Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ২৫

    পর্ব ২৫

    দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই নারেও প্রথমে জানতে চাইল, ‘ওদিকে কোথায় গিয়েছিলেন?’

    স্বাগত বলল, ‘কিছু রসদ কেনার জন্য বাজারে এসেছি। কাজ মিটতে কিছুটা দেরি আছে তাই এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

    নারেঙ বলল, ‘আমিও আজই এদিকটাতে এলাম। ভালো হল আপনাদের সঙ্গে দেখা হয়ে। একটা কথা আপনাদের জানানোর আছে।’

    —’কী কথা?’ প্রশ্ন করল স্বাগত।

    নারেঙ হয়তো সেখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে যাচ্ছিল কিন্তু বুল বলল, ‘বাইরে বেশ গরম। আপনারা ভিতরে ঢুকে ফ্যানের হাওয়ায় কথা বলুন।’

    নারেঙ বুলের কথা শুনে বলল, ‘হ্যাঁ, ভিতরে দু-মিনিট বসেই কথাটা বলি।’

    অগত্যা দোকানের ভিতরে প্রবেশ করল স্বাগত আর বিক্রম। ভিতরে ঢুকে চারপাশে তাকিয়ে কী কারণে যেন আগের দিনের তুলনায় দোকানটা একটু ফাঁকা মনে হল। বুল তিনটে টুল এনে দিল। নারেঙের মুখোমুখি স্বাগত আর বিক্রম বসল তার কথা শোনার জন্য।

    মৃদু চুপ করে থাকার পর নারেঙ বলল, ‘জানাবার কথাটা হল ফঙকে আমি আমার কাছ থেকে গতকাল সকালে তাড়িয়ে দিয়েছি। তার সঙ্গে আমার আর কোনও সম্পর্ক নেই।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘কেন?’

    নারেঙ ক্ষোভের সঙ্গে বলল, ‘ওর সঙ্গে মিশে দেখলাম লোকটা লোভী, মিথ্যেবাদী আর ঝগডুটে প্রকৃতির। রোজ নানা অছিলায় আমার থেকে টাকা নিত। আজেবাজে জিনিস দেখিয়ে আমাকে ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যে গল্প শোনাত আঙ্কর সম্পর্কে। সবথেকে বড় কথা অন্য লোকের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করত আমার সঙ্গে গিয়ে। আমি জানি প্রফেসর রামমূর্তি আমাকে পছন্দ করেন না, আর তার কারণ হয়তো ওই ফঙই। নিজেরাই তো দেখলেন অমন পণ্ডিত মানুষটার সঙ্গে ও কেমন মুখে মুখে বাজে তর্ক করছিল! অমন ব্যবহারও অনেকের সঙ্গেই করে থাকে। দু-দিন আগে বিষ্ণু মন্দিরের এক গার্ডের সঙ্গে ওর হাতাহাতি হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আমি কেন ওর জন্য এসব ফালতু ঝামেলা পোহাতে যাব…!’

    গাইড ফঙ-এর সম্পর্কে একঝাঁক অভিযোগ জানিয়ে কথা শেষ করল নারেঙ।

    স্বাগত বলল, ‘আপনি ওর বিষয়ে যা ভালো বুঝেছেন তা করেছেন।’

    নারেঙ বলল, ‘হ্যাঁ। তাই তাড়িয়ে দিয়েছি। প্রফেসরকে ব্যাপারটা জানিয়ে দেবেন, আর বলবেন যে ওকে যেন মন্দিরের কাছে ঘেঁষতে না দেয়। ভারী বজ্জাত লোক ও। বুলকেও ব্যাপারটা জানাবার জন্য আমি এখানে এসেছিলাম

    বুল বলল, ‘আমি দুঃখিত। ওর সঙ্গে পরিচয় থাকলেও আমি জানতাম না ওর এমন স্বভাব চরিত্র। জানলে কখনও ওর সঙ্গে আপনার যোগাযোগ করিয়ে দিতাম না।’

    বুলের কথার জবাবে নারেঙ বলল, ‘দুঃখিত হওয়ার দরকার নেই। লোকটাকে তাড়িয়ে বেঁচেছি সেটাই ভালো। মন্দির নগরীটা এখন আমার মোটামুটি চেনা হয়ে গেছে, এখন আমি একলাই ঘুরব আর ছবি তুলব।’

    একথা বলে সে স্বাগতদের উদ্দেশে বলল, ‘প্রফেসরকে বলবেন আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি। আমার জন্য তাঁর কাজের ব্যাঘাত ঘটবে না। আমাকে যেন তিনি ভুল না বোঝেন। ওনার সঙ্গে আমি একবার দেখা করতে যাব।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, বলে দেব।’

    নারেঙ খাম এরপর পাছে তাদের মন্দিরের ব্যাপারে প্রশ্ন করে সেজন্য স্বাগত তাকে বলল, ‘এবার আমরা চলি। একটা কাজের কথা মনে পড়ল। যেটা করতে হবে।’

    নারেঙ বা বুল কেউই আর স্বাগতদের চেয়ার থেকে উঠতে বাধা দিল না। নারেঙ বলল, ‘ঠিক আছে যান। আবার দেখা হবে।’

    বুল বলল, ‘আবার আসবেন। আপনাদের সঙ্গে তো ভালোরকম পরিচয় হয়েই গেছে। এবার কিছু কিনলে আরও সস্তা দামে দেব।’

    বুলের দোকান ছেড়ে এরপর বাইরে বেরিয়ে এল স্বাগতরা। হাঁটতে হাঁটতে বিক্রম বলল, ‘গাইড ফঙকে তাড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারটা নারেঙ হঠাৎ আমাদের ডেকে বলতে গেল কেন?’

    স্বাগত বলল, ‘সম্ভবত ভবিষ্যতে ফঙের কোনও কাজের দায় যাতে নারেঙের ওপর না চাপে, সেজন্যই সম্ভবত কথাটাও আমাদের জানাল, আর প্রফেসরকেও জানিয়ে দিতে বলল। গাইড ফঙের গতিবিধি কিন্তু বেশ সন্দেহজনক। প্রফেসর বলছিলেন তিনি তাকে জঙ্গলের আড়াল থেকে মন্দিরের ওপর নজর রাখতে দেখেছেন। আর আমিও তাকে জঙ্গলে একলা ঘুরে বেড়াতে দেখেছি।’

    বিক্রম বলল, ‘আমাদের ওই প্রাচীন মন্দিরে হয়তো গুপ্তধন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। সেই আশাতেই হয়তো সে মন্দিরের ওপর নজর রাখার চেষ্টা করছে লোকটা।’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, আমারও লোকটার ব্যাপারে এমনই ধারণা।’

    নিজেদের মধ্যে কথা বলতে বলতে স্বাগতরা প্রথমে পৌঁছে গেল যেখানে দোকানগুলোয় তাদের রসদ রাখা আছে সে জায়গায়। সময়ের হিসাব মিলিয়ে একসময় স্বাগতরা ফোন করে তাদের টুকটুকটা ডেকে নিল। রসদের ব্যাগ-বস্তাগুলো গাড়িতে তোলার পর ব্যাটারির দোকানে গিয়ে ব্যাটারি নিয়ে রওনা দিল মন্দির নগরীর দিকে।

    মন্দির নগরীতে যাওয়ার চেনা রাস্তা ধরেই ফিরতে লাগল তারা। যে সব পর্যটক মন্দির নগরী দেখতে গিয়েছিল ইতিমধ্যে তারাও ফিরে আসতে শুরু করেছে। কম্বোডিয়ার আবহাওয়া ভারতের সমতল অঞ্চলের মতোই। এই মে-জুন মাসে বেশ খানিকটা গরম এখানে। কিন্তু আজ যেন বেশি গরম অনুভূত হতে লাগল স্বাগতদের। তাদের গাড়ি একসময় তোরণ অতিক্রম করে আঙ্করে প্রবেশ করল। জঙ্গলের পথ ধরে মন্দিরের দিকে এগতে থাকল গাড়ি। ছায়াময় জঙ্গলের ভিতর প্রবেশ করলে রোদের তাপ থেকে বাঁচা যায় বলে কিছুটা শীতলতা অনুভব হয় সবসময়। মৃদুমন্দ বাতাসও বয়। কিন্তু আজ যেন একটা গুমোট ভাব চারপাশে। গাছের একটা পাতাও নড়ছে না। বিক্রম বলল, ‘আজকের আবহাওয়াটা কেমন যেন অস্বস্তিকর।’

    স্বাগত সহমত পোষণ করল তার কথায়। তাদের গাড়ির চালক স্থানীয় মানুষ হলেও সেও স্বাগতদেরই মতো বেশ অস্বস্তিবোধ করছে। গাড়ি চালাতে চালাতে মাঝে মাঝে সে একটা কাপড় দিয়ে ঘাম মুছছে। লোকটা একসময় বলল, ‘আজ রাতে এখানে বৃষ্টি নামবে মনে হয়। বৃষ্টি নামার আগে এখানে এমন গরম হয়।’

    এ কথা বলার পর গাছপালার ফাঁক দিয়ে আকাশের যে অংশটা দেখা যাচ্ছে সেদিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে বলল, ‘ওই দেখুন আকাশে মেঘ জমছে৷’

    স্বাগতরা আকাশের দিকে তাকিয়ে একখণ্ড ধূসর মেঘ দেখতে পেল। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা পৌঁছে গেল নিজেদের জায়গায়। গাড়ির শব্দ শুনে প্রফেসর বাইরে বেরিয়ে এলেন। গাড়ি থেকে ধরাধরি করে বস্তাগুলো আর কাটারিটা নামানো হল। রামমূর্তি স্যর কাছে এসে বললেন, “তোমাদের কোনও অসুবিধা হয়নি তো?”

    বিক্রম বলল, ‘না, স্যর অসুবিধা হয়নি। অন্যরা কোথায়?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘ওরা বেশ কিছুক্ষণ আগে খাওয়া সেরে ঘরে শুতে গেছে। আজ যা গরম তাতে মন্দিরের ভিতর বেশিক্ষণ থাকা গেল না।’

    বিক্রম তার হুইস্কির বোতল দুটো প্রফেসরের নজর এড়াবার জন্য ফেরার পথে একটা ব্যাগের মধ্যে পুরে ফেলেছিল। বিক্রম সেটা স্বাগতর হাতে ধরিয়ে দিয়ে গাড়ির ড্রাইভারকে সঙ্গে নিয়ে ভারী ব্যাটারিটা ধরাধরি করে রামমূর্তি স্যরের ঘরের দিকে এগল রেখে আসার জন্য। তারা সেদিকে যাওয়ার পর স্বাগত রামমূর্তি স্যরকে জিজ্ঞেস করল, ‘মন্দিরের ভিতর নতুন কিছু চোখে পড়ল স্যর?’

    রামমূর্তি সংক্ষিপ্ত জবাব দিলেন, ‘না।’

    স্বাগত এরপর বলল, ‘আজ ঘুরতে ঘুরতে যেখানে ব্যাঙের রেস হয় সেখানে গিয়েছিলাম। হোয়াঙ নামের যে লোকটা কাল আপনাকে খুঁজতে গিয়েছিল তার সঙ্গে আমাদের দেখা হল। বিক্রমকে চিনতে পেরে সে বলল আপনার সঙ্গে তার জরুরি দরকার। আপনি যেন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’

    স্বাগতর কথা শেষ হতে না হতেই তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘আর কিছু বলেছে?’

    স্বাগত বলল, ‘না, শুধু এটুকুই।’

    এরপর স্বাগত স্যরকে নারেঙ খামের সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ ও তার থেকে শোনা কথাগুলো জানাল। তা শুনে তিনি মন্তব্য করলেন, ‘ওই ফঙ নামের গাইডটা যে একজন ধাপ্পাবাজ লোক তা আমি গোড়া থেকেই বুঝতে পেরেছি। ওর মতলব ভালো নয়।’

    গাড়ির ড্রাইভার ব্যাটারি রেখে ফিরে এসে রামমূর্তি স্যরের থেকে ভাড়া বুঝে নিয়ে চলে যাওয়ার পর বাকি জিনিসগুলো স্বাগত আর বিক্রম মিলে স্টোর রুমে রাখল। রামমূর্তি স্যর নিজের ঘরে চলে গেলেন। খাওয়া সেরে বিক্রম আর স্বাগত যখন ঢুকল তখন বিকাল চারটে বাজে। খামের যুবতী সেদিন থেকে তার কাহিনি বলতে শুরু করেছেন তারপর থেকেই বিকাল হলেই স্বাগতর মনটা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। বাইরের মতোই ঘরের ভিতর একটা গুমোট ভাব। ঘুম হবে না স্বাগতর। বিছানায় শুয়ে স্বাগত ভাবতে লাগল পাঁচটা বাজলেই বেরিয়ে পড়বে খামের যুবতীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য।

    ঠিক পাঁচটাতেই ঘরের বাইরে বেরিয়ে পড়ল স্বাগত। শূন্য চত্বর কেউ কোথাও নেই। তবে গুমোট ভাবটা একইরকম প্রকট। স্বাগত আকাশের দিকে তাকাল। আকাশে ধূসর বর্ণের যে মেঘ তারা দেখেছিল তার আকৃতি যেন অনেকটাই বেড়েছে। আর সেই মেঘ যেন স্থান পরিবর্তন করে ভাসতে ভাসতে এগচ্ছে বিষ্ণুলোকের দিকে। ধীর পায়ে হেঁটে চত্বর থেকে নেমে স্বাগত রওনা হল গন্তব্যর দিকে। জঙ্গলের পাতাগুলো আগের মতোই স্থির। কোনও বাতাস নেই। পাখির ডাকও নেই। কেমন যেন একটা থমথমে পরিবেশ চারপাশে। মন্দিরের দিকের পায়ে চলা পথ থেকে বেরিয়ে স্বাগত এগল কিছু দূরে যে স্থানে সে যায় সেদিকে। কয়েক পা এগিয়েই মাটিতে পড়ে থাকা একটা জিনিস দৃষ্টি আকর্ষণ করল স্বাগতর। সেটা কুড়িয়ে নিল সে। জিনিসটা একটা ভাঁজ করা মাপার ফিতে বা টেপ। দেখেই বোঝা যাচ্ছে সেটা নতুন কেনা। এ জিনিস এখানে এল কীভাবে? স্বাগত অনুমান করল সেটা কারও পকেট থেকে পড়ে গিয়ে থাকবে। স্বাগতর একবার মনে হল জিনিসটা সে আবার মাটিতে ফেলে দেয়। কিন্তু এরপর তার মনে হল ফিতেটা যখন কুড়িয়ে পাওয়া গেছে তখন জিনিসটা কাছে রেখে দেওয়া যেতে পারে। তাদের মাপজোপের কাজে লেগে যেতে পারে মাপার ফিতেটা। সেটা সে পকেটে পুরে আবার হাঁটতে শুরু করল। ঝোপজঙ্গলের ভিতরে সেই একাকী দাঁড়িয়ে থাকা নারী মূর্তিকে পাশ কাটিয়ে প্রবেশ করল গাছে ঘেরা জায়গাটার ভিতর। তবে স্বাগত দেখল সেই খামের যুবতী সেখানে উপস্থিত হয়নি। স্বাগত আজ একটু আগেই এসে উপস্থিত হয়েছে এ জায়গায়। একটা পাথরের উপর বসে সে অপেক্ষা করতে লাগল সেই যুবতীর জন্য।

    বেশ খানিকটা সময় অতিবাহিত হয়ে গেল এভাবে। একসময় গাছের মাথার ফাঁক গলে মাথার উপর যে আকাশ দেখা যাচ্ছিল সেদিকে তাকাল স্বাগত। মেঘরাশি আরও পুঞ্জীভূত হয়েছে। আর তার গতিপথ বিষ্ণুলোকের দিকেই। অন্যদিনের মতোই বিদায়ী সূর্য বিষ্ণুলোকের শীর্ষদেশকে স্পর্শ করেছে তার আড়ালে অন্তর্হিত হওয়ার জন্য। কিন্তু তার আভা অন্যদিনের মতো রক্তবর্ণের নয়। কেমন যেন ফ্যাকাশে।

    ‘দুর্যোগ নেমে আসতে চলেছে।’— খামের রমণীর কণ্ঠস্বর শুনে স্বাগত দেখল কিছুটা তফাতে সে এসে দাঁড়িয়েছে। স্বাগত তাকে বলল, ‘ঝড় বৃষ্টি হবে বুঝি?’

    খামের যুবতীর ঠোঁটের কোণে আবছা হাসি ফুটে উঠল। একটা পাথরের উপর বসল সে।

    স্বাগত তার উদ্দেশে বলল, ‘বেশ খানিকটা সময় ধরে তোমার জন্য আমি অপেক্ষা করছি।’

    যুবতী বলল, ‘আমি জানি। কিন্তু আরও কেউ একজন কাছাকাছি ছিল। সে দূরে চলে না যাওয়া পর্যন্ত আমি আসতে পারিনি।’

    খামের যুবতী সেদিন থেকে তার কাহিনি বলতে শুরু করেছেন তারপর থেকেই বিকাল হলেই স্বাগতর মনটা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। বাইরের মতোই ঘরের ভিতর একটা গুমোট ভাবে। ঘুম হবে না স্বাগতর।

    স্বাগত জিজ্ঞেস করল, ‘কে সে? আমি তো কাউকে দেখতে পাইনি। তবে একটু আগে কাছেই এক জায়গায় আমি একটা মাপার ফিতে কুড়িয়ে পেয়েছি।’

    খামের সুন্দরী স্বাগতর কথার কোনও জবাব না দিয়ে বিষ্ণুলোকের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে যেন বলল, ‘দুর্যোগ আসছে।’

    এ কথা বলার পর সে বলল, ‘গল্পটা আমার এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার সেটাই তোমাকে বলি—’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, শুরু কর।’

    খামের যুবতী বলতে শুরু করল তার কাহিনি— ‘চম্পা নামের সেই চামদেশীয় রমণীর রাজ অনুগ্রহে বা বিষ্ণুর কৃপাতে আশ্রয় মিলল বিষ্ণুলোকে। অর্থাৎ বিষ্ণুলোকের

    বহিঃপ্রাকারের গায়ে পুরোহিত, নর্তকী, চয়নিকাদের জন্য যে সব আবাসস্থল ছিল সেই স্থানে। সন্ধ্যারতি সাঙ্গ হলে বিষ্ণুলোকের অভ্যন্তরে সে সময় কেউ থাকত না। কারণ তখন বিষ্ণুলোকের বাসিন্দা পুণ্যবান আত্মারা জেগে উঠত, ঠিক যেমন আজও তারা জাগে। তাই যেসব মানুষ মন্দিরের কাজে নিয়োজিত থাকত তাদের রাত্রিবাসের কক্ষগুলো ছিল বহিঃপ্রাকারে পরিখা সংলগ্ন স্থানে। ছোট্ট এক কক্ষ তার। মাঝে মাঝে ডাক আসত তার ভগবান বিষ্ণুর সামনে নৃত্য প্রদর্শনের জন্য। বিশেষত মহারাজ যেদিন সন্ধ্যারতি দেখতে আসতেন, সেদিন। মহারাজ খুশি হতেন তার নৃত্য দেখে। মহারাজের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই চম্পার। তিনি তার জীবন রক্ষা করেছেন, এই অচেনা-অজানা দেশে তার অন্ন বস্ত্র বাসস্থান নির্ধারিত করেছেন। তাই তাঁকে ভগবান বিষ্ণুর মতোই শ্রদ্ধা করে চম্পা নামের সেই যুবতী। তবে একটা ব্যাপার চম্পার মনকে কষ্ট দেয়। তার মনে হয় এত বড় পৃথিবীতে সে একা। সে ক্রীতদাসী নর্তকী হলেও চামদেশে কয়েকজন তারই মতো নর্তকী সহচরী ছিল। যাদের সঙ্গে সে কথা বলতে পারত, সুখ-দুঃখ বিনিময় করতে পারত কিন্তু এখানে তার সে সুযোগ নেই। চম্পা, মন্দিরের অন্য নর্তকীদের সঙ্গে ভাব করার চেষ্টা করলেও তারা তাকে এড়িয়ে চলে, অতি প্রয়োজন ছাড়া বিশেষ বাক্যালাপ করে না তার সঙ্গে। বিষ্ণুলোকের খামের দেশীয় নর্তকীদের চম্পাকে এড়িয়ে চলার পিছনে দুটো কারণ ছিল। প্রথমত, চম্পা নামের ওই নারী ভিনদেশি। তার ওপর চামের দেশের মেয়ে সে। চামেদের আক্রমণের সময় এই মন্দির নগরীতে যে ধ্বংসলীলা, হত্যালীলা, চলেছিল তা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে কারও পক্ষেই ভোলা সম্ভব ছিল না। চামদেশ সম্পর্কিত যে কোনও কিছুকেই খামেরা অপছন্দ করত। এক্ষেত্রে নতর্কীদের মনোভাবের ব্যতিক্রম ছিল না। আর দ্বিতীয় কারণ হল, সেই নারীর নাচ দেখে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন ও তাঁর সভাসদরা বিশেষ প্রীত হতেন, এ ব্যাপারটাও বেশকিছু নর্তকীর মনে ঈর্ষার জন্ম দিয়েছিল। চম্পা নামী মেয়েটি কিন্তু খামের যুবতীদের মতোই পোশাক পরিধান করত। খামের রমণীদের সঙ্গে চাম রমণীর মুখমণ্ডল বা আকৃতিগত তেমন ফারাকও ছিল না। তাই কখনও বা কেউ হয়তো তাকে খামের যুবতী ভেবে বাক্যালাপ করলেও তার পরিচয় জানার পর তার সংস্রব এড়িয়ে চলত। শুধু নর্তকী নয়, মন্দিরের কাজে নিয়োজিত অন্য রমণীদের চম্পার প্রতি একই রূপ ছিল। কাজেই মন্দিরের হাজার মানুষের ভিড়ের মধ্যেও সে ছিল একা। কখনও সে গিয়ে বসে থাকত গর্ভমন্দিরে দেবমূর্তির সামনে সবার পিছনে, কখনও চুপচাপ বসে থাকত পরিখার ধারে। আবার কখনও বা এই মন্দির নগরীর বিভিন্ন মন্দিরে একলা ঘুরে বেড়াত। এই ভাবেই সময় অতিবাহিত হতো তার। তবে সময় থেমে থাকে না। গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীত-বসন্ত আবর্তিত হয় নিজের নিয়মে। দেখতে দেখতে বেশ কয়েক বছর এই মন্দির নগরীতেই সময় অতিবাহিত করে ফেলল নিঃসঙ্গ সেই তরুণী। তারপর হঠাৎ‍ই একদিন এক ঘটনা ঘটল। হয়তো তা ঘটল ভগবান বিষ্ণুর ইচ্ছাতে।’—এ কথা বলার পর সে থেমে গিয়ে বিষ্ণুলোকের দিকে তাকাল। স্বাগতও তার দৃষ্টি অনুসরণ করল। সে দেখল সূর্য বিষ্ণুলোকের আড়ালে অন্তর্হিত হতে শুরু করেছে। আর আকাশের পুঞ্জীভূত মেঘের রাশিও বিষ্ণুলোকের অনেকটা কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। সেদিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে স্বাগত বলল, ‘কী ঘটনা ঘটল?’ যুবতী আবার স্বাগতর দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে বলতে শুরু করল—

    ‘একদিন বিকালে তেমনই মন্দির নগরীতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল চম্পা নামের সেই যুবতী। ঘুরতে ঘুরতে বিষ্ণুলোক থেকে কিছুটা তফাতে চলে এসেছে সে। হঠাৎই তার চোখে পড়ল এক মন্দির প্রাসাদ। সে প্রাসাদ আগে কোনও দিন খেয়াল করেনি সে। তার সামনে তোরণদ্বারের গায়ে লতাগুল্মে অচেনা সুন্দর ফুল ফুটে আছে। দেবতার সামনে নৃত্য পরিবেশন করার সময় ফুলমালাতে সজ্জিত হয় নর্তকীরা। …সেই মালা অনেক সময় নিজেই গাঁথে চম্পা। তাই সে এগিয়ে গেল তোরণদ্বারের কাছে। তোরণের মাথার উপর রয়েছে বিষ্ণুর মুখমণ্ডল। যেমন এখানে সব তোরণের মাথাতেই থাকে। তবে তোরণের বেশ কয়েকটা স্তম্ভ আঘাতপ্রাপ্ত। তার গায়ের মূর্তিগুলো অঙ্গহীন। চামরা মন্দির নগরীতে বেশকিছু মন্দির প্রাসাদ নষ্ট করার চেষ্টা করেছিল। সেগুলি তখন সাময়িকভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। মেয়েটা অনুমান করল এ প্রাসাদ তেমনই কোনও প্রাসাদ হবে। কারণ তোরণের সামনে দ্বাররক্ষী বা অন্য কোনও মানুষ চোখে পড়ছে না। যাই হোক নিজের অঞ্চলে পুষ্পচয়ন করতে শুরু করল সে। সার সার লতাগুল্ম নেমে এসেছে মন্দির তোরণের গা বেয়ে, মোটা মোটা সব লতাগুল্ম। তার গায়ে থোকা থোকা ফুল। হঠাৎই একটা লতা স্পর্শ করতেই চম্পার আঙুলে কেমন যেন শীতলভাব অনুভূত হল। এত ঠান্ডা কেন? ব্যাপারটা সে ভালো করে বুঝে ওঠার আগেই সেই প্রকাণ্ড লতাটা উপর থেকে খসে পড়ে আলিঙ্গন করতে শুরু করল তার শরীর। মাটিতে পড়ে গেল চম্পা। সে লতা ভেবে যা স্পর্শ করেছিল। তা হল লতাগুল্মর সঙ্গে মিশে থাকা একটা অজগর সাপের লেজ! চম্পা কিছুতেই মুক্ত হতে পারছেন সেই নাগপাশ থেকে। একসময় সেই সর্প মেয়েটার সমস্ত শরীর আবৃত করে ফেলল। চম্পা আতঙ্কে চিৎকার করতে লাগল বাঁচাও বাঁচাও বলে। কিন্তু সেই নির্জন স্থানে কে বাঁচাবে তাকে? ক্রমশ শরীর অবসন্ন হয়ে আসতে লাগল তার। কণ্ঠও স্তব্ধ হতে শুরু করল। সেই অজগর সর্প বুঝতে পারল শিকার তার করায়ত্ত হয়েছে। মহাসর্প এবার তার প্রকাণ্ড মুখটা হাঁ করল শিকারের মাথাটা গলাধঃকরণের জন্য। ঠিক সেই সময় মন্দির তোরণের ভিতর থেকে তলোয়ার হাতে ছুটে বেরিয়ে এল একজন। অজগর সর্প তখন তার প্রকাণ্ড চোয়াল দুটোর ভিতর অসহায় নারীর মাথাটা ঢুকিয়ে নিতে চলেছে ঠিক তখনই সেই ব্যক্তি ছুটে এসে তলোয়ারের এক কোপে ছিন্ন করে দিল সর্পের মুণ্ড…।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }