Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ১১

    পর্ব ১১

    সকলে হাঁটতে হাঁটতে আবার এগল গেটের দিকে। নারেঙ স্বাগতদের বললেন, ‘একই জায়গায় যখন আছি তখন বাজারে বা আঙ্করভাটে নিশ্চয়ই আপনাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়ে যাবে। আপনাদের সঙ্গ আমার বেশ লাগল।’

    তাঁর কথা শুনে নাতাশাও সৌজন্য দেখিয়ে বলল, ‘আপনার সঙ্গও আমাদের ভালো লেগেছে। আবার দেখা হলে আমাদেরও ভালো লাগবে।’

    হাঁটতে হাঁটতে গেটের মুখে এসে পৌঁছে গেল সবাই। ঠিক সেই সময় নারেঙ বললেন, ‘আমাকে মার্জনা করবেন। ফেরার সময় আমি আপনাদের সঙ্গী হতে পারছি না। বুলের সঙ্গে আমার ব্যবসায়িক কিছু আলোচনা আছে। তা সারতে আমার বেশ খানিকটা সময় লাগবে। তারপর আমি ফিরব।’

    নাতাশা বলল, ‘ঠিক আছে আপনি আলোচনা সারুন। আমরা এখন চললাম।’

    নারেঙ খাম সেখানেই রয়ে গেলেন। স্বাগতরা উঠে পড়ল গাড়িতে। যে পথে তারা এ জায়গায় এসেছিল সে পথেই ফিরতে লাগল তারা।

    গাড়ি থামানো হল ব্যাটারির দোকানের সামনে। ঠিক যেমন গাড়িতে তারা এল তেমনই একটা গাড়ি এসে দাঁড়িয়ে আছে দোকানে। রামমূর্তির কেনা মালপত্রও ইতিমধ্যে সেখানে পৌঁছে গেছে। দু’জন লোক সেগুলো গাড়িতে তুলছে। খামারের গাড়ি থেকে নেমে রামমূর্তির সামনে গিয়ে দাঁড়াল তারা। রামমূর্তি আর ব্যাটারির দোকানের মালিক দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রামমূর্তি তাঁর সঙ্গে কথা থামিয়ে স্বাগতদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘কুমির খামার কেমন দেখলে?’

    স্বাগত জবাব দিল ‘ভালো। অনেক কুমির দেখলাম।’ নাতাশা বলল, ‘তবে প্রাণীগুলো বড় ভয়ঙ্কর।’

    স্বাগতদের নামিয়ে দিয়ে গাড়িটা তখন ফেরার জন্য তার মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে। চীনা ব্যাটারির দোকানের মালিক সেই গাড়িটার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এ গাড়িটা আমি চিনি। আপনারা বুলের খামারে কুমির দেখতে গিয়েছিলেন?’

    সুরভী জবাব দিল, ‘হ্যাঁ। ওখানেই। আপনি ওই খামারে গেছেন?’

    চীনা ব্যবসায়ী জবাব দিলেন, ‘না, যাইনি। যাওয়ার কোনও ইচ্ছাও নেই। জায়গাটা সত্যিই ভয়ঙ্কর।’

    লোকটার বক্তব্যের মধ্যে কোনও একটা কথা লুকিয়ে থাকার ইঙ্গিত সম্ভবত টের পেলেন রামমূর্তি। তিনি তাকে প্রশ্ন করলেন, ‘কিছু কি ঘটেছিল ওখানে?’

    ব্যাটারির দোকানের মালিক একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘হ্যাঁ, একটা ভয়ঙ্কর ঘটনা!’

    ‘কী ঘটনা? সেটা বলা যাবে কি?’ আবার প্রশ্ন করলেন রামমূর্তি।

    চীনা লোকটা গলাটা একটু খাদে নামিয়ে বলল, ‘কথাটা বলছি, কিন্তু আমার কাছ থেকে কথাটা জেনেছেন তা কাউকে বলবেন না। আমি অন্য দেশ থেকে এ দেশে এসে ব্যবসা করি। আমার তাতে সমস্যা হতে পারে। খামেরা এমনিতেই আমাদের পছন্দ করে না এ কথা হয়তো আপনি জানেন।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘জানি। আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।’

    ব্যাটারির দোকানের চীনা মালিক বলল—‘কয়েক মাস আগে একটা ঘটনা ঘটেছিল। এই বাজারেই একটা দশ-বারো বছরের বাচ্চা ছেলে থাকত। দোকানদারদের ফাইফরমাস খেটে সামান্য কয়েকটা পয়সা আয় করত আর বাজারের ভিতরই একটা শেডের নীচে ঘুমাত। ছেলেটাকে কাজ ও থাকার জায়গা দেবে বলে বুল তাকে তার খামারে নিয়ে যায়। কিন্তু তারপর ছেলেটা নিখোঁজ হয়ে যায়। বাচ্চাটা অনাথ ছিল। এক বুড়ি তাকে কিছুদিন লালন-পালন করেছিল। বুড়িটাই বুলের কাছে ছেলেটার খোঁজ করতে গেলে বুল তাকে বলে ছেলেটা নাকি খামারের কাজ ছেড়ে চলে গেছে। কোথায় গেছে তা তার জানা নেই। বুড়ি তখন পুলিসের কানে ব্যাপারটা তুললে বুলকে আটক করে পুলিস। সবার ধারণা বুলের কুমিররা ছেলেটাকে খেয়ে ফেলেছে। কিছু দিনের জন্য বুলের দোকান ও খামারও বন্ধ করে দেয় পুলিস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা প্রমাণের অভাবে বুলকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। বুলের খামারের কুমিররা নরখাদক!’

    রামমূর্তি ঘটনাটা শুনলেন, তবে কোনও মন্তব্য করলেন না ব্যাপারটা নিয়ে।

    দোকানের সামনেই আরও ঘণ্টাখানেক সময় কাটাল সকলে। ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়া শেষ হল একসময়। গাড়িতে যে লোকগুলো মালপত্র ওঠাচ্ছিল তারাই ভারী ভারী ব্যাটারিগুলোকে ওপরে তুলল। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বাগত টুকটুকে উঠে পড়ল। তিনটে গাড়ি একসঙ্গে রওনা হয়ে গেল মন্দির নগরীতে যাওয়ার জন্য। শহর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল তারা। বিকাল হতে চলেছে। স্বাগতদের চোখে পড়তে লাগল উল্টো দিক থেকে মন্দির নগরী হয়ে ফিরে আসছে ট্যুরিস্টদের গাড়িগুলো। একসময় স্বাগতরা বিষ্ণু মুখমণ্ডল লাঞ্ছিত প্রাচীন তোরণ অতিক্রম করে প্রবেশ করল আঙ্করের প্রাচীন নগরীতে।

    স্বাগতরা যখন নিজেদের থাকার জায়গায় গিয়ে পৌঁছল তখন বিকাল হয়ে গেছে। মালপত্র নামানো শুরু হল গাড়ি থেকে। ঠিক এই সময় এদিনের মতো কাজ শেষ করে বাইরের চত্বরে মজুরের দল বেরিয়ে এল ঘরে ফেরার জন্য।

    কতটা কাজ এগিয়েছে এ কথা রামমূর্তি মজুর সর্দার হেরুমকে জিজ্ঞেস করতে, সে জানাল স্বাগতরা মন্দিরের ভিতরে যে প্রাঙ্গণ পর্যন্ত প্রবেশ করেছিল সে জায়গা অবধি ঝোপ জঙ্গল পরিষ্কার করা হয়ে গেছে। ঘরগুলোর দেওয়ালও সাফ করা হয়ে গেছে। এ কথা জানিয়ে হেরুম তার সঙ্গীদের নিয়ে ঘরে ফেরার জন্য রওনা হল। যে লোকগুলো গাড়ির সঙ্গে এসেছিল তারাও তাদের কাজ শেষ করে সন্ধ্যা নামার আগেই মন্দির নগরী ত্যাগ করার জন্য রওনা হয়ে গেল।

    যে লোকেরা এসেছিল তারা ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামল। অন্য রাতের মতোই সকলে মিলে রান্নার আয়োজন শুরু করল। আর তার সঙ্গে শুরু হল সারাদিনের নানা ব্যাপার নিয়ে কথাবার্তা। বিক্রম নাতাশাকে প্রশ্ন করল, ‘মন্দিরের প্রেতেরা নাকি বুলের খামারের ওই বিশাল কুমির দুটো কারা বেশি ভয়ঙ্কর বল তো? ধরা যাক এখন এই চত্বরে আমাদের একপাশে হাজির হল প্রেতের দল, আর অন্য দিকে কুমির দুটো? তখন কোন দিকে ছুটব আমরা?’ নাতাশা জবাব দিল, ‘এসব অবান্তর বিষয় নিয়ে আমি ভাবতে চাই না। আর জবাবও দিতে চাই না।’ প্রীতম বলল, ‘ভূত-প্রেত বলে কোনও বস্তু আছে কি না আমার তা জানা নেই। তবে কুমির দুটো যে ভয়ঙ্কর তাতে কোনও সন্দেহ নেই। আর চীনা ব্যবসায়ীর কথা যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে ব্যাপারটা কল্পনা করলেই বুক কেঁপে ওঠে!’

    রান্নার পাঠ চুকল এক সময়। রামমূর্তি স্যর তাঁর ঘরে কাজ করছিলেন। স্বাগত তাঁকে ডেকে আনল। এক সঙ্গে বসে খাবার সময় তিনি বললেন, ‘কাল থেকে আবার জোর কদমে কাজ শুরু করতে হবে আমাদের। হেরুম তো বলে গেল আমরা যে ঘরগুলোতে ঢুকেছিলাম তার দেওয়ালগুলো পরিষ্কার করেছে। দেখা যাক দেওয়াল গাত্রের ছবি থেকে মন্দির সম্পর্কে কোনও সূত্র মেলে কি না? খাওয়া সেরে আজ সবাই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়। পরিশ্রম করার আগে ঘুমটা জরুরি।’

    তাঁর কথা মতোই খাওয়া শেষ হওয়ার পর নিজেদের ঘরে চলে গেল সবাই। স্বাগতও নিজের ঘরে ফিরে এসে শুয়ে পড়ল। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুম নেমে এল তার চোখে।

    হঠাৎই মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে গেল স্বাগতর। কে যেন আতঙ্কিতভাবে চিৎকার করছে! সেই চিৎকারে বাইরের প্রাঙ্গণের নিস্তব্ধতা খানখান হয়ে যাচ্ছে! স্বাগত কয়েক মুহূর্তর মধ্যে বুঝতে পারল, গলাটা নাতাশার! এত রাতে কী ঘটল আবার? স্বাগত বিছানা ছেড়ে দ্রুত উঠে দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে এল। হ্যাঁ, চিৎকারের শব্দটা নাতাশাদের ঘর থেকেই আসছে। নাতাশা আর বিক্রমদের ঘর দুটো কাছাকাছি। স্বাগতর ঘরটা সে দুটো ঘর থেকে কিছুটা তফাতে। আর রামমূর্তি স্যরের ঘরটা উল্টো দিকে খানিকটা দূরে।

    স্বাগত দেখল বিক্রম আর প্রীতমও নিজেদের ঘর থেকে বেরিয়ে নাতাশাদের ঘরে গিয়ে ঢুকল। সেও এরপর এগিয়ে গিয়ে ঢুকল সে ঘরে। খাটের ওপর সুরভীকে জাপটে ধরে বসে আছে নাতাশা। আতঙ্কিত মুখে সে বলে চলেছে, ‘ভূত! ভূত! আমি ঠিক দেখেছি! জানলাটা বন্ধ না করে দিলে সে নিশ্চয়ই বাইরে থেকে হাত বাড়িয়ে আমার গলা টিপে ধরত!’ একটা বড় টর্চ হাতে নিয়ে ইতিমধ্যে রামমূর্তি স্যরও ঘরে প্রবেশ করলেন। একসঙ্গে সবাইকে দেখে একটু যেন ধাতস্থ হল নাতাশা।

    তারপর তার মুখ থেকে যা শোনা গেল তা হল, খাওয়া সেরে বিছানায় এসে শোওয়ার পর প্রথমে সে ঘুমিয়ে পড়লেও খানিক আগে ঘুম ভেঙে গেছিল তার। জানলার পাশেই সে শোয়। সে তাকিয়ে ছিল বাইরের দিকে। হঠাৎ সে দেখতে পায় একটা কালো মূর্তি মন্দির তোরণের বাইরে বেরিয়ে সোজা এদিকে আসতে থাকে। কালো কাপড় ঢাকা সেই মূর্তি। নাতাশার মনে হচ্ছে সে এই ঘরের দিকে আসছিল। তাই সে তারপর জানলা বন্ধ করে চিৎকার শুরু করে।

    নাতাশার কথা শুনে রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘তোমার দৃষ্টি বিভ্রম হয়ে থাকতে পারে। রাতে ঘুম ভেঙে গেলে অনেক সময় এমন হয়।’

    নাতাশা বলে উঠল, ‘না স্যর আমি স্পষ্ট দেখেছি ভূতটাকে!’

    কথাটা শুনে রামমূর্তি সারের মুখে এবার মৃদু বিরক্তির ভাব ফুটে উঠল। তিনি বললেন, ‘ঠিক আছে আমি ব্যাপারটা দেখছি। এখন যে যার মতো ঘরে শুয়ে পড়। কাল সকালে কাজ করতে হবে আমাদের।’—এই বলে নাতাশাকে আর কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ঘরের বাইরে বেড়িয়ে পড়লেন তিনি। তাকে অনুসরণ করল স্বাগত আর অন্য দু’জন। ভিতর থেকে সুরভী ঘরের দরজা বন্ধ করে দিল। বাইরে বেরিয়ে চারপাশে বিশেষত মন্দির তোরণের গায়ে টর্চের তীব্র আলো বেশ কয়েকবার ঘোরালেন রামমূর্তি স্যর। না, কেউ কোথাও নেই।

    এরপর তিনি বললেন, ‘মেয়েটা এত ভীতু হলে তো কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা। যাই হোক ওর সামনে আর কেউ ভূত-প্রেত এসব ব্যাপার নিয়ে আলোচনা কর না। যাও এবার তোমরা ঘুমাতে যাও। আর দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যেই তো ভোরের আলো ফুটে যাবে।’

    স্বাগত নিজের ঘরে ফিরে এসে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়ল। সে ভাবতে লাগল নাতাশা কি সত্যিই কিছু দেখেছে? সে কিন্তু বেশ জোরের সঙ্গেই দাবি করল কথাটা। সেই বাঁদরটা নয় তো? যাকে স্বাগত রাতের বেলা দেখেছিল মন্দির তোরণে?’ -এসব কথা ভাবতে ভাবতে সে আবার ঘুমিয়ে পড়ল।

    পরদিন সকালে মজুরদের দল আসার পর স্বাগতরাও সবাই এসে উপস্থিত হল চত্বরে। প্রফেসর রামমূর্তিও এসে উপস্থিত হলেন। নাতাশাকে আর গত রাতের প্রসঙ্গে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করল না। যে লোকটা দুপুরে রান্না করবে সেও এসেছে মজুরদের সঙ্গে। তাকে রান্নার কাজ বুঝিয়ে দিয়ে সবাই একসঙ্গে প্রবেশ করল মন্দির তোরণের ভিতর। একই রকম আছে ভিতরের প্রাঙ্গণটা। ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে মূর্তি, ভাঙা স্তম্ভ ইত্যাদি। জিনিসগুলো স্বাগতরা যেভাবে রেখে গিয়েছিল বা পড়েছিল ঠিক তেমনই। সেগুলো অতিক্রম করে স্বাগতরা এগতে যাচ্ছিল মন্দিরের ভিতর দিকে প্রবেশের জন্য। ঠিক সেই সময় প্রথমে তাদের সামনে ঠক করে একটা পাথরের টুকরো এসে পড়ল! তারপর আর একটা!

    বাঁদরদের বিরাট একটা দল এসেছে মন্দিরের মাথায়। এরপর তারা কেউ মন্দিরের মাথার ওপরের গাছগুলো ধরে লাফাতে শুরু করল, কেউ বা পাথর ছুড়তে শুরু করল। ঠিক আগের দিনের মতোই তারা যেন মন্দিরের ভিতর স্বাগতদের প্রবেশ করতে দিতে চায় না। পাথর বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাবার জন্য সবাই যে যার মতো প্রাঙ্গণের গায়ের স্তম্ভ-মূর্তির আড়ালে গিয়ে দাঁড়াল। রামমূর্তি স্যরের সঙ্গে স্বাগত আর হেরুমও গিয়ে দাঁড়াল প্রাঙ্গণের গায়ের এক ছাদের আড়ালে। রামমূর্তি বললেন, ‘রোজই যদি বাঁদরগুলো এমন কাণ্ড ঘটায় তবে তো বড় মুশকিলের ব্যাপার।’

    স্বাগত বলল, ‘আপনাকে একটা কথা বলি স্যর। নাতাশা গত রাতে কোনও বড় আকৃতির বাঁদরকেও ভূত ভেবে থাকতে পারে। কারণ, দু-রাত আগে আমিও একটা বড় বাঁদরকে রাতের বেলায় মন্দির তোরণে দেখেছিলাম। ঘরের ভিতর থেকে তাকে দেখে আমিও প্রথমে মানুষ ভেবে ভুল করেছিলাম।’ রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘তাহলে হয়তো তাই হবে। কিন্তু এই প্রাণীগুলোকে কীভাবে এখান থেকে তাড়ানো যায় বল তো? নইলে এই প্রাণীগুলোর জন্য দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’—এ কথা বলে তিনি তাকালেন হেরুমের দিকে। হেরুম বলল, ‘গাছগুলোতে ফলের থোকা ধরেছে দেখছেন? ওই ফলের লোভেই ওরা আরও এদিকে আসছে বলে মনে হয়। এগুলো ওদের প্রিয় খাদ্য।’

    মন্দিরের ছাদের মাথায় তাকিয়ে স্বাগত ফলগুলো দেখতে পেল। সবুজ রঙের থোকা থোকা ফল। কয়েকটা বাঁদর সেগুলো খাচ্ছেও। রামমূর্তি স্যরও। কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে থাকার পর বললেন, ‘গাছের মাথার ডালগুলো সাবধানে ছেঁটে দিলে আশা করি ছাদের কোনও ক্ষতি হবে না। আজ তোমরা সে কাজটাই কর। তাছাড়া মন্দিরের মাথায় এ দেশের একটা পতাকা লাগানোও প্রয়োজন। যেমন বিষ্ণু মন্দিরেও আছে। যাতে লোকে বুঝতে পারে সরকার এ জায়গা অধিগ্রহণ করে সংস্কারের কাজ শুরু করেছে। পতাকা দেওয়া হয়েছে আমাকে টাঙাবার জন্য।

    হেরুম বলল, ‘হ্যাঁ, গাছগুলোর ডালপালা ছেঁটে দিলে বাঁদরের উপদ্রব কমবে বলে মনে হয়। তবে জানেনই তো অনেকে বলে ওরা হল মন্দিরের ছদ্মবেশী প্রেতাত্মা। তেমন হলে ওরা গাছ কাটলেও এ জায়গা ছাড়বে না।’

    হেরুমের কথার শেষ অংশটা শুনে রামমূর্তি মৃদু ধমকের স্বরে বললেন, ‘তোমাকে যে কাজটা করতে বলেছি সে কাজটা আগে করবে। তারপর দেখি ওরা বাঁদর না প্রেতাত্মা?’

    বাঁদরদের বাঁদরামি কিছু সময়ে চলার পর থেমে গেল। স্বাগতরা লুকিয়ে পড়াতে তারা হয়তো ভাবল মানুষেরা রণে ভঙ্গ দিয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে কোথায় যেন অদৃশ্য হয়ে গেল! প্রাণীগুলো চলে যাওয়ার পর আড়াল থেকে প্রাঙ্গণের ভিতরে এসে দাঁড়াল তারা। হেরুম তার লোকজনকে নিয়ে ছাদে ওঠার প্রস্তুতি শুরু করল। আর প্রফেসর রামমূর্তি ছোটখাট কিছু যন্ত্রপাতি আর সকলকে নিয়ে প্রবেশ করলেন মন্দিরের ভিতর।

    ঘরগুলোর ভিতরের আগাছা, ঝোপ জঙ্গল দেওয়ালের ধুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তার ফলে প্রথম ঘরটাতে বাইরের থেকে খানিকটা আলোও ঢুকছে। মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ঘরের ভিতরটা। দেওয়ালের গায়ে ফুটে উঠেছে বেশ কিছু অলঙ্করণ আর দুটো মূর্তি। দ্বিতীয় কক্ষে যাওয়ার পথের দু’পাশে দাঁড়িয়ে আছে তারা। প্রফেসরের পিছন পিছন সবাই গিয়ে দাঁড়াল একটা মূর্তির সামনে। কত যুগ ধরে যে মূর্তিটা একটু আলোর অপেক্ষায় এভাবে এই কক্ষে দাঁড়িয়ে ছিল কে জানে?

    মূর্তিটা একটা রক্ষী বা গার্ডের। পরনে তার প্রাচীন খামের রাজ সৈনিকের পোশাক। তার এক হাতে ধরা দণ্ডর মতো অস্ত্র। অন্য হাতের মুদ্রা যেন যারা এ কক্ষে প্রবেশ করেছে তাদের থামতে বলছে। মহাকাল তার শরীরের কিছুটা থাবা বসালেও রক্ষীর অবসর মোটামুটি অক্ষতই আছে। যে মূর্তিটা ভালো করে দেখার পর প্রফেসর অন্য পাশের মূর্তিটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। এ মূর্তিটাও অন্য মূর্তিটার মতনই। ভালো করে মূর্তি দুটো দেখার পর রামমূর্তি বললেন, ‘এ কক্ষ প্রথমে যখন নির্মাণ করা হয় তখন সম্ভবত এই মূৰ্তি দুটো এ ঘরে ছিল না।

    পাথরের যে ব্লক দুটোর ওপর মূর্তি দুটো খোদাই করা হয়েছে সে ব্লক দুটো পরে দেওয়ালের গায়ে বসানো হয়। কারণ দেখ ব্লক দুটোর আড়াল থেকে ফুল-পাতার অলঙ্করণ বাইরে বেরিয়ে এসেছে। অর্থাৎ তাদের গায়ের ওপরই বসানো হয়েছে রক্ষীর মূর্তি দুটো! ঘরের দু’পাশ থেকে অন্য দুটো যে গ্যালারি বা অলিন্দ বেরিয়েছে তাদের মুখও পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে। তবে সেই দুই পথ না ধরে সবাই আগের দিনের মতোই প্রবেশ করল পরের ঘরটাতে। সে ঘরের দু’দিকে দুটো কপাটহীন দরজা। একটা দিয়ে স্বাগতরা ঘরে প্রবেশ করল, আর অন্য দরজাটা ঠিক তার বিপরীতে। সে দরজা দিয়ে ভিতরের দিকের ঘরগুলোর প্রবেশ পথগুলোও দেখা যাচ্ছে। বোঝা যায় বাইরের প্রাঙ্গণ থেকে ভিতরের চত্বর পর্যন্ত প্রবেশ পথগুলো একই সরল রেখায় নির্মিত। দ্বিতীয় ঘরটাও প্রথম ঘরটার মতো। দেওয়ালের গায়ে নানান অলঙ্করণ আর দরজার দু’পাশে দেওয়ালের গায়ে দাঁড়িয়ে আছে দু’জন প্রহরী। তবে তাদের অস্ত্রর কিছুটা ভিন্নতা আছে। দণ্ডর বদলে তাদের হাতে তলোয়ার, আর অন্য হাত যেন থেমে যেতে বলছে বহিরাগত আগন্তুকদের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }