Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩৩

    পর্ব ৩৩

    বেলা প্রায় বারোটা বাজে। চত্বরে বেশ রোদ। স্বাগত তার ঘরে গিয়ে ঢুকল।

    বেশ কিছুক্ষণের মধ্যেই দরজায় টোকা পড়ল। স্বাগত দরজা খুলতেই বিক্রম হাতে করে তাড়ির বোতল নিয়ে ঢুকে পড়ল। তার মুখ থেকে তাড়ির গন্ধ বেরচ্ছে। স্বাগতর দিকে বোতলটা বাড়িয়ে সে বলল, ‘নাও, তোমার জন্য কিনে রেখেছি।’

    স্বাগত বলল, ‘না, আজ আর খাব না। রোজ খেলে অ্যাডিকশন হয়ে যাবে। তাছাড়া রোজ ও পানীয় পান করাটা প্রফেসর পছন্দ নাও করতে পারেন।’

    বিক্রম বলল, ‘তাহলে আমিই খেয়ে নেই। গরম হয়ে গেলে খেতে ভালো লাগবে না।’

    এই বলে সে বোতলের ছিপি খুলে তালের রসটা ঢকঢক করে ঢেলে নিল।

    এরপর সে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইল। তার চোখমুখ দেখে স্বাগত অনুমান করল বিক্রমের নেশা চড়তে শুরু করেছে। এরপর একসময় সে বলল, ‘প্রফেসর সিয়েমরিপে ঠিক কী করতে গেছে বল তো? উনি তো সব কথা তোমাকে বলে যান।’

    স্বাগত বলল, “ওই তো, তোমাদের যা বললাম, সেটাই আমাকে বলেছেন। উনি ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে গেছেন।”

    স্বাগতর কথা শুনে বিক্রম বলল, ‘কই যাবার সময় ওনার হাতে থলে বা ব্যাগ দেখলাম না তো? আমার ধারণা তিনি জুয়ার আড্ডায় গেছেন। হোয়াং নামের চীনাটা তো খুঁজছিল প্রফেসরকে।’

    `স্বাগত, বলল, ‘হতে পারে। তবে প্রফেসরের মতো লোক ওখানে জুয়া খেলতে যাবেন বলে মনে হয় না। হয়তো অন্য কোনও কারণে প্রফেসরের সঙ্গে ওর যোগাযোগ।’

    স্বাগতর কথা শুনে বিক্রমের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল। সে যেন স্বাগতর শেষ কথাটা ঠিক বিশ্বাস করল না। তারপর সে স্বাগতকে বলল, ‘তোমাকে দু’দিন ধরে একটা কথা বলব ভাবছি, কিন্তু ভরসা করে ঠিক বলে উঠতে পারছি। না।’

    স্বাগত বলল, ‘তুমি নির্দ্বিধায় আমাকে কথাটা বলতে পার।’

    বিক্রম বলল, ‘হ্যাঁ। বলছি। তুমি কিন্তু কথাটা কাউকে বল না। প্রফেসরের একটা অন্য রোগ আছে।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘কী রোগ?’

    বিক্রম বলল, ‘ফঙ যে রাতে মারা গেল, তার আগের রাতে হঠাৎই আমার ঘুম ভেঙে গেল। তখন রাত একটা বাজে। ঘুম ভাঙার পর আমার জল তেষ্টা পেল। খাট থেকে নেমে জল খেয়ে আমি শোওয়ার আগে জানলাটা একটু

    তোরণের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল একজন মহিলা! তার পরনে স্থানীয় খামের মেয়েদের মতো পোশাক৷ তবে তার মুখ ঢাকা ছিল। তোরণ থেকে বেরিয়েই সে অতি দ্রুত পায়ে উড়ে যাবার ভঙ্গিতে চত্বরটা অতিক্রম করে জঙ্গলের ভিতর চলে গেল।

    ফাঁক করেছিলাম। তোরণের দিকে তাকাতেই দেখি প্রফেসর তোরণের ভিতর থেকে বাইরে বেরিয়ে তারপর নিজের ঘরে ঢুকে দরজা দিয়ে দিলেন! আমি বেশ অবাক হলাম ব্যাপারটাতে। এত রাতে তিনি মন্দিরের ভিতর ঢুকেছিলেন কেন? বিশেষত যখন মন্দিরের ভিতরে কুমির থাকার সম্ভবনা আছে? আমি বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলাম প্রফেসর ঘর থেকে আবার বাইরে আসেন কি না তা দেখার জন্য। আর এরপরই আমি একটা অদ্ভুত ব্যাপার দেখলাম। তোরণের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল একজন মহিলা! তার পরনে স্থানীয় খামের মেয়েদের মতো পোশাক। তবে তার মুখ ঢাকা ছিল। তোরণ থেকে বেরিয়েই সে অতি দ্রুত পায়ে উড়ে যাবার ভঙ্গিতে চত্বরটা অতিক্রম করে জঙ্গলের ভিতর চলে গেল। এ দেশে ব্যাপারটা সহজলভ্য। তুমি খেয়াল করে দেখেছ কি না জানি না, সিয়েমরিপের রাস্তায় অনেক মেয়েরাই ঠোঁটে রং মেখে দাঁড়িয়ে থাকে। কাজেই আমি কী বলতে চাইছি তা তুমি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ?’ কথা শেষ করে চোখ মটকাল বিক্রম।

    স্বাগত তার কথা শুনে বলল, ‘সেদিন সিয়েমরিপ থেকে যে হুইস্কির বোতল কিনেছিলে তা কি ওই রাতেই শেষ করে দিয়েছিলে?’

    বিক্রম বলল, ‘আমি আধ বোতল পান করেছিলাম ঠিকই। কিন্তু বিশ্বাস কর আমি ভুল দেখিনি। সত্যি প্রফেসর মন্দির থেকে বেরবার পর একটা মেয়ে বেরিয়ে জঙ্গলে ঢুকে গেল!’

    স্বাগত বলল, “কিন্তু ভূতের ভয়ে রাতে তো স্থানীয় মানুষরা এ তল্লাটের ছায়া মাড়ায় না। তার ওপর একজন মহিলা!”

    বিক্রম বলল, ‘পেট বড় বালাই। যে কারণে অন্য মজুররা কাজ করতে না এলেও হেরুম এখানে কাজ করতে আসে। তেমনই হয়তো মেয়েটার পয়সার দরকার তাই সে আসে।’ ‘—এ কথা বলে বিক্রম খাট ছেড়ে উঠে দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে গেল। স্বাগত ভাবতে লাগল বিক্রম যা বলে গেল সে কথাগুলো কি ঠিক? নাকি নেশার ঘোরে সে ভুল দেখেছে? অথবা নেশার ঘোরে ভুল বকে গেল?

    এসব কথা ভাবতে ভাবতে একসময় তার খেয়াল হল, অনেক বেলা হয়েছে। রান্না নিশ্চয়ই অনেকক্ষণ হয়েছে। এবার খেয়ে আসা দরকার। স্বাগত বাইরে বেরিয়ে দেখল ভাড়ার ঘরের কাছে ইতিমধ্যেই একটা ছায়াতে খাবারের প্লেট হাতে খেতে শুরু করেছে প্রীতম, সুরভী আর নাতাশা। স্বাগত সেদিকে এগতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় চত্বরে উঠে এল একজন। নারেঙ খাম! তার পোশাক দেখে অবাক হয়ে গেল স্বাগত। নারেঙের পরনে উজ্জ্বল হলুদ রঙের একটা স্যুট! সে চত্বরের মাঝে এসে দাঁড়াল। স্বাগতও তার সামনে যেতেই সে বলল, ‘প্রফেসর কই?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘তিনি সিয়েমরিপে গেছেন মার্কেটিং করতে।’

    এ কথা বলে স্বাগত জানতে চাইল, ‘আপনি কোথায় গেছিলেন?’

    নারেঙ বলল, ‘বিশেষ কোথাও নয়। এখানেই বিভিন্ন পুরনো স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম যেমন দেখি। মনোমতো নতুন গাইড এখনও পাইনি। তাই একাই ঘুরছিলাম। ফিরে যাবার সময় মনে হল, একবার আপনাদের খবর নিয়ে যাই, তাই এলাম। নতুন কোনও সমস্যা হয়নি তো?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘না, নতুন করে কোনও কিছু ঘটেনি।’ নারেঙ এরপর তাকাল ভাড়ার ঘরে দিকে। নাতাশাদের খেতে দেখে বলল, ‘সরি। আমি আপনাদের খাওয়ার সময় এসে বিরক্ত করলাম। এবার আমি যাই।’

    স্বাগত বলল, ‘আচ্ছা।’

    নারেঙ পিছু ফিরতে গিয়েও আবার দাঁড়িয়ে পড়ল। তারপর জানতে চাইল, ‘পুলিস আর যোগাযোগ করেছিল আপনাদের সঙ্গে? পোস্টমর্টেম রিপোর্টে কী প্রকাশ হল জানিয়েছে কিছু?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘না, পুলিসের সঙ্গে আর কথা হয়নি।’ তার জবাব শুনে নারেঙ এগল চত্বর থেকে।

    নারেঙের পোশাক দেখে স্বাগত মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেল, সে তাকেই দেখেছে। তবে কি নারেঙ এ মন্দিরে এসেছিল পিছনের পথ দিয়ে। স্বাগত ভাবল সে একবার মন্দিরের পিছনের রাস্তাটায় যাবে। দেখার চেষ্টা করবে সেখান দিয়ে মন্দিরের ভিতরে ঢোকা যায় কি না? এরপরই তার মনে পড়ল খামের যুবতী তাকে নিষেধ করেছে ওই জায়গায় যেতে। কিন্তু স্বাগতর মনে হল, দিনের বেলাতে ওখানে গেলে কী আর হবে? সে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল, খাওয়া সেরে সবাই ঘরে শুতে চলে গেলে সে ওদিকটায় যাবে। স্বাগত এরপর সুরভীদের কাছে গিয়ে খাওয়া সেরে নিজের ঘরে ঢুকে পড়ল।

    ঠিক দুটো নাগাদ ঘর থেকে বাইরে বেরল সে। চড়া রোদ, নির্জন চত্বর। যে যার ঘরে ঢুকে পড়েছে। প্রফেসরের ঘরও তালাবন্ধ। চত্বর ছেড়ে নেমে বনপথে ঢুকল সে। দেখতে দেখতে চলল মন্দিরের পিছন দিকে যাবার কোনও রাস্তা এদিক থেকে আছে কি না। কিছুটা চলার পর গাছপালার ফাঁক দিয়ে একটা ফাঁকা জমি দেখল সে। খুব সামান্য ঝোপজঙ্গল সেদিকে। স্বাগত অনুমান করল ওই জায়গাটা অতিক্রম করলে পিছনের রাস্তাতে হয়তো পৌঁছে যাওয়া যেতে পারে। সে দিকেই এগল সে। বেশখানিকটা এগবার পর প্রাচীন স্থাপত্যের কিছু ভগ্নস্তূপ চোখে চড়ল। বেশ কয়েকটা পাথুরে দেওয়াল, আকাশের দিকে মুখ তুলে দাঁড়িয়ে থাকা স্তম্ভ ইত্যাদি। একসময় সে জায়গায় বেশ কয়েকটা ঘর বা বাড়ি ছিল। হয়তো বা মন্দিরের কাজে নিয়োজিত লোকেরা থাকত এ জায়গায়। প্রাচীন ধ্বংসস্তূপটা অতিক্রম করতেই কিছু দূরে ঝোপঝাড়ের আড়ালে একটা রাস্তার মতো অংশ চোখে পড়ল। ওটাই হয়তো সেই রাস্তা যা মন্দিরের পিছনে গিয়ে মিলেছে। স্বাগত উৎসাহ ভরে এগল সেদিকে। কিন্তু একটু এগিয়েই থমকে দাঁড়িয়ে পড়তে হল তাকে। তার সামনেই একটা লম্বা নালার মতো গর্ত। অন্তত হাত দশেক চওড়া হবে সেটা। বর্ষার জল জমা হয়ে আছে তাতে। গভীরতা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। ভালো করে খেয়াল করে স্বাগত বুঝতে পারল এটা জঙ্গলের ভিতর কোনও প্রাকৃতিক নালা নয়, কারণ নালার গায়ে স্থানে স্থানে পাথর উঁকি দিচ্ছে। অর্থাৎ এই ক্ষুদ্রাকৃতি পরিখা বা নালাটা একসময় খনন করে পাথর দিয়ে বাঁধানো হয়েছিল। নালাটা মন্দিরের দিক থেকেই আসছে। হয়তো বা এই নালা দিয়ে মন্দিরে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা ছিল, অথবা মন্দিরে জল প্রবেশ করানো হতো। লালাটা লাফিয়ে পেরনো সম্ভব নয়। তবে স্বাগত দেখতে পেল কিছুটা তফাতে এক জায়গায় প্রাচীন স্থাপত্যের ধ্বংসস্তূপ নালাতে খসে পড়ে তার অর্ধেকের বেশি অংশ বুজিয়ে ফেলেছে। স্বাগত সেখানে গিয়ে দাঁড়াল। তারপর সেই পাথরের স্তূপের ওপর উঠে নালার ফাঁকা অংশটা লাফ দিয়ে পেরিয়ে গেল। তারপর একটু এগিয়েই সে পেয়ে গেল কাঙ্ক্ষিত পথ। প্রাচীন পথটার স্থানে স্থানে পাথর উঠে গেছে। পথের দু’পাশে বড় বড় গাছ। চারপাশে নিঝুম পরিবেশ। বিষ্ণুলোকের দিক থেকে রাস্তাটা এসে এগিয়েছে মন্দিরের দিকে। স্বাগত এগল সে পথ ধরে।

    সে পৌঁছে গেল মন্দিরের পিছনের অংশে। একটা প্রাকার এদিকেও ছিল, সেটা এখন ধসে পড়েছে। মন্দিরের পিছনের অংশে ভিতরের দেওয়ালের গা ঘেঁষে বেশ কয়েকটা গাছ পরপর দাঁড়িয়ে। শাখা-প্রশাখাসমৃদ্ধ গাছ। যে কারণে মন্দিরের ছাদে উঠলেও মন্দিরের পিছনের অংশর নীচের দিক বা রাস্তাটা দেখা যায় না। পিছনের অংশে কোনও অলিন্দ বা জানলা নেই। কোনও সময় তা থাকলেও হয়তো বা পরে বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভেঙে পড়া প্রাকারের পাথরগুলো টপকে স্বাগত ভিতরে ঢুকে পড়ল। তারপর মন্দিরের দেওয়ালের কাছের গাছগুলোর কাছে এগিয়ে সমান্তরালভাবে হাঁটতে লাগল। আর কিছুটা এগিয়েই মন্দিরের পিছনের দেওয়ালে হঠাৎই একটা ফোকর দেখতে পেল সে। ভালো করে তাকিয়ে সে বুঝতে পারল কোনও একসময় সেখানে একটা প্রাচীন দরজা ছিল। তার চিহ্ন এখনও টিকে আছে। দেওয়ালের দু’পাশে দাঁড়িয়ে আছে দুটো ভগ্ন নারী মূর্তি। দরজাটা যেখানে ছিল সে জায়গাটা পরবর্তীতে পাথরের খণ্ড দিয়ে বুজিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কিছু পাথর খসে পড়ে একটা ফোকর সৃষ্টি হয়েছে। কোনও মানুষ চেষ্টা করলে সেই ফোকর বা ফাটল দিয়ে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করতে পারে। স্বাগত সেই ফোকরের সামনে যেতেই তার সামনে মাটিতে পড়ে থাকা একটা জিনিস দেখতে পেল। লোহার শাবল ধরনের একটা জিনিস। গহ্বরটা ভালো করে দেখার পর সে বুঝতে পারল বন্ধ করে দেওয়া প্রবেশ পথের কয়েকটা পাথর কালের নিয়মে আপনা থেকে খসে পড়লেও সম্ভবত ওই লোহার রডটা দিয়েই আরও কয়েকটা পাথর সম্প্রতি খসিয়ে ফেলা হয়েছে যাতে ফাটল গলে মন্দিরের ভিতর ঢোকা যায় সেজন্য। যে অংশের পাথর খসানো হয়েছে তার গায়ে এখনও শাবলের আঘাতের চিহ্ন জেগে আছে শ্যাওলা ধরা পাথরের গায়ে। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে বেশ অবাক হয়ে গেল স্বাগত। এ পথেই কি তবে নারেঙ খাম, ফঙ বা অন্য কেউ মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করেছিল?

    ফোকরের ভিতর উঁকি দিল স্বাগত। নিশ্ছিদ্র অন্ধকার খেলা করছে ভিতরে। মোবাইল ফোন বার করে টর্চের আলো জ্বালিয়ে সে ফোকরের ভিতর ফেলল। মোবাইল টর্চের আলো জোরালো নয় বলে সেটা ভিতরটাকে সম্পূর্ণ আলোকিত করছে না। তবে স্বাগতর মনে হল ওপাশে একটা ঘরের মতো জায়গা আর তার ভিতর থেকে যেন একটা সুড়ঙ্গ এগিয়েছে মন্দিরের ভিতরের দিকে। ফোনটা ঘুরিয়ে যথাসম্ভব ভালো করে দেখার চেষ্টা করতে লাগল ভিতরটা। হঠাৎই একটা জায়গায় আলো ফেলতে সে জায়গাটা যেন নড়ে উঠল। হ্যাঁ, মানুষের মতো একটা মূর্তি। কে ও? এরপর সেই মূর্তিটা হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে আসতে লাগল ফোকরের দিকে। সে কি স্বাগতকে আক্রমণ করতে আসছে? স্বাগত সঙ্গে সঙ্গে ফোকরের কাছ থেকে কিছুটা সরে এল যাতে সে আক্রমণ করলে বাইরের আলোতে তার সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারে সে জন্য। হাতের কাছে অনেক পাথরের টুকরো পড়ে আছে। প্রয়োজনে সে পাথর দিয়ে আঘাত হানতে পারবে লোকটাকে। কয়েক মুহূর্তর মধ্যেই ফোকরের সামনে এসে দাঁড়াল সেই মূর্তি। স্বাগত চিনতে পারল তাকে। না, সে কোনও মানুষ নয়, সেই বিরাট বাঁদরীটা! ফোকরটা ধরে সে স্বাগতর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর আবার ভিতরের অন্ধকারে মিলিয়ে গেল। তাকে দেখেই স্বাগতর মনে পড়ে গেল তার গত রাতের অদ্ভুত স্বপ্নটার কথা। তবে স্বাগত বুঝতে পারল, একলা ওই ফোকরের ভিতর তার ঢোকা ঠিক হবে না। বাঁদরীটা তাকে আক্রমণ করতে পারে। তাছাড়া অন্য কোনও বিপদও ঘটতে পারে। তার সঙ্গে কোনও হাতিয়ার নেই বা টর্চও নেই। তিনটে বাজতে চলল, প্রফেসরেরও ফেরার সময় হয়ে গেছে। স্বাগত ফেরার আগে একবার ভালো করে দেখল বুজিয়ে দেওয়া দরজার দু’পাশের নারী মূর্তি দুটোর দিকে। প্রাচীন অপ্সরা মূর্তি দুটোর একটার হাত দুটো খসে তার পায়ের নীচে পড়ে আছে। আর অন্য মূর্তিটা মুন্ডুহীন। যে মূর্তিটার মুন্ডুটা এখনও আছে সেটার দিকে তাকিয়ে স্বাগতর মনে হল যে মুন্ডুটা দিয়ে ফঙকে আঘাত করা হয়েছিল বলে পুলিসের সন্দেহ সেই মুন্ডুটা যেন এই অপ্সরার মাথার মতোই দেখতে ছিল। তবে কি একই রকম দুটো মূর্তি বন্ধ করে দেওয়া দরজার দু’পাশে স্থাপিত ছিল? মূর্তি দুটোর গড়ন দেখে তাই মনে হচ্ছে। হুবহু দুটো একই রকম নারী স্থাপন করা হয়েছিল দরজাটার দু’পাশে। যে মূর্তিটা মুন্ডুহীন তার মাথাটা আশপাশে কোথাও স্বাগতর চোখে পড়ল না। সে ভাবল, ‘তবে কি ওই মুন্ডুভাঙা মূর্তির মাথা দিয়েই আততায়ী হত্যা করেছে ফঙকে?’

    স্বাগত তারপর ফেরার পথ ধরল। ফিরতে ফিরতে সে ভাবল, মন্দিরে প্রবেশের এ পথের কথা কি সে জানাবে প্রফেসরকে? এ কথা ভাবার পরই তার মনে হল প্রফেসর রামমূর্তি নিশ্চয়ই জানতে চাইবেন যে এ পথের হদিশ সে কীভাবে পেল? তার উত্তরে খামের যুবতীর কথা তো জানানো যাবে না তাঁকে? স্বাগত সিদ্ধান্ত নিল, এখনই নয়, প্রয়োজন হলে পরে সে এই গুপ্তপথের কথা বলবে প্রফেসরকে। তবে নারেও যদি এ পথেই মন্দিরে প্রবেশ করে থাকে তবে তার গতিবিধি যে সন্দেহজনক তা বলাই বাহুল্য।

    স্বাগত যে পথে এদিকে এসেছিল সে পথেই আবার নালা পেরিয়ে, তারপর মন্দিরের সামনে ফিরে এল। কেউ তাদের ঘরের দরজা খোলেনি। প্রফেসরের ঘরের দরজাও তালা বন্ধ। চত্বরের চারপাশে তাকিয়ে নিয়ে সে নিজের ঘরের ভিতর ঢুকল। মাত্র কয়েক মুহূর্তের ব্যবধান। টুকটুক আসার শব্দ কানে এল। তারপর প্রফেসর চত্বরে উঠে এলেন। তাঁকে দেখেই কোনও খবর আছে কি না জানার জন্য আবার দরজা খুলে স্বাগত বাইরে বেরিয়ে এল। প্রফেসর তাঁকে দেখে দাঁড়িয়ে পড়লেন। স্বাগত তার কাছে যেতেই তিনি জানতে চাইলেন, ‘কেউ এসেছিল?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘নারেঙ খাম এসেছিল, কিন্তু মন্দিরের ভিতর ঢোকেনি, বলল, সে আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, ফেরার পথে খোঁজ নিতে এসেছিল।’

    ‘কী খোঁজখবর নিল নারেঙ?’ জানতে চাইলেন রামমূর্তি।

    —‘সে জিজ্ঞেস করে গেল সব ঠিক আছে কি না? আর জিজ্ঞেস করছিল ফঙের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট জানা গেছে কি না? পুলিসের সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়েছে কি না? আমি ‘না’ বলে দিয়েছি।’—এ কথা বলে স্বাগত জানতে চাইল ‘সিয়েমরিপে আপনি কোনও খবর পেলেন?”

    রামমূর্তি একটু চুপ করে থেকে বললেন, ‘অধিকর্তা কিমের অফিসে গিয়েছিলাম আমি। তিনি বললেন কমিশনার বাকুমের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। পোস্টমর্টেম নাকি বলছে যে ভারী কোনও কিছুর আঘাতেই ফঙের মাথার খুলি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে। হয়তো বা ওই অপ্সরার মুন্ডুটা দিয়েই আঘাত করা হয়েছিল তাকে। মুন্ডুর ফরেনসিক পরীক্ষা না করলে সেটা স্পষ্ট হবে না। ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পুলিস ওটা রাজধানী নমপেনে পাঠাবে। সেই রিপোর্ট পেতে কিছুটা দেরি হবে।’

    এ কথা বলার পর রামমূর্তি বললেন, ‘তবে কিম জানালেন, মন্দিরে কাজ করতে আমাদের সমস্যা নেই। কাল থেকেই কাজ শুরু করব আমরা। মূল মন্দিরের ভিতরের অংশ জরিপের কাজ। আমি যাই। রোদে ঘুরে ক্লান্ত লাগছে।’- এ কথা বলে তিনি তাঁর ঘরের দিকে এগলেন। স্বাগত একটা জিনিস খেয়াল করল, তিনি কেনাকাটা করতে সিয়েমরিপ যাবেন বললেও ফেরার সময় সঙ্গে কোনও ব্যাগপত্তর নেই। তবে কি তিনি অন্য কোনও কারণে সিয়েমরিপ গিয়েছিলেন? —ভাবতে ভাবতে নিজের ঘরের দিকে এগল স্বাগত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }