Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ৪৩

    তেতাল্লিশ

    পরদিন সকালে অহীনের বাসায় গিয়ে দেখলাম সে অফিসে যায়নি। অত্যন্ত বিধ্বস্ত চেহারা। চোখমুখ দেখলে বোধহয় সারা রাত ঘুমোয়নি। আমার দুরবস্থায় সে অত্যন্ত কাতর ছিল বটে, কিন্তু তাকে দেখে মনে হলো আরও কিছু মারাত্মক ঘটনা ঘটেছে, না হলে এতটা বিধ্বস্ত তাকে দেখাবে কেন? তা ছাড়া সে এবং কালীদা কাল বেলপার্কে যায়নি কেন তাও একটা চিন্তার ব্যাপার। অহীন চুপচাপ বসে ছিল। আমাকে ঘরে ঢুকতে দেখে বলল, ‘আমি বাধ্য হয়ে কাল যেতে পারিনি। কালীদাকে নিয়ে অন্যত্র যেতে হয়েছিল। সে কথা পরে বলছি। তোমার চাকরির খবর নিশ্চয়ই নৈরাশ্যজনক? সব বললাম। সে বলল, আমি অনুমান করেছিলাম। যা হোক, এদিকে আমি চূড়ান্ত বিপদে পড়েছি। কাল বাড়ি থেকে সংবাদ এসেছে, মাধুরী, আমার বোন, অন্তঃসত্ত্বা। ও অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে কথাগুলো উচ্চারণ করল। আমার পায়ের নিচে পৃথিবীটা যেন দুলে উঠল। কোনো কথাই মুখে জোগাচ্ছিল না। কোনোরকম চিন্তাও করতে পারছিলাম না। তখনকার দিনে এ এমন একটা সমস্যা যে, আমার তখনকার সমস্যা এর কাছে কিছুই নয়। মাধুরীর তখন বয়স বছর পনেরো। তখনকার দিনে গর্ভপাতের ব্যবস্থা না আইনসিদ্ধ, না সরল। পুরো ঘটনাটা শুনে আমি তাজ্জব বনে গেলাম। লোকটিকে আমি চিনি। আমাদের এক মাস্টারমশাইয়ের ছেলে। শহরে তার জেঠতুতো দাদার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতে এসেছিল। তার দিদিও কাছাকাছি থাকত। পড়াশোনা অনেক দিন ছেড়ে দিয়েছে। কী একটা চাকরি করে। কালীদা এবং অহীন কাল তার দিদির কাছেই গিয়েছিল। ঘটনার নায়ক ব্যাপারটা আগেই জেনে সপ্তাহখানেক আগে অফিসে ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে গা-ঢাকা দিয়েছে। অহীন এবং কালীদা দিদিকে অনুরোধ জানিয়েছিল, যাতে তার ভাই মাধুরীকে বিয়ে করে একটা সম্মানজনক নিষ্পত্তি করে। দিদি রাজি হয়নি, কারণ তারা ব্রাহ্মণ এবং অহীনেরা কায়স্থ। সে অহীনকে পরামর্শ দিয়েছে যেন গোপন গর্ভপাত করিয়ে ব্যাপারটার সমাধান করা হয়। সে ক্ষেত্রে পয়সাকড়ি যা লাগবে তার ব্যবস্থা করা যাবে।

    বিষয়টার আকস্মিকতা, অহীনের অসহায়তা, দিদির নির্লজ্জ আচরণ এবং ছেলেটার কাপুরুষতায় একেবারে দিশেহারা বোধ করতে লাগলাম। অহীনকে জিজ্ঞেস করলাম, সে কী করতে চায়। সে বলল, ভাবতে পারছি না। তুমি বাসায় গিয়ে খেয়েদেয়ে এসো, তারপর কালীদার সঙ্গে আলোচনা করে দেখি।

    মনে একরাশ দুঃখ এবং দুশ্চিন্তা নিয়ে বাসার দিকে রওনা হলাম। বেলা প্রায় আড়াইটে তিনটে বাজে। পরীক্ষা দেয়া যে হবে না, সে বিষয়ে আর কোনো সন্দেহ ছিল না। এখন অহীনের বিপদে কী করা যায় সেটাই বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াল। বাসার কাছাকাছি এসেছি। গলিতে ঢোকার মুখেই এক তীব্র আর্তনাদ এবং তার সঙ্গে ততোধিক চিৎকারে তর্জন-গর্জন শুনতে পেলাম, দ্রুত ঘরে ঢুকতেই বুঝতে পারলাম দাদা তাঁর দ্বিতীয় পুত্রটিকে অমানুষিক প্রহার করছেন। দোতলার কাঠের মেঝেতে দুমদাম দাপাদাপির শব্দ, চিৎকার এবং গালিগালাজে বাড়ির সামনে আশপাশে পড়শিরা সব জড়ো হয়ে প্রমাদ গুনছে। ছেলেটা একটা জানোয়ারের মতো চেঁচিয়ে যাচ্ছে। মারের বিরাম নেই। বড় ছেলেটি এ-সময় স্কুলে থাকে। ছোটগুলো ভয়ে আশপাশের বাড়িগুলোতে লুকিয়ে থাকবে। চাকরটারও পাত্তা নেই। ছেলেটার কান্না এবং চিৎকার সহ্য করতে না পেরে দোতলায় উঠলাম গিয়ে দেখি তিনি ছেলেটাকে মেরে একেবারে রক্তাক্ত করে ফেলেছেন। মার তখনও চলছে। আমি ছুটে গিয়ে ছেলেটাকে আড়াল করে দাঁড়ালে দাদা খুব তীব্র স্বরে বললেন, আমি যদি ওকে তক্ষুনি ছেড়ে না দিই এবং নিজের ভালো চাই তবে যেন সরে যাই নচেৎ সাংঘাতিক অবস্থা ঘটবে। তিনি কোনো দিন আমায় এরকমভাবে কথা বলেননি। তিনি বদরাগী। রাগলে জ্ঞান থাকে না সে কথা শুনেছি, কিন্তু তার নমুনা যে এই এরকম, ধারণা ছিল না। তিনি ক্রুদ্ধভাবে আমাকে আরও অনেক কিছুই বললেন। আমাকে পালন পোষণ করা তাঁর পক্ষে আর সম্ভব হবে না এবং আমি যেন অচিরেই ওখান থেকে বিদায় হই—এসবও তিনি বললেন। আমি তাঁর কথায় কান না দিয়ে মিনতি করে বললাম যে, ছেলেটাকে এবার ছেড়ে দেয়া হোক। ছেলেটা কোনো রকমে তার বাবার কবল থেকে মুক্ত হয়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল। সে তখন শারীরিক আক্ষেপ এবং বেদনায় কাঁপছে। আমি তাকে নিয়ে নিচে নামার জন্য এগোতে দাদা উন্মত্তের মতো আমাকে ছেলেটার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে বেধড়ক কিল, চড়, লাথির বৃষ্টি বইয়ে দিতে লাগলেন, তার সঙ্গে সমানে গালিগালাজ এবং কটূক্তি। তিনি তখন যেসব কথা বলছিলেন তা ঠিক রাগের মুহূর্তের প্রলাপ মাত্র নয়। কথাগুলো পূর্বচিন্তিত। তিনি আমাকে তাঁর অনুধ্বংসকারী একটা পরগাছা, নিমকহারাম, অপদার্থ এবং অকর্মণ্য বলে গাল পাড়তে লাগলেন এবং তৎসহ প্রহার। সর্বশেষ যে কাজটি তিনি করলেন, তার তুল্য লাঞ্ছনা এবং আঘাত জীবনে আর পাইনি। মারতে মারতে সিঁড়ির মুখের কাছে এনে একটা প্রচণ্ড লাথি মেরে বললেন, যা তোর মুখ যেন এই বাসায় আর না দেখি। আমি লাথির আঘাতে সিঁড়ির বিপরীত দিকের টিনের বেড়ার ওপর আছড়ে পড়লাম। খানিক নিচের একটা কাঠের আড়ার সঙ্গে থুতনির সাহায্যে খানিকটা দোল খেয়ে, প্রায় দশ-পনেরো ফুট নিচের শানের মেঝেতে দড়াম করে পড়ে গেলাম। যতটুকু মনে আছে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। মাথার পেছন দিকে জোর আঘাত লেগেছিল। তারপর কী হলো না হলো, তা আর আমার মনে নেই।

    শানের মেঝেতে কতক্ষণ অজ্ঞান হয়েছিলাম জানি না। জ্ঞান হলে দেখি আমি অহীনের কোলের ওপর মাথা দিয়ে শুয়ে আছি। তখনও ভূশয্যায় শায়িত। একমাত্র রাঁধুনি চাকরটি আর মাসিমা ছাড়া ঘরে আর কেউ তখন ছিল না। চাকরটি বোধহয় অহীনের নির্দেশমতো কখনো ঠাণ্ডা জল কখনো-বা গরম জল এনে দিচ্ছিল। মার আমি জীবনে ঘরে-পরে অনেক খেয়েছি, তবে জ্ঞান হারাবার অভিজ্ঞতা এই প্রথম।

    চেতনা পুরোপুরি ফিরে আসতে যে কথাটি প্রথম কানে গেল তা মাসিমার উক্তি। তিনি মাথা কুটে বলে যাচ্ছিলেন, হে বাবা ষড়ানন, হে বাবা কার্তিক, তুমি আমার এই ছেলেটাকে বাঁচিয়ে দাও বাবা, ওকে সুস্থ করে দিয়ো। ষড়ানন বা কার্তিক বারবনিতাদের দেবতা। আমি উঠে বসলে অহীন বলল, তোমার নিশ্চয়ই খাওয়াদাওয়া কিছু হয়নি? চাকরটি বলল, না, তার আর সুযোগ হয়নি। সেই সকালে সামান্য চা রুটি খেয়ে বেরিয়েছিলেন, তারপর বাসায় ফিরেই তো এই হুজ্জোত। সে আমাকে অনুরোধ করে বলল, আপনি একটু হাতমুখ ধুয়ে কিছু খেয়ে নিন। আমার সারা শরীর ব্যথায় অসাড়, মাথাটা অসম্ভব ভারী বোধ হচ্ছে। যেন একটা বিশাল ওজনের পাথর কেউ ঝুলিয়ে দিয়েছে। খাওয়ার ইচ্ছে বা ক্ষুধাবোধ কিছুই নেই। অহীনকে সে কথা বলতে বলল, মাথার পেছনে আঘাত লেগেছে, সুতরাং এবং ভারী কিছু খাওয়া উচিত হবে না। কোনো বমির ভাব নেই তো? সেরকম কিছু বোধ করছিলাম না। অহীনকে জিজ্ঞেস করলাম, বেলা তো শেষ হতে চলল, কালীদার কাছে যাবার ছিল না? সে বলল, হ্যাঁ, কিন্তু তুমি কি যেতে পারবে? আমি বললাম, পারতে হবেই। তুমি একটু বসো। আমি আমার বইপত্রগুলো গুছিয়ে নিই। এখানে আর নয়। আজ রাতটা অন্যত্র থাকব। কাল দেখি কী করা যায়। অহীন বলল, আমিও তা-ই ভাবছিলাম। এরপর এখানে থাকার কথা ভাবা যায় না। বেলা শেষ হয়ে গিয়েছিল। মাসিমা চোখের জল মুছতে মুছতে চলে গেলেন। আমি হাতে মুখে জল দিয়ে, বইপত্তর গুছিয়ে নিলাম। চাকরটির কাছে জানলাম ছেলেদের সে পাশের বাড়ির এক ভদ্রমহিলার কাছে রেখে এসেছে। দাদার কীরকম যেন আত্মীয়া। দোতলায় গিয়ে একটি চিরকুটে লিখলাম, বউদি অনিবার্য কারণে আমাকে চলে যেতে হচ্ছে। আপনি যে দায়িত্ব আমাকে দিয়ে গিয়েছেন, তা পালন করতে না পারায় ক্ষমাপ্রার্থী। চিরকুটটি তার হারমোনিয়ামের ওপর রাখা একখানি স্বরলিপির বইয়ের মধ্যে এমনভাবে রাখলাম যেন সহজেই নজরে পড়ে। মহিলা নতুবা আমার সহসা অন্তর্ধানের কার্যকারণ খুঁজে পাবেন না, নিচে এসে টিনের সুটকেসটি হাতে নিয়ে চাকরটিকে বললাম, দাদা ফিরলে বোলো আমি চলে গেছি। চাকরটি প্রকৃতই খুব দুঃখিত হলো। অহীনের সঙ্গে আমি রাস্তায় নেমে এলাম।

    রাস্তায় চলতে চলতে অহীনকে জিজ্ঞেস করলাম, আমার তো শিক্ষাদীক্ষা এবং মানুষ হবার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধিলাভ হয়েছে, তোমার বর্তমান সমস্যার কী সমাধান চিন্তা করেছ? অহীন বলল, চিন্তা করে কিছুই কূল পাচ্ছি না ভাই। তাই একটা জিনিসই শুধু ভাবছি আর আতঙ্কিত হচ্ছি, মাধুরী হঠাৎ কোনো অঘটন না ঘটিয়ে ফেলে। সবচেয়ে আফসোসের বিষয় কী জানো, লোকটাকে আমিই বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলাম। একসময়ে প্রায় ঘরের ছেলের মতো হয়ে গিয়েছিল। এরকম একটা বিশ্বাসঘাতকতার কাজ যে করবে, স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু এখন সেসব কথা ভেবে লাভ নেই। দেখি কালীদা কী বলে।

    আমি বুঝতে পারছিলাম, কালীদা কোনো সমাধান বাতলাতে পারবে না। সে বড়জোর মারধর দেবার কথা বলতে পারে। কিন্তু তাতে কেলেঙ্কারি বাড়বে বই কমবে না। প্রচলিত প্রথা, এ ক্ষেত্রে ধরেবেঁধে জবরদস্তি বিয়ে দিয়ে দেয়া, তাতে ইজ্জত খানিকটা বাঁচলেও আখেরে ভালো হয় না। তখনকার সমাজে এবং আইনে গর্ভপাত করানো নিন্দনীয় এবং অন্যায়। এ এক বিষম সমস্যা। কালীদার সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত হলো লোকটিকে তার বাড়ি গিয়ে ধরতে হবে এবং তাকে এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেয়ার জন্য চাপ দিতে হবে। এই মর্মে তার দিদির বাসায় কথা বলতে গিয়ে জানা গেল লোকটি বাড়ি যায়নি, সে গেছে চাঁদপুরে। কায়দাকানুন করে এখানকার অফিস থেকে সে বদলি করিয়ে নিয়েছে। অতএব সে ধরাছোঁয়ার বাইরে ঠিক না হলেও আমাদের পক্ষে তার নাগাল পাওয়া শক্ত। সুতরাং গর্ভপাত করানো ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর নেই। খরচের দায়িত্ব অবশ্য দিদি স্বীকার করে নিলেন। অসম্মানের চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে আমাদেরও এরকম সিদ্ধান্তই নিতে হলো।

    রাতটা কালীদার সঙ্গে কাটালাম। শরীর অত্যন্ত অসুস্থ। সর্বাঙ্গে ব্যথা। মনে গভীর হতাশা এবং বিষণ্ণতা। অহীন এবং কালীদা পরামর্শ দিল আমি যেন পরদিনই বাড়ি চলে যাই। কেননা শহরে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়লে দেখার কেউ নেই। তা ছাড়া অনির্দিষ্টকাল থাকার মতো কোনো জায়গাও নেই। আমিও ভেবে দেখলাম শহরে থাকার আর কোনো অর্থও হয় না। পড়াশোনাই যখন হবে না, তখন এখানে লাথি ঝাঁটা খেয়ে থাকার প্রয়োজন কী? বরং বাড়ি গিয়ে আবার টিউশনি, এটা-ওটা করে সংসারের যদি কিছু সাহায্য করতে পারি, তাতে ভাইবোনগুলোর খানিকটা সুবিধে হবে। অহীনের বর্তমান সমস্যা যত জটিলই হোক, আমার সেখানে কিছুই করার সামর্থ্য নেই। তবুও তাকে এই অবস্থায় রেখে চলে যাওয়া নিতান্তই স্বার্থপরের কাজ বলে আমার মনে হলো। অহীনকে সে কথা বলতে সে বলল, তুমি যদি সুস্থ থাকতে তাহলে দু-চার দিন থেকে যেতে বলতাম এবং তাতে আমিও খানিকটা মানসিক বল পেতাম। কিন্তু তুমি আদৌ সুস্থ নও। আমার মনে হয় তোমার সুস্থ হতে বেশ কয়েক দিন সময় লাগবে। বরং সুস্থ হয়ে একবার এসো।

    যে অহীন তার অপরিসীম দারিদ্র্যের মধ্যে থেকেও আমার জন্য প্রাণপাত করেছে, তার এই চরম বিপদের সময় ছেড়ে আসতে হবে ভেবে গ্লানির আর শেষ রইল না। কিন্তু উপায়ও কিছু নেই। অহীনকে বললাম, ভাই, যা-ই ঘটুক একটি চিঠি দিয়ে সব খবরাখবর জানিও। আর কিছু করতে পারি বা না-পারি, অন্তত তোমার দুঃখের সমব্যথী হতে তো পারব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }