Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ১০

    পর্ব ১০

    এ কথা বলে লোকটা একটু থামল। তারপর বলল, ‘আপনারা আমার কুমির খামার দেখতে যাবেন?’ ট্যুরিস্টরা দেখতে যায়। এখান থেকে মাত্র পনেরোকুড়ি মিনিটের পথ। আমার গাড়ি আছে। খামার দেখার জন্য ট্যুরিস্টদের থেকে চার ডলার করে নিই। আপনারা দু’ডলার করে দিলেই হবে। কারণ, আমি এখন সেখানেই যাচ্ছি। আমার গাড়িই আবার আপনাদের এখানে নামিয়ে দিয়ে যাবে।’

    বুলের কথার পর নারেঙ বলল, ‘চলুন না, আমিও সেখানে যাচ্ছি। একসঙ্গে সকলে যাওয়া যাবে?’

    বিক্রম বলল, ‘হাতে যখন আমাদের সময় আছে তখন দেখে আসা যেতে পারে।’ কথাটা বলে সে স্বাগতর দিকে তাকাল তার মতামতের জন্য।

    স্বাগত বলল, ‘যাওয়া যেতে পারে ঠিকই তবে তার আগে একবার স্যরকে জানানো ভালো। তোমরা এখানে দাঁড়াও আমি দেখি, স্যর কী বলেন?’

    ব্যাটারির দোকানের সামনে একই জায়গাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন রামমূর্তি সার। স্বাগত তাঁকে ব্যাপারটা বলল। কথাটা শুনে রামমূর্তি সার ভেবে নিয়ে বললেন, ‘ঠিক আছে যাও। আমি এখানকার অন্য একটা কুমির খামার দেখতে গেছিলাম। তবে কুমিরের চৌবাচ্চার ওপরে উঠে খুব সাবধানে চলাফেরা করবে। চেষ্টা করবে ঘণ্টা খানেকের মধ্যে ফিরে আসার।’

    রামমূর্তি সারের অনুমতি নিয়ে স্বাগত ফিরে এল আগের জায়গাতে। এতক্ষণে দোকানের শাটার নামিয়ে দিয়েছে বুল নামের ব্যবসায়ী। দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে সবাই প্রতীক্ষা করছিল স্বাগতর জন্য। স্বাগত তাদের জানাল হ্যাঁ। যাওয়া যেতে পারে।’

    কিছুক্ষণের মধ্যে একটা গাড়ি এসে হাজির হল সেখানে। পিছনের অংশে ছাদ খোলা অনেকটা জিপ গাড়ির মতো দেখতে আকারে বড় একটা গাড়ি। সেটাই বুলের গাড়ি। সম্ভবত মালপত্র আনা-নেওয়া হয় সেই গাড়িতে। বুলের সঙ্গে অন্য ছ’য় জনও গাড়িতে উঠে পড়ল। গাড়িতে উঠেই স্বাগত দশ ডলারের নোট ধরিয়ে দিল খামার মালিকের হাতে। গাড়ির পিছনের অংশের রেলিং ধরে দাঁড়াল সবাই। চলতে শুরু করল গাড়ি। স্বাগতরা এগল ব্যাটারির দোকানের সামনে দিয়েই। রামমূর্তি সেখানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। স্বাগতরা দেখতে পেল তাঁকে। তিনিও স্বাগতদের দেখতে পেয়ে হাত নাড়লেন। স্বাগতরাও হাত নাড়ল তাঁকে দেখে। ব্যাপারটা খেয়াল করে নারেঙ জানতে চাইলেন, ‘ওই ভদ্রলোক কে?’

    বিক্রম জবাব দিল, “উনি হলেন প্রফেসর রামমূর্তি। আর্কিওলজিস্ট। ওনার নেতৃত্বেই আমরা মন্দির সংস্কারের কাজ করছি। ওঁর সঙ্গেই আমরা বাজারে এসেছি রসদ কিনতে। আবার ওঁর সঙ্গেই ফিরে যাব।’

    নারেঙ প্রশ্ন করলেন, ‘আপনাদের আঙ্করভাটের বিষ্ণু মন্দির দেখা হয়ে গেছে? আমি দু-এক দিনের মধ্যেই দেখতে যাব। তবে শুনেছি যে ওই মন্দির নাকি ভালোভাবে ঘুরে দেখতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগে।’

    প্রীতম বলল, “ঠিকই শুনেছেন। আমরা একদিন দেখতে গেছিলাম ওই প্রাচীন মন্দির। সে মন্দির এত বিশাল আর সুন্দর তা না দেখলে ভাষায় ঠিক প্রকাশ করা যায় না।”

    খামার মালিক বুল জানতে চাইলেন, ‘আপনারা কি ওই বিষ্ণু মন্দিরের আশপাশে কাজ করছেন?’

    বিক্রম জবাব দিল, ‘ওই মন্দির থেকে কিছুটা দূরে জঙ্গলের মধ্যে একটা প্রাচীন মন্দিরে।’

    —‘সেটাও কি বিষ্ণু মন্দির? স্থানীয় মানুষ বলে ও অঞ্চলে আমি মাঝে মাঝেই যাই।’

    বুল নামের লোকটার কথা শুনে স্বাগত জবাব দিল, “কোন দেবতার মন্দির এখনও তা জানা নেই, কোনও নামও নেই মন্দিরটার। সরকারি খাতায় শুধু ‘তেরো নম্বর মন্দির বলে উল্লেখ করা আছে।’

    এ কথা বলার পরই নিজেকে সংযত করে ফেলল স্বাগত। তার মনে পড়ে গেল স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে তাদের কর্মস্থল নিয়ে বেশি আলোচনা করতে নিষেধ করে দিয়েছেন রামমূর্তি স্যর। খামার মালিক সম্ভবত ওই মন্দির প্রসঙ্গেই এরপর কোনও কথা জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তার আগেই স্বাগত প্রসঙ্গ পাল্টে তাঁকে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনার খামারে কত কুমির আছে?’

    খামার মালিক বললেন, ‘ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় তিনশো হবে।’

    স্বাগত জানতে চাইল? ‘কী খায় ওরা?’

    বুল বললেন, ‘বয়স অনুসারে ওদের খাবার ভাগ করা আছে। কেউ মাছ, কেউ মুরগি বা শূকরের মাংস।’

    এ সব কথাবার্তা বলতে বলতেই ঘিঞ্জি বাজার অঞ্চল থেকে বাইরে বেরিয়ে পড়ল গাড়ি। প্রথমে কিছুটা পিচ রাস্তা। তার দু’পাশে ছোটখাট ঘর-বাড়ি। সেসব অতিক্রম করে একসময় মেঠো পথ ধরল স্বাগতরা। পথের দু’পাশে ফাঁকা জমি, কোথাও আবার কলাবাগান—সে সব দেখতে দেখতে, গাড়ির ঝাঁকুনি খেতে খেতে চলল তারা। এদিকে লোকজন প্রায় নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে দু-একজন লোক শুধু চোখে পড়ছে। দু’পাশ দেখতে দেখতে স্বাগতরা একসময় পৌঁছে গেল তাদের গন্তব্যে। বিশাল প্রাচীর ঘেরা একটা জমির লোহার গেটের সামনে গাড়ি এসে থামল। গেটের গায়ে টাঙানো সাইন বোর্ডে লেখা আছে-

    “বুল ক্রোকোডাইল ফার্ম

    সিয়েমরিপ ভিলেজ, কম্বোডিয়া।”

    গাড়ি থেকে নেমে পড়ল সবাই। গেটের তালা খোলার আগে বুল তার পকেট থেকে একটা ছাপানো কাগজ বার করে বললেন, ‘এটা একটা সরকারি ফর্মালিটিজ। খামারে ঢোকার আগে আপনারা কাগজটা পড়ে সই করে দিন। নারেঙকে সই করতে হবে না। উনি ব্যবসায়িক প্রয়োজনে আমার কাছে এসেছেন।’

    স্বাগত কাগজটা হাতে নিল। ফর্মের মতো কাগজটার একপাশে ইংরেজি ও অন্যপাশে কম্বোডিয়ান ভাষাতে লেখা। ইংরেজিতে লেখা কাগজের অংশটা পড়ল সে। লেখাটার মূল বক্তব্য হল, যারা কুমির খামার দেখার জন্য ভিতরে প্রবেশ করবে তাদের কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে এমনকী মৃত্যু ঘটলেও তার ক্ষতিপূরণের দায় খামার মালিকের ওপর বর্তাবে না। খামার পরিদর্শনকালে বিপদের ঝুঁকি আছে জেনেও পর্যটকরা স্ব-ইচ্ছায় খামার পরিদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। খামার মালিক খামার পরিদর্শনের ব্যাপারে কাউকে প্ররোচিত করছেন না। এছাড়া কুমিরদের বাইরের খাবার দেওয়া নিষেধ, পর্যটকরা খামারের কোনও ক্ষতিসাধন করলে তার জন্য তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, এ ধরনের বেশ কিছু কথাও কাগজে লেখা আছে। স্বাগতরা কাগজটা পড়ার পর সেটা অন্যদের হাতে দিল। তারাও দেখল কাগজটা। নাতাশা কাগজটা পড়ে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু তার আগেই নারেঙ বলল, ‘আপনাদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। আমি বেশ কিছু দেশে বেড়াতে গেছি। অনেক দেশের চিড়িয়াখানায় প্রবেশের আগে এমন ‘রিস্ক বন্ডে’ সই করিয়ে নেওয়া হয়।’

    এরপর এ ব্যাপারটা নিয়ে কেউ আর আপত্তি করল না। একে একে সবাই সই করে দিল কাগজটাতে। সেটা পকেটে পোরার পর চাবি দিয়ে লোহার গেট খুলল খামার মালিক। স্বাগতরা প্রবেশ করল খামারে। উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা একটা বড় জমি। প্রাচীরের গায়ে একপাশে টিনের ছাউনি দেওয়া বেশ কয়েকটা ঘর আছে। আর জমিটার শেষ প্রান্তে একতলা বাড়ির থেকেও বেশি উঁচু একটা বিশাল চৌকানো কাঠামো দেখা যাচ্ছে। কংক্রিটের দেওয়ালওয়ালা কাঠামোর মাথায় ওঠার জন্য একটা সিঁড়িও আছে। কাঠামোর মাথায় লোহার রেলিংও দূর থেকে চোখে পড়ছে। বুলকে অনুসরণ করে সে জায়গায় এসে উপস্থিত হল তারা। তাদের নিয়ে ওপরে ওঠার আগে খামার মালিক বললেন, ‘ভয়ের কিছু নেই। যদিও রেলিং আছে তবুও উত্তেজনার বশে বা ছবি তোলার জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না।’

    বুলের পিছন পিছন ধীরে ধীরে ওপরে উঠে এল সকলে। কাঠামোর ওপর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে যাওয়ার জন্য দু’পাশে কোমর সমান লোহার রেলিং দেওয়া সংকীর্ণ পথ আছে। স্বাগতরা নীচের দিকে। এবার তারা বুঝতে পারল আসল ব্যাপারটা। কাঠামোর নীচের দিকটা একটা জলাধার। সেটা আবার চৌবাচ্চার মতো বেশ কয়েকটা ভাগে ভাগ করা হয়েছে। আর তাদের পাড়ে উঠে রোদ পোহাচ্ছে নানান আকৃতির কুমির। এক একটা চৌবাচ্চা বরাদ্দ এক এক আকৃতির কুমিরের। নিশ্চল কাঠের মতো শুয়ে আছে তারা। কিন্তু স্বাগতরা একসঙ্গে সার বেঁধে রেলিং ধরে নীচের দিকে তাকাতেই তাদের ঠিক নীচেই যে মাঝারি আকৃতির কুমিরগুলো ছিল তারা মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রথমে ড্যাবড্যাবে চোখ মেলে তাকাল। তারপর একসঙ্গে বেশ কয়েকটা কুমির স্বাগতদের চমকে দিয়ে ঝাঁপ দিল জলে। সেই জলের ছিটে এসে স্বাগতদের পায়ে লাগল।

    জলের ভিতর সাঁতার কাটতে কাটতে ওপর দিকে তাকিয়ে মানুষদের দেখতে লাগল প্রাণীগুলো। চৌবাচ্চাগুলোর ওপরের পথ ধরে ঘুরতে শুরু করল সকলে। তাদের পায়ের নীচে শুধু কুমির আর কুমির! তাদের আকার দু’ফুট থেকে শুরু করে আট-দশ ফুট পর্যন্ত। কুমির দেখার সঙ্গে সঙ্গে তাদের ছবিও মোবাইল ক্যামেরাবন্দি করে রাখতে লাগল তারা। কুমিরগুলোর কেউ মানুষ দেখে ঝাঁপ দিচ্ছে জলে, কেউবা নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে শুয়ে আছে চৌবাচ্চার পাড়ের বাঁধানো চাতালে। স্বাগত জানতে চাইল, ‘আপনি কি বাইরে থেকে বাচ্চা কিনে এনে বড় করেন?’

    বুল নামের লোকটা বললেন, ‘একসময় তাই করতাম। এখন অবশ্য এখানেই ডিম পাড়া ও বাচ্চা ফোটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আট-দশ ফুট আকারের যে সব কুমির দেখছেন ওরা মোটামুটি তৈরি হয়ে গেছে আমার কাজের জন্য।’

    সুরভী বলল, ‘আপনার তো শুধু চামড়ার প্রয়োজন হয়,

    কিন্তু মাংসটা কী করেন?’

    খামার মালিক বললেন, ‘হোটেল ব্যবসায়ীরা কিনে নেয়। স্থানীয় মানুষদের কাছে কুমিরের মাংসর চাহিদা প্রচুর। তাছাড়া বিদেশি ট্যুরিস্টরাও খায়।’

    চৌবাচ্চাগুলোর ওপর দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে একসময় জায়গাটার শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেল তারা। নীচের দিকে তাকিয়ে দুটো কুমিরকে দেখে চমকে গেল স্বাগতরা। সেখানে পায়ের নীচের চৌবাচ্চাটা বেশ বড়, আর তার পাড়গুলোও বেশ প্রশস্ত। সেই পাড়ের এক জায়গাতে শুকনো ঘাস পাতার গাদা করা আছে। আর তার সামনে শুয়ে আছে প্ৰকাণ্ড দুটো কুমির। আকারে তারা এক একটা পনেরো-ষোলো ফুট হবে! এত বড় কুমির স্বাগতরা চোখে দেখেনি। বুল বললেন, ‘ওই যে পাতায় গাদা দেখছেন ওখানে ওদের ডিম আছে। কিছুদিন বাদেই ডিম ফুটে ছানা বেরবে। কুমির দুটোর মধ্যে একটা পুরুষ। অন্যটা নারী।’ একটা কুমির মাথার ওপর তাকিয়ে মুখটা হাঁ করল। কী প্রকাণ্ড চোয়াল আর ভয়ঙ্কর দাঁতের মাড়ি! দেখলে শিউরে উঠতে হয়! নাতাশা মৃদু উত্তেজিত হয়ে খামচে ধরল সুরভীর হাত। এরই মাঝে বিক্রম তার স্বভাবসুলভ ইয়ার্কির স্বরে বলে উঠল, ‘আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি এ জায়গাটা যদি এতগুলো লোকের ভারে নীচে খসে পড়ে তবে কী হবে?’ কথাটা শুনে খামার মালিক মৃদু তিরস্কারের স্বরে বিক্রমকে বললেন, ‘এসব অশুভ কথা এখানে দাঁড়িয়ে বলবেন না। ব্যাপারটা যদি ঘটে তবে ওরা মুহূর্তর মধ্যে এতজন মানুষকে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলবে। বাসায় ডিম আছে বলে তার পাহারাতে ওরা এখন এমনিতেই হিংস্র হয়ে আছে। ওদের খাবার দেওয়ার সময় আমাকেও এখন সতর্ক থাকতে হয়।’ বিক্রম তার কথা শুনে চুপ করে গেল।

    স্বাগত কুমির দুটোর বাসস্থানের দিকে ভালো করে তাকিয়ে খেয়াল করল চৌবাচ্চার একদিকে লোহার গরাদ বসানো একটা দরজা আছে। যা দিয়ে সম্ভবত খাবার দেওয়া হয় দানব প্রাণী দুটোকে, আর ও জায়গা দিয়ে ভিতরেও ঢোকা যায় বাইরে থেকে। স্বাগত জানতে চাইল, ‘এদের দু’জনের জন্মও কি এখানেই?’

    বুল জবাব দিলেন, ‘না, এখানে নয়। ওদের আমি থাইল্যান্ড থেকে কিনে এনেছি প্রজননের জন্য।’

    প্রীতম বলল, ‘আপনার দোকানের ছবির কুমিরটা এমনই বড় ছিল তাই না?’

    স্বাগতর মনে হল প্রীতম প্রশ্নটা করার সঙ্গে সঙ্গেই যেন মুহূর্তের জন্য দৃষ্টি বিনিময় হল খামার মালিক বুল আর নারেঙের মধ্যে। বুল তারপর জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, এরকম আকারেরই হবে।’

    প্রীতম এরপর মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে দানব কুমির দুটোর ছবি তুলতে যাচ্ছিল, কিন্তু বুল বলে উঠলেন, ‘ওদের ছবি তুলবেন না। কাউকে তুলতে দেওয়া হয় না। আমার ব্যবসায়িক অসুবিধা হতে পারে তাতে।’

    বুলের কথা শুনে প্রীতম তার মোবাইল পকেটে রাখল। বুল এরপর বললেন, ‘আশা করি কুমির খামার দেখে ভালো লাগল। তবে এ খামারে আর কিছু দেখার নেই। তাছাড়া এখন আমাকে কুমিরদের খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’

    বুলের পিছন পিছন এরপর নীচে নেমে এল সকলে। বুল বললেন, ‘আমার গাড়ি আপনাদের বাজারে পৌঁছে আসবে। দোকানে অবশ্যই আসবেন আপনারা। এতটা পরিচয় যখন হয়েই গেল তখন কম দামে ভালো জিনিস দেব আপনাদের। আর ইচ্ছা হলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে আবার এখানেও আসতে পারেন।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ। নিশ্চয়ই। আপনার দোকানে আবার জিনিস কিনতে যাবে আমার বন্ধুরা।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }