Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ২৮

    পর্ব ২৮

    রামমূর্তি বললেন, ‘আমার অনুমান মন্দিরের ভিতরে কোথাও এর মাথায় পাথর খসে পড়েছে।’

    পুলিস কর্তা বললেন, ‘ওর মাথায় পাথর খসে পড়েছে নাকি কেউ ওকে পাথর দিয়ে আঘাত করেছে সেটা তদন্ত সাপেক্ষ। এখন ভিতরের দিকে গিয়ে দেখি কোনও কিছু পাওয়া যায় কি না?’—এই বলে তিনি এগলেন সামনের দিকে। সবাই তাকে অনুসরণ করল।

    মন্দিরের বাইরের অংশর কক্ষগুলোতে ঢুকতেই ফঙ যে আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় ভিতর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসতে চাইছিল তার প্রমাণ মিলল। মেঝেতে পড়ে আছে ফোঁটা ফোঁটা জমাট বাঁধা রক্ত। তবে সেখানে এমন কিছু মিলল না, যা দেখে মনে হয় সেটা ফঙের মাথায় খসে পড়েছিল। এরপর তারা প্রবেশ করল দ্বিতীয় চত্বরটাতে। যার সামনে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন মন্দিরের মূল কাঠামোটা। যেখানে অনেক পাথর খণ্ড পড়ে আছে ঠিকই কিন্তু তা সবই বৃষ্টির জলে, ধোয়া। তার কোনওটা দেখে বোঝার উপায় নেই যে ফঙ তাদের কোনওটার দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল কি না! এরপর তারা প্রবেশ করল মূল মন্দিরে। যেখানে অবশ্য গত রাতে ফঙের উপস্থিতির প্রমাণ মিলল। রক্ত পড়ে আছে ফোঁটা ফোঁটা। সেই চিহ্ন অনুসরণ করতে করতে কক্ষগুলো পেরতে পেরতে সবাই এসে উপস্থিত হল ঠিক সেই জায়গাতে, যেখানে একটা শূন্যস্থানকে ঘিরে তাকে অঞ্জলি নিবেদনের ভঙ্গিতে দেওয়ালের গায়ে বৃত্তাকার স্থাপন করা আছে অলঙ্কার ও উত্তরীয় শোভিত ব্রাহ্মণদের প্রাচীন মূর্তিগুলো। সেই দেওয়ালটার নীচে মেঝেতে পড়ে আছে চাপ চাপ রক্ত! সেই রক্তর কিছুটা তফাতে পড়ে আছে একটা প্রস্তর খণ্ড। একটা নারী মূর্তির গলা সমেত মাথা। পুলিস কমিশনার ঝুঁকে পড়ে সেই প্রাচীন প্রস্তর খণ্ডটা দেখে বললেন, ‘সম্ভবত এটার আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে ফঙের।’

    এরপর তিনি জায়গাটার ছাদ আর চারপাশের দেওয়ালগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখতে দেখতে বললেন, ‘কিন্তু কোথা থেকে খসে পড়ল এটা?

    প্রফেসর রামমূর্তি বললেন, ‘ঠিক বুঝতে পারছি না।’

    কিমও ওপর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ওপর থেকে মূর্তির মাথাটা খসে পড়লে ওর ধড়টা কোথায়? ধড়টা কি আগেই তবে খসে পড়েছিল? মুন্ডুটাই লেগেছিল। ধড়টা আপনারা বাইরে সরিয়ে নিয়ে গেছেন?’

    রামমূর্তি একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘না, এখান থেকে কোনও মূর্তির ভগ্নাংশ আমরা বাইরে নিয়ে যাইনি।’

    বাকুম বললেন, ‘এই পাথরের মুন্ডুটা কি এখানেই ছিল?’

    রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘ঠিক খেয়াল করতে পারছি না। তবে অপ্সরা, রক্ষীদের ভাঙা দেহ মুন্ডু বেশকিছু এ মন্দিরের বাইরের প্রাঙ্গণে আছে। প্রাচীন মূর্তিগুলো ওপর থেকে খসে পড়া ছিল।’

    কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে পুলিসকর্তা বাকুম বললেন, ‘এই পাথরের মুন্ডুটা মাথার ওপর থেকে খসে পড়েনি বলেই আমার মনে হচ্ছে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে অন্য একটা সম্ভাবনার কথাও কিন্তু মাথায় আসছে। তা হল, এটা দুর্ঘটনা নয় খুন। কেউ বাইরে থেকে পাথরের খণ্ডটা এখানে এনে তা দিয়ে আঘাত করেছিল ফঙকে।’

    তার কথা শুনে নিস্তব্ধ হয়ে গেল সবাই। প্রফেসর রামমূর্তি এরপর বললেন, ‘কে খুন করল ফঙকে? আর কেনই বা করল?’

    কিম বললেন, ‘যেখানে স্থানীয় লোকরা মোটা মজুরির লোভ দেখালেও এইসব পুরনো মন্দিরে ঢুকতে চায় না, রাতে তো এ তল্লাটে থাকেই না, সেখানে ফঙ এত রাতে মন্দিরে ঢুকেছিল কেন সেটাই তো বোধগম্য হচ্ছে না।’

    এক পুলিসকর্মী কমিশনারের উদ্দেশে বললেন, ‘স্যর এটা মন্দিরের প্রেতের কাজ নয় তো?’

    লোকটার কথা শুনে স্বাগত বুঝতে পারল, প্রাচীন মন্দিরের প্রেতাত্মার ব্যাপারটা এখানকার পুলিসরাও বিশ্বাস করে।

    বাকুম অবশ্য তার কথা শুনে বললেন, ‘তুমি চুপ কর।’ এরপর তিনি বললেন, ‘নিশ্চয়ই এমন কোনও কারণ আছে যা সব ভয়কে অতিক্রম করে তাকে রাতের বেলা এই মন্দিরে টেনে এনেছিল। সে কারণটা আমাদের অনুসন্ধান করতে হবে। আর ঘটনাটা যদি খুন হয়ে থাকে তবে সেই খুনিকে খুঁজে বার করতে হবে।’

    আর এরপর তিনি তার পুলিসকর্মীদের নির্দেশ দিলেন, ‘ওই পাথরের মাথাটা কাপড়ে জড়িয়ে তুলে নাও, আর সারা মন্দিরটার ছাদ থেকে সব জায়গায় খুঁজে দেখ কোথাও কোনও লোক লুকিয়ে আছে কি না।’ এরপর পুলিস কর্তা, সরকার প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আধিকারিক আর স্বাগতরা মন্দিরের বাইরের প্রাঙ্গণে বেরিয়ে এসে দাঁড়াল। পুলিসকর্মীরা সারা মন্দিরে তল্লাসি শুরু করল। কিছুক্ষণ পর তারা ফিরে এসে বলল, ‘কোনও লোক বা সন্দেহজনক কিছু তারা খুঁজে পায়নি।’

    স্বাগতরা এরপর বাইরের দিকে রওনা হল। ঘরগুলো অতিক্রম করে তারা এসে উপস্থিত হল বাইরের প্রাঙ্গণে। যেখানে ফঙের লাশটা পড়ে আছে। পুলিস কর্তার নির্দেশে তাঁর কর্মীরা কাপড় জড়িয়ে ফঙের লাশটাকে উঠিয়ে নিল। তারপর এগল সেই প্রাঙ্গণ ছেড়ে তোরণের বাইরে যাওয়ার জন্য।

    বাইরে বেরিয়ে স্বাগতরা খানিকটা অবাক হয়ে গেল। তোরণের বাইরের চত্বরে ইতিমধ্যে ছোটখাট ভিড়ের সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভবত পুলিসের গাড়ি দেখেই কোনও একটা ঘটনা ঘটেছে অনুমান করেই লোকগুলো জমা হয়েছে এখানে। স্থানীয় খামের মানুষ তারা। স্বাগতদের পিছন পিছন পুলিসকর্মীরা কাপড় জড়ানো ফঙের দেহটাকে বার করতেই উপস্থিত জনতার মধ্যে একটা গুঞ্জন উঠল।

    বাকুম বললেন, ‘দেখি এরা এই ফঙের সম্পর্কে জানে কি না?’

    তার নির্দেশ মতো ফঙের দেহটা গাড়িতে তোলার আগে চত্বরে নামানো হল। আগ্রহী জনতা দেহটাকে ঘিরে দাঁড়াল। ফঙের থ্যাঁতলানো মাথাটা গাড়িতে তোলার আগে চত্বরে নামানো হল। সেটা দেখে তাদের মধ্যে অনেকেই আঁতকে উঠল।

    বাকুম তাদের উদ্দেশে বললেন, ‘একে তোমরা চেনো?’

    ভিড়ের মধ্যে থেকে একজন বলল, ‘হ্যাঁ, চিনি। ও ফঙ, মন্দিরে গাইডের কাজ করত।’

    পুলিস কর্তা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ও কোথায় থাকত জানো? ওর বাড়ি কোথায়?’

    লোকটা জবাব দিল, ‘বিষ্ণুলোকের বাইরে বেরিয়ে এদিকে আসার পথে কিছু পুরনো ঘর আছে জঙ্গলের গায়ে। সেখানেই ও থাকত, একাই থাকত।’

    বাকুম আবারও তাকে প্রশ্ন করলেন, “তুমি আর কিছু জানো ওর ব্যাপারে?”

    লোকটা বলল, ‘না, আর কিছু জানি না। আমিও মন্দিরে ধোয়া মোছার কাজ করি। তাই ওকে চিনতাম। তবে আর তেমন কিছু ফঙের ব্যাপারে জানি না।’

    উপস্থিত অন্য কেউ আর ফঙের সম্পর্কে কিছু বলল না

    বা বলতে চাইল না। তবে লোকদের মধ্যে একজন কৌতূহলী হয়ে জানতে চাইল, “ও কীভাবে মারা গেল? ওর এমন অবস্থা কীভাবে হল?”

    বাকুম বললেন, ‘ও রাতে মন্দিরে ঢুকেছিল। তারপর ওকে এ অবস্থায় পাওয়া যায়। আমরা তদন্ত করে দেখছি ব্যাপারটা।’

    একথা শোনার পর জনতার মধ্যে আবারও একটা গুঞ্জন উঠল। একজন বলল, ‘নিশ্চয়ই ও মন্দিরের প্রেতেদের হাতে মারা পড়েছে!’

    অন্য কয়েকজন তাকে সমর্থন জানিয়ে বলল, ‘হ্যাঁ। তাই হবে নিশ্চয়ই। এই মন্দিরে পুরনো ভূত আছে।’

    লোকগুলোর মুখ থেকে ফঙের ব্যাপারে আর কোনও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ বার হবে না বুঝতে পেরে বাকুম বললেন, ‘এবার তোমরা যাও।’ লোকগুলো কিছুটা অনিচ্ছা সত্ত্বেও এগল চত্বর ত্যাগ করার জন্য। ঠিক সেই সময় অন্য একজন উঠে এল মন্দির চত্বরে। আর তাকে দেখতে পেয়েই কিম বললেন, ‘ওই ভো নারেঙ খাম এসে পড়েছেন।’

    নারেঙ সোজা এগিয়ে এসে দাঁড়াল স্বাগতদের কাছে। তারপর ফঙের শবদেহের দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠে বলল, ‘এ যে ফঙ! ওর এ অবস্থা কীভাবে হল?’

    বাকুম প্রথমে জবাব দিলেন, ‘ঠিক কীভাবে হল তা এখনও জানা যায়নি। রাতে মন্দিরে ঢুকেছিল তারপর এই ঘটনা ঘটেছে।’

    এ কথা বলে পুলিস কর্তা তাকে প্রশ্ন করল, “এই ফঙ নামের লোকটা আপনার গাইড ছিল? আপনার সঙ্গে ঘুরে বেড়াত?”

    নারেঙ জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, কিন্তু তিন দিন আগে আমি ওকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম।’

    “তাড়িয়ে দিয়েছিলেন কেন?” জানতে চাইলেন বাকুম।

    নারেঙ যে কথা স্বাগতদের বলেছিল সেই একই কথা বলল, ‘লোকটার আচরণ আমার ভালো লাগছিল না। মন্দির ঘোরাবার সময় আমাকে বানিয়ে বানিয়ে নানা মিথ্যা কথা বলত, বার বার আমার থেকে টাকা দাবি করত। লোকজনের সঙ্গে অকারণে ঝগড়া করত। তাতে আমার সম্পর্কেও লোকজনের খারাপ ধারণা তৈরি হচ্ছিল তাই।’

    এ কথা বলে নারেঙ একটু থেমে বলল, ‘তবে ও যে মারা যাবে তা আমি ভাবিনি। ওকে বিদায় করার পর এই কদিনের মধ্যে আমি আর ওকে দেখিনি।’

    বাকুম জানতে চাইলেন, ‘ও যে সব মিথ্যা কাহিনি আপনাকে শোনাচ্ছিল তার দু-একটা নমুনা বলতে পারেন?’

    একটু চুপ করে থেকে নারেঙ বলল, ‘এই যেমন এই মন্দির নগরীতে নাকি গুপ্তধন লুকানো আছে! আমি তাকে মোটা টাকা দিলে সে গুপ্তধন উদ্ধার করে দেবে, সে তার সন্ধান জানে— এইসব আজেবাজে কথাবার্তা।’ নারেঙের কথা শুনে পুলিস কর্তা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, “ওর লাশটা আমি এখন পোস্টমর্টেমের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। আপনার যারা বিদেশ থেকে এ জায়গায় এসেছেন তাদের উদ্দেশে একটা কথা বলে যাচ্ছি, আমাকে না জানিয়ে আপনারা এখনই কেউ দেশে ফিরবেন না। ব্যাপারটা দুর্ঘটনা নাকি খুন, এখনও তা স্পষ্ট নয়। তদন্তের স্বার্থে আপনাদের আমার যে কোনও সময় প্রয়োজন হতে পারে। আশা করি আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন।”

    একথা বলার পর তিনি পুলিস কর্মীদের সাহায্যে লাশটাকে ভুলে নিয়ে চত্বর ছেড়ে এগলেন গাড়িগুলোর দিকে। পুলিসের গাড়ি আর শববাহী গাড়িটা চলে যাওয়ার পর যে সব লোকজন দূরে দাঁড়িয়ে ছিল তারাও চলে যেতে শুরু করল। প্রফেসর রামমূর্তি স্থানীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধিকর্তা কিমকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এবার আমরা কী করব? কাজ চালিয়ে যাব না থামিয়ে দেব?’

    কিম বললেন, “কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। তাতে কোনও বাধা আছে বলে মনে হয় না। তবে এ ঘটনার পর স্থানীয় লোক দিয়ে কাজ করাতে আপনার সমস্যা হবে। গাইড ফঙের মৃত্যু নিয়ে নিশ্চয়ই প্রচার হবে যে ভূতেই তাকে মেরে ফেলেছে। যদি তাকে কোনও মানুষ খুন করে থাকে আর যতক্ষণ সে খুনি ধরা না পড়ছে ততক্ষণ এই ব্যাপারটাই প্রচার হতে থাকবে। জায়গাটা ছোট, তাই খবর ছড়াতে দেরি হবে না।”

    তার কথা শুনে নারেঙ খাম বলল, ‘এর মধ্যে আবার খুনের সম্ভাবনাও আছে নাকি? আমি তো ভাবলাম এটা একটা দুর্ঘটনা।’

    কিম বললেন, ‘পুলিসের সন্দেহ তেমনও হতে পারে। একটা অপ্সরার ভাঙা মুন্ডুর আঘাতেই ফঙের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। আর যে জায়গায় ওই পাথরটা পাওয়া গেছে সেটা সে জায়গায় থাকার কথা নয়।’

    প্রফেসর রামমূর্তি নারেঙকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি কি এই মন্দিরেই আসছিলেন?’

    নারেঙ বলল, ‘না, সে পরিকল্পনা ছিল না আমার। কাছের রাস্তা দিয়ে বিষ্ণু মন্দিরের উদ্দেশে যাচ্ছিলাম একজন গাইড মেলে কি না সে জন্য। দেখলাম দু’জন লোক উত্তেজিতভাবে কথা বলতে বলতে যাচ্ছে। তাদের কথা শুনে জানতে পারলাম এই মন্দিরের দিকে নাকি পুলিসের গাড়ি এসেছে। সে কথা শুনে আমি কৌতূহলী হয়ে এই মন্দিরে চলে এলাম। তারপর দেখছি এই ব্যাপার।’

    কিম এরপর রামমূর্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই তেরো নম্বর মন্দির সম্পর্কে কোনও তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছেন? কোনও দেবদেবী মূর্তি উদ্ধার করতে পারলেন?’

    প্রফেসর রামমূর্তি বললেন, ‘না, তেমন কিছুর খোঁজ পাইনি। পেলে তো তা আপনাকে সঙ্গে সঙ্গে জানাতাম।’

    নারেঙ কিমকে জিজ্ঞেস করল, ‘আপনাদের সরকারি নথিতে এই মন্দিরের ব্যাপারে কিছু উল্লেখ নেই?’

    কিম বললেন, ‘আমি তেমন কিছুর খোঁজ পাইনি। হয়তো একসময় ছিল। পলপট বাহিনী তাদের সময়কালে অনেক সরকারি নথিপত্র পুড়িয়ে দিয়েছিল। এই মন্দির সম্পর্কে কোনও সরকারি তথ্য থাকলেও সে সময় হয়তো তা পুড়ে যায়।’

    প্রফেসর রামমূর্তি এবার কিছুটা আক্ষেপের স্বরে বললেন, ‘এখানে কাজ করতে এসে ফঙের মৃত্যুর ব্যাপারটা নিয়ে ঝামেলায় পড়ে গেলাম মনে হচ্ছে!’

    সরকারি অধিকর্তা কিম প্রফেসরকে আশ্বস্ত করার ঢঙে বললেন, ‘আপনারা পুলিসের ঝামেলায় জড়িয়ে যাবেন ভাবছেন। মৃত্যুর ঘটনাটা দুর্ঘটনা বা খুন যাই হোক না কেন আপনারা তো আর তার সঙ্গে যুক্ত নন। আমি সরকারের উপর মহলে ব্যাপারটা জানিয়ে রাখছি। পুলিস যাতে আপনাদের অহেতুক বিব্রত করতে না আসে সে ব্যাপারটাও আমি দেখব। যা ঘটার তা তো ঘটেই গেছে। এ নিয়ে আর বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না। নিজেদের কাজ করুন। কোনও সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ফোন করবেন আমাকে। এবার আমি যাই।’- এ কথা বলে সবার থেকে বিদায় নিয়ে কিম এগলেন তার গাড়ির দিকে।

    তার গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার পর নারেঙ প্রফেসরকে বলল, ‘দুর্ঘটনা যখন ঘটেছে এখন আমার কিন্তু মনে হয় কটা দিনের জন্য আপনাদের কাজ বন্ধ রাখাই ভালো। আবারও হয়তো কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কয়েকটা দিন পরিস্থিতি বিচার করে দেখুন। সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলে তারপর আবার কাজ শুরু করুন। তেমন হলে সিয়েমরিপে আমি যে হোটেলে উঠেছি সেখানে ক’দিনের জন্য আপনাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারি।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘আপনার পরামর্শর জন্য ধন্যবাদ। তেমন মনে করলে আমি জানাব আপনাকে।’

    নারেঙ বলল, “ঠিক আছে, আমি এখন বিষ্ণুলোকের দিকে যাই। সাবধানে থাকবেন আপনারা। আমি আবার আপনাদের খোঁজ নিতে আসব।”

    নারেঙ চলে যাওয়ার পর প্রফেসর রামমূর্তি বললেন, ‘একটা ব্যাপারে আমি নিশ্চিত যে এই মন্দিরে কোথাও কুমির আছে বা কুমিরের আনাগোনা আছে। প্রীতম প্রাণীটাকে দেখেছে আর ফঙও মরবার আগে কুমিরের কথা বলেছে। হয়তো প্রাণীটা মন্দিরের কোথাও লুকিয়ে আছে। আমরা তার সন্ধান পাচ্ছি না। রাত নামলে সে বাইরে বেরিয়ে আসে। কাজেই আমাকে না জানিয়ে একলা কেউ মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করবে না। আর রাতে কেউ একলা বাইরে বেরবে না। কুমিরের মুখোমুখি পড়ে গেলে অঘটন ঘটতে পারে।’

    বিক্রম বলল, ‘কিন্তু এখানে কীভাবে কুমিরের আগমন ঘটল বলুন তো?’

    প্রফেসর রামমূর্তি কিছু ভেবে নিয়ে বললেন, ‘এখানে তো অনেক কুমির খামার আছে। এমনও হতে পারে কোনওভাবে সেসব জায়গা থেকে পালিয়ে কোনও ভাবে কুমিরটা মন্দির নগরীতে এসে আশ্রয় নিয়েছে। আবার এমনও হতে পারে কোনও খামার মালিক বা অন্য কোনও লোক কোনও কারণে কুমিরটাকে এখানে এনেছিল। তা ওর মাংস খাওয়ার জন্যও হতে পরে। তারপর কোনও কারণে কুমিরটাকে তারা ছেড়ে দেয় বা কুমিরটা পালায়। এই সম্ভাবনার কথাগুলোই আমার মাথায় আসছে এখন। খামের রাজাদের সময় বিষ্ণুলোকের পরিখাতে যে কুমিররা ছাড়া থাকত এই কুমিরটা তাদের বংশধর এই ব্যাপারটার সম্ভবনাও হয়তো বা কিঞ্চিত আছে।’

    নাতাশা পুলিস আমার পর নিজের ঘরে ফিরে গিয়েছিল। এবার সে বাইরে বেরিয়ে স্বাগতদের কাছে উপস্থিত হল। তারপর সে প্রফেসরকে বলল, ‘সব তো মিটল। এবার আমার ফেরার ব্যবস্থা করে দিন। আমার এখানে থাকতে খুব ভয় লাগছে।’

    প্রফেসর রামমূর্তি নাতাশাকে বললেন, ‘আমাদের কারও দেশে ফেরার ইচ্ছা হলেও আমরা এখন কেউ দেশে ফিরতে পারব না। পুলিস আমাদের তেমনই নির্দেশ দিয়ে গেছে।’

    ‘পুলিস এমন নির্দেশ দিয়ে গেল কেন?’ জানতে চাইল নাতাশা।

    রামমূর্তি স্যর সংক্ষেপে কারণটা ব্যাখ্যা করলেন তাকে। ফঙ খুনও হয়ে থাকতে পারে এমন সম্ভাবনার কথা শুনে নাতাশার মুখ আরও ফ্যাকাশে হয়ে গেল। সুরভী তার মনে সাহস যোগাবার জন্য বলল, ‘আমরা এতজন একসঙ্গে আছি তোমার এত ভয় পাওয়ার কারণ নেই। মনে সাহস রাখ।’

    নাতাশা বিড়বিড় করে বলল, ‘আমি আর মন্দিরে ঢুকব না। প্রফেসর তাকে আশ্বস্ত করে বললেন, “ঠিক আছে তোমার মন্দিরে ঢোকার দরকার নেই।’

    ভোরের আলো ফোটার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘরের বাইরে বেরিয়ে পড়েছিল স্বাগতরা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় কেটে গেছে। মজুর সর্দার হেকুম এবার চত্বরে এসে উপস্থিত হল। তার মুখে উত্তেজনার ছাপ দেখে স্বাগত বুঝতে পারল ইতিমধ্যে পথেই যে ঘটনাটা শুনে ফেলেছ। যে তাদের কাছে উপস্থিত হয়ে বলল, ‘ঘটনাটা কি সত্যি? গাইড ফঙ মন্দিরের মধ্যে মারা গেছে?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }