Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প218 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. সেই প্রথম দিনের সাক্ষাতের পর

    সেই প্রথম দিনের সাক্ষাতের পর, ইতিমধ্যে এই বাড়িতেই কিশোরের সহিত অনুপমের আরও দুই তিনবার দেখা হইয়াছে। কিশোর যে চোর-ডাকাত নহে, সত্য সত্যই একজন ভদ্রলোক, ইহা নিঃসংশয়ে প্রতিপন্ন হইয়া যাইবার পর অনুপমকে অনেক হাসি তামাশা, বিদ্রূপ ও গঞ্জনা সহ্য করিতে হইয়াছিল। সর্বাপেক্ষা বেশী খোঁচা দিয়াছিল সুহাসিনী। তাহার ভুরু দেখিয়া মানুষ চিনিবার ক্ষমতা সম্বন্ধে চোখাচোখা দুই-চারিটি কথা বলিয়া তাহার সর্বাঙ্গে জ্বালা ধরাইয়া দিয়াছিল। এই কারণে কিশোরের উপর অনুপম প্রসন্ন ছিল না। গুণ্ডার পরিবর্তে কলেজের প্রফেসর বনিয়া গিয়া কিশোর। যে তাহাকে সুহসিনী ও তাহার পিতার কাছে অত্যন্ত খেলো করিয়া দিয়াছে, এ আক্রোশ সে কিছুতেই ভুলিতে পারিতেছিল না। সর্বোপরি আরও একটা কারণ হইয়াছিল—যাহাতে কিশোরের বিরুদ্ধে তাহর মন একেবারে বিষাক্ত হইয়া উঠিয়াছিল।

    কয়েক বৎসর পূর্বে বিনয়বাবু যখন প্রথম কলিকাতায় আসিয়া হাতিবাগান অঞ্চলে বাস করিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন, তখন তাঁহার স্ত্রীর সহিত নিকট প্রতিবেশিনী অনুপমের মাতা হেমাঙ্গিনীর শীঘ্রই আলাপ জমিয়া উঠিয়াছিল। ইহারাও আলোকপন্থী হিন্দু বলিয়া পরিচয় দিলেও পর্দাপ্রথার ধার রিতেন না। তাহার উপর হেমাঙ্গিনী বিধবা হইলেও খুব জবরদস্ত স্ত্রীলোক, অপরিণতবয়স্ক পুত্রের উ নির্ভর না করিয়া নিজেই স্বর্গীয় স্বামীর বিষয় সম্পত্তি পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণ করিতেন। সুত্রং সুহাসিনীর মাতার সহিত তাঁহার আলাপ বন্ধুত্বে পরিণত হইতে বিলম্ব হইল না। সেই সুত্রে অনুপম এ বাড়িতে যাতায়াত শুরু করিল। কিন্তু বন্ধুর পুত্র হইলেও বিনয়বাবুর স্ত্রী তাহাকে হাসিনীর কাছে বেশী ঘেঁষিতে দিতেন না। এই অকালপক্ক নিরতিশয় জ্যাঠা ছোকরাকে তিনি গোড়া হইতেই দেখিতে পারিতেন না; এবং এই জন্যই পাছে পরে কোনরূপ গোলমাল হয়, সুহাসিনীকে তাহার সংস্পর্শ হইতে দূরে দূরে রাখিতেন।

    কিন্তু ঠিক সঙ্কট সময়েই তিনি হঠাৎ মারা গেলেন। সুহাসিনীর বয়স তখন পনেরো বছর; অনুপমের তেইশ। অনুপম ঘন ঘন যাতায়াত আরম্ভ করিয়া দিল এবং সুহাসিনীকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করিবার বিধিমত চেষ্টা করিতে লাগিল। সে তখন আইন পাস করিয়াছে এবং পিতৃবন্ধু এক অ্যাটর্নির অফিসে কাজ করিতে আরম্ভ করিয়াছে। সুতরাং সে যে সুহাসিনীর যোগ্য পাত্র, সে বিষয় কি তাহার মনে, কি তাহার মাতার মনে কোন সন্দেহ ছিল না। বিনয়কৃষ্ণবাবুর কিন্তু ওদিকে দৃষ্টি ছিল না, পত্নীর মৃত্যুতে তিনি দিশাহারা হইয়া পড়িয়াছিলেন। এইভাবে বছরখানেক কাটিবার পর শোকের প্রথম ধাক্কাটা কিছু প্রশমিত হইলে, হেমাঙ্গিনী আসিয়া কথায় কথায় যখন তাঁহাকে স্মরণ করাইয়া দিয়া গেলেন যে, সুহাসিনীর বিবাহের বয়স হইয়াছে,এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গে অনুপমচন্দ্ৰ আসিয়া ভাবে ভঙ্গিতে জানাইয়া দিল যে, এই কন্যাটির পাণিগ্রহণ করিতে সে অনিচ্ছুক নহে, এমন কি বিশেষ ইচ্ছুক, তখন বিনয়বাবু চমকিত হইয়া চারিদিকে চাহিয়া দেখিলেন। জগতে এই এক কন্যা ছাড়া তাঁহার আর কেহ নাই, সেই কন্যাকেও যে শীঘ্রই বিবাহ দিয়া পরের হাতে তুলিয়া দিতে হইবে, তাহা স্মরণ করিয়া এর বুক প্রায় ভাঙিয়া গেল। কিন্তু নিজের সুখ-সুবিধার জন্য কন্যাকে তো চিরকাল কুমারী করিয়া রাখা যায় না! তাই একদিন ভারাক্রান্ত বুকে তিনি কন্যার সম্মুখে কথাটা পাড়িলেন। কিন্তু বিবাহের নাম শুনিয়াই সুহাসিনী তাঁহার বুকের উপর পড়িয়া ফুলিয়া ফুলিয়া কাঁদিতে আরম্ভ করিল এবং অস্ফুটভাবে যাহা বলিল, তাহা হইতে এইটুকুই বুঝা গেল যে, পিতাকে ছাড়িয়া সে কোনমতেই কোথাও যাইতে পারিবে না।

    সেই অবধি পিতাপুত্রীর মধ্যে ও প্রসঙ্গ আর উঠে নাই। কিন্তু অনুপম তিলমাত্র হতাশ না হইয়া অপরিসীম ধৈর্য সহকারে লাগিয়া আছে। সম্প্রতি তাহার মনে একটা আশাও জাগিয়াছিল যে, শীঘ্রই ইহার একটা নিষ্পত্তি হইতে পারে। সুহাসিনীর জন্মতিথির রাত্রিতে সে একটা সঙ্কল্প মনে মনে স্থির করিয়া রাখিয়াছিল।

    এমন সময় কোথা হইতে পাপগ্রহের মত কিশোর আসিয়া উদয় হইল, তখন আশঙ্কায় দুর্ভাবনায় অনুপমের মনে তিলমাত্র সুখ রহিল না। এতদিন সে, সুহাসিনী তাহারই বাগদত্তা, এমন একটা অস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়া অন্যান্য সম্ভব অসম্ভব প্রতিদ্বন্দ্বীকে ঠেকাইয়া রাখিয়াছিল; কিন্তু কিশোরকে সে কী করিয়া ঠেকাইবে, কিছু বুঝিয়া উঠিতে পারিল না। কিশোর সুহাসিনীর প্রতি আকৃষ্ট হইয়াই যে ইহাদের সহিত মেলামেশা আরম্ভ করিয়াছে, এ কথা বলা চলে না। বরং অপরপক্ষ হইতেই মিশিবার আগ্রহটা যেন একটু বেশী। গোবেচারা বিনয়বাবু গায়ে পড়িয়া তাহার সহিত ঘনিষ্ঠতা করিতে উৎসুক, এবং সুহাসিনীও—

    সুহাসিনীর ব্যবহারই অনুপমকে সর্বাপেক্ষা বেশী আঘাত করিয়াছিল। কয়েক বৎসর ধরিয়া সে সুহাসিনীর পাশে পাশে ফিরিতেছে এবং নানা কৌশলে তাহাকে নিজের দিকে আকর্ষণ করিবার চেষ্টা করিতেছে। সুহাসিনীও তাহার সহিত বাড়ির লোকের মত ঘনিষ্ঠভাবে মিশিয়াছে, কিন্তু এত মাখামাখি সত্ত্বেও কোথায় যে একটা অলক্ষ্য সীমারেখা রহিয়া গিয়াছিল, অনুপম তাহা অতিক্রম করিতে পারে নাই। সুহাসিনীর মনের অলঙ্ঘনীয় কৌমার্যের গণ্ডীর মধ্যে সে কোনদিন পা বাড়াইতে সমর্থ হয় নাই। কিন্তু এখন সে সন্দেহের দূরদৃষ্টি দিয়া দেখিল যে, এতদিনে সে যাহা পারে নাই, আর একজন লোক দুই হপ্তার মধ্যে সেই গণ্ডীর মধ্যস্থলে ন্যায্য অধিকার স্থাপন করিবার বন্দোবস্ত করিতেছে। সে দেখিতে পাইল, যে দ্বার তাহার কাছে চিরদিন রুদ্ধ ছিল, সেই দ্বারে দাঁড়াইয়া সুহাসিনী সলজ্জ স্মিতহাস্যে আর একজনকে ভিতরে পদার্পণ করিবার জন্য আহ্বান করিতেছে। ইহাতে সে উদ্বেগ ও ঈর্ষার জ্বালায় নিরন্তর ছটফট করিতে লাগিল, কিন্তু বাহিরে তাচ্ছিল্য দেখাইয়া এমন ভাব প্রকাশ করিতে লাগিল, যেন তাহার দীর্ঘ-প্রতিষ্ঠিত প্রভাব অক্ষুণ্ণই আছে, কোন নবাগত উমেদার তাহার উপর আঁচড়টি কাটিতে পারে নাই।

    আজ এই বাদল সন্ধ্যায় হঠাৎ একটা আশঙ্কা মনে উদয় হওয়াতে সে ঝড়বৃষ্টি ভেদ করিয়া বাহির হইয়া পড়িয়াছিল এবং এ বাড়িতে প্রবেশ করিবামাত্র যখন সে কিশোরের গলা শুনিতে পাইল, তখন একপ্রকার মরিয়া হইয়াই স্থির করিল যে, আর বিলম্ব নহে, আজই একটা হেস্তনেস্ত সে করিয়া ফেলিবে।

    অনুপম আসন গ্রহণ করিলে বিনয়বাবু সরলভাবে জিজ্ঞাসা করিলেন, এই দুযোগে কী এমন কাজ ছিল যে বেরুতে হল?

    প্রশ্নটা এড়াইয়া গিয়া অনুপম মুখ বিকৃত করিয়া বলিল, বিষ্টি পড়ে কলকাতা শহরটা হয়ে দাঁড়িয়েছে যেমন নোংরা, তেমনই প্যাচপেচে। এখন থেকে দুমাস ধরে এই কাদা আর বিষ্টি চলল। রেনি সীজনের মত এমন যাচ্ছেতাই ন্যাস্টি সীজন আর নেই।

    যে ব্যক্তি দুমাইল পথ জল ভাঙিয়া ও ধাবমান মোটরের ছিটা খাইয়া আসিয়াছে, সে এ কথা বলিতে পারে; কিন্তু এই ঘরে কিছু পূর্বেই এই বর্ষাঋতু লইয়া আর এক প্রকারের আলোচনা হইয়া গিয়াছে। রেনি সীজন যে বেশ উঁচুদরের সীজন, তাহা গান ও বক্তৃতার ভিতর দিয়া উপস্থিত তিনজন একমত হইয়া স্বীকার করিয়া লইয়াছেন। ইতিমধ্যে বাহির হইতে আসিয়া অনুপম যখন। বিরক্তভাবে সেই রেনি সীজনের নিন্দাবাদ আরম্ভ করিল, তখন ঘরের মধ্যে মনের ঐক্য ও সহানুভূতিতে যে একটি আবহাওয়া সৃষ্টি হইয়াছিল, তাহা ছিড়িয়া যাইবার উপক্রম হইল। পলকের জন্য কিশোর ও সুহাসিনীর চোখাচোখি হইল কিন্তু দুজনেই তৎক্ষণাৎ যেন পরস্পরের মনের ভাব বুঝিয়া ঈষৎ লজ্জিতভাবে দৃষ্টি সরাইয়া লইল।

    অনুপমের কথার বেসুরা ভাবটা সারিয়া লইবার অভিপ্রায়ে কিশোর বলিল, আপনি সারাটা পথ কাদা ঘেঁটে আসছেন বলেই ওরকমটা মনে হচ্ছেনইলে বর্ষা ঋতুটা আমাদের তো ভালই লাগে।

    অনুপম তাচ্ছিল্যভরে বলিল, সিলি সেন্টিমেন্ট! ও-সব স্কুলমাস্টারি ঢঙ!

    কিশোর হাসিতে হাসিতে বলিল, তা হবে। এখানে কিন্তু স্কুল মাস্টারই দলে ভারী। সে যাক, কিন্তু কাজের লোক হবার কত বিপদ দেখুন! আপনাকে এই দুর্যোগ মাথায় করে বেরুতে হয়েছে, আর আমরা বেকার লোক কেমন আরামে বসে বসে গল্প করছি।

    এ কথার মধ্যে আপত্তিজনক কিছুই ছিল না, কিন্তু অনুপম মনে করিল, কিশোর তাহাকে বক্র। কটাক্ষ করিয়া আসিতেছে। তাই সে-ও কণ্ঠস্বরে তীব্র শ্লেষ পুরিয়া নীরসভাবে বলিল, তাই তো দেখছি। সন্ধ্যাটা আজকাল আপনার মন্দ কাটছে না। বলিয়া ভ্ৰভঙ্গি করিয়া একবার সুহাসিনীর দিকে তাকাইল।

    কিশোর কিন্তু সে ইশারার ধার ঘেঁষিয়াও গেল না, সহাস্যে বলিল, তা বলতে নেই—একরকম ভালই কাটছে। অন্তত উদরের দিক দিয়ে আমার অনুযোগ করবার কিছু নেই।

    তা তো বটেই! ভদ্রসমাজে মেশবার সুযোগটা ঘাড়ে চেপে আদায় করে নিচ্ছেন—চক্ষুলজ্জার বালাই নেই। কথাটা এত রূঢ় যে, বলিয়া ফেলিয়া অনুপমও যেন আড়ষ্ট হইয়া গেল। তারপর কাষ্ঠ-হাসি হাসিয়া কথাটা লঘু করিবার চেষ্টা করিল বটে, কিন্তু কৃতকার্য হইল না।

    সুহাসিনী তাহার দিকে বিস্ময়মিশ্রিত একটা ক্রুদ্ধ দৃষ্টি নিক্ষেপ করিয়া আরক্তিমমুখে তাহার দিকে সম্পূর্ণ পশ্চাৎ ফিরিয়া বসিল। কিশোর কিন্তু এ কথাও গায়ে না মাখিয়া পূর্ববৎ হাসিমুখে বলিল, চক্ষুলজ্জা থাকলেই ঠকতে হয়। আর ভদ্রসমাজে মেশবার সুযোগ পেয়েও যদি ছেড়ে দিই, তাহলে আমার মত অভাগা আর কে আছে?

    অনুপমের দিকে পিছু ফিরিয়া বসিতেই সুহাসিনীর চৌকিখানা ঠিক কিশোরের মুখোমুখি হইয়া পড়িয়াছিল। সুহাসিনী তাহার দিকে ঝুঁকিয়া বসিয়া বলিল, আমাদের যে কথা হচ্ছিল, তাই হোক। আপনার সঙ্গে যাঁকে ছাদে দেখলুম, তিনিই বুঝি আপনার বৌদি?

    অনুপমের অশিষ্ট ও যারপরনাই ইতর ইঙ্গিতে যদি সে অপমানিত বোধ করিয়া থাকে, তাহারই সংশোধনের অভিপ্রায়ে যে সুহাসিনী এতটা কাছে সরিয়া আসিয়া এমন আগ্রহভরে কথা আরম্ভ করিয়াছে কিশোর তাহা বুঝিল, বলিল, হ্যাঁ, উনিই আমার বৌদিদি।

    অনুপমের মুখের উপর কে যেন কালির উপর কালি ঢালিয়া দিতে লাগিল। সে কেবল বিদ্বেষপূর্ণ চক্ষু মেলিয়া অন্তরঙ্গভাবে কথোপকথননিরত দুজনের প্রতি চাহিয়া রহিল।

    সুহাসিনী প্রশ্ন করিল, ওঁরই বুঝি সেরাত্রে মাথা ধরেছিল?

    হ্যাঁ।

    কিন্তু কী সুন্দর দেখতে আপনার বৌদিকে চোখ যেন ফেরানো যায় না। আজ কতটুকুর জন্যেই বা দেখেছি, কিন্তু মনে হচ্ছে, ওঁর মত সুন্দরী আর কোথাও দেখিনি।

    আপনি ঠিক বলেছেন, আমার বৌদিদির মত সুন্দরী বড় একটা দেখা যায় না। বলিয়া কিশোর নিশ্বাস ফেলিল।

    কিছুক্ষণ নীরব থাকিয়া গভীর সহানুভুতিভরা দুই চোখ তুলিয়া সুহাসিনী বলিল, বয়স তো বেশী হয়নি, কতদিন ওঁর এ রকম হয়েছে?

    এ রকম–? ও বৈধব্য! তা ছমাসের বেশী হতে চলল।

    তেমনিই অনুচ্চকণ্ঠে সুহাসিনী জিজ্ঞাসা করিল, ওঁর স্বামী কি আপনার নিজের দাদা ছিলেন?

    কয়েক ঘণ্টা পূর্বের ঘটনা স্মরণ করিয়া কিশোর আর একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলিয়া বলিল, তার চেয়েও বোধ হয় বেশী আপনার ছিলেন।

    কথাটা ঠিক বুঝিতে না পারিলেও এ প্রসঙ্গ লইয়া সুহাসিনী আর প্রশ্ন করিতে পারিল না। কিশোরের পারিবারিক জীবন সম্বন্ধে আরও অনেক কথা জানিবার জন্য তাহার মন উৎসুক হইয়া উঠিয়াছিল, কিন্তু জিজ্ঞাসা করা শিষ্টতা-বিগর্হিত হইবে বলিয়া প্রশ্নগুলা তাহার ওষ্ঠাগ্রে আসিয়াও সসঙ্কোচে ফিরিয়া গেল।

    ঘরের অপর প্রান্তে অনুপম ইহাদের অনুচ্চ কথাবার্তা কিছুই শুনিতে পাইতেছিল না। উপরন্তু কী একটা কথা বিনয়বাবু তাহার কানের কাছে অনবরত বলিয়া চলিয়াছিলেন, অনুপম মাঝে মাঝে তাহার সংক্ষিপ্ত জবাব দিতেছিল বটে, কিন্তু তাহার মন ও চক্ষু অন্যত্র পড়িয়াছিল।

    দুইজন যুবক-যুবতী পরস্পরের খুব কাছাকাছি বসিয়া নীরব হইয়া থাকার মধ্যে এমন একটি নিবিড় বাণীহীন অন্তরঙ্গতা প্রকাশ পায়—যাহা কাহারও চক্ষু এড়াইবার কথা নহে। তাই দূর হইতে এই দুইজনকে সেইভাবে বসিয়া থাকিতে দেখিয়া অনুপম অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হইয়া উঠিল। সে কিছুক্ষণ ছটফট করিয়া হঠাৎ উঠিয়া দাঁড়াইয়া সুহাসিনীকে লক্ষ্য করিয়া বলিল, তোমার সঙ্গে দু-একটা কথা কইতে চাই, একবার ও ঘরে শুনে যাও।

    বিস্মিত দৃষ্টিতে ঘাড় ফিরাইয়া সুহাসিনী দেখিল, তাহারই উদ্দেশে অনুপম কথাগুলা বলিয়াছে। অনুপমের কণ্ঠস্বরে, তাহার অজ্ঞাতসারেই বোধ করি, এমন একটা আদেশের ভাব প্রকাশ পাইয়াছিল যে, মুহূর্তমধ্যে সুহাসিনীর মুখ কঠিন হইয়া উঠিল। এই হাস্যময়ী মেয়েটি যে প্রয়োজন হইলে স্ফটিকখণ্ডের ন্যায় কঠিন হইতে পারে, আজ তাহা প্রথম লক্ষ্য করিয়া কিশোর মনে মনে যেমন আশ্চর্য হইয়া গেল, তেমনই একটু পরিতৃপ্তিও অনুভব করিতে লাগিল। তাহার মনে হইল, নারীচরিত্রের একটি অপরূপ বিকাশলীলা সে দেখিতেছে। এ ক্ষেত্রে অনুপমচন্দ্র যে এই বিকাশলীলার আঘাতে ধূলিসাৎ হইবার উপক্রম করিয়াছে, তাহাতে তাহার পরিতৃপ্তির তিলমাত্র ব্যাঘাত ঘটিল না।

    সুহাসিনীকে নিশ্চেষ্ট দেখিয়া অনুপম আবার বলিল, শুনতে পেলে? একবার এ ঘরে এসো।

    সুহাসিনী দুই চোখে বিদ্রোহ ভরিয়া শক্তভাবে বলিল, আপনি কী বলতে চান এ ঘরেই বলুন, আমি শুনছি।

    যাবে না?

    না।

    অনুপমের মুখ দেখিয়া মনে হইল, সে বুঝি এবার বারুদের মত ফাটিয়া পড়িবে। সুহাসিনী তাহ গ্রাহ্য না করিয়া মুখ ফিরাইয়া বসিল; কিন্তু অনুপমের দৃষ্টি তাহাকে অতিক্রম করিয়া কিশোরের নিরপরাধ মস্তকের উপর অগ্নিবর্ষণ করিতে লাগিল। সুহাসিনী তাহাকে অপমান করিয়াছে বটে, কিন্তু এই লোকটা বসিয়া বসিয়া সেই লাঞ্ছনা দেখিতেছে এবং সম্ভবত উপভোগ করিতেছে। তাই আর সকলকে ছাড়াইয়া এই লোকটার উপরেই তাহার ক্রোধের শিখা গগনস্পর্শী হইয়া জ্বলিতে লাগিল।

    অনুপমের মুখ দেখিয়া কিশোরের ভয় হইল হয়তো এখনই সে একটা লজ্জাকর বিশ্রী কাণ্ড বাধাইয়া বসিবে। তাহার মত বাহিরের লোকের সম্মুখে পুরাতন বন্ধুদের মধ্যে পাছে একটা অশোভন। কলহ বাধিয়া যায়, তাই সে সন্ত্রস্ত হইয়া উঠিল। উপায় থাকিলে একটা ছুতা করিয়া সে পৃষ্ঠপ্রদর্শন। করিতেও দ্বিধা করিত না। কিন্তু এ সময় বিদায় লইবার চেষ্টা করিলে সেটা যে নিতান্তই পলায়নের মত দেখাইবে, তাহা বুঝিয়া সে উঠিতে পারিল না।

    নিজের উপস্থিতির জন্য কুষ্ঠিত হইয়া সে চুপি চুপি সুহাসিনীকে বলিল, অনুপমবাবু বোধ হয় অসন্তুষ্ট হচ্ছেন, আপনি একবার ও-ঘরে গেলে পারতেন।

    অধর দংশন করিয়া সবেগে মাথা নাড়িয়া সুহাসিনী শক্ত হইয়া চেয়ারে বসিয়া রহিল, উঠিল না।

    অনুপম অসীম বলে নিজেকে সংবরণ করিয়া বিনয়বাবুর দিকে ফিরিল, আপনিই চলুন তাহলে। আপনার সঙ্গেও কথা আছে।

    ভিতরে ভিতরে কী একটা গোলমাল পাকাইয়া উঠিতেছে তাহা স্পষ্টভাবে না বুঝিলেও বিনয়বাবু উদ্বিগ্ন হইয়া উঠিতেছিলেন।

    পাশের ঘরটা বিনয়বাবুর লাইব্রেরি। সেখানে ঢুকিয়া দরজা ভেজাইয়া দিবার পর কিশোর ও সুহাসিনী আগের মতই মৌন হইয়া রহিল। খানিক পরে কিশোর নড়িয়া-চড়িয়া অনুতপ্ত স্বরে বলিল, আমার বোধ হয় উঠে যাওয়া উচিত ছিল। আমি বাইরের লোক—আমার সামনে কথা বলতে ওঁর অসুবিধা হচ্ছিল–

    সুহাসিনী তীক্ষকণ্ঠে বলিল, আপনি যেমন বাইরের লোক, উনিও তো তাই।

    তা হলেও কিশোর দুঃখিতভাবে ঘাড় নাড়িল।

    আরও কিছুক্ষণ নির্বাকভাবে বসিয়া থাকিবার পর সুহাসিনীর হঠাৎ খেয়াল হইল যে, এ ঘরে তাহারা দুজন ছাড়া আর কেহ নাই এবং তাহারা পরস্পরের অত্যন্ত ঘেঁষাঘেঁষি হইয়া বসিয়া আছে। সুহাসিনীর শরীরের উপর দিয়া লজ্জার একটা ঢেউ বহিয়া গেল। সে তাড়াতাড়ি উঠিয়া পড়িল এবং ঘরময় এটা-ওটা নাড়িয়া ঘুরিয়া বেড়াইয়া শেষে দূরের একটা চেয়ারে গিয়া বসিল।

    বিনয়বাবু ও অনুপম ফিরিয়া আসিতেই কিশোর উঠিয়া দাঁড়াইয়া বলিল, আজ তাহলে উঠি। রাতও অনেক হল, প্রায় সাড়ে নটা বাজে। বলিয়া একবার দুই করতল একত্র করিয়া ঘর হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া গেল।

    সুহাসিনী বাপের দিকে তীক্ষ দৃষ্টিপাত করিয়া দেখিল তাঁহার মুখ গম্ভীর এবং তাহার উপর একটা বিষণ্ণতার ছায়া পড়িয়াছে। কিন্তু তিনি কোন কথা না বলিয়া আস্তে আস্তে নিজের কেদারায় গিয়া বসিলেন, অনুপমও বোধ করি আবার বসিবার উপক্রম করিতেছিল, কিন্তু সুহাসিনীকে অধীরভাবে ঘড়ির দিকে দৃষ্টিপাত করিতে দেখিয়া সে আর বসিতে পারিল না; অনিশ্চিতভাবে কিছুকাল দাঁড়াইয়া থাকিয়া অবশেষে হঠাৎ একটা শুভ নিশি জানাইয়া প্রস্থান করিল।

    ইহারা চলিয়া যাইবার পর আরও খানিকক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া, গলাটা একবার সাফ করিয়া বিনয়বাবু বলিলেন, তোমার মা আজ বেঁচে থাকলে এ-সব ভাবনা কিছুই আমাকে ভাবতে হত না, তিনিই সব করতেন। কিন্তু তিনি যখন নেই তখন যেমন করে তোক আমাকে করতে হবে। অথচ সংসারের এ সমস্ত ব্যাপারে আমি একেবারেই–

    কথাটা সমাপ্ত হইল না। বিনয়বাবু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলিলেন।

    অনুপম তাঁহার কাছে সুহাসিনীর সহিত বিবাহের প্রস্তাব করিয়াছিল। প্রস্তাবটা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত না হইলেও, এমন খোলাখুলিভাবে স্বয়ং পাত্রের নিকট হইতে তিনি প্রত্যাশা করেন নাই। অভিনবপন্থী হইলেও বিনয়বাবু হিন্দুতাই বিবাহের প্রস্তাব কন্যাপক্ষের দিক হইতে আসাই তাঁহার কাছে শোভন ও সুষ্ঠু ঠেকে। অথচ কন্যাপক্ষের দিক হইতে কন্যার আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত তিনি যে বিন্দুমাত্র উদ্যোগ বা চেষ্টা করেন নাইপ্রমক্রমেও সৎপাত্রের অনুসন্ধান করেন নাই—এ আত্মগ্লানিও প্রচ্ছন্নভাবে তাঁহার অন্তরে বিদ্যমান ছিল। তাই অনুপমের প্রস্তাব নেহাত নির্লজ্জ বলিয়া প্রতিভাত হইলেও, তাঁহার নিজের দিক হইতে যখন কোন উদ্যোগই নাই, তখন অন্যের উদ্যোগে দোষ ধরিতে তিনি কুণ্ঠিত হইলেন। কিন্তু সহসা অনুপমকে কথা দিতেও পারিলেন না। অনুপমের চেয়ে সুপাত্র যে বঙ্গদেশে বিরল নহে, এ জ্ঞান বিনয়বাবুর মত ভাল মানুষেরও ছিল; তাই নিজের অক্ষমতার দোষে, যে ব্যক্তি প্রথম পাণিপ্রার্থনা করিল তাহারই হস্তে কন্যাসমর্পণের প্রতিশ্রুতি দিতে পারিলেন না। অনুপমকে বলিলেন, আচ্ছা, আমি সুহাসের মন বুঝে তোমাকে বলব। মনে মনে ভাবিলেন, সুহাস বড় হইয়াছে, সে যদি স্বেচ্ছায় পছন্দ করিয়া রাজী হয়, তবে তাঁহার আর, ক্ষোভ করিবার কিছু থাকিবে না।

    কিন্তু তবু তাঁহার সঙ্গিহীন পিতৃহৃদয় কন্যার সহিত আসন্ন বিচ্ছেদের চিন্তায় ম্রিয়মাণ ও ব্যথাতুর হইয়া উঠিল।

    সুহাসিনীও তাঁহার অসম্পূর্ণ ভূমিকার কোন অর্থ হৃদয়ঙ্গম করিতে না পারিয়া আশঙ্কায় পূর্ণ হইয়া উঠিয়াছিল, উৎকণ্ঠিতভাবে জিজ্ঞাসা করিল, কী হয়েছে, বাবা? অনুপমবাবু কী বলে গেলেন?

    বিনয়বাবু কন্যার দিকে না তাকাইয়া চুলের মধ্যে অঙ্গুলি চালনা করিতে করিতে বলিলেন, অনুপম তোমার সঙ্গে তার বিবাহের প্রস্তাব করে গেল। তা—আমি তাকে বলেছি, এ বিষয়ে তোমার মতামত জেনে–

    অজ্ঞাতে সাপের ঘাড়ে পা দিয়া মানুষ যেমন চমকাইয়া উঠে, সুহাসিনী তেমনই করিয়া দাঁড়াইয়া উঠিল। আজ এ বাড়িতে প্রবেশ করিয়া অবধি অনুপম অনেক ধৃষ্টতা করিয়াছে বটে, কিন্তু এই শেষ ধৃষ্টতা সুহাসিনীর কাছে যেন তাহার সকল স্পর্ধাকে লঙ্ঘন করিয়া গেল।

    এ হতে পারে না। তুমি—তাঁকে বলে দিও-এ অসম্ভব। বলিয়া উত্তরের প্রতীক্ষা না করিয়া সে ঘর ছাড়িয়া চলিয়া গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }