Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ২৪

    পর্ব ২৪

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, যদি টাইম মেশিনে চেপে হাজার বছর পিছনে ফিরে যাওয়া যেত তবে বড় ভালো ইতো।’

    বিক্রম বলল, “ঠিক বলেছ। তবে সন্ধ্যা নামার পর এই মূর্তিগুলোকেই কেমন যেন রহস্যময় মনে হয়।’

    টুকটুক চালকের কানে যাচ্ছিল তাদের দু’জনের কথা। মূর্তি প্রসঙ্গে তারা আলোচনা করছে- এ ব্যাপারটা অনুমান করেই মনে হয় সে বলল, ‘এই মূর্তিগুলোর মধ্যে আত্মা আছে। অন্ধকার নামলেই ওরা জীবন্ত হয়ে ওঠে। আবার ভোরের আলো ফোটার আগেই তারা নিজেদের জায়গায় ফিরে আসে।’

    ড্রাইভারের কথা শুনে মজার ছলে বিক্রম বলল, ‘তুমি তাদের দেখেছ? কোনও দিন তোমার গাড়িতে তারা কেউ চড়েছে?’

    লোকটা বলল, “আমি দেখিনি। আর আমার গাড়িতে চড়ারও দরকার নেই। তাদের যারা দেখে তারা কেউ বাঁচে না। সে জন্য অন্ধকার নামলে আমরা কেউ এ পথে যাওয়া-আসা করি না।”

    এ কথা বলার পর সে বলল, ‘আমার ফোন নম্বরটা নিয়ে নিন। বাজার ও অন্য কাজ মিটে গেলে আমাকে ডেকে নেবেন। তাছাড়া আপনাদের কোনও প্রয়োজন হলে অন্যদিন আমাকে। ডেকে নিতে পারেন।”

    বিক্রম আবারও মজার ছলে জানতে চাইল, ‘যদি রাত্রিবেলা। বেড়াতে ইচ্ছা হয় তুমি আসবে তো?’

    টুকটুক ড্রাইভার এ কথার কোনও জবাব না দিয়ে তার ফোন নম্বরটা বলল। স্বাগত নম্বরটা নিজের মোবাইলে তুলে নিল।

    বিক্রম বলল, “তোমার সঙ্গে আসার পিছনে আমার কিন্তু একটা অন্য উদ্দেশ্য আছে। সেটা আমি সবার সামনে বলিনি।’

    —‘কী উদ্দেশ্য?’ জানতে চাইল স্বাগত।

    বিক্রম বলল, ‘ওই কুমিরের মাংস খাবার ইচ্ছা। তাছাড়া দুটো হুইস্কির বোতলও কিনতে হবে।”

    স্বাগত বলল, “ঠিক আছে মাংসটা চেখে দেখা যেতে পারে।’

    বিক্রম তার স্বভাবসিদ্ধ মজার ছলে বলল, ‘হ্যাঁ, কুমিরের মাংস আর একটা কারণেও খাবার দরকার আছে। প্রীতমের দেখা কুমিররা যদি ‘কুমির ভূত’ হয়ে থাকে তবে আমরা কুমিরের মাংস খেলে সে আর আমাদের কাছে আসবে না।’

    স্বাগতদের কথাবার্তা ড্রাইভারের কানে যাচ্ছে। তাই স্বাগত এ প্রসঙ্গে কথা বন্ধ করার জন্য বিক্রমকে ইশারা করল। বিক্রমও তাই এরপর অন্য প্রসঙ্গে চলে গিয়ে বলল, “তবে তোমরা কাল যে তালের রসটা আনলে অমন পানীয়ের তুলনা নেই। আমার তো খেয়েই ঝিমঝিমে ভাব এসে গেল। দু-বোতল খেলেই নেশা হবে যাবে।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, ওটা ফারমেন্টেড অবস্থায় ছিল। আমাদের বাংলার গ্রামাঞ্চলে অনেকে ওই রস পান করে নেশা করে।’

    বিক্রম বলল, ‘এরপর কোনওদিন দেখতে পেলে আমার জন্য কয়েক বোতল কিনে এন। আর আমি পেলে তো কিনবই। দেখি প্রফেসর আমাদের কবে বায়ুম মন্দির দেখাতে নিয়ে যান?’

    কথা বলতে বলতে এক সময় তারা পৌঁছে গেল প্রাচীন নগরী আঙ্করের তোরণের সামনে। যার মাথাতে জেগে আছে পাথরের তৈরি প্রকাণ্ড আকৃতির ভগবান বিষ্ণুর মুখমণ্ডল। ট্যুরিস্টরা আর তাদের গাড়ির ভিড় সেখানে। বিস্মিতভাবে পর্যটকরা তাকাচ্ছেন হাজার বছর আগে খামের ভাস্করদের রচিত বিস্ময়কর মুখমণ্ডলের দিকে। তোরণ অতিক্রম করে বাইরে বেড়িয়ে পড়ল স্বাগতদের বাহন। আগের দিনের মতোই তারা দেখতে পেল উল্টোদিক থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে গাড়ি আসছে আঙ্কর নগরী দর্শনের জন্য। রাস্তার নানা দৃশ্য দেখতে দেখতে এক সময় স্বাগতরা পৌঁছে গেল সিয়েমরিপের বাজারে। সে জায়গায় আগের দিনের মতোই ভিড়। ফুটপাতে ফলের পসরা নিয়ে রয়েছে বিক্রেতারা। খাবারের দোকানে ঝুলছে রোস্ট করা শূকরের দেহ। স্বাগতরা প্রথমে গিয়ে হাজির হল ব্যাটারির দোকানে। চীনা ব্যাটারি ব্যবসায়ী চিনতে পারল তাদের। ব্যাটারি নামানো হল সেখানে। তিনি বললেন, ব্যাটারি চার্জ দেবার জন্য ঘণ্টা তিনেকের মতো সময় দিতে হবে তাকে। স্বাগত হিসাব করে দেখল এ জায়গা ছেড়ে বেরতে দেড়টা-দুটো বেজে যাবে। অর্থাৎ আঙ্কর নগরীতে নিজেদের জায়গায় পৌঁছতে বেলা তিনটে হবে। তারপর প্রফেসর রামমূর্তি যদি তাকে কোনও কাজে নিয়োজিত না করেন তবে আজ বিকালেও সে যেতে পারবে ওই খামের যুবতীর গল্প শোনার জন্য। হয়তো বা আজ সে ওই মন্দিরের ব্যাপারে কোনও কথা বলতে পারে তাকে? ব্যাটারির দোকানের পর বাজারের ভিতর এক জায়গায় গাড়ি তাদের নামিয়ে দিয়ে চলে গেল। রসদের দোকানগুলো আগের দিনই চেনা হয়ে গেছে তাদের। সেখানে জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে খানিকটা সময় লাগল তাদের। তবে থলে, বস্তা সেখানেই রইল। গাড়ি ডেকে একবারে সব জিনিস গাড়িতে তোলার পরিকল্পনা তার। বিক্রম দুটো হুইস্কির বোতলও কিনল এক দোকান থেকে। আর সেই দোকান থেকে সে জেনে নিল রান্না করা কুমিরের মাংসের দোকানের সন্ধান। দু’জনে মিলে তারা এগল সেই দোকানের বা রেস্টুরেন্টের খোঁজে। বুলের কুমিরের চামড়ার দোকানের কাছাকাছিই রেস্টুরেন্টটা। তবে একটা গলির ভিতর। বড় রাস্তা থেকে সেই গলিতে ঢোকার আগে স্বাগতর চোখে পড়ল কিছু দূরে বুলের দোকানটা। খোলা আছে দোকান। তবে স্বাগতদের গন্তব্য রেস্টুরেন্ট। গলির ভিতর ঢুকে একটু এগিয়েই তারা পেয়ে গেল সেই রেস্টুরেন্ট।

    ছোট রেস্টুরেন্ট। তার তিনদিক খোলা বসার জায়গা। একপাশে একটা কাচ ঢাকা দেওয়া জায়গার মধ্যে মাঝারি আকৃতির একটা কুমিরের রোস্ট করা দেহ ঝুলছে। কয়েকজন শ্বেতাঙ্গ ট্যুরিস্ট বসে বিয়ার আর খাবার খাচ্ছে। তাদের দেখে স্বাগতরা বুঝতে পারল যে লোকগুলোও তাদেরই মতো কুমিরের মাংস চাখতে এসেছে। স্বাগতরা রেস্টুরেন্টে ঢুকে একটা টেবিলে বসল। মেনু কার্ডে কুমিরের মাংসর নানান পদ লেখা আছে। যা তারা চেনে না। শেষ পর্যন্ত ‘রোস্টেড মিট’ অর্ডার করা হল। খাবার এসে গেল। কিছু শাকসব্জির সঙ্গে কুমিরের মাংসর ছোট ছোট স্লাইস। স্বাগতরা মাংস টুকরো মুখে তুলল, নরম মাংস, মুরগির মাংসর মতো কিছুটা তার স্বাদ। বিক্রম বেশ তৃপ্তি করে মাংস খাওয়ার পর তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় বলল, ‘বেশ লাগল। কুমিরটা হয়তো আগের জন্মে আমাকে খেয়েছিল, আর এ জন্মে আমি ব্যাপারটার শোধ তুললাম ওকে খেয়ে।’

    বিল মিটিয়ে রেস্টুরেন্টের বাইরে এসে দাঁড়াল দু’জনে। স্বাগত রিস্ট ওয়াচের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ব্যাটারি চার্জ হতে এখনও প্রায় দু-ঘণ্টা সময় লাগবে। এ সময়টা কী করা যায়?’

    বিক্ৰম বলল, ‘কাছাকাছি দেখার মতো কিছু থাকলে তা দেখে আসা যেত।’

    আর এরপরই কাকতালীয়ভাবেই সামনের একটা দেওয়ালে একটা লেখা স্বাগতর নজরে পড়ল। দেওয়ালের গায়ে সাঁটানো একটা কাগজে বড় বড় হরফে ইংরেজিতে ‘ফ্রগ রেস’ কথাটা লেখা আছে। স্থানীয় ভাষায় আরও কিছু কথা লেখাও আছে পোস্টারে। তা অবশ্য পাঠ করা সম্ভব নয় স্বাগতর।

    তবে একটা ‘তির চিহ্ন’ আঁকা আছে কাগজটাতে। সেটা গলির ভিতর দিকটা নির্দেশ করছে। অর্থাৎ ব্যাঙের দৌড়ের স্থানটা ওদিকেই।

    স্বাগত পোস্টারটা দেখিয়ে বিক্রমকে বলল, ‘ব্যাপারটা দেখে আসবে নাকি?’

    বিক্রম বলল, ‘প্রফেসর রামমূর্তি যখন যেতেন বা যান তখন যাওয়া যেতে পারে। হোয়াঙ নামের যে চাইনিজ লোকটা গতকাল রামমূর্তি স্যরের খোঁজে গেছিল সে লোকও তো ব্যাঙের রেস চালায় বলল, দাঁড়াও জিজ্ঞেস করে নিই জায়গাটা কোথায়? এই বলে যে দু-পা পিছু ফিরে রেস্টুরেন্টের কাউন্টারে বসা লোকটার কাছে গিয়ে পোস্টারটা দেখিয়ে জানতে চাইল, ‘ওই জায়গাটা কোথায়?’

    লোকটা বলল, “ভিতর দিকে দু-তিন মিনিটের পথ। গেলেই দেখতে পাবেন টিনের উঁচু ছাদওয়ালা একটা বাড়ি। তার সামনে লোকজন জটলা করছে।’

    এ কথা বলে একটু থেমে সে বলল, ‘অনেক ট্যুরিস্ট ওখানে যায় ঠিকই। তবে একটু সাবধানে যাবেন।’

    বিক্রম জানতে চাইল, ‘সাবধানে কেন?’

    লোকটা জবাব দিল, ‘নানারকম লোক যান ওখানে। বিশেষত চীনারা। ওরা লোক ভালো হয় না।’ —এ কথা বলে নিজের হিসাবপত্র, কাজে মনোনিবেশের ভাব দেখিয়ে লোকটা বিক্রমকে বুঝিয়ে দিল সে আর কিছু বলতে আগ্রহী নয়।

    বিক্রম, স্বাগতর কাছে এসে লোকটার সঙ্গের কথোপকথন জানাল স্বাগতকে। স্বাগত তা শুনে বলল, ‘আমার ব্যাপারটা দেখতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু কাউন্টারে বসে থাকা লোকটাতো জায়গাটার সম্বন্ধে আমাদের সতর্ক করল। যাবে ওখানে?’

    বিক্রম স্বাগতকে ভরসা দেবার ঢঙে বলল, ‘জায়গাটা খুব খারাপ হলে রামমূর্তি কী যেতেন ওখানে। খামের লোকরা চীনাদের ঠিক পছন্দ করে না বলেই হয়তো লোকটা কথাগুলো বলল। আমরা দু’জন শক্ত সমর্থ পুরুষ। ওখানে গেলে আমাদের আর কীই বা হবে। ইচ্ছা যখন হয়েছে এখন ঘুরেই আসি সময়টা তো কাটাতে হবে।’

    বিক্রমের কথা শোনার পর স্বাগত তাকে নিয়ে এগল গলির ভিতর দিকে। গলিটা ক্রমশ সংকীর্ণ হয়ে আসছে। রাস্তার পাশের দোকানগুলো বিবর্ণ, কোনও কোনও দোকানের ঝাঁপও বন্ধ। পথটাও অপরিষ্কার। নানা ধরনের বাতিল জিনিস, খালি বিয়ারের বোতল পড়ে আছে। যে সব লোকজন চোখে পড়ছে তাদের পোশাক পরিচ্ছদও ভালো নয়। এক সময় তারা জায়গাটায় পৌঁছে গেল। রেস্টুরেন্টের লোকটা যেমন বলেছিল ঠিক তেমনই টিনের উঁচু ছাদ আর কাঠের দেওয়ালের একটা বাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। আর তার সামনে জটলা করছে একদল মানুষ। কেউ উচ্চস্বরে কথাও বলছে। চীনা, খামের নানা ধরনের মানুষ জটলার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। তবে তাদের অধিকাংশর পোশাকই বিবর্ণ। স্বাগতরা সেখানে গিয়ে দাঁড়াতেই তাদের দেখে দু’জন লোক ছুটে এল কাছে। তাদের হাতে বেত বা বাঁশের তৈরি ঝাঁপি বা মুখবন্ধ ঝুড়ি। সেগুলোর আকৃতি দেখে স্বাগতর হঠাৎই মন্দিরের দেওয়ালে খদিত শূদ্র ব্রাহ্মণদের হাতে ধরা ভাণ্ডগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। লোক দু’জন তাদের সামনে এসে ঝুড়ির মুখটা খুলে ভিতরটা দেখাল। দুটো ঝাঁপির ভিতরেই রয়েছে একটা করে বেশ বড় আকৃতির ব্যাঙ। সেই ব্যাঙগুলো দেখিয়ে লোক দু’জন সম্ভবত চীনা ভাষায় কী যেন বোঝাবার চেষ্টা করতে লাগল। যদিও স্বাগতরা সে ভাষার বিন্দু বিস্বর্গ বুঝতে পারল না। তারা এগল বাড়ির ভিতর প্রবেশ করার জন্য দরজার দিকে। ভিতরে ঢোকার জন্য একটাই দরজা। তার মাথার ওপর একটা রংচটা সাইন বোর্ডে লেখা ফ্রগ হাউস। একটা লোক দরজার পাশে বসে আছে। স্বাগতরা গিয়ে দাঁড়াতেই সে ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে জানাল, ভিতরে ঢুকতে গেলে জনপ্রতি এক ডলার করে দিতে হয় বিদেশিদের। আর ভিতরে কোনওরকম ছবি তোলা যাবে না।

    লোকটার হাতে দু-ডলার গুঁজে দিয়ে বাড়ির ভিতর স্বাগতরা প্রবেশ করল। একটা হলঘর। তার কেন্দ্রস্থলে একটা জায়গা ঘিরে অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে।

    ঘরটার বিভিন্ন জায়গাতেও লোকজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। চীনা, খামের থেকে শুরু করে বিভিন্ন জাতের বিভিন্ন ধরনের মানুষ। কয়েকজন শেতাঙ্গকেও সে ভিড়ে দেখতে পেল তারা।

    লোকজনের কথাবার্তাতে গমগম করছে হলঘর। যে সব লোক ঘরটার মধ্যে রয়েছে তাদের সকলের চোখেমুখে উত্তেজনার ছাপ। স্বাগতের কিছুটা তফাতেই দাঁড়িয়ে ছিল। একজন মাঝবয়সি শক্তপোক্ত চেহারার চীনা। পরনে জিন্স আর ড্রাগনের ছবি আঁকা টি-শার্ট। মাথার চুল ছোট করে ছাঁটা। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে সে যেন নজর রাখছে চারপাশে। বিক্রম লোকটাকে দেখিয়ে স্বাগতকে চাপা স্বরে বলল, ‘ওই চীনা লোকটাই হোয়াঙ। সে রামমূর্তি স্যরকে খুঁজতে গিয়েছিল।’ আর এরপরই লোকটার দৃষ্টি পড়ল তাদের ওপর। চেরা চোখে কয়েক মুহূর্ত তাদের দেখার পর হোয়াঙ নামের লোকটা স্বাগতদের কাছে এসে দাঁড়াল। তারপর বিক্রমের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কাল আঙ্করের পুরনো মন্দিরে তোমার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল তাই না?’

    বিক্রম জবাব দিল, ‘হ্যাঁ।’

    হোয়াঙ জানতে চাইল, ‘প্রফেসর কই? সে কি আমার কাছে তোমাদের পাঠিয়েছে?’

    বিক্রম উত্তর দিল, ‘তিনি আসেননি। আমাদেরকে পাঠানওনি তোমার কাছে। তবে তুমি যে তাঁকে খুঁজতে গেছিলে তা তাঁকে জানিয়েছি। আমরা দু-জন সিয়েমরিপে বাজার করতে এসেছিলাম, তারপর রেস দেখতে এসেছি।’

    হোয়াঙ বলল, ‘ফিরে গিয়ে তাকে বল, আমার সঙ্গে সে যেন যোগাযোগ করে।’

    এ কথা বলার পর সে স্বাগতদের উদ্দেশে বলল, ‘এখনই একটা রেস শুরু হবে। ইচ্ছা হলে শুধু দেখা নয় খেলতেও পার। আমার কাছে ভালো ব্যাঙ আছে। সামান্য কিছু টাকা লাগালে অনেক টাকা জেতার সুযোগ আছে এখানে।’

    তার কথা শুনে স্বাগত হেসে বলল, ‘আগে একবার খেলাটা দেখে নিই। তারপর না হয় খেলা যাবে।’

    হোয়াঙ কোনও চাপ দিল না তাদের রেস খেলার জন্য। সে বলল, ‘আচ্ছা দেখ।’

    একটা লোক এরপর ডাক দিল হোয়াঙকে। স্বাগতদের ছেড়ে সে লোকটার সঙ্গে কথা বলতে গেল। আর স্বাগতরা এগল হলঘরের মাঝখানে যেখানে জটলা সেখানে।

    টেবিল টেনিস বোর্ডের মতো একটা টেবিল। তবে সেটা দৈর্ঘ্যে আরও বেশ খানিকটা লম্বা। তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে লোকজন। তাদের কারও হাতে টাকার গোছা বা ব্যাঙের ঝুড়িও আছে। টেবিলটার বিশেষত্ব হল তার এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত পর্যন্ত পাশাপাশি অনেকগুলো খোপ বা চ্যানেল করা আছে। আর সেই খোপগুলোর একপ্রান্তে রয়েছে জালের তৈরি ছোট ছোট খাঁচা। তার মধ্যে নানা ধরনের ব্যাঙ রাখা আছে— কালো, সবুজ, হলুদ রঙের বড় বড় ব্যাঙ। সেই ব্যাঙগুলো দেখে স্বাগতরা বুঝতে পারল ওই ব্যাঙগুলোই খোপের মধ্যে দিয়ে দৌড়বে।

    ইতিমধ্যে হোয়াঙের সঙ্গে কথা বলে আর চারপাশের লোকজনদের দেখে স্বাগতরা বুঝতে পেরে গেছে যে এখানে বাজি ধরে ব্যাঙ দৌড় করানো হয়। আসলে এটা একটা জুয়ার আড্ডা বলা চলে। খেলাটা দেখার জন্য টেবিলের একপাশে দাঁড়িয়ে রইল দু’জন। টেবিল ঘিরে থাকা অন্য লোকগুলো নিজেদের মধ্যে কেউ কেউ টাকা লেনদেন করছে, উত্তেজিতভাবে কথা বলছে।

    একসময় হোয়াঙ তার একজন সঙ্গীকে নিয়ে টেবিলের কাছে এসে দাঁড়াল। একটা টুলের উপর দাঁড়িয়ে সে নিজের ভাষায় কী যেন বলতে লাগল। আর অন্যরা চুপ করে শুনতে লাগল তার কথা। স্বাগতরা বুঝতে পারল রেস শুরু হতে চলেছে। হোয়াঙয়ের কথা শেষ হবার পরমুহূর্তর জন্য একটা নিস্তব্ধতা নেমে এল চারপাশে। হোয়াঙ এরপর তার সঙ্গীকে ইশারা করতেই সে টেবিলের গায়ে একটা হাতল ধরে টান দিল। সঙ্গে সঙ্গে একসঙ্গে উঠে গেল ব্যাঙের খাঁচার আগলগুলো আর টেবিলের নীচে একটা পটকা ফাটার মতো শব্দ হল। সেই শব্দের জন্যই হয়তো ব্যাঙগুলো একে একে বাইরে বেরতে শুরু করল। টেবিল ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলো এবার উত্তেজিতভাবে চিৎকার শুরু করল ব্যাঙগুলোর দিকে তাকিয়ে। খোপ বেয়ে ধীরে ধীরে ব্যাঙগুলো যত এগতে লাগল তত বেড়ে চলল চিৎকার। ঠিক ঘোড়দৌড়ের রেসের মতোই। তবে ব্যাঙগুলোর থপথপ করে চলছে। হঠাৎ একটা ব্যাঙ খোপ ছেড়ে বাইরে লাফ দিল। স্বাগতরা দেখল একজন লোক রাগে ব্যাঙ-টাকে উঠিয়ে নিয়ে দেওয়ালের গায়ে ছুড়ে মারল। সাত-আটটা খোপের মধ্যে দুটো ব্যাঙ অন্যদের থেকে কিছুটা এগিয়ে যাচ্ছে টেবিলের অপর প্রান্তে অর্থাৎ ফিনিশিং পয়েন্টের দিকে। সেখানে একটা লাল দাগ আছে। স্বাগত ভেবেছিল এগিয়ে থাকা দুটো ব্যাঙের মধ্যেই কেউ জিতবে। কিন্তু তারা যখন দাগটার কাছাকাছি পৌঁছেছে ঠিক তখনই পিছনের একটা ব্যাঙ লাফ দিয়ে তাদের টপকে সেই লাল দাগ ছুঁয়ে ফেলল। ব্যস, রেস শেষ হয়ে গেল। তুমুল চিৎকার শুরু হল চারপাশে। হোয়াঙ টুল থেকে নামতেই কিছু লোক তাকে ঘিরে ধরল। আর সেই ফাঁকে স্বাগত আর বিক্রম দরজার দিকে এগল বাইরে বেরবার জন্য। জুয়ার আড্ডার বাইরে বেরিয়ে গলি ধরে হাঁটতে হাঁটতে বিক্রম বলল, ‘রামমূর্তি স্যর কি এখানে রেস খেলতে আসেন? এ ব্যাপারটা আমার কেমন যেন অদ্ভুত লাগছে!’

    স্বাগত বলল, ‘তা ঠিকই। তবে খেলাটা দেখার মধ্যে একটা উত্তেজনা আছে তা অনুভব করছ নিশ্চয়ই? অনেক লোক আছে যারা বাজি না ধরলেও ওই উত্তেজনা অনুভব করতে ঘোড়দৌড়ের মাঠে যায়। রামমূর্তি স্যর হয়তো উত্তেজনা উপভোগ করার জন্যই এখানে এসে থাকতে পারেন।’

    স্বাগতরা কথা বলতে বলতে বড় রাস্তায় বেরিয়ে এল। আর তারপরই তারা দেখতে পেল বুলের দোকানের সামনে বুল আর নারেঙ খাম দাঁড়িয়ে আছে!

    আর তাদের দেখতে পেয়েই নারেঙ খাম তাদের উদ্দেশে বললেন, ‘ওদিকে কোথায় গেছিলেন? এদিকে আসুন। দরকার আছে কথা বলার।’

    বিক্রম স্বাগতকে বলল, ‘যাওয়াটা কি ঠিক হবে? রামমূর্তি স্যর জানলে অসন্তুষ্ট হবেন।’

    স্বাগত বলল, ‘ডাকছে যখন তখন দেখি ও কী বলতে চায়?’

    স্বাগত বিক্রমকে নিয়ে এগল তাদের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }