Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩১

    পর্ব ৩১

    তর্কী চম্পা জানতে চাইল, ‘কী সেই উপহার?’

    বহ্নি তার বাহু আলিঙ্গন করে বলল, ‘এখনই তা তোমাকে বলব না। তাতে তোমার উপহার সম্পর্কে বিস্ময় নষ্ট হবে।’—একটানা কথাগুলো বলে থামল খামের যুবতী। তারপর বিষ্ণুলোকের দিকে তাকাল। সূর্য অদৃশ্য হতে চলেছে তার আড়ালে। স্বাগতও আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখল খণ্ড খণ্ড মেঘগুলো যেন পরস্পরের দিকে মিলিত হওয়ার জন্য এগচ্ছে। অর্থাৎ বৃষ্টি নামবে।

    খামের সুন্দরী স্বাগতকে বলল, ‘তুমি হয়তো ভাবছ আমি এত বিস্তৃতভাবে এ কাহিনি বলছি কেন? আসলে এ কাহিনি আমি হয়তো আর কোনওদিন কাউকে শোনাব না। তাই বিস্তৃত বলার লোভ সংবরণ করতে পারছি না। আর তাছাড়া…।’ বাক্যটা শেষ না করেই থেমে গেল সে।

    ‘ —তাছাড়া কী?’

    খামের যুবতী যেমন অনেক প্রশ্নর জবাব রহস্যময়ভাবে এড়িয়ে যায় তেমনই তার অসম্পূর্ণ বাক্যটা আর প্রকাশ করল না স্বাগতর কাছে। সে আবার তার কাহিনি বলতে শুরু করল-

    “—সময় এগিয়ে চলল। ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে ধরণীন্দ্রবর্মনের নতুন রাজধানী। তার রাজ্যে শান্তি বিরাজমান। রাজকার্য থেকে অবসর মিললে দিনের শেষে আগের মতোই মহারাজ মন্দিরে যান সন্ধ্যারতির সময়। চম্পা ও অন্য নর্তকীরা তাঁর সামনে নৃত্য পরিবেশন করে। যদিও চম্পার মন সে সময়ও পড়ে থাকে অন্য একজনের প্রতি। ভাস্কর বাস্তুকার বহ্নিও চামেদের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরটাকে নবরূপ দান করে চলেছে। কিন্তু শত কাজের মধ্যেও তার মন পড়ে থাকে চম্পার কাছে। এমন দিন। অনেক সময় হয় যেদিন হয়তো মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন বাস্তুকার ভাস্করকে তার নির্মীয়মাণ রাজধানীতে কোনও কর্ম উপলক্ষ্যে পাঠিয়ে দিলেন। অথবা মন্দিরে নৃত্যগীতের বিশেষ কোনও অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে চম্পা তার প্রেমিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারল না। সেদিন তাদের দু’জনের মনই আর কোনও বাধা মানতে চাইত না। মনে হতো সব কিছু ফেলে যেন তারা পরস্পরের কাছে ছুটে যায়। মনে হতো কত যুগ যেন তাদের মধ্যে সাক্ষাৎ হয়নি। এভাবেই প্রেম-বিরহে অতিক্রান্ত হচ্ছিল তাদের সময়।

    মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন যেমন সন্ধ্যারতি দেখতে মন্দিরে আসেন তেমনই একদিন সন্ধ্যাকালে মন্দিরে এলেন। মহারাজের সঙ্গে তাঁর সভাসদরাও মন্দিরে আসেন। তাদের চম্পার মুখ পরিচিত। কিন্তু এদিন মহারাজের সঙ্গে যুবা বয়সি এক ব্যক্তি নৃত্য দেখতে এলেন যাঁকে ইতিপূর্বে চম্পা কোনওদিন দেখেনি। মেঘের মতো তাঁর গায়ের রং, অত্যন্ত বলশালী চেহারা শুধু নয়, তাঁর মধ্যে একটা কাঠিন্য আছে। চোখের দৃষ্টিও অত্যন্ত তীক্ষ্ণ, যেন অন্তরভেদী সেই দৃষ্টি। তাঁর গায়ের মূল্যবান বস্তু ও স্বর্ণালঙ্কার দেখে চম্পা অনুমান করল ওই ব্যক্তি কোনও প্রভাবপ্রতিপত্তিশালী ব্যক্তি। যাইহোক নির্দিষ্ট সময় চম্পা তার নৃত্য পরিবেশন শুরু করল। নাচতে নাচতে সে খেয়াল করল সেই নবাগত ব্যক্তি যেন অদ্ভুত অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন তার দিকে। একসময় তার নাচ শেষ হল। মহারাজা ধরণীন্দ্রবর্মন তাঁর সভাসদদের নিয়ে গর্ভগৃহ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করলেন। মহারাজ মন্দির ত্যাগ করার পর নর্তকীরাও একে একে মন্দির ত্যাগ করতে লাগল। নৃত্য প্রদর্শন করলেও চম্পার মন এদিন বিষণ্ণ ছিল বহ্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ না করতে পারার কারণে। তারই কথা ভাবতে ভাবতে মাথা নিচু করে মন্দির তোরণ অতিক্রম করতে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় তার সামনে এসে উপস্থিত হল এক ব্যক্তি। চম্পা মাথা তুলে তাকিয়ে দেখল তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে সেই কৃষ্ণবর্ণের ব্যক্তি যে কিছুক্ষণ আগে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মনের পাশে বসে তার নৃত্য দেখছিলেন। চম্পার মনে হল সেই অভিজাত ব্যক্তি যেন তার জন্যই চলে না গিয়ে মন্দির তোরণে প্রতীক্ষা করছিলেন। চম্পা প্রথাগতভাবে হাত জোড় করে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণাম জানাল। সেই ব্যক্তি কর্কশ স্বরে প্রশ্ন করলেন, ‘তুই আমাকে চিনিস?’

    চম্পা মাথা নেড়ে বলল, ‘না।’

    সেই ব্যক্তি এরপর বললেন, ‘এমনিতে আমি এই মন্দিরে সন্ধ্যারতি দেখতে আসি না। আজ মহারাজ তাঁর সঙ্গী হতে আমাকে অনুরোধ করেছিলেন, তাই আমি এখানে এসেছিলাম। তবে তোর নৃত্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। রাজ পার্ষদদের মুখে শুনেছি তুই নাকি এ মন্দিরের শ্রেষ্ঠ নর্তকী। তোকে আমি এই স্বর্ণ মুদ্রা পুরস্কার দিলাম। এরপর তিনি একটা স্বর্ণ মুদ্রা তর্জনী আর বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে তুলে ধরলেন চম্পাকে দেওয়ার জন্য। চম্পা প্রথমে বুঝে উঠতে পারল না। এই অপরিচিত ব্যক্তির থেকে স্বর্ণমুদ্রা গ্রহণ করা উচিত হবে কি না। তাই সে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। লোকটা এরপর তাঁর আত্মপরিচয় দান করে বললেন, “তুই হয়তো জানিস না আমি একজন রাজপার্ষদ। নে মুদ্রাটা নে।’

    এবার আর তাঁকে প্রত্যাখ্যান করতে পারল না চম্পা। মুদ্রাটা গ্রহণ না করলে তাঁকে অপমানিত করা হবে। হয়তো সে কারণে এই রাজপার্ষদ মহারাজের কাছে অভিযোগও জানাতে পারেন। মহারাজ শাস্তি দিতে পারেন চম্পাকে। সে সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে চম্পা অঞ্জলি পাতল। লোকটা মুদ্রাটা ছুঁড়ে দিলেন চম্পার হাতে। তারপর বললেন, ‘আমার নাম উগ্রদেব।’ এ কথা বলে তিনি আর দাঁড়ালেন না। তোরণের ঠিক বাইরেই রথ প্রস্তুত ছিল। কয়েকজন ব্যক্তিগত দেহরক্ষীও ছিল। তাদের নিয়ে তিনি অন্যত্র রওনা হলেন।

    একদিন সাক্ষাৎ না হলেই সেদিনকে কেমন অতিবাহিত করেছে তা পরস্পরকে জিজ্ঞেস করে বহ্নি আর চম্পা। পরদিন যখন তাদের দু’জনের সাক্ষাৎ হল তখন বহ্নির প্রশ্নের জবাবে চম্পা তার স্বর্ণমুদ্রা গ্রহণের ঘটনাটা ব্যক্ত করল। তারপর সে বহ্নিকে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি ওই রাজপার্ষদ উগ্রদেবকে চেন? তাঁর সঙ্গে তোমার পরিচয় আছে? কেমন যেন কর্কশ দেখতে ওই যুবা পুরুষকে।’

    বহ্নি বলল, ‘আমি দেখেছি তাঁকে। কিন্তু বাক্যালাপের তেমন সুযোগ ঘটেনি। কারণ নিতান্ত প্রয়োজন না হলে রাজসভাতে তিনি নিত্যদিন উপস্থিত থাকেন না। নিজ প্রাসাদ মন্দিরেই থাকেন। তিনি নিজে শুধু রাজপার্ষদই নন, আর এক প্রবীণ রাজপার্ষদ বিরুচের জামাতা তিনি। তবে আমি খেয়াল করে দেখেছি সভাকক্ষে উগ্রদেব উপস্থিত হলে মহারাজ তাকে বিশেষ সমাদর করে চলেন। তাঁর ইচ্ছা পূরণের চেষ্টা করে চলেন।’

    ‘এর কারণ কী?’ জানতে চাইল চম্পা।

    বহ্নি বেশ কয়েক বৎসরকাল সময় এই মন্দির নগরীতে আছে। রাজসভাতেও বহুদিন তার যাওয়া আসা আছে। নানান লোকের সঙ্গে তার পরিচয়। সূর্যবর্মনের মৃত্যুর পর হরিদেবের মৃত্যুর ঘটনা, ধরণীন্দ্রবর্মনের সিংহাসন লাভের ঘটনা, এমনকী হরিদেবের মৃত্যুর পিছনে যে কোনও রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে সে আশঙ্কার কথাও ধরণীন্দ্রবর্মন লোকমুখে শুনেছে। সেই কথাগুলো বহ্নি ব্যক্ত করল চম্পাকে। তারপর বলল, ‘আমি এও শুনেছি যে উগ্রদেবকে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন তাঁর পার্ষদদের মধ্যে স্থান দিয়েছেন, তাঁকে সমাদরে রাখার চেষ্টা করেন যাতে উগ্রদেব তাঁর পিতার নিয়ে ভবিষ্যতে কোনও প্রশ্ন তুলতে না পারেন, বিদ্রোহী মৃত্যু না হয়ে উঠতে পারেন, সে জন্য।’

    চম্পা তার কথা শোনার পর বহ্নিকে প্রশ্ন করল, ‘সত্যি কি মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন সিংহাসন লাভের জন্য হরিদেবকে কৌশলে হত্যা করেছিলেন?’

    বহ্নি বলল, ‘এ কথা আমার সঠিক জানা নেই। হরিদেবের বেশ কিছু অনুগামী আছেন যাঁরা এই সম্ভাবনার কথা বলে থাকেন। তবে প্রকাশ্যে নয়, একান্ত আলোচনায়। তেমনই এক ব্যক্তির মুখ থেকে কথাটা শুনেছিলাম। আমি এখানে অর্থ উপার্জনের জন্য আছি। রাজনীতি অতি জটিল বিষয়। আমার তোমার মতো সাধারণ মানুষের রাজনীতির বিষয়ে অধিক কৌতূহল বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই হরিদেবের মৃত্যু সংক্রান্ত বিষয়ে আমি কারও কাছে আগ্রহ প্রকাশ করিনি।’

    এ কথা বলার পর বহ্নি বলল, ‘মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন যে ভাবেই সিংহাসনে আরোহণ করুন না কেন তিনি সুশাসক। রাজ্যের শান্তি বজায় রাখার জন্য কঠিন পরিশ্রম করে চলেছেন, নতুন রাজধানী নির্মাণ করছেন, বিষ্ণুলোকের সংস্কার সাধন করেছেন, এই পুরনো মন্দিরগুলোরও সংস্কার সাধন করছেন, তিনি প্রজাহিতৈষী নৃপতি বটে। এ রাজ্যে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে প্রজারা। তাই আমাদের মহারাজের মঙ্গল কামনা করা উচিত।’ চম্পা বলল, ‘হ্যাঁ। তিনি দয়ালুও বটে। তিনি আমার মতো একজন নারীর জীবন রক্ষা করেছেন, আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন, অন্নের ব্যবস্থা করেছেন। আমি তাঁকে পিতার মতোই শ্রদ্ধা করি। তাঁর কোনও অমঙ্গল হোক আমি তা কোনওদিন চাইব না।’

    এ কথা বলার পর তারা দু’জন ধরণীন্দ্রবর্মন-হরিদেব উগ্রদেবের প্রসঙ্গ ত্যাগ করে নিজেদের মধ্যে প্রেমালাপে মত্ত হল।

    এর পরদিন দু’জন এসে হাজির হল নর্তকী চম্পার কাছে।” —এই বলে থেমে গেল খামের যুবতী। আকাশের দিকে তাকাল সে।

    খামের যুবতী তার কথা থামিয়ে দিতেই স্বাগত বলল, ‘তারপর বল? কারা তারা?’

    খামের কন্যা বলল, ‘আজ এ পর্যন্তই থাক। পরদিন বলব কারা তারা? দেখ মেঘে ছেয়ে যাচ্ছে আকাশ, সূর্য ডুবে গেছে। হয়তো এখনই বৃষ্টি আর অন্ধকার নামতে শুরু করবে। তার আগেই তোমার মন্দিরে ফিরে যাওয়া দরকার। অন্ধকার বড় বিপজ্জনক।’—এই বলে উঠে দাঁড়াল যুবতী। স্বাগত বিভোর হয়ে কাহিনি শুনছিল। সে এবার আকাশের দিকে খেয়াল করে দেখল খণ্ড খণ্ড মেঘগুলো একসঙ্গে জড়ো হয়েছে, তাদের রং গাঢ় হচ্ছে। স্বাগত বুঝতে পারল তার ফেরা দরকার। শুধু বৃষ্টি বা অন্ধকার নামার কারণে নয়, প্রফেসর রামমূর্তি তার খোঁজ করতে পারেন। সে মন্দির ত্যাগ করার পর ইতিমধ্যে ঘণ্টাখানেক সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে। গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে তারপর আর এ সময় তার মন্দির চত্বর ছেড়ে বাইরে থাকা উচিত হবে না। তাই স্বাগতও উঠে পড়ে বলল, ‘আমি আবারও চেষ্টা করব কাল তোমার কথা শোনার জন্য।’

    খামের কন্যা তার কথার প্রত্যুত্তরে বলল, —‘আমিও আসব। তবে যাওয়ার আগে আবারও তোমাকে সতর্ক করে দিয়ে যাচ্ছি রাত্রিবেলা একাকী বাইরে বেরিও না। আর মন্দিরে প্রবেশ কোরো না!’ —এই বলে সে অন্যদিনের মতোই এগিয়ে গিয়ে গাছের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেল। আর স্বাগতও সেই স্থান ত্যাগ করে দ্রুত ফেরার পথ ধরল। কিছুটা এগিয়েই সে দেখতে পেল প্রফেসর রামমূর্তি হেঁটে আসছেন। তারা মুখোমুখি হতেই রামমূর্তি বললেন, ‘কোথায় গিয়েছিলে তুমি? তোমাকে ফোন করলাম, কিন্তু সুইচড অফ বলছে!’

    স্বাগত পকেট থেকে তাড়াতাড়ি মোবাইলটা বার করে দেখে বলল, ‘সরি স্যর, মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। দূরে কোথাও যাইনি। কাছাকাছি ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম।’

    তিনি বললেন, ‘গতকালের ঘটনার পর স্বাভাবিক নিয়মেই আমার চিন্তা বেড়েছে। তাই তোমাকে খুঁজতে বেরলাম।’

    এরপর তারা দু’জন মিলে মন্দিরে ফেরার পথ ধরল। ফিরতে ফিরতে রামমূর্তি স্যর বললেন, ‘ফঙ যদি সত্যি খুন হয়ে থাকে তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তাহলে তো ধরে নিতে হবে অন্য কেউ মন্দিরে ঢুকেছিল। এমনও হতে পারে ফঙ তাকে সঙ্গে করেই এনেছিল তারপর কোনও কারণবশত যে ফঙকে খুন করে। ভূতে নিশ্চয়ই তাকে খুন করেনি?’

    স্বাগত বলল, ‘হ্যাঁ, তা তো নিশ্চয়ই। সে যদি খুন হয়ে থাকে তবে মানুষই তাকে খুন করেছে।’

    রামমূর্তি বললেন, ‘ফঙের কথাবার্তা তো ভালো ছিল না। এটা শুধু আমার কথা নয়, নারেঙ খামও একই কথা বলেছে। হয়তো সে কারও সঙ্গে তার আচরণের জন্য শত্রুতা বাঁধিয়ে রেখেছে। সেই খুনটা করেছে।’

    —‘ফঙ কী করতে মন্দিরে ঢুকেছিল বলে মনে হয়? গুপ্তধন খুঁজতে?’

    প্রফেসর জবাব দিলেন, ‘তার উত্তর একমাত্র সেই দিতে পারত।’

    এরপর তিনি বললেন, ‘কাল সকালে আমি একবার সিয়েমরিপ যাব। ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র কেনাকাটার আছে। বিকালের মধ্যেই ফিরে আসব।’

    কথা বলতে বলতে তারা মন্দির চত্বরে পৌঁছে গেল। অন্যরা চত্বরেই দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু তাদের সঙ্গে গল্প করা বা কথা বলার সুযোগ স্বাগতর হল না। তারা চত্বরে উঠে আসতেই বড় বড় ফোঁটায় বৃষ্টি নামল। সবাই যে যার ঘরের দিকে ছুটল। অঝোরে বৃষ্টি। সেদিন আর তাই রাতের রান্না হবে না। যে যার মতো শুকনো খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ল। বৃষ্টি কমল বেশ রাতে। তারপর শুরু হল অবিশ্রান্ত ব্যাঙের ডাক। জঙ্গলের ভিতর গাছ বা কোটরে বসবাস করে তারা। বর্ষার জল পেয়ে আনন্দে কোটর থেকে বেরিয়ে পড়েছে, চত্বরেও উঠে এসেছে। নানা কথা ভাবতে ভাবতে একসময় ঘুমিয়ে পড়ল স্বাগত।

    শেষ রাতের দিকে একটা স্বপ্ন দেখতে শুরু করল সে। মন্দিরের ভিতর একলা ঘুরে বেড়াচ্ছে সে। ঘুরতে ঘুরতে মূল মন্দিরের সামনে উপস্থিত হল। জায়গাটাকে যেন অন্যরকম মনে হল স্বাগতর। খুব প্রাচীন বলে আর মনে হচ্ছে না জায়গাটাকে। যেন নতুনভাবে কেউ সাজিয়ে তুলেছে। মন্দির বা চত্বরের গায়ে দাঁড়িয়ে থাকা অপ্সরাদের বা অন্যমূর্তিগুলো যেন তাদের পুরনো অক্ষত রূপ ফিরে পেয়েছে। প্রাঙ্গণের একপ্রান্তে একটা মঞ্চও দেখতে পেল সে। নৃত্য মঞ্চ। তার চারপাশে কারুকাজ করা স্তম্ভ। এ মঞ্চ তো সে আগে দেখেনি! আর এরপরই নূপুরের শব্দ কানে এল তার।

    নৃত্যমঞ্চর পিছনের কক্ষ থেকে ছমছম শব্দ করতে করতে বেরিয়ে এল এক নারী! সে এগিয়ে এল স্বাগতর দিকে। তবে তার মুখমণ্ডল ওড়নায় ঢাকা। স্বাগতকে সে বলল, ‘তুমি এসেছ। আমি জানতাম তুমি আসবে। আমি কত যুগ ধরে প্রতীক্ষা করে আছি তোমার জন্য। আমি তোমাকে নাচ দেখাব।’

    স্বাগত তাকে বলল, ‘আপনি কে? এ মন্দিরে কোথা থেকে এলেন? আপনি মনে হয় অন্য কারও সঙ্গে আমাকে ভুল করছেন।’

    সে নারী হেসে বলল, ‘আমি তোমাকে সত্যি চিনতে পেরেছি কি না তুমি তার পরীক্ষা নিচ্ছ? বহ্নি তোমাকে আমি ভুলব কীভাবে?’

    স্বাগত অবাক হয়ে বলল, ‘আমি তো বহ্নি নই, স্বাগত। আর আমি আপনাকে চিনতে পারছি না।’

    সেই অবগুণ্ঠনবতী নারীর কণ্ঠে যেন অভিমানের সুর বেজে উঠল। সে বলল, ‘তুমি আমাকে সত্যিই চিনতে পারছ না ভাস্কর? ওই নৃত্যমঞ্চর কথাও ভুলে গেছ? যেদিন তুমি ওই মঞ্চে আমার নাচ দেখেছিল, ঠিক এই স্থানে দাঁড়িয়ে আমার হাত দুটো স্পর্শ করেছিলে, সে সব কথা কি কিছুই মনে নেই তোমার? সেই স্পর্শর কথা কিন্তু আজও আমি ভুলিনি।’

    স্বাগত এবার আরও অবাক হয়ে গেল তার কথা শুনে। স্বাগত তাকে বলল, ‘দেখুন আমি আপনাকে চিনি না। আপনি ভুল করছেন। এ মন্দিরে আপনি কীভাবে ঢুকলেন? কখন ঢুকলেন? এখানে বাইরের লোকের প্রবেশ নিষেধ।’

    স্বাগতর কথা শুনে সেই নারী বলল, ‘তুমি কি আমার সঙ্গে পরিহাস করছ? নাকি সত্যিই চিনতে পারছ না আমাকে? তোমার আহ্বানেই তো আমি প্রবেশ করেছিলাম এই মন্দিরে। দেখ, আমার হাত দুটো স্পর্শ করে দেখ। এ স্পর্শ তোমার চেনা কি না? এই বলে সে তার হাতদুটো পিছন থেকে সামনে এনে স্বাগতর ডানহাতের পাতা দুটো জড়িয়ে ধরল। সেই নারী হাত স্পর্শ করতেই কোনও পরিচিত নয়, এক বিজাতীয় স্পর্শানুভূতি হল স্বাগতর। তার শরীর শিরশির করে উঠল। তারপর সেই নারীর হাতের দিকে তাকাতেই স্বাগত চমকে উঠল। মানুষের হাতের পাতার মতো দেখতে হলেও ও হাত ঠিক মানুষের মতো নয়। আঙুলগুলো সরু ও লম্বা। হাতের পাতার ওপরের অংশ রোমশ। বানরের হাত! তা দেখেই আতঙ্কে শিহরন খেলে গেল স্বাগতর শরীরে। সে হাতটা ছাড়িয়ে নিতে গেল। কিন্তু সেই অবগুণ্ঠনধারী শক্ত করে আঁকড়ে ধরল তার হাত।

    এরপর সে হয়তো আলিঙ্গন করতে যাচ্ছিল স্বাগতকে। ঠিক সেই সময় প্রাঙ্গণে প্রবেশ করল একদল ব্যক্তি। প্রাচীন খামেদের মতো পোশাক তাদের পরনে। কোমরে ঝুলছে তলোয়ার, কারও হাতে তির ধনুক। সর্বাগ্রে যে ব্যক্তিটি, সে ঘোর কৃষ্ণবর্ণের এক বলশালী ব্যক্তি। সে স্বর্ণালঙ্কারে শোভিত। তার ঘূর্ণায়মান চোখের দৃষ্টি স্বাগতদের ওপর পড়তেই সে বলল, ‘ওই তো ওরা। নর্তকী চম্পা! আর সেই ভাস্কর!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }