Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প603 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – ৩৬

    পর্ব ৩৬

    হুয়াঙ-এর কথা শুনে স্বাগতর মনে হল, প্রফেসর আজ সিয়েমরিপ গিয়েছিলেন, হয়তো সেখানেই তাঁদের দু’জনের মধ্যে কথাবার্তা সারা হয়ে গেছে। হোয়াঙ এরপর বলল, ‘ওই ফঙ মারা যাওয়াতে আমার বেশ সমস্যা হল। ও ভালো জাতের ব্যাং চিনত। আমার কাছে ব্যাং ধরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করত। ও না থাকায় আমাকেই আসতে হল।’

    স্বাগতর মনে পড়ল, হেরুম বলেছিল যে ফঙের সঙ্গে হোয়াঙকে সিয়েমরিপে কথা বলতে দেখেছিল লোকেরা। হতে পারে ব্যাং বিক্রির ব্যাপারেই ফঙ আলোচনা করতে গিয়েছিল হোয়াঙয়ের সঙ্গে। স্বাগত এরপর আর কথা বাড়াল নো হোয়াঙয়ের সঙ্গে, ‘বৃষ্টি নামতে পারে। চলি!’ বলে সে পা বাড়াল মন্দিরের দিকে। কিন্তু একটু এগিয়েই সে দেখতে পেল আর একজনকে। রাস্তা যেখানে মন্দিরে যাওয়ার জন্য বাঁক নিয়েছে তার কিছুটা দূরে একটা গাছের তলায় পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভব! এই সাঁঝবেলাতে তিনি এখানে কী করছেন? সাধারণত তিনি লতাপাতা সংগ্রহ করতে এলে ভোরবেলাতেই আসেন। স্বাগতর একবার মনে হল সে গিয়ে কথা বলে সন্ন্যাসীর সঙ্গে। কিন্তু সন্ধ্যা নামতে শুরু করেছে। তাই সে আর তার দিকে না তাকিয়ে এগিয়ে গেল মন্দিরের দিকে।

    সুরভী-নাতাশা-বিক্রম-প্রীতম দাঁড়িয়েছিল মন্দির চত্বরেই। স্বাগত গিয়ে মিলিত হল তাদের সঙ্গে। বিক্রম স্বাগতকে জিজ্ঞেস করল, ‘প্রফেসর সিয়েমরিপ থেকে ফিরে এসে তাঁর আগামী পরিকল্পনার ব্যাপারে কিছু বললেন তোমাকে? গাইড ফঙের মৃত্যুর ব্যাপারে কিছু জানা গেল?’

    স্বাগত বলল, ‘প্রফেসর অধিকর্তা কিমের সঙ্গে দেখা করেছেন। তার বা পুলিসের তরফে মন্দিরের ভিতর কাজ করার ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি নেই। কাল থেকে মূল মন্দিরের ভিত জরিপের কাজ শুরু হবে।’ এ কথা বলে একটু চুপ করে থেকে সে বলল, ‘প্রফেসরের মুখে শুনলাম, পোস্ট মর্টেমের রিপোর্ট অনুসারে ভারী কিছুর আঘাতে খুলি ভেঙে ওর মৃত্যু হয়েছে। সম্ভবত ওই পাথরের মাথাটা দিয়েই ওকে আঘাত করা হয়েছে।’

    নাতাশা প্রশ্ন করল, ‘আমাদের দেশে ফেরার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা করে উঠবে সে ব্যাপারে কিছু বললেন প্রফেসর?’

    স্বাগত জানাল, ‘এ ব্যাপারে প্রফেসরের সঙ্গে কোনও কথা হয়নি।’

    তার কথা শুনে বিড়বিড় করে নাতাশা বলল, ‘যেদিন নিষেধাজ্ঞা উঠবে তার পরদিনই আমি ফেরার জন্য রওনা হব।’

    এ প্রসঙ্গে আর কথা না বলে স্বাগত বলল, ‘বৃষ্টি নামার আগে আজ রাতের খাবারটা তাড়াতাড়ি বানিয়ে নেওয়া যাক।’

    অন্ধকার নামল। হাতে হাতে রান্নার কাজ শুরু করে দিল সবাই। খিচুড়ি, ডিম ভাজা। সাতটার মধ্যেই রান্নার কাজ মিটে গেল। ধীরে ধীরে ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করেছে। বৃষ্টি নামার পূর্বাভাস। প্রফেসরের ঘরে বিক্রমকে দিয়ে স্বাগত খাবার পাঠিয়ে দিল। সে খাবার দিয়ে ফিরে আসার পর স্বাগত জানতে চাইল, “স্যর কী করছেন?”

    বিক্রম জবাব দিল, ‘ল্যাপটপে কাজ করছেন। দেখে মনে হল মন্দিরের মাপজোকের কাজ।’

    প্রফেসরকে খাবার দিয়ে আসার পর একইসঙ্গে খেতে বসল সকলে। তাদের খাওয়া শেষ হতে না হতেই বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে শুরু করল। স্বাগতরা এরপর যে যার ঘরে ফিরে এল।

    ঘুমিয়ে পড়ার মতো সময় হয়নি। সবে সাড়ে সাতটা বাজে। খাটে বসে স্বাগত ভাবতে লাগল সারাদিনের কথা, তার অভিজ্ঞতার কথা, বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করতে লাগল ঘটনাগুলো— নারেঙ খাম কি মন্দিরের পিছনের সেই ছিদ্রপথ দিয়ে আজ বা আগে কোনওদিন মন্দিরে প্রবেশ করেছিল? গাইড ফঙও কি তার মৃত্যুর দিন ও পথেই মন্দিরে ঢুকেছিল? অপ্সরা বা যক্ষীর মাথাটা কে তুলে নিয়ে গিয়েছিল ভিতরে? ফঙ নিজেই? নাকি তার হত্যাকারী? জুয়ার আড্ডার চীনাটাই বা হঠাৎ এসে হাজির হয়েছে কেন এখানে? সত্যি কি ব্যাং ধরার জন্য নাকি অন্য কোনও মতলবে? সন্ধ্যাবেলাতে মন্দিরের কাছে বৌদ্ধ সন্ন্যাসী রত্নসম্ভবের উপস্থিতিও যেন একটু সন্দেহজনক! বিক্রমের থেকে শোনা কথাটাও উঁকি দিল স্বাগতর মনে। বিক্রমের দেখা সেই মহিলা কে? যে অন্ধকার রাতে মন্দির থেকে বেরিয়ে জঙ্গলের দিকে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল? প্রফেসর রামমূর্তি অত্যন্ত পণ্ডিত ও সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁর সম্পর্কে কোনও বিরূপ ধারণা স্বাগতর ভাবা হয়তো উচিত নয়, কিন্তু তবুও স্বাগতর মনে প্রশ্ন জাগছে, রামমূর্তির মতো মানুষের সঙ্গে জুয়ার আড্ডার মালিকের কীসের সম্পর্ক থাকতে পারে? অথবা বিক্রমের অনুমানই কি ঠিক? কোনও নারীর সঙ্গে সম্পর্ক আছে রামমূর্তি স্যরের? যে সংগোপনে এ মন্দিরে আসে রামমূর্তি সারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে? এ সব প্রশ্নর সঠিক উত্তর স্বাগতর কাছে না থাকলেও প্রশ্নগুলি কিন্তু তার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খেতে লাগল। খামের যুবতীর কথাও মনে হতে লাগল। নিজেকে সে এক অদ্ভুত রহস্যের চাদরে মুড়ে রেখেছে। তার আসল পরিচয় কী? কেন সে নিজের পরিচয় গোপন করে রেখেছে স্বাগতর তা জানা নেই। তবে তার অথবা তার গল্পর প্রতি আকর্ষণ স্বাগত যেন কিছুতেই প্রত্যাখ্যান করতে পারছে না। তবে এই মন্দির সম্পর্কে যে ওই যুবতী অনেক কিছু জানে সেটা তার কথা শুনে বুঝতে পারছে স্বাগত। সে স্বাগতকে বলেছে তার গল্প নাকি শেষের পথে। তার গল্প শেষ হলে এ মন্দিরের রহস্য উন্মোচন হবে কি? এ সব কথাই ভাবতে লাগল স্বাগত। বাইরে বৃষ্টি ঝমঝম শব্দে হয়েই চলেছে। বাইরের প্রাঙ্গণটা ঝাপসা লাগছে। বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে নানান কথা ভাবার পর স্বাগত বিছানায় শুয়ে পড়ল।

    পরদিন সকাল ন’টা নাগাদ নিজেদের ঘর থেকে চত্বরে বেরিয়ে এল সবাই। কুলি সর্দার হেরুম এসে উপস্থিত হওয়ার পর প্রফেসর রামমূর্তির নেতৃত্বে সকলে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করল। দিনের সূর্যালোকে মন্দিরের প্রাঙ্গণ আলোকিত থাকলেও স্থানে স্থানে বৃষ্টির জল জমে আছে। আর সেই জমা জলে খেলে বেড়াচ্ছে বড় বড় ব্যাং। তাদের দেখে স্বাগতর মনে পড়ে গেল গত সন্ধ্যায় তার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়া জুয়ার আড্ডার মালিক হোয়াঙ-এর কথা। প্রফেসর কি জানেন, লোকটা এদিকে ব্যাঙ ধরতে এসেছে? মন্দিরের দ্বিতীয় প্রাঙ্গণটা অতিক্রম করে সবাই প্রবেশ করল মূল মন্দিরের মধ্যে। প্রফেসরের পিছন পিছন তারা গিয়ে প্রথমে হাজির হল ঠিক সে জায়গাতে যেখানে সেই পাথরের ভাঙা মাথাটা পাওয়া গিয়েছিল! যা দিয়ে ফঙকে হত্যা করা হয়েছিল বলে পুলিসের অনুমান। পাথরটা অবশ্য সেদিনই পুলিস তুলে নিয়ে গিয়েছে। স্বাগতরা সেখানে কয়েক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে দেখল দেওয়াল গাত্রে খোদিত মূর্তিগুলোকে। প্রফেসর বললেন, ‘এবার আশপাশের ঘরগুলোর মাপার কাজ শুরু করব আমরা। দেওয়াল, মেঝে এসবও ভালো করে পরখ করে দেখতে হবে।’

    সেই মতো মাপার যন্ত্রপাতি নিয়ে পাশের একটা ঘরে ঢুকে কাজ শুরু করেদিল তারা। ঘরের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ-উচ্চতা পরিমাপ করা ছাড়াও মেঝে, দেওয়াল গাত্রগুলোও ঠুকে ঠুকে তারা পরীক্ষা করতে লাগল কোথাও কোনও ফাঁপা স্থান বা গুপ্তপথ আছে কি না তা অনুসন্ধানের জন্য। হেরুমকে প্রফেসর একসময় পাঠিয়ে দিলেন রান্নার কাজের জন্য। একটা ঘরের পরিমাপ করার জন্য স্বাগত, প্রীতম আর বিক্রম ঘরটাতে ঢুকল আর পাশের ঘরটাতে প্রফেসর ঢুকলেন সুরভী আর নাতাশাকে নিয়ে। প্রফেসর অন্য ঘরে চলে যাওয়ার পর প্রীতম স্বাগতকে বলল, ‘তোমার থেকে একটা কথা জানতে চাই। এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে ফঙের মৃত্যু ছাড়াও আরও কোনও ঘটনা বা দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে নাকি? অন্য কোনও ঘটনা কি কিছু ঘটেছে? প্রফেসরের সঙ্গে তোমারই তো বেশি কথা হয়। তুমি কি এ ব্যাপারে কিছু জানো?’

    প্রশ্নটা শুনে স্বাগত বলল, ‘কেন বল তো?’

    প্রীতম বলল, ‘আমার মন যেন তেমনই বলছে। গতকাল রাত বারোটা নাগাদ বিক্রম আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলল। ওর ঘুম আসছিল না বলে ও বাইরের দিকে তাকিয়ে শুয়েছিল। ও আমাকে ডেকে তোলার পর দেখলাম প্রফেসর বর্ষাতি গায়ে চত্বরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে চারপাশে দেখলেন। তারপর চত্বর থেকে নেমে জঙ্গলের মধ্যে চলে গেলেন। এত রাতে বৃষ্টির মধ্যে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন তুমি জানো? যদি আরও কিছু বিপদের পরিস্থিতি ঘটার সম্ভাবনা থাকে তবে তা আমাদের কাছে গোপন না করে একযোগে মোকাবিলা করার চেষ্টা করাই ভালো।’

    বিক্রম ঘাড় নেড়ে সম্মতি প্রকাশ করল প্রীতমের কথাতে। স্বাগত বেশ অবাক হয়ে গেল প্রীতমের কথা শুনে। সে বলল, ‘আমি সত্যিই জানি না কাল রাতে প্রফেসর কোথায় কেন গিয়েছিলেন?’

    এরপর একটু চুপ করে থেকে স্বাগত তাদের বলল, ‘গাইড ফঙের মৃত্যু কেন হল, বা কেন সে খুন হল তা তোমাদের মতো আমারও জানা না থাকলেও ওই ঘটনার পর থেকে আমাদের সকলেরই বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। হ্যাঁ, এটা হতেই পারে যে আমাদের সকলের অলক্ষে এই মন্দিরে কিছু ঘটছে বা ঘটতে চলেছে। তোমরা নিশ্চিন্ত থাক তেমন কোনও বিপদের ইঙ্গিত পেলে আমি সঙ্গে সঙ্গে তোমাদের জানাব। আমি কিন্তু তোমাদেরই একজন। তেমন কিছু হলে সবাইকে একসঙ্গে তার মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’

    প্রীতম বলল, ‘হ্যাঁ, সেটাই। আর আমাদের সহকর্মী দু’জন মহিলাও আছে। তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারটা বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে আমাদের।’

    স্বাগত বলল, ‘তা তো বটেই। তোমরা সুরভীকে বলে রেখ তার চোখেও যদি সন্দেহজনক কিছু পড়ে তবে সে যেন আমাদের ব্যাপারটা জানায়। নাতাশা তো ভয়ে কাঁটা হয়ে আছে। ওর সঙ্গে এসব নিয়ে আলোচনা করতে গেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।’

    পাশে ঘরেই কাজ করছেন রামমূর্তি। যে কোনও সময় তিনি এ ঘরে চলে আসতে পারেন। তাই এরপর আলোচনা থামিয়ে স্বাগতরা কাজে মন দিল।

    বেলা একটা পর্যন্ত একটানা কাজ করল সকলে। পরপর বেশ কয়েকটা ঘরের মাপজোক, দেওয়াল-মেঝে পরীক্ষা করে দেখা হল। কিন্তু শূন্য ঘরগুলোতে এমন কিছুর সন্ধান মিলল না যা এ মন্দির সম্পর্কে নতুন কোনও কিছুর আভাস দিতে পারে।

    বেলা দেড়টা নাগাদ স্বাগতরা মন্দির তোরণের বাইরে বেরিয়ে এল। তার ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে বলে প্রফেসর চলে গেলেন। হেরুম রান্না সেরে রেখেছিল, প্রফেসরের ঘরে সে খাবার দিয়ে এল। স্বাগতরা খাওয়া সেরে যে যার ঘরে ফিরে এল।

    স্বাগত ঘরে ফিরে প্রীতমদের মুখ থেকে শোনা কথাটা ভাবতে লাগল—গত রাতে কোথায় গিয়েছিলেন প্রফেসর? কী এমন কাজ থাকতে পারে যার জন্য বর্ষার মধ্যে মাঝরাতে তাঁকে জঙ্গলে যেতে হল? এ কথা ভাবতে ভাবতেই তার মনে পড়ল গতকাল দুপুরে এ সময় সে মন্দিরের পিছন দিকে গিয়েছিল। আর তারপর স্বাগতর মনে প্রশ্ন জাগল প্রফেসর কি কোনও দিন মন্দিরের পিছনের অংশ ঘুরে দেখেননি? তিনি কি সত্যিই জানেন না মন্দিরের পশ্চাৎভাগের ওই সুড়ঙ্গ বা প্রবেশ পথের কথা?

    নানা ভাবনা, প্রশ্ন ক্রমাগত ঘুরপাক খেতে লাগল স্বাগতর মনে। সময় এগিয়ে চলল। একসময় বিকেল হল। আর বিকেল হতেই অন্য বিকেলগুলোর মতোই খামের যুবতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার জন্য স্বাগত টান অনুভব করতে শুরু করল।

    রোদের তেজ একটু কমতেই, অন্যরা ঘর ছেড়ে চত্বরে বেরবার আগেই স্বাগত মন্দির ছেড়ে রওনা হল জঙ্গলের পথে। কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি হওয়ায় পথের দু-পাশে কোথাও কোথাও জল জমতে শুরু করেছে। বিশেষত বড় বড় গাছগুলোর নীচে। কারণ মাথার ওপর ডালপালার চাঁদোয়া থাকার কারণে সেখানে সূর্যের আলো আসে না। চারপাশ দেখতে দেখতে হেঁটে চলল স্বাগত। বর্ষণের কারণে ঝোপঝাড় গাছ-পালার পাতার ওপর থেকে ধুলোর আস্তরণ সরে গিয়ে তাদের আরও সবুজ প্রাণবন্ত দেখাচ্ছে। নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে গেল স্বাগত। ঘাস মাটির ওপর জলের প্রলেপ জমা হয়ে আছে। রাস্তা ছেড়ে নেমে যে স্থানে খামের যুবতী উপস্থিত হয়, অর্থাৎ সেই গাছে ঘেরা জায়গার দিকে এগচ্ছিল স্বাগত। কয়েক পা এগতেই তার দৃষ্টি পড়ল এক জায়গাতে। যেখানে ভেজা মাটির ওপর স্পষ্ট জেগে আছে জুতো পরা বেশ কিছু পায়ের ছাপ। ভালো করে তাকিয়ে সে বুঝতে পারল, সেই পদচিহ্নগুলো এগিয়েছে রাস্তার দিকে। আর ছাপগুলো যেদিক থেকে এসেছে সেদিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেল স্বাগত। নারী মূর্তিটা সেখানে আর নেই! পায়ের ছাপগুলো এসেছে সেদিক থেকেই। স্বাগত কৌতূহলী হয়ে সেই স্থানেই উপস্থিত হল। যেখানে এতদিন দাঁড়িয়ে ছিল সেই নারী মূর্তি। না, মূর্তিটা সেখানে নেই। মাটি থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে পাথরের ফলকটাকে যার গায়ে রচিত ছিল মূর্তিটা। কে বা কারা কেন উঠিয়ে নিয়ে গেল সেটা? যেখানে মূর্তিটা ছিল সে জায়গার সামনে কাদা-মাটিতে জেগে আছে বেশ কিছু পায়ের ছাপ। সেই ছাপগুলো ভালো করে দেখে স্বাগত বুঝতে পারল, শুধু একজনের নয়, বেশ কয়েক ধরনের জুতোর ছাপ রয়েছে সেখানে। সম্ভবত বেশ কয়েকজন লোক গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে এই সময়কাল পর্যন্ত উপস্থিত হয়েছিল এ স্থানে। তাদেরই কেউ বা তারা উঠিয়ে নিয়ে গেছে মূর্তিটাকে!

    অবাক হয়ে সে জায়গায় দাঁড়িয়ে চারপাশে তাকাতে লাগল স্বাগত। যদি আশপাশে মূর্তি বা অন্যকিছুর সন্ধান পাওয়া যায় তা দেখার জন্য। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই সে দেখতে পেল গাছে ঘেরা জায়গার ভিতর থেকে বাইরে এসে দাঁড়িয়েছে সেই খামের যুবতী। স্বাগত এগল তার দিকে।

    যুবতীর পিছন পিছন স্বাগত প্রবেশ করল তাদের বসার জায়গাতে। তারপর উত্তেজিত ভাবে বলল, ‘ওখানে যে মূর্তিটা ছিল সেটা নেই। কেউ বা কারা যেন তুলে নিয়ে গেছে ফলকটা!’

    খামের যুবতী বলল, ‘আমি জানি।’

    স্বাগত জানতে চাইল, ‘মূর্তিটা কারা নিয়ে গেছে তুমি জানো?’

    এ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে খামের কন্যা বলল, ‘অন্ধকার, প্রবল অন্ধকার হয়তো নেমে আসতে চলেছে বিষ্ণুলোকের বুকে। আর তার আগে আমার কাহিনিটা তোমাকে জানানো প্রয়োজন। বস তুমি।’

    আজ অন্যদিনের থেকে কিছুটা আগে স্বাগত এ স্থানে এসে পৌঁছেছে। যেখানে তারা কথা বলছে সে জায়গা ছায়াময় হলেও এখনও বেশ আলো আছে বাইরে। কাজেই অন্ধকার নামার ব্যাপারটা যে খামের সুন্দরী রূপক অর্থে বলল তা স্বাগতর বুঝতে অসুবিধা হল না। পাথর খণ্ডর ওপর বসল স্বাগত। খামের যুবতীও বসল তার নিজের জায়গাতে। আজ তার মুখমণ্ডলে কেমন যেন একটা গম্ভীর অথবা আশঙ্কিত ভাব ধরা দিচ্ছে। প্রস্তরখণ্ডে বসার পর আর মূর্তি প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস না করে স্বাগত বলল, ‘উগ্রদেবের প্রাসাদে যাওয়ার পর চম্পার কী ঘটল বল?’

    খামের যুবতী বলতে শুরু করল তার কাহিনি— “হ্যাঁ, উগ্রদেবের প্রাসাদেই রয়ে যেতে হল নর্তকী চম্পাকে। উঁচু প্রাকার ঘেরা প্রাসাদে সে যেন একটা বন্দি জীবনের মতো। প্রাসাদের বাইরে যাওয়ার অধিকার বা সুযোগ নেই চম্পার। দ্বাররক্ষীরা সদা জাগ্রত থাকে সেখানে। বাইরের লোকজনের বিশেষ যাওয়া আসা নেই এ প্রাসাদে। কোনও কোনও দিন যখন উগ্রদেব রাজসভাতে যান তখনই সাধারণত তোরণ খোলে বা বন্ধ হয়। পুরোহিতের নির্দেশিত কাজে চম্পা নিয়োজিত থাকে, কাজ না থাকলে সে কখনও মন্দির সংলগ্ন তার কক্ষে বসে ভগবান, বিষ্ণুকে ডাকে এই বন্দিশালা থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য, বহ্নির সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য। কখনও কখনও সে ঘুরে বেড়ায় প্রাসাদের সামনের বাগিচাতে অথবা প্রাসাদের বহিঃভাগে যে সব স্থানে তার প্রবেশ করার অনুমতি মেলে সে সব স্থানে। একদিন বাইরে থেকে প্রাসাদ প্রদক্ষিণ করতে করতে প্রাসাদের পশ্চাৎভাগে উপস্থিত হয়েছিল চম্পা। অনুচ্চ থাকার দিয়ে ঘেরা একটা পুষ্করিণী আছে সে স্থানে। কৌতূহলবশত চম্পা গিয়ে হাজির হয়েছিল সে স্থানে। উগ্রদেব মিথ্যা বলেননি তাকে। সে দেখতে পেয়েছিল কয়েকটা বিশালাকৃতির কুমির রোদ পোহাচ্ছে পুষ্করিণীর পাড়ে! কী বিশাল মুখগহ্বর আর হিংস্র দাঁত তাদের। চম্পা পুষ্করিণীর প্রাকারের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই তাকে দেখতে পেয়ে একটা প্রকাণ্ড কুমির বুকে হেঁটে তার দিকে এগিয়ে আসছিল। সঙ্গে সঙ্গে সে স্থান ত্যাগ করেছিল চম্পা। কুমিরগুলোর প্রাকার অতিক্রম করার ক্ষমতা না থাকলেও চম্পার মনে পড়ে গিয়েছিল উগ্রদেবের থেকে শোনা কথা। পুষ্করিণীর ওই কুমিরগুলো নাকি নরমাংস খেতে ভালোবাসে!

    মন্দিরের কাজ অথবা অবসর, সব সময়ই বহ্নির কথাই ভাবে চম্পা। বিকেল হলেই তার মন ব্যাকুল হতে থাকে বহ্নিকে দেখবে বলে। সূর্যাস্তের আগে সে রোজ উঠে গিয়ে দাঁড়ায় সেই ছোট মন্দিরশীর্ষের সোপান শ্রেণিতে। সড়ক পথে প্রাসাদের সামনে দিয়ে অশ্বপৃষ্ঠে বহ্নি একদিক থেকে এসে অন্যদিকে চলে যায়। হয়তো বা কয়েক মুহূর্ত মাত্র। কিন্তু সেই মুহূর্তর জন্যই সারা দিন অপেক্ষা করে থাকে চম্পা। চোখভরে সে দেখে বহ্নিকে। তারপর নীচে নেমে আসে। যেদিন সন্ধ্যারতির সময় তার নৃত্য প্রদর্শন করার নির্দেশ থাকে সেদিন নৃত্য প্রদর্শন করে। তারপর ফিরে যায়। এভাবে কয়েক দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর একদিন সন্ধ্যারতি সাঙ্গ হলেই পুরোহিত তাকে বললেন, ‘তুমি রোজ বিকেলে মন্দিরের মাথায় ওঠ কেন? এ ব্যাপারটা আমি খেয়াল করেছি, রক্ষী প্রধানও খেয়াল করেছে। ব্যাপারটা সে আমার থেকে জানতে চেয়েছিল।’

    চম্পাকে বাধ্য হয়ে মিথ্যা কথা বলতে হল। সে বলল, ‘ওই স্থানে দাঁড়িয়ে আমি বিষ্ণুলোকে সূর্যাস্তের শোভা উপভোগ করি। তাছাড়া এই স্থানে শীতল বাতাস বয় শরীরে আরাম অনুভব হয়।’

    পুরোহিত তার জবাব শুনে বললেন, ‘আশা করি তুমি সত্যি কথাই বলছ। তবে একটা কথা সবসময় মনে রাখবে, এ প্রাসাদের অভ্যন্তরে উগ্রদেবের ইচ্ছা, নির্দেশই শেষ কথা। আশাকরি তোমার আচরণে বা কোনও কাজে এমন কিছু প্রকাশ পাবে না যাতে উগ্রদেব তোমার প্রতি রুষ্ট হতে পারেন। পুষ্করিণীর কুমিরগুলো কিন্তু সত্যিই নরমাংসভোজী।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }