Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩০

    পর্ব ৩০

    যুবতী বলল, ‘এমন যে কিছু ঘটবে তা আমি অনুমান করেছিলাম, সে জন্যই তোমাকে রাতে না বেরবার অনুরোধ করেছিলাম।’

    স্বাগত বিস্মিতভাবে বলল, “তুমি জানতে এমন কিছু ঘটতে পারে? কীভাবে জানলে?”

    সে উত্তর দিল, ‘হয়তো বা আরও ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে চলেছে। তবে কী ঘটতে পারে, কেন ঘটতে পারে, তা এখনই তোমাকে আমি জানাতে পারব না। তবে আমাকে হয়তো তোমাকে জানাতে হবে সে কথা। তবে এখন নয়।’

    প্রফেসর রামমূর্তি মন্দির সম্পর্কিত ব্যাপারে কোনও বিষয় বাইরের লোককে বলতে নিষেধ করেছেন। তবু আজ স্বাগত তার মনের ভিতর ঘুরপাক খেতে থাকা দুটো কথা তাকে জিজ্ঞেস করে বসল, ‘তুমি তো আমাদের মন্দির সম্পর্কে অনেক কথা জানো। ওই মন্দিরে যে ভাণ্ডধারী শূদ্র ব্রাহ্মণদের মূর্তি আছে সেই ভাণ্ডগুলোর মধ্যে কী ছিল? কোনও মণিমাণিক্য? হীরা জহরত? ওই ভাণ্ডগুলো কি মন্দিরে এখনও রাখা আছে?’

    প্রশ্ন শুনে খামের সুন্দরী কয়েক মুহূর্ত স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল তার দিকে। তারপর বলল, “ওই ভাণ্ডগুলোতে কী বহন করা হতো সে কথা আমি জানলেও এখন বলতে পারব না। তবে একটা কথা বলি, আমি যে কাহিনি তোমাকে শোনাচ্ছি তার সঙ্গে ওই ভাণ্ডগুলোর সম্পর্ক আছে। আমি জানি না, কাহিনির শেষ পর্যন্ত পৌঁছতে পারব কি না? তোমাকে ওই ভাণ্ডগুলোর ব্যাপারে জানাতে পারব কি না?”

    স্বাগত বলল, ‘এমন কথা বলছ কেন?’

    যুবতী বলল, ‘হয়তো বা কাহিনি শেষ করার আগেই কোনও ভয়ঙ্কর বিপদ ঘটল মন্দির নগরীতে। আমার সঙ্গে আর তোমার দেখাই হল না।’

    স্বাগতর মনে হল সে যদি এখন ওই নারীকে জিজ্ঞেস করে যে ভয়ঙ্কর বিপদটা কী? তবে এ প্রশ্নর জবাব সে পাবে না। তাই সে আর প্রশ্ন না করে বলল, ‘এবার তুমি তোমার গল্পটা শুরু কর।’

    খামের সুন্দরী বলল, ‘হ্যাঁ, সেটাই বলি।’ কিছুটা তফাতে একটা প্রস্তর খণ্ডর ওপর বসল যুবতী। তারপর একটু চুপ করে থেকে বলতে শুরু করল—

    “জম্মুদ্বীপ দেশীয় বাস্তুকার যুবক নর্তকীকে সেই পরিত্যক্ত মন্দিরে তার নাচ দেখার আগ্রহ প্রকাশ করে ফিরে এল। চম্পাও ফিরে এল তার ঘরে। সারা রাত তার ঘুম এল না। যুবকের প্রতি অমোঘ আকর্ষণ অনুভব করতে শুরু করেছে সে। সেই আকর্ষণ যুবক বহ্নি তার প্রাণ রক্ষা করেছে বলে শুধু নয়। চম্পা অনুভব করতে লাগল অন্য এক আকর্ষণ। যা ইতিপূর্বে সে আগে কোনও দিন অনুভব করেনি। যে অমোঘ আকর্ষণ নারী-পুরুষের মধ্যে সৃষ্টির জন্মলগ্ন থেকে চলে

    নিজের কক্ষ ত্যাগ করে চম্পা গিয়ে উপস্থিত হল গর্ভগৃহর সামনে। দ্বিপ্রহরের পর থেকে বিকাল পর্যন্ত। গর্ভগৃহে লোকজনের আনাগোনা তেমন হয় না। পুরোহিতরাও এ সময় বিশ্রাম নিতে যান।

    আসছে সেই আকর্ষণ। আবার সে এ কথাও ভাবতে লাগল যে রাজা ধরণীন্দ্রবর্মণের বিষ্ণু মন্দিরের আশ্রিতা সে। রাজা বা মন্দিরের কেউ যদি জানতে পারে যে সে ওই মন্দিরে একাকী ভিনদেশি যুবককে নৃত্য পরিবেশন করেছে তবে কোনও অমঙ্গল ঘটবে না তো? রাজরোষ বা পুরোহিতদের রোষানলে পড়বে না তো সে? সারারাত এই দোলাচলের মধ্যে কাটল চম্পার। একদিকে বহ্নি নামক যুবকের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আবার অন্যদিকে রাজা বা পুরোহিতদের রোষানলে পড়ার ভয়। চম্পা বুঝে উঠতে পারছিল না তার কী করা উচিত?

    ভোর হল একসময়। প্রতিদিনের মতোই সে কাননে পুষ্প চয়ন করতে বেরল। সে দেখতে পেল রাজপথ ধরে রক্ষী পরিবৃত এক সারি অশ্বশকট যাচ্ছে। শকটগুলোর মধ্যে একটা শকট স্বর্ণ নির্মিত। তাকে ঘিরে চলছে পতাকাবাহকরা। রাজা ধরণীন্দ্রের পতাকা। স্বর্ণ নির্মিত রথ চম্পার চেনা। মহারাজ ধরণীন্দ্রের শকট। ভোরবেলা কোথায় চলেছেন তিনি? একজনকে জিজ্ঞেস করে চম্পা জানতে পারল মহারাজ চলেছেন নির্মীয়মান নগরী পরিদর্শনে। সে স্থানে দু’দিন অতিবাহিত করে তারপর তিনি ফিরবেন মন্দির নগরীতে। এ কথা জানার সঙ্গে সঙ্গেই চম্পার মনে হল, অর্থাৎ এ দিন সন্ধ্যায় তার মন্দিরে সন্ধ্যারতির সময় ডাক আসার সম্ভাবনা নেই। বিকালে সে যেতেই পারে সেই নির্জন মন্দিরে ভিনদেশি যুবকের আহ্বানে। কিন্তু তবুও সে সিদ্ধান্ত নিতে পারল না। সূর্য ক্রমশ মাথার ওপরে উঠতে শুরু করল। দুপুরও হল এক সময়। এরপর বিকাল হবে। দ্বন্দ্ব চলছে চম্পার মনে। এক সময় তার মনে হল সে মন্দিরের বিগ্রহর সামনে গিয়ে বসলে হয়তো তার মন শান্ত হবে। তারপর সে সিদ্ধান্ত নেবে কী করবে?

    নিজের কক্ষ ত্যাগ করে চম্পা গিয়ে উপস্থিত হল গর্ভগৃহর সামনে। দ্বিপ্রহরের পর থেকে বিকাল পর্যন্ত গর্ভগৃহে লোকজনের আনাগোনা তেমন হয় না। পুরোহিতরাও এ সময় বিশ্রাম নিতে যান। তারপর বিকাল হলে সবাই সে স্থানে ধীরে ধীরে উপস্থিত হয় সন্ধ্যারতির প্রস্তুতির জন্য। এদিনও গর্ভগৃহ প্রাঙ্গণে কেউ নেই। কক্ষের মধ্যে একাকী দণ্ডায়মান ফুলমালা শোভিত শঙ্খ চক্র গদা-পদ্মধারী দেবতা। প্রদীপের আলোয় ঝলমল করছে মূল্যবান পাথর খচিত তার অলঙ্কার। চৌকাঠের সামনে দেবতার উদ্দেশে হাঁটু মুড়ে বসল চম্পা। তারপর চোখ মুদে দেবতার উদ্দেশে বলল, ‘ভগবান তুমি সব জানো। তুমি আমাকে বলে দাও আমার কী করা উচিত?’ এ কথা দেবতার উদ্দেশে বলার পর চোখ মুদে মনকে শান্ত করার জন্য বসে ছিল সে। কিন্তু হঠাৎই তার প্রণামের ভঙ্গিতে জড়ো করা হাতের ওপর নরম কী যেন একটা এসে পড়ল! চোখ খুলে সে দেখল সেটা একটা পদ্ম। ভগবান বিষ্ণুর গলায় যে পদ্মফুলের মালা পরানো আছে তার থেকেই একটা পদ্মফুল এসে পড়েছে হাতে। দেবতার মুখমণ্ডলের দিকে তাকিয়ে চম্পার মনে এক অদ্ভুত অনুভূতি হল! তার যেন মনে হল দেবতা তার দিকে চেয়ে হাসছেন? যেন তিনি বলছেন তোমার ইচ্ছা পূর্ণ হোক। তবে কি দেবতা নিজেই তার দিকে ফুল ছুঁড়ে দিলেন, আশীর্বাদ করলেন? হ্যাঁ, সে কথাই মনে হল চম্পার। বাইরে দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে আসছে। এরপর আর চম্পা সেখানে দাঁড়াল না। দেবতাকে প্রণাম জানিয়ে পদ্মফুলটা বুকে নিয়ে গর্ভ মন্দির ত্যাগ করে নিজের কক্ষে ফিরে এল সে। তারপর নৃত্য প্রদর্শনের জন্য উপযুক্ত পোশাক, ঘুঙুর আর সেই পদ্মফুল নিয়ে রওনা হল মন্দিরের উদ্দেশে।

    মন্দিরের সামনে পৌঁছেই সে দেখল তোরণের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বহ্নি। সে যেন তারই জন্য প্রতীক্ষা করছিল। চম্পা তার সামনে উপস্থিত হয়ে তাকে প্রথাগতভাবে নমস্কার করতেই বহ্নি হেসে বলল, ‘আমি জানতাম অপরূপা তুমি আমাকে প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না। তুমি আসবে।’ চম্পা তার কথা শুনে লজ্জাবোধ করল, ‘সে বলল, ‘চল ভিতরে যাই। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকলে কেউ আমাদের দেখে ফেলতে পারে।’

    চম্পাকে নিয়ে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করল বহ্নি। মন্দিরের ভিতর দাঁড়িয়ে আছে অপূর্ব সব অপ্সরাদের মূর্তি। তবে কয়েকটা মূর্তি যে আঘাতপ্রাপ্ত তাও তার চোখে পড়ল। বহ্নি তাকে বলল, ‘চামেদের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত এ মন্দিরের মূর্তি অলঙ্করণগুলোকে আবার নবরূপে সাজিয়ে তুলছি আমি। এ মন্দিরে যে বিগ্রহ ছিল তা চামেরা লুণ্ঠন করে নিয়ে গেছে। এই মন্দির প্রাসাদ নতুন করে সেজে ওঠার পর মহারাজ এখানে নতুন বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করবেন, হয়তো বা সভাসদদের কাউকে এই মন্দির প্রাসাদ উপহার দেবেন।’

    চম্পা জানতে চাইল, ‘এত বড় মন্দির প্রাসাদ তুমি একাকী কীভাবে সাজিয়ে তুলবে। তা কি সম্ভব?’

    বহ্নি জবাব দিল, ‘না, একাকী নয়। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই একদল শ্রমিক-ভাস্কর এ স্থানে এসে উপস্থিত হয়। আমার নির্দেশমতো তারা কাজ করে বিকালের আগেই ফিরে যায়। তারপর আমি একাকী থাকি এখানে। কাজের পরিকল্পনা রচনা করি বা একাকী কাজ করি। তারপর সন্ধ্যা নামলে রাজপ্রাসাদের নিকটে আমার বাসস্থানে ফিরে যাই।’

    কথা বলতে বলতে তারা দু’জন উপস্থিত হল মন্দিরের ভিতরের অংশের প্রাঙ্গণে। যেখানে একটা স্তম্ভযুক্ত বেদী দেখতে পেল চম্পা। নৃত্য বেদী। যেখানে নৃত্য পরিবেশন করত নতর্কীরা। বেদীর পিছনের অংশে কয়েকটি কক্ষও রয়েছে। বেদী থেকে একটা ক্ষুদ্র সাঁকোও সংযুক্ত আছে কক্ষগুলোর সঙ্গে। কক্ষ থেকে যে পথ বেয়ে নর্তকীরা মর্তে যাওয়া আসা করত। সেই কক্ষগুলো দেখিয়ে ভাস্কর বহ্নি বলল, ‘ওই কক্ষে গিয়ে তুমি উপযুক্ত সাজ গ্রহণ করতে আমি পার, তোমার জন্য প্রতীক্ষা করছি।’”

    খামের যুবতি এ পর্যন্ত কথা বলে একটু থামল। সে সুযোগে স্বাগত তাকে প্রশ্ন করল, ‘কই, আমাদের মন্দিরে তেমন কোনও নৃত্যমঞ্চের অস্তিত্ব নেই তো?’

    খামের যুবতী বলল, ‘না, তা আর আজ নেই। ধরণীন্দ্রবর্মণের আমলেই বিশেষ কারণবশত পরবর্তীকালে ওই মন্দিরের অনেক পরিবর্তন সাধন করা হয়। ওই মঞ্চসহ বেশ কিছু স্থান ভেঙে ফেলা হয়, কিছু মূর্তি সরিয়ে নিয়ে গিয়ে নতুন মূর্তি রচনা করা হয়। মহারাজের নির্দেশে সে কাজ করেছিল বাস্তুকার বহ্নি।’

    এ কথা বলার পর আবার তার কাহিনিতে ফিরে এল খামের যুবতী—

    “কিছুক্ষণের মধ্যেই নাচের পোশাকে সজ্জিত হয়ে সাঁকো বেয়ে নৃত্যমঞ্চে উপস্থিত হল নর্তকী চম্পা। বেলা শেষের সূর্যের আভা তখন এসে পড়েছে নৃত্যমঞ্চে। চম্পার হাতে ধরা সেই পদ্মফুল। ভগবান বিষ্ণুকে যে নৃত্যভঙ্গিতে নর্তকীরা পুষ্প নিবেদন করছে এইরূপ নৃত্যশৈলীতে যেন চম্পা বাস্তুকারকেও পুষ্প নিবেদন করছে। এমন নৃত্যশৈলীতে নৃত্য পরিবেশন করতে শুরু করল চম্পা। তার ঘুঙুরের শব্দ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে লাগল সেই নির্জন মন্দির চত্বরে। মঞ্চের সামনে পাথরের আসনে বসে অপলক দৃষ্টিতে সেই নৃত্য প্রত্যক্ষ করতে লাগল ভিনদেশি যুবক বহ্নি। একের পর এক নৃত্য পরিবেশন করে চলল নর্তকী চম্পা। নৃত্যকলা সম্পর্কে তার যতটুকু জানা আছে, যতটুকু দক্ষতা আছে তার সব কিছু যেন উজাড় করে ঢেলে দিতে লাগল যুবকের উদ্দেশে। তার সেই নৃত্য দেখে সবার অলক্ষে যেন ভগবান বিষ্ণুও হাসলেন। চম্পা যখন নৃত্য শেষ করল তখন বিষ্ণুলোকের আড়ালে সূর্য অস্তমিত হয়েছে। বাকরুদ্ধ বহ্নি। তার মনে হতে লাগল এতক্ষণ যার নৃত্য দেখল সে কোনও মানবী নয়, স্বর্গ থেকে নেমে আসা কোনও অপ্সরা যেন তার সামনে নৃত্য প্রদর্শন করল। গোধূলির শেষ আলোটুকু তখনও মুছে যায়নি। মঞ্চ থেকে নেমে চম্পা সেই পদ্মফুলটা তুলে দিল ভাস্করের হাতে।

    সংবিৎ ফিরে পেতে বেশ কিছুটা সময় লাগল বহ্নির। তারপর সে বলল, ‘তুমি কি সত্যি কোনও রক্ত মাংসের মানবী নাকি অপ্সরা বা যক্ষী? মানবীর শরীর ধারণ করে আমার সামনে উপস্থিত হয়েছ?’

    চম্পা বলল, ‘আমি অতি সামান্য এক নর্তকী। অপ্সরা হলে কি আমি নাগপাশ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারতাম না? তাদের অনেক ভগবান প্রদত্ত ক্ষমতা থাকে। প্রেত-যক্ষী-স্বর্গের অপ্সরা আমি কোনওটাই নই। আমি একজন রক্ত মাংসর নারী, আপনি তো আমাকে সর্পের কবল থেকে রক্ষা করার পর স্পর্শ করে দেখেছেন। প্রয়োজনে আবার স্পর্শ করে দেখুন আমি রক্ত মাংসের মানুষ কি না?’

    শেষ বাক্যটা নেহাতই কথার কথা বলেছিল চম্পা। কিন্তু যুবক বহ্নি চম্পার হাত দুটো স্পর্শ করল। সেই স্পর্শে যেন শিহরন খেলে গেল চম্পার শরীরে। হয়তো বা একই ঘটনা ঘটল বহ্নির ক্ষেত্রেও। পরস্পরের হাত ধরে বেশ কিছুক্ষণ অপলক দৃষ্টিতে পরস্পরের দিকে চেয়ে রইল তারা। যখন অন্ধকার নামল তখন সংবিৎ ফিরল তাদের।

    চম্পা বলল, ‘এবার আমাকে ফিরতে হবে।’

    কিছুক্ষণের মধ্যে মন্দির ত্যাগ করল চম্পা। অন্ধকার পথে তাকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য বহ্নি চলল তার সঙ্গে। ওই মন্দিরের পশ্চাৎভাগ থেকে একটা সড়ক ছিল, সে পথেই চলল তারা। সে সময় বিষ্ণুলোকের সঙ্গে কাছাকাছি মন্দির প্রাসাদগুলো পাথুড়ে সড়ক দিয়ে সংযুক্ত ছিল। আর মন্দিরগুলোর সম্মুখ ভাগে প্রধান সড়ক তো ছিলই। রাত্রিকালে প্রধান সড়ক মশালের আলোতে উজ্জ্বল থাকত। শকট, লোকজন চলাচল করত। নির্জনতার কারণেই, লোকজনের চোখে ধরা পড়ার সম্ভাবনা কম বলে সে পথ ধরেই এগল তারা দু’জন…।”

    এ পর্যন্ত শোনার পর স্বাগত বলল, ‘বিষ্ণুলোকের শীর্ষদেশের এক কক্ষ থেকে জঙ্গলের মধ্যে থেকে মাথার সিঁথির মতো অমন একটা পথে আমাদের মন্দিরের দিকে এগতে দেখেছি।’

    যুবতী বলল, ‘হ্যাঁ, ওই সেই প্রাচীন পথ। যা গিয়ে

    যুবতী একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘পশ্চাৎভাগে মন্দিরে প্রবেশের ওই পথ মহারাজের সময় পাথর গেঁথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে সে পাথর খসে গিয়ে মন্দিরে প্রবেশের পথ সৃষ্টি হয়েছে।

    মন্দিরের পশ্চাৎভাগে শেষ হয়েছে। যদিও স্থানে স্থানে আজ মুছে গেছে।’

    স্বাগত জিজ্ঞেস করল, ‘ও পথ দিয়ে এখনও মন্দিরে প্রবেশ করা যায় নাকি?’

    যুবতী একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘পশ্চাৎভাগে মন্দিরে প্রবেশের ওই পথ মহারাজের সময় পাথর গেঁথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে সে পাথর খসে গিয়ে মন্দিরে প্রবেশের পথ সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঝোঁপ জঙ্গল আর পাথর খণ্ডের ওই পথ দিয়ে তুমি কখনও মন্দিরে প্রবেশের চেষ্টা করো না। তাতে তোমার বিপদ হতে পারে। ওই প্রাচীন প্রবেশমুখের ভিতর সাপ থাকতে পারে, মাথার ওপর থেকে পাথর খসে পড়তে পারে, সে পথ অন্ধকার, আর তাছাড়া…।’ এই বলে থামল সে।

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘তাছাড়া আর কী?’

    এ প্রশ্নের জবাব না দিয়ে খামের যুবতী বলল, ‘ও পথ তোমার পক্ষে বিপদজ্জনক। তাই তোমাকে সাবধান করে দিলাম।’ এরপর স্বাগতকে আর প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়ে খামের যুবতী আবার ফিরে এল তার মূল কাহিনিতে— ‘তারা দু’জন সেই নির্জন পথ ধরে হাঁটতে লাগল। নিজেদের জীবন সম্পর্কে তারা কথা বিনিময় করতে লাগল। বহি তাকে জানাল তার পিতা-মাতা কেউ জীবিত নেই। তাই তার পিছুটান নেই বলে সমুদ্রপথ অতিক্রম করে এত দূরে সে উপস্থিত হয়েছে অর্থ উপার্জনের জন্য। সে অবিবাহিত। ইচ্ছা আছে এ স্থান থেকে অর্থ উপার্জন করে জম্বুদ্বীপে ফিরে গিয়ে তারপর বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হবে সে।

    চম্পা জানতে চাইল, ‘নিজ দেশে কি বিবাহর জন্য তোমার কন্যা নির্বাচন করা আছে?’

    বহ্নি বলল, ‘না, তেমন কেউ তো নির্বাচন করা ছিল না। তবে…।’

    ‘তবে কী?’ জানতে চাইল চম্পা।

    জবাব না দিয়ে বহ্নি শুধু হাসল।

    এক সময় পথ শেষ হয়ে গেল। বিষ্ণুলোকের বাইরের প্রাকারের প্রদীপ মালাগুলো দেখা যেতে লাগল। চম্পাকে এবার বিদায় নিতে হবে। ঠিক সেই সময় বহ্নি বলল, ‘তুমি আমাকে নৃত্য প্রদর্শন করলে, কিন্তু কোনও উপহার তো তোমাকে দেওয়া হল না।’

    চম্পা জবাব দিল, ‘আমি তো কোনও উপহারের প্রত্যাশায় নৃত্য প্রদর্শন করিনি। উপহারের আমার প্রয়োজন নেই। অন্য নতর্কীদের মতো অলঙ্কার বা স্বর্ণমুদ্রায় আমার কোনও আকর্ষণ নেই। আমার ফুল মালাই ভালো।”

    চম্পার নির্লোভ ব্যবহারে খুশি হল বহ্নি। বিদায় মুহূর্তে বহ্নি বলল, ‘আমি কিন্তু আবারও তোমার প্রতীক্ষায় রইলাম।’

    বহ্নির কথার জবাবে নতর্কী চম্পা বলল, ‘আমি আবার আসব।’

    সে রাতে ঘরে ফিরে চম্পার ঘুম হল না। বহ্নির স্পর্শ যেন চম্পার হাতে লেগে আছে। নিজের অঙ্গুলি চুম্বন করতে লাগল চম্পা। আর বহ্নিও চম্পার উপহার দেওয়া পদ্মফুল বুকে জড়িয়ে বিনিদ্র রজনী যাপন করতে লাগল।

    বহ্নির অমোঘ আকর্ষণে পরদিন আবারও মন্দিরে গিয়ে উপস্থিত হল চম্পা। আবারও সে নৃত্য পরিবেশন করল। মোহিত হয়ে তা প্রত্যক্ষ করল বহ্নি। দু’জনের পরিচিতি পরিণত হল গভীর প্রেমে। পতঙ্গ যেমন বহ্নির দিকে প্রবল আকর্ষণে ধাবিত হয় তেমনই সবার অলক্ষে মিলিত হতে লাগল তারা দুই জন।

    একদিন বহ্নি চম্পাকে বলল, ‘এতদিন হয়ে গেল তুমি তো আমার থেকে কোনও দিন কোনও উপহার গ্রহণ কর না। তবে আমি ভেবেছি তোমাকে এমন উপহার দেব যা তুমি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না।

    মানুষ তো অমর নয়, এই পৃথিবী ছেড়ে আমাদের একদিন চলে যেতে হবে। কিন্তু সেই উপহার যুগ যুগ ধরে রয়ে যাবে। হাজার বছর পরও তার মধ্যে বেঁচে থাকবে আমাদের ভালোবাসা।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }