Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ২৭

    পর্ব ২৭

    “স্বাগরা দু’জন এরপর তোরণ অতিক্রম করে মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় একটা প্রচণ্ড আর্তনাদের শব্দ ভেসে এল মন্দিরের ভিতর থেকে। ও কার আর্তনাদ? থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল তারা। এ পর্যন্ত স্বপ্নটা দেখে স্বাগতর ঘুম ভেঙে গেল। কিন্তু বাইরের বর্ষণসিক্ত অন্ধকার ভেদ করে আবারও সেই ভয়ঙ্কর আর্তনাদ বাইরে কোথা থেকে যেন ভেসে এল স্বাগতর ঘরে। ওই চিৎকারের শব্দটা তবে নিছক স্বপ্ন নয়? স্বাগত বিছানাতে উঠে বসল। ঠিক সেই সময় স্বাগতর মোবাইল বেজে উঠল। প্রীতমের ফোন। উত্তেজিত ভাবে সে বলল, ‘বাইরে কী ঘটেছে? বেশ কয়েকবার কোনও পুরুষ কণ্ঠের আতঙ্কিত চিৎকার শুনলাম। মনে হচ্ছে চিৎকারটা মন্দির তোরণের ভিতর থেকে আসছে।’

    স্বাগত বলল, ‘আমিও চিৎকারটা শুনলাম। কী হয়েছে জানি না। তুমি বিক্রমকে নিয়ে বাইরে বেরও। আমি বেরচ্ছি।’

    খাট ছেড়ে নেমে পড়ল স্বাগত। আর সময় নষ্ট না করে টর্চ আর একটা লাঠি নিয়ে ঘরের বাইরে বেরিয়ে পড়ল সে। বৃষ্টির তেজ একটু কমলেও এখনও তা হয়ে চলেছে। তার বাইরে বেরবার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই টর্চ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল প্রীতম আর বিক্রম। সুরভীও দরজা ফাঁক করে বাইরে উঁকি মারল। প্রীতমরা আর স্বাগত পরস্পরের কাছে এসে দাঁড়াল। বিক্রম আর প্রীতম তাদের টর্চের জোরালো আলো ফেলল মন্দির তোরণের গায়ে। তারা সেখানে কাউকে দেখতে পেল না ঠিকই কিন্তু এর পরমুহূর্তে আবারও একটা প্রচণ্ড আর্তনাদের শব্দ শুনতে পেল তারা। আর সেটা ভেসে এল মন্দিরের ভিতর থেকেই। প্রীতম বলল, ‘চল আগে প্রফেসরকে ডাকি।’ কিন্তু তাঁকে ডাকতে হল না। দরজা খুলে নিজেই বেরিয়ে এলেন প্রফেসর রামমূর্তি। তাঁরও হাতে টর্চ। স্বাগতরা এগিয়ে গিয়ে তাঁকে ঘিরে দাঁড়াল। নাতাশা আর সুরভীও ইতিমধ্যে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। প্রীতম রামমূর্তি স্যরকে বলল, ‘অমন ভয়ঙ্কর আর্তনাদ কে করছে স্যর?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘জানি না। আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ওই চিৎকার শুনেই বাইরে বেরলাম।’

    বিক্রম বলল, ‘চলুন স্যর। একবার ভিতরে ঢুকে ব্যাপারটা দেখার চেষ্টা করি।’

    নাতাশা প্রস্তাবটা শুনে ইতস্তত করে বলল, ‘এত রাতে মন্দিরের ভিতরে ঢোকা কি ঠিক হবে?’

    রামমূর্তি স্যরও যেন একটু থমকে ভাবার চেষ্টা করতে লাগলেন, ভিতরে ঢোকা ঠিক হবে কি না।

    কিন্তু বিক্রম বলল, ‘এমনও হতে পারে কেউ ঝড় বৃষ্টির মধ্যে মন্দিরের ভিতরে ঢুকে বিপদে পড়েছে। আমরা এতজন লোক। ভিতরে গেলে কী আর হবে?’

    রামমূর্তি সার তাকালেন স্বাগতর দিকে। সে বলল, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয় অন্তত মন্দিরে তোরণের ভিতরে একবার আমাদের ঢোকা উচিত।’

    স্বাগতর পরামর্শ শুনে রামমূর্তি স্যর নাতাশা আর সুরভীকে বললেন, ‘তোমরা ঘরেই থাক, প্রয়োজনে তোমাদের ডেকে নেব। এরপর বৃষ্টি মাথায় নিয়েই তারা এগল মন্দির তোরণের দিকে। স্বাগতরা তোরণ অতিক্রম করে ভিতরে প্রবেশ করল। তাদের টর্চের আলো ছুঁয়ে যেতে লাগল দু-পাশের অলিন্দের গায়ে দাঁড়িয়ে থাকা বৃষ্টিস্নাত মূর্তি স্তম্ভগুলোকে। আর এরপরই মুহূর্তর জন্য একটা গোঙানির শব্দ কানে এল তাদের। সেই শব্দ অনুসরণ করে স্বাগত টর্চের আলো ফেলল সেখানে। তারা দেখতে পেল চত্বরের শেষপ্রান্তে যে কক্ষগুলোর ভিতর দিয়ে মন্দিরের মূল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে হয় সেখানে পড়ে আছে একজন লোক। সঙ্গে সঙ্গে তারা চারজন ছুটল সেদিকে। একসঙ্গে তিনটে টর্চের আলো পড়ল লোকটার দেহর উপর। বিভৎস এক দৃশ্য! মাটিতে পড়ে থাকা লোকটার মাথা-মুখ একেবারে থেঁতলে গেছে। রক্তের স্রোত মিশে যাচ্ছে বৃষ্টির জলের সঙ্গে। স্বাগতরা চিনতে পারল লোকটাকে —— গাইড ফঙ। স্বাগত তার উপর ঝুঁকে পড়ে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার এ অবস্থা কী করে হল ফঙ? কী হয়েছিল?’ বার কয়েক স্বাগত তাকে জিজ্ঞেস করার পর কথাটা ফঙের কানে গেল। সে কোনওক্রমে বলল, ‘কুমির! কুমির।” এই বলেই সে থেমে গেল। হাপরের মতো ওঠানামা করতে লাগল তার বুকটা। জোরে জোরে সে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগল। প্রীতম বলল, ‘এ লোকটাকে এখনই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। স্যর আপনি গাড়ি ডাকার ব্যবস্থা করুন।”

    রামমূর্তি বললেন, ‘তোমরা ওকে ঘরের ভিতর উঠিয়ে নিয়ে যাও। আমি আমার ফোনটা নিয়ে আসছি।’

    কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে ফঙের শরীরটা মোচড় দিয়ে উঠল। শেষ একটা হৃদয় বিদারক আর্তনাদ বেরিয়ে এল তার কণ্ঠ থেকে। তারপর ফঙের শরীরটা স্থির হয়ে গেল। স্বাগত তার একটা হাত ধরে মৃদু ঝাঁকুনি দিয়ে বলল, ‘ফঙ? ফঙ? আমরা তোমাকে এখনই হাসপাতালে নিয়ে যাব।’

    কিন্তু ফঙ কোনও জবাব দিল না। তার বুকের ওঠা-নামা থেমে গেছে! প্রফেসর এরপর ফঙের শরীরের ওপর ঝুঁকে পড়ে তার বুকে হাত রাখলেন। হাতের নাড়ি ধরেও পরীক্ষা করলেন, তারপর উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘লোকটা আর বেঁচে নেই। সম্ভবত ও এই ঘরগুলোকে অতিক্রম করে মন্দিরের ভিতরে ঢুকেছিল। আর সেখানেই কোনও ঘটনা বা এই ঘটনা ঘটেছে। দেখে তো মনে হয় ভারী পাথর ধরনের কিছু আঘাত লেগেছে ওর মাথায়।’

    প্রীতম বলল, ‘তাহলে, কুমিরের ব্যাপারটা মিথ্যা নয়। আমি ঠিকই দেখেছিলাম। আমরা তাকে খুঁজে না পেলেও প্রাণীটা মন্দিরের ভিতরেই কোথাও আছে বা এই মন্দিরে এসে ঢোকে।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘আমারও তো ফঙের কথাটা শুনে তাই মনে হচ্ছে।’

    বিক্রম বলল, “তাহলে কি আমরা কুমিরটার খোঁজে এখন ভিতরের প্রাঙ্গণটায় যাব?”

    রামমূর্তি বললেন, ‘না, সেটা রিস্ক হয়ে যাবে। আমাদের সঙ্গে কোনও হাতিয়ার নেই। তাছাড়া পাথর টাথর খসে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘এখন তবে আমাদের কী করণীয়?’

    রামমূর্তি ঘড়ি দেখে বললেন, ‘এখন আড়াইটে বাজে। ভোরের আলো ফুটতে আরও ঘণ্টা দুই সময় লাগবে। আপাতত আমরা বাইরে বেরিয়ে পুলিসকে ফোন করে ঘটনাটা জানাই। আপাতত ওর দেহটা ওখানেই থাক। পুলিস এসে যা করার করবে।’

    বিক্রম জানতে চাইল, ‘পুলিস এসে আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে আমরা কী বলব?’

    প্রফেসর একটু ভেবে নিয়ে বললেন, ‘ফঙের বলা কথাটা, অর্থাৎ কুমিরের ব্যাপারটা নিয়ে পুলিসকে কিছু বলার দরকার নেই। ব্যাপারটা ওরা বিশ্বাস নাও করতে পারে। উল্টে কোনও কিছু গোপন করার জন্য আমরা ব্যাপারটা বানিয়ে বলছি ভেবে আমাদেরকে এই মৃত্যুর ব্যাপারে সন্দেহ করতে পারে। পুলিসকে আমরা শুধু এটুকুই বলব যে, আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। চিৎকার শুনে আমরা তোরণের ভিতরে ঢুকে দেখি ফঙ মৃত অবস্থায় এখানে পড়ে আছে। পুলিসের সঙ্গে যা কথা বলার সেটা আমিই বলার চেষ্টা করব। প্রয়োজন না হলে তোমরা কথা বল না। কারণ, এ দেশের পুলিসের আচরণ সম্পর্কে আমাদের জানা নেই।’

    বিক্রম বলল, ‘হ্যাঁ, সেটাই ভালো, আপনিই যা বলার বলবেন পুলিসকে।’

    রামমূর্তি মাটিতে পড়ে থাকা লাশটার দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে বললেন, ‘এ লোকটাকে আমি পছন্দ করতাম না ঠিকই, কিন্তু ব্যাপারটা দুর্ভাগ্যজনক।’

    প্রীতম বলল, ‘ফঙ এই দুর্যোগের রাতে মন্দিরে ঢুকলই বা কেন?’

    রামমূর্তি জবাব দিলেন, ‘সম্ভবত ঝড়বৃষ্টির সুযোগ নিয়ে আমাদের চোখ এড়িয়ে গুপ্তধন বা ওই জাতীয় কিছু আছে কি না তা খোঁজার জন্য।’

    এ কথা বলে তিনি বললেন, ‘চল। এখানে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজে আর লাভ নেই। পুলিসকেও ফোন করতে হবে আর এখানকার আর্কিওলজিক্যাল বিভাগকেও ব্যাপারটা জানিয়ে দিতে হবে।’

    ফঙের মৃতদেহটাকে সে জায়গায় ফেলে রেখে স্বাগতরা এগল বাইরে বেরবার জন্য। তারা যখন তোরণ অতিক্রম করতে যাচ্ছে তখনই হঠাৎ পিছন থেকে একটা অস্পষ্ট শব্দ স্বাগতর কানে এসে লাগল।

    স্বাগত পিছনে ফিরে তাকিয়ে চাপা স্বরে প্রফেসরের উদ্দেশে বলল, ‘ওই দেখুন সার!’

    তার কথা শুনে রামমূর্তি সহ অন্যরা ফিরে তাকাল। তারা দেখতে পেল ফঙ-এর মৃতদেহটা যেখানে পড়ে আছে তার কিছুটা তফাতে একটা ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। এরপর সে এগিয়ে গিয়ে ফঙের মৃতদেহের সামনে বসে ঝুঁকে পড়ল তার ওপর। আর বিক্রম সঙ্গে সঙ্গে টর্চের জোরালো আলো ফেলল তার ওপর। সেই বিরাট বড় বাঁদরিটা! যে একলা ঘুরে বেড়ায় মন্দিরে। প্রাণীটা ফঙের মুখটা ঝুঁকে দেখছিল। আলো ফেলতেই সে মুখ তুলে তাকাল। টর্চের আলোতে মনে হয় তার চোখ ধাঁধিয়ে গেল। সে এরপর এক লাফে সেখান থেকে সরে গিয়ে কাছেই একটা স্তম্ভ বেয়ে ওপরে উঠে ছাদের অন্ধকারে হারিয়ে গেল। বিক্রম মন্তব্য করল, ‘আলো জ্বালাবার আগে ওকে ঠিক মানুষের মতোই মনে হচ্ছিল।’

    তোরণ অতিক্রম করে সকলে এরপর বাইরে বেরিয়ে এল। বৃষ্টি এখনও হয়েই চলেছে।

    নাতাশা আর সুরভী তাদের ঘরের দরজা খুলে ব্যাপারটা কী হয়েছে তা জানার প্রতীক্ষা করছিল। স্বাগতরা বাইরে বেরিয়ে তাদের দিকেই এগল। রামমূর্তি এগলেন নিজের ঘরের দিকে। স্বাগতরা তিনজন সুরভীদের ঘরের কাছে যেতেই নাতাশা উত্তেজিতভাবে জানতে চাইল, ‘মন্দিরের ভিতরে কে চিৎকার করছিল? লোকটাকে পেয়েছ?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, পেয়েছি। সে গাইড ফঙ।’

    সুরভী জানতে চাইল, ‘মন্দিরের ভিতর এত রাতে কী করতে ঢুকেছিল লোকটা? ও চিৎকার করছিল কেন?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘কী করতে যে ঢুকেছিল তা জানি না। তবে সে আর বেঁচে নেই।’

    নাতাশা আঁতকে উঠে বলল, ‘বেঁচে নেই মানে?’

    বিক্রম বলল, ‘মাথার ওপর পাথর খসে পড়ে মারা গেছে মনে হয়। মৃত্যুর আগে সে আর্তনাদ করছিল।’

    কথাটা শুনে নাতাশা বলল, ‘নিশ্চয়ই পাথরটা ওকে ভূতে ছুড়ে মেরেছে। আমার মন প্রথম থেকেই বলছিল এ জায়গাটা ভালো নয়, ভূত-প্রেতের আড্ডা।’

    এ কথা আতঙ্কিত স্বরে বলার পর সে বলল, ‘আমি আর এ জায়গায় একদিনও থাকব না। তাতে আমার চাকরি যায় তাও ভালো। আমি প্রফেসরকে বলব, কালই আমাকে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে।’

    স্বাগত এ ব্যাপার নিয়ে আর নাতাশার সঙ্গে তর্কে গেল না। সে বলল, ‘এখন তোমরা শুয়ে পড়, কাল সকালে যা হওয়ার বা যা করার তা করা হবে।’

    সুরভী ঘরের দরজা বন্ধ করে দিল। বিক্রম আর প্রীতমও ঢুকে পড়ল নিজেদের ঘরে। স্বাগতও নিজের ঘরে ফিরে শুয়ে ভাবতে লাগল ফঙের মৃত্যু কীভাবে হল? তার পাশে তো কোনও পাথরখণ্ড পড়ে ছিল না! সবথেকে বড় কথা মৃত্যুর আগে সে ‘কুমির, কুমির’ বলল কেন? তবে কি সত্যিই কুমির আছে বা কুমিরের আনাগোনা আছে এই মন্দিরে। প্রীতমের কুমির দেখার ব্যাপারটা তবে চোখের ভুল নয়। ঠিকই দেখেছিল সে। এসব নানা কথা ভাবতে ভাবতে হঠাৎই সেই খামের যুবতীর কথা মনে পড়ে গেল স্বাগতর। সে তাকে রাতে একলা জঙ্গল বা মন্দিরের ভিতর ঢুকতে নিষেধ করেছিল। কোনও অঘটন ঘটতে পারে এ কথা কি সে অনুমান করেছিল? বাইরে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে নানা কথা ভেবে চলল স্বাগত। ঘুমাবার চেষ্টা করেও ঘুম এল না তার। দেখতে দেখতে ঘণ্টা দুই-তিন সময় কেটে গেল। ভোরের আলো ফুটতে শুরু করল।

    জানালা দিয়ে স্বাগত দেখতে পেল প্রফেসর রামমূর্তি চত্বরের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাঁকে দেখে ঘর ছেড়ে স্বাগত বেরল। অন্য দরজাগুলো খুলে নাতাশা-সুরভী-বিক্রম-প্রীতমও বাইরে বেরিয়ে এল। তাদের চোখমুখ দেখে স্বাগত বুঝতে পারল তারই মতো অন্যদেরও ঘুম হয়নি, সবার চোখেমুখেই উত্তেজনার ছাপ। বৃষ্টি সদ্য থেমেছে। চারপাশের বাতাস এখনও ভেজা। জলে ধোয়া জঙ্গলকে গাঢ় সবুজ দেখাচ্ছে।

    সবাই এগিয়ে গিয়ে ঘিরে দাঁড়াল রামমূর্তি স্যরকে। তিনি কিছু বলার আগেই নাতাশা তার উদ্দেশে বলল, “আমি স্যর আর এখানে থাকব না, মন্দিরের ভিতরেও আর ঢুকব না। আপনি আমার ফেরার ব্যবস্থা করে দিন।”

    তার কথা শুনে রামমূর্তি স্যর বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, “তোমার ইচ্ছা হলে চলে যাবে। তবে এখনই সে ব্যবস্থা করে দেওয়ার সময় আমার নেই।”

    এরপর তিনি সবার উদ্দেশে বললেন, “আমি এখানকার প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীকর্তা ডক্টর পিচকে খবরটা জানিয়েছি। তিনি সিয়েমরিপ থেকে রওনা হয়ে গেছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি এসে পড়বেন। পুলিসও আসছে। আমিই তাদের যা বলার বলব। তোমাদেরও হয়তো পুলিস প্রশ্ন করতে পারে। আমরা শুধু বলব, ‘রাত্রিবেলা মন্দিরের ভিতর থেকে চিৎকার শুনে আমরা মন্দিরের ভিতর ঢুকে দেখি ফঙ মৃত অবস্থায় পড়ে আছে।’ বাড়তি কোনও কথা বলার দরকার নেই। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা কিন্তু বিদেশি। অবাস্তব কোনও কথা বললে পুলিস আমাদের কোনও কারণে সন্দেহ করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।”

    স্বাগত তার কথা শুনে বুঝতে পারল, ফঙের ‘কুমির কুমির’ বলাটা এড়িয়ে যেতে বলছেন প্রফেসর। স্বাগত জানতে চাইল, ‘পুলিস যদি জানতে চায়, আমরা ফঙকে চিনলাম কীভাবে?’

    রামমূর্তি জবাব দিলেন, ‘বলব, নারেঙ খামের গাইড হিসাবে সে তার সঙ্গে এ মন্দিরে এসেছিল। তার সঙ্গেই ঘুরে বেড়াত ফঙ। তাই আমরা তাকে চিনি। ফঙের সঙ্গে আমাদের কী কথাবার্তা হয়েছিল সে সব কিছু বলারও দরকার নেই।’

    সকলে বলল, ‘আচ্ছা স্যর।’

    বিক্রম বলল, ‘মন্দিরের ভিতর ঢুকে ফঙের দেহটা একবার দেখে আসব নাকি?’

    রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘না, তার দরকার নেই। পুলিস এলে একসঙ্গে ভিতরে যাব।’

    কিছুক্ষণের মধ্যে পরপর তিনটে গাড়ি একসঙ্গে এসে দাঁড়াল মন্দির চত্বরের সামনে। একটা প্রাইভেট গাড়ি, একটা পুলিসের আর তৃতীয় গাড়িটা অনেকটা অ্যাম্বুলেন্সের মতো দেখতে। সেটা সম্ভবত শব বহন করে নিয়ে যাওয়ার জন্য এখানে এসেছে। প্রাইভেট গাড়িটা থেকে মোটাসোটা চেহারার, খর্বকায় চশমা পরা ব্যক্তি নামলেন। রামমূর্তি বললেন, “উনি হলেন কিম। পুলিসের গাড়ি থেকে একজন উর্দি পড়া অফিসার ও কয়েকজন পুলিসকর্মী নামল। অফিসারের পোশাকে ও টুপিতে লাগানো এমব্লম আর ব্যাচ থেকে স্বাগতর অনুমান হল তিনি উচ্চপদস্থ পুলিস কর্মচারী। গাড়ি থেকে নেমে তাঁরা সকলে এসে দাঁড়াল স্বাগতদের সামনে। পুলিস কর্তাকে দেখিয়ে কিম তাঁর পরিচয় দিয়ে বললেন, “ইনি কমিশনার বাকুম।” তারপর তিনি পুলিস কমিশনারের সঙ্গে প্রফেসর রামমূর্তির পরিচয় করিয়ে দিলেন।

    কমিশনার বাকুমকে দেখে স্বাগতর মনে হল সম্ভবত তিনিও খামের জনগোষ্ঠীর লোক। বাকুম স্বাগতদের দেখিয়ে রামমূর্তির কাছে তাদের পরিচয় জানতে চাইলেন।

    রামমূর্তি বললেন, ‘ওরা আমার সহকর্মী, সকলেই ভারতীয়।’ এ কথা বলার পর তিনি একে একে সকলের নাম জানালেন তাঁকে। কমিশনার জানতে চাইলেন, ‘আপনারা কতদিন হল এখানে কাজ করছেন?’

    তাঁর প্রশ্নর উত্তর দিলেন প্রফেসর রামমূর্তি।

    বাকুম এরপর প্রশ্ন করলেন, ‘এবার বলুন, কী ঘটনা ঘটেছে? কখন ঘটেছে?’

    রামমূর্তি কী বলবেন তা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। তিনি সেইমতো জবাব দিলেন।

    অফিসার জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকটার সঙ্গে আপনাদের কীভাবে পরিচয়? সে কি এখানে যাওয়া আসা করত? আপনারা তাকে কাজে নিয়োগ করেছিলেন?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘না, আমরা তাকে কাজে নিয়োগ করিনি। আমরা তাকে মন্দিরের ভিতর ঢোকারও অনুমতি দিইনি। তবে সে এর মধ্যে একদিন নারেঙ খাম নামের এক ভদ্রলোকের সঙ্গে গাইড পরিচয়ে এ মন্দিরে এসেছিল।’

    ‘নারেঙ খাম কে?’ জানতে চাইলেন বাকুম।

    রামমূর্তি এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আগেই অধিকর্তা কিম বললেন, ‘ওই ভদ্রলোককে আমি চিনি। জন্মসূত্রে তিনি এ দেশের লোক। বর্তমানে ফ্রান্সে থাকেন, বড় ব্যবসায়ী। কিছুদিন হল এদেশে এসেছেন জন্মভূমি দর্শনের জন্য। ছবি তোলার জন্য। এখানকার মন্দির সংস্কারের জন্য তিনি অনুদানও দিয়েছেন। সরকারের তরফে আমি তাকে এখানকার প্রাচীন মন্দিরগুলো ঘুরে দেখার ছাড়পত্রও দিয়েছি। সিয়েমরিপের এক হোটেলে থাকছেন তিনি। তার ঠিকানা আমার কাছে আছে।’

    পুলিস কমিশনার সেখানে দাঁড়িয়ে আর কোয়ারিজ না করে এরপর জানতে চাইলেন, ‘লাশটা এখন কোথায়?’

    রামমূর্তি বললেন, ‘যেখানে সে পড়েছিল সেখানেই আছে। আমরা লাশ সরাইনি।’

    বাকুম বললেন, ‘চলুন সেটা দেখি?’

    নাতাশা বলল, ‘আমি কিন্তু ভিতরে যাব না। ওসব বীভৎস দৃশ্য দেখতে পারব না আমি।’

    সে শুধু বাইরে রইল, বাকি সকলে এগল তোরণের দিকে।

    একই জায়গায় পড়েছিল ফঙের লাশটা। তার শরীরের রক্ত বৃষ্টির জলে ধুয়ে গেছে। তার দেহটা ঘিরে দাঁড়াল সবাই। দিনের আলোতে তার দিকে তাকিয়ে স্বাগত দেখল ফঙের মাথা আর মুখের একপাশটা একদম থেঁতলে গেছে। তার স্থির চোখ দুটো যেন চেয়ে আছে মন্দির তোরণের বিষ্ণুমূর্তির দিকে। বীভৎস দৃশ্য! বাকুম প্রাঙ্গণের চারপাশ দেখে নিয়ে বললেন, ‘ওর আঘাত লাগার ঘটনাটা এখানে ঘটেছে বলে মনে হয় না। ওর কাছাকাছি তো কোনও পাথর পড়ে নেই।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }