Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ২১

    পর্ব ২১

    রামমূর্তি বললেন, “তবে তোমাদের এখানে থাকার দরকার নেই। বাইরের চত্বরটাতে থাকলেই হবে। ওই নারেঙ খাম যদি মন্দিরে ঢোকে তবে তার পিছন পিছন ঘুরে দেখবে সে কী করার চেষ্টা করছে। তবে ওই গাইড ফঙকে ভিতরে ঢুকতে দেবে না। মন্দিরে প্রবেশ করার জন্য অনুমতিপত্র নেই ওর কাছে।’ এ কথা বলার পর তিনি হেরুমকে বললেন, ‘কাল আমরা আবার মন্দিরের ভিতরে ঢুকব। তুমি আমাদের দুপুরের রান্নাটা সেরে ফেল। আমাদের ফিরে আসতে দু-তিন ঘণ্টা সময় লাগবে।’ এরপর সবাই ফিরে চলল বাইরের প্রবেশ তোরণের দিকে। সেদিকে এগতে এগতেই রামমূর্তি স্যর একটা গাড়িকে ফোন করলেন আসার জন্য।

    স্বাগতরা সবাই তোরণের বাইরে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই একটা টুকটুক এসে হাজির হল। রামমূর্তি স্যর স্বাগত, নাতাশা আর সুরভীকে নিয়ে রওনা হলেন বায়ুম বুদ্ধ মন্দিরের দিকে। স্বাগত বুঝতে পারল রামমূর্তি সার আসলে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্যই বায়ুমে যাচ্ছেন। বনপথ ধরেই গাড়ি এগিয়ে চলল। এদিকে এর আগে স্বাগতদের যাওয়া হয়নি। বেশ কিছু প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন একদা মন্দির নগরীর এদিকেও ছড়িয়ে আছে। আর যেটা তাদের চোখে পড়ল তা হল বাঁদরের আধিক্য। জঙ্গলের ভিতর, ধ্বংসস্তূপে ছোট বড় দলে বসে আছে তারা। রামমূর্তি স্যরের মুখটা বেশ গম্ভীর। কী যেন ভেবে চলেছেন তিনি। আধঘণ্টা সময়মতো পথ চলার পর সামনের জঙ্গল ফিকে হয়ে গেল। স্বাগতদের চোখে পড়তে শুরু করল বিশাল বায়ুম বুদ্ধ মন্দির, বলা ভালো এক সময়ের বিশাল এক মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ।

    একসময় জঙ্গলের বাইরে এক উন্মুক্ত স্থানে এসে উপস্থিত হল গাড়ি। তার একপাশে বিশাল জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিরাট এক স্থাপত্যের ভগ্নাবশেষ। আঙ্করের মতো অত বিরাট না হলেও এই স্থাপত্যের ব্যাপ্তিও কম নয়। তবে বাইরে থেকেই দেখে বোঝা যায় মন্দিরটা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত। হয়তো এ মন্দিরের চারপাশে পরিখার ঘেরাটোপ ছিল না বলেই সময় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাবা বসিয়েছে এই মন্দিরের ওপর। তবে মন্দিরের বেশ কিছু স্তম্ভ সময়ের ভ্রূকুটিকে
    অগ্রাহ্য করে এখনও জেগে আছে। তার মাথায় বসানো আছে বিরাট বিরাট সব পাথুরে মুখমণ্ডল। যা আঙ্করের মন্দিরগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য। মন্দিরটার দিকে তাকিয়ে রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘এই বায়ুম বা বায়ন বুদ্ধ মন্দিরকে আঙ্করের দ্বিতীয় আশ্চর্য বলা যায়। রাজা সপ্তম জয়বর্ধন আনুমানিক তেরশো শতকে এই মন্দির নির্মাণ করেন বলে অনুমান করা হয়। তিনি বৌদ্ধ ছিলেন। বিষ্ণুলোকের মতো এটাও সে অর্থে ছিল রাষ্ট্রীয় মন্দির। তবে বহুবার এ মন্দিরের চরিত্র বদল হয়। কারণ, জয়বর্ধনের পরবর্তীকালে বিভিন্ন রাজা তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করেন। কেউ আবার বৈষ্ণব বা শৈব্য ধর্মে ফিরে আসেন, কেউ বা আবার হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন। এবং তাঁরা তাঁদের ভাবনা অনুসারে মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীতে নানা সংযোজন পরিমার্জন করেন। তবে তাঁরা কেউই পূর্বতন রাজার সৃষ্টিকে ধ্বংস করেননি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এ মন্দির স্থায়ীভাবে বুদ্ধ মন্দিরেই পরিণত হয়।’ রামমূর্তি স্যরের কথা শুনতে শুনতে স্বাগতদের গাড়ি এসে থামল বিরাট বড় একটা টিনের ছাউনি দিয়ে ঘেরা একটা জায়গার সামনে। সে জায়গা থেকে একপাশে একশো পা এগলেই বায়ুম মন্দির। আর অন্যপাশে একটা চৌকনো ভিত্তি প্রস্তরের ওপর সেই টিনের শেড। বাইরে থেকেই দেখা যাচ্ছে সেখানে বসে আছেন বিশালাকৃতির এক পাথরের বুদ্ধ। বেশ কিছু লোকজনও আছে সেখানে। ঘণ্টাও বাজছে। গাড়ি থেকে নামার পর রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘রত্নসম্ভর বায়ুম মন্দিরের মধ্যেই এক প্রাচীন কক্ষে থাকেন। সেখানে যাওয়ার আগে একবার ওই মূর্তির কাছে গিয়ে দেখি উনি ওখানে আছেন কি না?

    রামমূর্তি স্যরকে অনুসরণ করে স্বাগতরা বেদীর ওপর টিনের শেডের নীচে উঠে এল। বিশাল মূর্তিটা প্রাচীন হলেও বর্তমানে তা নিত্যপুজো পায়। মূর্তির গলায় ফুলের মালা পরানো। সামনে প্রদীপ আর গোছা গোছা ধূপ জ্বলছে। স্নিগ্ধ হাসি জেগে আছে তথাগতের মুখমণ্ডলে। আর তার সামনে চত্বরের মতো জায়গাটাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছে বেশ কিছু স্থানীয় লোকজন। তারা কেউ বা ধ্যানমগ্ন। আবার কেউ তাকিয়ে আছে আশ্চর্য সুন্দর করুণাময়ের মুখমণ্ডলের দিকে। স্বাগতরা দেখতে পেয়ে গেল বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভরকে। চত্বরের এক কোণে বসে আছেন তিনি। তাঁর সামনে রাখা আছে তাঁর ঝোলাটা। তিনিও দেখতে পেয়ে গেলেন তাদের। ঝোলাটা কাঁধে তুলে উঠে দাঁড়িয়ে তিনি এগিয়ে এলেন স্বাগতদের সামনে। তারপর বললেন, “বায়ুম বুদ্ধ মন্দিরে আপনাদের স্বাগত জানাই।’

    রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘হ্যাঁ, চলে এলাম। আমার সহকর্মীদের মন্দিরটা দেখানোও হবে আর তার সঙ্গে আপনার সঙ্গে কথা বলাও হবে। শুনলাম আপনি আমার খোঁজ করছিলেন।’

    সন্ন্যাসী বললেন, ‘হ্যাঁ, আপনি আজ না এলে হয়তো কাল সকালে আমি আপনার কাছে যেতাম।’

    নাতাশা চেয়েছিল বুদ্ধ মূর্তিটার দিকে। সে বলল, ‘এত সুন্দর বুদ্ধমূর্তি আগে কখনও দেখিনি!’

    মুণ্ডিত মস্তক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বললেন, ‘হ্যাঁ, বায়ুমের বুদ্ধ মূর্তিগুলোর মতো এত স্নিগ্ধ-হাস্যময় মুখমণ্ডলের বুদ্ধ মূর্তি আপনি পৃথিবীর আর কোথাও দেখতে পাবেন না। এটাই এখানকার বিশেষ বৈশিষ্ট্য। মন্দিরের ভিতরে চলুন, সেখানেও এমন কিছু হাস্যময় বুদ্ধ মূর্তি দেখতে পাবেন। যদিও বহু মূর্তিই বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে। খামের রুজের শাসনকালেও অনেক মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

    স্বাগতরা এরপর রত্নসম্ভরের সঙ্গে সে স্থান ত্যাগ করে এগল রাস্তার উল্টোদিকে বায়ুম মন্দিরে ওঠবার জন্য। মন্দিরের সামনের অংশটা ছাদহীন, শুধু স্তম্ভগুলো এখনও দাঁড়িয়ে আছে। আঙ্করের সব মন্দিরের মতো এ মন্দিরও উঁচু ভিত্তিবেদীর ওপর স্থাপিত। সিঁড়ি বেয়ে বেদীতে ওঠার সময় রত্নসম্ভর স্বাগতর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এ মন্দিরে এখনও কয়েকটা ঘর কিছুটা বাসযোগ্য আছে। তারই একটাতে আমি থাকি। ভগবান বুদ্ধের ধ্যান করি, পড়াশোনা করি। আর ভেষজবিদ্যার চর্চা করি। স্থানীয় কিছু গরিব মানুষ আমার কাছে ওষুধ নিতে আসে। সাধ্যমতো আমি তাদের চিকিৎসাও করি। এভাবেই ভগবান বুদ্ধের আশীর্বাদে আমার দিন চলে যায়।’

    মন্দির বেদীর ওপর উঠে এল সকলে, ছাদহীন মন্দিরটার ভিতরের অংশ অনেকটা দেখা যাচ্ছে। প্রবেশ পথের সামনেই বসানো আছে একটা প্রাচীন বুদ্ধ মূর্তি। কিন্তু তার মুখমণ্ডল ক্ষয়ে গেছে। রত্নসম্ভর সবাইকে নিয়ে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করলেন। চারপাশে সার সার প্রাচীন স্তম্ভ আকাশের দিকে মুখ তুলে দাঁড়িয়ে আছে। একসময় যারা ধরে রাখত মাথার ওপরের ছাদকে। সেই ছাদের চিত্রগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে তখনও পড়ে আছে চারপাশে। বিষ্ণুলোকের মতো এ মন্দিরের সংস্কার সাধনের কাজ করা হয়নি। খসে পড়া দেওয়াল-ছাদের প্রস্তর খণ্ডগুলোকে গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়নি। কিছুটা এগবার পর একসার স্তম্ভ সংলগ্ন কয়েকটা প্রাচীন কক্ষ দেখতে পেল স্বাগতরা। কক্ষগুলোর সামনে একসময় হয়তো অলিন্দ ছিল। স্তম্ভগুলো একসময় ধরে রাখত তার ছাদকে। তেমনই একটা কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে সন্ন্যাসী বললেন, ‘এই আমার বাসস্থান। দাঁড়ান আমার থলেটা ঘরে রেখে আসি।’

    এ কথা বলে তিনি সেই প্রাচীন কক্ষের কাঠের দরজাটা খুললেন ভিতরে প্রবেশ করার জন্য। আর তার সঙ্গে সঙ্গে বাইরের সূর্যের আলো প্রবেশ করল সে ঘরে। বাইরে দাঁড়িয়ে ঘরের ভিতর তাকিয়ে স্বাগত দেখল ঘরের দেওয়াল জুড়ে টাঙানো কাঠের পাটাতনের ওপর রাখা আছে কাপড় জড়ানো অনেক পুঁথি! দেখেই বোঝা যায় সে সব প্রাচীন জিনিস। আর রয়েছে একটা বিছানা, কিছু মাটির পাত্র ইত্যাদি।

    রত্নসম্ভর তাঁর থলেটা ঘরের ভিতর রেখে বাইরে বেরবার পর স্বাগত তাকে বলল, ‘আপনার ঘরে অনেক পুঁথি দেখতে পেলাম! ওগুলো কি সব বৌদ্ধ পুঁথি?’

    রত্নসম্ভর মৃদু হেসে বললেন, ‘হ্যাঁ, প্রাচীন পুঁথি সব। আমার আগেও বহু বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এখানে থাকতেন, তাঁদেরই সংগ্রহ করা পুঁথি সব। বিভিন্ন সময় তাঁরা নানান জায়গা থেকে সংগ্রহ করেছিলেন এ সব। পলপটের সেনারা যখন এখানে হানা দিয়েছিল তখন আমি ওই পুঁথিগুলো এ মন্দিরের একটা গর্তের মধ্যে লুকিয়ে রেখে তার ওপর পাথর চাপা দিয়ে পালিয়ে ছিলাম। জেনারেল পলপটের কমরেডরা পুঁথিগুলো পেলে নিশ্চয়ই পুড়িয়ে ফেলত। হিন্দু-বৌদ্ধ যে কোনও ধর্মের প্রতি অত্যন্ত বিদ্বেষী ছিল তারা।’

    সুরভী জানতে চাইল, ‘পুঁথিগুলো কোন ভাষাতে লেখা?’

    রত্নসম্ভর জবাব দিলেন, ‘পালি ও সংস্কৃত ভাষায়।’

    নাতাশা জানতে চাইল, ‘আপনি পুঁথিগুলো পাঠ করতে জানেন?’

    ঘরের দরজা বন্ধ করে সবাইকে মন্দির দেখাবার জন্য এগতে এগতে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী বললেন, ‘তা বলতে পারেন। শৈশবে যে বৌদ্ধ মঠে আমি প্রতিপালিত হয়েছিলাম সেখানে আমাকে ভবিষ্যতে বৌদ্ধশাস্ত্র অধ্যয়নের জন্য পালি ভাষায় পাঠ দান করেছিলেন ভিক্ষুরা। আর যুবা বয়সে এখানকারই এক বৃদ্ধ হিন্দু ব্রাহ্মণের থেকে সংস্কৃত শিক্ষা লাভ করি।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘কী লেখা আছে ওই পুঁথিগুলোতে?’

    রত্নসম্ভর বললেন, ‘এ দেশে প্রাচীন ধর্ম, সমাজ, আচারব্যবহার ইত্যাদি নানান বিষয়ে ওই পুঁথিগুলোতে লেখা আছে। তবে বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কিত পুঁথিই তার মধ্যে বেশি।’

    রত্নসম্ভর এরপর স্বাগতদের ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাতে শুরু করলেন মন্দির। বহু বুদ্ধমূর্তি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানান জায়গায়। দেওয়াল স্তম্ভের গায়েও রয়েছে নানান ধরনের খোদিত চিত্র-অলঙ্করণ। তবে তার অধিকাংশই ক্ষয়প্রাপ্ত। এই মন্দির বিষ্ণুলোকের থেকে কিছুটা নবীন হলেও সময় এর ওপর থাবা বসিয়েছে বেশি। স্বাগতদের নিয়ে একসময় মন্দিরের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছে গেলেন সন্ন্যাসী। মন্দিরের প্রধান কাঠামো যেখানে অবস্থিত। তাদের মাথার ওপর অবশ্য এখনও ছাদ আর চুড়ো আছে। আর সেখানে বসানো আছে বিশালাকৃতির মুখমণ্ডল। প্রফেসর রামমূর্তি স্বাগতদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওই মুখগুলো কার মুখ বলতো?’

    নাতাশা বলল, ‘কেন? ভগবান বিষ্ণুর মুখ। যেমন এখানকার সব মন্দিরে আছে।’

    রামমূর্তি স্যর হেসে বললেন, ‘না, একইরকম দেখতে হলেও ওগুলো ভগবান বিষ্ণুর মুখমণ্ডল নয়। একই আদলে তৈরি করা মহারাজ জয়বর্ধনের মুখ। যিনি এই মন্দির নির্মাণ করান। ভালো করে লক্ষ করলে বোঝা যায় এই মূর্তিগুলোর মুখমণ্ডল বিষ্ণুর মুখমণ্ডলের তুলনায় কিছুটা গোলাকার। তাছাড়া মুকুট ও অলঙ্কারেরও পার্থক্য আছে।’

    রামমূর্তি স্যরের কথাকে সমর্থন জানিয়ে সন্ন্যাসী রত্নসম্ভর বললেন, ‘উনি ঠিকই বলেছেন। এইসব মুখমণ্ডল বৌদ্ধভক্ত মহারাজ জয়বর্ধনের।’

    মূল মন্দিরে প্রবেশ করল সবাই। তার ভিতরের স্তম্ভ, দেওয়াল ছাদে রয়েছে নানান ধরনের চিত্র। কোথাও ফুললতাপাতার অলঙ্করণ, বৌদ্ধদের উপাসনার দৃশ্য সহ প্রাচীনকালের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার দৃশ্য, বিভিন্ন পশুপাখির ছবি ইত্যাদি। তবে মন্দিরের গর্ভগৃহতে কোনও মূর্তি নেই। কারুকাজ মণ্ডিত শূন্য এক মূর্তি বেদী রয়েছে সেখানে। শুধু একটা বড় ঘিয়ের প্রদীপ জ্বলছে বেদির উপর। রত্নসম্ভর বললেন, ‘ওই প্রদীপটা আমিই সকাল-সন্ধ্যায় এসে জ্বালিয়ে রেখে যাই। জনশ্রুতি অনুসারে এই বেদীর ওপর দশ ফুট উচ্চতার দণ্ডায়মান একটা মূর্তি করেছিলেন মহারাজ জয়বর্ধন। যে মূর্তি ছিল পান্না দিয়ে তৈরি। ভগবান বুদ্ধের রাজবেশ। মূর্তিটা বহুমূল্য রত্নের অলঙ্কার দিয়েও শোভিত ছিল।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘মূর্তিটা গেল কোথায়?’

    রত্নসম্ভর বললেন, ‘বেশ কয়েকটি প্রাচীন গ্রন্থে সে মূর্তির উল্লেখ আছে। তবে তা কোথায় গেল সেটা.. একমাত্র বলতে পারবে আমাদের চারপাশে এই নিস্তব্ধ দেওয়ালগুলো।’

    মন্দিরের গর্ভগৃহ আর অন্যন্য জায়গাগুলো দেখার পর সকলে বাইরে বেরিয়ে এল। রামমূর্তি স্যর রত্নসম্ভরকে বললেন, ‘এবার আপনি এ মন্দিরের সবচেয়ে অবিশ্বাস্য জিনিসটা ওদেরকে দেখিয়ে দিন।’

    তার কথা শুনে বৌদ্ধ ভিক্ষু সবাইকে নিয়ে এগলেন কাছেই এক অলিন্দর দিকে। থাম সমৃদ্ধ অলিন্দর মাথায় এখনও ছাদ আছে। স্বাগতরা উপস্থিত হল সেই অলিন্দে। তার দেওয়ালের গায়ে ছোট ছোট পাথরের ব্লকে নানান ধরনের ছবি খোদিত আছে। স্বাগতদের নিয়ে এগিয়ে গিয়ে রত্নসম্ভর গিয়ে দাঁড়ালেন এক জায়গায়। তারপর আঙুল দিয়ে দেওয়ালের একটা দিকে দেখালেন!

    গায়ে খোদিত একটা ছবির প্রতি স্বাগতদের দৃষ্টি আকর্ষণ করালেন। আর তা দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল স্বাগত, সুরভী আর নাতাশা। আঙ্করসহ যত মন্দির তাদের দেখার সুযোগ হয়েছে সেসব জায়গায় তারা মূর্তি দেখেনি বা দেখবে বলে ভাবেনি।

    রত্নসম্ভরের দেখানো জায়গায় দেওয়ালের গায়ে রয়েছে একটা বৃত্তাকার অলঙ্করণ। আর তার ভিতর খোদিত আছে ডাইনোসরের একটা মূর্তি। পিঠের ওপরে পাপড়ির আকৃতির শল্ক বসানো, দীর্ঘ লেজওয়ালা ডাইনোসরের ভাস্কর্য। যার ছবি বইয়ের পাতাতেই কেবল দেখা যায়— ‘স্টেগোসেরাস!’ প্রফেসর রামমূর্তি স্বাগতদের উদ্দেশে হেসে বললেন, ‘তোমরা ওটাকে দেখে যে প্রাণী ভাবছ সেটাই ওটা। হ্যাঁ, ডাইনোসর। জুরাসিক যুগের শেষের দিকে আবির্ভাব হয়েছিল স্টেগোসেরাসের। আনুমানিক পনেরো কোটি বছর আগে এরা পৃথিবীতে বাস করত। আর বারো কোটি বছর আগে পৃথিবী থেকে অবলুপ্ত হয়ে যায়।’

    স্বাগত বিস্মিত ভাবে বলল, ‘কিন্তু এই ছবি হাজার বছর আগে খামের শিল্পীরা আঁকলেন কীভাবে? আমার যতটুকু ধারণা এই ডাইনোসরের ফসিল তো মাত্র কয়েকশো বছর আগে আবিষ্কার হয়, তারপর তার ছবি আঁকা হয়। কিন্তু তার আগে আটশো-হাজার বছর আগে এই ছবি কীভাবে আঁকা সম্ভব?’

    রামমূর্তি বললেন ১৮৭০ সাল নাগাদ চার্লস মর্গে নামের এক প্রত্নবিদ প্রথম ইউরোপে স্টেগোসেরাসের জীবাশ্মর কিছু অংশ খুঁজে পান। তবে সেই খণ্ডিত জীবাশ্ম দিয়ে প্রাণীটার ছবি রচনা করা যায়নি। তারপর আরও কিছু জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হওয়ার পর প্রাণীটার আকৃতি রচনা করা হয়। বলা যেতে পারে প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর নিখুঁত অবয়ব বিজ্ঞানীরা রচনা করেন একশো বছর আগে। অথচ তার ছবি আটশো-হাজার বছর আগেই এঁকে ফেলল খামের শিল্পীরা।’

    বৃদ্ধ সন্ন্যাসী বললেন, ‘ঠিক এমন একটা ভাস্কর্য এখানকার “তা ফোম’ নামে এক মন্দিরেও আছে।’

    সুরভীও জানতে চাইল, ‘তা হলে কীভাবে এখানে আঁকা হল বারো-পনেরো কোটি বছর আগেকার প্রাণীর ছবি?’

    রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘এটাকে একটা আনসলভড মিস্ট্রি বলা যেতে পারে। এমনও হতে পারে হাজার দু-হাজার বছর আগেও হয়তো কম্বোডিয়ার জঙ্গলে এই তৃণভোজী বিশালাকৃতির ডাইনোসর ঘুরে বেড়াত। প্রাচীন খামের অধিবাসীরা তাদেরকে দেখেছিলেন বলেই এমন নিখুঁত ছবি আঁকতে পেরেছিলেন। ভবিষ্যতে জীববিজ্ঞানীরা হয়তো ব্যাপারটার সপক্ষে প্রমাণ তুলে আনবেন।’

    সন্ন্যাসী রত্নসম্ভর বললেন, ‘এই প্রাচীন আঙ্কর সাম্রাজ্যে এমন আরও নানানরকম রহস্য আছে যতক্ষণ না কেউ তার সম্মুখীন হচ্ছে ততক্ষণ তা বিশ্বাস করা শক্ত। শুধু প্রাকৃতিক নয়, অতিপ্রাকৃত রহস্যও।’

    স্বাগত প্রশ্ন করল, ‘তার মানে?’

    বৃদ্ধ বৌদ্ধ ভিক্ষু যেন তার প্রশ্নের জবাবে কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলেন।

    স্বাগতরা তিনজন নিজেদের মোবাইল ফোনে ওই আশ্চর্য ভাস্কর্যর ছবি তুলে নিল। তারপর সে জায়গা ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে এল সকলে। রামমূর্তি স্যর এরপর স্বাগতদের বললেন, ‘তোমরা তিনজন এবার মন্দিরের বাকি অংশগুলো ঘুরে ঘুরে দেখ। আমি সন্ন্যাসীর ঘরে বসে ওর সঙ্গে কিছু কথাবার্তা বলব। আধঘণ্টা পর তোমরা সেখানে এসো। তারপর আমরা ফেরার জন্য রওনা হব।’ — এ কথা বলে রামমূর্তি স্যর রত্নসম্ভরের সঙ্গে এগলেন তাঁর ঘরের দিকে, আর স্বাগতরাও হাঁটতে শুরু করল মন্দিরের বাকি অংশ দেখার জন্য। নাতাশা, স্বাগতকে জিজ্ঞেস করল, ‘রত্নসম্ভর তাঁর কথায় ‘অতিপ্রাকৃত রহস্য বলতে কী বোঝাতে চাইলেন? ভূত-প্রেত?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘আমি জানি না। ওটা উনিই বলতে পারবেন।’

    সুরভী, নাতাশাকে সতর্ক করে দিয়ে বলল, ‘তোমার এই ভয় পাওয়ার ব্যাপারটা নিয়ে রামমূর্তি স্যর কিন্তু বেশ অসন্তুষ্ট। আমরা এতগুলো মানুষ সবসময় এক সঙ্গে আছি, তবুও তুমি ভয় পাচ্ছ কেন? মন ঠিক করার চেষ্টা কর। আমরা যে কাজে এসেছি তার সফলতার ওপর কিন্তু ভবিষ্যতে আমাদের কেরিয়ার নির্ভর করছে। মন থেকে এসব ভাবনা মুছে ফেল।’

    নাতাশা আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টা করে বলল, ‘সে চেষ্টা তো আমি করছি। কিন্তু আঙ্করে আসার পর আমার কেন জানি বার বার মনে হচ্ছে কেউ বা কারা যেন আমাদের অলক্ষ্যে লক্ষ করছে! যেন অশুভ কিছু একটা ঘটবে বা ঘটতে চলেছে!’

    সুরভী বা স্বাগত কোনও মন্তব্য করল না নাতাশার কথায়। মন্দিরের ভিতর ঘুরে বেড়াতে শুরু করল তারা। দেখতে লাগল জীর্ণ মন্দিরটাকে?

    বেলা এগারোটা বাজে। চড়া রোদ উঠেছে আজকে। মন্দির চত্বরের মাথার ওপর ছাদহীন বলে সেই রোদ এসে গায়ে লাগছে। সত্যি প্রচণ্ড উত্তাপ। মিনিট দশেকের মধ্যেই দড়দড় করে ঘামতে শুরু করল তারা। সুরভী এক সময় বলল, ‘তেমন আকর্ষণীয় কিছু তো আর দেখছি না। আমরা বরং একটু বসে বিশ্রাম নিই। তারপর রত্নসম্ভরের ঘরের কাছে ফিরে যাব।’

    নাতাশাও সম্মতি জানাল সুরভীর কথায়। স্বাগত বলল, ‘ঠিক আছে, তোমরা ওখানে চলে যেও। আমি আর একটু ঘুরে সেখানে পৌঁছচ্ছি।’

    সুরভীরা কাছেই এক স্তম্ভর ছায়ায় গিয়ে বসল আর স্বাগত ঘুরতে শুরু করল মন্দিরটা, যদি তার চোখে চমকপ্রদ কিছু পড়ে সেই আশায়।

    তবে কিছু ভাঙা বুদ্ধ মূর্তি ছাড়া স্বাগতর চোখেও তেমন কিছু ধরা দিল না। হয়তো এ মন্দিরে দেখার মতো অনেক কিছুই ছিল, কিন্তু হাজার বছরের সময়কাল আজ গ্রাস করে নিয়েছে সেসব কিছু। হাঁটতে হাঁটতে একসময় স্বাগত খেয়াল করল নিজের অজান্তেই সে পৌঁছে গেছে রত্নসম্ভরের ঘরের কাছে। ঘড়ি দেখল স্বাগত। রামমূর্তি স্যরের দেওয়া আধঘণ্টা সময় অতিক্রান্ত হতে চলেছে। তাই সে এগল ঘরটার দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }