Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ১৩

    পর্ব ১৩

    প্রী-তম তার মোবাইল ফোনের ক্যামেরাতে বেশ কয়েকটা ছবি তুলল মূর্তিটার। তারপর সে জায়গা থেকে সবাই সরে এসে স্বাগত যেখানে বসে ছিল তার চারপাশে পড়ে থাকা পাথরখণ্ডগুলোর উপর বসল সকলে। নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হল। বিক্রম বলল, আজ ওই কলস হাতে লোকগুলোর ছবি দেখার পর থেকেই আমার কেন জানি বারবার মনে হচ্ছে মন্দিরের মধ্যে ওই কলসগুলোতে গুপ্তধন লুকানো আছে। যদিও তা উদ্ধার করা গেলে সেটা সরকারি সম্পত্তি হবে, কিন্তু সেটা যদি আমরা উদ্ধার করতে পারি তা একটা বিরাট ব্যাপার হবে।’

    প্রীতম বলল, ‘এ সব প্রাচীন মন্দিরে আজও গুপ্তধন লুকিয়ে থাকার সম্ভবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে মন্দিরটা যে কোন দেবতার মন্দির সেটা এখনও পর্যন্ত বোঝা গেল না।’

    নাতাশা বলল, ‘রামমূর্তি স্যরের মতো আমারও অনুমান মন্দিরের যে অংশটা লতাপাতায় এখনও আবৃত তার ভিতর প্রবেশ করলে হয়তো আমরা মন্দিরটার সম্পর্কে ধারণা পাব। কারণ, ওটাই তো মন্দিরের প্রধান অংশ। গুপ্তধন উদ্ধার না হলেও মন্দিরের গর্ভগৃহে দেবদেবীর কোনও মূর্তি পাওয়া যেতে পারে।’

    মন্দিরটার সম্পর্কে নানা কথা আলোচনা করতে লাগল তারা। তারপর একসময় আলো কমে আসতে লাগল। সূর্য পুরোপুরি ডুবে গেছে বিষ্ণুলোকের আড়ালে। আকাশের লাল আভাও মুছে যেতে শুরু করেছে। অন্ধকার নামলেই এই প্রাচীন মন্দিরে প্রেতাত্মারা জেগে ওঠে! এ কথাটা মনে হয় মনে পড়ল নাতাশার। তাই সে প্রথমে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘চল এবার ফেরা যাক।’

    স্বাগত সহ অন্যরাও এবার উঠে দাঁড়াল নিজেদের আস্তানায় ফেরার জন্য। ঠিক সেই সময় একজনকে দেখতে পেল তারা। বিষ্ণুলোকের ট্যুরিস্ট গাইড ফঙ, যে সকালবেলা মন্দিরে ঢুকেছিল। তার ভাবভঙ্গি দেখে মনে হল, সে এতক্ষণ দূরে দাঁড়িয়ে স্বাগতদের লক্ষ করছিল। স্বাগতরা তাকে দেখতে পেতেই সে বনপথ ধরে যেদিকে বিষ্ণুলোক সেদিকে হাঁটতে শুরু করল। কয়েক মুহূর্তর মধ্যেই সে স্বাগতদের দৃষ্টিপথের বাইরে চলে গেল।

    স্বাগতরাও ফেরার রাস্তা ধরল। বিক্রম বলল, ‘ফঙ কি তবে মন্দির থেকে বেরিয়ে এ তল্লাটেই সারাদিন ঘুরে বেড়াচ্ছিল? নাকি লোকটা আমাদের ওপর নজরদারি করছে?’

    প্রীতম বলল, ‘কে জানে? তবে ওর বলা একটা কথা আমার বেশ অদ্ভুত লেগেছিল।’

    ‘কী কথা?’ জানতে চাইল সুরভী।

    প্রীতম জবাব দিল, ‘বিষ্ণুমন্দিরে নাতাশার দেওয়া টাকাটা ফিরিয়ে দেবার সময় লোকটা বলেছিল, আমি ভিক্ষা নিই না। ইচ্ছা হলে আমি এ দেশের মালিক হতে পারি! ওর এই কথাটা বড় অদ্ভুত না? দেশের মালিক হতে পারি, মানে কী?’

    বিক্রম বলল, ‘এমন বড় বড় কথা অনেকেই বলে?’

    প্রীতম বলল, ‘তা বলে ঠিকই। কিন্তু আমার ওর কথাটা শুনে মনে হয়েছে ওর ওই কথার মধ্যে অন্য কোনও ইঙ্গিত আছে।’

    ‘কী ইঙ্গিত?’ প্রশ্ন করল নাতাশা।

    বিক্রম বলল, ‘দেশের মালিক হওয়া, এ কথার একটা অর্থ হল বড়লোক হওয়া। হয়তো ও এমন কিছুর সন্ধান জানে যাতে ও বড়লোক হয়ে যেতে পারে।’

    বিক্রম লোকটার সম্পর্কে কথাটা উড়িয়ে দিয়ে বলল, ‘তেমন কিছুর সন্ধান জানা থাকলে ও লোক নিশ্চয়ই ছেঁড়া চটি পায়ে গাইডগিরি করত না।’

    কথা বলতে বলতে একসময় তারা পৌঁছে গেল মন্দির চত্বরে। ঠিক তখনই অন্ধকার নামল চারপাশে।

    রাতে খাওয়া শেষ হবার পর প্রফেসর রামমূর্তি স্বাগতকে বললেন, ‘কাল তুমি আমার একটা কাজ করে দিতে পারবে?’

    স্বাগত বলল, ‘বলুন স্যর?’

    তিনি বললেন, ‘আমি তোমাদের বললাম না যে ওই মূর্তির মতো দেওয়াল চিত্র আমি আগে বিষ্ণুমন্দিরের কোথায় যেন দেখেছি। জায়গাটা আমার মনে পড়েছে। ওটা আমি দেখেছি বিষ্ণুমন্দিরের তিন তলার গ্যালারির পূর্ব দিকের একটা ঘরে। তুমি জায়গাটা খুঁজে ওই মূর্তিগুলোর ছবি তুলে আনতে পারবে? আমি বিষ্ণুমন্দিরের ওই মূর্তিগুলোর সঙ্গে আমাদের এই মূর্তিগুলো একটু মিলিয়ে দেখতে চাই। কাল হেরুমের লোকেরা মূল মন্দিরের গায়ের গাছপালা সরাবে। তাই আমার এখানে থাকা প্রয়োজন।’

    স্বাগত বলল, ‘আমি চেষ্টা করব সার।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘আশা করি সকাল আটটা নাগাদ রওনা হলে তুমি কাজ শেষ করে দুপুরের মধ্যেই আবার এখানে ফিরে আসতে পারবে। কাল সকালে তুমি রওনা হবার আগে আমি তোমাকে ক্যামেরা দিয়ে দেব।’

    কথা হয়ে গেল। রামমূর্তি এগলেন নিজের ঘরের দিকে। আর স্বাগতও ঘরে ফিরে বিছানাতে শুয়ে পড়ল। বিছানায় শুয়ে স্বাগত ভাবতে লাগল সেই খামের যুবতীর কথা। মেয়েটার আচরণ বেশ রহস্যজনক। জানলার বাইরে চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে থাকা এ মন্দির সম্পর্কে সত্যিই কিছু জানা আছে ওই খামের যুবতীর? মেয়েটা অবশ্য স্বাগতকে বলেছে যে সে এক প্রাচীন কাহিনি তাকে শোনাবে যার সঙ্গে এ মন্দিরের সম্পর্ক আছে। দেখা যাক তার সঙ্গে আবার স্বাগতর দেখা হয় কি না? তার মুখ থেকে কোনও কাহিনি সত্যিই জানা যায় কি না? এ সব কথা ভাবতে ভাবতে স্বাগত একসময় ঘুমিয়ে পড়ল।

    সকাল আটটার সময় স্বাগত যখন চত্বরে বেরিয়ে এল তখন হেরুম আর তার লোকেরা হাজির হয়ে গেছে। চত্বরের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে রামমূর্তি স্যর কথা বলছিলেন হেরুমের সঙ্গে। স্বাগত তাদের কাছে যখন এগিয়ে গেল তখন রামমূর্তি স্যর হেরুমের হাতে একটা ভাঁজ করা কাপড় তুলে দিয়ে বললেন, ‘এই পতাকাটা কোনও একটা ছাদের মাথায় যথা সম্ভব উঁচু একটা দণ্ডে টাঙিয়ে দাও। তারপর যেভাবে বললাম সেভাবে কাজ শুরু করবে। আমরা যেন আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ওই জায়গাতে প্রবেশ করতে পারি। তুমি যদি কাজের জন্য আরও লোক জোগাড় করে আনো তাহলেও আমার আপত্তি নেই।’

    রামমূর্তি স্যরের কথা শুনে হেরুম বলল, ‘সেটা করতে পারলে তো আমারও কাজের সুবিধা হতো। কিন্তু আপনি তো জানেনই যে এসব পুরনো মন্দিরের ভিতরে ঢুকে কেউ কাজ করতে চায় না।’

    স্বাগত পৌঁছে গেল তাদের কাছে। হেরুমকে নির্দেশ দেওয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল রামমূর্তি স্যরের। তিনি এরপর ইশারায় তাকে স্থান ত্যাগ করতে বলে স্বাগতকে দেখে তাঁর কাঁধ থেকে ক্যামেরাটা নিয়ে সেটা স্বাগতর দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘তোমার সরকারি পরিচয়পত্রটা সঙ্গে আছে তো? বিষ্ণুমন্দিরে ঢোকার সময় ওটা গলায় ঝুলিয়ে নিও। এমনিতে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। হলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে ফোন করবে।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘আর কোনও ছবি তোলার বা অন্য কাজের দরকার নেই তো স্যর?’

    তিনি বললেন, ‘তোমার ইচ্ছা হলে তুমি অন্য ছবি তোমার জন্য আমার ক্যামেরাতে তুলতেই পার। তাতে কোনও আপত্তি নেই। তবে যে ছবির কথা বললাম সেগুলো যত্ন করে তোলা চাই। পুরো প্যানেলটার ছবি তুলবে কয়েকটা। তারপর প্রত্যেকটা মূর্তির ক্লোজ ছবি তুলবে। বিশেষ করে খেয়াল করবে মূর্তির হাতের কলসগুলোকে। ওগুলোর গায়ে কোনও কিছু লেখা বা আঁকা আছে কি না?’

    স্বাগত বলল, ‘আচ্ছা স্যর। নতুন কিছুর সন্ধান পেলে আপনাকে জানাব।’

    রামমূর্তি সারের সঙ্গে কথা বলে স্বাগত এরপর রওনা হয়ে গেল বিষ্ণুমন্দির যাওয়ার জন্য।

    আলো ঝলমলে সুন্দর সকাল। মাথার ওপর টিয়াপাখির ঝাঁক উড়ে গিয়ে বসছে এ ডাল থেকে সে ডালে। রাস্তা চিনতে স্বাগতর অসুবিধা হবে না। গাছের ডালপালার ফাঁক দিয়ে কিছু দূরে দেখা যাচ্ছে বিষ্ণুলোকের শৃঙ্গগুলো। কিছুটা এঁকেবেঁকে হলেও রাস্তা এগিয়েছে সেদিকেই। যে পথ ধরে রামমূর্তি স্যরের সঙ্গে তারা গিয়েছিল ওই বিষ্ণুমন্দির দেখতে। নিশ্চিন্ত মনেই বনপথের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে হাঁটতে লাগল স্বাগত। ক্রমশ কাছে এগিয়ে আসছে বিষ্ণুলোক। কিন্তু হঠাৎই স্বাগতকে থেমে যেতে হল। রাস্তার পাশে একটা গাছের আড়াল, ঠিক তার সামনেই বেরিয়ে এসে দাঁড়াল একজন। লোকটা মুখ ফিরিয়ে স্বাগতর দিকে তাকাতেই তাঁর মুখ আর পোশাক দেখে স্বাগত তাঁকে চিনতে পারল। লোকটা হল সিয়েমরিপে যাওয়ার সময় বনপথে দেখা রামমূর্তি স্যরের পরিচিত রত্নসম্ভব নামের বৌদ্ধ ভিক্ষু বা সন্ন্যাসী। লোকটা বয়সে বৃদ্ধ এবং সন্ন্যাসী, তাই স্বাগত হাত জোড় করে মাথা ঝুঁকিয়ে নমস্কার জানাল তাঁকে। সন্ন্যাসী আশীর্বাদের ভঙ্গিতে তাঁর ডানহাতটা তুলে ধরে বললেন, ‘ভগবান বুদ্ধ আপনার মঙ্গল করুন।’

    এরপর সন্ন্যাসী স্বাগতর দিকে ভালো করে তাকিয়ে তাঁর পরিচয় অনুমান করতে পারলেন।

    তিনি বললেন, ‘আপনি ভারতীয় তাই তো? রামমূর্তির সঙ্গে মন্দির সংস্কারের কাজ করছেন?’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, আপনি ঠিক বলেছেন।’

    তিনি বললেন, ‘সেদিন রামমূর্তির সঙ্গে আপনাকে দেখেছিলাম। আমার পরিচয় হয়তো আপনি জানেন।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, রামমূর্তি স্যর জানিয়েছেন। একদিন বায়ুম বুদ্ধ মন্দিরেও নিয়ে যাবেন বলেছেন।’

    সন্ন্যাসী বললেন, “ভগবান বুদ্ধর দেশের লোক আপনারা। আপনাদের স্বাগত জানাই সেখানে। তাছাড়া রামমূর্তিকে আমার কিছু বলার প্রয়োজন আছে। তিনি এলে ভালোই হয়।”

    স্বাগত বলল, ‘আমি আপনার কথা জানিয়ে দেব তাঁকে।’

    স্বাগত যে পথ ধরে এগচ্ছিল, সে পথ ধরেই ধীরে ধীরে হাঁটতে শুরু করলেন শ্রমণ। স্বাগতও তাঁর পাশাপাশি হাঁটতে শুরু করল।

    সন্ন্যাসী স্বাগতকে প্রশ্ন করল, ‘মূল মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করেছেন আপনারা? যেখানে কক্ষ, অলিন্দগুলো ধাপে ধাপে ওপর দিকে উঠে গেছে? মন্দিরের যে অংশের মাথায় চূড়া বসানো আছে?’

    যদিও রামমূর্তি স্যর মন্দিরের বিষয়ে বাইরের লোকদের কাছে কিছু জানাতে নিষেধ করেছেন, তবুও এই বৃদ্ধ সন্ন্যাসীকে মিথ্যা কথা বলতে পারল না স্বাগত। সে বলল, ‘ওর ঠিক সামনের চত্বর পর্যন্ত পৌঁছে গেছি আমরা। মজুররা গাছপালা সরিয়ে ফেললে এবার আমরা ওর ভিতরে প্রবেশ করব।’

    সন্ন্যাসী একটু চুপ করে থেকে বললেন, ‘হয়তো ওর ভিতর প্রবেশ না করাই ভালো।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘কেন?’

    প্রাচীন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বললেন, ‘আসলে এখানকার পুরনো মন্দিরগুলোর সঙ্গে এমন অদ্ভুত কিছু ঘটনা বা ব্যাপার জড়িয়ে আছে যা আপনারা বাইরের লোকেরা ঠিক বিশ্বাস করবেন না। ওসব মন্দিরে প্রবেশ করলে বিপদ নেমে আসতে পারে।’

    হাঁটতে হাঁটতে স্বাগত জানতে চাইল, ‘আপনি কি কোনওদিন ওই মন্দিরে প্রবেশ করেছেন?’

    বৃদ্ধ বললেন, ‘হ্যাঁ, একবারই। সে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে। খামের রুজের সৈন্যরা তখন এ অঞ্চলে ঘাঁটি গেড়েছে। নির্বিচারে তারা মানুষজনকে খুন করছে নাহুল নামে এক সৈন্যাধক্ষের নেতৃত্বে। তাদের আক্রমণের অন্যতম লক্ষ বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা। আমার তখন যুবা বয়স, সদ্য এসেছি এখানে। একদিন রাতে তারা বায়ুম মন্দিরে হানা দিল। বেশ কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী মারা পড়ল। আমি কোনওক্রমে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে এসে ক’দিনের জন্য আশ্রয় নিয়েছিলাম ওই মন্দিরে। এর ক’দিনের মধ্যেই অবশ্য পলপটের শাসনের অবসান হল। পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হল, আমি আবার বায়ুমে চলে গেলাম।’

    ধীরে ধীরে বৃদ্ধ কথাগুলো বলার পর স্বাগত একটু ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনি তো মন্দিরের ভিতরে ঢুকেছিলেন। কী আছে ওই মন্দিরের ভিতরে? কার মন্দির ওটা? কোনও অদ্ভুত জিনিস মন্দিরের ভিতরে চোখে পড়েছিল কি?’

    প্রশ্ন শুনে কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন বৃদ্ধ। তারপর সম্ভবত ওই মন্দিরের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়ার জন্যই বললেন, ‘অদ্ভুত ব্যাপার দেখতে চাইলে বায়ুম মন্দিরে আসবেন। আমি আপনাদের দেখাব। তাহলে আপনারা বুঝতে পারবেন কত অদ্ভুত, রহস্যময় এই প্রাচীন মন্দির নগরীতে ছড়িয়ে আছে। রামমূর্তিকেও আমি দেখিয়েছি সেটা। তিনিও দেখে বিস্মিত হয়েছেন।’ এ কথা বলার পর কয়েক পা এগিয়েই তিনি থেমে গেলেন। রাস্তা থেকে একটা শুঁড়িপথ জঙ্গলের অন্যদিকে চলে গেছে। তার মুখে দাঁড়িয়ে পড়ে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বললেন, ‘আপনি বিষ্ণুলোকে যাবেন তাই তো?’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, রামমূর্তি স্যর ওখানে আমাকে একটা কাজে পাঠাচ্ছেন।’

    মাঠটা অতিক্রম করে মূল মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করল স্বাগত। ভিতরে প্রবেশ করার পর আগের দিনের মতোই স্বাগতর যেন মনে হল সে অন্য কোনও জগতে প্রবেশ করল। শীতল একটা ভাব অনুভব হল তার শরীরে…।

    বৃদ্ধ আকাশের প্রেক্ষাপটে জেগে থাকা বিষ্ণুলোকের দিকে চেয়ে বললেন, ‘এখানকার যত প্রাচীন রহস্য আছে তা সবই ওই বিষ্ণুমন্দিরকে কেন্দ্র করেই। তবে দিনের বেলা সে সব কিছু বোঝা যায় না। যান ঘুরে আসুন। আমাকে এবার অন্য পথ ধরতে হবে। তথাগত আপনাদের সব বিপদ থেকে দূরে রাখুন।’ এ কথা বলে বৃদ্ধ বৌদ্ধ সন্ন্যাসী আবার আশীর্বাদের ভঙ্গিতে তাঁর হাতটা স্বাগতর দিকে তুলে ধরে মন্দিরের দিকের রাস্তা ছেড়ে সেই শুঁড়িপথের মধ্যে প্রবেশ করলেন। সন্ন্যাসীর বলা কথাগুলো ভাবতে ভাবতে স্বাগত এগল বিষ্ণুলোকের দিকে।

    স্বাগত কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছে গেল বিষ্ণুমন্দিরের সামনে পরিখার কাছে। ইতিমধ্যেই নানা দেশ থেকে আগত ট্যুরিস্টরা প্রতিদিনের মতো এসে উপস্থিত হয়েছে পৃথিবীর অন্যতম আশ্চর্য স্থাপত্য আঙ্করের বিষ্ণুমন্দির দর্শন করবে বলে। সাঁকো পেরিয়ে তারা এগচ্ছে মন্দির তোরণের ভিতরে প্রবেশ করার জন্য। পকেট থেকে সরকারি পরিচয়পত্রটা বার করে সেটা গলায় ঝুলিয়ে নিয়ে স্বাগতও উঠে পড়ল সাঁকোতে। তোরণের দিকে এগতে এগতে স্বাগতর হঠাৎ মনে পড়ে গেল ক-রাত আগে দেখা স্বপ্নটার কথা। পরিখার মধ্যে পড়ে গেছিল সে। তার দিকে এগিয়ে আসছিল কুমিরের দল! সেই খামের যুবতীর কথাও আবার মনে পড়ে গেল স্বাগতর। সে বলেছে স্বাগতকে প্রাচীন দিনের কাহিনি শোনাবে।

    স্বাগত ভাবল, ‘যদি আজ বিকালে সুযোগ পাওয়া যায় তবে ওই জায়গায় যেতে হবে। দেখি আজও মেয়েটা আসে কি না? তার কাহিনি শোনায় কি না?’

    মেয়েটার কথা ভাবতে ভাবতেই তোরণের ভিতর প্রবেশ করল স্বাগত। তোরণ আর মন্দিরের মধ্যবর্তী স্থানে যে জলাশয়টা আছে, যাতে বিষ্ণুমন্দিরের প্রতিবিম্ব ধরা দেয়। সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছে ট্যুরিস্টের ঝাঁক। ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবেও কেউ কেউ ঘুরে দেখছে তালগাছ ঘেরা ঘাসের গালিচা ছাওয়া জায়গাটা। মাঠটা অতিক্রম করে মূল মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করল স্বাগত। ভিতরে প্রবেশ করার পর আগের দিনের মতোই স্বাগতর যেন মনে হল সে অন্য কোনও জগতে প্রবেশ করল। শীতল একটা ভাব অনুভব হল তার শরীরে, চারপাশে চলে গেছে নানা বারান্দা গ্যালারি। এই গ্যালারিগুলোর কিছু অংশ রামমূর্তি স্যর দেখিয়েছেন স্বাগতদের। তবে তিনি এ কথাও স্বাগতদের বলেছেন যে এই বিশাল মন্দিরের সব গ্যালারি সব কক্ষ একদিনে দেখা সম্ভব হয় না। যেমন স্বাগত যে কক্ষতে যাচ্ছে সে কক্ষে আগের দিন তাদের নিয়ে যেতে পারেননি রামমূর্তি স্যর। স্বাগত ভাবল আগে কাজটা সেরে আসা যাক তারপর হাতে সময় থাকলে মন্দিরটা আবার ঘুরে দেখার চেষ্টা করবে।

    একবার দেখলে কি মনের আশ মেটে? আগের দিন রামমূর্তিই স্বাগতদের পথপ্রদর্শকের কাজ করেছিলেন। মন্দিরের ভিতরের গোলকধাঁধা একবারে চেনা সম্ভব নয়। স্বাগত একজন নিরাপত্তা কর্মীর কাছে ওপরে ওঠার রাস্তাটা জেনে নিয়ে সিঁড়িটা খুঁজে বার করল। কাঠের পাটাতন দিয়ে বানানো সিঁড়ি। মন্দিরের ভিতর, বাইরের গায়ের অনেক সিঁড়িই বহু যুগ আগেই ধসে পড়েছে। পর্যটকদের মন্দির ঘুরে দেখার জন্য এই কাঠের সিঁড়িগুলো বানানো হয়েছে।

    সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে এল স্বাগত। এ মন্দিরের এক একটা তলার উচ্চতা অন্তত তিন তলা বাড়ির সমান। দোতলাতে কিছু পর্যটক ঘুরে বেড়াচ্ছে, ছবি তুলছে। অন্য অংশর মতো দোতলাতেও রয়েছে নানান ধরনের মূর্তি দেওয়াল চিত্র।

    সে সব দেখতে দেখতে স্বাগত তিনতলায় ওঠার পথটা খুঁজতে শুরু করল। একটা অলিন্দ ধরে এগিয়ে একটা বাঁকের মুখে পৌঁছতেই একটা কণ্ঠস্বর কানে এল তার—‘টাকাপয়সার ব্যাপার নিয়ে তুমি কোনও চিন্তা কর না। এ মন্দিরটা যেমন ঘুরিয়ে দেখাচ্ছে তেমনই আশপাশের মন্দিরগুলোও আমাকে ভালো করে ঘুরিয়ে দেখাবে। জায়গাগুলোর সম্পর্কে তুমি যা জানো তা আমাকে বলবে। তার জন্য যত সময় লাগুক। যত দিন লাগুক আমার কোনও অসুবিধা নেই।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }