Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ১২

    পর্ব ১২

    এ ভাবে পরপর পাঁচটা কক্ষ অতিক্রম করল তারা। তারপর শেষ কক্ষে এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়তে হল তাদের। সে কক্ষ অতিক্রম করলেই মন্দিরের ভিতরের সেই প্রশস্ত উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ। সেখান থেকে আলো ঢুকছে ঘরের ভিতরে। আর তাতেই সারা দেওয়াল জুড়ে চোখে পড়ছে সারবদ্ধ অনেকগুলি মূর্তি। দু’পাশের দেওয়াল বেয়ে সার বেঁধে তারা যেন মন্দিরের ভিতরের চত্বরে প্রবেশ করার জন্য এগচ্ছে। তবে শুধু অস্ত্রধারী সৈনিক নয়, তাদের সঙ্গে আরও একদল মানুষ আছে। তারাই বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করল স্বাগতদের। ভালো করে সেই মূর্তিগুলোকে দেখার জন্য সবাই দেওয়ালের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। নতুন মূর্তিগুলোর মস্তক মুণ্ডিত। তাদের ঊর্ধ্বাঙ্গে কোনও পোশাক নেই। আর তারা দু’হাত দিয়ে একটা করে কলস ধরে রেখেছে। আর সেই মূর্তিগুলোর আগে-পিছে একজন করে রক্ষী বা সৈনিক। তারা যেন পাহারা দিয়ে নিয়ে চলেছে কলস হাতে ধরা লোকগুলোকে। সবাই মিলে দেওয়ালের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরে ঘুরে মূর্তিগুলোকে দেখার পর সুরভী জিজ্ঞেস করল, ‘এই মূর্তিগুলোর হাতে কীসের পাত্র সার?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘ঠিক এমন এক সারি মূর্তি যেন আমি বিষ্ণুমন্দিরে দেখেছি বলে মনে হয়।’ এ কথা বলার পর তিনি একটা আতস কাচ বার করে মুণ্ডিত মস্তক একটা মূর্তির মাথা থেকে পা পর্যন্ত ভালো করে পরীক্ষা করতে লাগলেন। এ মূর্তিগুলো যে প্রাচীন তাতে সন্দেহ নেই। তাদের দেহ কোথাও কোথাও চটে খসে পড়েছে। তার দেখাদেখি অন্যরাও মূর্তিগুলো খুঁটিয়ে দেখার চেষ্টা করতে লাগল। প্রীতম হঠাৎ মূর্তি দেখতে দেখতে বলল, ‘স্যর, আপনার আতস কাচটা একটু দেবেন?”

    রামমূর্তি স্যর প্রীতমের হাতে আতস কাচটা দিলেন। প্রীতম পকেট থেকে রুমাল বার করে মূর্তির হাতের কলসটা মুছে আতস কাচ দিয়ে সেটা দেখতে লাগল। সবাই এসে তাকে ঘিরে দাঁড়াল। প্রীতম এরপর রামমূর্তি স্যরকে বলল, ‘এই দেখুন স্যর। কলসগুলো শিকল দিয়ে জড়ানো ছিল। এখন ক্ষয়ে গিয়ে শিকলটা অস্পষ্ট হয়ে গেছে।’

    রামমূর্তি প্রথমে ম্যাগনিফাইন গ্লাসটা হাতে নিয়ে কলসটা দেখার পর তারিফের স্বরে বললেন ‘আশ্চর্য চোখ তো তোমার!’

    স্বাগতও এরপর কাচটা নিয়ে দেখল কলসটা। হ্যাঁ, ছবিতে দেখা যাচ্ছে কলসটা শিকল জড়ানো। এরপর আরও কয়েকটা কলস পরীক্ষা করে দেখা গেল তাদের গায়েও শিকল আঁকা আছে!

    স্বাগত একটু ভেবে নিয়ে বলল, ‘মূর্তিগুলোর হাতে কলসগুলোর গায়ে শিকল জড়ানো। অর্থাৎ এগুলো মুখবন্ধ ধাতব কলসের ছবি। কলসের মুখ যাতে কেউ খুলতে না পারে তাই কলসগুলোতে ধাতব শিকল জড়ানো ছিল। কিন্তু সৈন্য পরিবৃত হয়ে শিকল জড়ানো ধাতব পাত্র করে লোকগুলো কী নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়?’

    স্বাগতর প্রশ্ন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রম বলল, ‘ধন রত্ন নয় তো স্যর?’

    প্রফেসর কয়েক মুহূর্ত নিশ্চুপ থাকার পর বললেন, ‘সেটা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। আজ আমাদের কাজ হবে ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে এই মূর্তিগুলোর গা থেকে যত্ন করে প্রতিটা ধূলিকণা সরিয়ে ফেলা। দেখা যাক তাতে যদি আরও কিছুর সন্ধান মেলে।’

    রামমূর্তি এরপর স্বাগতদের উদ্দেশে আরও কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু এরপরই আগের ছেড়ে আসা ঘরটার দরজার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কে? কে ওখানে?’ —এ কথা বলেই তিনি দু’পা এগিয়ে পাশের ঘরটাতে ঢুকে পড়লেন। স্বাগতও তাঁর পিছন পিছন ঘরটাতে ঢুকল।

    যে ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সে লোকটা ঘরটার চারপাশে বিস্মিতভাবে তাকাচ্ছিল তাকে প্রফেসর আর স্বাগত চিনতে পারল। লোকটা বিষ্ণুলোকের গাইড ফঙ! স্বাগতদের সঙ্গে চোখাচোখি হতেই লোকটা বলল, ‘বা!, মন্দিরটাকে আপনারা পরিষ্কার করাচ্ছেন দেখছি। এবার সত্যি বুঝতে পারছি আপনারা ট্যুরিস্ট নন।’

    এ কথা বলে লোকটা হাসল। প্রফেসর রামমূর্তি কিন্তু তার কথা শুনে হাসলেন না। তিনি বললেন, ‘তুমি এখানে ঢুকেছ কেন?’

    ফঙ নামের গাইড বলল, ‘এখান দিয়ে যাচ্ছিলাম। ইচ্ছা

    হল তাই ভিতরে ঢুকে পড়লাম। যদিও এ মন্দিরে আগে কোনওদিন ঢুকিনি। মন্দির তোরণ ঝোপ জঙ্গলে ঢাকা ছিল তাই মন্দিরে ঢোকার উপায় ছিল না। মন্দিরের আরও ভিতরে কী কী দেখলেন আপনারা?’

    রামমূর্তি তার প্রশ্নর জবাব না দিয়ে বললেন, ‘তুমি এখান থেকে চলে যাও।’

    ফঙ বলল, ‘চলে যাব কেন? আপনারা বিদেশ থেকে এসে এ মন্দিরে ঢুকছেন, আর আমি স্থানীয় লোক হয়ে নিজের দেশের মন্দিরে ঢুকতে পারব না? আমি মন্দিরের ভিতরটাও ঘুরে দেখব।’

    রামমূর্তি এবার গলার স্বরে কাঠিন্য ফুটিয়ে বললেন, ‘না। তোমাকে এখন ভিতরে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। তুমি যে পর্যন্ত এসেছ, আগে আমি তোমাকে দেখলে আসতে দিতাম না। আমরা বিদেশি ঠিকই। কিন্তু সরকারি নির্দেশে এই মন্দিরে ঢুকেছি কাজ করতে। সরকারি অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও লোকের এ মন্দিরে ঢোকা বারণ। তুমি চলে যাও।’

    ফঙ এবার বলল, ‘বুঝেছি তোমরা কেন আমাকে চলে যেতে বলছ। পাছে তোমরা দামি কিছু খুঁজে পেলে আমি তার ভাগ চাই সেজন্য। অনেকেই তো এখানে মন্দির সংস্কার বা অন্য কোনও কাজের অছিলায় এখানে আসলে গুপ্তধন খুঁজতে আসে।’

    ফঙের কথা শুনে রামমূর্তি রুক্ষ স্বরে বললেন, ‘তোমার সঙ্গে কথা বলে সময় নষ্ট করার মতো সময় আমার নেই। আমার কাজ আছে। এবার মন্দির ছেড়ে বেরিয়ে যাও তুমি।’

    ফঙ এরপর আর বাক্যালাপের চেষ্টা করল না। অন্যরাও এবার পাশের ঘর ছেড়ে এ ঘরে চলে এসেছে। ফঙ সবার দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে অদ্ভুতভাবে একবার হাসল। তারপর পিছু ফিরে রওনা হল বাইরে যাওয়ার জন্য। কক্ষগুলোর দরজা সমান্তরালে অবস্থান করার জন্য ফঙ যতক্ষণ না মন্দিরের বাইরে বেরল ততক্ষণ তাকে দেখতে পেল স্বাগতরা। লোকটা মন্দির ত্যাগ করল, ব্যাপারটাতে নিশ্চিত হওয়ার পর প্রফেসর বললেন, এ ধরনের স্থানীয় লোক মন্দিরে ঢুকে আমাদের কাজের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। বলা যায় না, হয়তো ট্যুরিস্টদের মন্দির দেখাবার জন্য নিয়ে এল এখানে। ‘প্রবেশ নিষেধ’ লেখা একটা সরকারি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিতে হবে মন্দির তোরণে।”

    এ কথা বলার পর তিনি বললেন, ‘চল মন্দিরের ভিতরের চত্বরটা একবার দেখে আসি। তারপর তোমরা কাজ শুরু করবে।’

    স্বাগতরা প্রথমে আগের ঘরে ফিরে এল। তারপর অন্যপাশের চত্বরটাতে নেমে এল। সেটাও পরিষ্কার করে ফেলেছে শ্রমিকরা। চত্বরের দু’পাশে স্তম্ভের ছাদওয়ালা দুটো লম্বা অলিন্দ। মন্দিরে প্রবেশ করলেই প্রথম যে ঘরটা, সে ঘর থেকে বেরিয়ে আসা পথ দুটো এসে যুক্ত হয়েছে চত্বরের দু’পাশের অলিন্দর সঙ্গে। আর সামনে ওপর দিকে ধাপে ধাপে উঠে গেছে বিভিন্ন কক্ষ, ঝুল বারান্দা, প্রাঙ্গণ বা সিঁড়ি। তবে তার গায়ে এখনও লতাগুল্মর বিস্তার। সেগুলো পরিষ্কার না করলে জায়গাটার ভিতরে প্রবেশ করা যাবে না।

    রামমূর্তি স্যরের সঙ্গে স্বাগতরা চত্বরটা বেশ খানিকটা সময় এদিনও ঘুরে দেখল। অলিন্দর স্তম্ভের গায়ে যে মূর্তিগুলো চোখে পড়ল সে সবই রক্ষীদের মূর্তি।

    বিক্রম বলল, ‘আপনি যাই বলুন স্যর, এই মন্দিরের ভিতর আমি যেন কেমন গুপ্তধনের গন্ধ পাচ্ছি। ওই শিকল বাঁধা কলস হাতে লোকগুলোর মূর্তি, চারপাশে এত রক্ষীপ্রহরীর মূর্তি এসব যেন তারই ইঙ্গিত করছে।’

    রামমূর্তি স্যর হেসে বললেন, ‘গুপ্তধনের খোঁজ যদি মেলে তবে তা আমাদের সরকারি কোষাগারে তুলে দিতে হবে। বড় জোর তার জন্য সামান্য কিছু আর্থিক পুরস্কার লাভ হতে পারে আমাদের। তার চেয়ে বেশি কিছু নয়।’—এ কথা বলে এরপর তিনি সামনে মাথার দিকে উঠে যাওয়া মন্দির, দেউল, প্রাঙ্গণের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আমার ধারণা এ মন্দিরে কোনও রহস্য থাকলে তা লুকিয়ে আছে ওই অংশের কোনও জায়গাতে। ওই জায়গাটাই মন্দিরের মূল অংশ। কারণ ওর মাথাতেই মন্দির শৃঙ্গের অবস্থান। সাধারণত পর্বত আকৃতির শীর্ষদেশ মন্দিরের যে ছাদের ওপর অবস্থান করে, সেই ছাদের নীচেই থাকে দেবতার অধিষ্ঠান-গর্ভগৃহ বা গুরুত্বপূর্ণ কক্ষগুলো। আগামী দু’দিন মজুরদের দিয়ে মন্দিরের ওই মূল অংশটা যতদূর সম্ভব পরিষ্কার করাব। তারপর দেখি ভিতরের কী মেলে?’ রামমূর্তি এরপর স্বাগতদের নিয়ে ফিরে এলেন কলস হাতে মূর্তি আর রক্ষীদের মূর্তি খোদিত ঘরটাতে। স্বাগতদের কাজ শুরু হয়ে গেল কিছুক্ষণের মধ্যেই। ওদিকে মজুরের দলও ছাদের মাথায় উঠে তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। গাছ কাটার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। দুপুর একটা নাগাদ খাবার এল। চত্বরে বেরিয়ে মধ্যাহ্নভোজন সাঙ্গ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিল তারা। তারপর আবার ঘরটাতে ঢুকে কাজ শুরু করল সকলে। বিকেল সাড়ে চারটের সময় রামমূর্তি বললেন, ‘আজকের মতো আমাদের কাজ এখানেই শেষ।’

    সূর্য পশ্চিমে ঢলতে শুরু করেছে। ঘরের আলোও কমে আসতে শুরু করেছে। কক্ষগুলো ত্যাগ করে মন্দিরের বাইরে বেরবার জন্য এগল সকলে। বাইরে বেরিয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে স্বাগতরা দেখল মজুররা ছাদের মাথায় ডালপালাগুলো কেটে ফেলেছে। তারাও এবার ছাদ থেকে নীচে নামার উপক্রম করছে। প্রফেসর ছাদের মাথায় দাঁড়িয়ে থাকা হেরুমকে বললেন, ‘বাঃ, খুব ভালো কাজ করেছ তোমরা।’ এরপর প্রাঙ্গণ, মন্দির তোরণ অতিক্রম করে বাইরে বেরিয়ে নিজেদের ঘরের দিকে রওনা হল সকলে।

    স্বাগত ঘরে ফিরে ধুলোমাখা কাজের জামা-কাপড় ছেড়ে মুখ হাত ধুয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিল। সারাদিন সে বদ্ধ ঘরের মধ্যে কাটিয়েছে তাই আর আবদ্ধ জায়গার মধ্যে থাকতে ভালো লাগল না। একটু উন্মুক্ত বাতাসের দরকার। তাই সে ঘরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়ার পর ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে পড়ল। চত্বর ছেড়ে সে এগল বনপথ ধরে। হাঁটতে হাঁটতে একসময় পৌঁছে গেল তার পরিচিত সেই জায়গাতে। সেখানে ঝোপ-জঙ্গলের আড়াল থেকে পাথরের ফলকের গায়ে উঁকি দিচ্ছে এক নারী মূর্তি। আজও সে একইভাবে রয়েছে নির্জন বনপথের তরুছায়ায়। কয়েকটা দিন তার আসা হয়নি। এখানে। মূর্তিটার দিকে তাকিয়ে আরও একজনের কথা মনে পড়ল তার। সেই খামের যুবতীর কথা। অবশ্য চারপাশে তাকিয়ে তাকে দেখতে পেল না সে। স্বাগত একবার তাকাল দূরে আকাশের প্রেক্ষাপটে জেগে থাকা বিষ্ণুলোকের দিকে। পাঁচটা বেজে গেছে, সূর্য ঢলতে শুরু করেছে বিষ্ণুলোকের শৃঙ্গগুলোর আড়ালে। সেদিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে সে বসল মাটিতে শুয়ে থাকা পাথরের স্তম্ভটার ওপর। যেমন সে বসে অন্যদিন। জঙ্গলের মৃদু শীতল বাতাসে তার শরীরটা যেন জুড়িয়ে গেল। সে ভাবতে লাগল এদিন তারা যে ব্যাপারটা

    আবিষ্কার করেছে সেটা নিয়ে। মূর্তিগুলোর হাতের শিকল বন্দি ঘড়া বা কলসগুলো সবার মনেই কমবেশি কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। কী ছিল ওই কলসের মধ্যে? হীরে-জহরত সোনা বা অতি মূল্যবান কিছু জিনিস? আর সে সব কি আজও ওই মন্দিরের মধ্যে লুকানো আছে?’

    ‘ওই মন্দিরে কী আছে আমি জানি।’ নারী কণ্ঠের কথাগুলো শুনে মৃদু চমকে উঠে পাশ ফিরে তাকাতেই স্বাগত দেখতে পেল আজও এসে উপস্থিত হয়েছে সেই খামের কন্যা!

    স্বাগতর দিকে তাকিয়ে আছে সে। মাত্র হাত দশেকের ব্যবধানে আজ সে এসে দাঁড়িয়েছে। তার শরীরের সুগন্ধীর মৃদু গন্ধও যেন এসে লাগল স্বাগতর নাকে। খামের যুবতী আবারও বলল, ‘ওই মন্দিরে কী আছে আমি জানি। ওখানে কি থাকতে পারে আপনি সেটাই ভাবছিলেন তো?’

    স্বাগত অবাক হয়ে গেল তার কথা শুনে। মেয়েটা থট রিডিং জানে নাকি? নইলে কী করে বুঝতে পারল সে কী ভাবছিল? স্বাগত প্রশ্ন করল, ‘আপনি কী করে বুঝলেন আমি কী ভাবছি?’

    মেয়েটা জবাব না দিয়ে মৃদু হাসল।

    স্বাগতর মনে পড়ে গেল এই খামের যুবতীকে নিয়ে দেখা স্বপ্নটার কথা। অদ্ভুত সেই স্বপ্ন! যুবতী তাকে নিয়ে পালাচ্ছিল, তারপর কুমির বেষ্টিত
    পরিখায় পড়ে গেছিল স্বাগত! স্বপ্নটা যেমন অদ্ভুত তেমন পরপর দু’দিন তার সামনে এ সময় এই নারীর উপস্থিত হওয়াটা, তার কথাবার্তা কেমন যেন একটা রহস্যময় বলে মনে হল স্বাগতর। আজ মেয়েটাকে দেখে স্বাগতর বেশ একটা কৌতূহল জন্মাল তার প্রতি। সে তাকে বলল, ‘তোমার আপত্তি না থাকলে আমরা বসে কথা বলতে পারি?’

    খামের যুবতী মাথা নেড়ে সম্মতি প্রকাশ করল তার কথায়। তারপর ধীর পায়ে এগিয়ে স্বাগতর কিছুটা তফাতে একটা প্রস্তর খণ্ডর ওপর বসল।

    কয়েক মুহূর্তর নীরবতা। স্বাগত এরপর যুবতীকে প্রশ্ন করল, ‘এর আগের দিন তোমার নামটা জানা হয়নি। আমার নাম স্বাগত। তোমার নাম কী?’

    খামের যুবতী মৃদু হেসে বলল, ‘নাম জেনে কী হবে? তবে আমার নাম না জানলেও কথা বলতে আমাদের অসুবিধা হবে না।’

    যার সঙ্গে কথা হচ্ছে তার নাম না জানলে মনের ভিতর একটা অস্বস্তি হয় ঠিকই। কিন্তু স্বাগত ভাবল, এখানকার খামের অধিবাসীদের রীতিনীতি এখনও তার ভালোভাবে জানা নেই। হয়তো বা খামের যুবতীরা স্বল্প পরিচিত পুরুষদেরকে তাদের নাম জানায় না। তাই সে দ্বিতীয়বার আর নাম জানতে চাইল না। তবে সে মেয়েটার কথার সূত্র ধরে তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘আমরা যে মন্দিরে কাজ করছি সে মন্দিরে কী আছে তা তুমি জানো?’

    খামের সুন্দরী জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, জানি।’

    অনেক সময় স্থানীয় স্থাপত্য নিয়ে অনেক লোককথাউপকথা প্রচলিত থাকে। হয়তো মেয়েটা তেমনই কোনও কাহিনি জানে ওই মন্দির সম্পর্কে। স্বাগত তাই তাকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি ওই মন্দির সম্পর্কে কী জানো শুনি?”

    মেয়েটা তাকাল বিষ্ণুলোকের দিকে। শৃঙ্গগুলোর পিছনে সূর্য ডুবে গেছে। আকাশটা লাল হয়ে আছে। সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে সে বলল, ‘ঠিক এই সময় ঘটেছিল সেই ঘটনাটা। আর তারপরই সন্ধ্যা নেমেছিল বিষ্ণুলোকে। সে ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তোমরা যে মন্দিরে প্রবেশ করেছ সেই মন্দির।’

    স্বাগত আগ্রহ ভরে জানতে চাইল, ‘কী ঘটনা?’

    যুবতী জবাব দিল, ‘বহু হাজার বছর আগের এক ঘটনা।’—এ কথা বলে আবারও থেমে গেল সে। অস্তাচলগামী সূর্যের রক্তিম আভা মাখা আকাশের দিকে তাকিয়ে খামের যুবতী কী যেন ভাবতে লাগল।

    স্বাগত আবার তাকে বলল, ‘বল শুনি সেই কাহিনি?’

    যুবতী এবার আকাশ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে তাকাল স্বাগতর দিকে। তারপর বলল, ‘সে কাহিনি অনেকটা বড়, অনেক কথা।’

    স্বাগত বলল, ‘তুমি বল? শুনতে আমার অসুবিধা নেই।’

    খামের সুন্দরী বলল, ‘তুমি যখন শুনতে চাইছ সে কাহিনি তখন তা বলব তোমাকে। তবে আজ নয়। অন্যদিন। আর কিছুক্ষণ পরই সন্ধ্যা নেমে যাবে, আমার কাহিনি শেষ করা যাবে না।’—এ কথা বলে হঠাৎই উঠে দাঁড়াল যুবতী। তারপর স্বগতোক্তির স্বরে বলল, ‘ও মন্দিরে কেউ পা না রাখলেই ভালো হতো।’

    স্বাগত উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘কেন?’

    মেয়েটা আর স্বাগতর কথার জবাব দিল না। হাঁটতে শুরু করল সে। হঠাৎই যেমন সে স্বাগতর সামনে আবির্ভূত হয়েছিল তেমনই কয়েক মুহূর্তর মধ্যে হারিয়ে গেল জঙ্গলের আড়ালে।

    তার আচরণ দেখে স্বাগত মনে মনে বলল, ‘বড় অদ্ভুত মেয়ে তো! যেমন হঠাৎ এসে উপস্থিত হয়, তেমন হঠাৎই চলে যায়! কেমন যেন রহস্যময় আচরণ!’

    আর এরপরই সে কিছুদূর থেকে মৃদু কথাবার্তার শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখতে পেল সুরভী-নাতাশা-বিক্রম আর প্রীতমকে। তারা একসঙ্গে বেড়াতে বেরিয়েছে। স্বাগতকে এরপর তারা দেখতে পেয়ে তার দিকেই এগিয়ে আসতে লাগল।

    চারজন এসে দাঁড়াল স্বাগতর সামনে। বিক্রম তাকে বলল, ‘এখানে একলা দাঁড়িয়ে কী করছ?’

    স্বাগত বলল, ‘এ জায়গাটা বেশ সুন্দর লাগে আমার। ছায়াঘন সুন্দর নিরিবিলি পরিবেশ। আবার এখান থেকে বিষ্ণুলোকের মাথায় সূর্যাস্তও দেখা যায়। তাই এখানে এসে বসেছিলাম।’

    নাতাশা বলল, ‘হ্যাঁ, চারপাশটা বেশ সুন্দর। বিষ্ণুলোকের মাথার ওপরের আকাশটাও এখান থেকে ভারী সুন্দর লাগছে! চারপাশে তাকাতে তাকাতে সুরভীর হঠাৎ চোখ পড়ল ঝোপ-জঙ্গলের আড়াল থেকে উঁকি দেওয়া সেই নারী মূর্তির উপর। সেটা দেখতে পেয়েই সে এগিয়ে গেল তার সামনে। অন্যরাও এগিয়ে গেল সে জায়গায়। স্বাগত আগের দিনও খেয়াল করে দেখেছে দিন শেষের একটা মায়াবি আলোক রেখা এসে পড়ে একাকী দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তিটার উপর। এদিনও সেই আলো এসে পড়েছে তার শরীরে। সুরভী সেই মূর্তিটার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কী অদ্ভুত সুন্দর মূর্তিটা!’ তারপর সে স্বাগতর উদ্দেশে বলল, ‘এ মূর্তিটা কার তুমি জানো? এখানে কোথা থেকে এল?’

    স্বাগত বলল, ‘সম্ভবত কোনও অপ্সরা বা নর্তকী এমন কারও মূর্তি হবে। নিশ্চয়ই আশপাশের কোনও সৌধর গায়ে বসানো ছিল। কোনও কারণে এখন একলা ওখানে পড়ে আছে।’

    নাতাশা বলল, ‘কেমন যেন নিঃসঙ্গ দেখাচ্ছে মূর্তিটাকে। আচ্ছা, এটাকে আমাদের কাজের জায়গায় উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় না? এত সুন্দর একটা মূর্তি এমন অনাদরে এখানে পড়ে আছে।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, যায়। প্রফেসর রামমূর্তি যদি নির্দেশ দেন।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }