Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষাদ সিন্ধু – মীর মশাররফ হোসেন

    মীর মশাররফ হোসেন এক পাতা গল্প567 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদ্ধার পর্ব ২৭ প্রবাহ

    রজনী দ্বিপ্রহর। তিথির পরিভাগে বিধুর অনুদয়, কিন্তু আকাশ নক্ষত্রমালায় পরিশোভিত। মহা কোলাহলপূর্ণ সমর-প্রাঙ্গণ এক্ষণে সম্পূর্ণভাবে নিস্তব্ধ। দামেস্ক প্রান্তরে প্রাণীর অভাব নাই। কিন্তু প্রায় সকলেই নিদ্রার কোলে অচেতন। জাগে কে?-প্রহরীদল, সন্ধানী দল, আর উভয় পক্ষের মন্ত্রীদল! মন্ত্রীদল মধ্যেও কেহ কেহ আলস্যের পরিভোগে চক্ষু মুদিয়া চিন্তায় নিমগ্ন হইতেছেন, কেহ দিবাভাগে সেই অভাবনীয় ঘটনার কোন কোন অংশ ভাবিয়া উপবেশন স্থানেই গড়াইয়া পড়িয়াছেন, কেহ শয়ন-শয্যার এক পার্শ্বে পড়িয়া আধ-জাগরণে আধ-স্বপনে জেয়াদের শির শূন্য দেহ দেখিয়া চমকিয়া উঠিতেছেন। যথার্থ জাগরিত কে? এক পক্ষে মারওয়ান, অন্য পক্ষে গাজী রহমান।

    মারওয়ান আপন নির্দিষ্ট বস্ত্রাবাসের বহির্দ্বারে সামান্য কাষ্ঠাসনোপরি উপবেশন করিয়া বলিতেছে, “ভাবিলাম কী? ঘটিল কী? এখনই-বা উপায় কী? রাজ্য রক্ষা, রাজজীবন রক্ষা, নিজের প্রাণরক্ষার উপায় কী? কী ভ্রম! কী ভয়ানক ভ্রম! আশা ছিল, শত্রুকে শূলে দিয়া জগতে নাম জাঁকাইব,-যুদ্ধে জয়লাভ করিব,-সেই আশাবারিধি গাজী রহমানের মস্তিষ্কতেজে ছদ্মবেশী বাহরামের বাহুবলে এবং ওমর আলীর কৌশলে একেবারে পরিশুষ্ক হইয়া গিয়াছে। এখন জীবনের আশঙ্কা, রাজ-জীবনে সন্দেহ। জয়নাল আবেদীনের বন্দিগৃহ হইতে পলায়নে আরো সর্বনাশ ঘটিল। দ্বারে দ্বারে প্রহরী, নগরে প্রবেশের দ্বারে প্রহরী, বহির্দ্বারে প্রহরী, সকল প্রহরীর চক্ষে ধুলা দিয়া আপন মুক্তি আপনিই করিল। কী আশ্চর্য কাণ্ড! এখন আর কার জন্য যুদ্ধ? আর কি কারণে হানিফার সহিত শত্রুতা? কেন প্রাণী ক্ষয়? জয়নালকে হানিফার হস্তে না দিতে পারিলে আর রক্ষা নাই। সন্ধির প্রস্তাব মুখে আনিতেও আমার আর ক্ষমতা নাই-আর তাহাতে ভুলিবে না। সন্ধির নিশানে আর পড়িবে না। শত সহস্র দূতের প্রস্তাবেও আর কর্ণপাত করিবে না। পরাজয় স্বীকারে মৃত্তিকায় তরবারি রাখিয়া দিলেও আর ছাড়িবে না। যদি জয়নালের মুক্তির কথা গোপনেই থাকে, তাহা হইলে যুদ্ধে আমাদের লাভ কি? জয়নালই যদি আমাদের হাত ছাড়া হইল, তবে হানিফা পরাজয়ে ফল কি? ফল আছে। মহারাজের প্রাণ, স্বদেশের স্বাধীনতা, সঙ্গে সঙ্গে আমার প্রাণ রক্ষা করা ভিন্ন আর কি আশা? কিন্তু ইহাতেও আমার বিশেষ সন্দেহ আছে। হোসেনপুত্র জয়নাল-সিংহশাবক সিংহ। আজই হউক, কালই হউক, দু’দিন পরেই হউক, তাহার বলবিক্রম সে প্রকাশ করিবে-নিশ্চয় করিবে। সে নব-কেশরীর নবগর্জনে দামেস্ক নগর কাঁপিবেই কাঁপিবে। আর পিতৃ-প্রতিশোধ সে কালে লইবেই লইবে।”

    মারওয়ানের চিন্তার ইতি নাই। দামেস্কের এ দুর্দশা কেন ঘটিল, এও এক প্রশ্ন আছে। এজিদের দোষ, কি তাহার দোষ-সে কথারও মীমাংসা হইতেছে। সর্বোপরি প্রাণের ভয়-মহাভয়। যদি আবদুল্লাহ্ জেয়াদকে ওমর আলীর বধসাধন-ভার অর্পণ করিয়া রাজসমীপে না যাইত, তাহা হইলে এই নিশীথ সময়ে প্রান্তরে বসিয়া আর চিন্তার ভার বহন করিতে হইত না। এ কথাটা বিশেষ করিয়া আলোচনা করিতেছে।

    মারওয়ান যে স্থানে বসিয়াছিলেন, সে স্থান হইতে হানিফার শিবিরে প্রজ্বলিত দীপমালা সমুজ্জ্বল নক্ষত্রমালার ন্যায় তাঁহার চক্ষে দৃষ্ট হইতেছিল। প্রদীপ্ত দীপরাশির উজ্জ্বলাভা মনঃসংযোগে দেখিতে দেখিতে তাঁহার মনে নূতন একটি কথার সঞ্চার হইল। কথাটা কিছু গুরুতর-অথচ নীচ। কিন্তু মারওয়ানের হৃদয়ে সে-কথার সঞ্চার আজ নূতন নহে। বিশেষ আসন্নকালে বিপরীত বুদ্ধিবলে মারওয়ান মনের কথা মুখে আনিলেন। গুপ্তভাবে হানিফার শিবিরে যাইয়া জয়নালের কোন সন্ধান জানিতে পারা যায় কি? যদি জয়নাল হানিফার হস্তগত হইয়া থাকে, তবে সকলই বৃথা। কোন উপায়ে, কী কোন কৌশলে, কোন সুযোগে জয়নালের কোন সন্ধান করিতে পারিলে, এখনো রক্ষার অনেক উপায় করা যায়। মদিনায় মায়মুনার আবাসে কত নিশীথ সময়ে ছদ্মবেশে যাইয়া কত গুপ্ত সন্ধান করিয়াছি, কত অসাধ্য সাধনা সহজে সাধন করিয়াছি, আর এ দামেস্কনগর আপন দেশ, নিজের অধিকার, এখানে কী কিছুই করিতে পারিব না? তবে একটি কথা,-পাত্রভেদে কিছু লঘু-গুরু আছে। আবার একেবারে নিঃসন্দেহের কথাও নহে। মোহাম্মদ হানিফা বুদ্ধিমান্। প্রধানমন্ত্রী গাজী রহমান অদ্বিতীয় রাজনীতিজ্ঞ, চিন্তাশীল ও চতুর,-তাঁহাদের নিকট মারওয়ান পরাস্ত। কি জানি কী কৌশল করিয়া শিবির রক্ষার কী উপায় করিয়াছে, হঠাৎ বিপদগ্রস্ত হইলেও হইতে পারি। অদ্বিতীয় ভালবাসার প্রাণপাখিটাই যে দেহপি র হইতে একেবারে দূর না হইতে পারে, তাহাই বা কে বলিবে? এও সন্দেহ; নতুবা দামেস্ক প্রান্তরে এই নিশীথ সময়ে একা একা ভ্রমণ করিতে মারওয়ান সন্দিহান্ নহে, দামেস্ক-রাজমন্ত্রী ভীত নহে।”

    এই বলিয়া মারওয়ান আসন ছাড়িল! দাঁড়াইয়া একটু চিন্তা করিয়া বলিল, “একা যাইব না, অলীদকে সঙ্গে করিয়া ছদ্মবেশে-পথিক-সাজে-সামান্য পথিক-সাজে বাহির হইব!”

    মারওয়ান বেশ-পরিবর্তন জন্য বস্ত্রাবাস মধ্যে প্রবেশ করিল।

    অলীদের চক্ষেও আজ নিদ্রা নাই। মহাবীর হৃদয় আজ মহাচিন্তায় অস্থির। এ যুদ্ধের পরিণামের ফল কি? সময়ের যে প্রকার গতি দেখিতেছি, শেষ ঘটনার নিয়তি-দেবী যে কোন দৃশ্য দেখাইয়া এ অভিনয়নের যবনিকা পতন করিবেন তাহা তিনিই জানেন।
    অলীদ শিবিরের বাহিরে পদচারণা করিয়া বেড়াইতেছে, আর ভাবিতেছে-মাঝে মাঝে বিমানে পরিশোভিত তারাদলের মিটি মিটি ভাব দেখিয়া মনে মনে আর একটি মহাভাবের ভাবনা ভাবিতেছে। কিন্তু সে ভাব ক্ষণকাল-সে জ্বলন্ত দৃঢ় ভাব হৃদয়ে স্থান পাইতেছে না। মায়াময় সংসারের স্বার্থপূর্ণ ভাবই প্রবলবেগে তাহার হৃদয় অধিকার করিতেছে। নিশির শেষের সহিত কি আবার রণভেরী বাজিয়া উঠিবে? কার ভাগ্যে কি আছে, কে বলিবে? আবার তারাদলে নয়ন পড়িল,-সেই মধুমাখা মিটি মিটি হাসি ভাব,-এ তারা ও তারা, কত তারা দেখিল, কিন্তু অরুন্ধতী নক্ষত্র তাহার নয়নে পড়িল না। তারাদল হইতে নয়ন ফিরাইয়া আনিতেই হানিফার শিবিরে প্রদীপ্ত দীপালোকের প্রতি চক্ষু পড়িল। অলীদ সে দিকে মনঃসংযোগ না করিয়া অন্যদিকে দৃষ্টি করিতেই তীর ধনু হস্তে লইল। ছদ্মবেশী মারওয়ান কথা না কহিলে অলীদ-বাণে তখনই তাহার জীবন শেষ হইত।

    অলীদ বলিল, “নিশীথ সময়ে এ বেশে কোথায়? ভাগ্যে কথা বলিয়াছিলেন।”

    “তাহাতেও দুঃখ ছিল না। যে গতিক দেখিতেছি তাহাতে দুই-এক দিনের অগ্র-পশ্চাৎ মাত্র। ভাল তোমার চক্ষে যে আজি নিদ্রা নাই?”

    “আপনার চক্ষেই-বা কী আছে?”

    “অনেক চেষ্টা করিলাম,-কিছুতেই নিদ্রা হইল না। মনে শান্তি নাই?” আত্মার পরিতোষ কিসে হইবে? নানা প্রকার চিন্তায় মন মহা আকুল হইয়া পড়িয়াছে। দেখ দেখি কি ভ্রম! কি করিতে গিয়া কি ঘটিল। জেয়াদের মৃত্যু, জেয়াদ নিজ বুদ্ধিতেই টানিয়া আনিয়াছিল। এমন আশ্চর্য ঘটনা, অভাবনীয় বুদ্ধিকৌশল, হাতে হাতে চাতুরী, কখনোই দেখি নাই, আজ পর্যন্ত কাহারো মুখে শুনিও নাই। ধন্য মোহাম্মদ হানিফা! ধন্য মন্ত্রী গাজী রহমান।”

    “গত বিষয়ের চিন্তা বৃথা। আলোচনাতে কেবল আক্ষেপ ও মনের কষ্ট! ও-কথা মনে করিবার প্রয়োজন নাই। এখন রাত্রি প্রভাতের পর উপায় কি? যুদ্ধ আর ক্ষান্ত থাকে না,-সে যুদ্ধই-বা কাহার জন্য, মূলধন তো সরিয়া পড়িয়াছে।”

    “সেও কম আশ্চর্য নহে।”

    “সময় মন্দ হইলে এই প্রকারই হইয়া থাকে।”

    “যাহা হইবার হইয়াছে, এখন চল একবার হানিফার শিবিরের দিকে যাইয়া দেখিয়া আসি, কোন সুযোগে জয়নালের কোন সন্ধান লইতে পারি কি-না, এখন মূল কথা জয়নাল আবেদীন। যুদ্ধ করিতে হইলেও জয়নাল। পরাভব স্বীকার করিয়া প্রাণরক্ষা-রাজ্যরক্ষা করিতে হইলেও জয়নাল! সন্ধির প্রস্তাব করিতে হইলেও সেই জয়নাল। জয়নালের সন্ধান না করিয়া আর কোন কথা উঠিতে পারে না। জীবনে মরণে, রাজ্য রক্ষণে সকল অবস্থাতেই জয়নালের প্রয়োজন।”

    “তাহা তো শুনিলাম! কিন্তু একটি কথা-এই নিশীথ সময়ে জয়নালের সন্ধান করিতে কি বিপক্ষ-শিবিরে সন্ধান জানিতে যাইব-তাহাতে কৃতকার্য হইতে পারিব কি-না, সে বিষয়ে একটুকু ভাবা চাই। ছদ্মবেশ ধারণ করিয়া পথিক, পরিব্রাজক, দীন-দুঃখীর পরিচয় দিলেই যে কার্যসিদ্ধি হয় তাহা নহে। এ মদিনার মায়মুনা নহে, দগ্ধহৃদয় জায়েদা নহে। এ বড় কঠিন হৃদয়, বৃহৎ মস্তক। এ মস্তকে মজ্জার ভাগও অতি অধিক, শক্তিও বেশি পরিমাণ, ক্ষমতাও অপরিসীম। প্রত্যক্ষ প্রমাণ তো অনেক দেখিতেছি। আবার এই নিশীথ সময়ে ছদ্মবেশে গোপন ভাবে দেখিয়া অধিক আর লাভ কি হইবে? তাহাদের গুপ্তসন্ধান জানিয়া সাবধান সতর্ক হওয়া, কি কোন কার্যের প্রতিযোগিতা করা, কি নূতন কার্যের অনুষ্ঠান করা বহু দূরের কথা, শিবিরের বহিঃস্থ সীমার নিকট যাইতে পার কি-না সন্দেহ। তোমার ইচ্ছা হইয়াছে-চল দেখিয়া আসি, গাজী রহমানের সতর্কতাও জানিয়া আসি; কিন্তু লাভ কিছু হইবে না, বরং বিপদের আশঙ্কাই অধিক।”

    “লাভের আশা যাহা পূর্বেই বলিয়াছি। সে যে ঘটিবে না, তাহাও বুঝিতেছি। তথাচ যদি কিছু পারি।”

    “পারিবে তো অনেক। মানে মানে ফিরিয়া আসিতে পারিলেই রক্ষা।”

    “আচ্ছা, দেখাই যাউক, আমাদেরই তো রাজ্য।”

    “আচ্ছা, আমি সম্মত আছি।”

    “তবে আর বিলম্ব কি? পোশাক লও।”

    “পোশাক তো লইবই, আরো কিছু লইব।”

    “সাবধান! কেহ যেন হঠাৎ না দেখিতে পায়।”

    ওত্বে অলীদ ছদ্মবেশে মারওয়ানের সঙ্গে চুপে চুপে বাহির হইল। প্রভাত না-হইতেই ফিরিয়া আসিবে, এই কথা পথে স্থির হইল। কিঞ্চিৎ দূরে আসিয়া মারওয়ান বলল, “একেবারে সোজা পথে যাইব না। শিবিরের পশ্চাৎভাগ সম্মুখে করিয়া যাইতে হইবে। এখন আমাদের বাম পার্শ্ব হইয়া ক্রমে শিবির বেষ্টন করিয়া যাইতে থাকিব।”

    এই যুক্তিই স্থির করিয়া বাম দিকেই যাইতে লাগিল। ক্রমে হানিফার শিবিরের পশ্চাৎ দিক তাহাদের চক্ষে পড়িতে লাগিল। সম্মুখে যেরূপ আলোর পরিপাটি, সেইরূপ পশ্চাৎ পার্শ্ব সকল দিকেই সমান। সম্মুখ, পার্শ্ব, পশ্চাতের কিছুই ভেদ নাই। কখনো দ্রুতপদে, কখনো মন্দ মন্দ ভাবে চতুর্দিক লক্ষ্য করিয়া যথাসাধ্য সতর্কিতভাবে যাইতে লাগিল। কিছু দূর গিয়া নিশ্চয় বুঝিতে পারিল যে, তাহাদের সঙ্গে সঙ্গে আরো লোক আসিতেছে। আরো কিছু দূর অগ্রসর হইলে হাসি, রহস্য, বিদ্রূপসূচক কোন কোন কথার আভাস তাহাদের কানে আসিতে লাগিল। কোন্ দিকে, কত দূর হইতে-এই কথার আভাস আসিতেছে, তাহা স্থির করিতে পারিল না। কারণ কখনো দক্ষিণে, কখনো বামে, কখনো সম্মুখে আবার কখনো পশ্চাতে-অতি মৃদুমৃদু কথার আভাস কানে আসিতে লাগিল।

    উভয়ে গমনে ক্ষান্ত দিয়া মনঃসংযোগে বিশেষ লক্ষ্যে চারিদিকে দেখিতে লাগিল। দেখিল, কোন দিকে কিছুই নাই, চারিদিকে অন্ধকার, উপরে তারকারাজি।

    উভয়ে আবার যাইতে লাগিল। অনুমান দশ পদ ভূমি অতিক্রম করিয়া যাইলেই, মানব মুখোচ্চারিত অর্থসংযুক্ত কথার ঈষৎ ভাব স্পষ্ট শুনিতে লাগিল। সে কথার প্রতি গ্রাহ্য না করিয়া যাইতে লাগিল। কিন্তু আর বেশিদূর যাইতে হইল না। আনুমানিক পঞ্চ হস্ত পরিমাণ ভূমি পশ্চাৎ করিতেই তাহাদের বাম পার্শ্ব হইতে শব্দ হইল-“আর নয়, অনেক আসিয়াছ।”

    মারওয়ান চমকিয়া উঠিল।

    আবার শব্দ হইল, “কী অভিসন্ধি?”

    মারওয়ান ও অলীদ উভয়েই চমকিয়া উঠিল, অঙ্গ শিহরিয়া উঠিল,-স্থির ভাবে দাঁড়াইল।

    আবার শব্দ হইল, নিশীথ সময়ে রাজশিবিরের দিকে কেন? সাবধান! আর অগ্রসর হইয়ো না। যদি কোন আশা থাকে, সূর্য উদয়ের পর।”

    মারওয়ান ও অলীদ উভয়ে ফিরিল, আর সে পথের দিকে ফিরিয়াও চাহিল না। কিছুদূর আসিয়া অন্য পথে অন্য দিকে শিবিরের অন্য দিক লক্ষ্য করিয়া চলিতে লাগিল। মারওয়ান বলিল, “অলীদ! আমাদের ভুল হইয়াছে; এদিকে না আসিয়া অন্য দিকে যাওয়াই ভাল ছিল।”

    “অন্য কোন্ দিকে যাওয়া ভাল ছিল বলুন, সেই দিকেই যাই। ভুল সংশোধন করিতে কতক্ষণ? যে দিকে আপনার নিঃসন্দেহ বোধ হয়, সেই দিকেই চলুন।”

    মারওয়ান শিবিরের দক্ষিণ পার্শ্বে যাইতে লাগিল, সেই দিকে যাইতে মনে কোন সন্দেহ হইল না। পশ্চাতে, সম্মুখে কি বামে কোন দিকেই আর ভারি বোধ হইল না। নিঃসন্দেহে যাইতে লাগিল।

    অলীদ বলিল, “দেখিলে? গাজী রহমানের বন্দোবস্ত দেখিলে?”

    “এদিকে কি?”

    “বোধ হয়, এদিকের জন্য তত আবশ্যক মনে করেন নাই।”

    “সে কী আর ভ্রম নয়?”

    “মারওয়ান! এখন ও-কথা মুখে আনিয়ো না। গাজী রহমানের ভ্রম-একথা মুখে আনিয়ো না। কার্য সিদ্ধি করিয়া নির্বিঘ্নে শিবিরে যাইয়া যাহা বলিবার বলিয়ো। কোন দিকে কি কৌশল করিয়াছে, তাহা তাহারাই জানে।”

    “তা জানুক, এদিকে কোন বাধা নাই, নিঃসন্দেহে যাইতেছি, মনে কোনরূপ শঙ্কা হইতেছে না।”

    “আমি ভাই আমার কথা বলি। আমার মনে অনেক কথা উঠিয়াছে-ভয়েরও সঞ্চার হইয়াছে। আমি তোমার পশ্চাতে থাকিব না। দুই জনে একত্রে সমান ভাবে যাইব। কেহই কাহারো অগ্র-পশ্চাৎ হইব না।”

    মারওয়ান হাসিয়া বলিল, “অলীদ! তুমি আজ মহাবীরের নাম হাসাইলে! অল্পমতি বালকগণের মনের গতির সহিত, পরিপক্ব মনের সমান ভাব দেখাইলে! বীরহৃদয়ে, ভয়! দুইজনে সমানভাবে একত্র যাইতে পারিলেই নির্ভয়, এ কি কথা?”

    “মারওয়ান! আমরা যে কার্যে বাহির হইয়াছি, সে কার্যের কথা মনে আছে? কার্যগতিকে সাহস, রুচিগতিকে বল। এখন তোমার মন্ত্রীত্ব নাই, আমারও বীরত্ব নাই! যেমন কার্য, তেমনই স্বভাব।”

    উভয়ে হাসি-রহস্যে একত্রে যাইতেছে, প্রজ্বলিত দীপের প্রদীপ্ত আভায় শিবির-দ্বার, মানুষের গতিবিধি স্পষ্টভাবে দেখা যাইতেছে। গমনের বেগ কিছু বেশি করিল, সঙ্গে সঙ্গে হাসি-রহস্য চলিতেছে। দুর্ভাগ্যক্রমে তাহাদের হাসিমুখ বেশিক্ষণ রহিল না। দৈবাৎ একটি শব্দ তাহাদের কর্ণে প্রবেশ করিল। দক্ষিণে-বামে দৃষ্টি করিল অন্ধকার-সম্মুখে দীপালোক-গমনে ক্ষান্ত হইল। আবার সেই হৃদয়-কম্পনকারী শব্দ-ক্ষিপ্রহস্ত নিক্ষিপ্ত তীরের শন্শন্ শব্দ। অন্তরে জানিয়াছে-তীরের গতি, মুখে বলিতেছে-“কিসের শব্দ? অলীদ! কিসের শব্দ?” কি বিপদ, মুখের কথা মুখে থাকিতেই তিনটি লৌহশর তাহাদের সম্মুখে আসিয়া পড়িল। এখন কি করিবে, অগ্রে পা ফেলিবে, কি পাছে সরিবে, কি স্থিরভাবে এক স্থানে দণ্ডায়মান থাকিবে, কিছুই স্থির করিতে পারিল না। দক্ষিণ পার্শ্ব হইতে গম্ভীর নাদে শব্দ হইল, “শত্রু হও, মিত্র হও, ফিরিয়া যাও,-রাত্রে এ শিবিরে প্রবেশ নিষেধ-রাত্রে আঘাত মহারাজের নিষিদ্ধ, তাহাতেই প্রাণ বাঁচাইয়া গেলে; নতুবা ঐ স্থানেই ইহকালের মত পড়িয়া থাকিতে!”

    আর কোন কথা নাই। চতুর্দিকে নিঃশব্দ। কিছুক্ষণ পরে অলীদ বলিল, “মারওয়ান! এখন আর কথা কি? আঙ্গুল পরিমাণ ভূমি আগে যাইতে আর কি সাহস হয়?”

    মারওয়ান মৃদুস্বরে বলিল, “ওহে চুপ কর! প্রহরীরা আমাদের নিকটেই আছে।”

    “নিকটে থাকিলে তো ধরিয়া ফেলিত।”

    “ধরিবার তো কোন কথা নাই। তবে উহারা বিশেষ সতর্কতার সহিত শিবির রক্ষা করিতেছে। যে উদ্দেশ্যে আসিয়াছিলাম, তাহা ঘটিল না। এখন নিরাপদে শিবিরে যাইতে পারিলেই রক্ষা।”

    “সে কথা তো আমি আগেই বলিয়াছি। এখন লাভের মধ্যে প্রাণ লইয়া টানাটানি।”

    মারওয়ান বলিল, “আর কথা বলিব না, চুপে চুপে নিঃশব্দে চলিয়া যাই।”

    উভয়ে কিছুদূর আসিয়া, “রক্ষা পাইলাম” বলিয়া দাঁড়াইল। চুপি চুপি কথা কহিতেও সাহস হইল না-পারিলও না। কণ্ঠ-তালু শুষ্ক, জিহ্‌বা একেবারে নীরস,-তবু বহুদূরে সরিয়া পড়িয়াছে। ক্ষণকাল পরে একটু স্থির হইয়া মারওয়ান বলিল, “অলীদ! বাঁচিলাম। চল, এখন একটু স্থির হইয়া আমাদের শিবিরে যাই।”

    মুখের কথা শেষ হইতেই পশ্চাদ্দিক হইতে বজ্রনাদে শব্দ হইল-“সাবধান, আর কথা বলিয়ো না,-চলিয়া যাও;-ঐ বৃক্ষ-ঐ তোমাদের সম্মুখের ঐ উচ্চ খর্জুর বৃক্ষ সীমা। আমাদের নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকিতে পারিবে না। যদি প্রাণ বাঁচাইতে চাও, সীমার বাহিরে যাও।”
    কি করে, উভয়ে দ্রুতপদে সীমা-বৃক্ষ ছাড়িয়া রক্ষা পাইল। আর কোন কথা শুনিল না। মারওয়ান বলিল, “জীবনে এমন অপমান কখনোই হই নাই। কী লজ্জা!”

    মারওয়ান বলিল, “কী বিপদ! হানিফার প্রহরীরা কি প্রান্তরের চতুষ্পার্শে ঘিরিয়া রহিয়াছে? এখনো কিছুতেই মন সুস্থির হয় নাই। এখনো হৃদয়ের চঞ্চলতা দূর হয় নাই। এখানে দাঁড়াইব না। এখন সন্দেহ হইতেছে! আমাদের দেশ-আমাদের রাজ্য, সীমা-বৃক্ষ উহাদের-কী আশ্চর্য? সীমা-বৃক্ষ না ছাড়াইয়া আসিলে জীবন যায়। কী ভয়ানক ব্যাপার! চল, শিবিরে যাই।”

    উভয়ে নীরবে আপন শিবিরাভিমুখে চলিল! যাইতে যাইতে সম্মুখে একখণ্ড বৃহৎ শিলাখণ্ড দেখিয়া মারওয়ান বলিল, “অলীদ! এই শিলাখণ্ডের উপরে একটু বসিয়া বিশ্রাম করি। নানা কারণে মন অস্থির হইয়াছে। আর কোন গোলযোগ নাই। ক্ষণকাল এই স্থানে বসিয়া মনের অস্থিরতা দূর করি। যেমন কার্যে আসিয়াছিলাম তাহার প্রতিফলও পাইলাম।”

    অলীদ মারওয়ানের কথায় আর কোন আপত্তি না করিয়া শিলাখণ্ডের চতুষ্পার্শ একবার বেষ্টন করিয়া আসিল এবং নিঃসন্দেহভাবে উভয়ে বসিয়া অস্ফুট স্বরে দুই-একটি কথা কহিতে লাগিল।

    এক কথার ইতি না-হইতেই অন্য কথা তুলিলে কথার বান্ধুনি থাকে না, সমাজ-বিশেষে অসভ্যতাও প্রকাশ পায়। জয়নাল আবেদীন বন্দিগৃহ হইতে চলিয়া যাওয়ার পর এমন সুযোগ পাই নাই যে, তাঁহার বিবরণ পাঠকগণের গোচর করি। মারওয়ান ও ওত্বে অলীদ শিলাখণ্ডের উপর বসিয়া নির্বিঘ্নে মনের কথা ভাঙ্গচুর করুন, এই অবসরে আমরা জয়নালের কথাটা বলিয়া রাখি।

    জয়নাল আবেদীন, ওমর আলীর শূলের ঘোষণা শুনিয়া বন্দিগৃহের সম্মুখস্থ প্রাঙ্গণ হইতে প্রহরীদলের অসাবধানতায় নাগরিক দলে মিশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে আসিয়াছিলেন! তিনি নামে সকলের নিকট পরিচিত কিন্তু অনেকে তাঁহাকে চক্ষে দেখে নাই। মোহাম্মদ হানিফাকে তিনি কখনো দেখেন নাই, ওমর আলীকেও দেখেন নাই,-অথচ ওমর আলীর প্রাণরক্ষার জন্য চেষ্টা করিবেন, এই দুরাশার কুহকে মাতিয়াই দামেস্কপ্রান্তরে আসিয়াছিলেন। এজিদের শিবির, হানিফার শিবির, ওমর আলীর নিষ্কৃতি সমুদয় দেখিয়াছেন, তাঁহার নিজের প্রাণবধ করার ঘোষণাও স্বকর্ণে শুনিয়াছেন। ঐ ঘোষণার পর তিলার্ধকালও দামেস্কপ্রান্তরে অবস্থিত করেন নাই; নিকটস্থ এক পর্বত গুহায় আত্মগোপন করিয়া দিবা অতিবাহিত করিয়াছেন। নিশীথ সময়ে পর্বত গুহা হইতে বহির্গত হইয়া তাঁহার প্রথম চিন্তা-কী উপায়ে মোহাম্মদ হানিফার সহিত একত্রিত হইবেন। সে শিবিরে তাঁহার পরিচিত লোক কেহই নাই! নিজ মুখে নিজ পরিচয় দিয়া খাড়া হইতেও নিতান্ত অনিচ্ছা। ভাবিয়া কিছুই স্থির করিতে না পারিয়া, দুই-এক পদে হানিফার শিবিরাভিমুখেই যাইতেছেন।
    অলীদ বলিলেন, “মারওয়ান! কিছু শুনিতে পাইতেছ?”

    “স্পষ্ট বুঝিতে পারিতেছি না, কিন্তু মানুষের গতিবিধির ভাব বেশ বুঝা যাইতেছে। একজন দুইজন নহে, বহুলোকের সাবধানে পদবিক্ষেপ ভাব অনুভব হইতেছে। আর এখানে থাকা উচিত নহে। বোধ হয় বিপক্ষেরা আমাদের পরিচয় পাইয়াছে, এখনো আমাদিগকে ছাড়ে নাই। ঐ দেখ সম্মুখে চাহিয়া দেখ। আমরা ছদ্মবেশে আসিয়াছি, কেবল তোমার নিকটে একখানি তরবারি আর আমার নিকট সামান্য একখানি ছুরি ভিন্ন অন্য কোন অস্ত্র আমাদের সঙ্গে নাই। আর থাকিলেই বা কি হইত? তাহাদের তীরের মুখ হইতে দিনে রক্ষা পাওয়াই দায়, তায় আবার ঘোর নিশা। মনঃসংযোগে কান পাতিয়া শোন, যেন চতুর্দিকেই লোকের গতিবিধি, চলাফেরা, সাড়া পাওয়া যাইতেছে। চল, আর এখানে থাকা নহে।” এই বলিয়া শিলাখণ্ড হইতে উভয়ে গাত্রোত্থান করিয়া সমতল ক্ষেত্রে দণ্ডায়মান হইলেন।
    জয়নাল আবেদীনও নিকটবর্তী হইয়া গম্ভীর স্বরে জিজ্ঞাসা করিলেন, “তোমরা কে?”

    মারওয়ান থতমত খাইয়া সভয় হৃদয়ে উত্তর করিল, “আমরা পথিক, পথহারা হইয়া এখানে আসিয়াছি।”

    “নিশীথ সময়ে পথিক পথহারা হইয়া যুদ্ধক্ষেত্রে! এ কী কথা?”

    পুনরায় জিজ্ঞাসা করিলেন, “ওহে পথিক! তোমরা কি বিদেশী?”

    “হাঁ, আমরা বিদেশী।”

    “কী আশ্চর্য! তোমরা বিদেশী হইয়া এই মহা সংগ্রামস্থলে কি উদ্দেশ্যে আসিয়াছ? সত্য বল, কোন চিন্তা নাই।”

    মারওয়ান বলিল, “যথার্থ বলিতেছি-আমরা বিদেশী, অজানা দেশ, পথঘাটের ভাল পরিচয় নাই-চিনি না। দামেস্ক নগরে চাকরির আশায় যাইতেছি। দিবসে সৈন্যসামন্তের ভয়; রাত্রেই নগরে প্রবেশ করিব আশা এবং অন্তরে নিগূঢ় তত্ত্ব।”

    “তোমরা কোথা হইতে আসিতেছ? তোমাদের বসতি কোথায়?”

    “আমরা মদিনা হইতে আসিতেছি। মদিনায় আমাদের বাসস্থান।”

    ভীমনাদে শিলারাশির পার্শ্ব হইতে শব্দ হইল-“ওরে ছদ্মবেশী নিশাচর! মদিনাবাসীরা দামেস্কে চাকরির আশায় আসিয়াছে? আর কোথায় যাইবি? এই স্থানেই নিশা যাপন কর। প্রভাতে পরীক্ষার পর মুক্তি। এক পদও আর অগ্রসর হইতে পারিবি না। যদি চক্ষের জ্যোতি থাকে, দৃষ্টির ক্ষমতা থাকে, তবে যেদিকে ইচ্ছা চাহিয়া দেখ, পঞ্চবিংশতি বর্শার ফলক তোমাদের বক্ষঃ, পৃষ্ঠ, বাহু ও পার্শ্ব লক্ষ্য করিয়া স্থিরভাবে রহিয়াছে। সাবধান, কোন কথার প্রসঙ্গ করিয়ো না,-নীরবে তিন মূর্তি প্রভাত পর্যন্ত এই স্থানে দণ্ডায়মান থাক। আর যাইবার সাধ্য নাই। মোহাম্মদ হানিফার গুপ্ত সৈন্য দ্বারা তোমরা তিনজন সূর্যোদয় পর্যন্ত বন্দি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাকিদ হায়দারের কবিতা
    Next Article ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }