Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ৪৫

    পঁয়তাল্লিশ

    পরদিন সকালেই বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করছি, মাইমা অর্থাৎ বড়দার শাশুড়ি বললেন, কাল রাতে তো কিছু খাওয়াতে পারলাম না, এ বেলাটা থেকে দুপুরের খাওয়াদাওয়া সেরে যাও। আবার কবে দেখা হবে-না-হবে। কথাটা ফেলতে পারলাম না। এতদিন আত্মজন-বিবর্জিত এই শহরে তাঁর স্নেহচ্ছায়াই আমার অবলম্বন ছিল। তাঁর সঙ্গে আরও একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, সেটা বিভিন্ন গল্প, কবিতা পঠনপাঠনের। মহিলার পড়ার অভ্যেসটি ছিল অসম্ভব ঈর্ষণীয়। আমি তাঁকে প্রায়শই লাইব্রেরি থেক বইপুস্তক এনে দিতাম। অনেক আলোচনা, সমালোচনার আনন্দ তাঁর সঙ্গে উপভোগ করেছি। সেইসব মধুর স্মৃতি আজ মনে পড়ছে। সুতরাং থেকে গেলাম। দুপুরের খাওয়াদাওয়া সেরে বাসে চলে যাব।

    সেদিন শুক্রবার। এখানে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। ভাবলাম একটু ঘুরে আসি বন্ধুদের সঙ্গে দেখাসাক্ষৎ করে। প্রথমেই মনে পড়ল ইসমাইলের কথা। আমার সহপাঠী। অসম্ভব ভালোবাসত আমাকে। আলেকান্দা রোডে একটা বাড়িতে থাকে পেয়িং গেস্ট হিসেবে। বাড়ি সন্দ্বীপে। তবে ওর কথা প্রথমেই মনে পড়ার একটা বিশেষ হেতু ছিল গত বছর (১৯৬২ সাল) ভারতের জব্বলপুর না কোথায় দাঙ্গা হয়েছিল হিন্দু-মুসলমানে। কী কারণে মনে নেই। তার পালটা হিসেবে এ-দেশের বিভিন্ন স্থানে তখন দাঙ্গা-পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। বরিশালেও তখন হাওয়া বেশ গরম। আমি তখন এখানকার দাদার বাসায়। সেই সময় একদিন দাদা অফিস থেকে ফিরতে অসম্ভব দেরি করায় বউদি খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। দাদার অফিস বাসা থেকে বেশ দূরে কীর্তনখোলার পারে, লঞ্চঘাটে। ওই এলাকাটাই সবচেয়ে গোলমালের জায়গা ছিল, কারণ ওখানে বেশ কিছুসংখ্যক বিহারি মুসলমানদের ব্যবসা এবং বসবাস। এখানকার দাঙ্গায় সাধারণত বিহারি মুসলামনরাই নেতৃত্ব দিত। বউদির উদ্বেগে আমি একটা হ্যারিকেন নিয়ে দাদার সন্ধানে লঞ্চঘাটের দিকে চলেছি। রাস্তায় আলো নেই, দাঙ্গাবাজরাই সম্ভবত বাল্বগুলোকে নষ্ট করে দিয়েছিল। আবার বড় রাস্তাগুলোতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। তাই ভেতরের অলিগলি দিয়ে এগোচ্ছিলাম। তখন রাত প্রায় দশটা-সাড়ে দশটা। চারদিক শুনসান। কাঠপট্টির গলি ধরে এগোচ্ছি। মনে বেশ আতঙ্ক। হঠাৎ কে একজন আমার বাঁ হাতটা ধরে একটা ঝাঁকানি দিয়ে ধমকের স্বরে বলল, কোথায় যাচ্ছিস? ঘটনার আকস্মিকতায় আমার প্রায় বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত। হ্যারিকেনের আলোয় লোকটার মুখও দেখতে পারছি না। সে আবার বলল, এই রাস্তায় এত রাত্রে কোথায় যাচ্ছিস? জানিস না লঞ্চঘাটে এই সন্ধের সময় তিন-তিনটে লোককে স্ট্যাব করা হয়েছে? এ কথায় একটু বাহ্যজ্ঞান হলো। দেখলাম ইসমাইল। বললাম, ওঃ যা ভয় পাইয়ে দিয়েছিলি। আসলে দাদা এখনও ফেরেনি কিনা, তাই বউদি বললেন—। বাঃ চমৎকার! দাদা ফেরেননি বলে বউদি তাঁর ভাইকে ছোরা খেতে পাঠালেন এই দুপুর-রাত্রে। চল তোকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে আসি। শহরের অবস্থা খুব খারাপ। এতক্ষণে যে তুই ছোরা খাসনি তা একমাত্র আল্লা মাবুদের দোয়ায়। তোর দাদা ঠিক ফিরবে। চল। সে আমাকে একরকম জোর করেই ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল সেদিন। বাসায় পৌঁছে দেখি দাদা ফিরেছেন এবং বউদিকে খুব বকাঝকা করছেন আমাকে ওই অবস্থায় পাঠিয়েছেন বলে এবং তিনি যথেষ্ট দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। ইসমাইলের সঙ্গে আমাকে ফিরতে দেখে তাঁরা আশ্বস্ত হলেন। ইসমাইল এ বাসায় আমার সূত্রে পরিচিত ছিল। মাঝে মাঝে আসত। দাদা ওর খুব প্রশংসা করছিলেন। কিন্তু ইসমাইল সেদিন যারপরনাই বিরক্ত হয়েছিল। বউদির দিকে তাকিয়ে ও বলেছিল, এখন আমার প্রশংসা করছেন কিন্তু যদি কিছু ঘটত তখন কিন্তু জাত তুলে গাল দিতেন। বলে আমাকে বলল, অবস্থা স্বাভাবিক না হলে একদম বেরোবি না। বলে সে অন্ধকারের মধ্যেই চলে গেল আলেকান্দার দিকে। সে জায়গাটা এখান থেকে বেশ দূর।

    পরে ইসমাইলের সঙ্গে এ নিয়ে আমার আরও কথা হয়েছিল। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে ওই দিন বউদিকে ওরকম একটা কথা বলেছিল কেন। ইসমাইল খুবই স্পষ্টবাক। ও উত্তরে বলেছিল, তা বলার কী আছে? তোরা হিন্দুরা সুযোগ পেলেই কি ‘মোছলার জাত এরকমই হয়’ বলে আমাদের গাল দিস না? ধর সেদিন যদি তোকে ওখানে আমি আহত অবস্থায় নিয়ে যেতাম, তুই কি ভাবছিস তোর ওই দাদা-বউদি আমাকে কিছুমাত্র বিশ্বাস করত? কিন্তু যা-ই বলিস সেদিন ভাগ্যিস আমি বাড়ি থেকে লঞ্চে ফিরছিলাম এবং ওই পথেই আসছিলাম। আর লঞ্চঘাটে আমি যা দেখে এসেছিলাম, তাতে সেখানে গেলে তোকে আর আস্ত ফিরতে হতো না। ওর কথায় কিছুমাত্র মিথ্যে ছিল না এবং ওর সেদিনকার বিরক্তিও খুবই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তখন আমরা ওখানে তো মুসলমানমাত্রকে অবিশ্বাস করতাম। আমাদের জন্মাবধি শিক্ষাটাই ওরকম ছিল। তাই ইসমাইলের কথায় একটু আঘাত পেলেও তার সত্যতা অস্বীকার করতে পারিনি।

    ইসমাইলের বাসায় গিয়ে ওকে পেলাম। ও আমাকে দেখে প্রথমে খুবই উল্লসিত হলেও পরে বিষণ্ন হয়ে গেল। কলেজের ব্যাপার, আমার পরীক্ষা দিতে না পারার কারণ—সবই ও জেনেছিল। সেই নিয়ে কিছুক্ষণ হা-হুতাশ করে বলল, যাক, যা হবার তো হয়েছে। দমে যাস না। একটা বছর এমন কিছু বিরাট ব্যাপার নয়। আগামীবারের জন্য এখন থেকে ব্যবস্থা কর। একটু বোস, আমি দেখি চা পাওয়া যায় কি না। বলে ও বাইরের দোকান থেকে কিছুক্ষণের মধ্যেই পরোটা, ডিমভাজা, চা এইসব নিয়ে এলো। চা-নাস্তা করে প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ওর সঙ্গে গল্প করে উঠলাম। ফেরার সময় বললাম, জানি না আর দেখা হবে কি না। তবে তোর কথা চিরদিন আমার মনে থাকবে। ওর চোখে জল এসে গিয়েছিল, আমারও। কী যে সেই আত্মীয়তা! আজও বুকের মধ্যে যেন তা গুমরে ওঠে।

    ওর ওখান থেকে ফিরে আর কোথাও গেলাম না। ভালো লাগছিল না। যেখানেই যাব, সেই তো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আমার দুর্ভাগ্যের কথাই আসবে। তার থেকে খেয়েদেয়ে বাড়ি ফিরে যাই।

    খাওয়াদাওয়া সেরে, কালীদা এবং অন্য সবার কাছে বিদায় নিয়ে যখন বড় রাস্তায় এসে পড়লাম, তখন দুপুর একটা-দেড়টা। হসপিটাল রোড। দুপুর আড়াইটেয় একটা লঞ্চ আছে। ভাবলাম সেই লঞ্চেই ফিরব। দাদার দেয়া একটা পরিচয়পত্র ছিল। তিনি লঞ্চ কোম্পানিতে কাজ করতেন। এ জন্য আমাদের দিকের কোনো লঞ্চেই আমার ভাড়া লাগত না। হসপিটাল রোড ধরে যেতে যেতে মনে হলো মাসিমার সঙ্গেও কেন না একটু দেখা করে যাই। হাতে যথেষ্ট সময় ছিল। মাসিমার ঝোপড়িতে তিনি এবং আরও যাঁরা বাস করতেন সবাই সমান অসহায়। প্রায় দু-আড়াই মাস আগে এই শহর ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম। জানি না কে কেমন আছেন। ঝোপড়িতে গিয়ে দেখি তাঁরা দুপুরের খাওয়া শেষ করে সামনের ছোট্ট দাওয়ায় সবাই বসে আছেন। আমাকে দেখে মাসিমার সে কী আনন্দ! আমি নির্দ্বিধায় তাঁর দাওয়ায় বসে তাঁদের খবরাখবর নিতে লাগলাম। অনেক কথা, অনেক গল্প হতে লাগল। মাসিমা জিজ্ঞেস করলেন, আজ থাকবি না চলে যাবি? আমি যদিও যাবার জন্যই বেরিয়েছি কিন্তু কী মনে হলো, বললাম, থাকব। তোমার এখানে থাকব আজকে। মাসিমা বললেন, তুই এখানে থাকবি, তোর ভয় করবে না?

    –কীসের ভয়?

    –কেউ যদি কিছু বলে?

    -–মাসিমার বাসায় থাকলে কেউ কিছু বলে তো বলুক। আমার কোনো ভয় নেই।

    –খাবি কী?

    বললাম, দাঁড়াও, বাজার করব। তুমি রান্না করতে পারবে না? মাসিমা একগাল হেসে বললেন, পারব না কেন? আমরা কি না খেয়ে থাকি নাকি? আমি বললাম, না সেসব না, আজকে আমরা সবাই ভালোমন্দ খাব। যাই বাজার করে আনি, একটা থলি দাও। মাসিমা একটা থলি এনে দিলে আমি বাজার থেকে কাছিমের মাংস নিলাম দুই সের। আট আনা করে সের তখন। অন্যান্য নানারকম তরিতরকারিও নিলাম। আমার তখন পকেট গরম। সুতরাং কোনো কিছুতেই কার্পণ্য করলাম না। বাজার থেকে ফিরতে ফিরতে বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা। মাসিমা খুব চমৎকার রান্না করলেন। ওই বুড়িদের সঙ্গে আমি একটি চমৎকার সন্ধে কাটালাম। সেইরকম আনন্দের স্বাদ মানুষ কদাচিৎ পায়। অবহেলিত লাঞ্ছিত মানুষের ক্ষণিক সুখ তাদের সঙ্গে একত্রে উপভোগ করার যে এক প্রগাঢ়তা, তা কজনের ভাগ্যেই-বা ঘটে? তাঁরা অনেক রাত পর্যন্ত কীর্তন গেয়ে গল্প করে কাটালেন।

    পরদিন কাকভোরে মাসিমা আমাকে তুলে দিয়ে বললেন, তুমি এখনই যাও। বেলা হলে নিন্দা। মানুষ তো সব বুঝবে না। মানুষের বোঝার বিষয়টা যে আমার বিচারে আর নেই, সে কথা মাসিমাকে বোঝাতে যাওয়া বৃথা। তাঁরা তাঁদের আর আমাদের সমাজগত বিভেদটা বেশ ভালোই বোঝেন। আমি যে বেশ্যাপল্লিতে একটি রাত অতিবাহিত করেছি, তা তাঁর পরিণতবুদ্ধিতে যেরকম ক্রিয়া করেছিল, তিনি সেরকমই আমাকে বোঝালেন। আমিও তাঁকে প্রণাম করে বেরিয়ে পড়লাম। তখন ও বেশ অন্ধকার, আলো তেমন ফুটে ওঠেনি। রাতের রসিক অতিথিরা তখনও দু-একজন ওই পল্লিতে আনাগোনা করছিল। আমি ঝোপড়ি থেকে বের হয়ে বেশ নিরুত্তাপচিত্তে এবং অবলীলায় বড় রাস্তায় এসে পড়লাম। একটি রিকশায় চড়ে বসলাম, বাসস্ট্যান্ড চলো। রিকশাআলা একটু মুচকি হেসে প্যাডেলে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ ঠ্যালা মেরে বলল, এ্যাতো বেয়ানেই আইলেন।

    রিকশায় বসে সারাটা রাস্তা মাসিমাদের কথা ভাবতে ভাবতে চললাম। আমার জীবনের সমস্যা এক আর এঁদেরটা অন্যরকম। কিন্তু একটি স্থানে সবারই মিল আছে, সেটা পেট এবং তার জ্বালা। সবাই পেটের জ্বালায় জ্বলে, আমি পেটের জ্বালায়ই নানান রাস্তা হাঁটছি। শুধু রাস্তার তফাত। মূলধন একই, তা দৈহিক শ্রম। দেহই আমাদের অগতির গতি। এই জায়গায় আমাদের কোনো তফাত ছিল না বলেই তাঁদের সঙ্গে এক-কামারাদারি অনুভব করলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }