরি দেয় না। কিন্তু তার কলধ্বনিতে, চলমানতার আচরণে মানুষ অবশ্যই কিছু উত্তর পেতে পারে, যদি সে গভীর অভিনিবেশে তার কার্যাবলি অনুধাবন করে। তখন তার কলধ্বনিতে পরিষ্কার শোনা যায় যে, সে বলছে—গ্রহণ করো। গ্রহণ করে জীর্ণ করো। জীর্ণ করে নীলকণ্ঠ হও। তারপর আবার এগিয়ে চলো। আমিও একসময় বুঝলাম জগতে শুধু গ্রহণ করে করেই নীলকণ্ঠ হতে হবে। জীবন-জগৎরূপী সমুদ্র ক্রমান্বয়ে মথিত হতে হতে অমৃত উত্থানের পর্ব পার হয়ে এখন কেবল গরল উদ্‌গীরণ করছে। অমৃতের আস্বাদ হয়তো শুধু পূর্বজরাই গ্রহণ করে গেছেন। আমাদের অদৃষ্টে শুধু গরলই জুটবে। ওই গরল গ্রহণ করে যদি জীর্ণ করতে পারি, মঙ্গল। নচেৎ তো বিষের আচ্ছন্নতায় সৃষ্টি আচ্ছন্ন হয়ে যাবে। নদী যেন কানে কানে বলে দিল যে, লুতের প্রতি পেছনে তাকানো নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তুমি আমার গতির দিকে তাকিয়ে নিদর্শন গ্রহণ করো। মৌলবি সাহেব বলেছিলেন—বাজান তুমি এট্টু বিচরাইয়া দেহছেন দেহি এ্যার মদ্যে কিছু পাওন যায় কি না, বলে তিনি একটি আয়াত পাঠ করেছিলেন যার অর্থ—প্রাকৃতিক নির্বন্ধগুলোতে নিদর্শন আছে। জিজ্ঞাসুরা উহা হইতে প্রত্যাদেশ বা অহির সংবাদ পাইয়া থাকে।

    আমার মনে হতে লাগল জ্যাঠামশাই যেন হজরত ইব্রাহিমের মতো আচরণ করলেন। তিনি আমাহেন ইসমাইলকে এক শূন্য মরুতে স্থাপন করে চলে গেলেন। এ স্থলে মাতা হাজেরাও উপস্থিত নেই। আমাকে আশ্রয়দানকারী সেই বৃক্ষটিকে নিজেই খুঁজে বের করতে হবে। আমাকেও ইসমাইলের মতোই সংরক্ষণ করা হবে, এরকম এক আশ্বাস নদী আমাকে নিদর্শন জানালে আমি একজন অহিপ্রাপ্ত নবির মতন সেই ঘরে ফিরে এলাম, সেখানে তখন নরকের ভোগের আগুন জ্বলছিল।

    আমি যথাসময়ে খাওয়াদাওয়া সেরে নির্দিষ্ট ঘরের নির্দিষ্ট বিছানায় শুয়ে পড়লাম। সারাদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ঘুম আসতে দেরি হলো না। আমার নতুন মুরুব্বি কখন এসে শুয়ে পড়েছিল টের পাইনি। কিন্তু একসময় একটা প্রবল আকর্ষণে আমার ঘুম ভেঙে গেল। আমি অত্যন্ত আতঙ্কের সঙ্গে অনুভব করলাম যে, এক জোড়া হাত আমাকে আকর্ষণ করছে। লোকটি অত্যধিক মদ্যপান করে এসেছে। এখন তার অন্য কিছুর প্রয়োজন। তাই এই টানাটানি। আমি মুহূর্তে ব্যাপারটি বুঝলাম এবং পাশ ফিরে খাটের কিনারা প্রাণপণে আঁকড়ে ধরে ঘুমের ভান করে পড়ে রইলাম। লোকটা অনেকক্ষণ চেষ্টা চালিয়েও সুবিধা করতে না পেরে একসময় হতাশ হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল।

    আমার ওপর সমকামীদের আক্রমণ অনেকবারই হয়েছিল। কিন্তু এই লোকটির মতো নির্লজ্জ কামুক আমি আর দেখিনি। অথচ তার স্বাভাবিক জীবনযাপন করার ক্ষেত্রে অর্থসামর্থ্য ইত্যাদি কোনো কিছুরই অভাব ছিল না। অতঃপর আর ঘুমোতে পারলাম না। নানারকম আতঙ্ক আর ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের চিন্তায় উজাগরই কাটাতে হলো। স্বাভাবিকভাবেই একটা সিদ্ধান্তে উপস্থিত হলাম যে, এখানে থাকা চলবে না। সুতরাং রইল সাধের পড়াশোনা এবং মানুষ হওয়ার প্রচেষ্টা। কাল ভোরেই চুপিসারে কেটে পড়তে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }