Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩২

    পর্ব ৩২

    স্বাগতকে আলিঙ্গন করতে গিয়েও সেই নারী লোকগুলোকে দেখে ফিরে দাঁড়াল তাদের দিকে। আর তারপরই সে খসিয়ে ফেলল তার অবগুণ্ঠন আর বস্ত্র। স্বাগত দেখল যে তার হাত স্পর্শ করেছিল, মানুষের স্বরে কথা বলছিল সে মানবী নয়, বিরাটাকৃতির একটা বাঁদরি! যে বাঁদরিটা একলা ঘুরে বেড়ায় মন্দিরে। বাঁদরিটাকে দেখে অট্টহাস্য করে উঠে সেই কৃষ্ণকায় ব্যক্তি বলল, ‘বাঁদরি সেজে আমার চোখকে ধোঁকা দিবি ভেবেছিল? উগ্রদেবের চোখকে ফাঁকি দেওয়া সহজ নয়। এবার আমার প্রতিশোধ নেওয়ার পালা, দেখি ধরণীন্দ্রবর্মন কীভাবে রক্ষা করে তোদের?’

    এ কথা বলার পর সে তার সঙ্গীদের উদ্দেশে বলল, ‘হত্যা, হত্যা কর ওদের। তারপর আমরা বিষ্ণুলোকে প্রবেশ করব।’

    উগ্রদেবের নির্দেশ পেয়ে লোকগুলো অস্ত্র হাতে এগিয়ে আসতে লাগল তাদের দিকে। বাঁদরিটা কিন্তু পালাল না। সে যেন স্বাগতর শরীরটাকে আড়াল করে দাঁড়াবার চেষ্টা করতে লাগল। এগিয়ে আসছে লোকগুলো।

    আর এরপরই ঘুম ভেঙে গেল স্বাগতর। ঘেমে উঠেছে সে। জানলা দিয়ে সকালের আলো প্রবেশ করছে ঘরের মধ্যে। স্বাগত বিছানায় উঠে বসল। স্বপ্নর রেশ কাটতে বেশ কয়েক মুহূর্ত সময় লাগল স্বাগতর। সে বুঝতে পারল গতকাল খানের যুবতীর মুখে শোনা কাহিনি আর মন্দিরের নানান কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়েছিল সে। আর সেগুলোই তার ঘুমের মধ্যে এই অদ্ভূত স্বপ্নের জন্ম দিয়েছে। ঠিক যেমন আগেও একদিন সে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছিল, খামের যুবতীর সঙ্গে ছুটতে ছুটতে কুমির ভরা পরিখায় পড়ে গেছে সে! খামের যুবতীর কাহিনি আর মন্দিরের ঘটনাগুলোই হানা দিচ্ছে তার স্বপ্নে।

    কিছুক্ষণের মধ্যে তৈরি হয়ে স্বাগত চত্বরের বাইরে বেরিয়ে এল। অন্য চারজনও ঘর থেকে বাইরে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রফেসরকে সিয়েমরিপ নিয়ে যাওয়ার জন্য একটা টুকটুকও এসে দাঁড়িয়েছে। স্বাগত অন্য চারজনের কাছে গিয়ে দাঁড়াবার পর প্রীতম জানতে চাইল, ‘তোমরা কোথাও যাচ্ছ নাকি?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘আমি নই, প্রফেসর সিয়েমরিপ যাবেন।’

    এই পরিস্থিতির মধ্যেও বিক্রমের মজা করার স্বভাব যায়নি। সে বলল, ‘ব্যাঙের রেস খেলতে নাকি?’ স্বাগত কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু তার আগেই রামমূর্তি ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। তাঁকে দেখে কথা থামিয়ে দিল সবাই। তিনি বললেন, ‘আমি বিকালের আগেই ফিরে আসব। চিন্তার কারণ নেই। কোনও প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে ফোনে জানাবে। পুলিস বা সরকারি লোক ছাড়া অন্য কেউ এলে তাকে মন্দিরের ভিতর ঢুকতে দেবে না।

    স্বাগত বলল, ‘যদি নারেঙ আসে? এলে হয়তো সেই আসবে।’

    প্রশ্ন শুনে একটু ভেবে নিয়ে রামমূর্তি বললেন, “সে যদি একান্তই ভিতরে ঢুকতে চায় তবে তোমরা ছেলেরা একসঙ্গে ওর সঙ্গে যাবে। দেখবে ও কী করে?’—এ কথা বলে তিনি চত্বর ছেড়ে গাড়ির দিকে এগলেন। তারপর রওনা হয়ে গেলেন সিরেমরিপের উদ্দেশে।

    তিনি চলে যাবার পর সুরভী জানতে চাইল, ‘আমাদের এখন করণীয় কী?’

    স্বাগত বলল, “করণীয় তো তেমন কিছু নেই। কথাবার্তা বলে বা ঘুমিয়ে সময় কাটাতে হবে। ইচ্ছা করলে জঙ্গলে হেঁটে আসতে পার। আমি এখানেই আছি।”

    সেটাই ঠিক হল। তারা চারজন এগল একটু ঘুরে আসার জন্য। তারা চলে যাবার পর স্বাগত এগল তোরণের দিকে সেখানে গিয়ে বসবার জন্য। পাথুরে চত্বরটার যেখানে যেখানে ফাটল বা গর্ত আছে সেখানে গত রাতের বৃষ্টির জল জমে আছে। চত্বরটাও এখনও ভিজে আছে। তোরণের সামনে গিয়ে ভিতরে উঁকি দিল সে। প্রাঙ্গণের ভিতরেও জল জমেছে। তার সঙ্গে প্রাঙ্গণের ভিতর কয়েকটা বড় ব্যাঙও চোখে পড়ল। জমা জলে ছপ ছপ করছে তারা। ওরাও ভূত নয় তো? ব্যাঙ ভূত! কথাটা ভেবে মনে মনে হাসল স্বাগত। তোরণের গায়েই একটা পাথরের খণ্ডর উপর বসল স্বাগত। একলা বসে সে নানা কথা ভাবতে লাগল। কখনও খামের যুবতী আর তার গল্পর কথা। কখনও ফঙের মৃত্যুর কথা, কখনও বা কুমিরের কথা। এই মন্দিরে গুপ্তধন লুকানো আছে কি না স্বাগতর জানা নেই, তবে রহস্যময় কিছু যে আছে তা স্বাগতর মন বলছে। মন্দিরে কাজ করতে আসা মজুরের ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাওয়া থেকে শুরু। তারপর প্রীতমের কুমির দেখা, সর্বশেষে ফঙের মৃত্যু স্বাগতর মনের এই সন্দেহে ক্রমশ দৃঢ় করে তুলছে। একসময় হেরুম এসে উপস্থিত হল সেখানে। স্বাগতকে একলা বসে থাকতে দেখে সে তার কাছে এসে জানতে চাইল, ‘অন্যরা কোথায়? সবাই কি মন্দিরের ভিতরে গেছে?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘প্রফেসর শহরে গেছেন আর অন্যরা আশপাশে হাঁটতে গেছে। আজও কাজ হবে না। তবে কাজ নিশ্চয়ই আবার শুরু হবে।’

    হেরুম বলল, ‘ফঙের মারা যাওয়ার খবরটা সব জায়গায় ছড়িয়ে গেছে। সবাই তাই নিয়েই আলোচনা করছে। বলছে ভূতেই তাকে খুন করেছে।’

    —‘আর কিছু শুনলে ফঙ সম্পর্কে?’ জানতে চাইল স্বাগত।

    হেরুম বলল, ‘একজন লোক বলছিল, পরশু দিন অর্থাৎ যে রাতে ফঙ মারা যায় সেদিন নাকি লোকটা তাকে সিয়েমরিপে দেখেছে একজনের সঙ্গে কথা বলতে।’

    —‘কার সঙ্গে? নারেঙ খাম নামের যে লোকের সঙ্গে সে এখানে এসেছিল তার সঙ্গে?’

    হেরুম বলল, ‘না, সে লোককে আপনি চিনবেন না। তার নাম হোয়াঙ। সিয়েমরিপে ব্যাঙের দৌড়ের জুয়া খেলা হয়। হোয়াং নামের চীনা লোকটা সেটা চালায়। এখানে জঙ্গলে বড় বড় ব্যাঙ পাওয়া যায়। শুনলাম ফঙ নাকি ব্যাঙ ধরে ওই হোয়াং-কে বিক্রি করত। হয়তো সে কারণেই ফঙের কাছে গিয়েছিল। যার থেকে খবরটা পেলাম সে একজন মজুর। সে জুয়া খেলতে যায় হোয়াং-এর আড্ডাতে।’

    এ তথ্যটা শুনে একটু অবাক হল স্বাগত। সে প্রশ্ন করল, ‘ওই হোয়াঙ নামের লোকটা কেমন লোক?’

    হেরুম জবাব দিল, ‘বুঝতেই পারছেন যে জুয়ার আড্ডা চালায় সে কেমন লোক হতে পারে?’

    স্বাগত এরপর তাকে বলল, “ঠিক আছে, তুমি রান্নার ব্যবস্থা কর।”

    হেরুম তার কাজে চলে যাওয়ার পর স্বাগত মনে মনে ভাবতে লাগল হোয়াঙের মতো লোকের সঙ্গে প্রফেসর রামমূর্তির কীসের যোগাযোগ?

    সময় এগিয়ে চলল। ঘণ্টা খানেক বাদে সুরভীরা চারজন ফিরে এল। বিক্রম স্বাগতকে বলল, “জঙ্গলের রাস্তায় কত রকমের বড় বড় ব্যাঙ ঘুরে বেড়াচ্ছে তার হিসেব নেই। ওদের দেখেই আমার ব্যাঙের রেসের কথা মনে পড়ে গেল।”

    স্বাগত বলল, ‘একটু আগে হেরুমের মুখে শুনলাম, এখান থেকে নাকি ব্যাঙ ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ওই রেসের জন্য।’

    বেলা দশটা বাজে। বেশ চড়া রোদ উঠেছে উন্মুক্ত চত্বরের মাথার ওপর। স্বাগতর কিছু করার নেই। ঘরের ভিতরে ঢুকলে এখন গুমোট গরম লাগবে। ঘুম হবে না। স্বাগতর মনে হল সেও একবার জঙ্গলের ভিতর ঘুরে আসে। সেখানে ছায়া আছে, বাতাসও ঠান্ডা। সে তাই বিক্রমকে বলল, “তোমরা এবার এখানে থাক, আমি একটু জঙ্গল থেকে ঘুরে আসি।” পুরনো মন্দির চত্বর থেকে বেরিয়ে পড়ল স্বাগত। বনপথ ধরল সে। স্থানে স্থানে কাঁচা রাস্তায় জল জমে আছে। বিক্রমের কথাই ঠিক। অজস্র ব্যাঙ ঘুরে বেড়াচ্ছে রাস্তায়। সবুজ, হলুদ, কালো, নানান আকৃতির ব্যাঙ। ভাঙা স্তম্ভ, প্রাকার, শ্যাওলা ধরা গুঁড়ির আড়াল থেকে তাদের ডাকও শোনা যাচ্ছে। নিজের মনেই রাস্তার একপাশ ধরে ধীরে ধীরে হাঁটছিল স্বাগত। হঠাৎ একটা টুকটুকের হর্ন কানে এল তার। তারপর গাড়িটা এসে দাঁড়িয়ে পড়ল তার পাশে। ড্রাইভারকে চিনতে পারল স্বাগত। সেই তাদেরকে সিয়েমরিপ নিয়ে গিয়েছিল। সে তাকে চিনতে পেরেই দাঁড়িয়েছে। দু’জন শ্বেতাঙ্গ সওয়ারিও আছে তার গাড়িতে। সে হেসে স্বাগতকে বলল, ‘বিষ্ণুমন্দির গেলে উঠে পড়ুন। আমি এই দু’জনকে ওখানে ছাড়তে যাচ্ছি। ভাড়া লাগবে না স্যর।’

    ভাড়া দিতে হবে না বলে নয়, স্বাগত কেন জানি অগ্রাহ্য করতে পারল না তার প্রস্তাব। শ্বেতাঙ্গ দু’জন পিছনের আসনে বসে আছে। তারা যাতে বিরক্ত না হয় সে জন্য ড্রাইভারের পাশের আসনেই উঠে বসল সে। তাকে নিয়ে ভেজা রাস্তা ধরে জলে ভরা রাস্তাগুলোকে বাঁচিয়ে হেলতে দুলতে চলল টুকটুক। কিছুক্ষণের মধ্যেই ড্রাইভারের তাকে তুলে নেওয়ার আগ্রহর কারণ বুঝতে পারল স্বাগত। সে তাকে প্রথমে জিজ্ঞেস করল, ‘স্যর আপনাদের ওই মন্দিরে থাকতে কোনও অসুবিধা হয় না? রাতে তাদের দেখেছেন কখনও?’

    —‘তুমি কাদের কথা বলছ?’ জানতে চাইল স্বাগত।’

    ড্রাইভার বলল, ‘ওই যারা পুরনো মন্দিরগুলোতে থাকে। সন্ধ্যা নামার পর যারা জেগে ওঠে।’

    স্বাগত বুঝতে পারল খামের ড্রাইভার তাকে কী বলতে চাইছে। সে জবাব দিল, ‘না, অমন কিছু আমরা কেউ কোনও দিন দেখিনি। ওসব কিছু আছে বলেও আমার মনে হয় না।’

    লোকটা চাপা স্বরে বলল, “ওসব কিছু নেই! তবে গাইড ফঙকে কে মারল স্যর? সবাই তো বলছে তারাই মেরেছে গাইড ফঙকে?”

    এ কথার জবাবে একটু চুপ করে থেকে স্বাগত জবাব দিল, “সে মারা গেছে ঠিকই, তবে সে কীভাবে মারা গেছে তা আমরা জানি না।”

    ড্রাইভার বলল, ‘শুনলাম তার ঘাড়টা নাকি একদম ভেঙে গিয়েছিল! মাথাটা উল্টো দিকে ঘুরে গেছিল! তারা ছাড়া কাদের হাতে এত শক্তি আছে যে ঘাড় ভেঙে দেবে?”

    স্বাগত লোকটার কথা শুনে বুঝতে পারল, ফঙের মৃত্যুর খবরটা নানাভাবে পল্লবিত হয়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে।’ স্বাগত কোনও জবাব দিল না লোকটার কথায়।

    ড্রাইভার সম্ভবত বুঝতে পারল, স্বাগতর এ প্রসঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছা নেই। সে আর কথা না বলে একটু বিমর্ষভাবে গাড়ি চালাতে লাগল।

    স্বাগত পৌঁছে গেল বিষ্ণুলোকের সামনে। কিন্তু, সেখানে উপস্থিত হয়েই সে বুঝতে পারল নেহাতই মনের খেয়ালে সে এত দূর চলে এসেছে। যদিও একশোবার দেখলেও এই মন্দির দেখার সাধ মেটে না, কিন্তু স্বাগতর মনে হল প্রফেসর নেই। মন্দিরের ভিতর একবার ঢুকলে সে বিষ্ণুলোকের অপূর্ব ভাস্কর্যগুলো দেখতে দেখতে হয়তো সময়জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে। নিজেদের মন্দির ছেড়ে বেশি সময় তার বাইরে থাকা উচিত হবে না। টুকটুক থেকে নামার পর এ কথা ভেবে নিয়ে সে ড্রাইভারকে বলতে যাচ্ছিল, ‘চল আমি এখন ফিরব।’ কিন্তু তার আগেই সে দেখতে পেল একজনকে। কিছুটা তফাত দিয়ে তিনি যাচ্ছিলেন, স্বাগতকে গাড়ি থেকে নামতে দেখে তিনি দাঁড়িয়ে পড়েছেন। তার হাতে মাটির তৈরি একটা কলস বা ঘড়া। তার সঙ্গে দৃষ্টি বিনিময় হওয়াতে স্বাগত ড্রাইভারকে কিছু না বলে এগিয়ে গিয়ে দাঁড়াল তাঁর সামনে। স্বাগত হাত জোড় করে নমস্কার করল তাঁকে। তিনিও মাথাটা একটু ঝোঁকালেন। তারপর প্রশ্ন করলেন, ‘এখানে কাজে এসেছেন?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘না, কাজে নয়। জঙ্গলের পথে হাঁটছিলাম। টুকটুকটা এদিকে আসছিল। ড্রাইভার পরিচিত। সে আমাকে উঠতে বলল, আমি এদিকে চলে এলাম।’

    এ কথা বলে স্বাগত প্রশ্ন করল, ‘আপনি কি মন্দিরে যাচ্ছেন?’

    স্বাগতর প্রশ্ন শুনে কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী তার হাতের কলসটা তুলে ধরে দেখালেন। কলসটার মুখ মাটির সরা দিয়ে ঢাকা দেওয়া। সেটা দেখেই স্বাগতর শূদ্র ব্রাহ্মণদের ঘড়া হাতে মূর্তিগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। যে মূর্তি আছে তাদের মন্দিরে আর এই বিষ্ণুলোকের মাথার ওপরের সেই কক্ষে। স্বাগত জানতে চাইল, ‘কী আছে ওই কলসের মধ্যে?’

    বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভব আবারও কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকার পর বললেন, “এটা ফঙের অস্থিকলস।’ সিয়েমরিপে কাল রাতেই ফঙের দাহকার্য সম্পন্ন হয়েছে। এই অস্থিকলস নিয়ে সেখান থেকে আজই আমি ফিরেছি। মৃতর অঙ্গার, অস্থি বিষ্ণুলোকের পরিখার জলে বিসর্জন দেওয়া এখানকার প্রাচীন প্রথা। সে কাজই আমি করতে এসেছি।” ‘—এ কথা বলে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আর কোনও কথা না বলে সন্ন্যাসী হাঁটতে শুরু করলেন। স্বাগত বুঝতে পারল ফঙ লোকটা যেমন লোকই ছিল না কেন তার মৃত্যুতে ব্যথিত হয়েছেন সন্ন্যাসী। স্বাগত এবার পিছনে তাকিয়ে দেখতে পেল টুকটুকটা সওয়ারি নামিয়ে চলে গেছে। এবার তাকে ফেরার জন্য অন্য টুকটুক ধরতে হবে। কিন্তু তারপরই তার মনে একটা ইচ্ছা জাগল সম্ভবত সন্ন্যাসীর হাতে ওই মাটির ঘড়াটা দেখার কারণে। তার মনে হল, সে যখন বিষ্ণুলোকের সামনে এসেই পড়েছে তবে একবার মন্দিরের সেই রহস্যময় ঘরটা চট করে দেখে আসা যাক, যেখানে ঘড়া হাতে মূর্তিগুলো আছে। এ কথা ভেবে নিয়ে সে এগল মন্দিরের দিকে।

    বিষ্ণুলোকের প্রধান তোরণ অতিক্রম করতে গিয়ে একটা জিনিস দেখে হঠাৎই থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল স্বাগত। দড়ি দিয়ে একটা ব্যানার টাঙানো হয়েছে তোরণের গায়ে। তাতে রয়েছে ফঙের একটা ছবি আর কম্বোডিয়ান ভাষাতে লেখা কিছু কথা। সে ভাষা পড়তে না পারলেও স্বাগত অনুমান করল ফঙ এ মন্দিরে গাইডের কাজ করত বলে তার সহকর্মীরা ওই ব্যানার টাঙিয়ে ফঙের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করছে। স্বাগতর মনে হল, ফঙ যেন ছবির ভিতর থেকে তার দিকে তাকিয়ে হাসছে! কয়েক মুহূর্ত ব্যানারটার দিকে তাকিয়ে নিজের আইডেন্টিটি কার্ড দেখিয়ে বিষ্ণুলোকে প্রবেশ করল স্বাগত। সে কোথাও থামল না। প্রাকারের ভিতর ঘাসে ছাওয়া জমি, পদ্ম ফুটে থাকা জলাশয় অতিক্রম করে সোজা প্রবেশ করল মন্দিরে। ট্যুরিস্টদের ভিড় আজ তেমন একটা নেই। হয়তো বা দু’দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে বলেই। পথ খুঁজে নিয়ে সে উঠে গেল মন্দিরের উপরিভাগের অলিন্দে। সেই অলিন্দ এবং কক্ষগুলো একই রকম নির্জন। শেষ পর্যন্ত সে পৌঁছে গেল কক্ষে। আজ কিন্তু বাদুড়ের দল তাকে দেখে উড়ল না। তবে কি এই কক্ষে নিয়মিত ভাবে মানুষের যাওয়া-আসা হয়েছে। যে কারণে মানুষ দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছে তারা? ভয় কেটে গেছে? এমনই মনে হল স্বাগতর। স্বাগত মূর্তিগুলোর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। মুণ্ডিত মস্তক ব্রাহ্মণের দল রক্ষী পরিবৃত হয়ে এগিয়ে চলেছে। অগ্রবর্তী মূর্তিটি অঙ্গুলি দিয়ে যেদিকে পথ নির্দেশ করছে সেদিক থেকে একসময় নীচে নামার সিঁড়ি ছিল, এখন কেবলই উন্মুক্ত গহ্বর। স্বাগতর মনে প্রশ্ন এল ওই ভাণ্ডধারী লোকগুলোর পরবর্তী ছবি কি খোদিত আছে ওই মন্দিরে? নাকি ওই মন্দিরে ভাণ্ডগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেটাই জানানো হয়েছে এই পাষাণ চিত্রে? ‘কী আছে ওই ভাণ্ডগুলোতে? চিতাভস্ম নিশ্চয়ই নয়? ভাণ্ডগুলোর মধ্যে নিশ্চয়ই মূল্যবান কিছু জিনিস রক্ষিত আছে যেজন্য প্রহরীর ব্যবস্থা।’ ‘—এ কথাই মনে মনে ভাবল স্বাগত। এরপর সে এগিয়ে গিয়ে দাঁড়াল দেওয়ালের গায়ে উন্মুক্ত ফোকরের সামনে। তাদের মন্দিরের মাথার ওপর লাল পতাকাটা তাকে মন্দিরটা চিনিয়ে দিল। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে মাঝে মাঝে সিঁথির মতো রাস্তা দেখা যাচ্ছে। খামের যুবতী গতকাল তার কাহিনিতে বলেছিল ওই প্রাচীন পথের কথা, একই সঙ্গে তাকে নিষেধও করেছে ওই পথে মন্দিরে প্রবেশ করতে। স্বাগত ভাবল খামের যুবতী যাই বলুক সে একবার মন্দিরটাকে বেড় দিয়ে ওই পথের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করবে। দেখবে সত্যিই সেখান দিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করা যায় কি না?’

    স্বাগতকে এবার ফিরে যেতে হবে। সে তাই কিছুক্ষণ জঙ্গলের ভিতর রাস্তাটার দিকে তাকিয়ে এসব কথা ভেবে নিয়ে সে জায়গা থেকে সরে আসতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় তার একটা জিনিস চোখে পড়ল। ওই প্রাচীন রাস্তাটার যে অংশটা স্বাগতদের মন্দির থেকে বিষ্ণুলোকের কাছাকাছি এসে আত্মপ্রকাশ করেছে সে রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসছে একজন লোক। তাকে দেখে মনে হচ্ছে। সে ওই রাস্তা ধরে স্বাগতদের মন্দিরের দিক থেকেই ফিরছে। লোকটা কে? সে কি স্বাগতদের মন্দিরেই গেছিল? ও পথে এখনও কি তবে লোক চলাচল করে? স্বাগত পকেট থেকে তার মোবাইল ফোন বার করে ক্যামেরাটা যথাসম্ভব জুম করে লোকটাকে দেখার চেষ্টা করল। লোকটার পরনে হলুদ রঙের পোশাক। মাথায় একটা টুপিও আছে। সবুজ অরণ্য পথে লোকটার ওই উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের পোশাকটাই প্রথমে লোকটার প্রতি স্বাগতর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। তবে এত ওপর আর দূর থেকে লোকটার মুখ স্বাগতর পক্ষে বোঝা সম্ভব হল না। সেই লোকটা বিষ্ণুলোকের কাছাকাছি এসে গাছের আড়ালে মিলিয়ে গেল। স্বাগত এরপর আর তাকে দেখার জন্য দাঁড়াল না। তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে তাকে। সে সেই ঘর ত্যাগ করে দ্রুত নীচে নেমে কিছুক্ষণের মধ্যেই বিষ্ণুলোক ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল। বাইরে বেরিয়ে সে একবার সেই হলুদ পোশাক পরা লোকটার খোঁজে চারপাশে তাকাল ঠিকই, কিন্তু তাকে দেখতে পেল না। একটা টুকটুক ধরে সে রওনা হল নিজেদের মন্দিরে ফেরার জন্য। টুকটুকটা মন্দিরের কাছাকাছি জঙ্গলের ভিতর রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়ল। স্বাগত ড্রাইভারকে বলল, ‘আর একটু চল, ওই যে গাছের আড়ালে পুরনো মন্দিরটা আছে আমি ওখানে যাব।’

    ড্রাইভার বলল, ‘না, স্যর। আমি এই রাস্তা ছেড়ে ওই মন্দিরের কাছে যাব না। আপনি জানেন না ওই মন্দিরে দু-দিন আগেই এক গাইড মারা গেছে? ভূতে তাকে মেরে ফেলেছে!’

    টুকটুক ড্রাইভারের কথা শুনে স্বাগত বুঝতে পারল তাদের মন্দিরকে কেন্দ্র করে জনমানসে আতঙ্ক ভালোই ছড়িয়েছে! ড্রাইভারের ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে অগত্যা স্বাগত হেঁটেই মন্দির চত্বরে পৌঁছল। সুরভী, নাতাশা আর বিক্রম ঘরে ঢুকে গেছে। প্রীতম আর হেরুম ভাড়ার ঘরের কাছেই রান্নার জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। স্বাগত তাদের কাছে গিয়ে জানতে চাইল, ‘কেউ এসেছিল?’

    প্রীতম জবাব দিল, ‘না, কেউ আসেনি।’ তারপর বলল, ‘ও হ্যাঁ, একজন এসেছিল। সাইকেল নিয়ে ওই তালের রস বিক্রেতা। বিক্রম তার থেকে দুটো বোতল কিনে ঘরে ঢুকেছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }