Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ২৩

    পর্ব ২৩

    হিংসার পূজারি বৌদ্ধ ভিক্ষু মহামঙ্গল। তিনি সেই রমণীকে মৃত্যুদণ্ড থেকে রক্ষা পাবার একটা সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই কথাটা মহারাজকে বললেন।

    ধরণীন্দ্রবর্মন কয়েকজন পার্ষদের মনে হল মেয়েটার মৃত্যুর আগে যদি তার দ্বারা আমোদের সৃষ্টি হয় তবে ব্যাপারটা মন্দ হয় না। এ ভাবনা থেকেই তারা ভিক্ষু মহামঙ্গলের বক্তব্যের সমর্থনে বলল, ‘হ্যাঁ, মহারাজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে এই কন্যা সত্যি নর্তকী কি না? তারপর না হয় ওকে পরীক্ষার জন্য বিষ্ণুসেবকদের কাছে দিয়ে দেওয়া যাবে।’

    ঠিক এই সময় বিষ্ণুলোকের ঘণ্টাধ্বনি কানে এল সকলের। ওই ঘণ্টাধ্বনি জানায় যে অনতিবিলম্বে সূর্য ডুবলেই সন্ধ্যারতির কাজ শুরু হবে। ওই শব্দ শোনার পর ধরণীন্দ্রবর্মন আর কালক্ষেপ করলেন না। তিনি বললেন, “তবে তাই হোক।’—এ কথা বলে তিনি সেদিনের মতো গাত্রোত্থান করে রওনা হলেন বিষ্ণুলোকের দিকে। আর তাঁকে অনুসরণ করল একদল সভাসদ ও রজ্জুবদ্ধ সেই নারী।’ একটানা কথাগুলো বলে থামল খামের যুবতী। সে তাকাল বিষ্ণুলোকের দিকে।

    বেশ কয়েক মুহূর্ত সে চেয়ে রইল অস্তাচলগামী সূর্যের আভায় লাল হয়ে ওঠা বিষ্ণুলোকের শৃঙ্গগুলোর দিকে। স্বাগত বলল, ‘তারপর? তারপর কী হল?’

    খামের যুবতী আবার তার কথা বলতে শুরু করল। রাজা ধরণীন্দ্রবর্মন মন্দিরে প্রবেশ করার পর সন্ধ্যা নামতে শুরু করল, কিন্তু তার সঙ্গে সঙ্গেই হাজারও প্রদীপের আলোতে ঝলমল করে উঠল বিষ্ণুলোকের কক্ষ-প্রাঙ্গণ অলিন্দগুলো। গর্ভ মন্দিরের সামনেই তাঁর জন্য নির্দিষ্ট সিংহাসনে আসন গ্রহণ করলেন মহারাজ। আর তার পিছনে সভাসদদের বসার স্থান। গর্ভ মন্দিরের ঠিক সামনে থেকে তিনটি থাক বা প্রাঙ্গণ নীচের দিকে নেমেছে। গর্ভগৃহ সংলগ্ন প্রাঙ্গণে নৃত্য পরিবেশন করে মন্দিরের প্রধান নর্তকীরা। যারা নৃত্যে সর্বাধিক পারঙ্গম ও অতীব সুন্দরী, প্রধানত তারাই নৃত্য পরিবেশন করে ভগবান বিষ্ণু ও মহারাজকে তৃপ্ত করে। তাদের পরের ধাপে সেই সব রমণীরা নৃত্য পরিবেশন করে যারা ভবিষ্যতে বিষ্ণুলোকের প্রধান নর্তকীদের স্থান লাভ করতে চায়। তাদের মধ্যেও সকলেই নৃত্যে পারদর্শিনী। আর তৃতীয় অর্থাৎ সর্বশেষ ধাপে যারা নৃত্য প্রদর্শন করে তাদেরকে শিক্ষার্থী বলা চলে। মহারাজ ও মন্দিরের পুরোহিতদের অনুমতিক্রমে তারা ওই শেষ ধাপে নৃত্য পরিবেশন করে, বলা ভালো ওপরের দুই ধাপের নর্তকীদের নাচ দেখে নৃত্য অনুশীলন করে। মহারাজ যে স্থানে আসন গ্রহণ করেন সেই স্থান থেকে দেব বিগ্রহ যেমন দর্শন করা যায় তেমনই দেখা যায় ওই তিনটি ধাপের নর্তকীদের নৃত্য পরিবেশনা। মহারাজ ও পুরোহিত মণ্ডলীর ইচ্ছাক্রমে ভালো নৃত্য পরিবেশন করলে নীচের দুই প্রাঙ্গণের নর্তকীরা ক্রমান্বয়ে ওপরের ধাপে উন্নীত হয়।

    সন্ধ্যারতি শুরু হল এক সময়। ঘণ্টাধ্বনি, পুরোহিতদের হাতে ঘূর্ণায়মান প্রদীপ দত্তর আলোকে, উদ্ভাসিত হয়ে উঠল গর্ভগৃহ সংলগ্ন প্রাঙ্গণ। বেশকিছু সময় ধরে রত্নখচিত দেববিগ্রহর সামনে। এক সময় সন্ধ্যারতি শেষ হল। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত প্রদীপ শিখা নিয়ে এসে দাঁড়ালেন মহারাজের সামনে। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে সেই পবিত্র অগ্নি আশিসে হাত ছুইয়ে মাথায় গ্রহণ করে দেবতার উদ্দেশে প্রণাম জানিয়ে আবার নিজের স্থান গ্রহণ করলেন। বাদ্যযন্ত্র মৃদু লয়ে বাজতে শুরু করল এরপর। গর্ভগৃহের সামনের দুটি ধাপের প্রাঙ্গণ সংলগ্ন কক্ষ থেকে সুবেশী সুন্দরী নর্তকীরা বাইরে বেরিয়ে এসে সার বেঁধে দাঁড়াল। মহারাজ ও বিগ্রহর উদ্দেশে প্রণাম জানিয়ে এরপর সময়ের নৃত্য পরিবেশন করতে লাগল নর্তকীরা। বাদ্যযন্ত্র দ্রুত লয়ে বাজতে শুরু হওয়ার সঙ্গে ন সঙ্গেই নর্তকীদের পদ সঞ্চারণও দ্রুত হতে শুরু করল। কী অপূর্ব তাদের নৃত্যশৈলী, শরীরের ভঙ্গিমা! রূপের মাধুর্য। স্বর্গের অপ্সরাদেরও যেন তারা হার মানায়! মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন ও তাঁর সভাসদরা মোহিত হয়ে দেখতে লাগলেন সেই নৃত্য। সময় এগিয়ে চলল। এক সময় এক ভৃত্যা মহারাজের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য শীতল পানীয় পাত্র নিয়ে তাঁর সামনে এসে দাঁড়াল। মহারাজ সেই স্বর্ণপাত্র হাতে তুলে নিয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে তাতে চুমুক দিতেই হঠাৎ তাঁর দৃষ্টি গিয়ে পড়ল নীচের দিকের সর্বশেষ প্রাঙ্গণে। সেখানে নেচে চলেছে একজন। না তাকে ঠিক শিক্ষার্থী বলে মনে হচ্ছে না। ভালো করে তার দিকে তাকাতেই তাকে চিনতে পারলেন মহারাজ। সেই বন্দি রমণী! প্রধান নর্তকীদের নৃত্য দেখতে দেখতে তার কথা ভুলেই গেছিলেন ধরণীন্দ্রবর্মন। তার দিকে তাকিয়ে রইলেন তিনি। আর এরপর কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত সেই কন্যার নৃত্যজালে যেন বাঁধা পড়ে গেলেন ধরণীন্দ্রবর্মন। কী অসম্ভব সুন্দরভাবে নেচে চলেছে ওই কন্যা। বিষ্ণুলোকের প্রধান নর্তকীদের সমকক্ষ অথবা তার চাইতেও বেশি সুন্দর নৃত্য পরিবেশন করে চলেছে সেই রমণী! মহারাজ আর চোখ ফেরাতে পারলেন না তার থেকে। মহারাজের দৃষ্টি অনুসরণ করে একে একে অন্য পার্ষদরাও দৃষ্টি নিবন্ধ করল সেই যুবতীর দিকে। আর মহারাজের মতো সবারই চোখ আটকে গেল তার ওপর। সে সব বাদ্যযন্ত্র বাজছে তা খামের বাদ্যযন্ত্র। চামেদের বাদ্যযন্ত্রর সঙ্গে খামের বাদ্যযন্ত্রর তাল-লয়ের প্রভূত পার্থক্য। তবু সেই অপরিচিত বাদ্যযন্ত্রর সঙ্গে কী আশ্চর্যভাবে তাল মিলিয়ে নেচে চলেছে সেই যুবতী। সে যে সত্যিই একজন নর্তকী এ ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ রইল না। অন্যসব নর্তকীদের কথা যেন ভুলেই গেল সবাই। তারপর সময়ের নিয়মেই বাদ্যযন্ত্র থেমে গেল। স্তব্ধ হল সুন্দরীদের নিক্কন। তবু রাজা চেয়ে রইলেন সেই অপরিচিত নর্তকীর দিকে। সেই যুবতীও যেন বুঝতে পারল মহারাজও ওপর থেকে তার দিকেই তাকিয়ে আছেন। করজোড়ে ওপর দিকে তাকিয়ে মহারাজের উদ্দেশে প্রণাম জানাল সে। রমণী এরপর আর তার তিন দিনের অভুক্ত শরীরকে ধরে রাখতে পারল না। মূর্ছিতা হয়ে পড়ল সে। সংবিৎ ফিরে পেয়ে মহারাজা এবার তাঁর পার্শ্বচরদের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বন্দিনী যে নৃত্যে পারঙ্গম তাতে সন্দেহ নেই।’ বন্দিনীকে উপভোগ হয়ে গেছে, এবার যদি তাকে পরিখার কুমিরদের মুখে ছুড়ে ফেলা হয় তবে সেটাও একটা বেশ উপভোগ্য দৃশ্য হবে। নৃশংসতাও অনেক মানুষের মনকে তৃপ্ত করে। সম্ভবত সেই আশাতেই মহারাজের একজন পার্ষদ বলল, ‘যুবতী নৃত্য পটিয়সী ঠিকই। কিন্তু মহারাজকে একটা কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে প্রাচীনকাল থেকেই নানা দেশে বারবনিতা ও নটীদের গুপ্তচর বৃত্তির কাজে, এমনকী গুপ্তহত্যার কাজেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।’

    মহারাজের পার্শ্বচর কথাটা মিথ্যা বলেননি, কিন্তু মহারাজ এখনও ওই ভিনদেশি যুবতীর নৃত্যকৌশলে আবিষ্ট হয়ে আছেন। তাই সেই মুহূর্তে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারলেন না। আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, ‘আপাতত ওই নারীকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হোক। আগামীকাল ওই রমণীকে রাজসভায় নিয়ে এস।’ এই বলে স্বাগতর সামনে বসে থাকা যুবতী হঠাৎই তার কথা থামিয়ে দিল। হঠাৎই কেমন যেন একটা সন্দিগ্ধ ভাব ফুটে উঠল তার মুখমণ্ডলে। স্বাগত বলল, ‘কী হল? থামলে কেন? বন্দিনীর তারপর কী হল?’

    সে বলল, ‘মনে হচ্ছে এদিকে কেউ যেন আসছে!’ গাছপালার ফাঁক দিয়ে যতদূর সম্ভব উঁকিঝুঁকি দিয়ে কাউকে না দেখতে পেয়ে স্বাগত বলল, “কই কাউকে দেখছি না তো!’

    স্বাগতর কথা শুনে খামের যুবতী যেন মৃদু আশস্ত হয়ে আবার বলতে শুরু করল— মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন বিষ্ণুমন্দির থেকে প্রাসাদে ফিরে এলেন। আর অচৈতন্য যুবতীকে নিয়ে যাওয়া হল কারাগারে। অনেকেই ধারণা করল তাঁর পারিষদদের পরামর্শমতো পরদিন ওই রমণীকে মৃত্যুদণ্ড দেবেন। মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন হয়তো সেই নির্দেশই দিতেন, কিন্তু সেদিন শেষরাতে এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলেন খামের সম্রাট। তাঁর স্বপ্নে আবির্ভূত হলেন স্বয়ং শঙ্খ-চক্রগদা-পদ্মাধারী শ্রীবিষ্ণু! তিনি মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মনকে বললেন, ‘ওই কন্যার নৃত্য দেখে আমি সন্তুষ্ট হয়েছি। ও নির্দোষ, ওকে তুই মুক্তি দে।’ এ কথা বলেই ভগবান বিষ্ণু অন্তর্হিত হলেন মহারাজের স্বপ্ন থেকে। ঘুম ভেঙে গেল মহারাজের। পালঙ্কে উঠে বসে বাইরে তাকিয়ে দেখলেন আকাশে শুকতারা ফুটে উঠেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোরের প্রথম আলো ছড়িয়ে পড়ল বিষ্ণুমন্দিরের ওই শৃঙ্গগুলোর মাথায়। মহারাজ প্রাসাদে ডেকে পাঠালেন তাঁর অন্যতম পরামর্শদাতা ব্রাহ্মণ দিবাকরকে। মহারাজের স্বপ্নর কথা শুনে দিবাকর বললেন, ‘ভগবান বিষ্ণু যখন স্বয়ং আপনার স্বপ্নে এসে তাঁর কথা ব্যক্ত করেছেন এখন যে কথা অমান্য করা উচিত হবে না। আপনি ওকে মুক্তি দিন।’

    প্রতিদিনের মতো সেদিনও রাজসভা বসল। রমণীকে হাজির করা হল মহারাজের সামনে। জল দিয়ে কারাগারে তার জ্ঞান ফেরানো হয়েছে, খাদ্যদ্রব্যও দেওয়া হয়েছে, যাতে যখন তাকে পরিখাতে ছুড়ে ফেলা হবে, কুমিররা যখন তাকে গিলে খাবার জন্য চারপাশ থেকে ছুটে আসবে তখন যুবতীর ভয়ার্ত আর্তনাদ, আর্ত চিৎকার শুনে নির্মম আনন্দ উপভোগ করতে পারে মানুষেরা। মাথা ঝুঁকিয়ে মহারাজের সামনে এসে দাঁড়াল সেই যুবতী। মৃত্যু ভয়ে কম্পমান সে।

    মহারাজ কয়েক মুহূর্ত চেয়ে রইলেন তার দিকে। তারপর প্রশ্ন করলেন, ‘তোর নাম কী?”

    ‘চম্পা’ নতশিরে কম্পমান কণ্ঠে জবাব দিল তরুণী। এবার নিশ্চয়ই মহারাজ চরবৃত্তির শাস্তি ঘোষণা করবেন। মহারাজের দণ্ড শোনার জন্য মনে মনে উৎফুল্ল হয়ে উঠল অনেকে। কিন্তু তাদের হতাশ করে খামের সম্রাট ধরণীন্দ্রবর্মন তাকে বললেন, ‘তোকে আমি মুক্তি দিলাম। তুই মন্দিরে ভগবান বিষ্ণুকে নৃত্য প্রদর্শন করবি।’

    মহারাজের কথা শেষ হতেই বিষ্ণুভক্ত নিবারণ বললেন, ‘হ্যাঁ, এই রমণী মন্দিরে নৃত্যকর্মেই নিয়োজিত থাকুক।’ ব্রাহ্মণ নিবারণের বক্তব্য সমর্থন করে বৌদ্ধ ভিক্ষু মহামঙ্গলও বললেন, ‘মহারাজ সঠিক সিদ্ধান্তই গ্রহণ করেছেন। করুণাময় বুদ্ধর কৃপা বর্ষিত হোক এই কন্যার প্রতি।’

    মহারাজ স্বয়ং ও দুই ধর্মশ্রেষ্ঠ একই বক্তব্য প্রদান করায় অন্য কেউ আর ওই নারীর মৃত্যুদণ্ডর সপক্ষে মতামত ব্যক্ত করার সাহস দেখাল না। রজ্জুবন্ধন থেকে মুক্ত করা হল তরুণীকে। মহারাজের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতায় হাঁটু মুড়ে বসে তাঁকে প্রণাম জানাল চম্পা নামের সেই কন্যা। রাজ নির্দেশে বিষ্ণু মন্দিরেই আশ্রয় গ্রহণ করল সে।’—এই শেষ বাক্যটা অতি দ্রুত বলে উঠে দাঁড়াল খামের তরুণী।

    স্বাগত জানতে চাইল ‘তারপর?’

    তরুণী বলল, ‘আজ আর কোনও কথা নয়। এখনই কেউ এসে পড়বে এখানে। তুমি ফিরে যাও। আমিও এই স্থান ত্যাগ করছি।’ —এ কথা বলে সে দু-পা এগিয়ে মুহূর্তর জন্য একবার থমকে দাঁড়িয়ে বলল, ‘রাতে তুমি একলা মন্দিরে প্রবেশ কোর না বা জঙ্গলে সন্ধ্যার পর ঘুরে বেড়িও না। বিপদ হতে পারে।’ এ কথা বলার পর স্বাগতকে আর কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে সেই খামের যুবতী যেন নিমেষের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল জঙ্গলের ভিতর।

    স্বাগত তাকাল বিষ্ণুলোকের দিকে। গল্প শুনতে শুনতে স্বাগত খেয়াল করেনি কখন যেন দিনমণি মুখ লুকিয়ে ফেলেছেন বিষ্ণুলোকের আড়ালে। এখনই সন্ধ্যা নামতে শুরু করবে। স্বাগত তাই সে জায়গা ত্যাগ করে ফেরার জন্য রওনা হল। অন্ধকারও যেন দ্রুত নামতে শুরু করল সেই সঙ্গে। আজও স্বাগতদের মন্দিরটার ব্যাপারে তেমন কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেল না খামের যুবতীর কাহিনিতে। কিন্তু সে স্বাগতকে রাত্রিবেলায় বাইরে বেরতে বারণ করল কেন? কোন বিপদের সম্ভাবনার কথা যে বলতে চাইছে? ভূত-প্রেত-অপদেবতার বিপদ নাকি অন্য কিছুর? এ কথা ভাবতে ভাবতে স্বাগত পৌঁছে গেল যে পথ ধরে সে মন্দির চত্বরে ফিরবে তার মুখটায়। সে পথে প্রবেশ করার আগে স্বাগত একবার পিছন ফিরে তাকাল। আর তখনই সে দেখতে পেল একজনকে। যেখানে পাথরের নারী মূর্তির ফলকটা রয়েছে তার কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে সে। কিন্তু সন্ধ্যার অন্ধকার হঠাৎই এত ঘন হয়ে উঠেছে যে তাকে ঠিক চেনা যাচ্ছে না। স্বাগত তবুও তাকে দেখার চেষ্টা করতে লাগল। কিন্তু স্বাগতর চারপাশেও সন্ধ্যার অন্ধকার গাঢ় হয়ে উঠেছে। তার মনে পড়ল খামের যুবতীর সতর্কবাণীর কথা। তাই সে আর দাঁড়াল না, পা বাড়াল ফেরার জন্য।

    স্বাগত ফিরে এসে দেখল তোরণ চত্বরে অন্যরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্বাগত তাদের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই প্রীতম জানতে চাইল, ‘রামমূর্তি স্যর আর তুমি কোথায় গেছিলে? তিনি কোথায়?’

    স্বাগত মৃদু বিস্ময় প্রকাশ করে বলল, ‘আমরা একসঙ্গে কোথাও যাইনি তো! তিনি কোথায় আমি জানি না।’

    প্রীতম বলল, ‘আমি যে জানলার ফাঁক দিয়ে দেখলাম, তুমি আর স্যর এখানে দাঁড়িয়ে কথা বললে। তারপর তুমি চলে গেলে। আর স্যরও তোমার পর একবার ঘরে ঢুকে আবার তোমার পিছন পিছন এগলেন।’

    কথাটা শুনে বেশ আশ্চর্য হল স্বাগত। রামমূর্তি স্যর কি তবে তাকে অনুসরণ করেছেন? তিনি কি দেখেছেন খামের যুবতীর সঙ্গে তার বাক্যালাপ? যে ছায়ামূর্তি সে দেখল সে কি তবে রামমূর্তি স্যরের? প্রীতমের কথা শুনে এ প্রশ্নগুলোই জেগে উঠল তার মনে। তবে সে প্রীতমের কথার জবাবে বলল, ‘তুমি ঠিকই দেখেছ। তবে তিনি আমার সঙ্গে যাননি। তাঁর সঙ্গে কথা বলে আমি জঙ্গলে নিজের মতো হাঁটতে গেছিলাম।’

    এ কথা বলে স্বাগত জানাল, ‘তিনি কাল বা পরশু আমাকে সিয়েমরিপে রসদ কেনার জন্য পাঠাবেন সঙ্গে তোমার আর বিক্রমের মধ্যে কাউকে সঙ্গে নিয়ে যেতে বলেছেন।’

    স্বাগতর কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রম বলল, তোমার সঙ্গে যাব। একই জায়গায় থাকতে আর ভালো লাগছে না।’

    নাতাশা বলল, ‘তোমরা যাই বল, আমার কিন্তু এ জায়গাটা ভালো লাগছে না। ওই মজুরটাকে কে ধাক্কা মারল, প্রীতম এখানে কুমির দেখল কীভাবে? আর আমিও বা কি ভুল দেখলাম?’ নাতাশা ভিতু প্রকৃতির মেয়ে হলেও তার প্রশ্নগুলো নিছক অযৌক্তিক নয়। স্বাগত তার কথার উত্তরে বলল, ‘আমরা যখন এখানে কাজ করতে এসেছি তখন কাজ করতে হবে। দেখা যাক কী হয়?’ এ ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করলে নাতাশার মনে আরও আতঙ্ক তৈরি হতে পারে। স্বাগত তাই প্রসঙ্গ পাল্টে বায়ুম মন্দিরে দেখা স্টেগোসেরসের অদ্ভুত মূর্তিটা নিয়ে আলোচনা শুরু করল। কিছুক্ষণের মধ্যেই বনের দিক থেকে এসে চত্বরে উঠে এলেন প্রফেসর। তাদের কাছে এসে প্রথমে যেন কৈফিয়ত দেবার স্বরেই স্বাগতকে বললেন, ‘তোমাকে হাঁটতে যেতে দেখে আমারও তারপর হেঁটে আসার ইচ্ছা হল। বিষ্ণুলোকের রাস্তায় কিছুটা হেঁটে এলাম।’

    এ কথা বলার পর তিনি স্বাগতকে বললেন, ‘তুমি কালই। সিয়েমরিপ যেও। সকাল নটায় গাড়ি আসতে বলে দিয়েছি। ফর্দ করে দেব, আর টাকাও দিয়ে দেব।’

    স্বাগত জানাল, ‘বিক্রম আমার সঙ্গে যাবে।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘আচ্ছা। আমি বাকিদের নিয়ে মন্দিরের ভিতর কাজ করব।’ এ কথা বলে তিনি তাঁর ঘরের দিকে পা বাড়ালেন।

    রাতটা নির্বিঘ্নেই কেটে গেল। পরদিন সকালে নির্দিষ্ট সময় একটা টুকটুক গাড়ি এসে হাজির হল। ব্যাটারি, বাজারের বস্তা তোলা হল তাতে। স্বাগতর হাতে রামমূর্তি স্যর ফর্দ-টাকা ধরিয়ে দিলেন। স্বাগত আর বিক্রমকে নিয়ে গাড়ি এগল সিয়েমরিপের দিকে। আর তাদের বিদায় জানিয়ে রামমূর্তি স্যর অন্যদের নিয়ে মন্দিরের ভিতর ঢুকে পড়লেন অনুসন্ধানের জন্য।

    স্বাগতদের গাড়ি বনপথ ধরে এগল। সুন্দর সকাল। গাছে পাখির ডাক, রাস্তার পাশে ঝোপের উপর প্রজাপতি উড়ছে। কোথাও পথের পাশে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন কোনও স্তম্ভ প্রাকার। তাদের গায়ে খোদিত মূর্তিগুলো যেন ভোরের আলোর স্পর্শ পেয়ে বলছে— ‘দেখ আমাদের। কী সুন্দর আমরা। তোমরা আমাদের দেখবে বলেই তো আমরা যুগ যুগ ধরে এখানে রয়েছি।’

    একটা স্তম্ভর গায়ে নৃত্যরত এক নারীমূর্তি দেখে বিক্রম বলল, ‘কী সুন্দর সব মূর্তি-অলঙ্করণ তাই না?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }