Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ৪২

    বেয়াল্লিশ

    এইসব ডামাডোল সাময়িকভাবে স্তিমিত হলে কয়েক দিনের জন্য বাড়িতে চলে এলাম। বিগত কয়েক মাসের মধ্যে মাত্র বার দুয়েক বাড়ি গিয়েছিলাম। এবারে এসে দেখলাম ছাত্র পড়ানোর ব্যবস্থাটি বন্ধ হয়ে গেছে। সংসারের হাল খুবই খারাপ। কিন্তু তখন কিছুই করার উপায় আমার ছিল না। ভেবে দেখলাম, এখন যদি আমি সংসারের কথা ভাবতে বসি তবে দুই মাস বাদে যে পরীক্ষা দিতে হবে, তার সমূহ বিঘ্ন ঘটবে। উপরন্তু, আমার পরীক্ষা-প্রস্তুতিও আশানুরূপ হয়নি। টেস্টের ফলাফল দেখে আমাকে উদ্যোগ নিতে হবে। সংসারের হাল তো বরাবরই এরকম। এভাবেই চলুক। বরং আগামী বছরে কলেজ করার সময় শুরু থেকে কিছু ছাত্রছাত্রী জুটিয়ে যদি কিছু সহায়তা করা যায়, সেই চেষ্টা দেখতে হবে।

    বাড়ি আসার সময় অহীনকে বলে এসেছিলাম যে, ইতোমধ্যে টেস্টের ফল বের হলে সে যেন লিস্টটি দেখে আসে এবং ফাইনাল পরীক্ষার ফর্মটিও তুলে রাখে। ফিরে গিয়ে দেখলাম টেস্টের ফল বের হয়েছে ঠিকই তবে লিস্টে আমর নাম তোলা হয়নি। ব্যাপারটা ঠিক বোধগম্য হলো না। পরিচিত কাউকে পেলামও না। সন্ধেবেলা অহীন অফিস ফেরত এসে আমাকে যা বলল, তাতে প্রায় মূর্ছিত হয়ে পড়ার মতো অবস্থা। জীবনে আঘাত কিছু কম পাইনি, কিন্তু অহীনের দেয়া সংবাদটি ছিল কঠিনতম আঘাত। এর জন্য আদৌ প্রস্তুত ছিলাম না। পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা আমার বিধিলিপি। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যে বিধিলিপিটি ছিল তার তুলনা হয় না। অহীন জানাল যে, লিস্টে নাম না দেখে সে খোঁজখবর করে জানতে পেরেছে আমার সারা বছরে মাইনে না দেয়ার জন্য রেজাল্ট উইথহেল্ড রাখা হয়েছে। অহীন আমার scholarship প্রসঙ্গে কথা তুলেছিল, কিন্তু অফিস-ক্লার্ক জানিয়েছেন যে, তাঁর কাছে এরকম কোনো খবর নেই। অতএব মাইনে বাবদ একশো কুড়ি টাকা জমা দিলে তবেই ফল প্রকাশ করা তথা ফর্ম ফিলাপ করার প্রশ্ন ওঠে। তার কথা শুনে আমার চোখের সামনে অন্ধকার নেমে আসল। একশ কুড়ি টাকা তখনকার দিনে অনেক টাকা। তারপর ফর্ম ফিলাপের সময় পরীক্ষার ফি হিসেবে নিশ্চয়ই আরও কিছু টাকা লাগবে। ফর্ম জমা দেবার শেষ তারিখ আর মাত্র দুদিন বাদে। এর মধ্যে বাড়ি গিয়ে যে কোনো উপায় করব তার সময় নেই। কারণ বাড়ি গেলেই যে টাকা জুটবে সেরকম সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। যথেষ্ট সময় থাকলে হয়তো কিছু বিক্রিবাটা করে বাবা দিতে পারতেন। কিন্তু আসল সমস্যা অত সময় নেই। এই শহরেও আমার এমন কোনো বন্ধুবান্ধব নেই যার ক্ষমতা আছে এতগুলো টাকা ধার দেয়ার।

    প্রকৃতপক্ষে এই ব্যাপারটার জন্য আমি কাউকেই দায়ী করতে পারি না একমাত্র নিজের মূর্খামিকে ছাড়া। আমর নির্বুদ্ধিতা এ ব্যাপারে প্রায় পাহাড়প্রমাণ। ভর্তি হবার পর আমি কোনো দিন আর কলেজের অফিসে যাইনি। আমার ধারণা ছিল অফিস যথাসময়ে আমায় জানাবে। কিন্তু সেখানে অন্য কোনো স্বার্থান্বেষী অকারণে আমার ক্ষতি করতে পারে, তা আমার বিশ্বাসে ছিল না। আমি যথাসময়ে ব্যাপারটির খবর পাইনি বলেই এই অঘটন ঘটল। আমি এই ঘটনায় যারপরনাই ভেঙে পড়লাম। অহীন বলল, এখনই অত হতাশ হচ্ছ কেন? এখনও তো সময় আছে। চলো টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করি। আমরা প্রথমে সেদিন সন্ধ্যাবেলায়ই ঘনিষ্ঠ সহপাঠীদের সঙ্গে পরামর্শ করলাম। এদের মধ্যে আমাদের প্রসন্নকুমার বিদ্যালয়েরও দু-একজন ছাত্র ছিল। তাদের মধ্যে একজন বলল, এ ব্যাপারে একমাত্র বিনয়বাবুই সমস্যা মেটাতে পারেন। চলো তাঁর কাছে যাই। বিনয় সেনমশাই কীর্তিপাশার ছোটহিস্যার জমিদারি দেখতেন। তখন জমিদারি নেই, তবু নানান বিষয়কর্মের খাতিরে তিনি ওই শহরেই বাস করছেন। ছোটহিস্যার জনৈক কর্তার ভাগনে হবার সুবাদে সেই ভদ্রলোক মারা গেলে তিনি জমিদারির কর্ম দেখাশোনা করতেন। সবাই বলল, এটা তাঁর করা উচিতও বটে। কারণ একসময় তিনি স্কুলের একজন কর্মকর্তাও ছিলেন এবং আমি ওই স্কুল থেকে ভালো ফল করেছিলাম। তখন জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলেও আমরা এরকম ভাবনা, চিন্তায় অভ্যস্ত ছিলাম। কিন্তু সমস্যা হলো বিনয়বাবু আমার বাড়ির কর্তাদের বিলক্ষণ চিনতেন। এ কারণেই তাঁর কাছে গিয়ে যে হাত পাততে পারি না এই কথাটা সবাইকে বললাম। এখানে ইজ্জত এবং আভিজাত্যের প্রশ্নের সঙ্গে আরেকটি ব্যাপার ছিল, তা হলো বিনয়বাবুর ব্যঙ্গোক্তির ভয় আর জ্যাঠামশাইয়ের কাছে খবর গেলে তাঁর প্রতিক্রিয়া। তিনি যদি বাবা বা জ্যাঠামশাইয়ের কথা এবং এ ব্যাপারে তাঁদের ঈদৃশ ঔদাসীন্যের বিষয় কিছু জিজ্ঞেস করেন আমি কী উত্তর দেব? বিনয়বাবুকে আমি যতদূর জানতাম তাতে বরাবর তাঁকে খুব দাম্ভিক বলেই মনে হয়েছে। অতএব আমি কখনওই তাঁর কাছে যেতে পারব না। এসব শুনে অহীন বলল, ঠিক আছে, তুমি নিজে নাই-বা গেলে, আমরা কয়েকজন তো তাঁর কাছে গিয়ে আবেদন করতে পারি। সবাই একবাক্যে অহীনের প্রস্তাবে সায় দিল। আমি অহীনকে বলে দিলাম, দেখো ভাই, ব্যাপারটা কোনোক্রমেই যেন আমার জ্যাঠামশাইয়ের কানে না ওঠে। অহীন আমাকে ভরসা দিয়ে বলল, ভয় নেই, আমি বিষয়টা কায়দা করেই তাঁর কাছে উত্থাপন করব। ঠিক হলো পরের দিন সকালে তারা সবাই বিনয়বাবুর বাসায় যাবে।

    এই সময়টায় বউদি ওখানে ছিলেন না। তাঁর শিশুকন্যাটিকে নিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে তাঁর ভাইয়ের কাছে গিয়েছেন। তাঁর পাসপোর্ট এবং অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য দাদার বেশ খরচ হয়েছে। অতএব তাঁর কাছেও কোনো সাহায্য পাওয়া যাবে না। আমি বাড়িতে থাকার সময়েই বউদি চলে গেছেন। ছেলেরা সব বাড়িতেই আছে। সে আর এক চিন্তা। আমি এসেই এই ফ্যাসাদে পড়লাম, এখন তাদের দেখাশোনাই বা কীভাবে করব, বুঝে উঠতে পারছিলাম না। দাদার সঙ্গে এখনও এসে পর্যন্ত দেখা হয়নি। চাকরটি এবং মাসিমা ছেলেদের দেখাশোনায় আছে। দাদার কাছে আমি কখনো পয়সাকড়ি চাইনি, বর্তমান অবস্থায় তা ভাবতেও পারলাম না।

    রাতে খেতে বসে দাদা বললেন যে, বউদি না আসা পর্যন্ত ছেলেদের দেখাশোনার ভার তিনি বিশেষ করে আমার ওপর দিয়ে গেছেন। আমি যেন এর মধ্যে আর বাড়ি না যাই। দাদাকে একটু গম্ভীর মনে হলো। খাওয়া সেরে দাদা ওপরে চলে গেলেন। আমি চাকরটিকে জিজ্ঞেস করলাম, দাদা গম্ভীর কেন? সে জানাল যে, বউদি যাবার পর থেকে ছেলেরা অসম্ভব দুষ্টুমি শুরু করেছে। আশপাশের বাসা থেকে রোজ নালিশ আসে। এ জন্য তাঁর মেজাজ খারাপ। দুপুরে খেতে এসে নাকি জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমি কখন এসেছি এবং কোথায় গিয়েছি। চাকরটি জানত আমি কলেজে গিয়েছি। সে তাঁকে তা-ই বলেছে। বাড়ি থেকে ফিরলে দাদা সাধারণত মা, বাবা, ভাইবোনদের খোঁজ নিতেন। এবার দেখলাম তা করলেন না। আমি একটু আতঙ্কিত হলাম।

    পরদিন ভোরে দাদা আমাকে জল ধরার জন্য ডাকলেন না। রাঁধুনি চাকরটিই জল আনল। চা-জলখাবার খেয়ে অফিসে যাবার সময় দাদাকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আমার ওপর কোনো কারণে রাগ করেছেন? দাদা আমার দিকে একবার কীরকম যেন এক কঠিন দৃষ্টিতে তাকালেন এবং চোখ ফিরিয়ে নিয়ে কিছুই না বলে চলে গেলেন। ব্যাপারটা আমার ভালো বোধ হলো না। অথচ আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না আমার অপরাধটা কী। রাঁধুনি বলল, দাদা কিন্তু মনে হয় আপনার ওপর রেগে আছেন। বউদি বাড়ি নেই তো, তাই। কিন্তু আমি আমার কর্তব্যাকর্তব্য কিছুই ঠিক করতে পারছিলাম না। আমাকে আজকের এবং কালকের এই দুটো দিন হয়তো পুরোটাই নিজের প্রয়োজনে লাগাতে হবে। এইসব চিন্তা করে চাকরটিকে বললাম, ভাই, আমি একটা অসুবিধেয় পড়েছি। আজ এবং কাল এই দুটো দিন তুমি একটু ছেলেদেরকে সামলাও। পরশু থেকে সব ভার আমার। সে বলল, ঠিক আছে। আপনি ভাববেন না। আমি দেখব।

    দাদা যাবার খানিকক্ষণ বাদেই অহীন এলো। বলল, এক কাজ করো। তুমি কলেজে গিয়ে Scholarship-এর বিষয়টা নিয়ে খোঁজখবর করে দেখো। হয়তো এসে পড়ে আছে। একটু নরম হয়ে ক্লার্ককে বোলো, নিশ্চয়ই রেকর্ড খোঁজ করে পেয়ে যাবে। যদি পায় তবে তো সমস্যা নেই। যাই হোক, বারোটার মধ্যে সোনালি সিনেমা হলের সামনে এসো, আমরা ওখানে থাকব। দেখি বিনয়বাবু কী বলেন।

    বিনয়বাবু আমাদের ও অঞ্চলে একজন মান্যমান মানুষ। যদিও তাঁর জমিদারি এবং ঠাঁটবাট সবই মামাবাড়ির দৌলতে, তবু ছোটহিস্যার জমিদার হিসেবে বাল্যাবধি আমরা তাঁকেই জেনেছি। তিনি তাঁর স্ত্রী-পুত্র ইত্যাদিদের অন্যত্র রেখে ছোটহিস্যার প্রাসাদেই থাকতেন এবং জমিদারি তথা তাঁর পিসতুতো দাদার স্ত্রী, পুত্র, কন্যাকে দেখভাল করতেন। স্থানীয় লোকেরা তাঁকে খুব ভালো মানুষ বলে জানত না। অতএব অহীনেরা সেখানে কী ব্যবস্থা করতে পারবে, সে ব্যাপারে

    বিষাদবৃক্ষ ৩৩৭

    আমার বিলক্ষণ সন্দেহ ছিল। শেষ পর্যন্ত আমাকে না একটা অসম্মানজনক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।

    যা হোক দশটা বাজার আগেই আমি ব্রজমোহন কলেজে গেলাম। কলেজে তখন ক্লাস বন্ধ। শুধু ফর্ম জমা নেয়ার জন্য অফিস খোলা ছিল। খানিকক্ষণ বাদে ক্লার্ক এলে তাঁর কাছে গিয়ে বিস্তারিত সব বলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু অচিরেই বুঝলাম তিনি আমার কথা শুনতে আদৌ আগ্রহী নন। আমি তথাপি বললাম, দেখুন নিশ্চয়ই Scholarship-এর টাকাটা এসেছে। আমি ভয়ানক বিপদে পড়েছি। ওটা না হলে যে পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ করতে পারব না। লোকটি কী কারণে জানি না আমার সঙ্গে অত্যন্ত যাচ্ছেতাই ব্যবহার শুরু করল। বলল, জামাকাপড়ের ছুরত দেইখ্যা তো মালুম অয়না যে কলেজে পড়ো। হ্যার উপর আবার ‘এস্কালরশিপ’? খোয়াব দ্যাখথে আছ নাহি? যাও যাও। আগে মায়নার টাহাডা লইয়া আও যাইয়া, হ্যার পর দেহুম হ্যানে। বুঝলাম আর কথা বলে কিছু লাভ হবে না। এখানে আমার এমন কেউই নেই, যে আমার পাশে অন্তত দাঁড়ায়। অগত্যা কলেজ ছেড়ে রাস্তায় এসে দাঁড়ালাম। ক্লাস বন্ধ থাকায় ইউনিয়নের কেউ আসেনি, সুতরাং প্রতিবাদের কোনো সুযোগই নেই। লোকটি একটু রেকর্ডটা খুলে পর্যন্ত দেখল না।

    সম্পূর্ণ উদ্ভ্রান্তের মতো হাঁটতে হাঁটতে কলেজ থেকে সোনালি হলের সামনে এসে অহীনদের পেলাম। তখন সাড়ে বারোটা বাজে। অহীন বলল, না বললেও বুঝতে পারছি সুবিধে করতে পারোনি। আসলে ক্লার্ক লোকটাকে আমার সেদিনও খুব সুবিধের মনে হয়নি। ও কিছু একটা লুকোচ্ছে। Scholarship-এর ব্যাপারে ও কিছু বদমায়েশি করে থাকলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। যা হোক, তোমাকে বিনয়বাবু এক্ষুনি যেতে বলেছেন। উনি কাছারিঘরেই আছেন। চলে যাও। মনে হয় হয়ে যাবে। তিনি আমাদের কথা দিয়েছেন। অহীন আরও বলল, আমার মনে হয় তোমার ব্যাপারটা আমি তাঁকে ঠিক ঠিক বোঝাতে পেরেছি। উনি বললেন, এ আর এমন কী কথা, ওকে আমার সঙ্গে এক্ষুনি দেখা করতে বলো। সুতরাং তুমি আর দেরি না করে যাও। ওখান থেকে সোজা বাসায় গিয়ে খাওয়াদাওয়া করো। আমি বাসায়ই থাকব। আজ আর অফিসে যাব না।

    ওরা সবাই চলে গেলে আমিও বিনয়বাবুর কাছারির দিকে যাত্রা করলাম। মাথার মধ্যে ভালোমন্দ কোনো কিছুই কাজ করছিল না। কীরকম এক অসহায় শূন্যতা যেন আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলছিল। এই সময় অশ্বিনীবাবুর কথা মনে পড়ল। যদি সময় হাতে থাকত তবে তাঁর কাছে গেলে সমস্যার অবশ্য সমাধান হয়ে যেত। কিন্তু তার আর উপায় নেই। এইভাবে চলতে চলতে একসময় বিনয়বাবুর কাছারিতে পৌছোলাম। কালো চশমা পরা, ফরসা গায়ের রং গোলগাল বিনয়বাবু ততোধিক ফরসা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে বসে রয়েছেন। গিয়ে প্রণাম করে দাঁড়াতে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার জন্যই ছেলেরা সুপারিশ করতে এসেছিল বুঝি? প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গে আমাকে আপাদমস্তক একবার দেখে নিলেন। পরে একটি দীর্ঘশ্বাস মোচন করে বললেন, অমুকের ছেলে তুমি? তোমার এই দুর্দশা। আমি নিশ্চয়ই তোমার ব্যবস্থা করব। আচ্ছা তুমি এই টাকাটা ধরো—বলে একটা কুড়ি টাকার নোট বাড়িয়ে দিলেন। বললেন, একশ কুড়ি টাকার মধ্যে কুড়ি টাকা হয়ে গেল, বাকি রইল একশ। আচ্ছা চলো আমার সাথে—বলে একটি রিকশা ডেকে তাতে আমাকে নিয়ে উঠলেন। রিকশাওয়ালাকে নির্দেশ দিলেন জনৈক উকিলবাবুর বাসায় যেতে। আমি বুঝতে পারছিলাম না তিনি ঠিক কী করতে চলেছেন। তাই একটু ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করলাম, ওখানে আমরা কেন যাচ্ছি? তিনি বললেন, বুঝলে না অত টাকা তো আমি একা দিতে পারব না, তাই সবার কাছ থেকে কিছু কিছু, মানে তোমার জন্য এ কাজ আমাকেই করতে হবে। সারা জীবনই তো দেশের কাজ করেছি। খদ্দর ছাড়া পরিনি, দিশি ছাড়া বিদেশি কিছু ব্যবহার করিনি। আমরা ছিলাম মহাত্মাজির চেলা। এখন তো দিনকাল পালটে গেছে। সে একদিন ছিল বুঝলে, বলে অনর্গল নিজ গৌরবগাথা গাইতে লাগলেন। ব্যাপারটা বুঝতে আমার সময় লাগল না যে, উনি আমাকে একজন ভিখিরির মতো ব্যবহার করে কিছু পয়সা তুলবেন এবং আমার প্রয়োজন মিটবার পর যদি বাড়তি কিছু থাকে তা নিজের পকেটে চালান করবেন। ভদ্রলোক কিন্তু অসামান্য বাগ্মী ছিলেন। সে যুগের ল’ পাস করা ধুরন্ধর মানুষ। এইসব মানুষদের আমি চিনেছিলাম জ্যাঠামশাইকে আদ্যন্ত দেখে। এঁরা স্বার্থের জন্য না পারেন এমন কোনো কর্ম নেই, বিশেষত যে সময়কার কথা আমি লিখছি, সেই সময়।

    আমি চলতে চলতে একসময় তাঁকে থামিয়েই বললাম, আজ্ঞে আমি তো টাকাটা ধার হিসেবেই চেয়েছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শোধ দিয়ে দেব। বিনয়বাবু খুব অমায়িক হেসে বললেন, দেখো যার শোধ দেবার ক্ষমতা আছে, সে-ই ধার নেয় বা ধার চাইলে পায়। আমি খোঁজখবর করে যতদূর জেনেছি তোমার পক্ষে তো দূরস্থান, তোমার বাপ-জ্যাঠারও তো ধার শোধ করার ক্ষমতা নেই। সুতরাং এ ছাড়া আর কীভাবেই-বা টাকাটার জোগাড় হতে পারে? আমি রিকশাওয়ালাকে থামতে বললাম। সে থামলে, আমি নেমে পড়ে বললাম, মাপ করবেন, আমি ভিক্ষে করতে পারব না। আর আপনার এ টাকাটাও আপনিই রাখুন। কথা কয়টি বলে আমি এক উন্মাদের মতো ছুটতে লাগলাম। মাথার মধ্যে এক অবর্ণনীয় যন্ত্রণা এবং ক্রোধ যেন গর্জন করছিল। অশ্বিনীবাবু বলতেন, যাজ্ঞা মোঘাবরমধিগুণে নাধমে লব্ধকামা। বাবাও বলতেন। কালিদাস উদ্ধৃত করতেন তাঁরা। কিন্তু এই শ্লোক উচ্চারণের প্রকৃত ক্ষেত্র বোধহয় তাঁদের কাউকে কোনো দিন প্রত্যক্ষ করতে হয়নি।

    আমি ছুটছি তো ছুটছি। আমার ফর্ম ফিলাপের প্রয়োজন নেই, পরীক্ষা আমি দেব না, আমার জীবনে মানুষ হয়ে ওঠারও কোনো প্রয়োজন নেই। জীবনবাবুর পাঠশালায় আমার যথেষ্ট শিক্ষালাভ হয়েছে। এবার সবকিছু থেকে বিদায় নেব। পড়াশোনা, সংসার, ভাইবোন, মা, বাবা, তাদের রক্ষণাবেক্ষণ কোনো কিছুই আর প্রয়োজন নেই। শুধু লেখাপড়ার জন্য এত লাঞ্ছনা আর অপমান সহ্য করার কোনও হেতু নেই। অশ্বিনীবাবু আমাকে ভুল বলেছিলেন যে, লেখাপড়ার জন্য যে কোনো লাঞ্ছনা বা অপমানই গ্রহণ করা যায়। বাস্তব ক্ষেত্রে আমি বুঝলাম, তা যায় না, আমি কোনও কারণেই নিজেকে ভিখিরি বা পরপদলেহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে রাজি নই। অনেক শৈশবকাল থেকেই শ্রমকে পুঁজি করেছি। শুধু বংশ-কৌলীন্যের জন্য পড়াশোনাকে ভবিষ্যৎ পেশার উপকরণ করার স্বাভাবিক যে কার্যকারণ তাকে আমি আজ থেকে ত্যাগ করলাম। আমার শ্রমই আমার পুঁজি হোক, শ্রমই ইষ্টদেবতা হোক এবং সেই শ্রমের ফল আমি একাই কেন ভোগ করব না, এরকম এক স্বার্থচিন্তাও আমার মধ্যে কার্যকরী হলো অন্তত সেই সময়। শৈশবাবধি শ্রমকে আশ্রয় করে যদি এতদূর আসতে পেরে থাকি, অতঃপরের জীবনযাপনও সেই শ্রমের মাধ্যমেই করতে পারব। কিন্তু ভিক্ষা করতে পারব না।

    সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত অবস্থায় যখন বাসায় ফিরলাম তখন তিনটে বেজে গিয়েছে। খিদে, ক্লান্তি বা অনুরূপ কোনো শারীর বিকার বোধ করছিলাম না তখন। জানি না ওই সময় আমাকে কেমন দেখাচ্ছিল। মনে হয় ওই সময়ে যদি কাউকে, অর্থাৎ এই লাঞ্ছনার জন্য যারা দায়ী তাদের কোনো একজনকে খুন করতে পারতাম তাহলে কিছু আরাম হতো। শরীরের সমস্ত রক্ত যেন নিজ চলাচলের পথ পরিত্যাগ করে মাথায় এসে জড়ো হয়েছিল তখন।

    দাদা তখনও দুপুরের খাওয়া খেতে আসেননি। ছেলেরা কে কোথায় আছে সে বিষয়ে খোঁজ নেয়ার মতো মানসিকতা আমার ছিল না তখন। চাকরটিকে বললাম—আমি অত্যন্ত ক্লান্ত, যদি সে তাদের খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি বিষয়টা দেখে। সে জানাল যে, তারা খাওয়াদাওয়া করে নিয়েছে। কিন্তু তাদের সংযত রাখা তার সাধ্যের অতীত। তারা এখন কে কোথায় আছে তা তার জানা নেই। সে আমার চেহারা দেখে খুবই আতভাবে জিজ্ঞেস করল, আপনাকে এরকম দেখাচ্ছে কেন? আপনার কি কিছু ঝঞ্ঝাট হয়েছে? বললাম, ভাই, আমার যা হয়েছে তা তোমাকে বলে কিছু লাভ নেই। আমার এতদিন এখানে এই কষ্টস্বীকার করে থাকা ব্যর্থ হলো। সে সব কথা শুনে খুবই দুঃখিত হল। খুবই সরলভাবে বলল, আমিও আপনার ওপর খুব অন্যায় করেছি। আমি ভেবেছিলাম আমি এ বাড়িতে যেমন, আপনিও তেমনই। এ কারণে মনে একটা ঈর্ষা ছিল। কিন্তু আহা। আপনার ভাগ্য যে এত খারাপ তা যদি জানতাম। যদি সে তা জানত, তাহলে কী হতো তা নিয়ে ভাববার মানসিকতা তখন আমার ছিল না। আগামীকালের মধ্যে ফর্ম ফিলাপ করতে পারব কি না, সেই চিন্তাই মনের মধে প্রকট ছিল তখন।

    লোকটি ছেলেদের খোঁজ করে ধরে বেঁধে কোনোক্রমে খাইয়েদাইয়ে ওপরতলায় ঘুম পাড়িয়ে রাখল। একটু পরেই দাদা আসলেন। খেতে বসে দাদাকে একটু স্বাভাবিক দেখে বললাম, দাদা আমার অবস্থা তো এই। আপনি কি কিছু ব্যবস্থা করতে পারেন? দাদা বললেন, আর্যলক্ষ্মী ব্যাংকে তর জ্যাঠার কত ডিপোজিট আছে জানস? লাখ টাকার ওপর। আমার হাতে এখন এমন পয়সা নাই যে তোমারে দাতব্য করতে পারি। অ্যামনেই এই সংসার চালাইতে আমার মাগগো ফাইট্যা লহু ঝরে। দাদা খুব পরিষ্কারভাবেই তাঁর অবস্থার কথা আমায় বললেন। আবার বলি, দাদা মানুষটা লোক হিসেবে খুব খারাপ ছিলেন না। যথেষ্ট শিক্ষিত মার্জিত রুচির মানুষ তিনি হয়তো ছিলেন না। পড়াশোনার ব্যাপারেও তাঁর খুব একটা উৎসাহ ছিল না। তাঁর একটাই দোষ ছিল, অসম্ভব ক্রোধ। যা হোক তাঁর উপদেশ হলো, পড়াশোনা চুলোয় যাক, আমার প্রয়োজন একটা চাকরির। তাতে পরিবারের অবস্থা যদি কিছু পালটানো যায়। প্রসঙ্গত তিনি লঞ্চ কোম্পানিতে একটা চাকরির সম্ভাবনার কথা বললেন। বললেন, তুই যদি লঞ্চে কাম করতে চাও আমি চেষ্টা করতে পারি। বললাম, তাই দেখুন, আমার আর ভালো লাগছে না। দাদা সন্ধের সময় লঞ্চঘাটে তাঁর অফিসে একবার যেতে আদেশ করলেন। বললেন, একটু ফিটফাট হয়ে যেন যাই। ভাবলাম দেখি কী হয়। যদি কালকের মধ্যে কোনোভাবেই ফর্ম ফিলাপ না হয় তবে দাদার ব্যবস্থাই মানতে হবে। একদিক অন্তত বাঁচুক।

    দাদা অফিসে চলে গেলে অহীন এলো। সে আমারই জন্য আজ অফিস কামাই করেছে। তার ঠিকে চাকরি, ‘নো ওয়র্ক নো পে।’ আমার জন্য তার একদিনের রোজ মার খেলো। তার চেহারা দেখে মনে হলো সে খুব অসুস্থ। কারণ জিজ্ঞেস করতে বলল, পরে বলছি, আগে তোমার খবর বলো। বিনয়বাবু কী বললেন? আমি সব কথা বলতে অহীন কেঁদে ফেলল। তার মতো শক্ত ছেলেকে কাঁদতে দেখে আমিও অস্থির হয়ে পড়লাম। দুই বন্ধু মিলে অনেকক্ষণ কাঁদলাম। আমার বয়স তখন ষোলো, অহীন উনিশ-কুড়ির এক যুবক। দাদার চাকরি বিষয়ক সংবাদ জানাতে সে বলল, ধরে নেও হবে না। কারণ তুমি এখন মাইনর। তবু চেষ্টা করে দেখো। আমার একটা সেটা পোশাকি শার্টপ্যান্ট আছে। কোনোমতে তাই দিয়ে চালিয়ে নাও। আমি জানতে চাইলাম, ভাই, তোমার চেহারাটা আমার কেমন যেন বোধ হচ্ছে। মনে হচ্ছে, আমার বর্তমান পরিস্থিতির দুশ্চিন্তা ছাড়াও অন্য কোনো দুরূহ সমস্যা তোমার কাঁধে চেপেছে। তুমি কিছু কিন্তু কোরো না। সব আমাকে বলো। বাড়ির সবাই ভালো আছেন তো? অহীন বলল, আমরা দুজনেই এক ভীষণ দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সব কথা সবসময় বলা যায় না, উচিত নয়। তুমি লঞ্চঘাটের কাজ সেরে বেল পার্কে এসো। ইলেকট্রিক অফিসের সামনে আমি থাকব। কালীদাকে চেনো তো? সেও থাকবে। একটা বিষয়ের ফয়সালা আজই করতে হবে। বেশি চিন্তা কোরো না। তবে ব্যাপারটা খুবই জরুরি। এখন তোমাকে কিছুই বলব না। তুমি আগে তোমার কাজ সেরে এসো।

    কালীদা মানুষটি ভোলার। তাঁর ছোট ভাই ভুলুদা আমার খুব নিকটজন। থাকেন শহরের দুনম্বর ঝাউতলা লেনে। বাসাটি আমার দাদার শ্বশুরমশাইয়ের বাসা। আমি কখনো-সখনো সেখানে যাই। এক-আধ রাত থাকিও। ভুলুদা শহরে এসেছিলেন পড়াশোনার উদ্দেশ্যে। তা হয়নি। এখন ইলেকট্রিক্যাল করপোরেশনে একটি চাকরিতে আছেন। সেই সূত্রে কালীদা মাঝে মাঝে এই শহরে আসেন এবং আমার দাদার শ্বশুরবাড়িতেই আশ্রয় নেন। ভোলার মানুষ। তাই তাঁদের স্বরসংগতি আমাদের চাইতে আলাদা। কালীদা মানুষ খারাপ না, তবে একটু উগ্র। কথায় কথায় হাত চালানো অভ্যেস। দ্বৈপায়ন মানুষেরা এরকম নিয়মেই অভ্যস্ত। তাই তাঁর উপস্থিতিতে কোনো বিষয়ের ফয়সালা করার সংবাদে আমার উৎকণ্ঠা গভীর হলো। আমি অহীনকে অনুনয় করে বললাম, তুমি আমার সব সমস্যার কথা ভুলে যাও। শুধু বলো, কালীদাকে কেন প্রয়োজন হয়েছে? অহীন বলল, সন্ধের আগে বলা যাবে না—বলে সে চলে গেল। আমি এক অন্য অসম্ভব বিপদের গন্ধ পেলাম তার আচরণে।

    সন্ধেবেলা অহীনের শার্টপ্যান্ট পরে, যেন একটু ভার-ভারিক্কি দেখায় এরকম চুলটা আঁচড়িয়ে নির্ধারিত সময়ে লঞ্চঘাটে পৌছোলাম। দাদা বললেন, সব কথা কওয়া আছে। আইজওই ইন্টারভিউ লইয়া appointment দিব। কোনো চিন্তা নাই। রেজাল্ট তো ভালো আছে। কিন্তু আমি যখন ইন্টারভিউ হলে ঢুকলাম, কর্তারা সমস্বরে বলে উঠলেন, আরে তুমি তো প্রায় একজন দুগ্ধপোষ্য শিশু। খোকা, তুমি এখানে চাকরি করবে কেন? আমার খুব আত্মসম্মানে লাগল। বললাম, দেখুন আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী আমার রেজাল্ট ভালোই আছে। তাঁরা বললেন, তা আছে, তবে তোমার বয়সটা সমস্যা করেছে। অন্তত আরও দুবছর যোগ না হলে তুমি চাকরি পাবে না। অতএব immature বলে তাঁরা আমাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। অস্বীকার করার উপায় নেই, ভাগ্যং ফলতি সর্বত্র। তখনও আমার গোঁফের রেখা স্পষ্ট হয়নি। চেহারায় কিশোর-কোমল ছাপ। অতএব আমাকে মনোনীত না করার জন্য কর্তৃপক্ষকে দোষ দিতে পারি না। কিন্তু দাদার মনে হলো আমি তাঁদের প্রশ্নের উত্তর ঠিক ঠিকভাবে দিতে পারিনি বলেই তাঁরা আমায় সিলেক্ট করেননি। বয়সের ব্যাপারটাকে তিনি আদৌ গুরুত্ব দিলেন না। বললেন, ক্যান? আমি কি ষোলো-সতেরো বছরে কামে ঢুকি নাই? কিন্তু আজকের নিয়ম যে কাল পালটায়, এ বিষয়ে দাদার ধারণা পরিষ্কার ছিল না।

    পরদিন ফর্ম ফিলআপের শেষ দিন। দুপুর অবধি সারা শহর উদ্ভ্রান্তের মতো চষে বেড়ালাম। না, কোনো বন্ধু, আপনজন কেউ নেই এই সমস্যা থেকে আমাকে উদ্ধার করার। গতকাল সন্ধেয় বেল পার্কে অহীন এবং কালীদাকে পাইনি। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে চলে এসেছিলাম। তার সমস্যার কথাটাও মাথার মধ্যে চেপে বসেছিল। ভেবে পাচ্ছিলাম না তার এমন কী সমস্যা এ সময় হতে পারে। রাত্রে বাসায় এসে খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়েছিলাম। ওর বাসায় গিয়ে আর খোঁজ নেয়া হয়ে ওঠেনি। সম্ভাব্য-অসম্ভাব্য সব স্থানে ওই কয়টা টাকার জন্য ঘুরে বেড়ালাম। কিন্তু কোনো সুরাহা হলো না। ঘুম আসছিল না। আমার এই ছোট্ট জীবনটুকু ভালোবাসার মতো যদিও কোনো অনুষঙ্গ ছিল না, তবুও তার প্রেম যেন আষ্টেপৃষ্ঠে জড়ানো। উঠে আলো জ্বেলে একটা পদ্য মতন লিখলাম—

    তবুও নিশীথ নিরন্ধ্র আঁধারে
    যখন ডুবে গিয়েছে ক্ষীণ চাঁদ
    তখনও আমি তোমার জন্যে বাঁচি
    তোমার প্রেম ঘুচায় অবসাদ।
    তুমি তো এক আদিম অনুষঙ্গ
    কখনো দেখাও বিকট ভ্রুভঙ্গ
    তবুও আমি তোমারি নামে বাঁচি
    কালভৈরব দেখায় কত রঙ্গ

    সারা রাত ধরে কেন জানি না আমাদের বড় খালপারের ওই বৃক্ষদম্পতির পরিপার্শ্ব নিয়ে স্বপ্ন দেখে গেলাম। সর্বশেষ দেখলাম, আমি যেন একটা বৃহৎ সরীসৃপ শিকড়ের ওপর ঘুমিয়ে পড়ে আছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }