Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প218 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. কাব্যশাস্ত্র ও গল্প-উপন্যাসের সরস পৃষ্ঠা

    কাব্যশাস্ত্র ও গল্প-উপন্যাসের সরস পৃষ্ঠা হইতে প্রণয়রূপী দেবতাটির পরিচয় আমাদের সকলেরই অল্পবিস্তর জানা আছে। বাস্তব-জগতে এই ধনুর্ধর দেবতা যখন আমাদের পরিচিত কাহারও উপর অত্যাচার উৎপীড়ন আরম্ভ করেন, তখন তাঁহাকে চিনিতে আমাদের তিলার্ধ বিলম্ব হয় না। কিন্তু পরিহাস এই যে, ইনি যখন একদিন সহসা হাস্যমুখে আমাদেরই দ্বারে আসিয়া দাঁড়ান, তখন অনেকেই তাঁহাকে চিনিয়া লইতে পারি না।

    পুরুষ—বিশেষ করিয়া যুবাপুরুষ সম্বন্ধে সুহাসিনীর মন এতদিন একপ্রকার উদাসীন নিষ্ক্রিয় হইয়াই ছিল। তাহাদের চালচলন কথাবার্তা মাঝে মাঝে বৈচিত্র্যপূর্ণ ও কৌতুকাবহ মনে হইলেও কোনদিন ইহাদের প্রতি একটা স্থায়ী আকর্ষণ সে অনুভব করে নাই। জগতের অন্যান্য বহু কোটি প্রাণবন্ত জীবের মত এগুলিকেও সে ভগবানের একপ্রকার সৃষ্টি বলিয়া নিরুৎসুক চিত্তে ও বিনা আপত্তিতে স্বীকার করিয়া লইয়াছিল, সম্প্রদায়-হিসাবে ইহাদের প্রতি বিরাগ বা অনুরাগ কিছুই অন্তরে। পোষণ করে নাই। অনুপমকেও সে সহজভাবে সরল চিত্তে এই যুবকজাতির পঙক্তিভুক্ত করিয়া নিশ্চিন্ত হইয়াছিল।

    কিন্তু এতদিন পরে কিশোর নামক একটি যুবক আসিয়া তাহার পূর্বধৃত সমস্ত ধারণা ওলট-পালট করিয়া দিল। সর্ববিষয়ে যুবসম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হইয়াও লোকটি যেন নিজের কোন বৈশিষ্ট্যের প্রভাবে একেবারে শ্ৰেণীমুক্ত হইয়া পৃথকভাবে দেখা দিল। যুবক বটে—তবু যেন সে সাধারণ যুবক নহে। অন্যান্য সকলের সহিত তাহার যেন মস্ত একটা স্বাতন্ত্র্য আছে। সুহাসিনীর কৌমার্যের নির্বিকার যোগনিদ্রা ভাঙিয়া গেল। প্রথমে বিস্ময়, তারপর কৌতূহল এবং সর্বশেষে অদম্য আগ্রহ তাহার দেহ-মনকে অহরহ কিশোরের দিকে দুর্বার শক্তিতে টানিতে লাগিল।

    দুইটি মানুষের মধ্যে পরিচয়ের একটা অবস্থা আছে যখন পরস্পর সম্বন্ধে জ্ঞাতব্য বিষয় ও জানিবার স্পৃহা দুইই নিঃশেষ হইয়া যায়; তখন তাহাদের মধ্যে সত্যকার সম্বন্ধ স্থাপিত হয়—তা সে শত্রুতা, বন্ধুত্ব বা নির্লিপ্ততা যাহাই হউক। কিন্তু যেখানে তাহা হয় না, যেখানে জানিবার তৃষ্ণা জ্ঞানের সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়িয়া উঠিতে থাকে, কিছুতেই নিবৃত্ত হইতে চায় না, সেখানে জিজ্ঞাসু ব্যক্তিটির মনোভাব লইয়া সতর্কভাবে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন হইয়া পড়ে।

    কিন্তু জাহাজের দিগদর্শন যন্ত্রের কাঁটার মত যাহার মন সকল কাজে অকাজে পাশের একখানা বাড়ির পানে স্থির-নিশ্চল হইয়া আছে, আর একজনের কলেজ যাইবার ও সেখান হইতে ফিরিবার সময়টাতে যাহাকে কোন অদৃশ্য শক্তি ঘাড় ধরিয়া আনিয়া শয়নঘরের জানালার পাশে দাঁড় করাইয়া দেয়, একজনের সহসা শ্রুত কণ্ঠস্বর যাহার বুকে মুগুরের মত ঘা মারিয়া নিশ্বাস রোধ করিয়া দিবার। উপক্রম করে এবং প্রভাতে শয্যাত্যাগের পর হইতেই যে উৎকণ্ঠিতা সন্ধ্যার একটি মধুময় প্রহরের জন্য উৎসুক প্রতীক্ষায় উন্মনা হইয়া থাকে, তাহার তত্ত্ব অনুসন্ধান করিতে যাওয়া নিতান্তই একটা অনাবশ্যক বাহুল্য বলিয়া মনে হয়।

    মনের এইরূপ অবস্থার কথা সুহাসিনী কিন্তু কিছুই জানিতে পারে নাই। নিজের চিত্ত বিশ্লেষণ করিবার তাহার বয়স নহে, অপরূপ অনুভূতির আনন্দেই সে বিভোর হইয়াছিল। তাই আর কাহারও চক্ষু দিয়া সে যদি আজ নিজের মনটা দেখিতে পাইত, তাহা হইলে বোধ করি লজ্জায় মরিয়া যাইত। বাড়িতে অন্য স্ত্রীলোক বা সমবয়স্কা মেয়ে থাকিলেও হয়তো হাসিঠাট্টার ভিতর দিয়া সে নিজের কাছে ধরা পড়িয়া যাইত। কিন্তু সেরূপ কেহ না থাকায়, জীবনের এত বড় পরিবর্তনটা তাহার কাছে। অজ্ঞাত রহিয়া গেল।

    সেদিন দুপুরবেলা আহারাদির পর বিনয়বাবু নিজের ঘরে বিশ্রাম করিতেছিলেন, সুহাসিনী একা এই দীর্ঘ অলস বেলাটা কি করিয়া কাটাইবে ভাবিতে ভাবিতে নিজের ঘরের শয্যার উপরে বুকের তলায় একটা বালিশ দিয়া শুইয়া একখানা বই লইয়া নাড়াচাড়া করিতেছিল, এমন সময় দরজার বাহির হইতে ঝির গলা শুনিতে পাইল, এই যে মা, এ দিকে আসুন। দিদিমণি নিজের ঘরে রয়েছেন।

    কে আগন্তুক আসিয়াছে, দেখিবার জন্য সুহাসিনী বই ফেলিয়া উঠিয়া বসিতেই পর্দা সরাইয়া বিমলা প্রবেশ করিল। সাদা থান ও শেমিজ, মাথার চুলগুলা টান করিয়া পিছনদিকে জড়ানো, গলায় কেবল ইষ্টকবচযুক্ত একগাছি সরু সোনার হার,—তাহাকে দেখিয়া সুহাসিনী কিছুক্ষণ মুগ্ধের মত বিস্ফারিত দৃষ্টিতে চাহিয়া রহিল, সম্ভাষণ করিতেও ভুলিয়া গেল। তারপর তাড়াতাড়ি উঠিয়া আসিয়া তাহার হাত ধরিয়া বলিল, আসুন। আপনাকে আমি চিনতে পেরেছি, আপনি কিশোরবাবুর বৌদিদি।

    কথাটা বলিতে বলিতে পলকের জন্য সুহাসিনীর চোখ দুটি যেভাবে অবনত হইয়া পড়িল, তাহা বিমলার চক্ষু এড়াইল না। সে বলিল, আমার বড় অন্যায় হয়ে গেছে, ঢের আগেই আমার আসা উচিত ছিল। কিন্তু আমার দেওরটি তোমাদের ওপর যে রকম উৎপাত আরম্ভ করেছেন, তার সঙ্গে আমিও যদি আবার যোগ দিই, তাহলে তোমাদের পাড়া ছেড়ে পালাতে হবে, এই ভয়ে এতদিন আসিনি।

    হাত ধরিয়া তাহাকে নিজের বিছানায় বসাইয়া সুহাসিনী মৃদুহাস্যে বলিল, এ রকম উৎপাত যদি মাঝে মাঝে করেন তবেই আপনাদের পাড়ায় থাকব, নইলে সত্যিই উঠে যেতে হবে।

    বিমলা জিজ্ঞাসা করিল, পাড়ার আর কারুর সঙ্গে আলাপ হয়নি বুঝি?

    না। এসে পর্যন্ত একেবারে একলা পড়ে গেছি।

    অতঃপর সহজেই আলাপ জমিয়া উঠিল। কারণ, দুইদিকেই ভাব করিবার আগ্রহ সমান। সুহাসিনী লক্ষ্য করিয়া দেখিল, বিমলা শুধু অসামান্য রূপবতী নয়, অতিশয় সুশিক্ষিত এবং কথাবার্তায় বিশেষ রকম পরিমার্জিত। তাহার কথার মধ্যে বুদ্ধির এমন একটি অনাড়ম্বর অথচ সহজ স্বাতন্ত্র আছে যে, সুহাসিনী বিস্মিত না হইয়া পারিল না। ঘণ্টাখানেক গল্পসল্প করিবার পর তাহার দৃঢ় ধারণা জন্মিল যে, এত সুন্দরী, এরূপ বুদ্ধিমতী এমন মধুর প্রকৃতির স্ত্রীলোক সে আর কখনও দেখে নাই।

    ইহাদের কথাবার্তা খুব সাধারণ গোছেরই হইল। প্রায় সমবয়স্কা দুটি যুবতী একত্র হইলে যেরূপ আলাপ সাধারণত হইয়া থাকে, এখানেও তাহার ব্যতিক্রম হইল না। লেখাপড়ার কথা, সেলাইয়ের কথা, সংসারের কথা, সুহাসিনীর মাতার মৃত্যুর কথা ইত্যাদি নানা প্রকার বিশ্রম্ভ আলোচনার মধ্য দিয়া দুজনেরই দুজনকে এমন ভাল লাগিয়া গিয়াছিল যে, পাশের ঘরের ঘড়িতে ঢং ঢং করিয়া দুটা বাজিতেই বিমলা চমকিয়া উঠিয়া দাঁড়াইল, বলিল, আর তো ভাই বসতে পারব না, ঠাকুরপোর আসবার সময় হল।

    হ্যাঁ, আজ বিদ্যুত্বর, আজ তো তিনটের সময়–এই পর্যন্ত বলিতেই কে যেন সুহাসিনীর জিভ চাপিয়া ধরিল। বিমলা লক্ষ্যই করে নাই এমনই ভাবে বলিল, হ্যাঁ, আজ ওঁকে শেষের একটা ক্লাস নিতে হয় না, তিনটের মধ্যেই ফেরেন। —আচ্ছা ভাই, আসি তাহলে। আমাদের গল্প শেষ হল না, আর একদিন হবে। এবার কিন্তু তোমায় যেতে হবে। পালটা না দিলে আসব না, তা বলে দিচ্ছি!

    কেবলমাত্র একটা আচ্ছা ছাড়া সুহাসিনী আর কিছু বলিতে পারিল না, বেফাঁস কথাটা বলিয়া অবধি তাহার বুক ধড়াস ধড়াস করিতেছিল।

    নীচে সদরের বারান্দা পর্যন্ত গিয়া হাসিমুখে ফিরিয়া দাঁড়াইয়া বিমলা বলিল, আচ্ছা চললুম, মনে থাকে যেন, সুহাস।

    সুহাসিনী একটু লাল হইয়া, একটু ইতস্তত করিয়া জিজ্ঞাসা করিল, আমি আপনাকে কী বলে ডাকব?

    তাহার অবনত মুখের পানে চাহিয়া বিমলা বলিল, তুমি আমাকে দিদি বলে ডেকো।

    পথে তখন বেশী লোক-চলাচল ছিল না, মাথায় আচঁলটা একটু টানিয়া দিয়া বিমলা ত্বরিতপদে রাস্তাটুকু পার হইয়া নিজের বাড়িতে গিয়া ঢুকিল।

    তাহাকে বিদায় দিয়া ঘরে ফিরিয়া আসিয়া পুনরায় শয্যার উপর বসিবার উপক্রম করিতেই সম্মুখেই বড় আয়নায় নিজের প্রতিবিম্বখানা সুহাসিনীর চোখে পড়িল। সেইদিকে তাকাইয়া নিজের অজ্ঞাতসারে সে একটা নিশ্বাস ফেলিল। তাহার মনে হইল, তাহার মত কুৎসিত কুরূপা পৃথিবীতে বুঝি আর দ্বিতীয় নাই।

    সন্ধ্যার পর নিত্য-নৈমিত্তিক বৈঠক বসিয়াছিল। বর্তমান বিজ্ঞানের ধারা লইয়া কিশোর ও বিনয়বাবুতে তর্ক এবং গবেষণা চলিতেছিল, অদূরে একখানা চৌকিতে করতলে চিবুক রাখিয়া সুহাসিনী চুপ করিয়া বসিয়া শুনিতেছিল। কিন্তু যত না শুনিতেছিল, একজন তার্কিকের বলিষ্ঠ দেহ, সুযুক্তিপূর্ণ বাক্য, বহুবিস্তৃত জ্ঞান ও নির্মল অন্তঃকরণের কথা ভাবিতে ভাবিতে বিভোর তন্ময় হইয়া পড়িয়াছিল।

    কী একটা তকাধীন কথার কোনরূপ নিষ্পত্তি ও মতের ঐক্য না হওয়ায় কিশোর হঠাৎ তাহার দিকে ফিরিয়া জিজ্ঞাসা করিল, আপনি কী বলেন?

    চটকা ভাঙিতেই সুহাসিনীর জ্ঞান হইল যে, সে এতক্ষণ আত্মবিস্মৃত হইয়া কিশোরের মুখের পানে তাকাইয়া বসিয়াছিল, একটা কথাও শুনিতে পায় নাই। লজ্জা ঢাকিবার জন্য তাড়াতাড়ি ঘাড়টা অন্যদিকে ফিরাইয়া সে বলিল, আপনাদের কী তর্ক, আমি তাই বুঝতে পারছি না।

    কেন বুঝতে পারছেন না? কিশোর চেয়ারের মুখ তাহার দিকে ফিরাইয়া বসিয়া বলিল, এ তো খুব সহজ কথা। উনি বলছেনবলিয়া আলোচ্য বিষয়টা আবার বিশদ করিয়া বিবৃত করিতে যাইবে, এমন সময় দরজার কাছে গাড়ি থামার একটা শব্দ শুনা গেল এবং অনতিকাল পরে অনুপমের মাতা হেমাঙ্গিনী দেবী প্রবেশ করিলেন।

    কুঁচাইয়া পরা গরদের সরু পাড় ধুতি, গায়ে অনুরূপ ব্লাউজ এবং পায়ে বনাতের চটিজুতা পরিয়া হেমাঙ্গিনী হিন্দু বিধবার আচার ও আধুনিক শিষ্ট সমাজের সভ্যতা এই দুয়ের মধ্যে একটা রফা করিয়া লইয়াছিলেন। তিনি আসিতেই সকলে সসম্রমে উঠিয়া দাঁড়াইলেন। সুহাসিনী কাছে আসিয়া প্রণাম করিল, তিনি তাহার গণ্ডে একটি লৌকিক চুম্বন দিয়া বলিলেন, ওঁর নাকি আবার শরীর খারাপ হয়েছে? বলিয়া ইঙ্গিতে বিনয়বাবুকে দেখাইলেন।

    সুহাসিনী বিস্মিত হইয়া বলিল, কৈ, না। বাবা তো বেশ ভালই আছেন।

    বিনয়বাবু সে কথার সমর্থন করিয়া বলিলেন, এখানে এসে অবধি হাঁপানিটা আর চাগায়নি।

    স্বস্তির নিশ্বাস ফেলিয়া একটা চেয়ারে বসিয়া হেমাঙ্গিনী বলিলেন, তবু ভাল। কে যেন বললে—তাই শুনে পর্যন্ত মনটা ছটফট করছিল। নানান কাজে আসতে পারিনি। আজ আর থাকতে পারলাম না, ভাবলুম, একবারটি গিয়ে দেখে আসি, কচি মেয়েটা একলা না জানি কত কষ্টই পাচ্ছে। আর তো সুজাতা নেই— বলিয়া তিনি আর একটা দীর্ঘনিশ্বাস ত্যাগ করিলেন।

    সুজাতা সুহাসিনীর মায়ের নাম।

    এই সময় সম্মুখে কিয়দূরে উপবিষ্ট কিশোরের উপর দৃষ্টি পড়ায় তিনি সুহাসিনীকে নিম্নস্বরে জিজ্ঞাসা করিলেন, চিনি-চিনি মনে হচ্ছে—ছেলেটি কে বলো তো?

    নিজের ত্রুটি এতক্ষণে চোখে পড়ায় বিনয়বাবু তাড়াতাড়ি উঠিয়া দুজনের পরিচয় করাইয়া দিলেন। কিশোর কপালে হাত ঠেকাইয়া নমস্কার করিল। হেমাঙ্গিনী খুব জোরে হাসিয়া উঠিয়া বলিলেন, আপনি কিশোরবাবু? সেদিন রাত্রে মিছিমিছি কী ভয়টাই আমরা পেয়েছিলুম। অনুপমের মুখে আপনার সব কথা শুনেছি। বড় খুশি হলাম।

    কিশোর বিনীতভাবে চুপ করিয়া রহিল, কিন্তু তাহার মনটা হঠাৎ কেমন খারাপ হইয়া গেল। প্রথম-দর্শনেই কাহারও সম্বন্ধে কোন প্রকার ধারণা করিয়া লওয়া অনুচিত, কিন্তু এই স্ত্রীলোকটির গোঁফ কামানো পুরুষের মত মুখ ও উগ্র হসি তাহার আদৌ ভাল লাগিল না। মনমরা হইয়া সে ভাবিতে লাগিল, ইহার সহিত পরিচয়ের সুযোগ না হইলেই বোধ হয় ভাল হইত।

    বিনয়বাবু কিন্তু হাঁফ ছাড়িয়া আবার প্রফুল্ল হইয়া উঠিলেন। বস্তুত হেমাঙ্গিনীকে সহসা আবির্ভূত হইতে দেখিয়া তিনি অতিমাত্রায় উৎকণ্ঠিত হইয়া উঠিয়াছিলেন। সেই যে অনুপম বিবাহের প্রস্তাব করিয়া চলিয়া গিয়াছিল, তারপর আর আসে নাই; বিনয়বাবু চিঠি লিখিয়া তাহাকে সুহাসিনীর অমত জানাইয়া দিয়াছিলেন। তারপরও কয়েক দিন গত হইয়াছে। কিন্তু ওদিক হইতে কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায় নাই। তাই আজ হেমাঙ্গিনীকে দর্শনমাত্র তাঁহার মনে একটা অনির্দিষ্ট আতঙ্কের সঞ্চার হইয়াছিল। স্বর্গগতা স্ত্রীর এই বান্ধবীটিকে তিনি মনে মনে ভয় করিতেন। কিন্তু যখন দেখিলেন যে, হেমাঙ্গিনী বেশ সহজভাবে হাসিমুখে কথা কহিতেছেন, তখন তাঁহার স্বাভাবিক প্রফুল্লতা আবার ফিরিয়া আসিল।

    সাধারণভাবে আবার কথাবার্তা আরম্ভ হইল, শুধু সুহাসিনী তাহাতে যোগ দিতে পারিল না; আস্তে আস্তে সরিয়া গিয়া কোণের একটা চৌকিতে মৌন হইয়া বসিয়া রহিল।

    ক্রমশ দেখা গেল যে, বিনয়বাবুও কখন অলক্ষ্যে আলাপ-আলোচনার মধ্য হইতে বাদ পড়িয়া গিয়াছেন, শুধু কিশোর আর হেমাঙ্গিনীতে কথা চলিতেছে; অর্থাৎ হেমাঙ্গিনী ঘুরাইয়া ফিরাইয়া নানা প্রকার প্রশ্ন করিতেছেন এবং কিশোর তাহার উত্তর দিতেছে। হেমাঙ্গিনীর ভাবভঙ্গি দেখিয়া অনুমান হইতে লাগিল যে, এই প্রিয়দর্শন ছেলেটিকে দেখিবামাত্র তাঁহার মাতৃহৃদয়ের বহুকালসঞ্চিত স্নেহ। অকস্মাৎ প্রচণ্ড বেগে উথলিয়া উঠিয়াছে, তাই আজ তাহার নাড়ীনক্ষত্র না জানিয়া তিনি ক্ষান্ত হইবেন না।

    মা নেই—আহা মরে যাই। মুখখানিকে নিরতিশয় করুণ ও ব্যথিত করিয়া বলিলেন, যার মা নেই, তার কেউ নেই। মা-মরা ছেলে দেখলেই আমার বুকের ভিতরটা কেমন করতে থাকে।তা, তোমার বাবা আবার সংসার করেছেন বুঝি?

    ঘাড় নাড়িয়া কিশোর জানাইল—হ্যাঁ।

    বিজ্ঞভাবে শিরঃসঞ্চালন করিয়া হেমাঙ্গিনী কহিলেন, তাই। ও তো জানা কথা—দোজ-পক্ষে বিয়ে করলে আগের পক্ষের ছেলেমেয়ে পর হয়ে যায়—এ আমি ঢের দেখেছি। এ তো নতুন কিছু নয়, বাবা। তোমার সৎমার আবার ছেলেপুলে হয়েছে তো?

    কিশোর বলিল, হ্যাঁ। কিন্তু আমি বাবার পর হয়ে গেছি, একথা আপনি মনে করছেন কেন?

    হয় বাবা, অনেক দেখেছি, জানি কিনা। আর তাই যদি না হবে, তুমি এখানে একটি বাসা নিয়ে রয়েছ, তিনি কি তোমার কাছে এসে থাকতে চাইতেন না?

    কিশোর কহিল, ও অঞ্চলে আমাদের কিছু জমিদারি আছে, তাই দেখতে শুনতে হয় বলে তিনি এখানে থাকতে পারেন না। তা ছাড়া–

    বিস্ময়ে চোখ তুলিয়া হেমাঙ্গিনী বলিলেন, জমিদারি আছে? তবে তোমার চাকরি করবার দরকার?

    এ প্রশ্নের জবাব দেওয়া কঠিন। শুধু টাকার লোভে যে সকল মানুষ কাজ করে না, কর্মের প্রতি নিঃস্বার্থ অনুরাগও যে সম্ভব, একথা ইহাকে বুঝাইবার চেষ্টা পণ্ডশ্রম মাত্র। উপরন্তু এই নাছোড়বান্দা জেরায় সে পরিশ্রান্ত হইয়া পড়িয়াছিল, তাই প্রসঙ্গটাকে শেষ করিয়া ফেলিবার উদ্দেশ্যে বলিল, আমার ভাল লাগে, তাই কাজ করি; তা ছাড়া আমি তো একলা থাকি না, আমার বৌদিদি থাকেন— বলিয়া ফেলিয়াই কিশোর ত্রস্ত হইয়া উঠিল। এই নৃতন সুত্র ধরিয়া যে আর এক প্রস্ত জেরা আরম্ভ হইবে, তাহা বুঝিতে পারিয়া সে তাড়াতাড়ি বিনয়বাবুর দিকে ফিরিয়া কী একটা অন্য কথা বলিতে গেল, কিন্তু তাহাকে সে অবসর না দিয়া হেমাঙ্গিনী পুনশ্চ বলিলেন, বৌদিদি? কিন্তু তুমি যে বললে, তোমার বড় ভাই কেউ নেই। তা তোমার দাদাও কি তোমার সঙ্গেই থাকেন?

    বিরক্তি চাপিয়া কিশোর বলিল, না, আমার বৌদি বিধবা।

    বিধবা-কিছুক্ষণ নির্বাক থাকিয়া যেন কী চিন্তা করিতে করিতে বলিলেন, সেই কথাই তো ভাবছিলাম, তুমি ছেলেমানুষ, একলা থাক, শুধু বামুন-চাকরের ওপর কি নির্ভর করা চলে? একজন। গিন্নীবান্নী মেয়েমানুষ বাড়িতে চাই বৈকি। তাঁর হাতেই বুঝি সংসার? তা—তাঁর ছেলেপুলে নেই বুঝি? কত বয়স হবে?

    প্রশ্নগুলা যে নিঃস্বার্থ কৌতূহল-প্রণোদিত নহে এ সন্দেহ কিশোরের অন্তরে উঁকি মারিতেছিল, এবার সে একেবারে অধৈর্য হইয়া পড়িল, বলিল, আমাকে মাপ করবেন, কিন্তু সারাক্ষণ নিজের সম্বন্ধে আলোচনা করতে আমি বড় লজ্জা পাচ্ছি। আপনারাও নিশ্চয় মনে মনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।

    হেমাঙ্গিনী বলিলেন, না বাবা, তোমার কথায় আমি বড় আনন্দ পাচ্ছি।

    সে আমার সৌভাগ্য। কিন্তু এঁরা তো ক্লান্তি বোধ করতে পারেন। বলিয়া ঘরের বাকী দুইজন লোককে নির্দেশ করিল।

    কিশোরের দিকে একটা মর্মভেদী তীক্ষ দৃষ্টি নিক্ষেপ করিয়া হেমাঙ্গিনী আর কিছু বলিলেন না। আজ তিনি এ বাড়ির আবহাওয়া বুঝিতে আসিয়াছিলেন, কিন্তু বিশেষ করিয়া পুত্রের প্রতিদ্বন্দ্বী এই যুবকটিকে ভাল করিয়া পরীক্ষা করাই ছিল তাঁহার মুখ্য উদ্দেশ্য।

    অনুপম সে রাত্রির ঘটনা প্রথমে মাতার কাছে গোপন করিয়াছিল। কাজটা যে ঠিক হয় নাই, করিয়া ফেলিবার পরই সে বুঝিয়াছিল। তারপর যখন বিনয়বাবুর চিঠি গেল, তখন আর কোন কথাই চাপা রহিল না। অনিচ্ছুক পুত্রের নিকট হইতে খুঁটিনাটি সমস্ত জানিয়া লইয়া হেমাঙ্গিনী বিরক্ত হইয়া বলিলেন, তুই যেমন বোকা, তেমনি বেহায়া। নিজের মুখে মেয়ের বাপের কাছে বিয়ের কথা তুলতে তোর লজ্জা হল না? ভাগ্যে সুজাতা বেঁচে নেই,নইলে আমার আজ মাথা কাটা যেত। এই সব কথা—এই লোকটার ব্যাপার—এতদিন আমাকে বলিসনি কেন?

    বয়ঃপ্রাপ্ত পুত্রের সহিত তিনি অন্তরালে এমন ব্যবহার করিতেন, যেন সে পাঁচ বছরের একটা নিবোধ শিশু।

    বিনয়বাবুর বেশ টাকাকড়ি আছে, একথা চেনা-পরিচিত সকলেই জানিত; তিনি বৃদ্ধ হইয়াছেন এবং সুহাসিনী তাঁহার একমাত্র সন্তান—এই তিনটি তত্ত্বের যাহা অনিবার্য যোগফল, তাহাও নিতান্ত গণ্ডমূখ ছাড়া কাহারও অবিদিত থাকিবার কথা নহে। সুতরাং রঙের উপর রসানের মত সুহাসিনীর সহিত অনুপমের বিবাহ যে হেমাঙ্গিনীর একান্ত অভিপ্রেত ছিল, তাহা লিখিয়া প্রকাশ না করিলেও কোন ক্ষতি ছিল না।

    তিন-চারিদিন ধরিয়া সমস্যাটিকে চতুর্দিক হইতে ভাল করিয়া বিবেচনা করিবার পর তিনি নিজেই অকুস্থল পরিদর্শনের জন্য আসিলেন, কিন্তু অনুপমের প্রস্তাব ও প্রত্যাখ্যান সম্বন্ধে যে ঘুণাক্ষরেও কিছু জানেন, তাহার আভাসমাত্র দিলেন না।

    কথায় কথায় আরও কিছুকাল কাটিল। আজিকার সন্ধ্যাটা ব্যর্থ হইল, এইরূপ মনোভাব লইয়া কিশোর প্রস্থান করিবার পর, হেমাঙ্গিনী দ্বারের দিকে চাহিয়া থাকিয়া যেন নিজমনেই বলিলেন, ছেলেটি বেশ, কিন্তু বাপের সঙ্গে বনে না। ভিতরে কিছু কথা আছে।

    কিছু কুষ্ঠিতভাবে বিনয়বাবু বলিলেন, বনে না, তেমন কথা তো কিছু বললে না।

    হেমাঙ্গিনী বলিলেন, বাইরের লোকের কাছে কি সে কথা বলতে পারে? কিন্তু আমি বলে দিলুম, দেখে নিও, ভিতরে কোন কথা আছে। বলিয়া সুহাসিনীর দিকে চাহিয়া গম্ভীরভাবে ঘাড় নাড়িলেন।

    এইরূপে, ভদ্রভাবে কিশোরের যতটা অনিষ্ট করা যাইতে পারে, তাহা করিয়া, পিতার স্বাস্থ্য সম্বন্ধে সুহাসিনীকে খুব সাবধান করিয়া দিয়া এবং শীঘ্রই আবার আসিবেন, এই আশ্বাস প্রদান করিয়া তিনি ছ্যাকড়া গাড়ি চড়িয়া প্রস্থান করিলেন।

    সুহাসিনীর মনের অবস্থা যে ঠিক কোথায় আসিয়া দাঁড়াইয়াছে এবং তাহার হৃদয় লইয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কিশোর যে কিরূপ গুরুতর প্রতিপক্ষ, তাহা তাঁহার মত শাণিত বুদ্ধিশালিনী রমণীর আন্দাজ করিতে বিলম্ব হয় নাই। তাই গাড়ির মধ্যে খাড়া বসিয়া ভু কুঞ্চিত করিয়া ভাবিতে ভাবিতে তিনি বাড়ি গিয়া পৌঁছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }