Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ২০

    পর্ব ২০

    কাজেই স্বাগতও সে জায়গা ছেড়ে উঠে পড়ল। সে একবার তাকাল বিষ্ণুলোকের দিকে। লাল রং ধরতে শুরু করেছে তার মাথার আকাশে। সূর্যের রং ঠিক রক্তর ফোঁটার মতো লাল। গাছে ঘেরা জায়গাটা থেকে বাইরে বেরিয়ে এল স্বাগত। আর বাইরে বেরিয়েই সে দেখতে পেল যুবতীর অনুমান সত্যি। তবে লোকটা অন্য কেউ নন, প্রফেসর রামমূর্তি হেঁটে আসছেন সেদিকে। স্বাগতও এগল তাঁর দিকে। নারীমূর্তির কাছে যে স্তম্ভর ওপর এসে স্বাগত বসে, সে স্থান আর রাস্তার মাঝামাঝি জায়গায় এসে মিলিত হল তারা দু’জন। রামমূর্তি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওই জঙ্গলের ভিতরে ঢুকে কী করছিলে? কিছু আছে নাকি ওখানে?’

    অর্থাৎ রামমূর্তি স্যর ওই গাছে ঘেরা জায়গাটার আড়াল থেকে তাকে বাইরে বেরতে দেখেছেন। স্বাগত খামের যুবতীকে কথা দিয়েছে, সে তার কথা অন্য কাউকে বলবে না। তাছাড়া সত্যি কথা বললে রামমূর্তি স্যরের কী প্রতিক্রিয়া হবে স্বাগতর জানা নেই। হয়তো বা তিনি ওই যুবতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বারণ করতে পারেন স্বাগতকে। তাই চুপ করে রইল স্বাগত।

    তার জবাব না পেয়ে তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, ‘ওই গাছে ঘেরা জায়গাটার ভিতর কিছু আছে নাকি?’

    এবার হঠাৎই একটা বুদ্ধি খেলে গেল স্বাগতর মাথায়। সে জবাব দিল, ‘প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য একটু আড়ালে গেছিলাম স্যর। তবে ওখানে তেমন কিছু নেই স্যর, দু-একটা স্তম্ভ, পাথরের খণ্ড এসব পড়ে আছে।’

    রামমূর্তি স্যর আক্ষেপের স্বরে বললেন, ‘সময় বড় নির্মম। এখানকার কত কিছুকেই যে সে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে তার ঠিক নেই। চারপাশে পরিখা দিয়ে ঘেরা থাকার কারণে বিষ্ণু মন্দিরটা মোটামুটি অক্ষত আছে এটাই একমাত্র সান্ত্বনা।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘আমাদের মন্দিরটার ব্যাপারে নতুন কিছু তথ্য উদ্ধার করতে পারলেন স্যর?’

    তিনি জবাব দিলেন, ‘এখনও তেমন কিছু নয়। মন্দিরের সব অংশে ভালো করে অনুসন্ধান চালাতে হবে। এমনও হতে পারে প্রাচীন মন্দিরের ভিতর কোনও গুপ্তকক্ষ আছে। যার মধ্যে হয়তো কোনও বিগ্রহ লুকানো আছে, যা আমাদের মন্দির সম্পর্কে পরিচিতি দান করবে। চামেরা যখন এই মন্দির নগরী আক্রমণ করে তখন অনেক বিগ্রহকেই মন্দিরের নানা স্থানে লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল। তেমন কিছু যদি থাকে তবে সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।’

    এ কথা বলার পর তিনি বললেন, ‘তোমাকে একটা কথা বলি স্বাগত। কথাটা শুনলে অন্যরা হয়তো ভয় পেতে পারে। আমার অনুমান মন্দিরের ভিতর অন্য কেউ লুকিয়ে আছে বা প্রবেশ করছে। শুধু ওই পায়ের ছাপই নয়, আমার চোখে এমন আরও বেশ কিছু চিহ্ন ধরা পড়েছে যা মানুষের উপস্থিতির চিহ্ন বলেই মনে হয়। আমি মন্দিরের বেশ কয়েকটা ঘর ও অলিন্দে একলা ঘুরে বেড়িয়েছি যেখানে তোমরা বা মজুরের দল ঢোকেনি। তেমনই একটা ঘরের কোণে দেখলাম সরু লাঠির মতো একটা গাছের ডাল পড়ে

    নিজের ঘরে ফিরে দরজা বন্ধ করার সময় স্বাগতর হঠাৎই কেন জানি মনে পড়ে গেল নামের যুবতীর সতর্কবাণীর কথা—রাতে ঘর ছেড়ে বেরিও না।’ বিছানায় শোওয়ার পর ওই খামের যুবতীর কথাই ভাবতে লাগল সা

    আছে। আর সেটা দিয়ে দেওয়ালের গায়ে আঁচর কাটা হয়েছে। ওই ডালটা বাইরে থেকে ঘরের ভিতর এল কীভাবে?’

    স্বাগত বলল, ‘যে বাঁদরিটা মন্দিরের ভিতর ঘুরে বেড়ায় ওটা তার কাজ নয় তো?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘সম্ভবত না। কারণ দেওয়ালের গায়ের ছাপগুলোর মধ্যে বৃত্ত বা ত্রিভুজের মতো কিছু আঁকাও আছে। বাঁদর জ্যামেতিক নকশা আঁকবে কীভাবে?’

    রামমূর্তি স্যর এরপর বললেন, ‘আর একটা কথা। ওই নারেঙ খাম ও ফঙ মন্দির আর আমাদের কাজের ওপর লক্ষ রাখার চেষ্টা করছে। ওদের হয়তো ধারণা যে মন্দিরের ভিতর গুপ্তধন বা ওই ধরনের কিছু লুকানো থাকতে পারে। আমার ঘরের জানলা দিয়ে জঙ্গলের কিছুটা অংশ দেখা যায়। আজ দুপুরে কাজ শেষ হওয়ার পর, তোমরা ঘরে চলে যাওয়ার পর আমি নিজের ঘরে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছিলাম। জানলার পাল্লাটা সামান্য একটু খোলা ছিল। বাইরে চোখ যেতেই দেখি, জঙ্গলের কিনারে দাঁড়িয়ে ওরা দু’জন তাকিয়ে আছে মন্দিরের দিকে। আমি জানলাটা খুলতেই ওরা তাড়াতাড়ি জঙ্গলের ভিতরে ঢুকে গেল! ওদের প্রতি বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।’

    তাঁর কথা শুনেই স্বাগত বলল, ‘কিছু সময় আগে আমি যখন এখানে এলাম তখন ওরা দু’জন এখানেই দাঁড়িয়ে ছিল। আমার সঙ্গে কথাও বলল। নারেঙ মন্দিরে কিছু পাওয়া গেছে কি না সে সম্পর্কে জানতে চাইছিল। আমি কিছু জানাইনি তাকে। সে বলল, ‘কাল ওর আমাদের মন্দিরে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।’

    কথাটা শুনে রামমূর্তি স্যর গম্ভীরভাবে বললেন, ‘ওদের সম্পর্কে আমার ধারণা সঠিক বলেই মনে হয়। তবে নারেঙের কাছে সরকারি কাগজ আছে। তাকে আটকাবার ক্ষমতা আমার নেই। তবে ওই ফঙকে আমি মন্দিরে ঢুকতে দেব না। এমনও হতে পারে যে মন্দিরে গুপ্তধন আছে এ ব্যাপারটা সে-ই নারেঙের মাথায় ঢুকিয়েছে।’

    বিষ্ণু মন্দিরের আড়ালে সূর্যদেব ইতিমধ্যে মুখ লুকিয়ে ফেলেছেন। সেদিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘চল এবার ফেরা যাক?’

    মন্দিরের দিকে এরপর হাঁটতে শুরু করল তারা দু’জন। হাঁটতে হাঁটতে তিনি বললেন, ‘ভাবছি কাল একবার বায়ুম মন্দিরে যাব রত্ন সম্ভরের সঙ্গে দেখা করতে।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘আমরাও কি যাব আপনার সঙ্গে?’

    তিনি বললেন, ‘তোমাদেরকেও ওই মন্দির দেখাব বলেছি। কিন্তু আমাদের মন্দির ছেড়ে সবাই একসঙ্গে অন্যত্র চলে যাওয়া ঠিক হবে বলে এখন মনে হচ্ছে না। আমাদের অবর্তমানে নারেঙ খাম মন্দিরে ঢুকে পড়তে পারে। ভেবে নিয়ে কাল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’

    স্বাগত বলল, ‘বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্ন সম্ভর তো দীর্ঘদিন এ অঞ্চলে আছেন। বেশ কিছুদিন তিনি আত্মগোপনও করেছিলেন ওই মন্দিরে। ওই মন্দির সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি আপনাকে?’

    রামমূর্তি স্যর সংক্ষিপ্ত জবাব দিলেন, ‘ওর ভিতর প্রবেশ না করার জন্য তিনি আমাকে অনুরোধ করেছিলেন।’ -এ কথা বলে কী যেন ভাবতে ভাবতে তিনি মন্দিরের দিকে এগতে থাকলেন। স্বাগতও তাঁকে আর কোনও প্রশ্ন করল না। পাছে তাঁর ভাবনায় ব্যাঘাত ঘটে। তারা মন্দিরের কাছে ফিরে আসতেই সন্ধ্যা নামল।

    প্রতি রাতের মতোই রান্নার বন্দোবস্ত করা হল সকলে মিলে। গল্পগুজবও হল নিজেদের মধ্যে। তারপর খাওয়া সেরে যে যার ঘরে ফিরে গেল। নিজের ঘরে ফিরে দরজা বন্ধ করার সময় স্বাগতর হঠাৎই কেন জানি মনে পড়ে গেল খামের যুবতীর সতর্কবাণীর কথা—‘রাতে ঘর ছেড়ে বেরিও না!’ বিছানায় শোওয়ার পর ওই খামের যুবতীর কথাই ভাবতে লাগল সে। কবে তার কথা শেষ হবে কে জানে? সে কি সত্যিই এই মন্দিরের আসল রহস্য জানে?—এ সব কথা ভাবতে ভাবতে একসময় ঘুমিয়ে পড়ল সে।

    কিন্তু খামের যুবতী তাকে নিষেধ করলেও সে রাতে তাকে ঘরের বাইরে বেরতেই হল। আর বেরতে হল অন্যদেরও। হঠাৎই শেষ রাতের দিকে একটা চিৎকারে ঘুম ভেঙে গেল তার। প্রীতমের গলা— সে চিৎকার করছে, ‘কুমির! কুমির!’

    সঙ্গে সঙ্গে বিছানা ছেড়ে উঠে স্বাগত দরজা খুলে বাইরের চত্বরে বেরিয়ে এল। তাকে দেখতে পেয়ে প্রীতম বলল, ‘আমি এইমাত্র একটা কুমির দেখলাম। প্রাণীটা মন্দির তোরণের দিক থেকে চত্বরের এদিকে এগচ্ছিল। আমি চিৎকার করতেই সঙ্গে সঙ্গে মুখ ঘুরিয়ে আবার তোরণের দিকে ফিরে গেল।’

    কথাটা শুনে স্বাগত এগল প্রীতমের দিকে। রামমূর্তি স্যরও দরজা খুলে ছুটে আসলেন। বিক্রমও বাইরে বেরল। রামমূর্তি স্যর ব্যাপারটা শুনে প্রথমে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি ঠিক দেখেছ? কীভাবে দেখলে প্রাণীটাকে?’

    প্রীতম দৃঢ়ভাবে উত্তর দিল, ‘হ্যাঁ, ঠিক দেখেছি। বাথরুম করতে বাইরে বেরিয়ে ঘরে ঢোকার সময় তোরণের ওদিকে তাকাতেই দেখতে পেলাম। মাঝারি আকৃতির কুমির।’

    এসব কথাবার্তার শব্দে সুরভী আর নাতাশাও দরজা খুলে এসে দাঁড়াল তাদের কাছে। সুরভীর হাতটা নাতাশা চেপে ধরে আছে। রামমূর্তি স্বগতোক্তির স্বরে বললেন, “কিন্তু কুমির কীভাবে আসবে এখানে। কাছে জলাশয় বলতে তো বিষ্ণুলোকের পরিখা, কিন্তু সেখানে তো কুমির নেই।”

    নাতাশা এবার বলে উঠল, ‘কুমিরটা কোনও প্রেতাত্মা নয় তো?’

    রামমূর্তি কখনও স্বাগতদের কড়াভাবে কথা বলেন না। কিন্তু এ পরিস্থিতিতে নাতাশার কথা শুনে স্পষ্টতই বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, ‘তুমি ঘরে যাও। এখানে আরও অনেকদিন কাজ করতে হবে আমাদের। এ জায়গায় থাকতে তুমি যদি আতঙ্ক বোধ কর, তবে দেশে ফিরে যেতে পার। সে ব্যবস্থা আমি করে দেব।’

    এ কথা বলে তিনি সুরভীকে বললেন, ‘তুমি নাতাশাকে নিয়ে ঘরে যাও। আমি অন্যদের নিয়ে তোরণের দিকে যাচ্ছি।’

    রামমূর্তি স্যরের পিছন পিছন স্বাগতরা এরপর গিয়ে উপস্থিত হল তোরণের সামনে। রামমূর্তি স্যর আলো ফেললেন তোরণের চারপাশে। কোথাও কিছু নেই। তোরণের ভিতরের প্রাঙ্গণে চারপাশের দেওয়াল থাকার কারণে আধো অন্ধকার খেলা করছে। রামমূর্তি সবাইকে নিয়ে তোরণ অতিক্রম করে ভিতরে ঢুকলেন। তাঁর টর্চের জোড়ালো আলো পড়তে লাগল প্রাঙ্গণের নানান দিকে। সেই আলো গিয়ে পড়তে লাগল স্তম্ভর গায়ে দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তিগুলোর ওপর। নিশ্চলভাবে দাঁড়িয়ে আছে তারা। শূন্য অলিন্দগুলোর মধ্যেও যতদূর আলো গেলো কোথাও জীবন্ত কিছু নেই। কিছুক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে যথাসম্ভব দেখার চেষ্টা করার পর রামমূর্তি বললেন, এত অন্ধকারের মধ্যে মন্দিরের ভিতরে ঢুকে অনুসন্ধান চালানো ঠিক হবে না। দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সকালে আলো ফুটলে আমরা মন্দিরের ভিতর ঢুকব। মন্দিরের নীচের অংশগুলো ভালো করে খুঁজে দেখব। কুমির তো আর সিঁড়ি ভেঙে দোতলায় উঠতে পারবে না। থাকলে একতলাতেই কোনও ঘরে বা অলিন্দে গিয়ে লুকিয়ে থাকবে।’

    এ কথা বলে তিনি সকলকে নিয়ে তোরণের বাইরে বেরিয়ে এসে বললেন, , ‘ঠিক আছে, তোমরা এখন ঘরে গিয়ে বাকি রাতটা কাটাও। আমি আমার ঘরের জানলা খুলে বসে থাকছি। প্রয়োজন হলে ডাকব তোমাদের।’

    রামমূর্তি স্যরের কথা শুনে সবাই নিজেদের ঘরের দিকে পা বাড়াতে যাচ্ছিল। রামমূর্তি স্যর ঘরে ঢোকার আগে সম্ভবত তাঁর আঙুলের চাপে টর্চের আলোটা হঠাৎ মুহূর্তর জন্য জ্বলে উঠে চত্বর লাগোয়া জঙ্গলের ওপর গিয়ে পড়ল। তারপর আলোটা নিভে গেল ঠিকই। কিন্তু তার পরমুহূর্তেই একটা শব্দ ভেসে এল জঙ্গলের ভিতর থেকে। সঙ্গে সঙ্গে রামমূর্তি স্যর টর্চটা জ্বেলে আলো ফেললেন জঙ্গলের দিকে। সেই আলোতে স্বাগতরা মুহূর্তর জন্য এক ছায়ামূর্তিকে জঙ্গলের ভিতর যেন অদৃশ্য হয়ে যেতে দেখল! সে দৃশ্য দেখে রামমূর্তি স্যর টর্চের আলো ঘোরাতে লাগলেন জঙ্গলের ওপর। কিন্তু আলো জঙ্গলের ভিতর যে সব জায়গায় প্রবেশ করল সেখানে কাউকেই আর দেখা গেল না। রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘তোমরাও যদি আমার মতো ভুল না দেখে থাক তবে একজন মানুষ পালাল বলে মনে হল।’

    স্বাগতরা একসঙ্গে বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, স্যর, একজন মানুষই বলে মনে হল।’

    বিক্রম বলল, ‘লোকটা কে হতে পারে স্যর?’

    রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘জানি না।’

    প্রীতম বলল, ‘ওই লোকটা এসে এখানে কুমির ছেড়ে দিয়ে যায়নি তো?’

    রামমূর্তি স্যর প্রীতমের কথার জবাবে বললেন, ‘আজ রাতে আর ওই লোকটা বা কুমিরের দেখা পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। কাল সকালে যা দেখার দেখব। তবে বাকি রাতটুকু আমি জেগে আছি। তোমরা চিন্তা কর না। ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়। ভালো করে কাজ করার জন্য ঘুম প্রয়োজন।’ রামমূর্তি স্যরের নির্দেশ পালন করে স্বাগতরা ঘরে ফিরে এল। ব্যাপারটা কী হতে পারে ভাবতে ভাবতে আবার ঘুমিয়ে পড়ল স্বাগত।

    এদিন ভোরের আলো ফোটার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বাগতরা যে যার ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে এল। প্রফেসর রামমূর্তিও এসে মিলিত হলেন সবার সঙ্গে। তাঁর চোখে-মুখে রাত্রি জাগরণের চিহ্ন স্পষ্ট। তিনি বললেন, ‘চল এবার মন্দিরের ভিতরে ঢুকে দেখা যাক প্রাণীটার দর্শন মেলে কি না।’ সকলে এগল তোরণের দিকে। বিক্রম বলল, ‘কেউ যদি মন্দিরের ভিতরে কুমিরটাকে ছেড়ে গিয়ে থাকে তবে তার পিছনে কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘আমাদের ভয় দেখিয়ে এ জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে আবার অন্য কোনও কারণও থাকতে পারে।’

    সুরভী বলল, ‘কুমিরটা বুলের খামার থেকে আনা হয়নি তো?’

    ব্যাপারটা শুনে সে-ও বেশ আশ্চর্য হয়ে গেল। সবাই মিলে এরপর মন্দিরের সামনের প্রাঙ্গণের আনাচ-কানাচ খুঁজে দেখল, মন্দিরের ভিতরে ঢুকে একতলার ঘর ও তালিন্দগুলোও দেখল, কিন্তু কোথাও চিহ্ন মিলল না।

    রামমূর্তি বললেন, ‘হতে পারে। ওই নারেঙ আর গাইড ফঙের আচরণ আমার সুবিধার বলে মনে হচ্ছে না। নারেঙের সঙ্গে বুলের সম্পর্ক আছে, কুমির সে জোগাড় করতেই পারে।’

    প্রীতম বলল, ‘এখানে শুনেছি আরও বেশ কয়েকটা কুমির খামার আছে। কুমিরটা সে সব জায়গা থেকেও সংগ্রহ করে আনা হতে পারে।’

    কথা বলতে বলতে মন্দির তোরণ অতিক্রম করে ভিতরে প্রবেশ করল সকলে। চত্বরের একপাশে লাঠির মতো কিছু ডাল কেটে রেখে গিয়েছিল মজুররা। রামমূর্তি বললেন, ‘ওই লাঠিগুলো হাতে নাও। বলা যায় না প্রাণীটা হঠাৎ তেড়ে এলে গাছের ডালগুলো আত্মরক্ষার কাজে আসবে।’

    স্বাগতরা সেই নির্দেশ মতোই কাজ করল। লাঠি তুলে নিল হাতে। প্রথমে মন্দিরের বাইরের চত্বরটা ও চত্বর সংলগ্ন বারান্দাগুলো ঘুরে দেখল তারা। তারপর সাবধানে প্রবেশ করল ভিতরের চত্বরগুলোতে প্রবেশ করার জন্য যে ঘরগুলো অতিক্রম করতে হয়, তাদের ভিতরে। দু-তিনটে টর্চের জোরালো আলোতে ফালা ফালা হয়ে যেতে লাগল ঘরগুলোর অন্ধকার। প্রতি মুহূর্তেই তাদের মনে হতে লাগল, এই বুঝি কোনও ঘরের কোণে কুমিরটাকে দেখতে পাবে তারা। কিন্তু সেই ঘরগুলোতে কুমিরের সন্ধান মিলল না। যে ঘরটার দেওয়ালে ভাণ্ড হাতে মূর্তিগুলো দাঁড়িয়ে আছে, সেই ঘর অতিক্রম করে ভিতরের চত্বরে নামার সময় প্রফেসর রামমূর্তি মুহূর্তর জন্য থমকে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘প্রীতম তুমি ঠিক দেখেছিলে তো? অনেক সময় রাতেরবেলায় আলোছায়ার খেলা দৃষ্টি বিভ্রমের সৃষ্টি করে। তেমন কিছু হয়নি তো?’

    রামমূর্তির কথা শুনে প্রীতম মৃদু আহত স্বরে বলল, ‘আপনাকে কিছু বানিয়ে বলিনি স্যর। আর আমি নেশাও করিনি। স্পষ্ট দেখলাম কুমিরটা তোরণের দিক থেকে বুকে হেঁটে আসছে। আমি ‘কুমির-কুমির’ বলে চিৎকার করাতেই সে লেজ ঘুরিয়ে যেদিক থেকে এসেছিল সেই তোরণের অন্ধকারের মধ্যে মিলিয়ে গেল।’

    প্রীতমের কণ্ঠস্বর শুনে রামমূর্তি বললেন, ‘সরি, মাই বয়। আমি তোমাকে অবিশ্বাস করতে যাব কেন? আসলে এমন দৃষ্টিবিভ্রম অনেক সময় ঘটে থাকে তাই কথাটা বললাম।’

    এরপর মূল মন্দিরের চত্বরে নেমে এল তারা। ভোরের আলোয় আলোকিত চত্বর। সেখানেও সেই কুমির চোখে পড়ল না তাদের। ইতিমধ্যে হেরুম এসে উপস্থিত হল সেখানে। রামমূর্তি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকজন কিছু জোগাড় করতে পারলে?’

    হেরুম জবাব দিল, ‘না, এখনও নতুন কাউকে রাজি করাতে পারিনি। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

    প্রফেসর রামমূর্তি এরপর তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এখানে খুব কাছাকাছি কোনও কুমির খামার আছে কি না জানো? যেখান থেকে কুমির চলে আসতে পারে এখানে?’

    হেরুম জবাব দিল, ‘যে কটা কুমির খামার সবই সিয়েমরিপে। এখানে কেউ কুমির চাষ করে না। তবে বহু সময় আগে বিষ্ণুলোকের পরিখায় কুমির ছাড়া থাকত বলে শুনেছি।’

    রামমূর্তি স্যর এরপর গত রাতের ঘটনার কথা বললেন হেরুমকে। ব্যাপারটা শুনে সে-ও বেশ আশ্চর্য হয়ে গেল। সবাই মিলে এরপর মন্দিরের সামনের প্রাঙ্গণের আনাচ-কানাচ খুঁজে দেখল, মন্দিরের ভিতরে ঢুকে একতলার ঘর ও অলিন্দগুলোও দেখল, কিন্তু কোথাও চিহ্ন মিলল না। প্রফেসর রামমূর্তি এরপর বললেন, ‘এমনও হতে পারে কুমিরটা অন্য কোনও পথ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে গেছে।’

    এ কথা বলার পর তিনি কয়েক মুহূর্ত কী যেন ভেবে নিয়ে বললেন, ‘ভাবছি একটু বায়ুম মন্দিরে যাব। তোমাদের সবাইকে মন্দিরটা দেখাব বলেছিলাম, কিন্তু একসঙ্গে সকলে যাওয়া যাবে না। কারণ, স্বাগতর কাছে শুনলাম নারেঙ খাম আবার নাকি আজ আসতে পারে। একটা কাজ করা যাক, স্বাগত-নাতাশা আর সুরভী এখন আমার সঙ্গে চলুক। বিক্রম আর প্রীতম তোমরা মন্দিরটা পাহারা দাও। তোমাদের আর একদিন সে জায়গা দেখিয়ে আনব।’

    বিক্রম তাঁর কথা শুনে বলল, ‘আচ্ছা, তাই হবে স্যর।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }