Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাদবৃক্ষ – ৫

    পাঁচ

    আমার এই আলেখ্যের জন্য সময়কাল হিসেবে আমি ন্যূনধিক দশ বছরের মতো একটা পরিসর নিয়েছি। সেই দশ বছর সময়কালটি উনিশশ একান্ন-বাহান্ন থেকে উনিশশ বাষট্টি-তেষট্টি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই সময়টায় আমি শৈশব, কৈশোর অতিক্রম করে যৌবনের দরজায় সবে পা দিয়েছি। পাকিস্তান তখনও শিশুরাষ্ট্র। আমার অভিজ্ঞতার দৌড় পিছারার খালের চৌহদ্দি থেকে শুরু করে বরিশাল শহর পর্যন্ত। অতএব, এমন দাবি করি না যে এ আলেখ্য তদানীন্তন গোটা পূর্ব পাকিস্তানের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সমাজেতিহাস। আঞ্চলিক অবস্থা বর্ণনা করার জন্য আমি শুধু পিছারার খালের দুধারের দু-একটা পরিবারকে বেছে নিয়েছি এবং আমার ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে ওঠার আলেখ্য দিয়ে তখনকার সংখ্যালঘুদের অবস্থা বর্ণনা করতে চাইছি। আমার পরিবার ওখানে যেহেতু নানা কারণে একসময় গুরুত্ব পেয়েছিল, সে কারণে তার নানাবিধ আখ্যান আমি অবলম্বন করেছি। বিশেষত একটি ঘোষিত সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে, আমার মতো একটি সংখ্যালঘু সমাজের কিশোরের কী ধরনের সামাজিক তথা রাষ্ট্রীয় প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে পথে চলতে হয়েছিল, তারই আলেখ্য এটি। তালুকদারি মধ্যস্বত্বভোগীদের তখন নাভিশ্বাস। রব উঠেছে মধ্যস্বত্বলোপ আইন পাশ হচ্ছে। সরকার ইতিমধ্যেই জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ করেছে। ফলে আমাদের বাড়িতে দীয়তাং ভুজ্যতাং-এর দিন গত। খাওয়াদাওয়ার মূল বস্তু অর্থাৎ ধান-মাল-কলা-কচু-গুড়-মরিচ ইত্যাদি তখনও ছিল। কিন্তু রসনাতৃপ্তিকারী আহার নিতান্ত অপ্রতুল। হলেও কালেভদ্রে বা পূজাপার্বণে।

    আমার ডাক্তারবাড়িতে যাতায়াতের অন্যতম আকর্ষণ ছিল এই যে, সেখানে গেলেই ‘দুর’ ‘কাছিম’ বা ‘কাডউয়ার’ মাংসের মুখরোচক কিছু-না-কিছু পাওয়া যেত। আর একটা আকর্ষণ ছিল ডাক্তারজ্যাঠার সংগ্রহের কিছু বইপুস্তক। আমাদের বাড়িতে একটা ঘরে প্রচুর বইপুস্তকের আয়োজন ছিল। বাড়ির চাকরবাকরেরা আমাদের পড়তিকালে ওইসব বইপত্তর বান্ডিল বান্ডিল বাজারের মুদিখানায় বেচে দিত সের দরে। এটা তাদের আয়ের একটা বাড়তি উৎস। এসব ঘটনা আমার জ্ঞান হওয়ার অনেক আগে থেকেই চলে আসছিল। এদিকে নজর দেয়ার মতো কেউ ছিল না। তখন আমাদের বই-ই প্রায় ভিক্ষে করে আমাকে পড়তে হচ্ছিল। ডাক্তারজ্যাঠা ওইসব চাকরদের কাছ থেকে পছন্দমতো কিছু বই সংগ্রহ করে রাখতেন। ভাগ্যিস তিনি সেসব রেখেছিলেন। তাই তো ওগুলো তখন পড়তে পেতাম। এ কারণে ডাক্তারজ্যাঠার প্রতি কী যে কৃতজ্ঞ ছিলাম! এভাবে বিজয়বসন্ত, স্বর্ণলতা, অমর গ্রন্থাবলি, নারায়ণচন্দ্রের গ্রন্থাবলি, ছেলেদের মহাভারত, রামায়ণ, বাঁধানো প্রবাসী, বঙ্গবাণী, ভারতবর্ষ, বঙ্গদর্শন ইত্যাকার কত বই-ই না পড়েছি তাঁর সংগ্রহ থেকে নিয়ে। বলতেন—মুই কেউরে কৈলম বই দিনা। তয় এইসব বই তোমাগোই তো, হে কারণ তোমারে দেওনে দোষ নাই। পড়বা, ফেরত দেবা।’ বাবাকে বলতেন—’অর পড়াশোনায় মতিগতি বেশ ভালো। অরে এট্টু ইস্কুলে দেন।’ কিন্তু কে কাকে স্কুলে দেয়? সামন্ত বিক্রমের যে তখন নাভিশ্বাস সে কথা আগেই বলেছি। এই নাভিশ্বাসের কারণে তাঁদের রুচিরও বিকৃতি ঘটতে শুরু করেছে। বাড়ির ছেলেমেয়েদের কোনো ব্যাপারেই তাঁদের চিন্তাভাবনা নেই। শিক্ষা তো দূরস্থান। তাঁদের দুটো অট্টালিকার প্রতিটি ইটের খাঁজে সাজানো এক কিংবদন্তির আভিজাত্য। কত কঠিনভাবেই না সেই সময় আমরা এই মিথ্যে আভিজাত্যের মূল্য দিয়েছি, সে ইতিহাস বর্ণনা দুরূহ।

    আমার বাড়ির কর্তারা সে সময়টায় যে জীবনযাপন ধ্রুব করে নিয়েছিলেন, সেইসব খুঁটিনাটি এ বয়সেও অসম্ভব গ্লানি আর মনঃপীড়ার কারণ। মধ্যস্বত্বলোপ আইন তখন জারি হয়। ইতিপূর্বের দাঙ্গার প্রকোপ এ সময় স্তিমিত থাকলেও, সংখ্যালঘুরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দুর্ভাবনায় ক্রমশ পশ্চিমবাংলার দিকে চলমান। যাঁরা চলে যাচ্ছেন, তাঁদের ভদ্রাসন, সাজানো বাগান, বাঁধানো ঘাট এবং পুরুষানুক্রমের তাবৎ ঐতিহ্য তথা সঞ্চিত সম্পদ পরিত্যাগ করে কিংবা নামমাত্র দামে বেচে দিয়ে দেশত্যাগ করছেন।

    আশপাশ মুসলমান গ্রামগুলোতে যথেষ্ট উচ্চবিত্ত মুসলমান পরিবার বিশেষ ছিল না। মাঝারি মাপের যারা তারাই এখন সব ছেড়ে-যাওয়া হিন্দুদের সম্পদ নিয়ে নিজেদের ঘর এবং জীবন সাজাতে চেষ্টা করছে। এই সময়টা থেকে বড়, মাঝারি এবং কিছু ছোট কৃষক পরিবারও ছেড়ে-যাওয়া হিন্দুর সম্পত্তির পড়ে-পাওয়া চৌদ্দ আনায় বেশ সচ্ছল হয়ে ওঠে। রাতারাতি তাদের বাড়িঘরদোরের চেহারা বদলে যেতে থাকে এবং তারা বেশ হোমরা-চোমরা হয়ে দাঁড়ায়। আমার এই উজানি খালের সোঁতার এক কিনারেই ছিল আমাদের এলাকার স্কুলটি। তিনটি গ্রামের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে স্কুলের নাম। ছাত্ররা ছিল বেশির ভাগ হিন্দু। মুসলমান জোতদার এবং তালুকদারদের ছেলেরাও কেউ কেউ সেখানে পড়তে আসত দূর দূর গ্রাম থেকে। একান্নর দাঙ্গার পর থেকে স্কুলটি আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যায়। এই স্কুলটি বন্ধ হওয়ার সঙ্গে আমাদের এলাকার ভদ্র হিন্দু গৃহস্থদের দেশত্যাগের সম্পর্ক আছে। সেসব দিনের কথা স্মরণ করতেও বড় কষ্ট হয়। পাশাপাশি প্রায় হাত ধরাধরি করে তিনটি গ্রাম যেন তিনটি বোন। তিনটি গ্রাম মিলে একটি একক। তখনকার দিনে এখানে একটি উচ্চ বিদ্যালয়, একটি বালিকা বিদ্যালয়, সেলাই শেখার স্কুল, ফুটবল খেলার জন্য একটি সুদৃশ্য মাঠ, দুটি বনেদি বাড়িতে দুটি অভিনয়-মঞ্চ—কী নেই সেখানে? হাইস্কুলের অসামান্য একতলা বাড়িটির একটি কক্ষে চমৎকার একটি লাইব্রেরি। সে এক সাজানো স্বর্গ যেন। প্রত্যেক মানুষই তার গ্রাম বা শহরকে ভালোবাসে, কিন্তু আমার পিছারার খালের দুধারের এই তিনটি গ্রামের তুল্য সুসজ্জিত এবং সম্পন্ন গ্রাম আমি আর দেখিনি।

    স্কুল, বাজার, দোকান ইত্যাদি যেমন সেখানে সাজানো ছিল, তেমনি ছিল লোকায়ত দেবদেবীদের ‘থান’, যেখানে ঋতুকালের বিভিন্ন সময় মেলা বসত। সেই মেলায় হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই উৎসব-আনন্দে ভরপুর থাকত। কামেশ্বরী মন্দির, পঞ্চদেবতার থান, গলুইয়া খোলা ইত্যাদি স্থানসমূহের বিশালাকার বৃক্ষাবলির নিচে চৈতি গাজনের সময় বা অন্য উপলক্ষ্যে মেলা বসত। সে এক অপূর্ব সমারোহ। নীল গাজনের সময়ই এই উৎসবটি হতো বর্ণাঢ্য। নিম্নবর্ণীয় হিন্দু চাষিরা এইসময় আসত শিবের গোটা পরিবারটির সাজে সজ্জিত হয়ে। বিশেষ বিশেষ গেরস্থবাড়ির প্রশস্ত অঙ্গনে ঢুকেই মোষের শিংয়ের শিঙায় ফুঁ দিয়ে চাষি শিব তার আগমনবার্তা জানাত। তার সঙ্গে গৌরী, লক্ষ্মী-সরস্বতী, কার্তিক-গণেশরা, দল ভারী হলে নন্দী-ভৃঙ্গি, নারদ, পর্বত এরাও থাকত।

    প্রথমেই হাতের জ্বলন্ত ‘পাঁজাল’টির মধ্যে একমুঠো ধূপধুনো দিয়ে নারদ গোটা অঙ্গনটি পরিক্রমা করে নিত। মুখে আবৃত্তি করতে থাকত—

    ধূপ ধরন ধুপতি ধরন
    ঘোর অন্ধকার
    যতদূর ওঠে ধোঁয়া
    গগন মণ্ডলে
    তথা হইতে মহাদেব
    লামেন ক্ষিতি তলে।

    মায়েরা, বাপরা, সগলে আসইয়া হাজির হয়েন।

    ঘরের দরজায় বুড়াশিব গুষ্টি গোত্তোর লইয়া।
    দেইখ্যা শুনইয়া দেবেন দান হরষিত হইয়া ॥
    তিরভুবনের স্বামী আইছেন ভিক্ষু তের রাজা।
    গেরস্তের কইল্যাণে বাজুক ডম্বরুর বাজা ॥

    সঙ্গে সঙ্গে শুরু হতো মহাদেবের গালবাদ্য ববম্ এবং ডম্বরুর ডিমি ডিমি ডিমি ডিমি। গোটা গ্রামের ছেলেমেয়ে বউরা সব এসে হাজির। নারদের উৎসাহ বেড়ে যেত। শিব থাকত অনড় হয়ে দাঁড়িয়ে। গোটা পরিবার তখন তাকে ঘিরে নাচ এবং গান গাইত

    ক্ষিতিতলে মহাদেবের
    অবতরণ হইল।
    এবার মহাদেবের নামে সবে
    হরিহরি বলো।
    ভাঙ ধুতুরা গাজা মাজা
    থাহে যদি ঘরে
    সাজাইয়া গুজাইয়া দেও
    মহাদেবের তরে।
    নারদের ঝুলিতে দেবেন
    মুডা মুড়া চাইল।
    ত্যাল দেবেন ঘেরতো দেবেন
    মুসুরির ডাইল।
    ত্যাল ঘেরতো দিয়া মোরা
    কী ব্যাঞ্জন বানামু।
    কান পাতইয়া হোনেন গীত
    হক কতাই কমু ॥
    উইস্থা ভাজা খাইতে মজা
    ঘেরতেরি সোম্বার।
    আরে গরম গরম ভাজা খাইতে
    লাগে চোমোৎকার ॥

    বলো ভাই, গেরস্তের কইল্যাণে হরি হরি বলো। শিবো শিবো বলো। মা জননী অন্ন দেও মা। খ্যাতে ফসল নাই, গোলায় চাউল নাই। অকালে হে কারণে জেরবার পরান। বাবা ভোলা মহেশ্বর কয়, অন্নপুন্না ফ্যান চায়। এ আকালে করো মাগো গরিবের তেরাণ।

    এইসব কথা-ছন্দের মধ্যে কখনও ঢাক ঢোল কাঁসি বাজে, কখনো নাচ-গান হয়। গানের মধ্যে প্রধান থাকে শিব গৌরীর বিয়ের কথা, শিবের বার্ধক্য, গৌরীর দুর্ভাগ্য, তাঁদের সংসারে অনটনের কোন্দল। অঙ্গনে যাঁরা শিবের ‘গুষ্টি’ সেজে এসেছে সবাই বহুরূপী। বিগত পূজার সময়কার দুর্গা ঠাকুরদের রং করা পাটের ফেসোর চুল, দাড়ি এইসব নিয়ে রংচং যা জুটেছে, তাই দিয়ে বহুরূপী সেজে সবাই নাচ-গান করে। দান চায়। ছাইভস্ম মাখা জটাধারী বাবা ভোলানাথ ভিক্ষে চায়। নারদ ঝোলায় ভরে। সব মিলিয়ে যদিও দৈন্যদশার প্রদর্শনী, তথাপি এরই মধ্যে রঙ্গরসও কম থাকে না। হঠাৎ পর্বত বেরিয়ে আসে দলের মধ্য থেকে। নারদ তার মামা। দেখ না দেখ মাতা-ভাগ্নেতে জোর ‘কাজইয়া’ লেগে যায়। পর্বত বলে, ঠাকুর তোমার স্যাবক নারদ মোর মামা। তমো কই, ও চুতমারানির পোয় আসলেই ছ্যাচড়া। অর নেইয়ত সাইদ্যের পাপিষ্ট। যদি জিগাও ক্যান? তো কই

    মামার ঝুলির মইদ্যে ঝুলি।
    গেরস্তানি অন্ন দে খায় বুলবুলি ॥

    আসলে মামায় একছের চোর। ‘বউ নাই ঝি নাই, এলহা এট্টা প্যাট। তমো দ্যাহ যুইত্তো বোন্দে (গোপনে) করে ল্যাট ঘ্যাট।’ মোরা প্যাডের জ্বালায় ভিক্ষা করতে বাইর অইছি আর হে লাংচুনির পোয়, হেই ভিক্ষার চাউল লইয়া এদার ওদার করে। মুই কই ঠাহুর তুমি এ্যার বিহিত করো।

    অতএব, দাতা গৃহস্থ এবং শিব স্বয়ং, নারদের ঝুলি তালাশ করে চুরির মাল বের করে। চাষি শিব বলে, তোরে আইজ থিহা ত্যাইজ্য করলাম। তুই মোর ধারের থিহা যা গিয়া। যেহানে পারো হোগামারাইয়া খা গিয়া। নারদ এ কথায় ভীষণ ‘কোদ’ করে। এ একেবারে ‘ক’ র-ফলায় ‘ও’-কার ‘ধ’–কোদ। বলে এ্যাতোবড় কতা? তয় মুই চললাম। কতায় কয়—

    য্যার লইগ্যা করলাম চুরি
    হেই কয় চোর?
    তয়, আইজ থিহা দলাদলি
    তোর লগে মোর
    থাকতা কৈলাসে, খাইতা
    ভাঙ ভোঙ গাজা।
    মোরইনা দৌলতে অইলা
    ভিক্ষুতের রাজা ॥
    তিরভুবন ভরমিয়া
    আনি এডাওড়া।
    কারণ অকারণে ঘড়াও
    নিত্য নতুন ল্যাডা ॥
    আইজ থিহা পিথগা
    তোর লগে মুই।
    মায়রে লইয়া আলাগ অইলাম
    হোগামারা তুই ॥

    এ কথায় মহাদেবের টনক নড়ে। সতত নেশাভাঙে বিভোর। অচল শরীর। সংসারটা বস্তুত নারদের ভিক্ষাতেই চলে। ছেলেরা তো অকম্মার ঢেঁকি। এসব ভাবনায় ভাবিতা হয়ে ‘জগন্মাতা’ সংসারের আর দশজন মায়ের মতোই সবাইকে তুচ্ছ করে নারদের কাছে যাওয়ার প্রস্তুতি করেন।

    প্রতি বছর নীলগাজনের শিব তার পরিবারসহ পরিক্রমার প্রাক্কালে প্রথম আবির্ভাব ঘটাত আমাদের হাইস্কুল বা আমরা যাকে বড় স্কুল বলতাম তার সামনের মাঠে। হেডমাস্টারমশাইয়ের কাছ থেকে তারা আগেভাগে অনুমতি নিয়ে রাখত। তিনি তাদের বলে দিতেন যে, তারা যেন আদিরসাত্মক লীলাখেলার কীর্তন সেখানে না দেখায়। তারাও অবশ্য তাঁর আদেশ অনুযায়ী সঙ-যাত্রার অভিনয়াদি সেখানে করত। ‘লেইজারের’ সময় তারা সেখানে বেশ খানিকক্ষণ মহড়া দিয়ে বের হতো গ্রাম পরিক্রমায়। তারা যেহেতু আগেভাগে হেডমাস্টারমশাইয়ের অনুমতি নিয়ে নিত, আমরা জানতে পারতাম অমুক দিন লেইজারের সময় স্কুলের মাঠে নীলগাজনের সঙ হবে। ছাত্র-শিক্ষক সবাই সেই সঙ দেখার জন্য জমায়েত হতাম।

    কিন্তু গেরস্তবাড়িতে এইসব শালীনতা রক্ষার দায় এই সঙেদের ওপর চাপানো যেত না। সেখানে তারা বিশেষ বিশেষ পরিবার এবং ব্যক্তির দোষগুণ নিয়ে সঙ করত। এই সঙের মাধ্যম অবশ্যই গান এবং কথকতা। ব্যাপারটি ঠিক নাটকও নয়, প্রহসনও নয়। আবার যে শুধু গ্রামীণ খেউড়, তাও নয়। এর মধ্যে অনেক কিছুই থাকত। গেরস্তরা, হরগৌরী কোন্দলের আদিরসাত্মক বর্ণনে, এদের উপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করতেন না। গেরস্তের অঙ্গনে এক একদিন অপরাত্নে এইসব নীলগাজনিরা উপস্থিত হয়ে তাদের লীলাখেলা দেখাত। গেরস্তবাড়ির স্ত্রী-কন্যারা, এমনকি কর্তারাও এইসব অভিনয়াদির বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠান পুনরভিনয়ে দেখার জন্য তাদের উৎসাহিত করত। দলের অধিকারীমশাই, কত্তাগো মা বুইনেগো যেমন আইজ্ঞা, এমতো উচ্চারণে গৌরীকে একটু খেপিয়ে তখন আসরে নামতেন। গৌরী তখন শিবের নানাবিধ চারিত্রিক দোষত্রুটি নিয়ে শোরগোল তুললে নারদ কিন্তু বেবাক বিভেদ ভুলে শিবের পক্ষ নিত। এই নিয়ে চূড়ান্ত রগড়। তখন নারদ না মায়ের, না বাপের। নারদ তখন এক উদ্ভট গান জুড়ে দিত

    ও তোরা গৌরী দেখবি আয়
    শিবের বাসি বিয়া অয়
    আর বুড়া বররে দেখিয়ে গৌরী
    কান্দিয়া ভাসায়।

    নারদ বলে,

    ‘তুমি যদি সতি সাদ্ধি এক মোন এক পেরান। তয় ক্যান বুড়া বরেরে দেইখ্যা ব্যাকুলিত মন। এই বরের লইগ্যা তো তুমি তপেস্যা করিলা। এহন ক্যানও করো কোন্দোল বুড়া বুড়া বলইয়া ॥’ নারদের কথায় গৌরীর হয় সাংঘাতিক লাজ, সে

    গায় —

    মোর মনে বেচাল নাই
    বেচাল হের মন
    গঙ্গারে দেইখ্যা ক্যান
    ফাউকায় বদন?
    কোন দেব হইয়া
    মস্তকে ধরে গাঙ
    কোন দেব হইয়া
    নিত্য খোঁজে লাঙ?
    একবার মরলাম মুই
    তাহার অপবাদে।
    অবশেষে জপেতপে
    ফ্যালাইলাম ফাঁদে ॥
    তমো দ্যাহ তিলোচন
    আড় দিকে চায়।
    ব্যালগাছ দেইখ্যাও তার
    কুভাব মনে আয় ॥
    মুই যদি সব্বজনের
    আদিমাতা হই।
    মোর ঘরে নিত্যদিন
    ভিক্ষা মাগবি তুই ॥

    এইসব রঙ্গরসে নীলগাজনের লীলাখেলা হতো। তবে এরা সবচেয়ে জম্পেশ আসরটি বসাত ডাক্তারবাড়ির উঠোনে। আশপাশ দশবাড়ির মেয়েমদ্দ তখন সেখানে উপস্থিত। হরগৌরীর কোন্দল বাদ দিয়ে তখন শুরু হতো ওই বাড়ির কোন্দলের বিন্যাস। এর কারণটা আগেই বলেছি। এ বাড়ির মেয়ে-বউয়েরা সারাদিনই ঝগড়ায় শুধু বাড়ি নয়, গোটা গাঁ-ই মাথায় করে রাখত। ভোর থেকেই মহড়া শুরু হতো তার। ভাষার ব্যাপারে জেঠি, খুড়ি এবং মেয়েদের কারওই কোনো বাছবিচার ছিল না। ডাক্তারজ্যাঠা তখন তাঁর রোগীপত্তর নিয়ে ব্যস্ত। অথবা বাজারে গিয়েছেন, বেলা বারোটায় শোনা যেত তাঁর হুংকার। ওই সময় হয় রোগী দেখা শেষ, নয় তিনি বাজার থেকে ফিরেছেন। ওর ওওও চুতমারানিরা, তোরা থামবি?—তখন ক্রমশ তাঁর কণ্ঠ উচ্চ এবং মহিলামহলের গলা খাদে। তবে ভাষা সবাই একই শব্দবন্ধে ব্যবহার করতেন। ডাক্তারজ্যাঠা সম্পর্কনির্বিশেষে সবার প্রতি সমবিচার করতেন এবং তাদের সম্ভাব্য অথবা অসম্ভাব্য উপপতিগণের অক্ষমতা বিষয়ে পুনঃ পুনঃ আফসোস প্রকাশ করতেন। নীলগাজনের সঙওলাদের এসব অজ্ঞাত ছিল না। পাড়া-প্রতিবেশীরা বলা বাহুল্য এই ঢপের কেত্তনে সাতিশয় রগড় উপভোগ করত।

    পৌষ মাসের দিনগুলোতে ছিল প্রকৃত আনন্দের উৎসব। পিঠেপুলি, খেজুর রসের পায়েস তো ছিলই। এই সময় নিম্নবর্গীয় চাষি, বিশেষত যারা গতরখাটা এবং ভূমিহীন মানুষ, তারা মাঙনে বের হতো। উপলক্ষ্য কুমির পূজা। আমাদের পিছারার খালের ধারে ধারে তারা মাটির কুমির বানাত। লেজটার ওপর একটা কেয়াপাতার করাত থাকত লম্বালম্বি। মাথার ওপর দুটো বড় জলশামুক বসিয়ে চোখ বানানো হতো। কুমিরগুলোকে বলি দেয়া হতো খণ্ড খণ্ড করে। এই পূজাকে বারোবাঘের পূজাও বলা হতো। বারো বাঘের এক বাঘ কুমির।

    কুমির, বাঘ, কাঁকড়া ইত্যাদি লোকায়ত পূজা বহুকাল আগের থেকেই সম্ভবত আমাদের এইসব অঞ্চলে প্রচলিত ছিল। জলজঙ্গল এবং বন্য জীবজন্তুর সঙ্গে লড়াই করে এই ভূমি আবাদ হয়েছিল। তখন জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ, সাপকে নিয়ে বারো বাঘ। এই পূজার উৎসবটি তথাকথিত ভদ্রসমাজে প্রচলিত ছিল না। শীতের এই সময়টায় গেরস্তের নতুন ফসল কাটা হয়েছে। খাটুয়া মানুষদের হাতে বিশেষ কাজ নেই। তাই এই উৎসবটি উপলক্ষ্য করে গেরস্থের গোলা থেকে কিছু সংগ্রহ করা। সন্ধের সময় জনা দশ-বারো লোক এসে গেরস্তের আঙিনায় ধ্বনি দিত, ‘ঠাকুর কুলাই ভো’। ব্যস অমনি সবাই ছুটে এসে অঙ্গনে জমা হতো। তারা ছড়া বলত, বারো বাঘের ছড়া—

    আইলাম লো সরণে
    লক্ষ্মীদেবীর বরণে
    লক্ষ্মীদেবী দিবেন বর
    চাউল কড়ি বিস্তর
    চাউল না দিয়া দিবেন কড়ি
    শ্যাষ কাডালে সোনার লড়ি
    সোনার লড়ি রুপার বাড়া—

    শুরুয়াতটি অন্যভাবেও হতো। যেমন –

    আইলাম লো লড়ইয়া
    হস্তীর পিডে চড়ইয়া
    হস্তী গেলরে
    হস্তী গেল বেগমপুর
    বেগমপুরে কী কাজ করে
    রাজার মায়না খাইয়া বাঁচে–

    এরকম সব ছড়া বলার পর শুরু করত বারো বাঘের পরিচয়। তাও ছড়া করেই বলত। এইসময় নানা ধরনের অশ্লীলতা প্রযুক্ত বাক্যপদের ব্যবহার করত তারা। তবে গেরস্ত-গেরস্তানিরা তাতে কোনো দোষ তো ধরতেনই না উপরন্তু মজা উপভোগ করতেন প্রচুর। অবশ্য প্রকৃত অর্থে এগুলোকে ঠিক অশ্লীল বলা হয়তো সংগত হয় না। এখানকার এবং বিশেষত এইসব মানুষদের ভাষা শব্দপদ এরকমই। তারা ছড়া কাটত–

    এক বাঘ রে
    এক বাঘ ছৈলা গাছে
    মুতইয়া দিল রে
    মুতইয়া দিল ভ্যাদামাছে—

    অথবা

    এক বাঘের রে
    এক বাঘের কপালে সিন্দুর
    পোলা বিয়ায় রে
    পোলা বিয়ায় ঝাপউয়া ইন্দুর।

    উচ্চবর্ণীয় বা বর্গীয় মানুষদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অন্দোলন করার কোনো উপযুক্ত মঞ্চ ছিল না এখানে। সম্বচ্ছর তাদের অন্যায়, অত্যাচার, অবহেলা মুখবুজে সহ্য করে যাওয়াই ছিল নিম্নবর্ণীয়/বর্গীয় মানুষদের পরম্পরা। কিন্তু ভিতরে ভিতরে ক্ষোভ, দহন তো নিশ্চয়ই থাকত। সেইসব ক্ষোভের প্রকাশ ঘটত এই সময় নীলগাজনের সঙের এবং বারোবাঘের ছড়ায়। তখন তারা ব্যক্তিবিশেষকে এবং কখনো কখনো সমাজকেই বিদ্ধ করত তাদের ছড়ার মাধ্যমে। তার প্রকাশভঙ্গি হয়তো সবসময় নির্দিষ্ট অন্যায়-অত্যাচারকে সরাসরি নির্দেশ করত না, তবে তা যে চরিত্রগতভাবে প্রতিবাদী এ বিষয়ে সন্দেহ নেই। মজার ব্যাপার এই যে, উদ্দিষ্ট ব্যক্তিদের সামনাসামনি এইসব ব্যঙ্গ বিদ্রুপ বর্ষিত হলেও এ নিয়ে কোনো বিতণ্ডা বা প্রতিশোধাত্মক পরিবস্থার সৃষ্টি হতো না। যেন এক অলিখিত নিয়মে নিম্নবর্ণীয়/বর্গীয়রা এই অধিকার ভোগ করত। দু-একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি খোলসা হবে। যেমন—

    এক বাঘ রে এক বাঘ ডাক্তারবাবু
    ছোডো বউয়ের রে
    ছোডো বউয়ের খামারে কাবু

    এক বাঘ রে এক বাঘ অবনী স্যান
    ছাইছে বইয়া রে ছাইছে বইয়া খায় ফ্যান।

    এক বাঘ রে এক বাঘ হিমাংশু গোপ্ত
    হোগায় হ্যার রে
    হোগায় হ্যার তিনডা গত্ত

    এক বাঘ রে
    এক বাঘ সতীন স্যান
    বুদ্ধি দিয়ারে বুদ্ধি দিয়া ভাঙে ঠ্যাং।

    এইরকমভাবে যার যার ওপর তাদের ক্ষোভ আছে অথচ প্রতিবাদ করার সাহস সামর্থ্য নেই, তাদের ওপর একহাত নেয়ার প্রবণতা এইসব ছড়ায় লক্ষণীয়। অমার্জিত ভাষা, বিকৃত উচ্চারণ, যা শুধু ভাষার আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের জন্যই নয়, বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে যতটা স্থূলতায় নেয়া যায়, তা-ই যেন এইসব মানুষদের প্রচেষ্টা ছিল। প্রতিবাদের এও একটি ধরন বলেই বোধহয়। কিন্তু তার ভিতরে রগড় বা আনন্দ করার প্রবণতা যতটা, অসম্মান করার প্রচেষ্টা ততটা থাকত না।

    এইরকম সব ছড়া বলে গেরস্তদের খুশি করে তারা সিধে পেত চাল, ডাল, আনাজ, পয়সা এবং শেষতক আবার ‘ঠাকুর কুলাই ভো’ বলে চলে যেত। কিন্তু এরই মধ্যে এক চোরাস্রোতে এইসব আনন্দের উৎসগুলো শুকিয়ে আসছিল। কিন্তু তখনও পিছারার খাল আর বড় খালপারের সেই বৃক্ষদম্পতি সহর্ষেই বিরাজমান ছিল।*

    [* বস্তুত এই অনুষ্ঠানটি আসলে বাস্তু দেবতার পূজা। জল-জঙ্গল অধ্যুষিত এই অঞ্চলে এদের পূর্বজরা যখন প্রথম আবাদ শুরু করে বাস্তু প্রতিষ্ঠা করে, তখন উল্লেখিত বারোবাঘের প্রাদুর্ভাব ব্যাপক ছিল। সে কারণেই এই পূজার প্রচলন হয়ে থাকবে।]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএঞ্জেলস এন্ড ডেমনস – ড্যান ব্রাউন
    Next Article কহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }