Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩৫

    পর্ব ৩৫

    হারাজের কথা শুনে তাঁকে প্রণাম জানাল ভাস্কর। সে মনে মনে বলল, ‘আপনার থেকে আমার প্রেয়সীকে চেয়ে নেব আমি।’

    তবে মানুষ ভাবে এক, হয় আর এক। ওই মন্দির পরিদর্শন করে যখন ধরণীন্দ্রবর্মন তাঁর প্রাসাদে ফিরলেন তখন বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামতে চলেছে। প্রাসাদে ফিরে তিনি শুনলেন কাকোদর নামে এক ধীবর মহারাজের সাক্ষাৎপ্রার্থী। তাঁর কাছে মহারাজের পাঞ্জার ছাপ আছে। অর্থাৎ মহারাজের সঙ্গে যেকোনও সময় সাক্ষাৎ করতে পারে। প্রাসাদের প্রধান রক্ষী বড়ই আশ্চর্য হয়েছে তার কাছে মহারাজের পাঞ্জা দেখে। মহারাজ তাঁর সিংহাসন আরোহণের পর সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে গুপ্তচর নিয়োগ করেছিলেন। কাকোদর তেমনই এক ব্যক্তি যে ধীবরের ছদ্মবেশে মেকং নদীতে ঘুরে বেড়াত। মহারাজ তাঁর আগমনের খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ তাঁর কাছে পাঠিয়ে দিতে বললেন গুপ্ত কক্ষে।

    কাকোদর মহারাজকে বলল, ‘মেকং নদীর এক নির্জন পাড়ে একটা শূন্য নৌকার সন্ধান মিলেছে। সেই নৌকার অগ্রভাগে কাষ্ঠ নির্মিত জলদানবের মাথা আছে। চামেদের নৌকায় যেমন থাকে। খুব বড় নৌকা নয়। আট-দশ জন মানুষ ধরতে পারে তেমন নৌকা। আমার অনুমান তারা আমাদের রাজ্যে প্রবেশ করেছে। এ সংবাদটা মহারাজকে জানাতে এলাম।’

    গুপ্তচরের সঙ্গে আরও কিছু কথাবার্তা বলে তাঁকে পারিতোষিক দিয়ে বিদায় জানাবার পর মহারাজ ব্যাপারটা নিয়ে বেশ ভাবিত হয়ে পড়লেন। আট-দশজন চাম রাজ্যের দখল নিতে পারবে না ঠিকই, কিন্তু তারা ভবিষ্যতে এ রাজ্য আক্রমণের পরিকল্পনা রচনার জন্য গুপ্তচর নিয়োগ করেছে হয় তো। আর একটা ব্যাপারেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তারা গুপ্ত হত্যায় পটু। এ সব ব্যাপার ভেবে নিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন পার্ষদদের নিয়ে আলোচনায় বসবেন। আগামী উৎসবের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি তিনি চামেদের ব্যাপারটাও তাঁদের জানিয়ে রাখবেন রাজ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে। সেই মতো সেই রাতেই মহারাজ তাঁর সব সভাসদদের কাছে বার্তাপ্রেরণ করলেন যাতে পরদিন দ্বিপ্রহরে তাঁরা মন্ত্রণা কক্ষে উপস্থিত হয় সে জন্য।

    মহারাজের জরুরি বার্তা পেয়ে পরদিন নির্দিষ্ট সময় মহারাজের প্রাসাদে হাজির হল তাঁর সভাসদরা। তিনি প্রথমে চামেদের আগমনের আশঙ্কার কথাটাই তাঁদের সামনে ব্যক্ত করলেন। ব্রাহ্মণ দিবাকর, সেনাপতি রুদ্ররূপ, শ্রেষ্ঠ পার্ষদ বিরুচ, বৌদ্ধ সন্ন্যাসী মহামঙ্গল এ বিষয় নিয়ে খানিক আলোচনার পর মহারাজকে আশ্বস্ত করে বললেন, ‘সতর্ক থাকার প্রয়োজন হলেও এ নিয়ে আশঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। উৎসবের আর মাত্র কিছুদিন বাকি। তা মিটে যাওয়ার পর মেকং নদীর জল সীমান্তে সেনা মোতায়নের ব্যবস্থা করা হবে। আর ইতিমধ্যে গুপ্তচর যদি অন্য কোনও সংবাদ বহন করে আনে, তখন সেই মতো ব্যবস্থা করা যাবে। আপাতত উৎসবের দিকেই মনোনিবেশ করা প্রয়োজন। কারণ ইতিমধ্যে জম্বুদ্বীপ, সিংহল, শ্যামদেশের বেশকিছু নৃপতিদের কাছে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। তাঁরা উপস্থিত হবেন বলে সম্মতিও দিয়েছেন। তাঁদের আতিথিয়তায় কোনও ত্রুটি রাখা যাবে না। তাঁরা যেন এ দেশে এসে মোহিত হন। আর চামেদের আগমনের আশঙ্কাটা গোপন রাখতে হবে। কারণ, জনমানসে তা পল্লবিত হয়ে পৌঁছলে আতঙ্ক ছড়াতে পারে, উৎসবের পরিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে।’

    পার্ষদদের পরামর্শ শুনে মহারাজ আশ্বস্ত হওয়ার পর উৎসবের আয়োজন প্রসঙ্গে আলোচনায় প্রবেশ করলেন। ব্রাহ্মণ দিবাকর বললেন, ‘বিষ্ণুলোকে মহারাজ এ রাজ্যের মঙ্গল কামনায় যে বিশেষ পুজোর আয়োজন করবেন সে স্থানে মহারাজকে সকাল থেকেই উপস্থিত থাকতে হবে। হোমযজ্ঞ ইত্যাদি সম্পন্ন হতে বিকাল গড়িয়ে যাবে। অতএব সিদ্ধান্ত হল, বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামার পর তিনি প্রথমে রাজসভাতে আসবেন। সেখানেই তিনি অতিথি অভ্যাগতদের উপহার গ্রহণ ও প্রদান করবেন। অতঃপর প্রাসাদ প্রাঙ্গণে অতিথিদের সঙ্গে নৈশাহার সম্পন্ন করার পর সেদিনের মতো মহারাজের জন্মদিবসের অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটবে। আর মন্দির নগরীর নাগরিকদের জন্য সেই দিন দিবা-রাত্র নগরীর নানান স্থানে আহার ও উপহার প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। প্রত্যেক নাগরিককে দেওয়া হবে একটি করে স্বর্ণমুদ্রা। যার একপাশে অঙ্কিত থাকবে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মনের ছবি, আর অন্যপাশে থাকবে বিষ্ণুলোকের ছবি।’

    মহারাজের এই পার্ষদরাই তাঁর জন্ম দিবসের উৎসব সুচারুভাবে পরিচালনা করবেন। তাই তাঁদেরও খুশি রাখা প্রয়োজন। উৎসব উপলক্ষে তাঁদের কারও কোনও ব্যক্তিগত ইচ্ছা থাকলে তা পূরণ করলে খুশি হবেন তাঁরা। তাই কৌশলী মহারাজ আলোচনার শেষ লগ্নে এসে বললেন, ‘এবার বলুন, এই উৎসব উপলক্ষে আপনাদের কী মনোবাঞ্ছা? আপনারা প্রত্যেকে আপনাদের ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার কথা নিঃসঙ্কোচে আমাকে বলতে পারেন। প্রয়োজন বোধে তার জন্য আগাম কোনও ব্যবস্থা করতে হলে আমি তা করব।’

    মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মনের কথা শুনে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী মহামঙ্গল প্রথমেই জানিয়ে দিলেন, ‘তাঁর কোনও জাগতিক আকাঙ্ক্ষা নেই। ভগবান বুদ্ধের আশীর্বাদে অনুষ্ঠান সুসম্পন্ন হোক, মহারাজ ও তাঁর রাজ্যবাসীর সুখ শান্তি অক্ষুণ্ণ থাকুক তাই তাঁর একমাত্র আকাঙ্ক্ষা।’

    অন্যরা একটু ভাবার পর ব্রাহ্মণ শ্রেষ্ঠ দিবাকর জানালেন, —যে একশত ব্ৰাহ্মণ ওইদিন তাঁর সহযোগী রূপে মন্দিরে পুজোঅর্চনার কাজে নিয়োজিত থাকবেন তাঁদের প্রত্যেককে একটি করে স্বর্ণ কলস প্রদান করতে পারলে ভালো হয়?’

    বিরুচ বললেন, ‘তাঁর মন্দির প্রাসাদে যে জলদেবীর মন্দির আছে সেই মন্দিরের ধ্বজার জন্য একটি স্বর্ণ দণ্ড তাঁর প্রয়োজন। তাতে অতিথি অভ্যাগতদের চোখে মন্দিরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।’

    সেনাপতি রুদ্ররূপ একটু ইতস্তত করে বললেন, ‘উৎসব উপলক্ষে আমি কিছু সেনানায়ককে আমন্ত্রণ জানাতে চাই। আমার ভবনেই তাঁরা অবস্থান করবেন। সারা বৎসরকাল ধরে তাঁরা সীমান্ত অঞ্চলে দেশ রক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকেন শত্রুভয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে। অনেক সময় তাঁদের উপযুক্ত আহার-পানীয় গ্রহণ করাও সমস্যা হয় । উৎসবের দিনে আমি তাঁদের সে অভাব পূরণ করতে চাই। মহারাজ যদি তাঁদের জন্য উৎকৃষ্ট সোমরসের ব্যবস্থা করেন তবে তাঁরা তৃপ্ত হবেন।’

    মহারাজ হেসে বললেন, ‘আপনাদের সবার আকাঙ্ক্ষাই উত্তম রূপে পূরণ করা হবে।’

    মহারাজ এরপর খেয়াল করলেন। তাঁর সভাসদদের মধ্যে একজন নিশ্চুপ হয়ে আছেন। তিনি কোনও দাবি জানাননি। হয়তো বা সঙ্কোচ বোধ করছেন দাবি জানাতে। তাই তাঁর উদ্দেশে বললেন, ‘বল উগ্রদেব। তোমার কী আকাঙ্ক্ষা। নিঃসঙ্কোচেই বল?’

    মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মনের কনিষ্ঠতম পার্ষদ উগ্রদেব বললেন, ‘আমার কোনও দুর্মূল্য দ্রব্যের আকাঙ্ক্ষা নেই। বিষ্ণুলোকের যে চম্পা নাম্নী নর্তকী আছে তাকে আমি আমার প্রাসাদ মন্দিরের নর্তকী হিসাবে পেতে চাই। বিগ্রহের সামনে নৃত্য প্রদর্শন করবে সে, উৎসব উপলক্ষে যে অতিথিরা আমার গৃহে পদার্পণ করবেন তাঁদেরও নৃত্যপ্রদর্শন করবে ওই নর্তকী।’

    মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন, উগ্রদেবের কথা শুনে একটু থমকে গেলেন। চম্পা বিষ্ণুলোকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নর্তকী। মহারাজ স্বয়ং তাঁর নৃত্য উপভোগ করে প্রীত হন। তিনি প্রথমে বুঝতে পারলেন না কী উত্তর দেবেন। তাঁকে নিশ্চুপ থাকতে দেখে উগ্রদেব বললেন, ‘আমি বুঝতে পারছি মহারাজ অন্য সভাসদদের ইচ্ছা পূরণে আগ্রহী হলেও অজানা কারণে হয়তো আমার ইচ্ছা পূরণে অনীহা প্রকাশ করছেন। থাক তবে, আমার আর অন্য কোনও দাবি নেই। মহারাজ যদি অনুমতি দেন তবে আমি এই সভাস্থল ত্যাগ করতে পারি। আমার মতো গুরুত্বহীন পার্ষদ আলোচনাতে না থাকলে কোনও ক্ষতি বৃদ্ধি হবে না।’

    উগ্রদেবের কণ্ঠস্বর এমনিতেই কর্কশ। কথাগুলো বলার সময় আরও কর্কশ শোনাল তাঁর কণ্ঠস্বর। এবার প্রমাদ গুনলেন মহারাজ। উগ্রদেব যদি ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হয় তবে প্রয়াত হরিদেবের অনুগামীদের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। তাছাড়া ভবিষ্যতে যদি আবার চামেদের সঙ্গে যুদ্ধ হয় তখন সকলের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে। উগ্রদেব, পার্ষদ বিরুচের জামাতাও বটে। জামাতার ইচ্ছাপূরণ না হলে পার্ষদ বিরুচও অপমানিত বোধ করতে পারেন।’—এ সব ভেবে নিয়ে মহারাজ ধরণীন্দ্রবর্মন বললেন, ‘ঠিক আছে আমি তাকে তোমার প্রাসাদে পাঠাবার ব্যবস্থা করছি। তাকে আমি তোমায় উপহার দিলাম।’

    উগ্রদেবের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল। সে বলল, ‘মহারাজের জয় হোক। আপনি বিষ্ণুলোকের প্রধান পুরোহিতকে আপনার নির্দেশ জানিয়ে দেবেন। একদিন পর আমার রক্ষীরা তাকে বিষ্ণুলোক থেকে আমার প্রাসাদে আনতে যাবে। …

    মহারাজ বললেন, ‘আমি বিষ্ণুলোকের প্রধান পুরোহিতের কাছে নির্দেশনামা পাঠিয়ে দিচ্ছি।’

    এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সভা ভেঙে গেল।

    পরদিন দ্বিপ্রহরে নিজ কক্ষে শুয়ে বিভোর ভাবে বহ্নির কথা ভাবছিল চম্পা। আর মাত্র কিছুদিনের ব্যাপার। আর তারপরই তো সে জম্বুদ্বীপে রওনা হবে ঘর বাঁধার জন্য। কিন্তু এ ক’টা দিন যেন কিছুতেই কাটতে চাইছে না। ঠিক এমন সময় মন্দিরের এক সেবায়েত এসে উপস্থিত হল চম্পার কক্ষের দ্বারে। সে তাকে বলল, ‘প্রধান পুরোহিত তোমাকে ডাকছেন।’

    মাঝে মাঝে সন্ধ্যারতির নৃত্যপ্রদর্শনের আগে নৃত্য কীভাবে পরিচালিত হবে, কারা কারা তাতে অংশ নেবে তা আলোচনা করার জন্য প্রধান পুরোহিত নর্তকীদের ডাক পাঠান। চম্পা ভাবল তেমনই ডাক এসেছে। সে গিয়ে উপস্থিত হল গর্ভমন্দির প্রাঙ্গণে। প্রধান পুরোহিত তাকে মহারাজের নির্দেশ জানিয়ে দিয়ে বললেন, পরদিনই তাকে যেতে হবে রাজপার্ষদ উগ্রদেবের প্রাসাদে। আগামী কাল থেকেই ওই প্রাসাদই হবে নর্তকী চম্পার বাসস্থান। এ কথা শুনে চম্পার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। বিগ্রহর দিকে তাকিয়ে সে বলল, ‘হে দেবতা, এ কী হল? তুমি তো সবই জান। এবার আমি বহ্নির সঙ্গে মিলব কীভাবে?’

    নিরুত্তর রইল ভগবান বিষ্ণুর স্বর্ণ বিগ্রহ।

    চম্পা সে স্থান থেকে নিজ কক্ষে ফিরে আসার পর বিকাল হতেই ছুটল ভাস্কর বহ্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য। চম্পা মন্দির তোরণের সামনে এসে উপস্থিত হতেই দেখতে পেল বহ্নি অন্যদিনের মতোই সে স্থানে প্রতীক্ষা করছে। চম্পা তার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই বহ্নি উৎফুল্ল ভাবে বলল, ‘সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই মজুরের দল আসে। আমি কাজ শুরু করি। পাথর নিয়ে কাজ আমার। সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করি। কিন্তু দিনের শেষে তোমাকে দেখলেই আমার সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।’—এ কথা বলে সে নর্তকী চম্পাকে নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করল। প্রাঙ্গণ অতিক্রম করতে করতে সে এরপর চম্পাকে বলল, ‘তোমাকে আমি যে উপহার দেব বলেছিলাম সে উপহারও আমি প্রস্তুত করতে শুরু করেছি। গৃহে ফিরে গিয়ে সে কাজেই মনোনিবেশ করি। তবে সে কাজ করতে আমার ক্লান্তি বোধ হয় না।’

    কিন্তু তার এ কথাতেও চম্পা নির্বাক থাকাতে ভাস্কর বহ্নি চম্পার মুখের দিকে তাকাল। বিকালের রাঙা আলোতে চম্পার মুখমণ্ডলে বিষাদ জেগে আছে!

    বহ্নি তা দেখে প্রশ্ন করল, ‘কী হয়েছে তোমার?’

    চম্পা কোনওক্রমে বলল, ‘চল নৃত্যমঞ্চে বসে কথা বলি।’ সে স্থানে গিয়ে বসার পর তাঝোর কান্নায় ভেঙে পড়ল চম্পা। কাঁদতে কাঁদতে সে বলল, ‘তোমার সঙ্গে আমার আর জম্বুদ্বীপে গিয়ে ঘর বাঁধা হবে না। হয়তো আর কাল থেকে সাক্ষাতও হবে না আমাদের।’

    বিস্মিত বহ্নি জানতে চাইল, ‘ঘর বাঁধা হবে না কেন?’

    নর্তকী চম্পা এবার খুলে বলল সব কথা। তা শুনে বহ্নিও কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে রইল। এমন দুর্যোগ যে হঠাৎ নেমে আসতে পারে সে ভাবেনি। গতকালই সে ভেবে রেখেছিল পুরস্কার স্বরূপ সে মহারাজের কাছে চম্পাকে প্রার্থনা করবে। কিন্তু এক রাতের মধ্যেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন হয়ে গেল! চম্পা এরপর বহ্নির বাহু আলিঙ্গন করে বলল, ‘তুমি যদি আমাকে সত্যি ভালোবেসে থাক তবে চল আজ রাত্রেই এই নগরী থেকে পলায়ন করে জম্বুদ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করি।’

    বহ্নি বলল, ‘কিন্তু তার জন্য যে প্রস্তুতির প্রয়োজন তা তো আজ রাত্রের মধ্যে করা সম্ভব নয়। সমুদ্র পথ পাড়ি দিতে হলে বড় নাওয়ের দরকার। মাঝি মাল্লার দরকার। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে তা সংগ্রহ করা অসম্ভব।’

    বহ্নির কথায় ক্রন্দনরত চম্পা বলল, ‘তবে আজই কি আমাদের শেষ সাক্ষাৎ? উগ্রদেব নিশ্চয়ই আমাকে আর মুক্তি দেবেন না।’

    বহ্নি খানিক ভেবে নিয়ে বলল, ‘শোনো চম্পা, মহারাজের জন্মদিবসের দিন সবাই উৎসবে মেতে থাকবে। তুমি সেদিন সূর্যাস্তের আগে যেভাবেই হোক বিষ্ণুলোকের সামনে উপস্থিত হবে। হাজার জনতার ভিড়ে কেউ তোমাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে পারবে না। আমি তোমাকে ঠিক খুঁজে নেব। আর সে রাতেই আমরা মন্দির নগরী ত্যাগ করে রওনা হব জম্বুদ্বীপের উদ্দেশে। আমি ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্তুতি গোপনে সেরে রাখছি। এ কথা বলার পর সে চম্পাকে বলল, ‘আমার সঙ্গে যদি তোমার আজকের পর দেখা নাও হয় তবে এই কথাই হয়ে রইল। তবে রোজ সূর্যাস্তের সময় আমি উগ্রদেবের প্রাসাদের সামনে দিয়ে যাব। তোমার যদি সুযোগ হয় তবে তুমি ওই সময় প্রাসাদের অলিন্দে, ছাদে বা কোনও উচ্চ স্থানে দাঁড়িয়ে থাকবে। আমাদের মধ্যে কথা বলার সুযোগ না হলেও আমরা পরস্পরকে দেখতে অন্তত পাব। আর প্রাসাদে নিজের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সদা সতর্ক থাকব। উগ্রদেবকেও যথাসম্ভব সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করবে যাতে তার মধ্যে তোমার প্রতি কোনও সন্দেহের উদ্রেক না ঘটে। দেখবে দেখতে দেখতেই মাঝের এ ক’টা দিন কেটে যাবে।” -এ কথা বলে বহ্নি তার উত্তরীয় দিয়ে চম্পার অশ্রু মুছিয়ে দিল। চম্পাকে আলিঙ্গন করল সে। চম্পাও এবার কিছুটা ধাতস্থ হল তার কথা শুনে। সূর্য ডুবে গেল। রাত্রি নামার পর বিষ্ণুলোকের দিকে ফেরার পথ ধরল তারা। বিদায় বেলায় নর্তকী চম্পার কপালে চুম্বন করে তার হতে কিছু স্বর্ণ মুদ্রা দিয়ে ভাস্কর বহ্নি বলল, ‘এই মুদ্রাগুলো তোমার কাছে রাখ। কোনও

    খামের যুবতী স্বাগতর উদ্দেশে বলল, তোমাকে আমি মন্দিরের পিছনে যেতে নিষেধ করেছিলাম তাও তুমি সেখানে গেলে! আমার কথা শুনে চল, নইলে তোমার বিপদ হবে। আর যেও না ওখানে। আমার অনুরোধগুলো রেখা” স্বাগত অবাক হয়ে বলল, ‘তুমি কীভাবে জানলে সে কথা?

    জরুরি প্রয়োজনে কাজে আসতে পারে। মহারাজের জন্মোৎসবের দিন সূর্যাস্তের আগে বিষ্ণুলোকের মন্দির প্রাঙ্গণে মিলিত হব আমরা। চম্পা মুদ্রাগুলো গ্রহণ করে শেষ বারের মতো চুম্বন করল বহ্নির অধরে। তারপর তারা দু’জন যে যার বাসস্থানের দিকে রওনা হল। পরদিনই দু’জন রক্ষী এসে বিষ্ণুলোক থেকে চম্পাকে নিয়ে গেল উগ্রদেবের মন্দির প্রাসাদে। প্রাকার ঘেরা বিশাল মন্দির প্রাসাদ তার। নর্তকী চম্পাকে হাজির করা হল উগ্রদেবের সামনে। তিনি চম্পাকে বললেন, ‘এ প্রাসাদে যখন এসেই গেছিস তখন তোকে এ প্রাসাদের নিয়ম বিধিগুলো জানিয়ে দিই। আমার অনুমতি ছাড়া এ প্রাসাদ ত্যাগ করা নিষেধ। আমার অপরিচিত কোনও বহিরাগত পুরুষকে এ প্রাসাদে আমি প্রবেশ করতে দিই না। আরও দু’জন তোরই মতো নর্তকী আছে এ প্রাসাদে, তারাও জানে সে রক্ষী হোক বা ভৃত্য, এ প্রাসাদে অন্য কোনও পুরুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক স্থাপন নিষিদ্ধ। আর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা হল এ প্রাসাদের কোনও ঘটনা বা খবর কোনওভাবে বাইরে পাঠাবার চেষ্টা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আমার প্রাসাদের পশ্চাৎভাগে একটা কুমির ভর্তি পুষ্করিণী আছে। ওরা নরমাংস খেতে ভালোবাসে। মনে রাখবি, তোর ভাগ্যবিধাতা এখন থেকে আর মহারাজ নন, আমি।’—এ কথাগুলো বলে হাসল উগ্রদেব।

    নর্তকী চম্পা তাকে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণাম জানিয়ে বলল, ‘আমি আপনার নির্দেশ মতোই চলব প্রভু।’

    এরপর এক দাসী তাকে নিয়ে গেল সবকিছু দেখিয়ে, বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। তবে এ প্রাসাদে যে বিগ্রহ আছে তা ভগবান বিষ্ণুর নয়, শিবের। মন্দিরের পুরোহিত ও অন্য দু’জন নর্তকীর সঙ্গেও পরিচয় হল তার। চম্পার মনে হল অন্য দু’জন নর্তকী খুব একটা আগ্রহ প্রকাশ করল না তার বিষয়ে। পুরোহিত তাকে জানিয়ে দিল তার নির্দেশ মতো তিন নর্তকী ভোরে দেবতার ঘুম ভাঙার পর, মধ্যাহ্নে তাঁর ভোজনের আগে ও সন্ধ্যারতির সময় পালা করে নৃত্যপ্রদর্শন করবে। বাগান থেকে পুষ্পচয়ন করে মালাও গাঁথতে হবে চম্পাকে।

    বিকাল হয়ে এল একসময়। প্রাসাদের প্রাকার এত উঁচু যে বাইরে থেকে কিছু দেখা যায় না। তবে একটা জিনিস তার চোখে পড়ল। সেই মন্দির শীর্ষে ধ্বজা ওড়াবার জন্য এটা সোপান শ্রেণি আছে। শেষ বিকালে সূর্যাস্তের কিছু আগে সে সেই সোপান বেয়ে ওপরে উঠে পড়ল। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সে দেখতে পেল প্রাসাদের সামনে দিয়ে অশ্বপৃষ্ঠে চলেছে ভাস্কর বহ্নি। তার উদ্দেশে হাত নাড়তে গিয়েও নিজেকে সংযত করে ফেলল চম্পা। প্রহরীর দল চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। একসময় বহ্নি তার দৃষ্টিপথের আড়ালে চলে গেল। সূর্যও ডুবে গেল বিষ্ণুলোকের আড়ালে।’’—এ পর্যন্ত বলে থেমে গেল খামের যুবতী।

    স্বাগত খেয়াল করল চারপাশে অন্ধকার নামতে শুরু করেছে। সূর্য ডুবে গেছে বিষ্ণুমন্দিরের আড়ালে। মেঘে ছেয়ে যেতে শুরু করেছে আকাশ। যুবতী বলল, ‘আমার কাহিনি শেষ হতে আর বেশি বাকি নেই। তবে আজ এ পর্যন্তই থাক। তুমি এবার যাও। নইলে বৃষ্টি নেমে যাবে। ‘—এ কথা বলে সে নিজেও উঠে দাঁড়িয়ে অন্যদিকে পা বাড়াতে গিয়ে একবার থামল। তারপর স্বাগতর উদ্দেশে বলল, ‘তোমাকে আমি মন্দিরের পিছনে যেতে নিষেধ করেছিলাম তাও তুমি সেখানে গেলে! আমার কথা শুনে চল, নইলে তোমার বিপদ হবে। আর যেও না ওখানে। আমার অনুরোধগুলো রেখ।’

    স্বাগত অবাক হয়ে বলল, “তুমি কীভাবে জানলে সে কথা?”

    খামের যুবতী সংক্ষিপ্ত উত্তর দিল, ‘আমি জানি।’ —এ কথা বলে সে এগল জঙ্গলের ভিতর দিকে। আর স্বাগতও সে জায়গা ছেড়ে ফেরার পথ ধরল। কিছুটা এগিয়েই সে রাস্তার পাশে একটা গাড়ি দেখতে পেল। টুকটুক নয়, পিছনের ছাদখোলা কেরিয়ার ভ্যানের মতো একটা গাড়ি। তার সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছে একটা লোক। গাড়িটার পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় লোকটার গায়ে ড্রাগনের ছবি দেখে স্বাগত তাকে চিনতে পেরে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। জুয়ার আড্ডার মালিক হোয়াঙ। লোকটাও তাকে চিনতে পেরে জিজ্ঞেস করল, ‘মন্দিরে ফিরছ?’

    স্বাগত জবাব দিল, ‘হ্যাঁ! ‘

    তারপর সে জানতে চাইল, ‘তুমি কি প্রফেসরের সঙ্গে দেখা করতে এসেছ?’

    লোকটা উত্তর দিল, ‘না, আমি এখানে ব্যাঙ ধরতে এসেছি। রেসের জন্য বিশেষ ধরনের ব্যাঙ পাওয়া যায় এখানে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }